বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাতের সময় বন্ধ থাকবে যেসব রাস্তা

গাজীপুরের টঙ্গীতে শুক্রবার আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ৫৬তম বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। এ দিন ফজর নামাজের পর থেকেই মাওলানা সা’দ কান্ধলবী অনুসারী মুসল্লিদের ইজতেমা শুরু হয়। পাকিস্তানের মাওলানা ওসমান ফজর নামাজের পর থেকেই আগত মুসল্লিদের উদ্দেশ্য আম বয়ান শুরু করেন। তাৎক্ষণিকভাবে সেটি বাংলায় তর্জমা করেন জিয়াবিন কাশিম। আগামীকাল রোববার ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাত হওয়ার কথা রয়েছে। আখেরি মোনাজাত উপলক্ষ্যে গাজীপুর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম।

আজ শনিবার সকালে টেশিস শিল্প সংস্থার মাঠে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, আখেরি মোনাজাতে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। মোনাজাত উপলক্ষে বেশ কয়েকটি বিশেষ বাস ও ট্রেন চলাচল করবে।

তিনি আরও বলেন, আখেরি মোনাজাতে অংশ নেওয়া ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের যাতায়াত সুগম করার জন্য শনিবার রাত ১২টার পর থেকে টঙ্গী-কামারপাড়া রোড, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে গাজীপুরের ভোগরা বাইপাস পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া ময়মনসিংহ ও গাজীপুরগামী যানবাহন গাবতলী দিয়ে কোনাবাড়ি হয়ে এবং ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী যানবাহনগুলোকে ভোগরা বাইপাস দিয়ে ৩০০ ফিট রাস্তা ব্যবহার করে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ ইব্রাহিম খান, উপপুলিশ কমিশনার (সদর ও অর্থ) মোহাম্মদ ইলতুৎ মিশ, উপপুলিশ কমিশনার মাহবুব-উজ-জামান প্রমুখ।

মানুষ এখন আগের মতো কাথা ব্যবহার করে না-পরিবেশমন্ত্রী

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: পরিবেশ জলবায়ু ও বন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেন, পাহাড় টিলা কাটা যাবে না। যারা পাহাড় টিলা কাটার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি আরো বলেন, ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে জুড়ী শহরে সড়ক উন্নয়নের কাজ চলছে। মৌলভীবাজারের জুড়ী ফুলতলা আঞ্চলিক সড়কের ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। শীঘ্রই সকল কাজ সমাপ্ত হবে। আরো একশ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এছাড়াও লাঠিটিলায় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক নির্মাণ হবে। এটি স্থাপন হলে দেশ বিদেশের পর্যকরা এখানে আসবেন। এতে জুড়ীর মান মর্যাদা বাড়বে। দেশের অর্থনীতিতে এ সাফারি পার্ক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

শীতবস্ত্র নিতে আসা মানুষদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, এক সময় শীতের আগেই মানুষ কাথা তৈরী করত। বাংলাদেশের মানুষ এখন আর কাথা ব্যবহার করে না। সবাই লেপতোষক ব্যবহার করে। কিছু কিছু মানুষ কাথার সেই ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। কিছু নিন্ম আয়ের মানুষ আছে, তাদের পাশে আওয়ামীলীগ সরকার রয়েছে।

জুড়ী উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপির ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১হাজার ৭০০ শীতার্ত মানুষের মধ্যে শুক্রবার (২০ জানুয়ারী) বিকাল সাড়ে ৩টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কম্বল বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রঞ্জন দে এঁর সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি।

বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম মোঈদ ফারুক, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রতন কুমার অধিকারী, উপজেলা আওয়ামীলীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুক মিয়া, বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সুন্দর, জেলা পরিষদ সদস্য বদরুল ইসলাম, বড়লেখা পৌর মেয়র আবু ইমাম মোঃ কামরান চৌধুরী, জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশাররফ হোসেন,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাশ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রনজিতা শর্ম্মা, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মামুনুর রশিদ সাজু প্রমূখ।

নিউজিল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী ক্রিস হিপকিনস

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নিউজিল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন ক্রিস হিপকিনস। জেসিন্ডা আরডার্নের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি। খবর বিবিসি।

