ঈদের আগেই ৩৭ হাজার প্রাথমিক শিক্ষককে বেতন-ভাতা দেওয়া হবে

শিক্ষা ডেস্কঃ চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি যোগদানের পর থেকে বেতন-ভাতা পাননি প্রাথমিক ও প্রাক-প্রাথমিকের ৩৭ হাজার শিক্ষক। আড়াই মাস পর ঈদের আগেই তাদের বেতন-ভাতা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন যে ৩৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছেন, এরমধ্যে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) প্রভিশন অনুযায়ী পিডিবি-৪ এর দুইভাবে বেতন পাওয়ার কথা। ২৬ হাজারের কাছাকাছি যাদের বেতন, তারা পাবেন পিডিবি-৪ এর প্রকল্প থেকে। আর বাকিরা পাবেন রাজস্ব থেকে।

এভাবে নিয়োগপত্রে ডিপিই দলিল অনুসারে আমরা শর্ত আরোপ করেছিলাম। আগে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা আইবাসের মাধ্যমে হতো না, এখন যেহেতু আইবাস প্লাস প্লাসে গিয়েছে, সে কারণে অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে যে যেহেতু তারা রাজস্ব খাতের নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক। আর ডিপিই-তে বলা আছে, প্রকল্প চলাকালীন প্রকল্প খাত থেকে পাবেন, তারপর রাজস্বতে যাবেন, এতে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল‍।

তিনি আরও বলেন, আইবাস প্লাস প্লাসের সঙ্গে এটি খাপ খায়নি। এ কারণে ২৬ হাজার বেতন যাদের, তাদের ক্ষেত্রে একটু জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে আমাদের অর্থ মন্ত্রণালয় বিশেষ সভা ডেকেছিল, সেখানে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন আর তারা প্রকল্প থেকে পাবেন না। সবাই রাজস্ব খাত থেকে পাবেন। আইবাস প্লাস প্লাসের সঙ্গে খাপ খাইয়ে এটি করা হয়েছে।

এ প্রক্রিয়াটি করতে সর্বোচ্চ তিন থেকে পাঁচ দিন সময় লাগবে। অর্থাৎ ঈদের আগেই সবাই রাজস্ব খাত থেকে বেতন পাবেন বলে জানালেন ফরিদ আহাম্মদ।

সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্ধারণে সফটওয়্যার ইন্টিগ্রেটেড বাজেট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং সিস্টেম (আইবাস++)। চলতি বছর দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সার্কুলারে একবারে প্রায় সাড়ে ৩৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়।

বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে ৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার

জহিরুল ইসলাম, যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোলে প্রায় ৭০ লাখ টাকা মূল্যের ৬ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। মঙ্গলবার (১১ই মার্চ) শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট থানাধীন সাদিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে এ স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। এ সময় পাচারকারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) এর একটি টহলদল সকাল ১০টা ৩০মিনিটে উপজেলার সাদিপুর গ্রামে অবস্থান নেই। এসময় সন্দেহজনক এক ব্যক্তিকে উক্ত এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। টহল দল ওই ব্যক্তিকে তল্লাসীর উদ্দেশ্যে থামানোর চেষ্টা করলে তিনি পালিয়ে যান। এসময় ধাওয়া করলে লোকটি পালানোর সময় তার কোমরে রাখা একটি প্যাকেট পড়ে যায়।
পরবর্তীতে প্যাকেট থেকে ৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক ওজন ০.৬৯৯ কেজি (প্রায় ৭০০ গ্রাম) এবং বর্তমান বাজার মূল্য ৬৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

আটককৃত স্বর্ণ বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা দায়ের এর মাধ্যমে ট্রেজারীতে জমা করা হয়েছে।

মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় ৫৩ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় অন্তত ৫৩ জন নিহত হয়েছে। এর পাশাপাশি বহু আহত হয়েছে। হতাহতাতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) ইয়াঙ্গুন থেকে প্রায় ১১০ কিলোমিটার দূরবর্তী সাগাইং এলাকায় এ হামলা চালানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছে, বাসিন্দারা একটি প্রশাসনিক অফিস উদ্বোধনে জড়ো হওয়ার সময় সেখানে আকাশপথে এই হামলা চালানো হয়। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মানুষের ভিড়ের ওপর প্রথমে যুদ্ধবিমান, এরপর এমআই-৩৫ হেলিকপ্টার দিয়ে হামলা চালানো হয়।

