এবার এস্তোনিয়ার রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করল রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ উরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যরাষ্ট্র এস্তোনিয়ার রাষ্ট্রদূত মার্গুস লেইদ্রেকে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মস্কো ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে রাশিয়া। সেই সঙ্গে এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিনে নিজেদের দূতাবাসও বন্ধ করে দিয়েছে রুশ সরকার। খবর বিবিসি।

গতকাল সোমবার (২৩ জানুয়ারি) রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্বে যেসব দেশ রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভীতি ছড়াচ্ছে এবং আমাদের দেশের বিরুদ্ধে অন্যান্য দেশে প্রতিকূল মনোভাব উসকে দিচ্ছে- এস্তোনিয়া তাদের মধ্যে অন্যতম। পরিস্থিতি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে মনগড়া ভীতি ছড়ানোকে তাল্লিন তার রাষ্ট্রীয় নীতির অন্তর্ভুক্ত করে ফেলেছে। তাই আমরাও এই পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছি।

এক সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া ঝাখারোভা বলেন, এটা সবাই জানে যে, যেসব দেশ রাশিয়ার প্রতি সবচেয়ে নিষ্ঠুর মনোভাব পোষণ করে, এস্তোনিয়া তাদের মধ্যে অন্যতম।

উল্লেখ্য, ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ইইউ’র কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নিল রাশিয়া।

মাকে হত্যার দায়ে ছেলেসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

নোয়াখালীতে মাকে হত্যার দায়ে ছেলেসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। সুবর্ণচরে সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মাকে ৫ টুকরা করে হত্যার ঘটনায় সন্তান হুমায়ুন কবির হুমুসহ (২৭) সাত আসামিকে এই দণ্ডাদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিলুফার সুলতানা এই আদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-সন্তান হুমায়ুন কবির হুমু (২৭), নিরব (২৬), নুর ইসলাম (৩২), কালাম (৩০), সুমন (৩৩), হামিদ (২৮) ও ইসমাইল (৩০)।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গুলজার আহমেদ জুয়েল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এটি একটি নির্মম হত্যাকাণ্ড। যে মা সন্তানকে জন্ম দিলেন সেই সন্তান কীভাবে মাকে হত্যা করে। এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট। আশা করি উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।

মামলা বিবরণ থেকে জানা যায়, নুর জাহানের প্রথম সংসারের ছেলে বেলাল হোসেন ঘটনার বছরখানেক আগে মারা যান। তার ঋণের টাকা পরিশোধ নিয়ে দ্বিতীয় সংসারের ছেলে হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে নুর জাহানের বনিবনা হচ্ছিল না। এর জেরেই মাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন হুমায়ুন। আর সেই হত্যাকাণ্ডে বন্ধু, প্রতিবেশী ও স্বজনরা তাকে সহায়তা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৬ অক্টোবর রাতে নুর জাহানকে প্রথমে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়। পরে লাশ পাঁচ টুকরো করে প্রতিবেশী ও পাওনাদারদের ধানক্ষেতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে আসামিদের মধ্যে পাঁচজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন। একই সঙ্গে আটকদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মাংস কাটার ধারালো অস্ত্র, বঁটি, একটি কোদাল ও নারীর পরনে থাকা শাড়ি উদ্ধার করে পুলিশ।

গৌরীপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

ময়মনসিংহের গৌরীপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয় হতে প্রাপ্ত শীতবস্ত্র (কম্বল) অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার ২২ জানুয়ারী রাত ১০ টায় উপজেলা পৌরশহরে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে ছিন্নমূল, রিকশাচালক ও দুস্থ  মানুষদের গায়ে শীতের কম্বল জড়িয়ে দেন। অপ্রত্যাশিত ভাবে কম্বল উপহার পেয়ে  মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটে উঠে।

প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসেন জুয়েলের নেতৃত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের  সহ-সভাপতি আলী হায়দার রবিন,  সাধারণ সম্পাদক আবু কাউছার চৌধুরী রন্টি ,  যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ বিপ্লব,  সাংবাদিক কাজী আব্দুল্লাহ আল-আমিন,  ফারুক আহামেদ,  আরিফ আহমেদ,  রাকিবুল ইসলাম রাকিব,  ওবায়দুর রহমান প্রমুখ।

