দেশে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল-অফ-সার্ভিস (DDoS) সাইবার হামলার বিষয়ে সতর্কতা জারি

সিএনবিডি ডেস্কঃ দেশে সম্প্রতি ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অব সার্ভিস (DDoS) সাইবার আক্রমণ দেখা গেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের কম্পিউটার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম (বিজিডি ই-গভ সার্ট)। যার জন্য বিজিডি ই-গভ সার্ট টিম দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

গতকাল শনিবার বিজিডি ই-গভ সার্টের প্রকল্প পরিচালক তারেক এম বরকতউল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়।

https://www.cirt.gov.bd/notice/ddos-press-release/

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,  ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল-অফ-সার্ভিস (DDoS) একধরনের সাইবার হামলা। এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধীরা তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা বটনেট দিয়ে নির্দিষ্ট কোনো আইটি অবকাঠামোতে হামলা চালায়। ওই আইটি অবকাঠামোকে নিয়মিত সেবা প্রদানে বাধা দেওয়াই এ ধরনের হামলা লক্ষ্য। ই ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল-অফ-সার্ভিস (DDoS) সাইবার আক্রমণে TCP Push Flood, UDP Flood, TCP RST flood, TCP SYN Flood, TCP Window Size flood, IP fragment flood DDos অ্যাটাক ভেক্টরের আধিক্য পাওয়া গিয়েছে। ফলে উদ্ভুত এমন পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোকে নিরাপদ রাখতে   ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর ডিজিটাল নিরাপত্তা সুরক্ষা গাইডলাইন’ অনুসরণ-পূর্বক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এন্টি-ডিডস (Anti-DDOS) হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার স্থাপন/হালনাগাদ করে সঠিক Anti-DDoS Protection Threshold লিমিট সেট  করবার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। তাছাড়া দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ আইটি অবকাঠামোকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিজিডি ই-গভ সার্ট।

দুদিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে লিগ্যাল নোটিশ

সিএনবিডি ডেস্কঃ আজ রোববার (২১ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এরশাদ হোসেন রাশেদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনকে দুদিন অর্থাৎ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন।

কারন হিসেবে নোটিশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনকে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে আপনি ভারত সরকারকে যে অনুরোধ করেছেন, এটা আপনি করতে পারেন না। কারণ, সংবিধানে বলা হয়েছে, জনগণই সব ক্ষমতার উৎস। আপনি সংবিধানবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। আপনি মন্ত্রী পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন। এ অবস্থায় নোটিশ প্রাপ্তির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আপনার পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় আপনার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হব।

এর তিন দিন আগে আগে গত ১৮ আগস্ট চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন বলেছিলেন, ‘আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। তাকে টিকিয়ে রাখতে পারলে বাংলাদেশ উন্নয়নের দিকে যাবে। শেখ হাসিনার সরকার টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার, আমি ভারতের সরকারকে সেটা করতে অনুরোধ করেছি।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাতে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দলের বা সরকারের নয়। ক্ষমতায় টিকে থাকতে ভারতে অনুরোধ করতে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

এছাড়া আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান বলেছেন, আবদুল মোমেন আওয়ামী লীগের কেউ না, তার বক্তব্যের দায়ভার দল নেবে না। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য আওয়ামী লীগের জন্য চরম বিব্রতকর বলেও জানিয়েছে নেতারা। সরকার ও দলের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন অনেকে।

এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, ‘যারা অন্য দেশের আনুকূল্যে নিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকে তাদের এ দেশ শাসন করার কোনো অধিকার নেই।’

অন্যদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে  নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, তার এই বক্তব্য অসাংবিধানিক এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। এই সরকার দেশের গণতন্ত্রকে হত্যার সঙ্গে সঙ্গে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তিও বিনষ্ট করেছে।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা সরকারকে টিকিয়ে রাখতে ভারতকে অনুরোধ করেছি’ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ। এ জন্য তাকে গ্রেপ্তার করে রাষ্ট্রদ্রোহিতার শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তুরস্কে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৩৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ তুরস্কে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে তিন জন দমকলকর্মী ও দুজন সাংবাদিক রয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ২২ জন। গতকাল শনিবার (২০ আগস্ট) দেশটির গাজিয়ানটেপ এলাকা এবং মার্ডিন শহরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, তুরস্কের গাজিয়ানটেপ একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়লে তা উদ্ধারে সাংবাদিকসহ অনেকেই জড়ো হয়েছিলেন। এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারানো অন্য একটি বাস তাদের ধাক্কা দিলে ১৬ জনের মৃত্যু হয়। এরপর আরও উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করায়।

