জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বিশেষ অবদানে ‘মল্লিকা দে’ সেরা দশে

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য দেশের ১০টি প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। আর এ পুরস্কারের আওতায় ১০ প্রতিষ্ঠানের প্রধানের মধ্যে রয়েছে মৌলভীবাজারের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (ডিডি) মল্লিকা দে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের জন্মমৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেল রাশেদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জাতীয় জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন দিবস-২০২২ উপলক্ষে আজ ১৬ অক্টোবর সকাল ১০টার সময় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত থেকে বিশেষ পুরস্কার গ্রহণ করেন ওই  ১০ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।

কলম্বিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১৫ জন। আজ রবিবার (১৬ অক্টোবর) কলোম্বিয়ার দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকা প্যান আমেরিকান হাইওয়েতে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানায় আল জাজিরা।  

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাসটি টুমাকো শহর থেকে কলোম্বিয়ার খালির দিকে যাচ্ছিল। যাওয়ার পথেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ট্রাফিক পুলিশের ক্যাপ্টেন আলবার্টল্যান্ড আগুডেলো জানিয়েছে, বাস দুর্ঘটনায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিন বছরের এক মেয়ে শিশু এবং আট বছরের এক ছেলে শিশু রয়েছে। তদন্তকারীরা ধারণা করছে বাসটির কারিগরি ত্রটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

প্রাথমিক তদন্তে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত গণ কুয়াশার কারণে এবং বাঁকাপথ হওয়ায় চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ নয় ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে সড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে পুলিশে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এ সময় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মৌলভীবাজারে ডিমের উৎপাদন কমেছে, দাম বেসামাল

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: নিত্যপণ্যের মতো দেশে হাঁস-মুরগির খাবার ও ওষুধের দামও বেড়েছে। খরচ বেড়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মৌলভীবাজারের খামারিরা। কমেছে ডিম উৎপাদন। ফলে বেসামাল হয়ে পড়েছে ডিমের বাজার। খুচরা দাম ওঠানামা করায় হতাশ ক্রেতারা।

স্থানীয় খামারিদের দাবি, পোল্ট্রি সামগ্রীর দাম বাড়ায় তারা লোকসানে আছেন। ঢাকার বড় কোম্পানিগুলো বাজার নিয়ন্ত্রণ করে ডিমের দাম বাড়াচ্ছে। তবে খামারি পর্যায়ে দাম তেমনটা না বাড়ায় ডিমের উৎপাদন কমেছে।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, ঢাকা থেকে ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তাই বাজারে ডিমের দাম ওঠানামা করছে। হাঁস-মুরগির খাদ্য ও ওষুধের মুল্যবৃদ্ধির কারণে শঙ্কায় পড়েছেন প্রান্তিক খামারিরা।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা প্রতি পিস ডিম ১২ টাকা ৫০ পয়সা ও হাঁসের ডিম ১৫ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। কথা হয় খুচরা ডিম বিক্রেতা সজলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ডিমের বাজার বেসামাল হয়ে গেছে। দাম ওঠানামা করছে। এতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে।

টেংরা বাজারে ডিম ক্রয় করতে আসা জাকির হোসেন, শিপন আলী, সুমন আহমদ বলেন, ‘ডিম পুষ্টিকর খাবার। পুষ্টির চাহিদা পূরণে ডিম কিনতে হচ্ছে। তবে বাজারে আজ এক দাম কাল আরেক দাম। দর ওঠানামায় হতাশ আমরা।’

টেংরাবাজারের ডিম বিক্রেতা ইউসুফ পাঠান বলেন, ‘আমরা স্থানীয় খামারির কাছ থেকে ডিম কিনি। খাদ্য ও ওষুধের দাম বাড়ায় ডিমের দামও বাড়ছে। এছাড়া পরিবহন খরচও বেড়েছে। বড় কোম্পানিগুলো বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ক্ষুদ্র প্রান্তিক খামারিরা লোকসানে পড়ছে। আমাদেরও ব্যবসাবাণিজ্য আগের মতো হচ্ছে না।’

একই বাজারের ডিমের আড়তদার রুহুল আমীন ও নান্নু মিয়া বলেন, ‘বড় কোম্পানিগুলো ডিম স্টক করে দাম বাড়ায়। আমরা স্থানীয় খামারি থেকে ডিম কিনি। ডিম বিক্রি করে তেমন লাভ হচ্ছে না। স্থানীয় খামারিরা লোকসানে পড়লে ডিমের দাম আরও বাড়বে।’

