মৌলভীবাজারে পঞ্চমবারের মত শ্রেষ্ঠ ওসি ছালেক

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: পঞ্চমবারের মতো মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুছ ছালেক। বুধবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভায় টানা পঞ্চম বারের মত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কারের ক্রেস্ট তার হাতে তুলে দেন সভার সভাপতি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া।

জানা যায়, ওসি আব্দুছ ছালেক কুলাউড়া থানায় যোগদানের পর থেকে থানায় আগত সেবাগ্রহীতাদের মানবিকভাবে পুলিশি সেবা প্রদান-সেবার মান বৃদ্ধি, থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, দ্রুত চুরির মামলার রহস্য উদঘাটন করে চোরাইকৃত লক্ষাধিক টাকার মালামাল উদ্ধার, চোরাইকৃত মহিষের মাংস উদ্ধার, অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ও ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটনসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে বিশেষ অবদান রাখায় তাকে অভিন্ন মানদণ্ডের আলোকে টানা পঞ্চম বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) সুদর্শন কুমার রায়ের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহসিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) দীপংকর ঘোষসহ জেলার সকল থানার পুলিশ অফিসারবৃন্দ।

এ অর্জন কুলাউড়াবাসীর প্রতি উৎসর্গ করেছেন বলে জানান ওসি মো. আব্দুছ ছালেক।

ঈদের আগেই বঙ্গবাজার মার্কেট খুলে দেওয়া হবে

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্কঃ ঈদের আগেই বঙ্গবাজার মার্কেট খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) সকালে বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডস্থল পরিদর্শন ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

সালমান এফ রহমান বলেন, ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য আমরা কাজ করছি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার জন্য অনেকেই আমাকে ফোন করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আমি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি।

তিনি বলেন, আর্থিক অনুদানের জন্য একটি যৌথ ব্যাংক হিসাব, বিকাশ, নগদ, রকেট অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দিয়েছি। অ্যাকাউন্টগুলো খোলার পরে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবাজার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দীর্ঘ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। স্বরণকালের ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে পুরো বঙ্গবাজারের হাজার হাজার দোকান। এখানকার কয়েকটি মার্কেটের সব দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বিয়েতে বোমা উপহার, বিস্ফোরণে বরসহ নিহত ২

ভারতের ছত্রিশগড়ের কবিরধাম জেলায় সাবেক প্রেমিকার বিয়েতে একটি হোম থিয়েটার মিউজিক সিস্টেমে বোমা উপহার দেন প্রেমিক। সেই বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন সদ্য বিবাহিত প্রেমিকার স্বামী ও তার বড়ভাই। গুরুতর আহত হন চারজন।গত সোমবার এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। খবর-এনডিটিভির

বিস্ফোরণে নিহত বরের নাম হেমেন্দ্র মেরাভি (২২)। তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তার ভাই রাজকুমার (৩০) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূলত অন্য জায়গায় প্রেমিকা বিয়ে করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন ওই যুবক। এর প্রতিশোধ নিতে এমন জঘন্য কাণ্ড ঘটান তিনি।

প্রসঙ্গত, হেমেন্দ্র মেরাভি গত ১ এপ্রিলে বিয়ে করেন। ওই বিয়েতে উপহার হিসেবে একটি ‘হোম থিয়েটার মিউজিক সিস্টেম’ পান তিনি। সোমবার এই উপহারটি বিদ্যুতের সঙ্গে সংযুক্ত করেন তিনি। এর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট শব্দে এটি বিস্ফোরণ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই বর হেমেন্দ্র নিহত হন। অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বড়ভাইয়ের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঘরের দেয়াল ধসে এক নারী ও এক বছর বয়সি এক শিশুও গুরুতর আহত হয়েছেন।