অন্যদিকে, ওই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর দেশটির মার্ডিন শহরের ডেরিক এলাকায় একটি ট্রাক ব্রেক ফেল করে মানুষের ভিড়ের ওপর উঠে গেলে ১৬ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক।

এদিকে, দুর্ঘটনার খবর পেয়েই স্থানীয় গভর্নর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দ্রুত উদ্ধারকাজ শেষ করতে বিপুল সংখ্যক উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সরকার থেকেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানায় কর্তৃপক্ষ।

গভর্নর দাভুত গুল বলেন, সকালে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। সেটার উদ্ধারকাজ করার সময় নতুন করে আরও একটি ঘটনা ঘটে। সাংবাদিকরা আগের ঘটনা কাভার করতে এসেছিলেন। দুর্ঘটনার ফলে গাজিয়ান্তেপ মহাসড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার কারণ বের করতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

উল্লেখ্য, সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তুরস্কের রেকর্ড খারাপ। সরকারি তথ্যমতে, গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৫ হাজার ৩৬২ জন নিহত হয়েছেন।

 

বাংলাদেশী দিনমজুরকে আটকের তিন ঘন্টা পর ফেরত দিল বিএসএফ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে আটকের তিন ঘন্টা পর এক বাংলাদেশি দিন মজুরকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। ওই বাংলাদেশির নাম হাবিবুল ইসলাম (৪১)। তিনি উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের সীমান্তঘেষা কৃষ্ণানন্দ বকসী গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে।

সীমান্তবাসী ও বিজিবি সুত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮ টার দিকে বাংলাদেশি দিনমজুর হাবিবুল ইসলাম গোরকমন্ডল সীমান্তের ৯২৯ নম্বর পিলারের পাশে ভারতীয় জমিতে পাট কাটতে যান। এ সময় ভারতীয় গিদালদাহ ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে যায়। এদিকে  বাংলাদেশি দিনমজুরকে আটকের খবর পেয়ে গোরকমন্ডল ক্যাম্পের বিজিবির সদস্যরা মৌখিকভাবে ওই দিনমজুরকে ফেরত চেয়ে বিএসএফের কাছে খবর পাঠান। পরে তিন ঘন্টা পর সকাল ১১ টায় একই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি দিনমজুরকে ফেরত দেয় বিএসএফ।

লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি’র অধীন গোরকমন্ডল ক্যাম্পের কমান্ডার খলিলুর রহমান জানান, আটকের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ওই দিনমজুরকে ফেরত দেয়ার বিষয়টি বিএসএফকে জানাই। প্রায় ৩ ঘন্টা পরে বিএসএফ আটক বাংলাদেশি দিনমজুরকে ফেরত দেয়।

স্বাধীনতার ৫০ বছরে পাওয়া হলো না একটি মাত্র ব্রিজ!

জোবায়ের আহমেদ, শেরপুর, বগুড়া: বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার বাঙালী নদীর অনেক ঘাট রয়েছে, যেখানে একটি করে ব্রিজ উপজেলা বাসীর প্রাণের দাবী। এমনই একটি ঘাট হলো উপজেলার খামারকান্দী ইউনিয়নের ঝাজর-বিলনোথার ঘাট।

এই ঘাটে বগুড়ার গুরুত্বপূর্ণ ২ টি উপজেলা শেরপুর ও ধুনটকে বিভক্ত করেছে বাঙালী নদী। প্রতিদিন এই ২ উপজেলার হাজারো মানুষের নদী পারাপারের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে খেয়া নৌকা। ব্রিজ হলে যেখানে পার হতে সময় লাগতো ১ থেকে ২ মিনিট, সেখানে কখনো কখনো ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লেগে যায় নৌকায় নদী পার হতে।

আবার অনেক সময় ছোটখাটো দুর্ঘটনা যেন স্বাভাবিক ব্যপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নৌকায় পারাপারের সময় প্রত্যক্ষদর্শী সাইফুল ইসলাম বলেন, একটু বৃষ্টি হলে নদীর উভয় পার্শ্বে উঁচু পাড়ে উঠার সময় প্রায়ই মানুষ ও যানবাহন পিছলে দুর্ঘটনার শিকার হয়।

