ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন, আহত ১

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের উত্তর মাঝেরগাঁও গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন হয়েছেন। স্বামীকে রক্ষা করতে গিয়ে নিহত পুতুল সিংহের (৬০) স্ত্রী লক্ষী রানী সিনহাও গুরুতর আহত অবস্থায় আছেন। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় মাঝেরগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের সূত্র মতে জানা যায়, বড় ভাই পুতুল সিংহের সঙ্গে ছোট ভাই বিপিন সিংহের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গতকাল বুধবার বিকেলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি বাকবিতন্ডা তৈরি হয়। পরে রাতে বিপিন সিংহ ও তার ছেলে নিশি সিংহ পুতুল সিংহের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। পুতুল সিংহকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এ সময় স্ত্রী লক্ষী রানী সিনহা স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।

পরে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে বাবা ও ছেলে পালিয়ে যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিস্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক পুতুল সিংহকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে স্ত্রী লক্ষী রানী সিনহার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, ‘ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। হামলাকারীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে। তবে এখনও থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে তিনি জানান।’

ডোমারে বিয়ের দাবীতে তিনদিন ধরে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকা

মোঃ মোশফিকুর ইসলাম, নীলফামারী: দীর্ঘ চার বছরের প্রেমের পর এবার বিয়ের দাবীতে প্রেমিক জুয়েলের বাড়ীতে অবস্থান নিয়েছে প্রেমিকা। নীলফামারীর ডোমারের বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের ১৮বছর বয়সী প্রেমিকা পাশর্^বর্তী পৌরসভার উদয়ন পাড়া এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী আতাউর রহমানের ছেলে প্রেমিক জুয়েল রহমান (২৪) এর বাড়ীতে গত ৩০ অক্টোবর রাত থেকে অবস্থান করছেন।

এদিকে প্রেমিকা বাড়ীতে আসার খবর পেয়ে প্রেমিক জুয়েল রহমান বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়। এরপর মেয়েটি রাতে প্রেমিকের বাড়ীর ভিতরে অবস্থান নিলে জুয়েলের পরিবারের লোকজন প্রেমিকাকে মারধর করে বাড়ীর বাইরে বের করে দিয়ে, বাড়ীতে তালা লাগিয়ে সটকে পড়েন তারা। এনিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলছেন, একটি মহল টাকা নিয়ে মেয়েটিকে বাড়ী থেকে বের করে দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। প্রেমিক জুয়েলের বাড়ীতে কেউ না থাকায় শীতের রাতে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই এলাকার মহিলা কাউন্সিলর নাছিমা আক্তার তার বাড়ীতে মেয়েটিকে নিয়ে যায়।

গত বুধবার (২ নভেম্বর) সকালে জুয়েল ইসলামকে বিয়ে করার দাবীতে অবস্থানরত প্রেমিকার সাথে কথা হলে তিনি জানান, দীর্ঘ চার বছর ধরে জুয়েল রহমানের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক চলছে। তার সাথে আমার বহুবার শারীরিক সম্পর্ক হওয়ার এক বছর পূর্বে আমি গর্ভবতী হই। জুয়েল বিয়ের আশ্বাসে সে আমার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে। কিছুদিন ধরে আমি তাকে বিয়ে করার জন্যে বললে, সে কালক্ষেপণ করে। আমাকে বিয়ে করার কথা জুয়েলের পরিবারকে জানাতে আসলে, সে বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়। তাই আমি তার বাড়ীতে অবস্থান নিয়েছি। জুয়েল আমাকে বিয়ে না করলে আমি এখানেই আত্মহত্যা করবো।

এব্যাপারে জুয়েলের বাবা আতাউর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, মেয়েটি মামলা করলে করুক। আমাদের তো আর ফাঁসি হবেনা। যে প্রেম করেছে তার সাথে সে বিয়েতে বসুক। মুঠোফোনে জুয়েলের সাথে কথা হলে প্রেমিকার সাথে তার চার বছরের প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করলেও অন্য বিষয়ে কথা বলতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

ডোমার থানার পরিদর্শক(তদন্ত) মাসুদ করিম ঘটনাটি শুনেছি বলে নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ইউক্রেনকে ‘ভ্যাম্পায়ার’ দিচ্ছে আমেরিকা!

