Exactly what Guys Need To Find Out Before Signing Up For A Dating Internet Site

So what does it take to become successful at internet dating? Should you have several million dollars within the lender? Must you be 6 feet 4 inches tall with ripped abs? Must you have an amazing variety of exciting existence encounters to casually share in your profile?

Several of these qualities undoubtedly will not harm your odds of succeeding at online dating sites, but not one of the overhead are crucial should you want to meet some great women from Match.com, OkCupid or any kind of their particular buddy and sibling web sites. All you have to optimize your opportunities at locating love on the net is just a little preparation.

Know what you are looking for.

Before you join an on-line dating website, you will need to know what exactly you are looking for. It is both the basic and the majority of vital action. Not merely do you need to figure out what sort of girl you are considering, you also need to completely decide on what kind of commitment you are looking for.

Different internet dating sites are more inclined to draw in several types of women, and various different web sites developed around various connection models. OkCupid is likely to attract a younger, a lot more alternative group. Match.com fulfills the ranking with younger and old pros.

eHarmony is targeted on creating lovers for serious, long-lasting relationships. Ashley Madison deals with alone with linking men and women, single and connected, seeking participate in an affair. Lacking the knowledge of what you are trying to find, you will not understand which site will greatest fit the bill.

Additionally, unless you know what you are searching for, you will not know whose tastes to modify your own profile for and the person you’re actually into messaging. Figuring out what you are searching for just before begin will save you a lot of time and stress.

 

“Focus is, fundamentally, the key to drastically

improving your success at online dating.”

Understand how to project yourself.

Some individuals will end up put off with what I mentioned above about once you understand “whose preferences to tailor your profile for.” Most people feel all they need to do in order to achieve matchmaking, on the web or else, should follow that endlessly duplicated bit of information to “be your self.”

And you also definitely must certanly be yourself. You positively should inform the truth within profile. Nevertheless need certainly to act intentionally regarding what aspects of your “self” you place around.

It’s not possible to place every single thought and feeling you have had inside profile. You can’t reveal every single part of your own personality along with your diverse interests within an internet dating membership.

If you attempt to do this, you may develop a remarkably long-winded, baffled and conflicted profile, one most women aren’t likely to review completely. Those women who perform look over completely to the conclusion will enjoy an uncertain feeling of whom you actually are at your center substance and what they can get from spending some time with you.

Its better to find out exactly what aspects of your own character will charm by far the most towards the kind of lady you are trying to fulfill, and then focus on projecting those qualities clearly. If you’re searching to meet an outdoorsy method of girl, never discuss how much you like to invest enough time inside urban area. Rather, emphasize the daring nature.

If you’re searching to generally meet a lady which appreciates the aspiration, do not try to clarify which you enjoy to unwind and veg out throughout the day occasionally. Mention your passions.

Women can be wise. Ladies have no need for everything spelled out for them in min detail. Actually, females like a little puzzle since it provides them with concerns to ask both you and allows them to daydream, think about and speculate all the little information on yourself.

Should you decide fill a lady in on each and every detail of who you really are and that which you would, that woman won’t have a lot interest or incentive in in fact fulfilling you and developing whatever commitment along with you.

Focus is, in the long run, the answer to significantly improving your success at online dating sites. Understand what you are searching for and project those elements of your self that align with your desire.

chatforhookups.com/lesbian-chat/

আজ বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হচ্ছে

স্বাস্থ্য ডেস্কঃ প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাপী বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হয় ৷ আর তাই আজ বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) সারাদেশে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালন করা হচ্ছে।  

প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে বিপুল সংখ্যক মানুষ অবহেলা, দুর্ঘটনা বা রোগের কারণে অন্ধত্ব বা দৃষ্টিশক্তি হারানোর সম্মুখীন হয় । প্রতিবছর অক্টোবরের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং চোখের সমস্যা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে বিশ্বব্যাপী পালিত হয় ‘বিশ্ব দৃষ্টি দিবস’। এই বছর এই বিশেষ দিনটি “লাভ ইউর আই” (love your eye) বা “আপনার চোখকে ভালোবাসুন” থিমে পালিত হচ্ছে।