কালিপুর মধ্যমতরফ মহল্লার বৃদ্ধা মতির মা বলেন, শীতে গরম কাপড় না থাকায় কষ্ট হচ্ছিল। সাংবাদিকরা রাতে বাড়িতে এসে কম্বল জড়িয়ে দিয়েছে। আমি খুব খুশি। গোলকপুর মহল্লার কাশেম বলেন, শীতের রাতে সাংবাদিকরা এসে আমাদের পল্লীর অসহায়দের কম্বল দিয়েছে। উপহার ছোট হলেও সবাই খুশি। ছয়গন্ডা মহল্লার স্বামীহারা বৃদ্ধা রেজিয়া আক্তার বলেন এ শীতে ঘর থেকে বের হতে পারছিলাম না। কম্বল পেয়ে আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া।

প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসেন জুয়েল  বলেন, প্রকৃত দুস্থ ও অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে আমরা রাতের বেলায় ঘুরে ঘুরে দুই শতাধিক কম্বল উপহার দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। কম্বল পাওয়ার পর মানুষগুলোর মুখে যে হাসি ফুটেছে সেটাই আমাদের পরম পাওয়া। ৫০ জন দুঃস্থ অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়।

শিক্ষাক্ষেত্রে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে-গোটাটিকরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সিলেট শিক্ষাক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে। এই ব্যাপারে আমাদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। কারণ শিক্ষা একটি পরিবারকে উন্নত আসনে নিয়ে যেতে পারে। এছাড়াও তিনি বলেন, আমাদের দেশকে জাপানের সাথে তুলনা করতে পারি। কারণ জাপানের অনেক মানুষ আছে যা তাদের শক্তি, আর আমাদের ও প্রচুর মানুষ আছে এদের দক্ষ করতে পারলে আমরাও শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত হতে পারবো।

দক্ষিণ সুরমার গোটাটিকর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, গোটাটিকর হাইস্কুলের মতো আরো স্কুলে যাতে সোনার মানুষ গড়ে উঠে সেই দিকে নজর দিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট ৬ লেনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আমাদের এ দিকে এখনও হয়নি কারণ এইখানকার ভূমি অধিগ্রহণ করতে দেরী হচ্ছে।

পুনর্মিলনী ও সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মো. সাইস্তা মিয়ার সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব শাহেদ আহমদ আরবীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট ৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সাবেক সাংসদ শফি আহমদ চৌধুরী, গোটাটিকর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খালেদ নূরুল হোসেন, ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আজম খান, অ্যাডভোকেট বিপ্লব কান্তি দেব মাধব, প্রবাসী মতিউর রহমান চৌধুরী, তাজ উদ্দিন জুমের, এন আর বি ব্যাংকের পরিচালক গিয়াস উদ্দিন।

এর আগে শনিবার সকালে গোটাটিকর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে উদযাপন পরিষদের দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কেক কাটার মাধ্যমে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক
চৌধুরী।

পরে একটি বিশাল শোভাযাত্রা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রা শেষে স্কুল প্রাঙ্গনে সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থী মিলে নাচ, গান করে মাতিয়ে তুলেন। তারপর সারাদিন ব্যাপী আলাদা আলাদা ব্যাচের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

পাঠ্যবইয়ের ভুল-ভ্রান্তি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

শিক্ষা ডেস্ক: পাঠ্যবইয়ের ভুল-ভ্রান্তি নিয়ে আলোচনা এখন সর্বত্র। এ নিয়ে কয়েক দফা কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তথ্য বিকৃতি, সংশোধনী ও এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ নিয়ে এবার তিনি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন।গতকাল সোমবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়েরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, আজ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে নতুন শিক্ষাক্রমের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে। এতে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পাঠ্যবইয়ের সব যৌক্তিক ভুল সংশোধন করা হবে, কিন্তু কোনো মিথ্যাচার মেনে নেওয়া হবে না।