এদিকে ওই হোম থিয়েটার মিউজিক সিস্টেমটি বিস্ফোরকে ঠাসা ছিল বলে পুলিশ তদন্তে খুঁজে পায়। কে এই উপহার দিয়েছে সেটি খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু করেন তারা। একপর্যায়ে তারা জানতে পারেন, যে ব্যক্তি এ উপহারটি দিয়েছিলেন তিনি সদ্য বিবাহিত মেয়েটির প্রেমিক ছিলেন। যুবকের নাম সার্জু মারকাম। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কবিরধামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনীষা ঠাকুর জানান, জিজ্ঞাসাবাদে সার্জু দোষ স্বীকার করে বলেছেন-তার সাবেক প্রেমিকা বিয়ে করায় তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। এ ক্ষোভ থেকেই তিনি হোম থিয়েটারে বিস্ফোরক বসিয়ে তা বিয়েতে উপহার দেন।

মুক্তির আগেই মামলা খেলো ৫০০ কোটির আদিপুরুষ সিনেমা

মুক্তির আগেই মামলা খেয়েছে ৫০০ কোটির আদিপুরুষ সিনেমা। এতে বিপাকে পড়ল আদিপুরুষ ছবির পুরো টিম। সদ্য প্রকাশ্যে এসেছে ছবির একটি নতুন পোস্টার। যেখানে দেখা যাচ্ছে, রাম লক্ষণ ও সীতা দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাদের সামনে হাত জোর করে বসে হনুমান। এই পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পরই শুরু হয়েছে বিবাদ। এক ব্যক্তি আইনি মামলা করেছেন ছবির বিরুদ্ধে। খবর- এশিয়া নেট নিউজের

জানা গিয়েছে, মুম্বই হাইকোর্টের আইনজীবী আশিস রাউ ও পঙ্কজ মিশ্রের মাধ্যমে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন সঞ্জয় দীননাথ তিওয়ারি। তিনি নিজেকে সনাতন ধর্মের প্রচারক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি ছবির নির্মাতা, অভিনেতা ও পরিচালকের বিরুদ্ধে আইনী মামলা করেছেন। মামলা করে হয়েছে সাকিনাকা থানায়।

মামলার অফিসিয়াল বিবৃতি অনুসারে, অভিযোগে বলা হয়েছে যে, চলচ্চিত্র নির্মাতা হিন্দু ধর্মীয় পাঠ্য রামচরিতমানস থেকে চলচ্চিত্র তৈরি করছেন। কিন্তু, তিনি চরিত্রে ভুল প্রদর্শন করছেন।

অভিযোগ অনুসারে, হিন্দু ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ রামচরিতমানস থেকে মরিয়দা পুরুষোত্তম শ্রী রামের বায়োপিক নিয়ে তৈরি আদিপুরুষ। হিন্দু ধর্মে পবিত্র গ্রন্থ রামচরিতমানস একটি গুরুত্ব বহন করছে। সনাতন ধর্ম বহু যুগ ধরে এই পবিত্র গ্রন্থকে অনুসরণ করে আসছে। তাঁর দাবি, ছবির পোস্টারে ভগবান শ্রী রামের যে পোশাক দেখানো হয়েছে তা গ্রন্থে উল্লেখ নেই।

রামায়ণ অনুসারে, পবিত্র সুতোর তৈরি পোশাক পরতেন তাঁরা। কিন্তু, পোস্টারে তা পরিবর্তন করা হয়েছে। এই নিয়ে চলছে বিতর্ক। এই কারণেই অভিনেতা ও ছবির বিরুদ্ধে মামলা দায়েক করেছেন সঞ্জয় দীননাথ তিওয়ারি।

তেলেগু সুপারস্টার প্রভাসকের ছবি নিয়ে ভক্তদের প্রত্যাশা থাকে সব সময় তুঙ্গে। তাঁর আসন্ন ছবি ‘আদিপুরুষ’ নিয়ে ভক্তদের উন্মাদনা চোখে পড়ছে সকলের। এই ছবিতে রামের অবতারে অভিনয় করতে দেখা দেবেন প্রভাসকে। সীতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন কৃতী শ্যানন। রাবণের ভূমিকায় রয়েছে সইফ আলি খান। বড় বাজেটের এই ছবি মুক্তি পাবে চলতি বছরেই। আগে রামের জন্মদিনে মুক্তির কথা থাকলেও বর্তমানে সেই দিন পরিবর্তন হয়েছে।