চোখের বিকলতা ও অন্ধত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করাই আজকের দিবস পালনের উদ্দেশ্য। চোখের যত্ন নেয়ার জন্য জনসচেতনতা তৈরিতে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করছেন চক্ষু বিশেষজ্ঞরা।

চক্ষু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধানত ৭টি কারণে মানুষ অন্ধ হয়। সেগুলো হলো- বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন, গ্লুকোমা, চোখের ছানি, যা প্রতিরোধযোগ্য, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি হলেও অন্ধত্ব হয়, আঘাতজনিত কারণ, ট্রাকোমা ও ভিটামিনের অভাব।

এক সময় ভিটামিন ‘এ ‘ এর অভাবে দেশে অনেকেই অন্ধত্ব বরণ করত। তবে, ন্যাশনাল আই কেয়ারের ইপিআই কর্মসূচির মাধ্যমে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সরবরাহ করায় রাতকানা রোগের প্রকোপ অনেক কমে গেছে।

এক নজরে নোবেল পুরস্কার ২০২২

নোবেল পুরস্কার ২০২২

❐ পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার: আমেরিকার  জন এফ ক্লোজার, ফ্রান্সের অ্যালেন অ্যাসপেক্ট এবং অস্ট্রেলিয়ার অ্যাটন জেলিঙ্গার কোয়ান্টাম ইনফরমেশনের দুনিয়ায় অভাবনীয় সাফল্যের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে যুগ্ম ভাবে বিজয়ী হলেন।
❐ রসায়নে নোবেল পুরস্কার: আমেরিকার ক্যারোলিন আর. বার্তোজী ও কার্ল ব্যারি সার্পলেশ এবং ডেনমার্কের মর্টেন মেন্ডল ক্লিক কেমিস্ট্রি এবং বায়োর্থোগোনাল কেমিস্ট্রির উন্নয়নের জন্য রসায়ন বিজ্ঞানে যুগ্ম ভাবে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হলেন।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার: সুইডেনের সান্তে প্যাবো বিলুপ্ত হোমিন এবং মানব প্রজাতির জিনোম সম্পর্কিত গবেষণায় আবিষ্কারের দরুন চিকিৎসা বিজ্ঞানে একক ভাবে নোবেল বিজয়ী হলেন।

সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার: ফরাসী লেখিকা অ্যানি এনৌ সাহস নিখুঁত মাধ্যমে ব্যক্তিগত স্মৃতির শিকড়কে একত্রিত করে যেভাবে তিনি ক্ষুরধার কলমে অনাবৃত করেছেন সেই পেক্ষাপট থেকে সাহিত্য বিভাগে একক ভাবে নোবেল জয়ী হলেন।


নোবেল শান্তি পুরস্কার: বেলারুশের মানবাধিকার আইনজীবী আলেস বিলিয়াতস্কি (Ales Bialiatski), রাশিয়ান মানবাধিকার সংস্থা মেমোরিয়াল (Russian human rights organisation Memorial) এবং ইউক্রেনের মানবাধিকার সংস্থা সেন্টার ফর সিভিল লিবার্টিজ (Center for Civil Liberties) এরা যৌথ ভাবে নোবেল শান্তি পুরষ্কার ২০২২-টি পাচ্ছেন। তারাযুদ্ধাপরাধ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের নথিভুক্ত করার জন্য একটি অসামান্য প্রচেষ্টা করেছে। তারা একসাথে শান্তি ও গণতন্ত্রের জন্য নাগরিক সমাজের তাৎপর্য প্রদর্শন করে এই পুরস্কারের যোগ্য হয়ে ওঠে।

❐ অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার: আমেরিকার তিন অর্থনীতিবিদ বেন এস. বারন্যাঙ্ক, ডগ্লাস ডব্লিউ. ডায়মন্ড এবং ফিলিপ এইচ. ডিবভিগ ব্যাঙ্ক এবং আর্থিক সংকটের উপর গবেষণার জন্য অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন।

 

এইচএসসি পরীক্ষার সংশোধিত সূচি প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সংশোধিত সূচি প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। নতুন সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ নভেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু এবং শেষ হবে ১৩ ডিসেম্বর। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ১৫ ডিসেম্বর। গতকাল বুধবার (১২ অক্টোবর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত সূচিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   