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ শিগগিরই আমেরিকার কাছ থেকে ড্রোন বিধ্বংসী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘ভ্যাম্পায়ার’ পাচ্ছে বলে আশা প্রকাশ করেছে ইউক্রেন। পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি প্যাট রাইডারও এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেছেন।

প্যাট রাইডার বলেছেন, আমেরিকা কিয়েভকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করবে। রাশিয়া যখন ইউক্রেনের ভেতরে ব্যাপকভাবে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে এবং এতে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তখন ইউক্রেনকে এই ড্রোন বিধ্বংসী “ভ্যাম্পায়ার” দেয়ার কথা জানালো আমেরিকা।

প্যাট রাইডার জানিয়েছেন, লেজার গাইডেড মিসাইল লঞ্চার সরবরাহ করবে আমেরিকা তবে এটি পৌঁছাতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে এই ব্যবস্থা কিয়েভে পৌঁছাতে পারে বলে তিনি আশা করেন। আর এ মুহূর্তে ইউক্রেনের জন্য আমেরিকার কাছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সবচেয়ে অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত আগস্ট মাসে ইউক্রেনের জন্য নতুন করে ৩০০ কোটি ডলারের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিলো পেন্টাগন। এই ড্রোন বিধ্বংসী ব্যবস্থা ‘ভ্যাম্পায়ার’ তারই অংশ বলে মুখপাত্র প্যাট রাইডার জানান। এছাড়া, ওই অস্ত্র প্যাকেজের আওতায় ইউক্রেনকে ন্যাশনাল অ্যাডভান্সড সারফেইস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে আমেরিকা। আমেরিকা এই ধরনের আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ইউক্রেনকে দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যার মধ্যে দুটি খুব শিগগিরই ইউক্রেনে পৌঁছে যাবে।

৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস

ফিচার ডেস্কঃ আজ ৩রা নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সুরক্ষিত কারাগারে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের দিন, জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর আজকের এই দিনে কারাগারে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকাবস্থায় বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সহচর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামারুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের পর দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় কলঙ্কজনজ দিন ৩রা নভেম্বর।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করবে আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো।

জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে গতকাল দেয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ বলেছেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার পাশাপাশি জাতিকে নেতৃত্বহীন করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঘাতকচক্রের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের উত্থানের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের চেতনা থেকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে মুছে ফেলা। কিন্তু ঘাতকচক্রের সেই উদ্দেশ সফল হয়নি। তিনি বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার আদর্শ চির অম্লান থাকবে। বঙ্গবন্ধু সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। এটাই হোক জেলহত্যা দিবসে আমাদের অঙ্গীকার।

জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে গতকাল এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ৩ নভেম্বর জেলাহত্যা দিবস এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। কারাগারের অভ্যন্তরে এ ধরনের বর্বর হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তি এখনো নানাভাবে চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। এই অপশক্তির যেকোনো অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের ধারা সমুন্নত রেখে সবাই মিলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলি। জেলহত্যা দিবসে এই হোক আমাদের সুদৃঢ় অঙ্গীকার।

জাতি আজ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টি স্মরণ করবে। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠনের উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে পালিত হচ্ছে শোকাবহ এই দিনটি।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি : জেলহত্যা দিবসটি স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করছে আওয়ামী লীগ। দিনের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আজ সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সর্বত্র দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং কালো ব্যাজ ধারণ। সকাল ৭টায় ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসহ মহানগরের প্রতিটি শাখার নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে বনানী কবরস্থানে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টেও নির্মম ঘটনায় নিহতদের কবর এবং জাতীয় চার নেতার কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মুনাজাত অনুষ্ঠান।