নদীর পশ্চিম পার্শ্বে বগুড়ার বেশ কিছু স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় অসংখ্য শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন নদী পার হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। এসময় প্রতিনিয়ত তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। কেউ যদি এই নৌকা ব্যাতিত গন্তব্যে পৌঁছাতে চায় তাহলে তাকে ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার ঘুরে আসতে হয়।

স্বাধীনতার ৫০ বছরে এপর্যন্ত বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি তাদের ব্রিজটি করে দেয়ার ব্যাপারে আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কিন্তু কেউই বাস্তবায়নের কোন পদক্ষেপ নেননি।

এই বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, এই ঝাঁজর-বিলনোথার ঘাটে তাদের একটি ব্রিজ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সেটা কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে বা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু সেটা অজানাই রয়ে গেছে।

আজ সেই কলঙ্কিত ও বিভীষিকাময় ২১ শে আগস্ট

সিএনবিডি ডেস্কঃ আজ ২১ শে আগস্ট, সেই কলঙ্কিত ও বিভীষিকাময় এক দিন। মৃত্যু-ধ্বংস-রক্তস্রোতের নারকীয় গ্রেনেড হামলার ১৮তম বার্ষিকী। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা আজকের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আজ থেকে ১৮ বছর আগে ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞের ঘটনা ঘটে।

আজ রবিবার (২১ আগস্ট) শ্রদ্ধাবনত চিত্তে ইতিহাসের ভয়াবহতম গ্রেনেড হামলার ১৮তম বার্ষিকী পালন করবে পুরো বাঙালি জাতি।

মূলত আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করতে বিএনপি-জামায়াত তথা চার দলীয় জোট সরকার রাষ্টযন্ত্র ব্যবহার করে নৃশংসতম গ্রেনেড হামলা চালায়। গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করতে সেদিন শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল ঘাতকচক্র। ঘাতকের গ্রেনেড হামলায় রীতিমতো রক্তগঙ্গা বইয়ে গিয়েছিল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের প্রাঙ্গণ। সন্ত্রাসবিরোধী আওয়ামী লীগের শান্তির সমাবেশকে ঘিরে কোলাহলপূর্ণ বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউ মুহূর্তেই পরিণত হয়েছিল বীভৎস মৃত্যুপুরীতে। সুপরিকল্পিত ও ঘৃণ্য এই গ্রেনেড হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত ও শোকাবহ আগস্টে আরেকটি ১৫ আগস্ট সৃষ্টির অপচেষ্টা করেছিল পরাজিত ঘাতকচক্র। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে হায়েনাদের হামলার ধরনও ছিল রক্তাক্ত ১৫ আগস্টের মতোই।

সেদিন যা ঘটেছিলঃ সেদিনটি ছিল শনিবার। বিকালে একটি মার্সিডিজ বেঞ্জ জিপে সমাবেশস্থলে পৌঁছান তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা শেখ হাসিনা। এর আগেই সমাবেশে অন্য কেন্দ্রীয় ও নগর নেতারা বক্তৃতা শেষ করেন। ৫টার পরে শেখ হাসিনা বক্তব্য দিতে শুরু করেন। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে বক্তৃতা শেষ করে শেখ হাসিনা তার হাতে থাকা একটি কাগজ ভাঁজ করতে করতে এগুতে থাকলেন ট্রাক থেকে নামার সিঁড়ির কাছে। মুহূর্তেই শুরু হলো নারকীয় গ্রেনেড হামলা। বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হতে লাগল একের পর এক গ্রেনেড। আর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ মুহূর্তেই পরিণত হলো মৃত্যুপুরীতে। শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে খই ফোটার মতো একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় ঘাতকরা। ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয় সেখানে। মানুষের দিগবিদিক ছোটাছুটি, প্রচণ্ড আর্তচিৎকার, মুহুর্তে সমগ্র এলাকার পরিবেশ ভারী করে তুলে। তখনও গ্রেনেড হামলা চলতে থাকে। মানবপ্রাচীর তৈরী করে নেতৃবৃন্দরা প্রিয় নেত্রীর চারপাশে। প্রাচীরের গায়ে আঘাত করতে থাকে ঘাতকদের গ্রেনেড। কিন্তু গ্রেনেডে কোন ক্ষতি করতে পারেনি দুর্ভেদ্য সেই মানবঢাল। সেই ঢালটির প্রধান ব্যক্তিরা ছিলেন ট্রাকে অবস্থানরত মোহাম্মদ হানিফ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তারা যারা জীবনের মায়া ত্যাগ করে মানবঢাল রচনা করে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেন বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে। সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমান সহ ২৪ জন নেতাকর্মী এই হামলায় প্রাণ দেন এছাড়াও নেতা ও দেহরক্ষীদের আত্মত্যাগ ও পরম করুণাময়ের অশেষ কৃপায় মৃত্যুজাল ছিন্ন করে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মৃত্যু-ধ্বংস-রক্তস্রোতের নারকীয় গ্রেনেড হামলা