মৌলভীবাজার জনতা পোল্ট্রি ফার্মের স্বত্বাধিকারী হাসান আহমদ বলেন, ‘আমার ৬০ হাজার ডিমের মুরগি ছিল। প্রতিদিন ৪০ হাজার ডিম পাওয়া যেতো। এখন ২০ হাজার মুরগি আছে। ১৭-১৮ হাজার ডিম উৎপাদন হয়। খাদ্যের বস্তা ছিল ১৭০০ টাকা। বর্তমানে দাম বেড়ে ২৯০০ টাকা হয়েছে। এ অবস্থা বেশিদিন চললে পোল্ট্রি খামার চালানো যাবে না।’

প্রান্তিক খামারি বিমল পাল বলেন, ‘আগে ডিমের স্থানীয় বাজার মূল্য আড়তদাররা নির্ধারণ করতো। আর এখন ঢাকার কাজী র্ফাম, প্যারাগন, সিপি বাংলাদেশ, ডায়মন্ড এসব কোম্পানি নির্ধারণ করে বলে বাজারে ডিমের মূল্য দিন দিন বাড়ছে।’

মৌলভীবাজার জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুস সামাদ বলেন, পোল্ট্রি খামার লাভজনক অবস্থানে ছিল। খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে ডিম উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারি ঝরে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। লোকসানে আছে খামারি আর লাভে আছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। স্থানীয় খামার গুলো রক্ষা করতে হলে বাজার মনিটরিং বাড়াতে হবে। বড় বড় কোম্পানি বাজার নিয়ন্ত্রণ করায় ডিমের দাম বাড়ছে এবং বাজার অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে ইউরোপে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে

অর্থনীতি ডেস্কঃ চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে বলে জানিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি)। ইপিবি’র সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ইপিবির সর্বশেষ পরিসংখ্যানের তথ্যানুযায়ী, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর তিনমাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৪ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি। তবে দেশের পোশাকের রপ্তানি কমেছে রাশিয়া, চীন, সংযুক্ত আরব-আমিরাত ও দক্ষিণ আফ্রিকায়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও রপ্তানির বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম। অর্থবছরের প্রথম তিনমাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে। এতে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক শূন্য ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

পরিসংখ্যান থেকে আরো জানা গেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নে বৃহত্তম রপ্তানি বাজার জার্মানিতে বাংলাদেশের রপ্তানি ৩ মাসে বেড়েছে ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ। রপ্তানির পরিমাণ ১ দশমিক ৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। স্পেন ও ফ্রান্সে রপ্তানি যথাক্রমে ২১ দশমিক ৩৫ শতাংশ ও ৩৬ দশমিত ৭২ শতাংশ বেড়েছে। ইইউর অন্যতম সম্ভাবনাময় বাজার পোল্যান্ড। তবে দেশটিতে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর- এ তিনমাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে যুক্তরাজ্য এবং কানাডায় রপ্তানি যথাক্রমে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ এবং ১৭ দমশিক ৪০ শতাংশ বেড়েছে। এতে যুক্তরাজ্যে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার ও কানাডায় ৩৩৪ দশমিমক ৬৫ মিলিয়ন ডলার।

ইপিবির পরিসংখ্যান থেকে আরো জানা গেছে,  জুলাই-সেপ্টেম্বর তিনমাসে অপ্রচলিত বাজারে দেশের পোশাক রপ্তানি ২৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়ে হয়েছে এক দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার। যা আগের বছরের একই সময় ছিল এক দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার। আর অপ্রচলিত বাজারের মধ্যে জাপানে রপ্তানি ১৬ দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়ে ৩২০ দশমিক ৪০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ভারতেও দেশের পোশাক রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তিনমাসে প্রতিবেশী দেশটিতে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ, যার পরিমাণ ৩০৬ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন ডলার।

অন্যদিকে,  জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে রাশিয়ায় রপ্তানি কমেছে ৪৭ দশমিক ৩০ শতাংশ। এছাড়া চীন, সংযুক্ত আরব-আমিরাত ও দক্ষিণ আফ্রিকায় রপ্তানি কমেছে যথাক্রমে ৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ, শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ, ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ।

নয় মাসে ন্যাশনাল পার্কে ১০ প্রানীর মৃত্যু!

