নেত্রকোণায় এস.এস.সি ২০২২ এ জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার হোগলা ইউনিয়নের  এস.এস.সি ২০২২ এ জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক নবীন বরণ ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল সকালে হোগলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হোগলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম খোকনের সভাপতিত্বে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ মেম্বার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আছমত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুদ্দিন, হোগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুর রশিদ সরকার, আব্দুল খালেক মাস্টারসহ হোগলা ইউনিয়নের জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও অভিবাবকবৃন্দসহ হোগলা ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পরে হোগলা ইউনিয়নের জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ২৯ জন শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সাফল্য

শিক্ষা ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সাফল্যের প্রশংসা করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। গতকাল মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র পড়তে যেতে পারেন এমন সম্ভাব্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত সবচেয়ে বড় ‘আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় মেলা (ইউ.এস. ইউনিভার্সিটি ফেয়ার) উদ্বোধনের সময় একথা বলেন তিনি।

ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়ার তথ্য বিস্তারিতভাবে জানাতে এডুকেশনাল প্রোগ্রামস (ইডিপ্রোগ্রামস) যৌথভাবে এই আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় মেলার (ইউ.এস. ইউনিভার্সিটি ফেয়ার) আয়োজন করেছে। ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত এই মেলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ৩ হাজার ৫শ’রও বেশি আগ্রহী অংশ নিয়েছেন।

রাষ্ট্রদূত হাস বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, আমরা বাংলাদেশিদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা দেখে রোমাঞ্চিত; যারা তাদের সম্ভাবনা উন্নত করতে এবং তাদের আবেগ খুঁজে পেতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পড়াশোনার জন্য বেছে নিয়েছে। এই শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যবান অবদান রাখেন।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যার বিষয়টি তুলে ধরে জানান, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থী পাঠানো দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ১৩তম।

মেলায় অংশগ্রহণকারী আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো: কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটি, এমব্রি-রিডল স্টেট ইউনিভার্সিটি, আইওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, কুইনিপিয়াক স্টেট ইউনিভার্সিটি, স্টোনি ব্রুক ইউনিভার্সিটি, ট্রাইন ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব অ্যারিজোনা, ইউনিভার্সিটি অব ডেলাওয়্যার, ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাভেন, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ডাকোটা, আর্লিংটনে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস ও ওয়েস্টার্ন কেনটাকি ইউনিভার্সিটি।

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বরাবরের মতো শীর্ষ গন্তব্যের দেশ ছিল। গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যা তিনগুণেরও বেশি বেড়েছে। ২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে যেখানে আমেরিকাতে পড়তে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ছিল ৩,৩১৪ জন; সেটা বেড়ে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১০,৫৯৭ জন হয়েছে।

‘এডুকেশনইউএসএ’ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের স্টেট ডিপার্টমেন্টের শিক্ষা বিষয়ক একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক, যেখানে বিশ্বের ১৭৮টি দেশে ৪২৫টিরও বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পরামর্শ কেন্দ্র যুক্ত রয়েছে। তারা বিশ্বব্যাপী শিক্ষার্থীদের কাছে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধ্যয়ন করার সুযোগ সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরার মাধ্যমে আমেরিকার উচ্চতর শিক্ষার প্রচার করে।

রাস্তায় নাচের ভিডিও প্রকাশ করায় প্রেমিক-প্রেমিকার ১০ বছরের জেল

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরানে রাস্তায় প্রকাশ্যে প্রেমিক যুগলের নাচের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার পর তাদেরকে দুর্নীতি, পতিতাবৃত্তি ও প্রোপাগান্ডা চালানোর জন্য দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ভিডিওটিতে এই প্রেমিক যুগলকে তেহরানের আজাদি টাওয়ারের কাছে নাচতে দেখা গেছে। নীতি পুলিশের হাতে আটক হওয়া এক নারীর মৃত্যুর পর দেশটিতে চলা বিক্ষোভে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে। তবে নিজেদের নাচের বিষয়টিকে ইরানে চলমান বিক্ষোভের সঙ্গে জড়াননি এই জুটি।