একইভাবে রাজশাহীতে জাতীয় নেতা কামারুজ্জামানের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মুনাজাত অনুষ্ঠান। দিবসটি উপলক্ষে বিকেল ৩টায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন।

গতকাল বুধাবার এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দলের সব সাংগঠনিক জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন শাখা এবং সব সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সর্বস্তরের জনগণকে যথাযথ মর্যাদা ও শোকাবহ পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলহত্যা দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

কুলাউড়ায় ফেন্সিডিলসহ আটক ১

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার হাজীপুর ইউপির এক এলাকা থেকে ২৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাহবুবুর রহমান সজীব(২৩) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে কুলাউড়া থানা পুলিশ।

গতকাল বুধবার (২ অক্টোবর) বিকেলে কুলাউড়া থানার এসআই অপু কুমার দাশগুপ্তের তত্ত্বাবধানে বিশেষ পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাজীপুর ইউনিয়নের বড়খার বাড়ির সামনে উস্তয়ার ব্রিক ফিল্ডের সামনে থেকে আসামিকে আটক করে।

আটককৃত ব্যক্তির কাছে থাকা একটি লাল রঙের প্লাস্টিকের ব্যাগে ২৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় ২৫ হাজার টাকা। আটককৃত ব্যক্তি কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর লামা বাজারের হারুন মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে কুলাউড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ ওসি আব্দুস ছালেক এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আটককৃত ব্যক্তির নিকট থেকে ২৫বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের পূর্বক

আজ বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

বাঞ্ছারামপুরে মো.নুরুল ইসলাম কলেজের এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত

মো. নাছির উদ্দিন, বাঞ্ছারামপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: যেতে নাহি দিব হায়, তবু যেতে দিতে হয়’ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাঞ্জলী পাঠের মধ্যে দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার খোষকান্দি মো.নুরুল ইসলাম কলেজের এইচ এস সি  পরীক্ষাথীদের বিদায়ী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কলেজ প্রাঙ্গনে ২ নভেম্বর  (বুধবার ) সকাল ১১ ঘটিকার সময় কলেজ কর্তৃপক্ষের আয়োজনে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উক্ত কলেজ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব মো.নুরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর এস এম পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দুধ মিয়া মাষ্টার তিনি বলেন বিদায়ী শব্দটি অতি বেদনা দ্বায়ক তবে এই বিদায় চির বিদায় নয় এই বিদায় হচ্ছে আনন্দের, তোমরা উচ্চ শিক্ষার জন্য বেরিয়ে যাবে সেই বিদায়।  উন্নয়নের রুপকার মাটি ও মানুষের নেতা ড.ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম এমপি মহোদয়ের  স্বপ্ন বাঞ্ছারামপুর হবে শিক্ষানগরী, তারই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তোমরা দেশের আগামীদিনের কর্ণধার।  মনে রেখ লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের দেশ আজ স্বাধীন, আজ আমরা প্রত্যাশা করি দুঃখ, দারিদ্র অন্ধকার ঘুচিয়ে তোমরা গড়ে তুলবে একটি সুখী ও সমৃদ্ধীশালী বাংলাদেশ। শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ।

বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার, শিক্ষার মান উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে চলেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন তোমরাই এ দেশ ও জাতীর ভবিষৎ, তাই তোমাদেরকে ভালোভাবে লেখাপড়া করে বাবা-মা ও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে। মনে রাখবে, তোমরাই আগামীতে এদেশের হাল ধরবে।