দীপু মনি বলেন, আমি কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত। কারণ শুধু শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয় বা শিক্ষা বোর্ড নয়, দেশের সব মানুষ পাঠ্যবই পড়ছেন। আমি চাই, তারা এটি আরও সূক্ষ্মভাবে দেখুক এবং গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শ আমাদের দিক। আমরা খোলা মনে সব পরামর্শ বিবেচনা করব এবং যৌক্তিক মনে হলে তা পরিমার্জন, পরিশোধন, পরিশীলন করব।

তিনি বলেন, আমরা মানুষ, আমাদের ভুল হতে পারে। ৩৫ কোটি বই ছাপা হয়, এটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। আমরা সব যৌক্তিক ভুল সংশোধন করব। কিন্তু মিথ্যাচার মেনে নেওয়া হবে না।

কুলাউড়ায় অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে দুই ভারতীয় কারাগারে

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। রোববার (২২ জানুয়ারি) উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় টহলকালে তাদেরকে আটক করে বিজিবি পরে কুলাউড়া থানায় হস্তান্তর করে।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন- ভারতের ত্রিপুরা জেলার কবিল থানার বিনয়নগর গ্রামের ফাকিল হাওলাদারের ছেলে মো. ফিরোজ হাওলাদার (৩০) ও ভালসাড জেলার পালগ্রাম থানার হাকিম খানের ছেলে মো. মাইকেল খান (৩২)।

Google Newsডিজিটাল বাংলা নিউজ” অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

বিজিবি-৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিজানুর রহমান শিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারত থেকে আসা অবৈধপথে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকালে দত্তগ্রাম সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময় অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের দায়ে চালকবিহীন একটি সিএনজি অটোরিক্সা জব্দ করা হয়।তিনি আরও জানান, আটককৃতরা বিনা পাসপোর্টে ভারত থেকে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পর নিকটস্থ কুলাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুছ ছালেক জানান, আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ফুলবাড়ীতে উদ্বোধনের অপেক্ষায় উপজেলা মডেল মসজিদ

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা সদরের প্রানকেন্দ্রে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। ইতোমধ্যেই মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। তিন তলা বিশিষ্ট এ মডেল মসজিদটি উদ্বোধন হলে একসাথে ৯০০ মুছল্লি নামাজ আদায় করতে পারবে।

জানা গেছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর বাস্তবায়নে এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ১১ কোটি ৩৮ লাখ ৯২ হাজার ১০৬ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হল মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। সাজিন কন্সট্রাকশন লিঃ এ্যান্ড বাবর এ্যাসোসিয়েটস (জেভি) নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মসজিদটি নির্মান করেছে।

তিন তলা বিশিষ্ট এ মসজিদটির নিচতলা ১৭ হাজার বর্গফুট, ২য় তলা ৯ হাজার ৮শ বর্গফুট ও ৩য় তলা ৯ হাজার ৮শ বর্গফুট আয়তন বিশিষ্ট। দৃষ্টিনন্দন এ মডেল মসজিদটি ইতিমধ্যেই উপজেলাবাসীর নজর কেড়েছে।

মসজিদটিতে বিশেষ কিছু সুবিধা রয়েছে। সুবিধা গুলো হচ্ছে হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণসহ হজ পালনের জন্য ডিজিটাল নিবন্ধনের ব্যবস্থা, নারী ও পুরুষের পৃথক অজুখানা ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, প্রতিবন্ধী মুসল্লিদের টয়লেটসহ নামাজের পৃথক ব্যবস্থা, ইসলামিক বই বিক্রয়কেন্দ্র, ইসলামিক লাইব্রেরী, অটিজম কর্নার, ইমাম ট্রেনিং সেন্টার, ইসলামিক গবেষণা ও দ্বীনি দাওয়া কার্যক্রম, কোরআন হেফজখানা, শিশু ও গণশিক্ষা ব্যবস্থা, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আবাসন ও অতিথিশালা, মরদেহ গোসল ও কফিন বহনের ব্যবস্থা, ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা। এছাড়াও রয়েছে নিরাপত্তার জন্য সিকিউরিটি গার্ড রুম। রয়েছে গাড়ি পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা।

Google Newsডিজিটাল বাংলা নিউজ” অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুন অর-রশিদ জানান, উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। আমরা ফুলবাড়ীবাসী দৃষ্টিনন্দন এই মডেল মসজিদে নামাজ পড়ার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছি।