বিবিসির তথ্যমতে, ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সমর্থন পেলেও হিপকিনস এখনই প্রধানমন্ত্রী চেয়ারে বসতে পারছেন না। কারণ, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন জেসিন্ডা। এরপর রাজা তৃতীয় কিং চার্লসের পক্ষে গভর্নর জেনারেল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে হিপকিনসকে নিয়োগ দেবেন।

ক্রিস হিপকিনস ২০০৮ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি দেশটির পুলিশ, শিক্ষা ও জনসেবা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে, গত ১৯ জানুয়ারি হঠাৎ পদত্যাগের ঘোষণা দেন জেসিন্ডা। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়লেও জেসিন্ডা নির্বাচন পর্যন্ত পার্লামেন্টের সদস্য থাকবেন। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হন জেসিন্ডা।

আগামী ১৪ অক্টোবর দেশটির সাধারণ নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হবেন না বলে জানিয়েছেন জেসিন্ডা আরডার্ন।

 

অসৎ রাজনীতি সফল হয় না:

বি এন পি নেতা গায়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা নাকি “বাই চান্স হয়ে গেছে”। স্বাধীনতা যদি বাই চান্স হয় তাহলে মুক্তিযূদ্ধটি কি? ৩০ লক্ষ মানুষের প্রানহানী আর দুই লক্ষ নারীর সম্ভ্রমহানী হলো কেন? রনাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধারা পঙ্গুত্ব বরন করলো কিভাবে? স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে বি এন পি নেতার এমন ধৃষ্ঠতাপূর্ন বক্তব্য জাতির অস্থিত্বকে অস্বিকার করার সামিল। এমন উক্তি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একই দলের আরেক নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন জাতীয় সংবিধান সঠিক নয়। তিনি সংবিধান রচয়িতাদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। বলেছেন ক্ষমতায় গেলে তারা নতুন করে সংবিধান রচনা করবেন। যারা দেশের স্বাধীনতার অস্থিত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে, যারা দেশের সংবিধানকেই গ্রহন করেনা তাদের এ দেশে রাজনীতি করার অধিকার থাকবে কিনা জনগন তা বিচার করবে!

আ আ মিন্টু আইনের ছাত্র শিক্ষক বা বিশেষজ্ঞ নন। তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী। সব সরকারর সুবিধা নিয়ে প্রচুর অর্থের মালীক হয়েছেন। একজন ব্যবসায়ীকে দিয়ে সংবিধানের মত বিষয়ে যারা কথা বলিয়েছে তারা কারা? সেই অদৃশ্য শত্রুটি দীর্ঘদিন ধরে দেশে তৎপর। বি এন পি জন্মলগ্ন থেকেই এই অদৃশ্য অপশক্তির নির্দেশে রাজনীতি করে আসছে। অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে একমাত্র দল জামাত তাদের অন্যতম সতীর্থ। দুই নেতা তাদের বক্তব্যে জাতিকে একটি মেসেজ দিয়েছে। মেসেজটি হলো দল হিসাবে বি এন পি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকার করেনা। খুন করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় গিয়ে তাদের সেই লক্ষ্যটিকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছে। সংবিধান বদল করেছে, ইতিহাস বিকৃতি করেছে আর স্বাধীনতার শত্রুদেরকে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জাতীয় সঙ্গীতও পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছিল পারেনি। তবে ধর্মনিরপেক্ষ নীতি পরিবর্তন করে ধর্মের নামে উগ্রবাদকে সন্নিবেসীত করে দিয়েছে সংবিধানে।