বাংলা প্রভাষক আরভী আক্তার ও ব্যবসায়ী সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রভাষক তালিমা খানম এর সঞ্চালনায় ও মো.নুরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবু জাফর সালেহ্ আহমেদ খন্দকার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরোও বক্তব্য রাখেন বাঞ্ছারামপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, ধারিয়ারচর হাজী ওমর আলী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমেনা খাতুন, আওয়ামীলীগ নেতা আদত সরকার, সাবেক মেম্বার আবুল কাশেম, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার খন্দকার  রহিমা আক্তার, ভবনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিনুর আক্তার, খন্দকার আব্দুর রশিদ, শ্যামল মিয়া, মো.কবির হোসেন, আব্দুল হক সরকার, গিয়াস উদ্দিন মেম্বার, সালা উদ্দিন মেম্বার, ডলি আক্তার, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শিক্ষক অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

বিদায় অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড.আবু জাফর সালেহ্ আহমেদ খন্দকার  বিদায়ী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ফুলের তোরা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় ৩০ জন বিদায়ীদের হাতে বিদায়ী স্বারক ও পরীক্ষার উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। পরিশেষে দোয়া ও মিলাদ শেষে তাবারুক বিতরণে মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মহারাসলীলার ব্যাপক প্রস্তুতি আনুষ্ঠানিকতা ৮ নভেম্বর

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: বৃহত্তর সিলেটের ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে অন্যতম মণিপুরি সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব মহারাসলীলা আগামী (মঙ্গলবার) ৮ নভেম্বর মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তুমুল হৈ চৈ, আনন্দ-উৎসাহে ঢাক-ঢোল, খোল-করতাল আর শঙ্খ ধ্বনির মধ্য দিয়ে হিন্দু ধর্মের অবতার পুরুষ ভগবার শ্রীকৃষ্ণ ও তার সখি রাধারলীলাকে ঘিরে এ দিনটি পালিত হবে।

কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ও আদমপুরে মণিপুরি অধ্যুষিত গ্রামের পাড়ায় পাড়ায় এখন রাস উৎসবের রং ফুটছে। মন্ডপে মন্ডপে চলছে রং করানোর কাজ। এলাকার হাওয়ায় এখন নীরব সুর বাজছে। রাস আসছে, রাস আসছে। এই দিন দুপুরে উৎসবস্থল মাধবপুরের শিববাজার উন্মুক্ত মঠ প্রাঙ্গণে হবে গোষ্ঠলীলা বা রাখাল নৃত্য।

রাতে জোড় মন্ডপে রাসের মূল প্রাণ মহারাসলীলা। তাই মণিপুরি পল্লীর বাড়ির উঠোনে ছেলেমেয়েরা নাচছে। নাচের প্রশিক্ষণ চলছে। প্রশিক্ষক দেখিয়ে দিচ্ছেন নাচের ভঙ্গিসমূহ। কোনো জায়গায় চলছে রাসনৃত্যের মহড়া। কোনো জায়গায় রাখালনৃত্যের। এগুলো এখন শেষ সময়ের প্রস্তুতি। নৃত্যকে নিখুঁত করার ঘষামাজার শেষ পর্যায়।

আলাপ করে জানা যায়, এবছর মাধবপুর জোড় মন্ডপে ১৮০ তম রাস উৎসব পালিত হবে। মাধবপুরের রাসমেলার আয়োজক হচ্ছে মণিপুরি মহারাসলীলা সেবা সংঘ। মণিপুরি বিষ্ণুপ্রিয়া সম্প্রদায়। উৎসবস্থল মাধবপুরের শিববাজার উন্মুক্ত মঠ প্রাঙ্গণে হবে গোষ্ঠলীলা বা রাখাল নৃত্য। রাতে জোড় মন্ডপে রাসের মূল প্রাণ মহারাসলীলা।

অন্যদিকে কমলগঞ্জের আদমপুরে মণিপুরী মৈতৈ সম্প্রদায় আয়োজন করছে পৃথক রাসমেলার। এবার তাদের পক্ষ থেকে হবে ৪০তম রাস উৎসব।