মডেল মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানান, ফুলবাড়ী উপজেলার মডেল মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। একজন পেশ ইমাম কাম খতিব, একজন মুয়াজ্জিন ও দুইজন খাদেম নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আশাকরি ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে। আশা করছি খুব অল্প সময়ের মধ্যে মসজিদটির উদ্ধোধন হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমন দাস জানান, ইতিমধ্যেই ফুলবাড়ী উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। আশা করছি ফেব্রুয়ারী মাসের শেষের দিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফুলবাড়ী উপজেলা মডেল মসজিদসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার নির্মানধীন মডেল মসজিদ গুলো তৃতীয় ধাপে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্ধোধন করবেন।

কুড়িগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান খন্দকার জানান, ফুলবাড়ী মডেল মসজিদের কাজ শেষ হয়েছে। তৃতীয় ধাপে উদ্বোধনের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন এ মডেল মসজিদটি মুছল্লিদের নামাজের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ডিবিএন/এসডিআর/মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

কমলগঞ্জে বোরো চাষে নালার দাবিতে মানববন্ধন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: পানি নিঙ্কাশন ও বোরো চাষের সেচের সুবিধার জন্য মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বাঘজুর নালা খননের দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের শ্রীসূর্য্য ইয়াবরন এলাকায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও কৃষকরা নালা খননের দাবিতে মানববন্ধন করেন।

কৃষকরা জানান, পতনউষারের ইয়াবরন মাঠে পানি নিস্কাশন ও সেচের মাধ্যমে বোরো চাষাবাদের একমাত্র মাধ্যম বাঘজুর নালা। বর্তমানে নালাটি ভরাট ও ঝোপজঙ্গলে ভরপুর হওয়ায় পানি না আসায় বোরো আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাছাড়া বর্ষা মৌসুমে সঠিকভাবে পানি নিস্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ফলে বাঘজুর নালা খনন খুবই জরুরী বলে স্থানীয়দের দাবি। নালা খননের দাবিতে সম্প্রতি এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। মানববন্ধনে স্থানীয় কৃষক আব্বাস খান, ফিরুজ খান, আব্দুল কাদির, মুহিত আলী, মঈনুদ্দিন, আশরাফ খান, নিলু চন্দ্র শীল বক্তব্য রাখেন।
তাঁরা বলেন, প্রায় ১ কি.মি. দৈর্ঘ্য ও ২ থেকে মিটার প্রস্ত বিশিষ্ট এই নালা দিয়ে কয়েক হাজার হেক্টর জমির পানি নিষ্কাশিত হয়৷ তবে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে এর প্রস্থ এতটাই সরু হয়েছে যে কোনোকোনো যায়গায় এক কদমেই পার হওয়া যায়। এর কারণে বর্ষা মৌসুমে আমন ফসল সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় এবং বোরো মৌসুমে পানির অভাবে চাষ করা যায়না। নালাটি খনন করলে এই বোরো মৌসুমে কয়েক হাজার হেক্টর বোরো চাষ করা সম্ভব।
তারা আরও বলেন, আমারা স্বোচ্ছাশ্রমে নালার ঝোপজঙ্গল ও কিছু মাটি এলাকার একটি কবরস্থানে নেওয়া হয়েছে। এই বনে যাতে বোরোচাষ না হয় এজন্য একটি কুচক্রী মহল উদ্দেশ্যমূলক ভাবে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ এনে সংষ্কারের কাজ বন্ধ করে দেয়।
পতনঊষার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অলি আহমদ খান বলেন, বাঘজুড় নালা খননের জন্য আমি উপজেলা সমন্বয় মিটিয়ে উত্থাপন করেছি।
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন বলেন, বাঘজুড় নালা খননের বিষয়ে প্রয়োজনে যথাযত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

রাণীশংকৈলে ৩০০ কম্বল ও ৬৫ টি কোরআন শরীফ বিতরণ

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈলে সোমবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা আদর্শ মানবিক প্রবাসী সংগঠনের উদ্যোগে পৌরশহরের আলী আকবর মেমোরিয়াল অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী স্কুল মাঠে অসহায় নারী-পুরুষ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩০০ কম্বল ও ৬৫ টি কোরআন শরীফ বিতরণ করা হয়েছে।