রাজনীতির এই স্পর্শকাতর বিষয়টি মুসলিম অধ্যুষিত দেশে কতটা জটিল বাংলাদেশ তার প্রমান।ধর্মীয় অনুশাসন না মেনে একটি দল ইসলামী তখমা লাগিয়ে নিয়েছে। আর ধর্মনিরপেক্ষ নীতিটি ধর্মবিরোধীর আখ্যা পেয়েছে। সেই কারনেই নির্বাচনে ধর্মীয় বিশ্বাসে ভোটার দের মধ্যে দন্দ হয় সংঘাতে। অথচ নিরপেক্ষ নীতিটাই ইসলামের অনুশাসন। লক্ষ্য পুরনে জন্মলগ্ন থেকেই দলটি মুক্তিযূদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আর ইতিহাস বিকৃত করেছে। একটি প্রজন্ম সত্যিকার ইতিহাসটাই জানতে পারেনি। বিষয়টি এমনভাবে শেখানো হয়েছে যে সব জেনে এখনো বি এন পি’কেই ইসলামি দল মনে করে। একজন জিয়াকে ঘোষক বানিয়ে বিতর্ক করে চলেছে কে আসলে স্বাধীনতার মহানায়ক! কারন এই অপশক্তি জানে এই দুটি বিষয়কে বিতর্কে জিয়াইয়ে রাখা নাগেলে রাজনীতিতে বি এন পি’র অস্তিত্ব শুন্য। দলটি তিনবার ক্ষমতায় গেছে, দেশের মৌলিক চরত্র হরন করা ছাড়া তাদের কোন অর্জন নেই। এখন যখন আবার নির্বাচন সন্নিকটে, রাজনীতিতে অস্থিত্ব টিকিয়ে রাখতে সরকারের বিরুদ্ধে সমলোচনা ছাড়া ভিন্ন কোন ইস্যু নেই তাদের।

জনগনের স্বার্থ আদায়ে সঠিক কোন আন্দোলনও বি এন পি দেখাতে পারেনি। ডিসম্বরে চেষ্টা করে নেতৃত্বের ব্যর্থতায় সব বিফলে গেছে। আর মাত্র ১১ মাস বাকী নির্বাচনের। বহু জেলার কোন কমিটিও দিতে পারেনি। যে সময়টুকু হাতে রয়েছে তা দল গোছাতে যথেষ্ঠ নয়। নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষনা দিয়েছে আগেই। এখন নির্বাচনে গেলে ফলফল হবে আগের চেয়েও খাড়াপ। টানা তিন মেয়াদে সরকার সাফল্য দেখিয়েছে এখন বিদেশীরা বলে দেশ এগিয়ে গেছে। এখন জনগনকে বিভ্রান্ত করা ছাড়া আর কোন শক্ত ইস্যু বি এন পি’র হাতে নেই। তাই পরিকল্পিতভাবেই এই দুটি বিষয়কে সামনে আনতে চাইছে বি এন পি। গায়েশ্বর রায় এবং আ আ মিন্টুর মূখ দিয়ে বি এন পি সেই কাজটিই করিয়েছে। কিন্তু একটু ভুল হয়ে গেছে। বাংলাদেশের জনগন উন্নয়ন দেখে নিজেরাও বদলে গেছে। এখন চোখে যা দেখে তা নিয়ে মিথাচার গ্রহন করেনা। বরং যাদের জন্ম তারিখ মনে থাকেনা তাদের কোন কথাই আর বিস্বাস করেনা। দুর্নীতি নিয়ে গরম বক্তব্য দেওয়া দুর্নীতির অভিযোগে দন্ডপ্রাপ্ত কারও মুখে শোভা পায়না।

জয়বাংলা।। 

আজিজুর রহমান প্রিন্স, কলামিস্ট ও আওয়ামীলীগ নেতা, টরন্টো, কানাডা

শ্যামপুর-কদমতলী সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ক্লাবের সপ্তাহব্যাপী কম্বল বিতরন কর্মসূচী উদ্বোধন

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের শ্যামপুর ও কদমতলী থানা অন্তর্গত বিভিন্ন ওয়ার্ডে কম্বল বিতরণ কর্মসূচী উদ্বোধন করা হয়েছে। এলাকার স্বল্পআয় ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্যদের শীত নিবারণে সহায়তায় এগিয়ে এসেছে সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের নিবন্ধনকৃত সংগঠন শ্যামপুর-কদমতলী সোশাল ওয়েলফেয়ার ক্লাব।

ক্লাবের সভাপতি ও আওয়ামীলীগ নেতা ডঃ মোঃ আওলাদ হোসেন এই কম্বল বিতরণ কর্মসূচী উদ্বোধন করেন।