রাসোৎসবে মণিপুরি সম্প্রদায়ের লোকজনের পাশাপাশি অন্যান্য জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার লোকজন মেতে উঠেন একদিনের আনন্দ উৎসবে। মহারাত্রির আনন্দের পরশ পেতে আসা হাজার হাজার নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর, কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক, দেশি-বিদেশি পর্যটক, বরেণ্য জ্ঞানী-গুণী লোকজনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠবে মাধবপুর ও আদমপুরের মন্ডপ প্রাঙ্গণ। রাসোৎসবকে ঘিরে মাধবপুর ও আদমপুরের মন্ডপগুলো সাজানো হয়েছে সাদা কাগজের নকশার নিপুণ কারুকাজে। করা হয়েছে আলোকসজ্জাও।

কমলগঞ্জে প্রায় এক মাস আগে থেকেই চলে রাসোৎসবের প্রস্তুতি। রাসোৎসবকে সফল করতে প্রায় মাসখানেক ধরে কয়েকটি বাড়িতে রাসনৃত্য এবং রাখালনৃত্যের প্রশিক্ষণ ও মহড়া চলে। মাধবপুরে তিনটি জোড় মন্ডপের আওতায় এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

রাসলীলা দুই ভাগে বিভক্ত, গোষ্ঠলীলা ও রাসলীলা। গোষ্ঠলীলায় কৃষ্ণের বাল্যকালে মাঠে মাঠে বাঁশি বাজিয়ে ধেনু চড়াবার মুহূর্তগুলো অনুকরণ করা হয়। গোষ্ঠলীলাকে ‘রাখালনৃত্য’ বা ‘রাখোয়াল’ বলা হয়ে থাকে। রাসলীলায় অভিনীত হয় ‘গোপীনৃত্য’।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, রাস উৎসবকে সফল করতে প্রায় মাসখানেক ধরে বিভিন্ন বাড়িতে রাসনৃত্য এবং রাখাল নৃত্যের প্রশিক্ষণ ও মহড়া চলছে। মাধবপুরে তিনটি জোড় মন্ডপের আওতায় এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একেকটি মন্ডপে আছেন একজন পুরোহিত। সেই পুরোহিতের পরামর্শে একজন প্রশিক্ষক ধর্মীয় বিধিবিধান মতো গোপী বা শিল্পীদের প্রশিক্ষণ দেন।

প্রশিক্ষক’কে সহযোগিতা করতে একজন সহকারী প্রশিক্ষক আছেন। প্রশিক্ষক শিল্পীদের ঠিক করেন। এরপর সামাজিক বিধান মতো শিল্পীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। আমন্ত্রণের বাইরেও কেউ চাইলে রাসনৃত্যে অংশ নিতে পারেন। গোপীবেশী এই শিল্পীদের বয়স ১৬-২২ বছর। শুধু রাধার বয়স ৫-৬ বছর।

মহারাসলীলা সেবা সংঘের সাধারন সম্পাদক শ্যাম সিংহ জানান, এবারে মাধবপুর জোড়া মন্ডপে ১৮০তম মহারাসলীলা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে, এম, খালিদ এমপি। সকাল ১১টা আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে চলবে পরদিন ব্রাহ্মমুহুর্ত পর্যন্ত। ইতোমধ্যেই রাসোৎসব আনন্দময় করতে সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। পাশাপাশি নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এছাড়া একইদিন উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মহারাসলীলা অনুষ্ঠিত হবে।

ডোমারের কেতকী বাড়ী ইউনিয়নে উপ-নির্বাচনে সদস্য পদে ভেনাস বিজয়ী

মোঃ মোশফিকুর ইসলাম, নীলফামারীঃ নীলফামারীর ডোমারের কেতকী বাড়ী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উক্ত ওয়ার্ডের এক হাজার ২৫৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। 
তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে আসাদুজ্জামান ভেনাস ফুটবল প্রতিকে ৬৩৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ফাইয়াজুল ইসলাম বাধঁন মোরগ প্রতিকে ৫৭৭ ও জাহাঙ্গীর আলম নুরা পেয়েছেন ৪৬ ভোট। ভোট গ্রহণ শেষে রির্টানিং কর্মকর্তা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিছুজ্জামান উক্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।
কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ১৭নং দক্ষিণ চান্দখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, উপ-নির্বাচন সুন্দর সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরে ওই ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য তফিজুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করায় পদটি শূন্য হয়।

দু’শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী কালী মন্দিরের স্থলে দোকান কোঠা!

