প্রথম আলো আওয়ামী লীগ, গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের শত্রু : প্রধানমন্ত্রী

রাজনীতি ডেস্কঃ দৈনিক প্রথম আলোকে আওয়ামী লীগের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু ও দেশের মানুষের শত্রু বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রকে বাদ দিয়ে এখানে এমন একটি সরকার আনতে চাচ্ছে। যাদের গণতান্ত্রিক কোনো অস্তিত্বই থাকবে না, অগণতান্ত্রিক ধারা। একটি ৭ বছরের শিশুর হাতে দশ টাকা ধরিয়ে দিয়ে তার মুখ থেকে ‌‘ভাত মাছ, মাংসের স্বাধীনতা চাই’ বলিয়ে সেটি রেকর্ড করে প্রচার করা। স্বনামধন্য একটি পত্রিকা, খুবই জনপ্রিয়। নাম তার প্রথম আলো। কিন্তু বাস করে অন্ধকারে। প্রথম আলো আওয়ামী লীগের শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু ও দেশের মানুষের শত্রু। এরা এই দেশে কখনও স্থিতিশীলতা থাকতে দিতে চায় না।

তিনি আরও বলেন, ২০০৭ সালে যখন জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। তখন তারা উৎফুল্ল। দুটি পত্রিকা আদাজল খেয়ে নেমে গেল, বাহাবা কুড়ালো। আর তার সঙ্গে রয়েছে একজন সুদখোর। যিনি আমেরিকার বড়ই প্রিয়। আমেরিকা একবারও জিজ্ঞাস করে না যে, গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি, যিনি সরকারি বেতন তুলতো। কোথা থেকে তিনি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার পেলেন যে, আমেরিকার মতো জায়গায় সামাজিক ব্যবসা করেন, বিনিয়োগ করেন দেশে-বিদেশে। এই অর্থ কোথা থেকে আসে, এটা কি কখনও তারা জিজ্ঞাস করেছে? করেনি। অথচ তাদের কাছে দুর্নীতির কথা, মানবতার কথা শুনতে হয়। যারা গরিবের রক্তচোষা টাকা বিদেশে পাচার করে, নিজেরা বিনিয়োগ করে শতকোটি টাকার মালিক হয়ে আবার আন্তর্জাতিক পুরস্কারও পেয়ে যায়। এইসব লোক এদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে।

 

অনিয়মে চলছে শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ কারও কারও ঘরে জ্বলছে বাতি। আবার কারও ঘরে এলইডি টিভি, ফ্রিজ। তাদের মাসিক বিদ্যুৎবিল মাত্র ১০০ টাকা অথবা ২০০ টাকা। কারও কারওরটা আবার ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। বিদ্যুৎনির্ভর আরাম-আয়েশে কাটছে তাদের দিন!

তবে ওইসব ঘরে বিদ্যুতের কোনো মিটার নেই। মাসিক বিদ্যুৎ ব্যবহার কত ইউনিট হলো তা উপায় নেই জানার। একটা নির্দিষ্ট সংখ্যায় মাসের পর মাস অধিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও নামমাত্র মূল্য দিয়ে থাকেন এসব অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা।

দিনের পর দিন এভাবে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে সুবিধা ভোগ করছেন এক শ্রেণির অসাধু মানুষ। এতে করে ক্ষতির মুখে পড়ছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

সরেজমিন মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনের দক্ষিণ এবং পূর্ব প্রান্তে গিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অসংখ্য প্রমাণ মিলেছে। রেলওয়ে স্টেশনের সীমানাপ্রাচীর টপকে হাতের বাম দিকে যে খাবারের দোকান সেই দোকানের মালিকের নাম মোস্তফা মিয়া। মোস্তফা মিয়ার ভাতের দোকান হিসেবে এ দোকানটি স্থানীয়ভাবে পরিচিত।