উদ্ধোধনী বক্তৃতায় তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন দৃশ্যমান, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা কাজ করছে। অথচ বিরোধী দলীয় জাতীয় সংসদ সদস্য থাকার কারণে শ্যামপুর ও কদমতলী দুই থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৪ নির্বাচনী এলাকার জনগন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের চলমান উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে। তাই সুবিধা বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে গঠিত ও সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত সংগঠন শ্যামপুর-কদমতলী সোশাল ওয়েলফেয়ার ক্লাবের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হয়। তারই অংশ হিসেবে এই হাড় কাঁপানো শীতে শ্যামপুর ও কদমতলী থানা আওয়ামীলীগের নিম্নআয়ের নেতা কর্মীদের মাঝে সাতদিন ব্যাপী কম্বল বিতরন কর্মসূচী উদ্বোধন করা হলো। পরবর্তী সাত দিন শ্যামপুর ও কদমতলী থানার প্রতিটি ওয়ার্ডে এবং কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ক্লাবের সভাপতি ডঃ মোঃ আওলাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কদমতলী থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর ক্লাবের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাছিম মিয়া, ঢাকা জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ আলমগীর মেম্বার, শ্যামপুর থানা আওয়ামীলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শরিফ মোঃ শাহজাহান, আওয়ামীলীগ নেতা ও ক্লাবের নির্বাহী পরিচালক হাজী মহব্বত হোসেন ও রোখসানা বেগম পারুল, প্রমুখ।

কুমিল্লায় হলুদের ঢেউয়ে হাসছে কৃষক

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা: সরিষার উৎপাদন খরচ কম, অধিক মুনাফা হওয়ায় দিন দিন আবাদ বাড়ছে কুমিল্লা জেলা‌তে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সঠিক পরিচর্যায় উপজেলায় চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলাগু‌লোর বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠজুড়ে শুধু হলুদের ঢেউ। বাজারে ভালো দাম থাকায় চাষিরা দিন দিন সরিষাচাষে ঝুঁকছেন। সরিষার বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখেও ফুটেছে হাসি।

জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠজুড়ে সরিষা ফুলের হলুদ রঙে অপরূপ শোভা ধারণ করেছে। মাঠে পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। উপজেলায় মাঠের পর মাঠ সরিষার হলুদ ফুলে ভরে গেছে। কৃষকের রঙিন স্বপ্ন দুলছে শিশিরভেজা সরিষার হলুদ ফুলের ডগায়। কিন্তু লাগাতার ধান-পাটসহ উৎপাদিত কৃষি পণ্যের দাম না পাওয়ায় কৃষকরা ঝুঁকছেন লাভজনক ফসল সরিষা চাষের দিকে।

গত মৌসুমে স্থানীয় বাজারগুলোতে দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা চলতি মৌসুমে সরিষাচাষে অধিক আগ্রহী হয়েছেন। বর্তমানে এ উপজেলার মাঠে মাঠে সরিষার হলুদ ফুল শোভা পাচ্ছে। মৌমাছিরা সরিষা ক্ষেতে ভিড় করছে মধু সংগ্রহে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় সরিষার বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

উপজেলার একজন সরিষাচাষি বলেন, ‘কম খরচ, কম সময় আর কম পরিশ্রমে সরিষা চাষ করা যায় বলে এটি অত্যন্ত লাভজনক ফসল। প্রতিবিঘা জমিতে খরচ হয় ৩৫০০ টাকা। জমি থেকে চলতি মৌসুমে ৪-৫ মণ হারে সরিষা পাওয়া যাবে।আরেক কৃষক আলী মিয়া বলেন, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে সরিষা কাটা হবে।  বর্তমানে বাজারে প্রতিমণ সরিষা চার হাজার টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে দিগন্ত-জোড়া মাঠের পর মাঠ। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখর হয়ে উঠেছে মাঠ। সরিষা চাষাবাদের ফলে আমন ও বোরো ধানের মাঝে উপরি ফসল পেয়ে তাদের লাভ হয়। পাশাপাশি নিজেদের সংসারে তেলের চাহিদাও পূরণ হয়।তিনি আরও বলেন, বাজারে সয়াবিনসহ অন্যান্য ভোজ্যতেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে গত মৌসুমে সরিষার ব্যাপক চাহিদা ছিল। এবারও সরিষার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। গাছ দেখে বোঝা যাচ্ছে, ফলন ভালো হবে। সরিষা একটি লাভজনক ঝুঁকিমুক্ত ফসল।

সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটির সভা: আলোচিত সেই কাউন্সিলর গ্রেফতার

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার আলোচিত পৌর কাউন্সিলর আবু তালেব কে ১৯ জানুয়ারী গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ । হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্ঠান ঐক্য পরিষদের সভাপতি প্রান গোবিন্দ শাহা বাচ্চু গত ১৮ জানুয়ারী রাতে আবু তালেব সহ দেড় শতাধিক অজ্ঞাত নামা আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, পৌর শহরের ফুটপাতে বিভিন্ন দোকানে মালামাল সরানোর কে কেন্দ্র করে ১৫ জানুয়ারী ঐ কাউন্সিলর ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংর্ঘষ বাঁধে। এঘটনায় গতকাল বুধবার সন্ধায় শহরে আবু তালেবের নেতৃত্বে এক ঝটিকা মিছিল বের হয়। মিছিলে সাম্প্রদায়িক বিভিন্ন উস্কানি মূলক শ্লোগান দেওয়ায় শহরে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করে। ঐ রাতে থানায় মামলা হলে পুলিশ ঘটনার মূল হোতা কাউন্সিলর আবু তালেবকে গ্রেফতার করে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে হলরুমে সামাজিক সম্প্রীতি কমিটির এক বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মাহাবুবুর রহমান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, সংরক্ষিত আসনের সাবেক সাংসদ সেলিনা জাহান লিটা, আ’লীগ সভাপতি সইদুল হক, মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও শেফালি বেগম, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্ঠান ঐক্য পরিষদের সভাপতি প্রবীর কুমার রায়, সম্পাদক প্রবীর কুমার গুহ, ওসি গুলফামুল ইসলাম মন্ডল, ইউপি চেয়রম্যান জিতেন্দ্রনাথ বম্র্মন, মতিউর রহমান প্রমুখ।

শেষে অতিথিরা পৌর শহরের ব্যবসায়ীদের ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে এ ঘটনায় আবুল কালামের পুত্র লেমন কে আটক করে।

বাঙ্গরা বাজার থানায় ১২ কেজি গাঁজাসহ ৩জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা: কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ১২ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ী কে আটক করেছে বাংগরা বাজার থানা পুলিশ। পুলিশ জানায় ১৮/০১/২০২৩ইং বুধবার কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নানের নির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ বাঙ্গরা বাজার থানার নেতৃত্বে অত্র এসআই(নিঃ)/উমর ফারুক সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় জরুরী ডিউটি ও মাদক উদ্ধার ডিউটি করাকালীন সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ১১.১৫ ঘটিকার সময় বাঙ্গরা বাজার থানাধীন ০৬নং বাঙ্গরা (পূর্ব) ইউনিয়নের দৌলতপুর সাকিনস্থ হাবিব মিয়ার বাড়ির সামনে দৌলতপুর টু মাধবপুর গামী পাকা রাস্তা উপর হইতে দেহ তল্লাশী করিয়া তাহাদের শরীরের পেটের সাথে বিশেষ কায়দায় লাগানো (বডি ফিটিং) নীল পলিথিন ও খাকি রংয়ের কসটেপ দ্বারা মোড়ানো সর্ব মোট ১২(বার) কেজি গাঁজা (মাদক দ্রব্য)সহ ৩ জন আসামি গ্রেপ্তার করে।

আটকৃত আসামি হলেন ১। কাজলী বেগম (৩৫), স্বামী-মৃত মোঃ জুয়েল খাঁ, পিতা-মোঃ রশিদ, সাং-চনপাড়া পূর্নবাসন কেন্দ্র, বাসা নং ১৯৫৯/৪, কায়েতপাড়া ইউপি, থানা-রূপগঞ্জ, জেলা-নারায়নগঞ্জ, ২। তানিয়া আক্তার (২২), স্বামী-মোঃ হৃদয়, পিতা-নুরুল ইসলাম, গ্রাম-আদমপুর গনি মিয়ার বাড়ি, পো-সাদেকপুর, থানা-ব্রাহ্মনবাড়িয়া সদর, জেলা-ব্রাহ্মনবাড়িয়া ও নয়ন তারা (৪০), স্বামী-মৃত ফজলু মিয়া, পিতা-মৃত আব্দুর রহিম, সাং- নবীপুর সিরাজ মিয়ার বাড়ি, পো-কোম্পানীগঞ্জ, থানা-মুরাদনগর, জেলা-কুমিল্লা।