নিহতরা সবাই বেসামরিক নাগরিক। তারা সামরিক বাহিনীর নিশানা হওয়ার মতো কেউ ছিলেন না বলে জানিয়েছেন আল-জাজিরা।

এদিকে হামলার বিষয়ে সামরিক নেতাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মিয়ানমারে সশস্ত্র প্রতিরোধকে দমনে বেসামরিক নাগরিকদের নির্বিচারে হত্যার অভিযোগ রয়েছে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে। গত মাসে জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং তার সরকারের বিরোধীদের ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করে তাদের কঠোরহস্তে মোকাবিলার ঘোষণা দিয়েছেন।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে সামরিক বাহিনী। কিন্তু তা মেনে নেয়নি দেশটির সাধারণ মানুষ। অভ্যুত্থানের বিরোধিতায় রাস্তা নেমে আসেন তারা। শুরু হয় ব্যাপক সহিংসতা, ধরপাকড়।

মৌলভীবাজারে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে গ্ৰিড উপকেন্দ্রের কাজ চলছে

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: ইতিমধ্যে বিদ্যুতের গ্রিড উপকেন্দ্র স্থাপনের জন্য মাটি ভরাটের কাজ চলছে। গত বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজার সদর উপজেলার রায়শ্রীতে বিদ্যুতের গ্রিড উপকেন্দ্র স্থাপনের জন্য মাটি ভরাটের কাজ চলছে দেখা যায় গত বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজার সদর উপজেলার রায়শ্রীতে।

হালকা ঝড়-বৃষ্টি হলেই মৌলভীবাজার শহরে বিদ্যুৎ–বিভ্রাটের সৃষ্টি হয়। কারণ হিসেবে শ্রীমঙ্গল ও ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে দীর্ঘ সরবরাহ লাইনের মাধ্যমে জেলা শহরে বিদ্যুৎ আসে। এ দুর্ভোগ থেকে মৌলভীবাজার শহরবাসীকে মুক্তি দিতে ‘গ্রিড উপকেন্দ্র’ স্থাপনের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) মৌলভীবাজার কার্যালয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, মৌলভীবাজার-কুলাউড়া সড়কের মৌলভীবাজার সদর উপজেলার রায়শ্রীতে গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। স্থানটিতে চলছে মাটি ভরাটের কাজ। এ কাজ শেষ হলেই গ্রিড উপকেন্দ্র স্থাপনের কারিগরি কাজ শুরু হওয়ার কথা। এরই মধ্যে মাটি ভরাটের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রায়শ্রীতে গ্রিড উপকেন্দ্রের জন্য নির্ধারিত স্থান ঘুরে দেখা গেছে, মনু নদ থেকে পাইপের মাধ্যমে সরাসরি স্থানটিতে বালু এনে ফেলা হয়েছে। নির্ধারিত স্থানটির দক্ষিণ দিকের বেশির ভাগ ভরাট হয়ে গেছে। উত্তর দিক এখনো অনেকটা নিচু আছে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) গ্রিড উপকেন্দ্রের স্থানে মাটি ভরাটের কাজ করছে।

পিজিসিবির উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এস এন এ বাছিত গত রোববারে জানান, ‘আমি পাঁচ-ছয় মাস ধরে মাঠপর্যায়ের কাজ তদারকি করছি। গ্রিড সাবস্টেশনের জন্য মাটি ভরাটের কাজ চলছে। এ পর্যন্ত মাটি ভরাটের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ কাজ হয়েছে। এখানে সাবস্টেশন হলে বর্তমানে যে লোডশেডিং হচ্ছে, তা অনেকটাই কমে আসবে। এখন শ্রীমঙ্গল-ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ কাভার হচ্ছে। তখন এই রায়শ্রী থেকে কাভার হবে।’

বিউবো মৌলভীবাজার ও স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মৌলভীবাজার শহর ও সংলগ্ন এলাকায় বিউবোর গ্রাহক প্রায় ৩০ হাজার। বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৪ মেগাওয়াট। মৌলভীবাজার শহরে বিদ্যুৎ আসে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ মৌলভীবাজার-শ্রীমঙ্গল লাইন ও ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ মৌলভীবাজার-ফেঞ্চুগঞ্জ লাইনের মাধ্যমে। ঝড় হলে গাছ উপড়ে এতে দীর্ঘ সময় মৌলভীবাজার শহর ও শহরতলীর এলাকা বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন থাকে।