মোস্তফা মিয়া জানান, আমাদের এদিকে কমপক্ষে ৩ শতাধিক দোকান এবং ঝোপরি বাড়িতে অবৈধবিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। দিনের পর দিন তারা এই বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। অথচ দেখেন আমি পল্লী বিদ্যুৎ থেকে অনেক টাকা দিয়ে সংযোগ নিয়েছি। বিলও আসছে অনেক বেশি। আমি যদি ওইরকম অবৈধ সংযোগ নিতাম তাহলে আমার মাসিক মাত্র ১০০ থেকে ২০০ টাকায় হয়ে যেতো।

পূর্বদিকের সীমানাপ্রাচীর ঘিরেই আওয়াল মিয়ার চা-পানের দোকান। এখানেও বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়, তবে কোনো মিটার নেই। আর এখানের অবৈধ বিদ্যুৎ লাইনটি যুক্ত রয়েছে রেলওয়ের ওভারব্রিজের লোহার একটি অংশ স্পর্শ করে। শটসার্কিটসহ অন্যান্য সমস্যা হলে লোহার এ পুরো ওভারব্রিজটিতে জড়িয়ে পড়বে। বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারাত্মক হতাহতের ঘটনা ঘটে যেতে পারে। প্রাণ হারাতে পারেন ওই ওভারব্রিজ দিয়ে পারাপারকারী সাধারণ কোনও মানুষ।

পূর্বদিকের ঝোপরিঘরের বাসিন্দা শফিক মিয়া এবং অপর একটি ঘরের বাসিন্দা রোমেলা বেগম বলেন, আমিনি নামক এক নারী তাদের ঘরে বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছেন। তিনি এসে মাসে মাসে টাকা নিয়ে যান।

২০ বছর ধরে রেলের জায়গায় বাস করছেন বাবুল প্রধান নামক জনৈক বৃদ্ধ। তার বাড়ির একটি মিটার দিয়ে ৩টি ঘরে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তার মিটারের বিদ্যুৎ বিলটি পরীক্ষা করে দেখা গেল মিটারটি ইদ্রিস আলীর নামে। এ বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার ডাক নাম ইদ্রিস মিয়া।

ঝোপরিঘরের অপর বাসিন্দা জাহাঙ্গীর মিয়া অকপটে স্বীকার করে বলেন, আমাদের এখানে (রেলের জমিতে) ৬টি ঘরে ৬টি পরিবার থাকে। এগুলোর সব দেখাশোনা করে বাবলি হিজরা। প্রতি মাসে সে এসে প্রতি ঘর থেকে ২ হাজার টাকা করে ভাড়া তুলে নিয়ে যায়। আমাদের এখানে কোনো ঘরে বিদ্যুৎ মিটার নেই। তবে লাইট জ্বলে, ফ্যান-টিভি চলে।

অনুসন্ধানে নেমে জানা গেছে, প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাধিক ভাসমান দোকান, ছোট টংদোকান এবং ঝুপরিঘরে এসব অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। এসব অবৈধ বৈদ্যুতিক সংযোগের সঙ্গে লাইনম্যান লোকমান মিয়া এবং খালাসি হায়দার আলী জড়িত রয়েছেন। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সুযোগসুবিধার ভিত্তিতে এসব অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে আসছেন।

লাইনম্যান লোকমান ও কবির মিয়ার সঙ্গে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি ‘আমি এগুলোর সাথে জড়িত না’ মোবাইল সংযোগটি তৎক্ষণিক কেটে দেন। খুঁজে বের করি লোকমান মিয়াকে, তার তথ্য মতে ওই বিদ্যুৎলাইনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অকোপটে স্বীকার করে বলেন, আমি খুব বেশি দিন ধরে জরিত নই অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে টাকা নেওয়ার খুব বেশি ধরে নেইনি। তবে আমি একা এই টাকা নিয়ে খাচ্ছি না, আরও লোক আছে। তবে নির্দিষ্ট করে না বললেও বড় ষ্টাফরা জরিত আছেন বলে জানান। শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টেশনমাস্টার মো. সাখাওয়াত বলেন, আমি শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনের দায়িত্বে এসেছি প্রায় দুই বছর হলো। শুনেছি স্টেশনের আশেপাশে কিছু অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আসলে আমার কাজের মধ্যে পড়ে না। আমিও চাই এই অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা হোক। কিন্তু এই সাখাওয়াত মাষ্টারকে যখনি বলা হয় এইসব সংক্রান্ত বিষয়ে একি কথা বলে যাচ্ছেন তিনি। বিগত ছয় মাসের আগে ও যা বলেন তিনি ছয় মাস পরেও একই বক্তব্য দিয়ে থাকেন।