সংশোধিত নতুন সূচি অনুযায়ী, সব পরীক্ষা আগের মতো রাখা হলেও সংস্কৃতি ১ম পত্র আগামী ৬ ডিসেম্বর ও ২য় পত্র ৮ ডিসেম্বর নেয়া হয়েছে। আগে একই দিনে শিক্ষার্থীদের সকালে ও বিকেলে পরীক্ষা থাকায় তার সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করে।



এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আবুল বাশার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সংস্কৃতি বিষয়ের পরীক্ষার সময় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ বিষয়ে অল্প কিছু শিক্ষার্থী থাকলেও আগের রুটিনে একই দিনে সকালে ও বিকেলে দুটি পরীক্ষা দেয়া হয়। সকালে পরীক্ষা দিয়ে বিকেলে আরেক পরীক্ষায় অংশ নেয়া তাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি হবে। সেটি বিবেচনা করে সংস্কৃতি বিষয়ের পরীক্ষার সময় পরিবর্তন করা হয়েছে।

সূচি অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা চলবে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। অর্থাৎ ৩৮ দিনেই শেষ হবে এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা। এরপর ১৫ ডিসেম্বর শুরু হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। যা শেষ হবে আগামী ২২ ডিসেম্বর। এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা দুই ঘণ্টা হবে। এরমধ্যে বহুনির্বাচনী ২০ মিনিট এবং সৃজনশীল পরীক্ষার জন্য ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সময় পাবে শিক্ষার্থীরা।

দুই ধরনের প্রশ্নের মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না। প্রথমে বহুনির্বাচনী এবং পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে।

মৌলভীবাজারে প্রাথমিক শিশুদের করোনা টিকা কার্যক্রম শুরু

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার পৌরসভা ও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইবতেদায়ী মাদ্রাসা, কওমী মাদ্রাসা ও বেসরকারী বিদ্যালয়সহ সর্বমোট ৩৭৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের করোনার পেডিয়াট্রিক ফর্মুলেশন ফাইজার বায়োএনটেক ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলছে।

বুধবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে শহরের বাহিরে সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূর্ব নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী শুরু হয় এই কার্যক্রম। এর আগে গত মঙ্গলবার মৌলভীবাজার পৌর শহরে সর্বমোট ৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম শুরু হলেও শহরের বাহিরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুরু হয় বুধবার থেকে।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে সুত্রের বরাতে জানা যায়, সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা মিলে সর্বমোট ৪৯ হাজার ৫শত ৬০ জন শিশু ভ্যাকসিনের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। তবে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাহিরে ঝরে পড়া শিশুদেরও ভ্যাকসিন কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসা হবে দ্রুত। এছাড়াও নিবন্ধনের বাহিরেও শিশুরা ভ্যাকসিন নিতে পারবে বলে জানা যায়। গত ১১ আগষ্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তত্তাবধানে উদ্বোধন করা হয় ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের ভ্যাকসিন দেয়ার আনুষ্ঠানিকতা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় শহরতলীর দক্ষিণ জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে,ওই বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময়ে উপজেলা স্বাস্থ্য অফিসের নিজস্ব লোকবলসহ বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সহায়তায় শিশুরা ভ্যাকসিন গ্রহণ করছেন। অনেক শিশুকে ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে উচ্চ শব্দে কান্নাকাটি করতে দেখা যায়। তবে বেশিরভাগ শিশুই ভয়হীন ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছে। ওই বিদ্যালয়ে ১৯৫ জন শিশু ভ্যাকসিনের জন্য সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: বর্ণালী দাশ জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায় বেশ উৎসাহ উদ্দীপনায় শিশুদের ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলছে, শিক্ষকরাও সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন। তিনি আরো জানান,সবার সহযোগীতায় এই কার্যক্রম সফল হবে।

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর / মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

ইরানে চলমান বিক্ষোভে ২০১জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরানে পোশাকের স্বাধীনতার দাবিতে চলা বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ২শ’ ছাড়ালো। দেশটির মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, বিক্ষোভে এ পর্যন্ত প্রাণ গেছে ২০১ জন ইরানির। আহতের সংখ্যা কয়েক হাজার। খবর রয়টার্সের। 

বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, হতাহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য থেকে শুরু করে সাধারণ পথচারীও রয়েছেন।

