ফুলবাড়ীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষদের মাঝে বীজ সার বিতরণ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কৃষি পুর্নবাসন কর্মসূচির আওতায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬শ কৃষকের মাঝে খরিপ-২ মৌসুমে উফশী আমন বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে এ বীজ সার বিতরণের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন দাস।

এ সময় উপজেলা কৃষি অফিসার নিলুফা ইয়াসমিন সহ উপ- সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার নিলুফা ইয়াসমিন জানান, এ কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক কৃষককে বিআর-২২ ও ২৩ জাতের ৫ কেজি উফশী আমন বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে।

রাণীশংকৈলে চাঞ্চল্যকর শিশু নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটির ঘটনাস্থল পরিদর্শন

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনা তদন্ত সোমবার (১ আগষ্ঠ) সকালে বাচোর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ৩ নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র ভাংবাড়ী ফুটকিবাড়ী(ভিএফ) নিন্ম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট রামকৃষ্ণ বর্মন, জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার(পীরগঞ্জ সার্কেল) আহসান হাবীব, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভোট কেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সহকারী পুলিশ সুপার (রাণীশংকৈল সার্কেল) তোফাজ্জল হোসেন, রাণীশংকৈল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ইন্দ্রজিত সাহা, রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম জাহিদ ইকবাল ও ঠাকুরগাঁও ডিএসবি ওসি-২ ইসমাইল হোসেনসহ আইনশৃঙ্খারক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।

এদিকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা খতিবুর রহমানসহ পুলিশের পৃথক ৩টি মামলা করায় গ্রেফতার আতংঙ্কে রয়েছে এলাকাবাসি। স্থানীয় সালেহা বেগম বলেন রাতে কোন মোটরসাইকেল কিংবা আটো বা মহেন্দ্র গাড়ীর শব্দ শুনলেই মনে হচ্ছে এই বুঝি পুলিশ আসল। তাছাড়া পুরুষরা তো ঘটনার পর থেকেই বাড়িতে থাকেন না। তাছাড়া এই মসজিদে আযানও কেউ দেননা নামাজও কেউ পড়েনা । তদন্ত শেষে দুপুরে রাণীশংকৈল ইউএনও’র কার্যালয়ে ডেকে এনে পুলিশের গুলিতে নিহত শিশুর বাবা বাদশা ও মা মিনারা আকতারের সাথে ওই তদন্ত কমিটির সদস্যবৃন্দ প্রায় আধাঘন্টা কথা বলেন। এ সময় কোন সংবাদকর্মীকে সেখানে থাকতে দেয়া হয়নি।

এ প্রসঙ্গে তদন্ত কমিটির প্রধান ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট রাম কৃষ্ণ বর্মন সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাস্থল পরির্দশন করা হলো। প্রয়োজনে আরো তদন্ত করা হবে। ৭ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসনের বরাবরে জমা দেওয়া হবে।

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পাকিস্তানের ৬ সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের লাসাবেলা এলাকায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কোয়েট্টা কর্পসের লেফটেনেন্ট জেনারেল সরফরাজ আলিসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা সবাই হেলিকপ্টারের যাত্রী ছিলেন। ঘটনার সঙ্গে বেলুচিস্তানের বিদ্রোহীদের যোগ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হিন্দুন্তান টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে।

লেফটেনেন্ট জেনারেল সরফরাজ আলি ছাড়াও নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ব্রিগেডিয়ার হানিফ, মেজর সইফ, মেজর তালহা, নায়েক মুদাসসের। জানা গিয়েছে, সোমবার বেলুচিস্তানের লাসাবেলা থেকে রওনা হওয়ার পরই কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সংযোগ হারায় এই হেলিকপ্টার। বেলুচিস্তানের দক্ষিণ পশ্চিম এলাকায় ওই ভেঙে পড়া হেলিকপ্টারের খোঁজে জোরদার তল্লাশি পর্ব শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পাকিস্তানের ওই পার্বত্য অঞ্চল বেশ দুর্গম। কাজেই ওই এলাকায় হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে বের করতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে প্রশাসনকে। এমনকি ওই হেলিকপ্টারে কেউ আহত অবস্থায় বেঁচে রয়েছেন কি নাও জানে না প্রশাসন।