নাম না বলা শর্তে এক রেলওয়ে কর্মচারী জানান, তিনি বড় স্যার আমার অসুবিধা হবে বলে বলেন, তিনি যতদিন এই রেলস্টেশনে চাকুরী করছেন অডেল টাকার মালিক বনে গেছেন। অনিয়ম দুর্নীতি যেন এক রকম প্রকাশ্যে দিবালোকে দিনের মত পরিস্কার, কিন্তু তার পর ও উনার কিছুই হবে না! লেবার থেকে শুরু করে ঝাড়ুদার পর্যন্ত সব জায়গায় সাখাওয়াত মাষ্টারের হাত আছে। রেলষ্টেশন এর জমিতে নতুন ঘর তৈরি করে অবৈধ ভাবে ভাড়া নেওয়া সব কিছুই অকোপটে মাষ্টার এর জরিত ছাড়া কিভাবে হয়! অনুসন্ধানে নেমে বেড়িয়ে আসে এসব এর সত্যতা তবে সরাসরি মাষ্টার এর না বললেও বিভিন্ন কর্মচারী দিয়ে ঘর ভাড়া অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা। রেলষ্টেশণে গড়ে উঠা বিভিন্ন দোকান কোঠার কাগজপত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট লোক দ্বারা দিব্যি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে এই সাখাওয়াত মাষ্টার। মাষ্টার সাহেব সিন্ডিকেট তৈরি করে রমারমা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে এমন অভিযোগ ষ্টেশন এলাকায় বসবাস ও বিভিন্ন দোকানীর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী।

চলমান প্রতিবেদন….২য় অনুচ্ছেদে বিস্তারিত। 

ফ্রান্সে তুষারপাতে অন্তত ৪ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ফ্রান্সের আল্পস পর্বতমালায় তুষারধসে অন্তত ৪ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিনের বরাত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন এক টুইট পোস্টে জানান, স্থানীয় সময় গতকাল রোববার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আল্পসের মন্ট ব্ল্যাঙ্কের একটি হিমবাহে এই তুষারধসের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ডেপুটি মেয়র জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে দুজন পাহাড়ি পথপ্রদর্শক রয়েছেন। আর আহতদের হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এছাড়া এখনো দু’জন নিখোঁজ রয়েছেন।

স্থানীয় সময় রোববার দুপুরের দিকে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মিটার (সাড়ে ১১ হাজার ফুট) উচ্চতায় আরমানসেট হিমবাহে তুষারপাতের ঘটনা ঘটে। হিমবাহটি চ্যামোনিক্সের প্রায় ৩০ কিলোমিটার (প্রায় ২০ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে হউত-স্যাভোইয়ে অঞ্চলে অবস্থিত।

হউত-স্যাভোইয়ের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র ইমানুয়েল কোকান্ড জানিয়েছেন, তুষারপাতের মাত্রা ব্যাপক ছিল।

এদিকে তুষারপাতে নিহতদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। একই সঙ্গে তুষারপাতের ঘটনায় কেউ নিখোঁজ আছেন কিনা তা খুঁজে বের করতে উদ্ধারকারী দল কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের টিসির সময় বাড়ল

শিক্ষা ডেস্কঃ দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কলেজ ও বোর্ড টিসি (ট্রান্সফার সার্টিফিকেট) কার্যক্রম পরিচালনার সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

সম্প্রতি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর আবু তালেব মো. মোয়াজ্জেম হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে দ্বাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের অনলাইন টিসি, বোর্ড টিসি ও ভর্তি বাতিলের কার্যক্রম আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