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান হয়ে যাওয়া সড়ক রেলপথ ও বিদ্যুতের গ্রিড লাইন দিন দিন বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক বিরল প্রজাতির বানর হুনুমান অজগর উল্লুক বাঁদুর ট্রেনে কাটা পড়ে অথবা সড়কে গাড়ি চাপায় মারা যাচ্ছে। বিদ্যুতের তারে জড়িয়েও মাঝেমধ্যে অনেক বন্যপ্রাণী মারা যায়। জাতীয় উদ্যান হয়ে যাওয়া রেলপথ, সড়ক ও বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিড লাইন বাইরে নিয়ে যাওয়ার দীর্ঘদিনের দাবি বাস্থবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদাসীন।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, মৌলভীবাজারের তথ্যমতে, গত জানুয়ারি থেকে চলতি মাসে পর্যন্ত নয় মাসে লাউয়াছড়ায় সড়কে ও বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ১০টি বন্যপ্রাণী প্রাণ হারায়। বনের ভেতর দিয়ে রেলপথ ও সড়ক যাওয়ার কারণে বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম লাউয়াছড়া এখন বন্যপ্রাণীর জন্য এমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

সচেতন পরিবেশবিদরা মনে করেন, লাউয়াছড়ায় হয়ে যাওয়া ৭ কিলোমিটার রেলপথ ও পাকা সড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক সড়ক বনের বাইরে নিয়ে গেলে আরও কল্যাণকর। বনবিভাগের তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, বন্যপ্রাণী অধ্যাদেশ ১৯৭৪ এর ২ ও ৩ ধারা মতে ১৯৯৬ সালের ৭ জুলাই দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলের মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার মধ্যবর্তী পশ্চিম ভানুগাছ সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ১ হাজার ২৫০ হেক্টর (৩০৮৮ একর) এলাকা জাতীয় উদ্যান তথা ন্যাশনাল পার্ক (প্রকৃতির জন্য সংরক্ষিত এলাকা) ঘোষণা করে তৎকালীন সরকার। সেখানের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণে নেওয়া হয়েছিল সেই উদ্যোগ। কিন্তু ১৯৯৭ সালে মাগরছড়া গ্যাসকুপে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের কারণে বন ও বন্যপ্রাণীর সীমাহীন ক্ষতি হয়, যা এখনো পুষিয়ে ওঠতে পারা যায়নি এমন অভিমত বন গবেষকদের।

রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ১৭১ কিলোমিটার দূরের এই বনে ফেব্রুয়ারি মাসে সর্বোচ্চ ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং জুনে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিদ্যমান থাকে।

বনবিভাগ জানায়, লাউয়া ছড়ায় ৪৬০ প্রজাতির জীববৈচিত্র্য রয়েছে। ২৪৬ প্রজাতির পাখি, ৬ প্রজাতির শরীসৃপ ও ৪ প্রজাতির উভচর প্রাণীর বিচরণ এই বনে। এছাড়া এই ক’বছরে ১৬৭ প্রজাতির বন্যপ্রাণী অবমুক্ত করা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শ্যামল কুমার মিত্র জানান, গত ৮ মাসে এই বনের দুইটি বানর, একটি মুখপুড়া হনুমান, ১টি চশমাপরা হনুমান, একটি উল্টো লেজি বানর একটি গন্ধগোকুল, একটি বেজি ও একটি মেচোবাঘ দুর্ঘটনায় মারা যায়। এরমধ্যে মুখপুড়া হনুমান বিদ্যুতের গ্রিড লাইনে আর বাকি সবগুলো সড়কে প্রাণ হারায়।বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তার জন্য আমরা বনের ভেতর গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে নানা কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা চাই লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে এলাকায় বাস ট্রেনের গতি কোন অবস্থায় ২০ কিলোমিটারের বেশি হবে না এবং আমরা তা নিশ্চিত করতে চাই।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, লাউয়াছড়া থেকে সড়কপথ সরানোর জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আশা করা যায় ফলপ্রসূ কিছু হবে এমনটাই বলেন তিনি।

নওগাঁয় বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উদযাপিত

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁয় বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস- উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং প্রতিবন্ধী ও সায‍্য কেন্দ্র আয়োজিত এ আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নূর মোহাম্মদ। জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদি হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