বলা হচ্ছে, এইভাবে সেনা হেলিকপ্টার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা পাকিস্তানের নিরাপত্তার জন্য বেশ ভয়ঙ্কর। সূত্রের দাবি, বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মিকে ঘটনার জন্য সন্দেহ করা হলেও এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় তাদের কোনও বক্তব্য জানায়নি।

উল্লেখ্য, ঘটনার পর থেকে প্রাক্তন পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সহ অনেকেই নিজের শোকবার্তা জানিয়েছেন।

 

রাজনীতির কৌশল

ই ভি এম পদ্ধতি বাতিল এবং তত্ববধায়ক সরকারের দাবীতে বাংলাদেশের রাজনীতি এখন সরগরম। বি এন পি ভাবছে তারা সরকারকে আটকে ফেলেছে। দাবী না মানলে বিদেশীরা নির্বাচন নিরপেক্ষ হয়নি বলে অভিযোগ করবে। বিদেশীদের মূখে এই অভিযোগ শুনলেই দেশের বিরোধী দল আনন্দে আঁটখানা হয়ে উঠে। খুশী হয়ে নিত্য বৈঠক করে বিদেশীদের সাথে। কারন বি এন পি জানে জনগন তাদেরকে সমর্থন করেনা। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়াও বি এন পি’র লক্ষ্য নয়। দলটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রাখা। এমনটি হলে নেতারা মাঠে গলা বাজি করে আরও কিছুদিন রাজনীতিতে টিকে থাকতে পারবে।

বি এন পি এখন মুলত দুই ভাগে বিভক্ত। একটি তারেক পন্থি অন্যটি খালেদা পন্থি। তরুনরা তারেককেই নেতা মানে, স্বপ্ন দেখে ক্ষমতায় যাওয়ার। কিন্তু সিনিয়র নেতারা খালেদা নীতির অনুসারী। এই দ্বন্দে ঢাকা ছাড়া আর কোথাও দলের সংগঠন দাঁড় করাতে পারছেনা। নির্বাচনের ঘোষনা দিলেই শুরু হয়ে যাবে নমিনেশন বানিজ্য। এবং তারেক ৩০০ কোটি টাকা আদায়ের টার্গেট নিয়ে বসে আছে নমিনেশন বানিজ্যে। বেগম জিয়া রাজনীতিতে স্বক্রিয় হতে পারছেননা তারেকের নির্দেশই মানতে হবে নেতাদের। লন্ডনে বসে তারেক যেভাবে দল পরিচালনা করছে তাতে দল শুধু ক্ষতিগ্রস্থই হবেনা বিখন্ডিত হওয়ার সম্ভাবনাটিও উড়িয়ে দেওয়া যাবেনা। যে কারনে নেতারা বুঝে শুনেই আগাম ঘোষনা দিয়ে রেখেছে নির্বাচন বর্জনের। না হয় বি এন পি’ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে অফিস কেন্দ্রিক হয়ে পরবে।