এদিকে, বিক্ষোভে অব্যাহত আছে বিভিন্ন পেশাজীবীদের যোগদান। সম্প্রতি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেন বুশেহের, আসালুয়ে এবং আবাদান প্রদেশের তেল শ্রমিকেরা। এ সময় তারা সরকারের পতন এবং সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইমাম খামেনির মৃত্যু কামনা করেন।

এছাড়া রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে অংশ নেন আইনজীবীরা। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও অব্যাহত আছে বিক্ষোভ প্রতিবাদ।

প্রসঙ্গত, ইরানের নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে গেল ১৬ সেপ্টেম্বর মৃত্যু হয় ইরানি তরুণী মাহসা আমিনির। অভিযোগ ওঠে, নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতনে মৃত্যু হয়েছে তার।

আমন ধানে নতুন স্বপ্ন দেখছেন রাণীশংকৈলের কৃষকেরা

হুমায়ুন কবির (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ চলতি মৌসুমে আমন ধান চাষে নতুন স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা। উপজেলাজুড়ে বিস্তীর্ণ সবুজের সমারোহ। বাতাসে আমন ধানের সবুজ ঢেউ কৃষকদের মন ভরিয়ে দিচ্ছে। ঢেউয়ের মতো খেলে যাচ্ছে ধান গাছের সবুজপাতা ও কাঁচা শীষ। কয়েকদিনের মধ্যেই শীষে দুধ-দানা বাধতে শুরু করেছে। সবুজের সমারোহে ছেয়ে গেছে মাঠের পর মাঠ। আগত আমন ধানের শীষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন।

ধানের কাঁচা শীষ দেখে আনন্দে বুক ভরে উঠে কৃষকের মন। তবে কৃষি বিভাগের দাবি, অনুকূল আবহাওয়া, কৃষকের নিবিড় পরিচর্যা, যথা সময়ে জমিতে সার ও কীটনাশক প্রয়োগের কারণে এবার আমন চাষের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ। ফলে মাঠে দোল খাওয়া সবুজ ধানে নতুন স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ মৌসুমে উপজেলায় পৌরসভাসহ ৮ টি ইউনিয়নের ৬৬ হাজার ৬০৪ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হাইব্রিড জাতের ৫ হাজার ৩৫৫ হেক্টর, উফশী জাতের ১৬ হাজার ২০৫ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ২ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমি।

কিছুদিন পরেই ধানের সবুজ চারা এবং কাঁচা শীষ সোনালী বর্ণ ধারণ করবে। এরপর সোনালি ধানের শীষে ঝলমল করবে মাঠের পর মাঠ। রাশি রাশি সোনালি ধানে ভরে উঠবে কৃষাণীর শূন্য গোলা। আমন মৌসুমকে ঘিরেই এমন স্বপ্ন দেখছে এ অঞ্চলের চাষিরা।

এ বছর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, সার, বীজ ও বালাইনাশক সংকট কিছুটা থাকলেও সময় মতো বৃষ্টি হওয়ায় এ সংকট কেটে উঠেছেন কৃষকরা। ফলে ফসলের মাঠ অনেক সুন্দর হয়েছে। ধানের সবল-সতেজ চারা এবং শীষ বের হয়েছে। তাই এবার ধানের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

সম্প্রতি উপজেলার লেহেম্বা ইউনিয়নের পাটগাও গ্রামের শরিফুল ইসলাম মানিক বলেন, রোপা আমন ধানের মাঠে সবুজের সমারোহ। প্রতিটি ধানের ক্ষেতে দুলছে সবুজপাতা। ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটছে কৃষকের। কৃষকরা মাঠে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান গাছের পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। মাঠে সেচ, সার, কীটনাশক প্রয়োগ, আগাছা পরিষ্কার এবং পার্চিং ব্যবহার করছেন কেউ কেউ।

স্থানীয় কৃষক মোঃ বিপ্লব (সাংবাদিক) ও ফজলু জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও পরামর্শে চাষাবাদকৃত আমন ধান গতবারের চেয়ে এবার ভালো হয়েছে। আগামী মাসের শেষের দিকে ধান কাটা শুরু হবে। তখন পূরণ হবে আমাদের স্বপ্ন।