এদিকে চলতি বছর জুন মাসে মুক্তি পাবে ছবিটি। তার আগে এমন আইনী মামলা চিন্তায় ফেলল ছবির পুরো টিমকে। মুক্তির আগে এত বিগ বাজেটের ছবি নিয়েই তৈরি হল বিতর্ক। মুক্তির আগেই বিপাকে পড়েছ ৫০০ কোটির ছবি।

১২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেললেন মুশফিক

১২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরেছেন মুশফিক। আইরিশ অফস্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনকে তুলে মারতে গিয়ে লংঅনে দুর্দান্ত এক ক্যাচ হলেন মুশফিক। ১৩৫ বলে মিস্টার ডিপেন্ডেবল দেখা পান ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরির। ১৩টি চার ও ১টি ছয়ে সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজান মুশফিক। এর আগে ফিফটি পেয়েছিলেন ৬৯ বলে।

আজ সকালে মুমিনুল হকের বিদায়ের পর থেকেই ব্যাট হাতে দুর্দান্ত শুরু করেন সাকিব আল হাসান। সেঞ্চুরির আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত ৮৭ রানে কাটা পড়েন তারকা এই ক্রিকেটার। প্রথম দিন তাইজুল ইসলামের ৫ শিকারে আয়ারল্যান্ডের ইনিংস মাত্র ২১৪ রানেই গুটিয়ে যায়।

এরপর দিনের শেষ সেশনে জবাবে দিতে নামে বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও নাজমুল হোসেন শান্ত। বেলা শেষ হওয়ার আউট হয়ে ফেরেন দুজনেই। এরপর বাংলাদেশ ৩৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে দিন শেষ করে। সেখান থেকে দ্বিতীয় দিন বাংলাদেশকে টেনে তোলার ভার ছিল মুমিনুল হক ও মুশফিকের কাঁধে। কিন্তু আগেরদিনের চেয়ে মাত্র ৬ রান বেশি করতেই মুমিনুলকে মার্ক অ্যাডায়ার বোল্ড করে দেন। সেই চাপে স্বাগতিকদের ভেঙে পড়তে দেননি সাকিব ও মুশফিক। দুজনেই মিলে গড়েন অনবদ্য এক জুটি। ফলে দিনের প্রথম সেশনের পুরোটাই ছিল বাংলাদেশের দখলে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ ৩৬৯ রান করে তাদের ইনিংস শেষ করেছে। ফলে ১৫৫ রানের লিড নিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ। আর আয়ারল্যান্ড ফের ব্যাটিং এ নেমে ১ উইকেটে ২ রান করেছে।

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গরীবের এসি বাড়ি

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: দিনকে দিন আধুনিকতার ছোঁয়ায় মৌলভীবাজারে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর। মাটির ঘরের স্থান দখল করে নিচ্ছে ইট-পাথরের দালান। শীত-গ্রীষ্ম সব ঋতুতেই মাটির ঘর আরামদায়ক বাসস্থান। একটু সুখের আশায় মানুষ কত কিছুই না চিন্তা করছে। গ্রাম বাংলার চিরচেনা ঐতিহ্যের নিদর্শন সবুজ শ্যামল ছায়া ঘেরা শান্তির নীড় ছিল মাটির ঘর। যা এক সময় গ্রামের মানুষের কাছে ‘গরীবের এসি বাড়ি’ নামে পরিচিত ছিলো।

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের মাটির ঘর। আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে গ্রামেও। মাটির ঘরের জায়গায় তৈরি হচ্ছে প্রাসাদসম অট্টালিকা। মানুষের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা, প্রযুক্তির উন্নয়ন, রুচিবোধের পরিবর্তন,পারিবারিক নিরাপত্তা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নিজেদের সুরক্ষার কারণে এখন আর কেউ মাটির ঘরে থাকতে চান না। সচ্ছল মানুষরা এখন ঝুঁকে পড়েছেন পাকা দালানের দিকে। তারপরও মানুষ যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নগরায়ণের সাথে সাথে পাকা দালান কোঠা তৈরি করছেন। তাই আধুনিকতার ছোঁয়ায় আর সময়ের পরিবর্তনে গ্রাম বাংলা থেকে ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি ঘর আজ প্রায় বিলুপ্তের পথে।