কিন্তু ঘাতকরা এখানেই ক্ষান্ত হয়নি  গ্রেনেডের আঘাতে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়ে শেখ হাসিনার গাড়ি লক্ষ করে ছুড়েছিল বৃষ্টির মতো গুলি। একেবারে পরিকল্পিত ও টার্গেট করা ঘাতকদের নিক্ষিপ্ত গুলি ভেদ করতে পারেনি শেখ হাসিনাকে বহনকারী গাড়ির কাঁচ। এসময়  শেখ হাসিনাকে আড়াল করে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে জীবন বিলিয়ে দেন তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী ল্যান্স কর্পোরাল (অব) মাহবুবুর রশীদ। রক্তাক্ত-বীভৎস ওই ভয়াল গ্রেনেড হামলায় নিহত অন্যরা হলেন হাসিনা মমতাজ, রিজিয়া বেগম, রফিকুল ইসলাম (সবার প্রিয় আদা চাচা), রতন শিকদার, মোহাম্মদ হানিফ ওরফে মুক্তিযোদ্ধা হানিফ, মোশতাক আহমেদ, লিটন মুনশি, আবদুল কুদ্দুছ পাটোয়ারী, বিল্লাল হোসেন, আব্বাছ উদ্দিন শিকদার, আতিক সরকার, মামুন মৃধা, নাসিরউদ্দিন, আবুল কাসেম, আবুল কালাম আজাদ, আবদুর রহিম, আমিনুল ইসলাম, জাহেদ আলী, মোতালেব ও সুফিয়া বেগম।

মৃত্যু-ধ্বংস-রক্তস্রোতের নারকীয় গ্রেনেড হামলা
গ্রেনেড হামলায় প্রাণে রক্ষা পেলেও আহত হন শেখ হাসিনা। এছাড়া আহত হন আমির হোসেন আমু, প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক, প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ওবায়দুল কাদের, মোহাম্মদ হানিফ, সম্প্রতি প্রয়াত এডভোকেট সাহারা খাতুন, এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিম, নজরুল ইসলাম বাবু, আওলাদ হোসেন, মাহবুবা পারভীন, এডভোকেট উম্মে রাজিয়া কাজল, নাসিমা ফেরদৌস, শাহিদা তারেক দিপ্তী, রাশেদা আখতার রুমা, হামিদা খানম মনি, ইঞ্জিনিয়ার সেলিম, রুমা ইসলাম, কাজী মোয়াজ্জেম হোসেইন, মামুন মল্লিক প্রমুখ।

ঠাকুরগাঁওয়ে সন্তানকে জিম্মি করে মা গণধর্ষণের শিকার; গ্রেফতার- ৩

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় সাত বছরের সন্তানকে জিম্মি করে এক নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। থানায় অভিযোগ করায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশ্ববর্তী হরিপুর উপজেলার দক্ষিণ পাড়িয়া গ্রামের এক নারী হরিপুর বকুয়া ইউনিয়নের চাপধা গ্রামে স্বামীর বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে এসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় ওই নারী ঘটনার দিন শনিবার ২০ (আগস্ট) রাতেই বাদী হয়ে ৫ জনের নামে হরিপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

থানা সুত্রমতে মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- হরিপুর উপজেলার  বকুয়া ইউনিয়নের চাপধা হাটপুকুর গ্রামের সলেমান আলীর ছেলে ফজলুর রহমান(২০), একই এলাকার করিমুল ইসলামের ছেলে রিসাত(১৯), ও শাহজাহান আলীর ছেলে আকাশ (১৯)। তদন্তের স্বার্থে বাকি দুইজনের নাম জানা যায়নি।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দক্ষিণ পাড়িয়া এলাকার ওই নারী দুই সন্তানের জননী।