বাংলাদেশ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস গত বৃহস্পতিবার ২৭ অক্টোবর বিকেলে মৌলভীবাজার পুরাতন কালী মন্দির নির্মাণে সৃষ্ট সমস্যা গুলো সরজমিনে পরিদর্শন করেন।
এসময়ে তিনি পুরাতন কালীবাড়ি মন্দির পরিচালনা কমিটিসহ সকলকে নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন। সরজমিনে পরিদর্শন করে শ্রী শ্রী পুরাতন কালীবাড়ীতে মন্দিরের কোন অস্তিত্বই খুঁজে পান নি!
উপস্থিত শত শত মানুষের সামনে কালীবাড়ি মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনবীর রায় মঞ্জু , সাধারণ সম্পাদক নিলিমেষ ঘোষ বলু ও পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি আসু রঞ্জন দাশ, সাধারণ সম্পাদক মহিম দে কোন জবাব দিতে পারেন নি ।
এসময় লোকজন জড়ো হয়ে দোকান কোটা চাই না মন্দির চাই এ শ্লোগান দিতে দেখা যায়। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের একটাই দাবী, দোকান কোটা চাই না মন্দির চাই।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার জেলা শহরের পুরাতন কালীবাড়ি মন্দির প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল কয়েক মাস ধরে, নির্মাণ সূচনা লগ্নে ইঞ্জিনিয়ারিং ত্রুটির কারণে কমিটির নির্মাতারা উদাসীন থাকায় নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার দেখে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা শ্রী সুব্রত সরকার রাজ উপজেলা প্রশাসন এর হস্তক্ষেপে কাজ বন্ধ করেন এবং তদন্ত কমিটি প্রশাসনিক নির্দেশ মোতাবেক ছাদ ঢালাই ভেঙ্গে পুনরায় ছাদ নির্মিত হয়।
এদিকে স্থানীয় জগদীশ চন্দ্র দাশ বলেন এই মন্দিরের কোনো কার্যকরী কমিটি না থাকায় নির্মাণ কাজ সঠিক তদারকি হচ্ছে না বিধায় নির্মাণ জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। আবার সদর এলাকার নুতন কালীবাড়ি মন্দিরের কমিটি এই পুরাতন কালীবাড়ি মন্দির দেখভাল করেন।
ওই কমিটির (সভাপতি, সহ-সভাপতি, সম্পাদক সহ সদস্যদের) মেয়াদ কাল বিগত ৩ বছর পূর্বে শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে কয়েক জন ছাড়া নুতন কালী মন্দিরের কমিটির সদস্যরা সক্রিয় হয়ে কাজ না করায় নানা ধরণের অনিয়ম দেখা দেয় ।
পিপুল রায় বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট অনুদানের টাকা মন্দিরের জন্যে যেহেতু বরাদ্দ এসেছিল তাহলে উক্ত টাকা দিয়ে মন্দির ই নির্মাণ করা হোক। আমি বুঝতে পারি না কমিটির লোকজনের মাথায় দোকানদারী কেন ঢুকলো। এতে কমিটির লোকজন কি লাভবান হবেন ? মন্দিরের সংস্কার কাজ করতে যেয়ে মন্দির উচ্ছেদ করে দোকান কোঠা তৈরি হচ্ছে! এটি আমরা মানতে পারলাম না। বাংলাদেশের কোথাও এমন প্রমাণ খুঁজে পাওয়া যাবে না অতীতের দিনগুলোতে একজন দোকান কোঠা ভাড়া নিয়ে অন্যদের সাথে চুক্তি করে ভাড়া দিয়ে দেবোত্তর সম্পত্তি নিয়ে ব্যবসা করছে। কমিটির সদস্যরা পরিচিত লোকদের প্রশ্রয়ে এসব চলছে।
বাবুল দেব বলেন, মন্দিরে স্থানে কোনো শৌচাগারের এবং পানির ব্যবস্থা রাখা হয় নাই। মন্দিরের সংস্কার না করে দোকান কোঠা তৈরি বন্ধ করে, তাড়াতাড়ি মন্দির নির্মাণ করে ভুমি দস্যুদে্র হাত থেকে মন্দির রক্ষা করা হোক । এখানে সামান্য ভূমিতে বড় মন্দির নির্মাণের জন্য যথেষ্ট নয় , তবু ও অস্তিত্বের জন্য একটি আকর্ষণীয় দৃষ্টি নন্দন মন্দির এখন সাধারণ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সময়ের দাবি কিন্তু দোকান কোঠা কেউই চান না বলে জানান।
স্থানীয় ব্যবসায়ি সঞ্জিত দাশ বলেন , জেলা পূজা উদযাপন পরিষদে ১৭ জন সদস্য নতুন কালী বাড়ি কমিটিতে আছেন কিন্তু পূজা কমিটি দোকানের পক্ষে অবস্থান থাকায় হিন্দু জনসাধারণ ক্ষোভ প্রকাশ করেন । মানুষের মাঝে প্রশ্ন জেগেছে যে জেলা পূজা কমিটি মন্দিরের ভালো মন্দ দেখবেন কিন্তু তারা মন্দিরের জায়গায় দোকান তৈরি করছেন এতে হিন্দুদের অনেক প্রাচীন মন্দির হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের একটা দাবি এখানে দোকান না হয়ে মন্দির চাই।