বি এন পি দাবী তুলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলেছে ভাবছে। কিন্তু আওয়ামীলীগও তো পাকা খেলোয়ার। রাজনীতির কি কৌশল কখন খেলতে হয় তা আওয়ামী লীগের নেতারা জানে। তারা বি এন পি’কে খেলতে দিয়ে সময় ক্ষেপন করছে। নির্বাচনের বাকি এখনো দেড় বছর। এখনোই শেষ খেলাটি খেলবেনা আওয়ামী লীগ। রাজনীতিতে সময়টি খুব গুরত্বপুর্ন বিষয়। শেষ গুটিটি ছেড়ে দিলে বি এন পি সংগঠিত হয়ে যাবে। দাবী যখন উঠেছে একটা ফয়সালাত হতেই হবে। বি এন পি মুলত দুটি দাবী করেছে (এক) নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকার (দুই) ই ভি এম পদ্ধতি বাতিল। এছাড়াও জাতীয় সরকারের দাবী করেছে কিন্তু এখন দলটি দুই দাবীতেই অনঢ় রয়েছে। তত্ববধায়ক সরকারের দাবী গৃহিত হবে মনে হয়না, সংবিধান বদল করতে হবে। সংবিধান বদল করতে জাতীয় সংসদেই সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পাশ করাতে হবে। প্রাস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হলেও বি এন পি হেরে যাবে। কিন্তু ই ভি এম পদ্ধতি বাতলের দাবীটি সরকার যদি মেনে নেয় তাহলেই রাজনীতি বদলে যাবে। অনেক দল নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষনা দিবে। এমনিতেই বহু মানুষ রয়েছে যারা একবার হলেও নির্বাচিত হতে চায়! দল ত্যগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েও অনেকে নির্বাচন করবে। এদের মধ্যে বি এন পি দলীয় নেতা কর্মীরাও রয়েছে। বি এন পি তখন একা হয়ে পরবে। বি এন পি’কে সমর্থন করে এমন দলও নির্বাচনে আসবে। আওয়ামী লীগ সারা দেশেই সংগঠিত এখন। নেতা কর্মীরা দলের পক্ষে প্রচার প্রচারনায় নেমে পরবে নৌকার পক্ষে। কিন্তু বি এন পি বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকাতেই হিমশিম খাবে। আওয়ামী লীগ এমন এক সময় এই ঘোষনা দিবে যখন দল গোছানোর সময়টিও পাবে না বি এন পি। যারা দলের পক্ষে গলা ছেড়ে বক্তৃতা করছে তারাও নির্বাচনে নেমে পরবে অনেকে। জোটভুক্ত দলগুলি তখন বি এন পি’র সঙ্গে থাকবেনা। বি এন পি’র আসনে নির্বাচন করে জামাত বি এন পি’র ভোটে নির্বাচিত হতে চাইবে। দু’এক জন বিজয়ীও হয়ে যাবে ক্ষতিটি হবে শুধু বি এন পি’র।

রাজনীতিতে যেমন শেষ কথা বলে কিছু নেই, রাজনীতিতে স্থায়ী বন্ধুও নেই। সবাই ক্ষমতা লিপ্সু। অন্যের কপাল পুড়লেও মিত্রশক্তি নিজের স্বার্থকেই প্রতিষ্ঠিত করতে চাইবে। তাই খেলা আরও আছে! নির্বাচন ঘনিয়ে এলে কে কোন জোটে যোগ দিবে বলা যায়না। ক্ষুদ্র দলের ব্যক্তি ছাড়া ভোটও নেই কারও। এমন বাস্তবতায় যারা সরকার পতনের কথা ভাবছে তারা দাম্ভিক কৌশলি নয়।

আজিজুর রহমান প্রিন্স, কলামিস্ট ও আওয়ামীলীগ নেতা, টরন্টো, কানাডা।

 

সাড়া ফেলেছে গীতিকার মো. হাবিবুল্লাহ’র পদ্মা সেতুর গান

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের গর্বের প্রতীক পদ্মা বহুমুখি সেতু নিয়ে চমৎকার থিম সং লিখেছেন নেত্রকোণার গর্বিত সন্তান বিশিষ্ট গীতিকার মো. হাবিবুল্লাহ। তার গানের অপূর্ব বাণী, সুর ও গায়কী সংগীত প্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। তাঁর লেখা গান- অকূল পদ্মারে…তোমার বুকে জেগেছে এবার, স্বপ্নের সেতু চমক জোয়ার… গানটি ব‍্যাপক সাড়া ফেলেছে।

গত ২৫ জুন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতির বহুকাঙ্খিত স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। এ  সেতুর সফল বাস্তবায়ন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বহুদুর এগিয়ে নিয়ে যাবে এমনটাই সকলের বিশ্বাস।

