ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে প্রাক বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় প্রাক-বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনাসভা গতকাল বুধবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে এদিন  উপজেলা খ্রীস্টান এসোসিয়েশনের আয়োজনে পৌরশহরের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে র‌্যালি বের করে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। র‌্যালি শেষে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে উপজেলা খ্রীস্টান এসোসিয়েশনের সভাপতি রেভারেন বিষ্ণুপদ রায়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আখতারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার নজির, পৌরমেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকরামুল হক, উপজেলা আ.লীগ সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক বিপ্লব, ভাইস চেয়ারম্যান ভারতি রানী রায়।

এছাড়া উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ- খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অতুল চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক গোপী কৃষ্ণ রায়, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদিন বাবুল, উপজেলা খ্রীস্টান এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রেভারেন মনজিত রায়, ফাদার ইলিয়াস মুরম, রেভারেন রবিন্দ্র নাথ রায়, রেভারেন সুরেন্দ্র নাথ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নাতি পেটালেন দাদীকে আর মা করলেন ভিডিও

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে সত্তোরোর্ধ্ব দাদীকে মারধর করতে দেখা যায় আব্দুস সামাদকে। বাড়ির জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সত্তোরোর্ধ্ব বৃদ্ধা দাদীকে অমানুষিক ভাবে পেটালেন নাতি। এ ঘটনার সময় শাশুড়িকে রক্ষা তো দুর তা না করে ছেলের পক্ষ নিয়ে ভিডিও ধারণ করেন ওই যুবকের মা খোদ। গত শুক্রবার মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভার উত্তর লস্করপুর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।

মারধরের শিকার বৃদ্ধা দাদী পৌর এলাকার উত্তর লস্করপুরের বাসিন্দা লায়লী বেগম। মারধরের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ব্যপক ভাবে।

এ ঘটনায় মারধরকারী আব্দুস সামাদ সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে রোববার রাতে থানায় অভিযোগ নিয়েছে কুলাউড়া থানা পুলিশ। পুলিশ বলছে, আদালতের অনুমতি পেলে লায়লী বেগমের অভিযোগ এজাহারভুক্ত করা হবে।

পুলিশের কাছে অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে, উপজেলার পৌর এলাকার উত্তর লস্করপুরের বাসিন্দা লায়লী বেগমের দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে সৌদি প্রবাসী বড় ছেলে জয়নাল মিয়া কয়েক বছর আগে মায়ের সম্পত্তির একাংশ নিজের নামে লিখে নেন। সম্পত্তি নিলেও মাকে দেখভালের জন্য বোনদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন জোর করে তিনি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিশী বৈঠক একাধিক বার হয়। গত শুক্রবার জয়নালের ছেলে আব্দুস সামাদ বাড়িতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এতে বাঁধা দেন দাদী লায়লী বেগম। তখন সামাদ তার মা আমেনা সহ তাদের আত্মীয়দের নিয়ে  দাদী লায়লী বেগমকে মারধর করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, লায়লী বেগমকে সামাদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা কেউ উদ্ধার না করে মাটিতে টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুস সামাদ বলেন, আমাদের জায়গার ওপর দেয়াল নির্মাণ করতে গেলে দাদি ও আমার ফুফুরা বাঁধা দেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরদের মধ্যস্থতায় কয়েকবার বৈঠক শালিস হয়েছে। শুক্রবার দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করলে দাদি বাঁধা দিতে আসেন। এ জন্য তাকে সরিয়ে দিয়েছি, মারধর করিনি।

স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর হারুনুর রশীদ জানান, বৃদ্ধার পরিবারে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। আমরা বৈঠকে বসে দুই পক্ষকে জায়গা আলাদা করে দিয়েছিলাম। বৃদ্ধাকে মারধরের বিষয়টি দুঃখজনক।

কুলাউড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার মিয়া বলেন, অভিযোগ পেয়ে অনুমতির জন্য আদালতে পাঠিয়েছি। আদালতের সিদ্ধান্ত পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

ফুলবাড়ীতে ট্রাইসাইকেলে চড়ে স্কুলে যাওয়ার আকুতি সোহেলের

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার রাবাইতারী এসবি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের আটিয়াবাড়ী গ্রামের দিনমজুর নজরুল ইসলামের ছেলে সোহেল রানা (১২)। জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। দুই হাতের কুনই ও দুই পায়ের হাঁটুতে ভর করে হামাগুড়ি দিয়ে চলে সে। হাঁটু গেড়ে বসা ছাড়া দাঁড়ানোর উপায় নেই তার।