উপজেলার বাচোর গ্রামের কৃষক মোবারক আলী, রুহুল আমিন, বিরাশি গ্রামের জিল্লুর ও মহিদুল সহ অনেকেই জানান, এ বছর ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা। কোনো ধরণের প্রাকৃতিক দূর্যোগ না ঘটলে গত বছরের তুলনায় এবার তারা ভালো ফলন ঘরে তুলতে পারবে।

আরেক কৃষক গোলাম হোসেন বলেন, ধান ক্ষেতে দুই দফায় সার-কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়েছে। ধানগাছের চেহারা দেখে বোঝা যাচ্ছে এবারে ভালো ফলন পাওয়া যেতে পারে। সরকার যদি ন্যায্যমূল্য দেয় তাহলে লাভবান হবেন তারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, আমন ধানের বাম্পার ফলন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি। ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। তাই আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছি। কৃষকদের ভালো ফলন পেতে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

মৌলভীবাজারে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও পুড়া তেল দিয়ে খাদ্র সামগ্রী তৈরিসহ নানান অভিযোগে অবস্থিত শামস ফুডস নামের একটি বেকারী ও দুটি ফার্মেসীকে অনিয়মের দায়ে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়।

গতকাল বুধবার (১২ই অক্টোবর) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আল-আমিন এর নেতৃত্বে র‌্যাব-৯ এর একটি দলের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর, মোস্তফাপুর রোড, সদর হাসপাতালের সামনে, শ্রীমঙ্গল রোডসহ বিভিন্ন স্থানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর প্রতিষ্ঠান, বেকারী ও ফার্মেসীসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং ও সচেতনতামূলক তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এসময় তদারকি অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য পণ্য তৈরি ও সংরক্ষণ করা, পোড়া তেল ব্যবহার করে খাদ্য পণ্য তৈরি করা, বেকারী খাদ্য পণ্যের উপর ব্যবহৃত কাপড় ঝুলিয়ে রাখা, মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয় করার তাকে সংরক্ষণ করা, ফিজিশিয়ান সেম্পল বিক্রয় করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে মোস্তফাপুরে অবস্থিত শামস ফুডকে ৩০ হাজার টাকা, মোস্তফাপুর রোডে অবস্থিত মৌ ফার্মেসীকে ৬ হাজার টাকা, সদর হাসপাতালের সামনে রিটন ফার্মেসীকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে মোট তিনটি প্রতিষ্টানকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার। এই অভিযান পরিচালনা প্রতিনিয়ত চলমান থাকবে বলে জানান সহকারী পরিচালক আল আমিন।

সারা অঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দিব কোথায়?

বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এসএসসি পাশ করে বড় বড় সরকারি কর্মকর্তা সহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন মর্যাদাশীল জায়গায় দায়িত্ব পালন করা যেত। ঠিক সেই সময় এসএসসি পাস করে চার বছর ছয় মাস লেখাপড়া করে ডাক্তার হওয়া যেত।তৎকালীন এলোপ্যাথির অবস্থা ছিল অনেকটা নাজুক। পরবর্তীতে দেখা যায় শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার বর্তমানে প্রাইমারি স্কুলের চাকরি নিতে গেলে অনার্স পাস প্রয়োজন হয়।এসএসসি ব্যতীত এমবিবিএস ডাক্তার বা অন্য কিছু হওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথি অবস্থা আগে যেরকম ছিল এখনো একই রকম। এখানে ডাক্তারি পড়তে কোন বয়সের প্রয়োজন হয় না। যে কোন বয়সের লোক এসএসসি সার্টিফিকেট মাত্র থাকলেই ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পায়।

আমার কথা হচ্ছে স্বাধীনতা পরবর্তী সময় যেটা ছিল সেটা ঠিক কিন্তু আজ সবকিছু পরিবর্তন হয়েছে হোমিওপ্যাথি শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে না কেন? দেখা যায় হোমিওপ্যাথিক কলেজে যে কেউ ভর্তি হতে পারে ভর্তি হওয়ার পরে কোন ক্লাস করানো হয় না বা ক্লাস করার জন্য বাধ্য করা হয় না।বিভিন্ন বয়সের চাকরিজীবী লোক হোমিওপ্যাথি লেখাপড়া করতে পারে। তারা বছরে একবার এসে পরীক্ষা দেয়।বাস্তবতা হচ্ছে পরীক্ষার হলে অধিকাংশ ছাত্র বই নিয়ে যায় দেখে দেখে পরীক্ষা দেয়।