পদ্মাসেতু উদ্বোধন ঘিরে বিভিন্ন মিডিয়ায় বহু গান পরিবেশিত হয়েছে। এত গানের ভীড়ে বিশিষ্ট গীতিকার মো. হাবিবুল্লাহ’র লেখা ও ফরিদ বঙ্গবাসীর সুরারোপের গানটি শ্রোতাদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে। অসাধারণ লেখা এ মৌলিক গানটি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচার হয়েছে। এ প্রজন্মের সেরা দু’জন শিল্পী শাহীন খান ও নীপা আকতার মীম এর কণ্ঠে পরিবেশিত এ গানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিটিভিওয়ার্ল্ড-এ প্রচার হয়েছে। গানটি একবার শুনেই তার মোহনীয় সুর সংগীত প্রেমীদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছে।

গান:

অকূল পদ্মারে…

তোমার বুকে জেগেছে এবার

স্বপ্নের সেতু চমক জোয়ার

সকল বাঁধাবিঘ্ন পেরিয়ে

ঘন কুয়াশার আঁধার কাটিয়ে

উন্মোচিত আজ আলোর দুয়ার

জয়তু শেখ হাসিনা’র সরকার ।।

তোমার ভয়াল স্রোতের টানে

ঝরে যেতো কত অকাল প্রাণ

ওপাড়ের মানুষের জনদাবীতে

জননেত্রীর সেরা অবদান

বিশ্বজানে তাঁর মানবপ্রীতি

অজর কর্মে তার জয়জয়কার

সফল হলো দৃঢ় অঙ্গীকার ।।

দুই তীরে হবে আনাগোনা

উন্নয়ন হবে গতিশীল

কোটি মানুষের খুলবে ভাগ্য

হবোনা আর পরনির্ভরশীল

নিজের ভাগ্য নিজেরাই গড়বো

নিপাত হবে অপহুংকার

চলেছে দেশ গতি দুর্বার ।।

শিল্পী: শাহীন খান ও নীপা আকতার মীম

গীতিকার: মো. হাবিবুল্লাহ

সুর ও সঙ্গীত: ফরিদ বঙ্গবাসী

Theme Song of glorious Dreams Padma Bridge-By Md. Habibullah

“You Akul Padma …

This time your chest is woke up

The bridge of dreams is the tide of surprises

Overcoming all obstacles

Overcoming the darkness of dense fog

The door of light opened today

Jayatu Sheikh Hasina’s government.

Pulls your terrible current

How premature would have died

In the people’s demand of Southern

Jananatri’s initiative is the best contribution

Her humanity knows the world

His triumph in invaluable deeds

Success is a determine commitment.

People on both sides will crossing

Development will be dynamic

The fate of millions of people will open

We will not other dependent

we will make our own destiny

Destruction will be all evil slander

The pace of the like developing country is going on.”

Translated by lyricist Md Habibullah

Vocal: Shahin Khan & Nipa Akter Mim

Tune & Composition: Farid Bangabasi.

সফল গীতিকার মো. হাবিবুল্লাহ অতি সহজ কথামালায় মিস্টি সুরে গানটিতে পদ্মা সেতু তৈরিতে গৌরব ও মর্যাদাকে তুলে ধরে এর অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবদানের চিত্র সুকৌশলে ফুটিয়ে তুলেছেন।

পদ্মা সেতু নিয়ে মোঃ হাবিবুল্লার গানের লিঙ্ক:  <<<অকূল পদ্মারে…তোমার বুকে জেগেছে এবার>>>                      