টুইটার ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ টুইটার ব্যবহারকারীদের জন্য আসলো নতুন সিদ্ধান্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার অ্যাকাউন্ট ভেরিফাইড (ব্লু টিক চিহ্ন) করতে ব্যবহারকারীকে মাসিক ৮ ডলার বা ৮১২ টাকা গুনতে হবে। আজ বুধবার (২ নভেম্বর)) প্রতিষ্ঠানটির নতুন মালিক ইলন মাস্ক এ তথ্য জানিয়েছেন।

এক টুইটবার্তায় ইলন মাস্ক জানান, চার্জ ছাড়া ব্লু টিক জমিদারি সিস্টেম। জনগণের কাছে থাকবে ক্ষমতা। মাসে ৮ ডলার চার্জ দিতে হবে। ক্রয়ক্ষমতা সমতার ভিত্তিতে দেশের আনুপাতিক হারে মূল্য সামঞ্জস্য করা হবে। তিনি আরো বলেন, অ্যাকাউন্ট ভেরিফাইড ব্যবহারকারীরা রিপ্লাই, মেনশন এবং সার্চে অগ্রাধিকার পাবেন এবং দীর্ঘ ভিডিও এবং অডিও পোস্ট করতে পারবেন।

ইলন মাস্ক দায়িত্ব নেয়ার পর ব্যবহারকারীদের জন্য এ প্রথম বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের ঘোষণা আসলো।

এর আগে, মাস্ক টুইটারের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক চেয়ারম্যান ব্রেট টেলর ও সাবেক প্রধান নির্বাহী পরাগ আগারওয়ালকে বরখাস্ত করেন।

এদিকে, সাম্প্রতিক এক জরিপে অংশ নেয়া ৮০ শতাংশেরও বেশি টুইটার ব্যবহারকারী জানান তারা ব্লু টিক চিহ্নের জন্য কোনো অর্থ প্রদান করবেন না। আর ১০ শতাংশ ব্যবহারকারী বলেছেন তারা মাসে ৫ ডলার দিতে ইচ্ছুক।