বিউবো মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুল বাহার সম্প্রতি (৩রা এপ্রিল) বলেছেন, গ্রিড সাবস্টেশন হলে সমস্যার প্রায় ৬০ থেকে ৭০ ভাগ সমাধান হয়ে যাবে। গ্রিড সাবস্টেশন যত দ্রুত করা যায়, ততই মঙ্গল শহরবাসীর।

গ্রিড উপকেন্দ্র স্থাপনে দায়িত্বে থাকা পিজিসিবি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ‘মৌলভীবাজার ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র’ নির্মাণের জন্য রায়শ্রীতে পাঁচ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের তত্ত্বাবধানে পিজিসিবি এ কাজের তদারকি করছে। কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথেনিং প্রকল্পের মাধ্যমে। এতে অর্থায়ন করছে বাংলাদেশ ও চীন সরকার যৌথ উদ্যোগে।

পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথেনিং প্রকল্পের (জিটুজি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী চিরঞ্জীব দেওয়ানজী গত রোববারে জানান, রায়শ্রীতে মাটি ভরাট হচ্ছে। মাটি ভরাট শেষ হলেই উপকেন্দ্রের অন্যান্য কাজ শুরু হয়ে যাবে। মন্ত্রণালয় থেকে নকশার অনুমোদন ও মাটি ভরাটের কাজ শেষ হলেই শীগ্ৰই কাজ শুরু করা হবে।

সামনে আরও বাড়তে পারে গরম

আবহাওয়ার খবরঃ আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শিগগিরই স্বস্তির সুখবর তো নেই-ই, উল্টো এমন দশা চলতে পারে আরও বেশ কয়েক দিন। আবহাওয়াবিদরাও বলছেন, গরমের তেজ আগামী কয়েক দিনে ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসও ছুঁতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) এ বছরের সবচেয়ে উত্তপ্ত দিন কেটেছে। এ দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম বিভাগসহ দিনাজপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম এবং নেত্রকোনা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে; যা আরও সাত দিন অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতে তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে। তবে রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বয়ে যেতে পারে তীব্র আকারে তাপপ্রবাহ।

আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন বলেন, যে তাপপ্রবাহ চলছে, তা নিয়ে আমরা সতর্কবার্তা দিয়েছি। এখন যে তাপপ্রবাহ চলছে, তাকে আমরা মৃদু থেকে মাঝারি বলছি। কিন্তু যখন তাপমাত্রা ৪০-৪২ ডিগ্রিতে চলে যাবে, তখন সেটি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে চিহ্নিত হবে। এ কারণেই সতর্কবার্তা দেওয়া।

এদিকে এমন বৈরী আবহাওয়া ফসলের জন্য বিপদ ডেকে আনছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, তাপপ্রবাহের কারণে বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধানের জমি রোদে শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। দেখা দিয়েছে সেচের পানির সংকট। এই সময়ে কৃষি ও ফসলের সুরক্ষায় বেশকিছু সতর্কতামূলক পরামর্শ দিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

লোহাগাড়ায় “স্মার্ট উপজেলা ও স্মার্ট চট্টগ্রাম বেস্ট আইডিয়া এ্যাওয়ার্ড” বিষয়ক কর্মশালা

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন-২০৪১ প্রতিষ্ঠা এবং উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ” স্মার্ট উপজেলা ও স্মার্ট চট্টগ্রাম বেস্ট আইডিয়া এ্যাওয়ার্ড” বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায়।

১২ এপ্রিল (বুধবার) সকালে লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শরীফ উল্যাহর সভাপতিত্ব কর্মশালা উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ এর ভাইস চেয়ারম্যান এম. ইব্রাহীম কবির, লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ হানিফ, লোহাগাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মুুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, উপজেলার জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মরত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত সকলকে ৬টি ভাগে বিভক্ত করে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক স্মার্ট আইডিয়া গ্রহণ করা হয়। গ্রুপগুলো স্মার্ট সিটি, স্মার্ট ভিলেজ, স্মার্ট শিক্ষা, স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা, স্মার্ট সামাজিক সুরক্ষা, স্মার্ট কৃষি, স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং, স্মার্ট সেবা খাত, স্মার্ট প্রশাসন ও স্মার্ট ইউটিলিটি নিয়ে কাজ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শরীফ উল্যাহ বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে স্মার্ট উপজেলা বিনির্মাণের জন্য আজকের এই কর্মশালা। স্মার্ট উপজেলা বিনির্মাণে উপজেলার যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান স্মার্ট উপজেলা বেস্ট আইডিয়া এ্যাওয়ার্ড প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