গানটির সৃষ্টি সম্পর্কে গীতিকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন: ‘আমি সাধারণত বিনোদনধর্মী আধুনিক গান বেশী লিখি, এ পর্যন্ত আমার শতাধিক গান মিডিয়াতে প্রচার হয়েছে। এছাড়া প্রতিবছর শহিদ শেখ রাসেলের জন্মদিন ঘিরে গান ও মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষ্যে কয়েকটি থিম সং পরিবেশনা হয়েছে। মনের তাগিদেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধার জায়গা থেকে গান লিখে যাচ্ছি। পদ্মা সেতু নিয়ে কিছু গান লিখার পরিকল্পনা ছিল। মনে হলো জাতীয় এ বিশাল স্বপ্ন অর্জনের দিনে সাংস্কৃতিক কোন কাজে আমার একটি অবদান থাকবে না, এটি মনে হলে আফসোস থেকে যাবে। তাই তাড়াহুড়া করে পদ্মা সেতু নিয়ে এই গানটি লিখে ফেলি। পদ্মা সেতু ঘিরে কত সুন্দর সুন্দর গান প্রচার হয়েছে। তার মাঝে আমার লেখা গানটিও এতো জনপ্রিয় হয়ে যাবে তা আমার ধারণা বাইরে ছিলো। গীতিকার হিসেবে গান রচনা করি শ্রোতাদের নির্মল আনন্দ বিনোদনের কথা ভেবে ও একটি সুশৃঙ্খল, শুদ্ধ সমাজ, গর্বিত জাতি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠার জন্য গানের মাধ্যমে মানুষের বিবেকের কাছে বার্তা পৌঁছে দেয়া আমার উদ্দেশ্য। গীতিকার পেশাটা সম্পূর্ণভাবে স্বেচ্ছাসেবী অলাভজনক। সামাজিক সম্মান ছাড়া আর কিছুই নয়। একটি গান বা কবিতা জনপ্রিয় হয়, মানুষের মুখে মুখে যখন গানটি উচ্চারিত হয় তখন হৃদয়ে একটি অন্যরকম আনন্দ অনুভুতির সৃষ্টি হয় যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। একটি গান গীতিকারের মেধা সম্পদ। সেটি তার কাছে সন্তানের মত মনে হয়। একটি সুন্দর পৃথিবী গড়তে ভাল কিছু গান লিখে যেতে চাই আগামী প্রজন্মের জন্য। এজন্য সকলের কাছে দোয়া প্রত্যাশা করছি।

রাণীশংকৈলে দিন দুপুরে ফাঁকা বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে আটক-১

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভোলাপাড়া গ্রামের শাহাজামাল মাস্টারের বাড়িতে সোমবার (১আগষ্ট) দিন দুপুরে চুরি করতে গিয়ে প্রতিবেশীর হাতে আনোয়ার হোসেন (১৮) নামে এক চোর আটক হয়েছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আনোয়ারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আটককৃত আনোয়ার পার্শ্ববর্তী হরিপুর উপজেলার কামারপুকুর গ্রামের নওশাদ আলীর ছেলে।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভোলাপাড়া গ্রামের শাহাজামাল মাস্টারের বাড়িতে সোমবার (১আগষ্ট) দিন দুপুরে চুরি করতে গিয়ে প্রতিবেশীর

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ভোলাপাড়া গ্রামের শাহাজামাল আলী ও তার স্ত্রী বিউটি আকতার দু’জনেই প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক। ঘটনার দিন তাঁরা বাসায় তালা দিয়ে নিজ নিজ স্কুলে যান। ওই দিন দুপুর আনুমানিক ১২ টার দিকে আনোয়ার ও তার এক সহযোগি শাহাজামালের বাড়িতে গিয়ে তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢোকার সময় তাঁর প্রতিবেশী ভাই মুক্তারুল শব্দ শুনতে পান।

মুক্তারুল বের হয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আনোয়ারকে হাতে নাতে ধরে ফেলেন। এ সময় চোর আনোয়ারের সহযোগী মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যায়।

পুলিশের এস আই মিজান বলেন, আটককৃত আনোয়ারকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং চুরি করতে যাওয়ার কথা সে স্বীকার করেছে।

রাণীশংকৈল থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন আটককৃত চোর আনোয়ারকে মামলা দিয়ে চালান করা হয়েছে।

শত কোটি টাকার ব্রিজে যাতায়াতের একমাত্র সম্বল মই!