তবে মাটির ঘরের শান্তি ইট পাথরের দালান কোঠায় খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন সেই মাটির ঘরটি কাল হয়তো তার স্থান হবে ইতিহাসে অথবা যাদুঘরে। সময়ের তালে ও মানুষের আর্থিক সামর্থ্য আর রুচির পরিবর্তনের ফলে গ্রাম থেকে হারিয়ে গেছে এ মাটির ঘর।

একটি পাতা দুইটি কুড়ি চায়ের রাজধানী খ্যাত পরিচিত মৌলভীবাজার। জেলার বিভিন্ন চা বাগানগুলোতে এখনো কিছু মাটির ঘর দেখা যায়। তবে সেগুলোও বেশি দিন থাকবে না। আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে বাগানগুলোতেও। কম-বেশি সব বাগানগুলোতে দালানকোঠা ভরে যাচ্ছে।

জানা যায়, প্রাচীনকাল থেকেই মাটির ঘরের প্রচলন ছিল। এটেল বা আঠালো মাটি কাঁদায় পরিণত করে দুই-তিন ফুট চওড়া করে দেয়াল তৈরি করা হত। ১০-১৫ ফুট উচু দেয়ালে কাঠ বা বাঁশের সিলিং তৈরি করে তার ওপর খড় অথবা টিনের ছাউনি দেয়া হত। মাটির দিয়ে অনেক সময় দোতলা পর্যন্ত করা হতো ঘর। এসব মাটির ঘর তৈরি করতে কারিগরদের তিন-চার মাসের অধিক সময় লাগতো। গৃহিনীরা মাটির দেয়ালে বিভিন্ন রকমের আল্পনা এঁকে বসত ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেন। এক সময় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অনেক পরিবার মাটির ঘরে বাস করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। তবে এখনো মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় মাঝে মাঝে চোঁখে পড়ে চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী এই মাটির ঘর।

কমলগঞ্জ উপজেলার টিলাগাঁও গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার বাড়িতে চিরচেনা সেই পুরোনো স্মৃতিভরা শান্তির মাটির ঘর দেখা যায়। ইদ্রিস মিয়া বলেন, এই ঘর আমার দাদার ছিল। তিনি মারা যাওয়ার পর আমার বাবা থাকতেন। এখনও ঘরটি রয়েছে। পুরোনো স্মৃতি ধরে রাখতে এখনো মাটির ঘর রেখে দিয়েছি। তবে যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে এখন অনেকে ইটের ঘর তৈরি করছে, তাই ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে এমন মাটির ঘর।