অনলাইন কার্যক্রমের জন্য শিক্ষার্থীদের বোর্ডে যোগাযোগ করার প্রয়োজন নেই বলেও জানানো হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনলাইন টিসি ও বিটিসির জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০০ টাকা। আর ভর্তি বাতিল করতে ৬০০ টাকা ফি দিতে হবে শিক্ষার্থীদের।

 

ঈদের ছবিতে এবার হল মালিকদের আগ্রহ শাকিবের দিকে

 বিনোদন ডেস্কঃ ঈদে মুক্তির কথা শোনা যাচ্ছে ছয় সিনেমার। সেই তালিকায় রয়েছে লিডার আমিই বাংলাদেশ, কিল হিম, জ্বীন, পাপ, প্রেম প্রীতির বন্ধন, আদম। এসব সিনেমায় অভিনয় করেছেন সুপারস্টার শাকিব খান-বুবলী, অনন্ত জলিল-বর্ষা, সজল-পূজা চেরী, রোশান-ববি, জয় চৌধুরী-অপু বিশ্বাস, ইয়াশ-ঐশী।

তবে গতকাল রবিবার (৯ এপ্রিল) সকালে প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি সূত্রে জানা যায়, ঈদে মুক্তির জন্য এখন পর্যন্ত ‘ডেট নিয়েছে’ মাত্র চারটি সিনেমা।

এই তালিকায় আছে ‘লিডার আমিই বাংলাদেশ’, ‘বাংলার হারকিউলিস’, ‘ময়নার শেষ কথা’ ও ‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’। তবে শেষ পর্যন্ত ঈদে কটি সিনেমা মুক্তি পায় সেটি নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সংশয়। কারণ, অতীতে একাধিক সিনেমা মুক্তির ‘ফাঁকা আওয়াজ’ দিয়ে শেষে সময়ে অনেকেই সরে গেছে।

সবগুলো সিনেমার মধ্যে আলোচনা তৈরি করেছে ঢাকাই ‘কিং খান’ শাকিব খানের ‘লিডার আমিই বাংলাদেশ’। এমনটাই জানিয়েছে চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল।

তিনি বলেন, হল মালিকদের শাকিবের ছবিতে আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে ২০ হলে বুকিং সম্পন্ন হয়েছে ‘লিডার আমিই বাংলাদেশ’র। পরিচালক বলেন, ২০ রোজার পর থেকে হল বাড়বে। বেশিরভাগ বন্ধ থাকা হল খুলবে লিডার দিয়ে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অনেক হল নতুন করে সাজানো হচ্ছে। পরিবেশনা থেকে জেনেছি, ঈদে লিডার সর্বোচ্চ সংখ্যক হল পাবে।

এদিকে, ফেসবুক মাধ্যমে ঘাঁটলে দেখা যাচ্ছে শাকিব খানের ‘লিডার আমিই বাংলাদেশ’ নিয়ে সবচেয়ে বেশি লেখালিখি হচ্ছে। এই নায়কের ভক্তরাই নানাভাবে প্রচারণা করছেন। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ইউটিউবে টিজারের রিভিউও দেখা গেছে।

 

ঈদুল ফিতরে থাকছে না বিশেষ ছুটি

জাতীয় ডেস্কঃ আসন্ন ঈদুল ফিতরে একদিন বিশেষ ছুটি কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচদিনের ছুটি ভোগ করতে পারতেন। বিভিন্ন মহল থেকে ছুটি বাড়ানোর দাবি জানানো হলেও বাড়ছে না বিশেষ ছুটি। তাই তিন দিনই থাকছে এবারের ঈদের ছুটি।

এবার ঈদে তিন দিনের সরকারি ছুটির দুদিনই চলে যাচ্ছে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবারের মধ্যে। ২৪ মার্চ শুক্রবার রমজান শুরু হয়। এবার রমজান মাস ২৯ দিন ধরে ২২ এপ্রিল শনিবার ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণ করে ছুটির তালিকা তৈরি করেছে সরকার।