ডিসি বরাবর জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের স্মারকলিপি প্রদান

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: পবিত্র রমজান এক মাস শেষে ঈদুল ফিতর। এক মাসের বেতনের সমপরিমান উৎসব বোনাস ও মহান মে দিবস উপলক্ষে ১ মে বেতনসহ ছুটি প্রদানের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে মৌলভীবাজার জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন।

জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি তারেশ চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহিন মিয়া স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপির অনুলিপি সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, শ্রমঅধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক, মৌলভীবাজারের পৌর মেয়র ও পুলিশ সুপার, হোটেল-রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতিকে প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর সন্নিকটে। শ্রমিকদের হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম আর খাটুনিতে সৃষ্ঠ মুনাফায় মালিকশ্রেণি মহাধুমধামে ঈদ উদযাপন করলেও শ্রমিকদের ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করা হয়। কারণ ঈদের সময় অধিকাংশ হোটেল-রেস্টেুরেন্টের শ্রমিকদের উৎসব বোনাস প্রদান করা হয় না।
অথচ দেশের প্রচিলত শ্রমআইন মোতাবেক উৎসব বোনাস শ্রমিকের আইনগত ও ন্যায্য অধিকার। এমন কি ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবাধিকার এর দিক থেকেও হোটেল-রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদের উৎসব বোনাস থেকে বঞ্চিত করা হয় অমানবিক ভাবে। শুধু তাই নয় বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ৫ ধারায় নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র, ৬ ধারায় সার্ভিস বই, ২ (১০) ধারায় চাকুরীচ্যূতি জনিত ৪ মাসের নোটিশ পে, প্রতিবছর চাকুরীর জন্য ৪৫ দিনের গ্রাচ্যুয়েটি, ১০৩ ধারায় সপ্তাহে দেড়দিন সাপ্তাহিক ছুটি, ১০৮ ধারায় দৈনিক ৮ ঘন্টা সপ্তাহে ৪৮ ঘন্টা কাজ, অতিরিক্ত কাজের জন্য দ্বিগুণ মজুরি প্রদান।
১১৫ ধারায় বছরে ১০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি, ১১৬ ধারায় ১৪ দিন অসুস্থাতার ছুটি, ১১৭ ধারায় প্রতি ১৮ দিন কাজের জন্য ১ দিন অর্জিত ছুটি, ১১৮ ধারায় ১১ দিন উৎসব ছুটি  ও উৎসব বোনাস প্রদানের আইন থাকলেও হোটেল শ্রমিকদেরকে এই সকল আইনগত অধিকার হতে বঞ্চিত করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
হোটেল রেস্টুরেন্ট শ্রমিকরা দৈনিক ১০-১২ ঘন্টা অমানবিক পরিশ্রম করে অর্ধাহারে-অনাহারে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হন, যার কারণে শ্রমিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয় মহান মে দিবস উপলক্ষে ১ মে সারাবিশ্বের শ্রমিক শ্রেণি ছুটি ভোগ করে থাকেন।বাংলাদেশেরও সর্বস্তরের সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীরা ছুটি ভোগ করে থাকেন। অথচ অনেক সংগ্রামের পরও হোটেল শ্রমিকদের মে দিবসের ছুটি কার্যকর করা হয়নি আজও পর্যন্ত।
তাই আসন্ন ঈদুল ফিতরে এক মাসের বেতনের সমপরিমান উৎসব বোনাস ও মে দিবসে ছুটি কার্যকরের প্রেক্ষিতে হোটেল শ্রমিকরা জেলা প্রশাসকসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা একান্ত ভাবে কামনা করেন মর্মে শুভদৃষ্টির আন্তরিক ভাবে আবেদন করেন।

টুইটারকে এবার ‘টিটার’ করে দিলেন ইলন মাস্ক!