ব্রিটেন ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি পোস্ট করার পরে ওই প্রেমিক-প্রেমিকাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের সম্মিলিত ফলোয়ার প্রায় ২০ লাখ।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে পুলিশ হেফাজতে মাহসা আমিনি (২২) মারা যাওয়ার পর সরকারবিরোধী বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। তেহরানে নারীদের হিজাব বা স্কার্ফ দিয়ে চুল ঢেকে রাখার বাধ্যতামূলক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

২২ বছর বয়সী আমির মোহাম্মদ আহমাদি ও তার বাগদত্তা ২১ বছর বয়সী আস্তিয়াজ হাকিকিকে ‘দুর্নীতি ও পতিতাবৃত্তি প্রচার, জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং নীতিবিরোধী প্রচারণা’ চালানোর জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে৷

কোন অপরাধের জন্য তাদেরকে কত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে তাদের প্রত্যেককে মোট সাড়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। যদি তাদের বিরুদ্ধে এই রায় বহাল থাকে, তাহলে তারা দীর্ঘমেয়াদি সাজা ভোগ করতে চলেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদেরকে দুই বছরের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া ইরানের বিক্ষোভ ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা দেশটির শাসকদের জন্য সবচেয়ে গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিক্ষোভ দমন করার জন্য দেশটিতে অন্তত চারজন বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ডসহ এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তি প্রদান করা হচ্ছে।

রাজনীতি স্বচল থাকবে না….

রাজনীতিতে বিরোধী পক্ষ জরুরী। বিরোধী দল সরকারের সমালোচনা করবে এটাই গনতন্ত্র। কিন্তু আমাদের দেশের বিরোধী দলের নেতারা কখন কি বলেন বুঝে বলেন কিনা সন্দেহ রয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে বি এন পি অন্যতম একটি বৃহৎ বিরোধী দল। দীর্ঘ সময় দলটি রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল। এখন তারা কৌশল আর নেতৃত্বের ব্যর্থতায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় নেই। জাতীয় সংসদ থেকেও পদত্যগ করে দলটি এখন রাজনীতি থেকে ছিটকে পরেছে। চেষ্টা করেও সংগঠিত করতে পারছে না বি এন পি। যারা রাজনীতি নিয়ে চর্চা করেন তাদের অনেকেরই ধারনা নেতাদের ভুল সিদ্ধান্ত এবং লাগামহীন বক্তব্য দলটিকে এই অবস্থানে দাড় করিয়েছে।

১৪ বছরেও দলটি জনস্বার্থে একটি সফল আন্দোলন জমাতে পারেনি। নিত্য অফিস পাড়ায় লিখিত বক্তব্য পড়ে মিথ্যাচার ছড়িয়েছে। শুনে নেতা কর্মীরাও হতাশ হয়েছে। ক্ষমতায় যেতে আগুন সন্ত্রাস করে মানূষ হত্যা করেছে। এই সন্ত্রাস জনগন সমর্থন করেনি। উচিৎ ছিল এখানেই থেমে গিয়ে কৌশল বদলের। তা না করে দলটি বেপরোয়া হয়ে মিথ্যাচার করে সরকারকে জনতার মুখোমূখি করতে চেয়েছে। পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ছাড়াও খালেদা জিয়ার উপহাস করা বক্তব্য জনগন গ্রহন করেনি। জামাত কে সঙ্গী করে জোট বেঁধেছে নীতিহীন দলছুট নেতাদের সাথে। দলনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্নসাধের মামলায় অভিযুক্ত হয়ে জেলে গেছে। দলের টাকায় তারেক লন্ডনে বিলাসী জীবন কাটাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীরা দ্বন্দ্বে বিভক্ত। জামাত প্রীতি দলের মুক্তিযোদ্ধা গ্রুপটি মেনে নেয়নি। সব চেয়ে বড় কথা হলো দেশের সার্বিক উন্নয়নের বাস্তবতাকে অস্বীকার করে দলটি অজনপ্রিয় হয়েছে।