প্রবাসী অভিভাবক আলহাজ্ব এবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে বিতরণ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ.লীগ সহ সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, শেফালি বেগম ও হরিপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোতাহারা বেগম সুমী।

Google Newsডিজিটাল বাংলা নিউজ” অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

আরো বক্তব্য দেন, প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, ফারুক হোসেন, ভোরের কাগজ প্রতিনিধি মোবারক আলী, কালের কন্ঠ প্রতিনিধি সফিকুল ইসলাম শিল্পী, দৈনিক করতোয়া প্রতিনিধি মো. বিপ্লব, জেলা ছাত্রলীগ সহ সভাপতি সোহেল রানা, প্রবাসীর সন্তান মোছাঃ মুসকানসহ প্রবাসীদের অভিভাবকবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে অতিথিরা অসহায় শীতার্ত নারী -পুরুষ ও মাদ্রাসার হাফেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র হিসাবে ৩০০ টি কম্বল ও ৬৫ টি কোরআন শরীফ বিতরণ করেন।

ন্যাটোর সদস্য হওয়ার জন্য সুইডেনকে আর সমর্থন দেবে না তুরস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ স্টকহোমে কোরআন পোড়ানোর জেরে সুইডেনকে আর ন্যাটোর সদস্য হওয়ার জন্য তুরস্ক সমর্থন করবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।সুইডেনকে তারা আর ন্যাটোর সদস্য হওয়ার জন্য সমর্থন করবেন না।

ন্যাটোর নিয়মানুযায়ী, তাদের গোষ্ঠীভুক্ত সব দেশ সমর্থন করলেই নতুন কোনো দেশ সদস্য হতে পারে। তাই তুরস্ক বিরোধিতা করলে সুইডেনও ন্যাটোর সদস্য হতে পারবে না। চলতি মাসে প্রথমে সুইডেনে কুর্দি জনগোষ্ঠীর একটি প্রতিবাদ সমাবেশে এরদোয়ানের কুশপুতুল পোড়ানো হয়। তারপর সেখানে শনিবার কোরআন পোড়ানো হয়।

এরপরই এরদোয়ানের প্রতিক্রিয়া হলো, সুইডেন এখন যেন ন্যাটোতে আমাদের সমর্থন প্রত্যাশা না করে। আমাদের দূতাবাসের সামনে যারা এই সব ভয়ংকর কাজ করছে, তাদের আমরা সমর্থন করব না।

সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলস্টর্ম বলেন, আমাদের দেশে মতপ্রকাশের চূড়ান্ত স্বাধীনতা আছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, সরকার বা আমি এই মতামত বা কাজকে সমর্থন করছি। তবে এরদোয়ানের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া দেওয়ার আগে তিনি ভালো করে বুঝতে চান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ঠিক কী বলতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, ন্যাটোর সদস্যপদ নিয়ে ফিনল্যান্ড, সুইডেন ও তুরস্কের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছে, তা তারা মেনে চলবেন।

এরদোয়ানের ভাষ্যমতে, গত শনিবার এই প্রতিবাদের অনুমতি সরকার দিয়েছিল। আর সবকিছু মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নাম দিয়ে চালানো যেতে পারে না। বিশেষ করে শনিবার যা হয়েছে, তা ধর্মনিন্দা, কোনোভাবেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উদাহরণ নয়।

তবে ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল স্টলটেনবার্গও বলেন, ন্যাটোর দেশগুলোতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে। ন্যাটো দেশগুলোতে এসব ঘটনা অন্যায্য হলেও রাতারাতি বেআইনি বলা হয় না।

কিন্তু তুরস্কর বক্তব্য হলো, শনিবারের বিক্ষোভের অনুমতি কেন দেওয়া হলো? আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অধিকার কারো নেই। আমরা যখন কোনো কথা বলি, তখন তা সরাসরি বলি। আর কেউ যদি আমাদের অপমান করে, তখন তাদের জায়গা কোথায়, সেটাও দেখিয়ে দিই।

তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, যেহেতু সরকার ওই বিক্ষোভ নিয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, তাই তারা সুইডেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফর বাতিল করেছেন।