টিলাগাঁও গ্রামের বাসিন্দা কলেজছাত্র নয়ন মিয়া বলেন, মাটির ঘর বসবাসের জন্য আরামদায়ক হলেও যুগের বিবর্তনে অধিকাংশ মানুষই মাটির ঘর ভেঙে অধিক নিরাপত্তা ও স্বল্প জায়গায় অনেক লোকের বসবাসের জন্য ইটের ঘরকে প্রথম পছন্দের তালিকা নিয়ে এসেছে। মাটির ঘর শীত গরম উভয় মৌসুমে বেশ আরামদায়ক। তবে বন্যা, ভূমিকম্প বা প্রবল ঝড় না হলে এসব ঘর শতাধিক বছর পর্যন্ত টিকে থাকে। এ সমস্ত ঘর বেশি বড় হয় না। মা, চাচি ও গৃহিণীরা তাদের নরম হাতের কোমল ছোঁয়ায় নিপুণ ভাবে কাঁদা দিয়ে লেপে মাটির ঘরের দেয়ালগুলোর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এখন আর সেই মাটির ঘর চোখে পড়ে না বললেই চলে। তবে এখনো বাপ-দাদার স্মৃতি ধরে রাখতে অনেকেই দুই একটা মাটির ঘর টিকিয়ে রেখেছেন। আমাদের বাড়িও এখানো মাটির আছে। পাকা দিয়ে তৈরী করতে চাইলেও বাবাকে বলে এভাবে রেখে দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, মাটির ঘরগুলো বন্যা ও ঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতি সাধন হয় বলেই মানুষ ইট সিমেন্টের ঘর-বাড়ি নির্মাণে আগ্রহী হচ্ছেন। প্রতি বছর মাটির ঘরে খরচ না করে একবারে বেশি খরচ হলেও পাকা ঘর-বাড়িই নির্মাণ করছেন। তবে এখন মাটির ঘরের সংখ্যা কমতে কমতে প্রায় বিলুপ্তির কাছাকাছি। হয়ত সে দিন খুব বেশি দূরে নয় যে দিন মাটির ঘরের কথা মানুষের মন থেকে হারিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্মের মানুষের কাছে মাটির ঘর রূপকথার গল্পের মতো মনে হবে।

এদিকে, কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর চা বাগানে গেলে দেখা যায়, চা বাগানের বিভিন্ন টিলায় এখানো মাটির ঘর আছে। চা শ্রমিকরা পরিবার পরিজন নিয়ে আরামদায়ক ভাবেই বসবাস করছেন। আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো না থাকায় আধুনিকতার ছোঁয়াও লাগেনি তাদের মাঝে।

তবে তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগের তুলনায় এখন মাটির ঘর খুব কম। হয়তো সেটাও থাকবে না। হয়ে যাবে দালান কোঠা। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম ছেলে-মেয়েরা মাটির ঘরের গল্প, কবিতার ছন্দে বা সাহিত্যর পাতায় বা যাদুঘরে দেখা ছাড়া আর কিছু করার থাকবে না। নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের কাছে শুধু নাটক, সিনেমা ও গল্প কাহিনী রয়ে যাবে।

আলীনগর ইউনিয়নের মাটির ঘরের কারিগর মতিন মিয়া বলেন, মাটির ঘর তৈরি করতে কারিগরদের তিন-চার মাসের অধিক সময় লাগতো। মজুরি হিসেবে একটা ঘরের জন্য ২৫-৩০ হাজার টাকা নিতেন। এখন আর মাটির ঘর কেউ নির্মাণ করে না। তাই আমাদেরও আগের মতো কাজ নাই। এখন অন্য কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকি।

মাটির ঘরগুলো কেনো কমে যাচ্ছে সে ব্যাপারে জানতে চাইলে মৌলভীবাজারের লেখক, গবেষক আহমদ সিরাজ বলেন, মানুষ এখন কর্মমূখী। মানুষের আয়-রোজগার বাড়ার কারণে মানুষ দিন দিন সৌখিন হয়ে উঠছে। এছাড়া এ জেলার প্রচুর মানুষ বিভিন্ন দেশে গিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে স্বচ্ছল হয়েছেন। এ জন্য প্রবাসীরা ও স্বচ্ছল ব্যক্তিরা তাদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পাওয়ায় ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে মাটির ঘরে থাকতে চায় না। এ জন্য মাটির ঘর ভেঙে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনের করে পাকা দালান কোঠা নির্মাণ করছেন। তবে এখন মাটির ঘরের সংখ্যা কমতে কমতে প্রায় বিলুপ্তির পথে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের ভর্তি আবেদন শুরু

শিক্ষা ডেস্কঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন আজ থেকে শুরু হবে।  আজ বুধবার (৫ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে এ আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে ৮ মে রাত ১২টা পর্যন্ত।সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০ টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজের নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা সরাসরি ৯ মে এর মধ্যে অবশ্যই জমা দিতে হবে। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস ১ জুন থেকে শুরু হবে।

অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ফরম পূরণ ও এর প্রিন্ট/পিডিএফ কপি সংগ্রহের সময়সীমা ৫ এপ্রিল থেকে ৮ মে পর্যন্ত। এছাড়া আবেদনকারী শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০ টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজে (কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা সরাসরি) জমা দেওয়ার সময়সীমা ৬ এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত।

কলেজ কর্তৃক অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন ফরম নিশ্চয়ন করার সময়সীমা ৬ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত। একই সঙ্গে কলেজ কর্তৃক আবেদনকারীদের প্রাথমিক আবেদন ফির জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ (প্রত্যেক আবেদনকারীর ১৫০ টাকা হারে) সংশ্লিষ্ট খাতে (ভর্তি ফান্ড) যে কোনো সোনালী ব্যাংক শাখায় জমা দেওয়ার সময়সীমা ১১ মে থেকে ১৭ মে পর্যন্ত।

এ লক্ষ্যে কলেজকে Login এর মাধ্যমে Application Payment Info (Honours) অপশনে ক্লিক করে Pay Slip ডাউনলোড করতে হবে। পরে এর প্রিন্ট কপি নিয়ে নিকটস্থ সোনালী ব্যাংক শাখায় নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করতে হবে।

 

এবারও দুবাই আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম তাকরিম

জাতীয় ডেস্কঃ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ২৬তম দুবাই আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। ভিনদেশে একজন হাফেজ হিসেবে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম। এর আগেও এ প্রতিযোগিতায় ২ জন বাংলাদেশি হাফেজ প্রথম স্থান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন।

দুবাই এক্সপো সিটির মুল স্টেজে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রথম স্থান অধিকারী হিসেবে তাকরিমের নাম ঘোষণা করা হয়। প্রতিযোগিতায় ২য় স্থান অধিকার করে ইথিওপিয়ার আব্বাস হাদী, ৩য় স্থান অধিকার করে সৌদি আরবের খালিদ সোলাইমান।

দুবাইয়ের ২ রমজান থেকে শুরু হওয়া এ আসর ১৩ রমজান পর্যন্ত চলে। গত ১২ জানুয়ারি ২০২৩ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক নির্বাচনী পরীক্ষায় একদল বিচারক মণ্ডলির রায়ে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি নির্বাচিত হয় তাকরিম। হাফেজ তাকরিম ঢাকার মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী মাদর কিতাব বিভাগের ছাত্র এবং টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার ভাদ্রা গ্রামের হাফেজ আব্দুর রহমানের ছেলে।

এর আগে হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম ২০২২ সালে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৪২তম কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় (খ গ্রুপে) ১১১ টি দেশের মধ্যে ৩য় স্থান অর্জন করে।

লিবিয়ার বন্দরনগরী বেনগাজিতে অনুষ্ঠিত ১০ম আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় সারা বিশ্বের অংশগ্রহণকারী সব প্রতিযোগীর মধ্যে ৭ম স্থান অর্জন করার পাশাপাশি সর্বকনিষ্ঠ প্রতিযোগী হিসেবে বিশেষ সম্মাননা অর্জন করে।

হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম একই বছরে ইরানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় সারা বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করে।

এবারের প্রতিযোগিতায় শুধু তাকরিম-ই দেশের নাম উজ্জ্বল করেনি। ২৬তম দুবাই আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার মুল বিচারক প্যানেলে ছিলেন শায়খ শোয়াইব মোহাম্মদ আল আজহারি নামে এক বাংলাদেশি।

তার সফলতায় বাংলাদেশ কমিউনিটিতে ব্যাপক আনন্দ উল্লাস বিরাজ করছে।

লালমনিরহাটে ছাত্রলীগ নেতা ছোটন ছুরিকাঘাতে নিহত

ঈশাত জামান মুন্না, লালমনিরহাট: লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলা ভোটমারি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু মুসা ছোটন ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। পুলিশ হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে ১জনকে গ্রেফতার করেছে।