সরকার প্রচারনায় কান না দিয়ে দেশকে বদলে দিয়েছে। বর্তমান সরকার দেশে যে উন্নয়ন করেছে বি এন পি’র শাসনামলে তার ৫% শতাংশও করতে পারেনি। পদ্মা সেতু নিয়ে বি এন পি নেত্রী ব্যঙ্গ করেছেন, সেই সেতু এখন দেশের অহঙ্কার। পদ্মা সেতুতে উঠতে নিষেধ করেছিলেন খালেদা জিয়া। দক্ষিন বঙ্গের বি এন পি নেতারা এখন পদ্মা সেতুর উপর দিয়েই চলাচল করে। কারও জীবনের রিস্ক হয়নি, সেতু ভেঙ্গেও পরেনি। দলের নেতারা এখনও কি তাদের নেত্রীর কথাটি মান্য করবেন নাকি সেতুর বাস্তবতাটি? দলের কেন্দ্রীয় নেতা আমানউল্লাহ আমান বলেছেন ১০ই ডিসম্বরের পর দেশ পরিচালনা করবেন বেগম খালেদা জিয়া। ২০২৩ সালের জানুয়ারী মাসটিও শেষ হয়ে গেল। সরকার পরিচালনা করছেন শেখ হাসিনাই। বি এন পি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা নাকি “বাই চান্স হয়ে গেছে”। নাগরিক হিসাবে কতজন মানুষ এই বক্তব্যকে সমর্থন করে? দলের আরেক নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন দেশের সংবিধানই বদল করে ফেলবেন ক্ষমতা পেলে। যারা দেশের সংবিধানকে মানেনা তাদের দেশে ৯৬ রাজনীতি করার নৈতিক অধিকার কি থাকা উচিৎ? বি এন পি জোটের নেতা ভি পি নূরের কাছে লিষ্ট আছে ১০ তারিখে ২৭ ব্যক্তিকে নিয়ে একটি বিশেষ বিমান উড়ে যাবে। প্লেন রেডি রয়েছে। মাহামুদুর রহমান মান্না হিসাব দেখিয়ে বলেছেন দেশ আর মাত্র ৫ মাস চলার অর্থ দেশে রয়েছে তারপর দেশের অবস্থা শ্রীলঙ্কার মত হবে। যে যা’ই বলেছে তার কোনটাই হয়নি। বরং করোনা এবং রাশিয়ার যূদ্ধের কারনে পৃথিবীর বহু দেশে সঙ্কট শুরু হলেও বাংলাদেশে তা হয়নি। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে লোডশেডিং এর চাপ কিছুটা হয়েছে কিন্তু দেশ অচল হয়ে যায়নি। তার চেয়েও বড় কথা ব্যংকিং সেক্টরে ব্যপক লুট তরাজ হয়েছে কিন্তু দেশের প্রবৃদ্ধি ব্যহত হয়নি। দেশের উন্নয়নের গতি থেমে যায়নি।