এ ক্ষেত্রে ২১ থেকে ২৩ এপ্রিল শুক্র, শনি ও রোববার ঈদের ছুটি থাকবে। এর আগে ১৯ এপ্রিল বুধবার শবেকদরের ছুটি। তবে ঈদের ছুটি শুরুর আগে ২০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার অফিস খোলা। কেউ যদি ওইদিন ছুটি নেন সে ক্ষেত্রে ১৯ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি পাবেন। এর মধ্যে ২১ ও ২২ এপ্রিল পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবার।

আর রমজান মাস ৩০ দিন হলে ঈদুল ফিতর হবে ২৩ এপ্রিল (রোববার)। সে ক্ষেত্রে ছুটি একদিন বাড়বে।

ভারতে একটি মন্দিরে গাছচাপা পড়ে নিহত ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতে একটি মন্দিরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলাকালে গাছচাপা পড়ে ৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। আজ সোমবার (১০ এপ্রিল) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার ( ৯ এপ্রিল ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মহারাষ্ট্রের আকোলায় একটি মন্দিরের সামনে ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলকালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। একটি টিনশেডের নিচে বহু ভক্ত আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেসময় প্রবল বৃষ্টি এবং ঝড়ে পুরনো একটি নিম গাছ টিনের শেডের ওপর ভেঙে পড়ে।

পুলিশ জানায়, শেডের নিচে ৩৫ থেকে ৪০ জন চাপা পড়েছিলেন। এর মধ্যে সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া পাঁচজনকে আহত অবস্থায় আকোলা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।

গাছ চাপা পড়ে হতাহতের ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবীস শোক প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গাছচাপা পড়ে কিছু ভক্ত নিহত হওয়ার এই ঘটনা বেদনাদায়ক। নিহতদের প্রতি আমি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। রাজ্য সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

পাহাড়ি টিলায় আনারস চাষে বাম্পার ফলন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের পাহাড়ের টিলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হচ্ছে আনারস। আবহাওয়া আনারস চাষের অনুকূলে থাকায় চলতি বছর এ ফলের বাম্পার ফলন হয়েছে।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলাসহ, রাজনগর, কুলাউড়া, জুড়ি, বড়লেখা, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় চাষ হচ্ছে। এসব এলাকার পাহাড়-টিলার বুক চিড়ে গড়ে উঠছে আনারস বাগান। থোকা থোকা গাঢ় সবুজের পাখনায় ডানা মেলছে কাঁচাপাকা আনারস। এ বছর আবহাওয়া চাষের অনকূলে থাকায় আনারসের বাম্পার ফলন হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আনারস চাষাবাদ হয়েছে শ্রীমঙ্গল উপজেলায়। এখানে হানিকুইন, জায়েন্ড কিউ ও ক্যালেন্ডার জাতের মধ্যে চাহিদা বেশি থাকায় হানিকুইন-বিলাতিজাতের আনারসই বেশি চাষ করা হয়েছে।

এদিকে উৎপাদনের এ মৌসুমে ব্যাপকভাবে বাজারে উঠতে শুরু করেছে আনারস। আনারস কিনতে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকাররা ভিড় করছেন আড়ৎগুলোতে। চাহিদা ও উৎপাদন ভালো থাকায় প্রতিদিন প্রায় এক কোটি টাকার আনারস বিক্রি হচ্ছে। রমজানের শুরু থেকেই উৎপাদিত আনারসের ভালো দাম পেয়ে খুশি চাষিরাও।

শ্রীমঙ্গলে লেবু, আনারস আড়ৎদার ব্যবসায়ি সমিতির সিনিয়র সদস্য মো. কামরুল হাসান বললেন, উৎপাদন ভালো হওয়ায় বাজারে আনারসের সরবরাহ প্রচুর। প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার বেচাকেনা হচ্ছে।

আর শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.মহি উদ্দিন জানান, পাহাড় টিলায় আনারসের ভালো ফলনের জন্য চাষিদের সার্বিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এ জেলায় এবছরে ১ হাজার ২১০ হেক্টর পাহাড়ের জমিতে চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর উৎপাদন হয়েছে ২০ হাজার ৫৭০ টন।