কিন্তু শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থামাতে পারেনি তাকে। হামাগুড়ি দিয়েই বাড়ী থেকে দুই কিলোমিটার দুরের বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস করে সে। লেখাপড়া করে সে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে চায়। ঘোচাতে চায় বাবা-মায়ের দুঃখ কষ্ট। কিন্তু হামাগুড়ি দিয়ে স্কুলে যেতে ভারি কষ্ট হয় তার। হুইল চেয়ারও চালাতে পারেনা ঠিকমত। তাই প্যাডেল যুক্ত ট্রাইসাইকেলে চড়ে স্কুলে যাওয়ার আকুতি জানিয়েছে সে।

সোহেলের বাবা নজরুল ইসলাম জানান, দুই ছেলে দুই মেয়ের মধ্যে সোহেল সবার ছোট। বড় ছেলে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে এখন দিনমজুরি কাজ করে। ধারদেনা এবং প্রতিবেশীদের সহায়তায় অনেক কষ্টে বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। আর ছোট মেয়ে নাগেশ্বরী কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। দুই শতাংশের বসত ভিটা ছাড়া নেই কোন আবাদী জমি। সোহেলের প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা আর অন্যের জমিতে দিনমজুরি দিয়ে যা আয় হয় তা দিয়ে কোন রকমে চলে সংসার। প্রতিবন্ধী ছেলেকে তিন চাকার হুইল চেয়ার কিনে দেয়ার সামর্থ্য নাই তার।

তিনি আরও বলেন, সমাজের কোন বিত্তবান দানশীল ব্যক্তি যদি একটা তিন চাকার হুইলচেয়ার কিনে দিতো তাহলে ছেলেটার কষ্ট লাঘব হতো। সোহেলের বাবার বিকাশ নম্বর-০১৩১০১৮৫৬৭২।

এ প্রসঙ্গে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন দাস জানান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সোহেলকে সহায়তা করা হবে।

নেত্রকোণা সদর উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা সদর উপজেলা পরিষদের  মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা আক্তারের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নেত্রকোণা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আতাউর রহমান মানিক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল খালেক তালুকদার, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তুহিন আক্তারসহ সদর উপজেলার সকল চেয়ারম্যান ও অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ।

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর / মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

পুকুরে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় পানিতে ডুবে সুমা মালাকার (২৪) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। বুধবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নে দেওগাঁও গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সুমা ঐ গ্রামের এই বিমল মল্লিকের স্ত্রী।

কুলাউড়া থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায, সুমা সকাল ১০টার দিকে বাড়ির পুকুরে গােসল করতে যান। দীর্ঘক্ষণ ফিরে না আসায় বাড়ির লােকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এক সময়ে পুকুর তাকে দেখতে পেয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক গৃৃহবধূ সুমাকে মৃত ঘােষণা করেন ডা:।

এই বিষয়ে জানতে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আব্দুস ছালেক এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, গৃহবধূ সুমা মৃগী রোগী ছিলেন। তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০শয্যা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপার থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়রা করা হয়েছে।

কি হলো?

১০ই ডিসম্বর বি এন পি’র মহাসমাবেশ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা হয়েছে বহু। দেশের মানুষও শঙ্কায় ছিল কি হয় দেখার জন্য। বি এন পি নেতারা বলেছিল ঐ দিন খালেদা জিয়া ক্ষমতায় বসবেন, তারেকও দেশে ফিরে আসবে। কিন্তু আসলে কিছুই ঘটেনি। বি এন পি’র সরকার পতনের দাবী ছিল মিথ্যাচার। সাধারন মানূষত বটেই বি এন পির তৃনমুলের নেতা-কর্মারাও এখন এই মিথ্যাচারে বিব্রত। রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য হবে সত্য নির্ভর এবং যা বলবেন তা করেও দেখাবেন। কোন হঠকারি বক্তব্য দিলে নেতাত বটেই দলও আস্থা হারায়। অসত্য রাজনীতি স্থায়ী হয়না।

ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে বি এন পি অসত্য রাজনীতি করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। ভুল রাজনীতি করে নেতারাও এখন জেলে।বেগম জিয়া এবং তারেক আগেই বিভিন্ন অপরাধে দোষি হয়ে সাজাপ্রাপ্ত। এখনো তারেক লন্ডনে বসে নিত্য অপপ্রচার করছে সরকারের বিরুদ্ধে। নেতাকর্মীদের টাকায় বিলাসি জীবন কাটাচ্ছে লন্ডনে। তারেকের বক্তব্য শুনে সিনিয়র নেতারা বিব্রত আর বিভ্রান্ত। বার বার আন্দোলনের ঘোষনা দিয়ে তারেক দলকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে বলে দলের নেতারাই তারেকের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছে। জনগন (যারা বি এন পি’কে সমর্থন করে) তারা ক্রমেই আস্থা হারাচ্ছে নেতৃত্বের উপর। বি এন পি দেশের রাজনীতি বদলে দিবে আশা করেনা কেউ। ১০ই ডিসম্বরের ব্যর্থ হুঙ্কার সে কথাই প্রমান করেছে আবারও।

তাহলে আগামি নির্বাচনের দৃশ্যটি কেমন হবে? আবারও কি বি এন পি নির্বাচন বর্জন করবে? নাকি নির্বাচনে গিয়ে সংখ্যা গরিষ্ঠ আসন পেয়ে বিজয়ী হবে? যদি বিজয়ী হয় তাহলে কে হবেন প্রধানমন্ত্রী? এমন প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি দলের নেতারা। খালেদা জিয়া কিংবা তারেক দু’জনেই সাজাপ্রাপ্ত হয়ে নির্বাচনে অযোগ্য। তাহলে কি মির্যা ফখরুল বি এন পি’র প্রধানমন্ত্রী হবেন? জনগন কি তা মেনে নিবে। বি এন পি’ও কি ফখরুলকে প্রধানমন্ত্রী করতে চায় কিনা! এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে দলের ভেতরেও। এসব প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বি এন পি জনগনের সমর্থন পাবে মনে হয়না।

দ্বিতীয় কথা, জামাত স্বাধীনতা বিরোধী দল এবং এখনো ৭১ এর অপরাধ স্বিকার করেনি- ক্ষমা চায়নি। এই দলটি উগ্র জঙ্গিবাদ প্রচার করছে দেশে। বি এন পি’র সঙ্গে জামাতের সখ্যতা জন্মলগ্ন থেকেই। বি এন পি’র অনুগ্রহে জামাত এখন দেশের সব লাভজনক প্রতিষ্ঠানের মালিক। তারাই বি এন পি’র পক্ষে অর্থ লগ্নি করে। জনগনের বিরোধিতা সত্যেও জামাতকে ছাড়তে পারেনি বি এন পি। অর্থ প্রদান ছাড়াও বি এন পি’র পক্ষে মাঠে নামেছে জামাত সদস্যরা। বিষয়টি দেশের মানুষ জানে। ১০ই ডিসম্বর বি এন পি সমাবেশ ডাক দিলেও কলকাঠি নেড়েছে জামাত। অর্থ এবং মানুষ যোগার করেছে জামাত।

সরকারের বিরুদ্ধে জনমনে অসন্তোষ ফুসে উঠছে এ কথা ঠিক। দ্রব্যমূল্য নিয়েও মানূষ সুখে নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো এই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সরকারের কোন দোষ নেই। পৃথিবী জুড়েই অভিন্ন অবস্থা চলছে। বরং বাংলাদেশ অনেক দেশের তুলনায় এখনো ভাল অবস্থানে রয়েছে। বি এন পি ক্ষমতা পেলে এই অবস্থার উন্নয়ন হবে এমন গেরান্টি কি বি এন পি দিতে পারবে?

দেশ পরিচালনায় বি এন পি’র রেকর্ড ভাল নয়। দুর্নীতির অভিযোগ তাদের মুখে বেমানান। ২০২৩ সালের নির্বাচন তত্বাবধায়ন সরকারের অধীনে হলেও বি এন পি’র ফলাফল এখনকার চেয়ে খুব বেশী বদল হবেনা। জাতীয় পার্টিই হবে প্রধান বিরোধী দল। বি এন পি’কে বেকায়দায় ফেলতে সরকার জাতীয় পার্টিকে ছাড় দিবে এটাই স্বাভাবিক। বি এন পি নির্বাচনে না গেলে এবার অনেক নেতাই জাতীয় পার্টির হয়ে নির্বাচন করবে। অধিক সংখ্যক স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হবে। ক্ষতিগ্রস্থ হবে বি এন পি। এ কথা বি এন পি’ও জানে। শেষমেষ সিদ্ধান্ত বদল করে নির্বাচনে গেলেও ফলাফল বদল হবেনা। কারন দলে নেতৃত্ব নেই। তখন দল কি নিয়ে রাজনীতি করবে। সেই ক্ষেত্রটি প্রস্তুত করতেই আগাম একটি ইস্যু প্রস্তুত করতে সর্ব শক্তি দিয়ে ১০ই ডিসম্বর মহা সমাবেশ ডেকেছিল বি এন পি (এবং জামাত)। তাদের সেই কৌশল ব্যর্থ হয়েছে। নেতারা এখন জেলে। এই অবস্থা থেকে বি এন পি’র ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে। ১০ই ডিসম্বরের মহা সমাবেশের অর্জন এটাই।