নতুন বছরে দেশে নির্বাচনি হাওয়া বইছে। রাজনীতির লক্ষ্যটি হলো জনগনের সমর্থন নিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠা করা। এ বছরেই নির্বাচনি ঘোষনা আসবে, তা আগাম ঘোষনাও হতে পারে। নেতারা জনগনের কাছে ভোট চাইতে গিয়ে কি বলবে? যদি কেউ প্রশ্ন করে আপনাদের কোন কথাটি সত্য? কি জবাব দিবেন এই নেতারা? বি এন পি তাদের কোন অর্জনটিকে জনগনের কাছে নিয়ে যাবে ভোট চাইতে? নির্বাচিত হলে কে হবেন আপনাদের প্রধানমন্ত্রী বি এন পি নেতাদের কি সেই উত্তরটি জানা আছে? এসব কারনেই বি এন পি নির্বাচনে যেতে চায়না। দলটি চায় আওয়ামী লীগকে দোষী বানিয়ে জনগনের আদালতে দাড় করাতে। কিন্তু জনগন রাজনীতিটি বুঝে ফেলেছে। বর্তমান সরকারের কিছু নেতা দুর্নীতিতে জড়িয়েছে। সরকার তাদেরকে চিহ্নিত করে ফেলেছে। অভিযুক্তরা দলের মনোনয়ন না পেলে ভোটের চিত্রটি কি হবে? বি এন পি কি বিরোধী দলের আসনে বসতে পারবে? বি এন পি তা পারুক বা না’ই পারুক, এবার নির্বাচনে না গেলে বি এন পি দল হিসাবে স্বচল থাকতে পারবে মনে হয় না। 


আজিজুর রহমান প্রিন্স, কলামিস্ট ও আওয়ামীলীগ নেতা, টরন্টো, কানাডা

নেত্রকোণার পূর্বধলায় সড়ক দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়ায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার সদর ইউনিয়নের নসিবপুর গ্রামবাসীকে নিজেদের অর্থায়নে নির্মিত সড়ক দিয়ে চলাচলে বাধা প্রদান করছে গ্রামের কিছুলোক।

এরই প্রতিবাদে মানববন্ধন সহ বিভিন্ন  কর্মসূচি করে। এলাকাবাসী নিজের অর্থায়নে নির্মিত সড়ক দিয়ে চলাচলের জন্য গ্রামবাসী এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

এলাকাবাসী জানায় জেলার নসিবপুর গ্রামবাসী চলাচলের জন্য পূর্বধলা- নেত্রকোণা সড়কের গ্রামের এক জায়গায় নিজেরা টাকা দিয়ে গ্রামের আবদুস ছাত্তার,আবদুল হেকিমদের কাছ থেকে এক লাখ টাকায় দুই শতাংশ জমি ক্রয় করেন। গ্রামবাসী নিজেরা উদ্যোগী সড়কও নির্মাণ করেন। গত ২৩ ডিসেম্বর টাকা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের মাধ্যমে জমির টাকাও পরিশোধ করেন।

পরবর্তী সময়ে হয়ে আবদুস ছাত্তার, আবদুল হেকিম ও তাদের লোকজন সড়কের মাটি কেটে ফেলেন এবং গ্রামবাসীকে চলাচলে বাধা প্রদান করেন।

বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে জানানো হলেও কোন সুরাহা হচ্ছে না। এ নিয়ে গ্রামবাসী গতকাল সোমবার গ্রামের সড়কে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- পূর্বধলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মো. আবদুর রশিদ, পূর্বধলা বাজারের ব্যবসায়ী মো. শাহীন মিয়া, কৃষক বকুল মিয়া প্রমুখ।

এ সময় মানববন্ধনে অংশগ্রহন কারীরা তাদের চলাচলের জন্য সড়কে বাধা না দেওয়ার দাবি জানান এবং স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

লালমনিরহাটের দিঘলটারী সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ৪৫০ ভরি স্বর্ন জব্দ, আটক-১

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দীঘলটারী সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ৪৫০ ভরি ওজনের ৪৫টি স্বর্নের বার সহ এক পাচারকারী আটক হয়েছে।

আটককৃত পাচারকারীর নাম আজিজার রহমান  (৫৮)। তিনি লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর বানিয়াটারী গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। জব্দকৃত এসব স্বর্নের আনুমানিক মুল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা।