বর্তমান বাংলাদেশি হোমিওপ্যাথি সিস্টেমে এটা যেমন একটা নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরীক্ষার দুই দিন আগে ছাত্ররা বই কিনে পরীক্ষার হলে নিয়ে ঢুকে। এমন কি অধিকাংশ ছাত্ররা যদি পরীক্ষায় কোন সিনোনেম আসে সেটা ধরতে পারে না শিক্ষকরা এ ব্যাপারে তেমন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

অপরদিকে হোমিওপ্যাথি হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও কঠিন চিকিৎসা বিজ্ঞান। বলতে গেলে এমবিবিএস স্টুডেন্টদের চেয়ে এদের সাবজেক্ট এবং পড়া কোন অংশে কম নয়। জেনারেল মেডিকেল সায়েন্সের এনাটমি, ফিজিওলজি,প্যাথলজী, গাইনোকোলজি, পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, প্রাকটিস অফ মেডিসিন, মেডিকেল আইন, বিজ্ঞানসহ সকল সাবজেক্ট রয়েছে। এই বিজ্ঞানের অতিরিক্ত রয়েছে প্রায় সাড়ে সাত হাজারের মতো হোমিওপ্যাথিক ঔষধ। আরো রয়েছে ফিলোসফি। এখানে রয়েছে ক্রনিক ডিজিজের মত কঠিন সাবজেক্ট।

পৃথিবীর অন্যান্য উন্নত দেশে হোমিওপ্যাথি লেখাপড়া করতে হলে আগে এমবিবিএস পাশ করতে হয়। আমাদের দেশে হোমিওপ্যাথিক ছাত্রদের যে চরম দুরবস্থা এটা প্রকাশ করলেও অপরাধী হতে হয়। যুগ যুগ ধরে এই নকল যুক্ত দুর্নীতিগ্রস্ত শিক্ষা ব্যবস্থা চলে আসছে। যারা ভুক্তভোগী তারা না বুঝেই সুযোগ হিসেবে নিয়ে এই চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আজ ধ্বংসের মুখে ফেলেছে।

যেখানে হ্যানিম্যান স্যার বলেছে “কোন মিথ্যাবাদী যেন আমার বক্স স্পর্শ না করে” সেখানে আজ মিথ্যাবাদী দুর্নীতিগ্রস্ত ও নিম্নমানের ছাত্রটা হোমিওপ্যাথ হচ্ছে। মনে হয় হ্যানিম্যান স্যারের বিরুদ্ধে এরা চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নেমেছে, কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে অনেকটাই নীরব বারবার এ ব্যাপারে তাদের লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখেছি বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা যেমন এসএসসি, এসএসসি সহ বিভিন্ন চাকরি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস বা অসধ উপায় অবলম্বন করলে বিভিন্ন পত্রিকা ও জাতীয় মিডিয়ায় সেগুলো প্রচারিত হয়, অপরাধকারীর শাস্তি হয়। কিন্তু এই হোমিওপ্যাথি শিক্ষা ব্যবস্থার এই দুরবস্থা কখনো কোনো পেপার পত্রিকায় প্রচারিত করা হচ্ছে না।

এখানে যারা রয়েছে তারা এগুলো গোপন রেখে তাদের দুর্নীতিগুলো চালিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে। অধিকাংশ ডাক্তার এবং স্টুডেন্ট এ ব্যাপারে বলে যে নিজেদের দোষ মানুষের সামনে না বলাই ভালো তাদের এই হীনমান্য তা দেখে খুবই দুঃখ হয়। এই কারণে হোমিওপ্যাথি পিছিয়ে যাচ্ছে সমাধান হচ্ছে না।এই দোষ থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে হোমিওপ্যাথি সমাজের উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। বাস্তব সম্মত হচ্ছে এই সকল কারণেই আজও হোমিওপ্যাথির কোন রিসার্চ সেন্টার বা একক কোন হসপিটাল গড়ে ওঠেনি।