আজিজুর রহমান প্রিন্স, কলামিস্ট ও আওয়ামীলীগ নেতা, টরন্টো, কানাডা।


ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর / মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

ইসরায়েলে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইসরায়েলের ৭৪ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে কট্টর দক্ষিণপন্থি সরকার গঠিত হতে চলেছে। এই জোট সরকারের নেতৃত্ব দেবেন নেতানিয়াহু। তার দলই পার্লামেন্টে সবচেয়ে বড় দল। ইসরায়েলে ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ এবং ২০০৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেতানিয়াহু। তিনি তৃতীবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন।

নেতানিয়াহুর জোটে আরো দুই শরিক আছে, তারাও কট্টর ডানপন্থী। ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহুকে একটা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। তার মধ্যে নেতানিয়াহুকে জানাতে হতো, তিনি সরকার গঠন করছেন এবং কাদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছেন।

সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আধঘণ্টা আগে নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নেতানিয়াহু সরকার গঠনের জন্য আলোচনা শেষ করেছেন। তিনিই তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নেতানিয়াহু অতি দক্ষিণপন্থি দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সময়সীমার মধ্যে আলোচনা শেষ করতে পেরেছেন।

তবে ইসরায়েলের সবচেয়ে বেশিদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী থাকা নেতানিয়াহুর সামনের পথ যথেষ্ট কঠিন বলে মনে করা হচ্ছে। নেতানিয়াহুর জোটসঙ্গীরা কিছু ক্ষেত্রে কড়া নীতি নিয়ে চলার পক্ষে। সেই নীতি মেনে নিলে আমেরিকার সঙ্গে ইসরায়েলের বিরোধ দেখা দিতে পারে।

সেই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে। আলোচনার সময় জোটসঙ্গীরা দুইটি বিষয়ের উপর খুবই জোর দিয়েছিল। পুলিশের উপর নিয়ন্ত্রণ যাতে তাদের হাতে থাকে এবং ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে ইসরায়েলের কর্তৃত্ব বাড়ানো।

ঠাকুরগাঁওয়ে অনুমোদনহীন নিউ রংপুর জিওথেরাপি সেন্টার বন্ধ

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পৌরশহরের আধুনিক সদর হাসপাতালের পূর্ব পাশে অবস্থিত অনুমোদনহীন নিউ রংপুর জিওথেরাপি সেন্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

গত মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ইফতেখারুল হক সজীব অভিযান পরিচালনা করে ফিজিওথেরাপি সেন্টারটি বন্ধ করে দেন।

জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ডাক্তার বা টেকনোলজিস্ট ছাড়াই ফিজিওথেরাপি দিয়ে আসছিলেন প্রতিষ্ঠানে থাকা ওয়ার্ডবয় ও আয়া৷ এক বছরের অধিক সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটি সেবা দিয়ে আসছেন৷ তবে ট্রেড লাইসেন্স ব্যতিত তাদের কাছে স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো ধরনের অনুমোদন নেই। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকেন বিভাগীয় শহর রংপুরে।

সেখান থেকে তিনি বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ফিজিওথেরাপি সেন্টার পরিচালনা করে আসছেন।

এ ব্যাপারে ডা. ইফতেখারুল হক সজীব  বলেন, আমরা খবর পেয়ে সেই প্রতিষ্ঠানে যাই। তাদের ট্রেড লাইসেন্স ব্যতিত কোনো অনুমোদন নেই। সেখানে থাকা ওয়ার্ডবয় ও আয়া থেরাপি দিয়ে আসছেন। আমরা কয়েকজন সেবা গ্রহীতার সঙ্গেও কথা বলেছি। তারাও বলেছেন সেখানে থাকা আয়া ও ওয়ার্ডবয় তাদের থেরাপি দেন৷ আমরা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দিয়েছি। এরপর থেকে তারা কোনো ধরনের সেবা দিতে পারবেন না ৷