বিজিবি জানায়, লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়ানের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ, পিএসসি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, লালমনিরহাট জেলার দিঘলটারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ কুটিরচর নামক এলাকা দিয়ে একজন লোক ভারতে স্বর্ণ পাচার করবে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অধিনায়কের নির্দেশনায় দিঘলটারী বিওপি কমান্ডার এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহলদল আনুমানিক ০৩.৩০ ঘটিকায় বিওপি হতে আনুমানিক ২ কিলোমিটার উত্তর পূর্ব দিকে সীমান্ত পিলার ৯২৫/৭-এস হতে প্রায় ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলাবাগানে অবস্থান নিয়ে ওৎ পেতে থাকে। আনুমানিক ০৯.১৫ ঘটিকায় বিজিবির টহলদল একজন ব্যক্তিকে ওই পথে আসতে দেখে ধাওয়া করলে সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে টহলদল ধাওয়া করে ১০০ গজ দূরে তামাক ক্ষেত হতে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।

আটককৃত ব্যক্তিকে তল্লাশী করে কোমরে কাপড় দিয়ে বেধে রাখা অবস্থায় কসটেপ দিয়ে মোড়ানো ০২টি প্যাকেট উদ্ধার করে। পরে বিজিবির টহলদল আসামীসহ প্যাকেট দুইটি বিওপিতে নিয়ে আসে। অধিনায়কের উপস্থিতিতে প্যাকেট দুইটি খুলে ৪৫টি স্বর্ণের বার (২৪ ক্যারেট) পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের ওজন ৫২৪৮.৭২ গ্রাম (৪৫০ ভরি ৩ আনা ১ রতি) এবং বর্তমান আনুমানিক বাজার মূল্য চার কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।

লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়ানের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ, পিএসসি জানান, আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে স্বর্ন চোরাচালান আইনে মামলা দায়ের করে আদিতমারী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। জব্দকৃত স্বর্ণ লালমনিরহাট ট্রেজারী অফিসে জমা করার প্রক্রিয়া চলছে।

দুশ্চিন্তার ভাঁজ বোরো চাষিদের!

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের সদর ও রাজনগর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওর ও আশপাশের প্রায় সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর জমিতে বছরে দুই ফসলা নিরাপদে তোলার জন্য মনু নদের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। ১৯৮২ সালে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পর শুকনো মৌসুমে মৌলভীবাজারের মনুনদে নির্মিত ব্যারেজের পাশ দিয়ে খাল খনন করে বোরো জমিতে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে খালগুলো সংস্কার না করায় ভরাট হয়ে যায়। এতে বিঘ্নিত হয় পানি সরবরাহ। ফলে সদর উপজেলার একাটুনা, কচুয়া, বড়কাপন, রায়পুর, বানেশ্রী, পাড়াশিমইল, কান্দিগাঁও, সানন্দপুর, জুমাপুর, জগৎপুর ও কাদিপুর এলাকার প্রায় ৩শত একর বোরো জমি অনাবাদি থেকে যাওয়ার আশঙ্কার মধ্যে পড়েন কৃষকেরা।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভালো ফসলের স্বার্থে বোরো চাষ নিশ্চিতে সময়মতো পানি সরবরাহের দাবি ছিল বেশ কয়েক বছর ধরে। এবারও মনু সেচ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১২টি গ্রামের ৩ শতাধিক একর ফসলের জমিতে পানির অভাবে সেচ সংকট দেখা দেয়। মনু নদ সেচ প্রকল্পের সেচ খালের বিভিন্ন স্থানে ঘাস, কচুরিপানা, মাটি ও ময়লা-আবর্জনায় ভরাট ছিল। দেড় থেকে দুই ফুট লম্বা ঘাস গজায়। খালের শেষের দিকের অংশ উঁচু হয়ে থাকায় মনু নদের মনু ব্যারাজে স্লুইসগেট (জলকপাট) খুলে দেয়া হলেও পানি খালের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত ছুঁতে পারেনি।