 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্কঃ টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক টুইটার কেনার পর থেকেই একের পর এক আলোচনার জন্ম দিচ্ছেন। এবার সেই আলোচনায় যুক্ত হলো টুইটারের লোগো থেকে ‘ডব্লিউ’ মুছে দেওয়ার খবর।

যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে টুইটারের সদরদপ্তরের ভবনের দেয়ালে বড় করে ইংরেজিতে ‘টুইটার’ লেখা বোর্ড রয়েছে। সম্প্রতি সেই বোর্ডে টুইটারের ‘ডব্লিউ’ মুছে দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের কৌতুহলের শেষ নেই। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, হয়তো ফটোশপ করে এমনটি করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনাটি যে সত্য সেটি নিশ্চিত করেছেন ইলন মাস্ক নিজেই।

এক টুইটে মাস্ক বলেন, ‘সান ফ্রান্সিস্কোতে অবস্থিত সদরদপ্তরের যিনি ভূমিকর্তা তার দাবি, আইনত আমরা টুইটার সাইন থেকে কখনও ‘ডব্লিউ’ সরাতে পারব না, সে কারণে আমরা ডব্লিউয়ের ওপর ব্যাকগ্রাউন্ডের রং মেরে দিয়েছি, সমস্যা শেষ!’

এদিকে ‘ডব্লিউ’ মুছে দেওয়ার ফলে টুইটার লোগো হয়ে উঠেছে টিটার (titter)। ব্যবহারকারীরা বলছেন, টুইটারের ‌‘ডব্লিউ’ কেন কিছুদিন ধরে অস্পষ্ট দেখাচ্ছিল, তা এবার বোঝা গেল।

নিজের দেহটাও দান করে গেছেন ডা. জাফরুল্লাহ

অনলাইন ডেস্কঃ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সদ্য প্রয়াত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী নিজের দেহ দান করে গেছেন। মরণোত্তর দেহদানের মাধ্যমে নিজের শরীরকেও তিনি মানুষের কল্যাণে বিলিয়ে দিয়েছেন। সবসময় চেষ্টা করেছেন দেশের ভালোর জন্য নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মরণোত্তর দেহদান করে গিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্য সামিয়া। তিনি পরিবারের সম্মতি নিয়েই রেখেছিলেন। সে অনুযায়ীই সবকিছু হবে। মরদেহ বারডেমের হিমঘরে রাখা হয়েছে। সব আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে হাসপাতাল গড়ে তোলার মাধ্যমে যুদ্ধকালীন আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা দিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ। অনেকের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের পর চিকিৎসা গবেষণা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা ধরনের কাজ করেছেন। জাতীয় ঔষধ নীতি ও জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নেও বড় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের মাধ্যমে সুলভে চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছিলেন তিনি।

সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলে যুক্ত না হলেও আজীবন বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ। গণমুখী বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সংহতি-সমর্থন দিয়ে গেছেন। জাতীয় জীবনে অবদান রাখার জন্য ১৯৭৭ সালেই স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন তিনি।

কিডনি সমস্যার পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় রাজধানীর ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর কেন্দ্রে গত সোমবারই লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছিল ডা. জাফরুল্লাহকে। সেখানে মঙ্গলবার রাতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

বগুড়ার শেরপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বাংলা প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

মো: জাহাঙ্গীর আলম (রাজশাহী): বগুড়ার শেরপুর উপজেলা রিসার্স সেন্টারের (ইউআরসি) আয়োজনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক বাংলা প্রশিক্ষণের বুধবার (১২ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা রিসোর্স সেন্টার হলরুমে শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানার সভাপতিত্বেপ্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৫ (শেরপুর ধুনট) সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ হাবিবর রহমান। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, শিক্ষিত জাতি গড়ার জন্য এবং আগামীতে বর্তমান সরকারের অধীনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।

উপজেলা রিসোর্স সেন্টার এর ইন্সট্রাক্টর মোঃ সায়েদুর রহমানের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন,  শেরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ কামরুল হাসান, পৌর কাউন্সিলন বদরুল ইসলাম পোদ্দার ববি, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল মতিন প্রমুখ।

উপজেলা রিসোর্স সেন্টার সুত্রে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার ১৩৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৫০ জন শিক্ষকদের ৬ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।