“দৃষ্টিজয়ে ব্যবহার করি, প্রযুক্তি নির্ভর সাদাছড়ি” শিরোনামে আলোচনাসভায় বক্তব‍্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: শরিফুল ইসলাম খান, নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কায়েস উদ্দিন, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, জেলা পরিসংখ‍্যান বিভাগের উপ-পরিচালক ফায়সাল আহম্মেদ, সমাজসেবা অফিসের সহকারী পরিচালক মোহতাসিমবিল্লাহ এবং আশার আলো অটিষ্টিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক অছিম উদ্দিন।

পরে ১৫ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে স্মার্ট সাদাছড়ি বিতরন করা হয়।

মৌলভীবাজার পৌর মেয়র দেশসেরা পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমের জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ করে নাগরিকদের প্রাপ্য সেবা জনসাধারণের দৌড় গৌড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন। পৌর নাগরিকদের জন্মের ৪৫ দিনের ভেতরে জন্ম নিবন্ধন সেবাটি গ্রহণের জন্য নানাভাবে উদ্বুদ্ধ করছেন। পৌর নাগরিকদের মৃত্যু হলেও শোকবার্তা নিয়ে মেয়র নিজেই উপস্থিত হচ্ছেন বা তার পক্ষে কাউন্সিলররা থাকছেন। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সেবাটি নাগরিকদের দৌড়গোড়ায় সহজে পৌঁছে দিতে সভা, উঠান বৈঠক, বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, সবর্ত্রই প্রচারণা, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে সহয়তা নিতে কর্মকৌশল নির্ধারণে একাধিক বৈঠক করছেন।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আনতে পৌরসভায় এই বিভাগে দক্ষ লোকবল নিয়োগ, কক্ষের আয়তন সম্প্রসারণ, কম্পিউটার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি বৃদ্ধিসহ ঢেলে সাজিয়েছেন পৌরসভার এই বিভাগকে। এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ফলে সেবা প্রদানের জটিল এই প্রক্রিয়াটি পৌর নাগরিকরা সহজ ও দুর্ভোগ ছাড়াই সহজলভ্য ভাবে এখন গ্রহণ করতে পারছেন। এমন কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় পর্যায়ে দেশসেরা পুরস্কার পাচ্ছেন মৌলভীবাজার পৌরসভার দুইবারের নির্বাচিত জননন্দিত মেয়র আলহাজ মো. ফজলুর রহমান।

জানা যায়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে সম্পাদনের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় পর্যায়ে দেশসেরা মনোনীত হয়েছেন তিনি। এরইসঙ্গে একই বিষয়ে মৌলভীবাজারের স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মল্লিকা দে শ্রেষ্ঠ উপ-পরিচালকও নির্বাচিত হয়েছেন। ১৬ই অক্টোবর জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে ওইদিন সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ওই অনুষ্ঠানেই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে অবদানের জন্য বিশেষ স্বীকৃতির পুরস্কার দেয়া হবে। পুরস্কারের জন্য সারা দেশে ১০ জনকে সম্মাননা দেয়া হবে। এরমধ্যে রয়েছেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক সাতজন, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দুইজন ও মেয়র একজন। মনোনীত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হবে। রেজিস্ট্রার জেনারেল ও অতিরিক্ত সচিব মো. রাশেদুল হাসান ১১ই অক্টোবর এ বিষয়ে একটি নির্দেশনাপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।

এ বিষয়ে মেয়র ফজলুর রহমান বলেন, ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি জটিল ছিল। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। এখন এর বেশ সুফলতাও পাচ্ছি। এ কাজে আমার পৌরসভার সম্মানিত কাউন্সিলারবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দের আন্তরিকতার কোনো কমতি নেই। সকলের প্রচেষ্টায় এখন সেবাগ্রহীতা নাগরিকরা সন্তুষ্ট হচ্ছেন। এই পুরস্কারটি আমাদেরকে এই কাজসহ সেবামূলক অন্যান্য কাজেও অনুপ্রাণিত করবে। এই পুরস্কার পৌর বাসীর।