কয়েক বছর ধরেই পানি নিয়ে এই টানাপোড়ান চলছে চাষ। বোরো চাষের মৌসুমে স্থানীয় কৃষকেরা ঘাস, আগাছা পরিষ্কার করে জমিতে পানি নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায় না।বোরো ধান চাষের মৌসুম চলছে। তবে পর্যাপ্ত পানির অভাবে কয়েকদিন আগেও যে ফসলের মাঠ খাঁ খাঁ করছিল, এখন সেই মাঠ জুড়ে সবুজের হাতছানি। কিন্তু তৃপ্তির হাসির ফাঁকেও শঙ্কায় রয়েছেন মৌলভীবাজারের হাওরপারের কৃষকেরা।

কাদিপুর এলাকার কৃষক আলী হোসেন বলেন, ‘এক একরে যেখানে ৪৫ থেকে ৫০ মন ধান পাওয়া যেত, এবার দেরিতে চারা রোপণের ফলে একর প্রতি ৩৫ থেকে সর্ব্বোচ্চ ৪০ মণ ধান পাওয়া যাবে। বোরো চাষের ওপর নির্ভরশীল কৃষকের জন্য এখন প্রতিটি দিনই খুব গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে বানেশ্রী এলাকার কৃষক মুকুন্দ দাশ বলেন, পানির অভাবে সময়মতো জমি চাষ ও হালি চারা রোপণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। ফলন এবার আশানুরূপ আসবে না।’

জানা গেছে, সময়মতো পানি সরবরাহের দাবি জানিয়ে হাওর রক্ষা সংগ্রাম কমিটির ব্যানারে গত ৭ জানুয়ারি পাউবো মৌলভাবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবরে স্মারকলিপি দেন এলাকার কৃষকরা। পরে তড়িঘড়ি করে সেচ খাল পরিষ্কার করা হয়। এতে কৃষকদের ফসলের জমিতে পানি প্রবেশ করে। বোরো চাষের সুযোগ পান হাওরপাড়ের কৃষকরা।

শেষ পর্যন্ত বোরো চাষ যে শুরু করা গেছে জানিয়ে হাওর রক্ষা সংগ্রাম কমিটি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক রাজন আহমদ বলেন, ‘রোপণে যত দেরি হয়, ততই হালি চারার বয়স বাড়ে। আর হালি চারার বয়স বাড়ার কারণে ফসলের উৎপাদন কমে যায়। এবার চারা রোপণে সময়মতো পানির সরবরাহ না হওয়ায় ফসল কম উৎপাদন হবে। ফসল কম পেলে কৃষকদের পক্ষে খরচ তোলাই কঠিন হবে। এতে কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তারা সেই শঙ্কায় আছেন।’

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী খাল খনন করা হয়েছে। একই সঙ্গে মনু ব্যারাজের স্লুইসগেট (জলকপাট) বন্ধ রেখে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।’

ইউক্রেনকে যুদ্ধ বিমান দেবে না যুক্তরাষ্ট্রঃ জো বাইডেন

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ রাশিয়ার সেনাবাহিনীকে প্রতিহত করতে ট্যাংকের পাশাপাশি যুদ্ধ বিমানও চেয়েছে ইউক্রেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়েছেন, তারা ইউক্রেনকে যুদ্ধবিমান দেবেন না। গতকাল সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। খবর বিবিসি।

যুক্তরাষ্ট্রের আগে জার্মানিও ইউক্রেনে যুদ্ধ বিমান না দেওয়ার কথা জানায়।

এদিকে, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার এক বছর পূর্ণ হবে। ওই সময়ে ইউক্রেনের প্রতিবেশি দেশ পোল্যান্ডে যেতে পারেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইউক্রেনের পাশে আছে- এমন বার্তাই তার এ সফরের লক্ষ্য।

পোল্যান্ড সফরের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, তিনি কখন পোল্যান্ডে যাবেন এখনো ঠিক হয় নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডে চাকরির সুযোগ