গতকাল শুক্রবার (১৯ আগষ্ট) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ওই নারী রুহিয়া চাপধা এলাকায় স্বামীর বন্ধুর বাড়ি থেকে সন্তান মাসুম আলীকে সাথে নিয়ে রাণীশংকৈলে বোনের বাড়িতে অটোযোগে যাওয়ার পথে আনুমানিক বিকাল সাড়ে চারটায় উপজেলার কামারপুকুর অটো স্ট্যান্ড হতে অটো চালকের যোগসাজশে ওই নারীকে অপহরণ করে, বকুয়া ইউনিয়নের চাপধা বাজারের পূর্ব উত্তর পাশে আনোয়ার মাস্টারের আম বাগানের ভিতরে নিয়ে যায় ধর্ষণকারীরা এরপর ছেলে মাসুমের গলায় ছুঁড়ি ধরে জিম্মি করে বিবস্ত্র করে ফেলে নারীকে গণধর্ষণ করেন ।

আনুমানিক রাত সাড়ে ১২টার সময়  ধর্ষকরা ওই নারীকে রাস্তার পাশে ফেলে পালিয়ে যাবার সময় স্থানীয় লোকজন ধর্ষক ফজলুর রহমানকে আটক করে ৯৯৯ ফোন দেয়। ফজলুর রহমান ও ভিকটিমের ভাষ্যমতে হরিপুর থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে আরো দুই ধর্ষক রিসাত ও আকাশকে আটক করে। এর পর ওই নারী হরিপুর থানায় গিয়ে মামলা করেন।

এ বিষয়ে শনিবার ২০ আগস্ট বিকালে হরিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক ও এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অটোচালকসহ ৫ জন আসামীর মধ্যে ৩ জনকে গ্রেফতার করে জেলা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতার অভিযান চলমান রয়েছে।

সড়কে পিষ্ট হয়ে প্রান গেলো মেছোবাঘটির!

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সড়কে গাড়ি চাপায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারাল একটি মেছো বিড়াল (মেছোবাঘ)।  শনিবার (২০ আগস্ট) ভোরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন সদর ইউপির নোয়াগাঁও এলাকার ৬নং ব্রিজের পাশে এই ঘটনা ঘটে।

শ্রীমঙ্গলের বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন এর পরিচালক স্বপন দেব সজল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে খাদ্য সংকটের কারণে লাউয়াছড়া  বন থেকে মেছো বিড়ালটি লোকালয়ে চলে আসে। রাস্তা পারাপারের সময় গাড়ি চাপায় পিষ্ট হয়ে মারা যায়

মৃত মেছো বিড়ালটিকে উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে কুড়িয়ে পাওয়া পাঁচ লক্ষ টাকার প্রকৃত মালিককে খুঁজতে মাইকিং

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও পঞ্চগড় মহাসড়কে প্রায় ৫ লাখ টাকাসহ একটি ব্যাগ কুড়িয়ে পেয়েছে সৌরভ নামের এক যুবক। সে টাকার প্রকৃত মালিক কে না পেয়ে মালিকের সন্ধানে  মাইকিং করে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।

শনিবার (২০ আগষ্ট) সকাল ১০ টা থেকে শহর জুড়ে মাইকিং চলে। জানা যায় সৌরভ ঠাকুরগাঁও শান্তিনগর এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কোকারিজের ব্যবসায়ী।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে  ঠাকুরগাঁও পঞ্চগড় মহাসড়কে রাস্তার ধারে একটি ব্যাগ পরে থাকতে দেখেন সৌরভ। কোনো পথচারীর প্রয়োজনীয় ব্যাগ হতে পারে ভেবে ব্যাগটি সাথে নেন সৌরভ । পরে ব্যাগ খুলে সেখানে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা দেখতে পান তিনি।

টাকার সন্ধানে কেউ খুঁজতে আসবে বা মাইকিং বের করতে পারে ভেবে অপেক্ষায় ছিলেন তিনি । কিন্তু ব্যাগ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও পাওয়া যায়নি সেই টাকার মালিককে । তাই প্রকৃত মালিকের সন্ধানে মাইকিং বের করার ব্যবস্থা করেন । আর এই মাইকিং বের হবার পর থেকেই জেলাজুড়ে প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন সৌরভ।