নওগাঁয় প্রভাবশালীর প্রভাবে ৩০ টি পরিবার পানি বন্দি

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁ সদর উপজেলার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের চকরামপুর গ্রামের মোল্লা পাড়ায় পাকা ড্রেন ও দুইটি সরকারী কার্লভাট ব্রিজ দিয়ে তুলশীগঙ্গা নদীতে পানি প্রবাহিত হতো। কিন্তু গত দুই বছর যাবৎ এলাকার প্রভাবশালি সুরমা মাল্টিপারপাসের চেয়ারম্যান সবেদুল ইসলাম রনি তুলশীগঙ্গা নদীর তীরবর্তী পূর্ব পাশ্বের নদীর নিচু জমি দখল করে মাটি ভরাট করায় ড্রেনের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। যার কারণে জলাবদ্ধতায় হুমকির মুখে প্রায় ৩০টি বাড়ি। সামান্য বৃষ্টিতেই জ্বমে হাটু পানি। রান্না করাসহ সন্তান ও গবাদিপশু নিয়ে পরতে হয় চরম ভোগান্তিতে। 

এর মধ্যেই গ্রামের ২০টি আধাপাকা বাড়ী ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। ফসলের মাঠে প্রায় ১০ থেকে ১৫ বিঘা আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। যার কারণে জমিতে ফসলের যায়গায় কচুরিপানায় পরিপূর্ণ।

গ্রামের বাসিন্দা নাজমুল হল শুভ জানান, ড্রেনের পানি চলাচল বন্ধ হওয়ার জন্য বাচ্চাদের নিয়ে অসুবিধায় পরতে হচ্ছে। তারা পানির কারণে ঠিক মতো স্কুল, কলেজে যেতে পারছে না। খেলা ধুলা করতে পারছে না। সব সময় পানি বন্দী অবস্থায় থাকতে হচ্ছে এতে বাচ্চাদের মেধা বিকাশে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও পানি জ্বমে থাকার কারণে বড় ও ছোট বাচ্চাদের পায়ে ঘা সহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্তের শিকার হচ্ছে।

গ্রামের বাসিন্দা ইউসুফ রানা বলেন, আমাদের গ্রামের পানি চলাচল ড্রেনের পাশে যারা বিল্ডিং নির্মাণ করেছেন, তারা সকলেই গ্রামবাসী সুবিধার্থে পাকা ড্রেন নির্মান করে দিয়েছেন। সবেদুল ইসলাম রনি প্রভাবশালী হওয়ায় কারণে ড্রেনের মুখ বন্ধ করে মার্কেট নির্মান করে ড্রেনের পানি নদীতে নিষ্কাশন ব্যাহত করছেন। আমি প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানায় অতি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। তা না হলে গ্রামবাসীর বিভিন্ন জান মালের ক্ষয়ক্ষতি সহ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তা না হলে একসময় বড় ধরনের পানিবাহিত রোগের আশংকা দেখা দিবে।

প্রতিকার চেয়ে গ্রামবাসী লিখিত অভিযোগ দিয়েছে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা, ভূমি অফিস, পৌরসভার, পানি উন্নয়ন বোর্ড সহ বিভিন্ন দপ্তরে কিন্তু সবেদুল ইসলাম রনি প্রভাবশালী হওয়ার কারণে কোন সঠিক সুরাহা পাচ্ছে না ভুক্তভোগী গ্রামবাসীরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুরমা মাল্টিপারপাসের চেয়ারম্যান সবেদুল ইসলাম রনির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ডিজিটাল বাংলা নিউজের নওগাঁ জেলার সাংবাদিককে জানায়, আমি আমি কারো জায়গা দখল করে জমি ভরাট করি নাই। আমি আমার নিজ জমি ভরাট করেছি। এখানে কোন ড্রেন বন্ধ করি নাই। আমিতো আমার জায়গার উপর দিয়ে কোন ড্রেন দিবোনা। যদি ড্রেন প্রয়োজন পড়ে গ্রামবাসীদের বলুন জমির সাইট দিয়ে ড্রেন করে নিতে যদি কোন সাহায্য সহযোগিতা করার প্রয়োজন পরে আমি করব।

নওগাঁ জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান, পি এএ  বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধান শিক্ষক’কে নিয়ে আপত্তিকর ষ্টেটাস, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

তিমির বনিক: হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার আব্দাপটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পূরবী ধরকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর ষ্টেটাস দিয়ে বাহুবল থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন কটূক্তিকারী ইসতিয়াক আহমেদ রুবেল নামে এক যুবক।

জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধান শিক্ষক পূরবী ধরকে নিয়ে একটি আপত্তিজনক ষ্টেটাস দেয় ইসতিয়াক আহমেদ রুবেল নামে এক যুবক । প্রধান শিক্ষক’কে নিয়ে এমন আপত্তিকর ষ্টেটাস এর ক্ষোভে ফুঁসলে পড়েন উপজেলার সমস্ত শিক্ষক সমাজ। বিষয়টি তাৎক্ষণিক  শিক্ষক নেতৃবৃন্দরা বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করলে তিনি তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বাহুবল থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন । আপত্তিকর এমন ষ্টেটাসের প্রেক্ষিতে শিক্ষিকা পূরবী ধর কটূক্তিকারী ইসতিয়াক আহমেদ রুবেলের বিরুদ্ধে শুক্রবার বাহুবল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ইসতিয়াক আহমেদ রুবেলকে শুক্রবার বিকেলে আটক করে বাহুবল থানা পুলিশ।

পূরবী ধর সাংবাদিকদের জানান,দীর্ঘদিন ধরেই অভিযুক্ত রুবেল বিদ্যালয়ে গিয়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন। তিনি বলেন ক’দিন আগেও বিদ্যালয়ের সমস্ত গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছে সে, ঐ সময় আমাকে এ বিষয়ে নাক না গলাতে হুমকিও দেয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়কে অবহিত করেছি। তার আগের হুমকির ঘটনাগুলোও আমি তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং শিক্ষা অফিসার স্যারকেও অবহিত করেছি। এতে করে সে আমার উপর আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

পূরবী ধর বলেন, সে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির একজন সদস্য মাত্র অথচ সে প্রকৃত সভাপতি রাসেল আহমেদ’কে হুমকি ধামকি দিয়ে বিদ্যালয়ে না আসার জন্য ভয়ভীতি দেখান। সভাপতি মহোদয় শিক্ষক ও ভদ্র মানুষ তাই মানসম্মানের ভয়ে তিনি বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই সুযোগে ইসতিয়াক আহমেদ রুবেল নিজেকে সভাপতি দাবী করে বিদ্যালয় পরিচালনার নামে হুমকি ধামকি এমনকি সরকারি সম্পদ লুঠ করে বিক্রি করলে আমি বাঁধা দেই এতেই সে আমাকে ফাঁসাতে ওঠে পরে লেগেছে। বাহুবল উপজেলার শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ অভিযুক্ত ইসতিয়াক আহমেদ রুবেলের পরিবারের লোকজনও সাংবাদিকদের কাছে ইসতিয়াক আহমেদ রুবেলের অনিয়মের কথা স্বীকার করেন । একই সাথে সাংবাদিকদের সামনেই শিক্ষিকা পূরবী ধর এর পাশে সবসময় থাকবেন বলে জানান তারা।

এ বিষয়ে বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ (ওসি) মো.কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান ,অভিযুক্ত ইসতিয়াক আহমেদ রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি জানান তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। আরো বেশ কিছু তদন্ত পূর্বক অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানান তিনি।

নওগাঁয় পাঁচদিনব্যাপী ভরতনাট্যম ও উদয়শঙ্কর ডান্স ষ্টাইল কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁয় ৫ দিন ব্যাপী  ভরতনট্টম ডান্স ও উদয়শঙ্কর ডান্স ষ্টাইল ওয়ার্কশপ শুরু হয়েছে। নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাব এবং সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদ ইন্ডিয়া যৌথভাবে এই কর্শালার আয়োজন করে। 

প্রেসক্লাব মিলনায়তনে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার  উদ্বোধন করেন নওগাঁর  জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদি হাসান। প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কায়েস উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ছিলেন কর্মশালার কনডাক্টর কলকাতার প্রখ‍্যাত নৃত‍্য প্রশিক্ষক সুমি সেন কুন্ডু, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর শরিফুল ইসলাম খান, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এএসএম রাইহান আলম, সাধারন সম্পাদক শফিক ছোটন, যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আব্দুর রউফ পাভেল, কার্যকরী সদস‍্য ওমর ফারুখ ও ওবায়দুল হক, স্থানীয় নৃত‍্য প্রশিক্ষক মোরশেদা বেগম শিল্পী, সুলতান মাহমুদ ও লিজা সুলতান উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় স্থানীয় নৃত‍্যাঞ্জলী একাডেমী, নৃত‍্য নিকেতন ও নৃত্য রঙ একাডেমীসহ বিভিন্ন নৃত্য প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬০ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশগ্রহণ করছে। আগামী ১৯ অক্টোবর কর্মশালার সমাপ্ত হবে।