বাংগরা বাজার থানার ওসি মোঃ রিয়াজ উদ্দীন চৌধুরী জানান,এবিষযে আটককৃতদের নামে মাদকদ্রব্য আইনে বাংগরা বাজার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আটককৃতকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সূর্যের হাসি ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের সূর্যের হাসি ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে অভিযোগ করেন। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সূর্যের হাসি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন:-১। ডাঃ বদরুন নাহার রুমি (সার্জন), ২। ডাঃ কাদের (এ্যানেস্তেসিয়া), ৩। ডাঃ কামরুল ইসলাম দিপু বাদীঃ শামীম মিয়া (২৭), পিতা-মোশাহিদ মিয়া, সাং-সিদ্দেশ্বেরপুর, থানা-কমলগঞ্জ, জেলা-মৌলভীবাজার।(এসিসটেন্ট), ৪। বিথী রানী ঘোষ (প্যারামেডিক), ৫। মাহমুদুর রহমান রাজীব (ম্যানেজার), সর্ব সূর্যের হাসি ক্লিনিক, বড়হাট, সিলেট রোড, থানা ও জেলা-মৌলভীবাজারসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন। এতে সাক্ষী হিসেবে ১। ইশাক মিয়া (৬০), উভয় পিতা-মৃত বাদশা মিয়া, ২। রেজিয়া বেগম (৫০), স্বামী-ইসহাক মিয়া, ৩। মোঃ সুরত মিয়া (৪৫), সর্ব সাং-হিলালপুর, ১১নং মোস্তফাপুর ইউপি, থানা ও জেলা-মৌলভীবাজার এদের নাম উল্লেখ করেন।

জানা যায় উক্ত ঘটনাটি ১৭ জানুয়ারি দুপুর অনুমানিক ১.৫ মি: সময়। ঘটনাস্থল মৌলভীবাজারের সিলেট রোডের বড়স্থ মৌলভীবাজার, সূর্যের হাসি ক্লিনিকের দু’তলা ভবনে। অভিযোপত্রটি হুবহু তোলে ধরা হলো:তিনি অভিযোগপত্রে বলেন-১ ও ২নং সাক্ষী আমার শ্বশুড় শ্বাশুড়ি এবং ৩নং সাক্ষী আমার চাচা শ্বশুর হন। উপরোক্ত বিবাদীগণ মৌলভীবাজার সদর মডেল থানাধীন পৌরসভাস্থ বড়হাট, সিলেট রোড মৌলভীবাজার নামক সূর্যের হাসি ক্লিনিকের ডাক্তার হিসেবে দায়িত্ব পালন করিয়া আসিতেছেন।

নিপা বেগম (২৫), স্বামী-শামীম মিয়া, সাং-সিদ্দেশ্বেরপুর, থানা- কমলগঞ্জ, জেলা-মৌলভীবাজার আমার স্ত্রী হয়। গত ১৬/০১/২০২৩খ্রিঃ তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় আমার স্ত্রীর ডেলিভারী জনিত কারনে উক্ত ক্লিনিকে নিয়ে আছি। তখন কর্তব্যরত ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া বিকাল অনুমান ০৫.০০ ঘটিকার সময় অত্র ক্লিনিকে ভর্তি থাকিয়া চিকিৎসা গ্রহন করার জন্য পরামর্শ দেন। এক পর্যায়ে আমার স্ত্রীর সু-চিকিৎসার কথা চিন্তা করিয়া উক্ত ক্লিনিকে আমার স্ত্রীকে ভর্তি করাই। পরবর্তীতে উপরোক্ত বিবাদীগণ ইং ১৬/০১/২০২৩ তারিখ রাত অনুমান ১১.৩০ ঘটিকার সময় আমার স্ত্রী নিপা বেগম এর সিজার সম্পন্ন করানোর জন্য রক্ত সংগ্রহ করার জন্য জানান। তখন আমি তাৎক্ষনিক রক্ত সংগ্রহ করিয়া উপরোক্ত বিবাদীদের জানাইলে তাহারা জানান রক্তের প্রয়োজন হলে আমাকে জানাবে।