হিজাব না পড়া নারীদের শনাক্তে গোপন ক্যামেরা বসাচ্ছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যেসব নারীরা হিজাব পড়ছেন না তাদের শনাক্তে প্রকাশ্য স্থাপনায় গোপন ক্যামেরা বসাচ্ছে ইরান। দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, যে নারীরা হিজাব পড়বে না, তাদের ‘পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে’ লিখিত বার্তা পাঠানো হবে। গতকাল শনিবার (৮ এপ্রিল) তারা এ সম্পর্কে একটি বিবৃতি জারি করে।

ওই বিবৃতিতে পর্দা করাকে ‘ইরানি জাতির সভ্যতার ভিত্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

গত বছর হিজাব না পরার অভিযোগ তুলে ২২ বছর বয়সী কুর্দি তরুণী মাহসা আমিনিকে গ্রেপ্তার করে ইরানের নৈতিক পুলিশ।

পুলিশি হেফাজতে তার মৃত্যু হলে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর গ্রেপ্তারের ঝুঁকি থাকলেও ইরানে অনেক নারী হিজাব পরা ছেড়ে দেয়। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, এসব ‘স্মার্ট ক্যামেরা এবং অন্যান্য যন্ত্র’ ব্যবহার করে হিজাব না পরা নারীদের শনাক্ত করা হবে। এছাড়া হিজাব আইন ভঙ্গ করা নারীদের ঠিকানায় কাগজপত্র এবং সতর্ক করে বার্তা পাঠানো হবে।

ইরানে ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী আইনগতভাবে নারীদের চুল এবং মুখমণ্ডল আবৃত করে হিজাব পরার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

আয়াতোল্লাহ খোমেনি ১৯৭৯ সালের ৭ মার্চ ডিক্রি বা নির্দেশনা জারি করেন। যেখানে নারীকে তাদের কর্মক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে হিজাব পরতে হবে এবং নারীরা মাথা না ঢাকলে তার বিচারে সেইসব নারী ‘নগ্ন’ বলে গণ্য হবে। ওই নির্দেশের প্রতিক্রিয়ায় পরদিনই বিক্ষোভ জানাতে তেহরানের রাস্তায় জড়ো হয়েছিলেন এক লাখেরও বেশি মানুষ, যাদের বেশিরভাগই ছিল নারী।

এরপর ১৯৮১ সালে নারী ও কিশোরীদের ইসলামি রীতি অনুযায়ী আব্রু রক্ষা করার উপযোগী পোশাক পরা আইনত বাধ্যতামূলক করা হয়।

এবার ঈদের ছুটিতে মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলবে

অনলাইন ডেস্কঃ আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষ জাতীয় মহাসড়কে মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সড়কপথে যাতায়াত নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন করতে আজ রোববার (৯ এপ্রিল) এক প্রস্তুতিমূলক সভায় এ কথা জানান তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, জাতীয় মহাসড়কে মোটরসাইকেল চললেও পদ্মা সেতুতে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।

এদিকে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মোট ১৩ দিন ২৪ ঘণ্টা সিএনজি ফিলিং স্টেশন খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। ঈদের দিন, ঈদের আগের পাঁচ দিন ও পরের সাতদিনসহ মোট ১৩ দিন ২৪ ঘণ্টা সিএনজি ফিলিং স্টেশন খোলা থাকবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়কপথে ও পরিবহনে শৃঙ্খলাজনিত ঘাটতি রয়ে গেছে। আরও সিক্স-ফোর লেনের রাস্তা করার পরিকল্পনা সরকারের আছে। তবে, শৃঙ্খলা নিয়ে আসাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

গাজীপুরের বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে। এখানে ঈদের সময় রাস্তা যানজটমুক্ত রাখতে হবে বলে জানান তিনি। দেশের উত্তরাঞ্চলের দিকেও বিশেষ নজর দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন সেতুমন্ত্রী। 

উল্লেখ্য, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে গত বছর ঈদুল আজহার আগে জাতীয় সড়কে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ করেছিল কর্তৃপক্ষ।