নিহত আবু মুসা ছোটন (৩২) হাজির স্কুল এলাকার মৃত আবুল কাশেমের পুত্র। আবু মুসা ছোটন কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি ও ভোটমারি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি।

জানা গেছে, মঙ্গলবার ৪ঠা এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় কালিগঞ্জ উপজেলার ভোটমারি ইউনিয়নের শ্রুতিধর জামির বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ছাত্রলীগ নেতা আবু মুসা ছোটন ছুরিকাঘাতের স্বীকার হন। ছুরিকাঘাতের পর ছোটনের আত্মচিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এসে রক্তাত্ব অবস্থায় ছোটন কে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়,অতিরিক্ত রক্তক্ষরনের কারনে পথেই ছোটনের মৃত্যু হয়।

Google Newsডিজিটাল বাংলা নিউজ” অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহঃ সভাপতি আবু মুসা ছোটন (৩২) ইফতারির পর বাড়ির পাশে ফেডারেশন এর কাছের একটি দোকানে বসে চা খাচ্ছিলো, এ সময় ছোটনের চাচাতো ভাই পলাশ সহ কয়েক জন যুবক কথা আছে বলে ছোটন কে ডেকে নিয়ে পাশের শ্রতিধর জামির বাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নিয়ে যায়। পলাশের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছোটন কে মারধর শুরু করে, পলাশের হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে ছোটন কে এলোপাথারি ছুরি মারলে মাটিতে পড়ে যায়। ছোটনের আত্মচিৎকারে আশে পাশের লোক ছুটে আসলে এসময় ধারালো ছুরি সহ পলাশ কে আটক করে স্থানীয় এলাকাবাসী।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম গোলাম রসুল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হত্যার সাথে সম্পৃক্ত সন্দেহে একজন কে আটক করা হয়েছে। আটককৃত যুবকের নাম পলাশ, সে শ্রুতিধর জামির বাড়ী গ্রামের আনোয়ার হোসেন এর পুত্র বলে জানা গেছে। অধিকতর তদন্ত করে হত্যাকান্ডের কারন জানা যাবে বলে পুলিশ জানায়।

এদিকে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ছোটনের পরিবারসহ কালিগঞ্জ উপজেলায় শোক নেমে এসেছে। এলাকাবাসী এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবী করেছে।

এ ঘটনায় গভীরশোক জানিয়েছেন লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুজ্জামান আহমেদ।

আলোচিত সেই চুম্বন মামলায় ১৬ বছর পর বিচার পেলেন শিল্পা শেঠি

বিনোদন ডেস্কঃ ২০০৭ সালের ঘটনা। হলিউড তারকা রিচার্ড গেরের চুম্বন কাণ্ডে অশ্লীলতার অভিযোগ উঠেছিল বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির বিরুদ্ধে। তার জেরে আদালতে দায়ের হয়েছিল মামলা। সেই মামলার রায় দেয়া হল ২০২৩ সালে। সেই মামলা এতদিনে খারিজ হল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এইডস সচেতনতামূলক এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২০০৭ সালে ভারতের রাজস্থানে এসেছিলেন কিংবদন্তি হলিউড অভিনেতা রিচার্ড গের। সেই ছিলেন শিল্পাও। আচমকা সবার সামনেই শিল্পাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়েছিলেন রিচার্ড।

এই ঘটনাটি যখন ঘটেছিল, তখন এই দুই তারকার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী বিক্ষোভ হয়েছিল এবং রাস্তায় তাদের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়েছিল।

আলোচিত এই ঘটনায় দুই তারকার বিরুদ্ধেই অশালীনতার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মামলাটি মুম্বাই আদালতে যায়। মুম্বাইয়ের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ২০২২ সালেই মামলাটি খারিজ করে দিয়েছিল। কিন্তু রাজস্থান পুলিশ আবার এই রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন জানিয়েছিলেন।

অবশেষে গত সোমবার মামলাটি পুরোপুরিভাবে খারিজ করে দেয়া হয়। এতদিন বাদে যেন স্বস্তি পেলেন শিল্পা।