মাইকিং শুনে শহরের ব্যবসায়ী আদম আলী জানান, এই মাইকিং প্রমাণ করে যে, মানবতা এখনও বেঁচে আছে। পৃথিবীতে এখনও ভালো মানুষ আছে। সৌরভের সর্বময় মঙ্গল কামনা করি। তাকে দেখে সমাজ অনেক কিছু শিখতে পারবে। শহরের বাসিন্দা আবু সালেহ জানান, সকালে বাসা থেকে বের হয়েই আমি টাকার মালিকের খোঁজে বের করা মাইকিং শুনতে পাই। প্রথমে অবাক হয়েছি। তবে ঘটনাটি অবশ্যই প্রশংসা করার মতো। ধন্যবাদ সৌরভের এই উদ্যোগকে।

মাইকিং বের হবার পর সোশাল মিডিয়া ফেসবুকেও চলছে তুমুল আলোচনা। বিভিন্ন মানুষ সাধুবাদ জানিয়ে স্ট্যাটাস দিচ্ছে। কমেন্টে অনেকেই বিষয়টির প্রশংসা করছে। মাইকিংয়ের বিষয়টি তুলে ধরে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটটাস দেন হিমেল নামের এক যুবক। সেখানে সোহেল ঢালি নামের একটি আইডি থেকে কমেন্ট করেছ, ঈমানদার ব্যক্তি সমাজে আছে বলেই সমাজ তথা পৃথিবী টিকে আছে। সেই পোস্টে মানবতার জয় হোক বলে কমেন্ট করেছে এমন আরও প্রায় ৫০ জন ফেসবুক ইউজার। এই বিষয়ে সৌরভ বলেন, ঠাকুরগাঁও পঞ্চগড় মহাসড়কে ব্যাগটি পরে থাকতে দেখি আমি। পরে ব্যগ ভর্তি টাকা দেখতে পাই। এই টাকা হতে পারে কারো ব্যবসার মূল পুঁজি। হতে পারে চাকুরিরত অফিসের টাকা। অথবা এই টাকাই হতে পারে কারো স্বপ্ন পুরনের উছিলা। তাই ভেবেছি টাকাটি মালিকের কাছে পৌঁছে দেয়া জরুরি। তাই মাইকিং করে মালিক খোঁজা হচ্ছে। টাকার মালিক স্টেডিয়ামের সামনে মদিনা মেশিনারিজ দোকানে এসে আমর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

এই ঘটনায় ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) কামাল হোসেন বলেন, টাকা হারিয়েছে জানিয়ে কেউ এখনও আমাদের কাছে কোনো জিডি করেনি। তাই টাকার মালিকের বিষয়ে এখনি আমরা কোনো সহায়তা করতে পারছি না। তবে টাকার মালিক খোঁজার এই অভিনব ঘটনাটি প্রশংসনীয়। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসিল্যান্ড শাহারিয়ার বলেন, অবশ্যই এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। যুবক সৌরভকে সাধুবাদ জানাই। যে কোনো রকমের প্রশাসনিক সহায়তা প্রয়োজন হলে আমরা পাশে থাকবো।

ইউক্রেনকে আরও সাড়ে ৭৭ কোটি ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনকে আরও ৭৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারের সামরিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার (১৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এ তথ্য জানিয়েছেন। এই সহায়তার মধ্যে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও যুদ্ধের অন্যান্য সরঞ্জাম থাকবে বলে জানান তিনি। খবর আল জাজিরা।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার হামলার পর থেকেই ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে বাইডেন প্রশাসন। সহায়তার ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। ফলে যুদ্ধে অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেন। যত দিন সময় লাগে রাশিয়ার অব্যাহত হামলা বন্ধ করতে ইউক্রেনকে সব ধরনের সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন।

এ বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেন পরিষ্কার করে বলেছেন যে রুশ হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের জনগণকে যত দিন প্রয়োজন আমরা সহায়তা দিয়ে যাব। এ সময় যুদ্ধ শুরুর পর এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৬০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা ইউক্রেনকে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে পার্থক্য গড়ে দিতে এবং আলোচনার টেবিলে ইউক্রেনের অবস্থানকে শক্তিশালী করতে এই সহায়তাগুলো অনেক হিসাব-নিকাশ করে দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলমান এই যুদ্ধ বন্ধের উপায় ও ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষায় আলোচনা করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।