আমাদের সমাজে কিছু সংখ্যক হো. ডাক্তার রয়েছে তাদের উচ্চ মানের সার্টিফিকেট না থাকলেও তারা অনেক উচ্চ মানের জ্ঞানী তারা রোগীকে নিয়মিতভাবে সেবা দিয়ে আসছে। তাদের মানবিকতা সেবার বৈশিষ্ট্য ও উপকার পেয়ে কিছু মানুষের মুখে হোমিওপ্যাথি সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে। প্রায়  ৯৫% নামধারী হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হোমিওপ্যাথির নামে মানুষের কাছে দুর্নাম ছড়াচ্ছে। যারা নকল করে দুর্নীতি পথ অবলম্বন করে পরীক্ষা দিয়ে পরবর্তীতে সার্টিফিকেট নিয়ে চেম্বার খুলে বসেছে তাদের দ্বারা আজ হোমিওপ্যাথি ধ্বংস হচ্ছে। জনসমাজে একটা কথা খুব বেশি প্রচলিত রয়েছে যে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ” ধীরে কাজ করে” এই ডাক্তাররা মানুষের সামনে এই ভূল তথ্যগুলো প্রচার করে যাচ্ছে।

অন্যদিকে হোমিওপ্যাথি আবিষ্কারক ডাক্তার হ্যানিম্যান স্যার তার লিখিত বিখ্যাত গ্রন্থ অর্গান অফ মেডিসিনের দুই নাম্বার সূত্রে বলেছে যে “হোমিওপ্যাথিক ওষুধ, দ্রুত, বিনা কষ্টে ও স্থায়ীভাবে কাজ করে”।

আজ সকল সমস্যার ভিতরে ও হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ডাক্তার শব্দ লেখার সংকটে ভুগছি এই দুঃসময়েও আমাদের বোর্ড নেতৃবৃন্দ এবং কলেজের শিক্ষকগণ অনুধাবন করতে পারেনি যে আমাদের নিজেদের পরিবর্তন ঘটানো উচিত ।এখনো তারা দেদারছে নকল সিস্টেম চালু রেখেছে এবং এই হোমিওপ্যাথি কলেজের কাঠামোগত যে দূর অবস্থা তার কোন উন্নতি এখনো চোখে পড়ছে না।হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল সাইন্স হলেও এই কলেজের নাজুক অবস্থা অধিকাংশ হোমিওপ্যাথি কলেজে কোন মেডিকেল সাইন্স ল্যাব নেই, নেই এনাটমি রুম, প্যাথলজি রুম কম্পিউটার ল্যাব সহ মেডিকেল শিক্ষার যে উপকরণ তা থেকে এই হোমিওপ্যাথিক ছাত্র-ছাত্রীরা বঞ্চিত। কলেজের সাথে হাসপাতাল নামটা যুক্ত থাকলেও অধিকাংশ কলেজের হাসপাতাল কার্যক্রম প্রায় বন্ধ রয়েছে এদের নাই কোন প্রচার-প্রসার অধিকাংশ কলেজে রোগীর জন্য কোন বেড নেই।

হোমিওপ্যাথির এই দুরবস্থা থেকে মুক্তির জন্য সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি আপনারা সবাই এগিয়ে আসুন এই অপকর্ম থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যাবস্থা।


লেখক ও গবেষক ডা.আরমান হোসাইন, ঢাকা। 


ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর / মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

কমলগঞ্জ ভূমি নারী কর্মকর্তার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ প্রশংসিত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ভূমি অফিস। এ যেন চিরাচরিত গল্পের ভিন্ন রূপ। সেবা গ্রহীতা নিজে উপস্থিত হয়ে তার সমস্যা জানাতেই সেবা পেয়ে যাচ্ছেন। সকল শ্রেণী-পেশার লোকজনকে এই অফিসে সমানভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ভূমি অফিস এখন দুর্নীতি ও দালালমুক্ত এবং হয়রানিবিহীনভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এসব ব্যতিক্রমী কাজ সম্ভব হয়েছে বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা সোমাইয়া আক্তারের ঐকান্তিক ও নিরলস চেষ্টার ফলে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিভিন্ন পেশার লোকেরা সরাসরি এসে কমলগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস থেকে স্বল্পতম সময়ে কোন প্রকার মাধ্যম ও জটিলতা ছাড়া সেবা গ্রহণ করেছেন। কমলগঞ্জ সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের দলিল লেখক ইফতেহার আহমদ রাজু বলেন, আমার একাধিক নামজারী ছিল। কোন রকম তদবির ছাড়াই এগুলো যথাসময়ে পেয়ে যাই। এখন ভূমি অফিসের সকলেই দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে, যা আগে দেখিনি।