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে

স্বাস্থ্য ডেস্কঃ প্রতিদিন বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। পাশাপাশি নতুন করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে প্রতিদিন। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন প্রায় ১৪০০ মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় সাড়ে ৫ লাখে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে জাপানে। অন্যদিকে দৈনিক মৃতের  তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ তালিকায় পরের স্থানগুলোতে রয়েছে জাপান, ব্রাজিল, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া ও রাশিয়া। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬৫ কোটি ৯৪ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬৬ লাখ ৭৭ হাজার।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৩৯৫ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে শতাধিক। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৬ লাখ ৭৭ হাজার ৭৯৮ জনে।  নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৩৭ হাজার ১৭০ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৯ হাজার। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫ কোটি ৯৪ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৭ জনে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।

ফলন ভালো আর দামেও বেশ হওয়ায় নাগা চাষে সাফল্য

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের পাহাড়ি এলাকায় লেবু বাগানে সাথী ফসল হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে নাগা মরিচ চাষ। তুলনামূলক কম বিনিয়োগ ও পরিশ্রমে ভালো ফলন এবং বাজারে দাম বেশি পাওয়ায় অনেকে ঝুঁকছেন নাগা মরিচ চাষে। জেলার শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার মাটি নাগা মরিচ চাষের উপযুক্ত হওয়ায় চাষীদের উদ্বুদ্ধ করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সিলেটের মধ্যে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নাগা মরিচের সবচেয়ে বেশি চাষ হয়। ঝালের জন্য বিখ্যাত সিলেটের নাগা মরিচ অঞ্চল ভেদে বোম্বাই মরিচ, ফোটকা মরিচ বা কামরাঙা মরিচ নামেও পরিচিত। ২০০৭ সালে গিনেস বুকে নাগা মরিচকে পৃথিবীর সবচেয়ে ঝাল মরিচ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

সম্প্রতি শ্রীমঙ্গলের কয়েকটি লেবু বাগানে গিয়ে দেখা যায়, বাগানে লেবু গাছের সঙ্গে ছোট ছোট সবুজ নাগা মরিচ গাছে লাল সবুজ মরিচ ঝুলছে। বাগানের ফাঁকা জায়গা এবং টিলার নিচে সমতল জায়গায়ও চাষ করা হয়েছে এ ফসল। লেবু গাছের সঙ্গে সহজে এ ফসল চাষ করা যায় বলে প্রায় প্রতিটি লেবু বাগানে চাষ হচ্ছে সুগন্ধি নাগা মরিচের।

চাষীরা জানান, বর্তমানে শ্রীমঙ্গলের কয়েক শত লেবু বাগানে সাথী ফসল হিসেবে নাগা মরিচ চাষ হচ্ছে। চারা কিনে গাছ লাগানোর পর খুব বেশি যত্ন নিতে হয় না এ ফসলের। লেবু গাছের নিচে যে সার-গোবর দেয়া হয় তা থেকেই খাদ্যরস গ্রহণ করে মরিচ গাছ। সাধারণ মাঘ-ফাল্গুন মাসে সাথী ফসল হিসেবে নাগা মরিচের চারা রোপণ করা হয়। এতে একই সঙ্গে লেবু বাগানেরও যত্ন নেয়া যায়। বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে গাছে মরিচ আসতে শুরু করে। ভাদ্র-আশ্বিন মাস পর্যন্ত ফসলের ভরা মৌসুম। তবে সারা বছরই কম-বেশি মরিচ আসে গাছে। একবার গাছ লাগালে প্রায় দেড় বছর ফলন পাওয়া যায়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতিটি গাছ থেকে ৫০০-১০০০ হাজার মরিচ পাওয়া যায়। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জায়গায় এখানকার নাগা মরিচ সরবরাহ হচ্ছে। চাহিদা বাড়ায় এ বছর নাগা মরিচের দাম কয়েক গুণ বেড়েছে। দাম বাড়ায় নতুন করে এ মরিচ চাষে যুক্ত হচ্ছেন অনেকে।

কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান লাগোয়া জমি ইজারা নিয়ে লেবু বাগান করেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি জানান, লেবু বাগানের ভেতর প্রথমে শখ করে কিছু নাগা মরিচ গাছ রোপণ করা হয়। ফসলের আকার ও ফলন ভালো হওয়ায় পরে বাণিজ্যিকভাবে মরিচ চাষ করছেন তিনি। বর্তমানে তার বাগানে কয়েক হাজার নাগা মরিচের গাছ রয়েছে। প্রতিটি ছোট আকারের মরিচ বর্তমান বাজারে দুই-আড়াই টাকা এবং বড় আকারের মরিচ ৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলার লিটন আহমেদ জানান, তার ৪০ একরের লেবু বাগানে গত বছর কয়েক হাজার নাগা মরিচের গাছ রোপণ করেন। মাস কয়েক পর গাছে মরিচ ধরতে শুরু করে। প্রথম দিকে সপ্তাহে ৩০ হাজার মরিচ বিক্রি করেছেন। তবে বর্তমানে গাছগুলো জীবনচক্রের প্রান্তিক অবস্থায় চলে আসায় ফলন কিছুটা কমেছে। প্রতি সপ্তাহে ছয়-সাত হাজার মরিচ বিক্রি করা যাচ্ছে। আড়াই টাকা থেকে তিন টাকায় প্রতিটি মরিচ বিক্রি হচ্ছে। আগামী বছর নতুন চারা রোপণের কথা জানান তিনি।

চাষী কাজল রায় জানান, প্রতিদিন তিনি প্রায় চার হাজার নাগা মরিচ সরবরাহ করে গড়ে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। মাস শেষে খরচ বাদে তার লাখ টাকা আয় হয়।

ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি বছর নাগা মরিচের জোগান কিছুটা কমেছে। আর চাহিদা বাড়ায় গত বছরের তুলনায় দাম বেড়েছে চার-পাঁচ গুণ। দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো বিদেশেও যাচ্ছে এ মরিচ। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত সিলেটীরা বিভিন্ন উপায়ে নাগা মরিচ দেশ থেকে নিয়ে যান। অনেকে আবার উপহার হিসেবেও পাঠান।

জেলার মধ্যে নাগা মরিচের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার শ্রীমঙ্গল। এ বাজারের আড়তদার হাসেম আলী জানান, বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকাররা এখান থেকে নাগা মরিচ কিনে নিয়ে যান। শ্রীমঙ্গলে প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ টাকার নাগা মরিচ বিক্রি হয়। বর্তমানে চাহিদা বেশি থাকায় দামও বেশি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, মৌলভীবাজারের পাহাড়ের টিলা নাগা মরিচ চাষের সম্পূর্ণ উপযোগী। এখানে সোলানেসি, ক্যাপসিকাম ও ক্যাপসিকাম চাইনিজ জাতের নাগা মরিচ চাষ হচ্ছে। শীত ও গ্রীষ্ম উভয় মৌসুমে বাণিজ্যিকভাবে এ ফসল চাষ করা যায়। বাণ্যিজ্যিকভাবে আবাদ করলে জমি তৈরি করে দুই থেকে আড়াই ফুট দূরে লাইন করে প্রয়োজনীয় জৈব রাসায়নিক সার দিয়ে গর্তে চারা রোপণ করতে হয়। সারের পরিমাণ অনেকটা সাধারণ মরিচের মতো। জলাবদ্ধতা মোটেই সহ্য করতে পারে না। চারা লাগানোর দুই মাস পর থেকেই ফুল আসে। ফুল আসার এক মাসের মধ্যে খাবার উপযোগী হয়ে উঠে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ফসলটি অধিক পরিমাণে উৎপাদন হচ্ছে। এ বছর উপজেলায় ৯৫ হেক্টর জমিতে নাগা মরিচ চাষ হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সামছুউদ্দিন আহমেদ জানান, কৃষি বিভাগের কাছে তথ্যনুসারে জেলায় ১০০ হেক্টর জমিতে নাগা মরিচ চাষ হয়েছে। তবে বাস্তবে তা অনেক বেশি। কারণ লেবু বাগান, আনারস বাগান, চা বাগানের পাশাপাশি অনেকে এ মরিচ চাষ করেন। সরকার থেকে কোনো প্রকল্প না করায় কৃষি বিভাগ নাগা চাষীদের পাশে সেভাবে দাঁড়াতে পারছে না। তবে মৌখিকভাবে যতটা সম্ভব তাদের সহযোগিতা করা হচ্ছে।