চাকরির খবরঃ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রতিষ্ঠানটি উপসহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা/প্রাক্কলনিক পদে ৪৩ জন কর্মী নিয়োগ দেবে। আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নামঃ উপসহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা(পুর)/প্রাক্কলনিক।

পদ সংখ্যাঃ ৪৩।

যোগ্যতাঃ স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান বা ইনস্টিটিউট থেকে পুরকৌশল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি। শিক্ষাজীবনের কোনো স্তরেই তৃতীয় শ্রেণি বা বিভাগ গ্রহণযোগ্য হবে না। এমএস ওয়ার্ড, এক্সেলসহ কম্পিউটার চালনায় অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বেতন স্কেলঃ ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা।

বয়সসীমাঃ আবেদনকারীর বয়স ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সের উচ্চসীমা ৩২ বছর। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রার্থীদের বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সর্বোচ্চ বয়সসীমার মধ্যে থাকলে ওই প্রার্থী আবেদন করার সুযোগ পাবেন। বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য।

আবেদনের নিয়মঃ অনলাইন থেকে আগ্রহীদের আবেদন করতে হবে।

আবেদন ফিঃ ৫০০ টাকা।

আবেদনের শেষ সময়ঃ ১ মার্চ ২০২৩, বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

চীনের সিচুয়ানে বিয়ে ছাড়াও সন্তান জন্ম দেওয়া যাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চীনে গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কমেছে জনসংখ্যা। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন দেশটির সরকার। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে এরই মধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে চীন। এবার সিচুয়ান প্রদেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সব ধরনের বিধিনিষেধ বাতিল করেছে চীনা সরকার। বলা হয়েছে, এখন থেকে বিয়ে ছাড়াও সন্তান জন্ম দেওয়া যাবে।

গতকাল সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সিচুয়ানের স্বাস্থ্য কমিশন ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রাদেশিক সরকারের তালিকায় যে কেউ জন্মনিবন্ধন করাতে পারবেন। আগে বিবাহিত নারী-পুরুষ সর্বোচ্চ দুটি সন্তানের জন্মনিবন্ধন করাতে পারতেন। ওই প্রদেশে এখন যত খুশি তত সন্তান নিতে পারবেন বিবাহিত দম্পতিরা।

সিচুয়ানের প্রাদেশিক সরকার জানিয়েছে, এ নিয়ম আগামী পাঁচ বছর বলবৎ থাকবে।

মূলত, ১৯৭৯ সালে দেশটিতে গ্রহণ করা হয় ‘এক সন্তান নীতি’। আইন লঙ্ঘনকারীদের জরিমানা গোনার পাশাপাশি হারাতে হতো চাকরিও। ২০১৬ সালে বিতর্কিত নীতিমালা পরিহার করে সরকার। তবুও সাম্প্রতিক আদমশুমারিতে উঠে আসে, ছয় দশকের মধ্যে ২০২২ সালে দেশটির জনসংখ্যা কমেছে সাড়ে ৮ লাখ। এই ধারা অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে ২০৫০ সাল নাগাদ চীনে জনসংখ্যা কমবে অন্তত ১১ কোটি।

জনসংখ্যার হার কমার কারণে হ্রাস পাবে তরুণ প্রজন্মের সংখ্যা। এরফলে কমবে জনশক্তি এবং রাজস্ব আয়। বিপরীতে বাড়বে সমাজকল্যাণ এবং স্বাস্থ্য ব্যয়। আর এসব বিষয় মাথায় রেখেই সন্তান নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে সিচুয়ান প্রদেশের সরকার।

চীনের জন্ম নীতিতে অবশ্য অবিবাহিত নারীদের সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। এ ব্যাপারে স্পষ্টভাবে কোনো নিষেধাজ্ঞাও নেই। তবে কোনো নারী যখন জন্মপূর্বকালীন সরকারি সেবা, মাতৃত্বকালীন ছুটির বেতনের সুবিধা নিতে যান তখন তাদের বিয়ের প্রমাণ দেখাতে হয়।