পরবর্তীতে ইং ১৬/০১/২০২৩ তারিখ রাত অনুমান ১১.৩০ ঘটিকার সময় সিজার করিয়া একটি ছেলে সন্তান (জীবিত) হয়। উক্ত ছেলে আমাদের নিকট দিয়া উপরোক্ত ডাক্তারগন জানান আমার স্ত্রী রেস্ট রুমে আছে। ঘটনার কিছু সময় পূর্বে অথাৎ ইং ১৭/০১/২০২৩ তারিখ সকাল অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় ৫নং বিবাদী মাহমুদুর রহমান রাজীব (ম্যানেজার) আমার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে ফোন দিয়ে বলেন আমার স্ত্রী অবস্থা খারাপ উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট নিয়ে যেতে হবে। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার তারিখ ও সময় ১৭/০১/২০২৩ তারিখ সকাল অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় আমার স্ত্রীর অবস্থা খারাপ দেখিয়া তাৎক্ষনিক প্রাইভেট এ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে আমার স্ত্রীকে সু-চিকিৎসার জন্য সিলেট নর্থ-ইস্ট মেডিকেলে নিয়ে যাই। উক্ত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া মৃত ঘোষনা করিয়া বলেন যে উক্ত রোগী অনুমান ০২ ঘন্টা পূর্বে মৃত্যু বরণ করিয়াছে।

পরবর্তীতে আমার স্ত্রী মৃত নিপা বেগম (২৫) এর এইরুপ মৃত্যুর সংবাদ ১,২ ও ৩নং সাক্ষীগন, আমার পরিবারের লোকজন সহ আত্মীয়-স্বজন পেয়ে সূর্যের হাসি ক্লিনিকে উপস্থিত হইয়া আমার স্ত্রীর মৃত্যু কারন জিজ্ঞাসাবাদ করিলে উপরোক্ত সকল বিবাদীগণ উত্তেজিত হইয়া তাহাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। তখন বিবাদীদেরকে ১,২ ও ৩নং সাক্ষীগন, আমার পরিবারের লোকজনসহ আত্মীয়-স্বজন তাহারা গালিগালাজ করিতে নিষেধ করিলে তাহাদের মারপিট করিতে উদ্যত হয়। এক পর্যায়ে ১,২ ও ৩নং সাক্ষীগন, আমার পরিবারের লোকজনসহ আত্মীয়- স্বজন প্রান রক্ষার জন্য ডাক চিৎকার করিলে তাহাদেরকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি, হুমকি প্রদর্শন করিয়া ঘটনাস্থল হইতে চলিয়া যায়। আমার ধারনা উপরোক্ত বিবাদীদের ভুল চিকিৎসার জন্য অদ্য ১৭/০১/২০২৩ তারিখ সকাল অনুমান ১১ ঘটিকার সময় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মৌলভীবাজারে আমার স্ত্রী নিপা বেগম (২৫) মৃত্যু বরণ করে এবং উক্ত মৃত্যু এড়ানোর জন্য উন্নত চিকিৎসার প্রদানের নিমিত্তে উপরোক্ত বিবাদীগন সিলেট নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

নীলফামারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে ইপিজেডকর্মী নিহত

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারী সদরে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটি আমি রুপসা-সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে নয়নজলী রায় (২৫) নামের এক ইপিজেড কর্মী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন এক অটোচালক। বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সদর উপজেলার সোনাররায় খয়রা নগর স্টেশনের পাশে অরক্ষিত রেল ক্রসিং পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটনা।

নিহত নয়নজলী রায় সোনারায় বেড়াকুন্ডি কইপাড়া এলাকার পলাশ রায়ের স্ত্রী। তিনি নীলফামারীর সৈয়দপুর উত্তরা ইপিজেডে হেলপার হিসেবে কাজ করতেন। আহত অটোচালক মঈনুল ইসলামের বাড়ি জয়চন্ডি ঘাটের পার এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর ৬টার দিকে সৈয়দপুর ইপিজেডে কাজে যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলেন নয়নজলী। অটোরিকশায় করে যাওয়ার পথে ওই রেল ক্রসিং পারাপারের সময় খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নয়নজলী মারা যায়। অটোচালক আহত হন।