এ উপজেলার শমশেরনগর বাজারের ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন আহমদ মুহিত বলেন, ‘বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) একজন সৎ ও কর্মঠ ব্যক্তি। আমার ২২ বছর পূর্বের ক্রয়কৃত একটি বাসার জায়গার বিষয়ে উনি নিজে দাঁড়িয়ে সরকারী সার্ভেয়ার এনে ম্যাপ দেখে মেপে যে রায় দিয়েছেন তা ছিল যুগান্তকারী।

একই এলাকার আব্দুল মছব্বির একাডেমীর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাজী আকমল মাহমুদ বলেন, ‘আমার একটি নামজারী ছিল। খুব সহজেই নামজারীটি হয়ে যায়। ভূমি অফিসের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে।’

এদিকে সাংবাদিক কামরুল হাসান মারুফ বলেন, আমার ৩টি নামজারী ছিল। আমি সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে পরিচয় না দিয়ে নামজারি আবেদন শুনানীতে অংশ গ্রহণ করি। অতি অল্প সময়ে নামজারীগুলো হয়ে গেছে। বর্তমানে অফিসের সকল কাজের স্বচ্ছতা লক্ষ্যণীয়। এমন অনেককে দেখেছি প্রত্যন্ত গ্রামের সাদামাটা সাধারণ মানুষটিও কত সহজে সঠিক কাগজপত্র দেখিয়ে নামজারি থেকে শুরু করে সকল সেবা নিয়ে যাচ্ছেন। আর এসবই হচ্ছে সহকারী কমিশনারের সততা, ঐকান্তিক ও নিরলস চেষ্টায়।

বর্তমানে নতুন উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণে নিয়মিত তদারকিসহ সহকারী কমিশনারের উদ্যোগে নির্মাণাধীন অফিসের পাশে পুকুর খনন করা হয় যা জেলা প্রশাসক উদ্বোধন করেন। গত মাসে পুকুরটিতে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

এছাড়া সহকারী কমিশনারের বিশেষ অভিযানে জবর দখলকৃত শতাধিক একর সরকারী জমি উদ্ধার করেন উপজেলায় কাজে যোগদানের ১৬ মাসের এই স্বল্প সময়ে মধ্যে।

কমলগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল ভূমি অফিস দুর্নীতি, দালালমুক্ত ও হয়রানিবিহীন সেবা পাওয়ার যা বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে সহকারী কমিশনার ও অফিস ষ্টাফদের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় এটা সম্ভব হয়েছে। এলাকাবাসী বর্তমান সময়ে ভূমি অফিস প্রদত্ত সেবায় অত্যন্ত খুশি। তাদের প্রত্যাশা এভাবেই যেন সবসময় ভূমি অফিস থেকে সেবা পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোমাইয়া আক্তার বলেন, ‘অফিসে জরুরি কাজে আসা ভুক্তভোগী জনসাধারণের কাঙ্খিত সেবা নিশ্চিত, ঘুষ, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দালালদের দৌরাত্ম্য রোধে আমি নিজেই এসব উদ্যোগ নিয়েছি। এখন কাঙ্খিত সেবা পেয়ে স্থানীয় লোকজন অনেক খুশি হচ্ছেন। সাধারণ লোকজনকে আমি সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দেই। কারণ তাদের জন্য হয়তো কেউ আমাকে ফোন দিয়ে বলবে না তার কাজটা করে দিতে। তবে সকল সেবা গ্রহিতাই আমার কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। চেষ্টা করি সবাইকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সঠিকভাবে, সঠিক সময়ে ও সহজতর উপায়ে সকল সেবা প্রদানের। আমি আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের চেষ্টা করছি আগামীতে করে যাবার আপ্রান চেষ্টা থাকবে।