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কুলাউড়া, পৃথিমপাশা, হাজীপুর, শরীফপুর সড়কে মনু নদের ওপর ‘রাজাপুর সেতু’ নামক নির্মাণ কাজ বছর খানেক আগে শেষ হয়েছে। কিন্তু সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়কের কাজ এখনো শুরু হয়নি। এ কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এ অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষ। এ অবস্থায় সেতুর দুই পাশে বাঁশের মই স্থাপন করে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

সওজ অধিদপ্তর ও এলাকাবাসীর সূত্রের বরাতে জানা গেছে, উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রাজাপুর এলাকায় মনু নদের পারে একটি খেয়াঘাট ছিল। নদের বিপরীত পাশে হাজীপুর ও শরীফপুর ইউনিয়ন পড়েছে। এসব এলাকার লোকজন রাজাপুরের খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন নৌকায় করে নদ পার হয়ে পৃথিমপাশাসহ উপজেলা সদরে বিভিন্ন কাজে আসা-যাওয়া করত। এতে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছিল তারা। এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে রাজাপুর সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন হলে সওজ অধিদপ্তর মনু নদের ওপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। প্রকল্পের সর্বমোট ব্যয় ধরা হয় ৯৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নবনির্মিত সেতুটি বেশ উঁচু। এটির পূর্ব পাশে ৪০-৪৫ ফুট এবং পশ্চিম পাশে ৩০-৩৫ ফুট উঁচু মই লাগানো। মইয়ের দুই পাশে বাঁশ দিয়ে রেলিং দেওয়া হয়েছে। লোকজন মই বেয়ে সেতুতে ওঠানামা করছে। দুই পাশের মই নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কার চিন্তা করছেন স্থানীয়রা।

সওজ অধিদপ্তরের কুলাউড়া সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ সরকার বলেন, ‘রাজাপুর সেতুর সংযোগ সড়কে ২০টি কালভার্টের মধ্যে আটটির নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। জমি অধিগ্রহণে দীর্ঘসূত্রতায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের (মৌলভীবাজার) নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ৫০ শতাংশ প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয় থেকে এরই মধ্যে অনুমোদন হয়েছে। এটির প্রাক্কলন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রস্তুত হচ্ছে। সেখান থেকে চূড়ান্ত হওয়ার পর খুব শীঘ্রই অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে। বাকি ৫০ শতাংশের অনুমোদনের জন্য এই আগষ্ট মাসে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।’

জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, ‘সওজ অধিদপ্তর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবনা পাঠাতে সময়ক্ষেপণ করেছে, এর কারণে জমি অধিগ্রহণ কাজ শুরু করতে একটু বিলম্ব হচ্ছে। এখন বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। দ্রুত সাধারণ মানুষের এ সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করি।

নেত্রকোণায় ফ্রিজের দোকানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জরিমানা

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা শহরের ছোট বাজার এলাকায় মনি ইলেকট্রনিকস নামের ফ্রিজের দোকানে বেশী মূল্য নির্ধারন করে ২০% ডিসকাউন্ট দেখিয়ে ফ্রিজ বিক্রি করায় ত্রিশ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ শাহ আলম।

১ আগষ্ট মনি ইলেকট্রনিকস দোকানে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নেত্রকোণা সদর উপজেলার ছোট বাজারে এলাকায় ফ্রিজের দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

পরে সরেজমিনে গিয়ে দেখেন মনি ইলেকট্রনিকস KRT 315GB কনকা ফ্রিজের ৩৯৭৬০ টাকার মূল্য অবৈধভাবে বৃদ্ধি করে ৪৯৭০০ টাকা নির্ধারিত করে ২০% ছাড় দেখিয়ে ফ্রিজ বিক্রি করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী মিথ্যা বিজ্ঞাপন দ্বারা প্রতারণা করায় অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে ৩০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং সতর্ক করা হয়।

মৌলভীবাজারে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: ভোলায় রবিবার বিএনপির মিছিলে উপর পুলিশের গুলিতে আব্দুর রহিম মাতবর নামে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা নিহত এবং শতাধিক নেতাকর্মী আহত হওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মৌলভীবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল।

গতকাল সোমবার বিকেলে শহরে অতিরিক্ত পুলিশের উপস্থিতি থাকার পরও এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। শহরের শাহ মোস্তফা রোডস্থ সাবেক মহিলা এমপি খালেদা রাব্বানীর বাসার সামন থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। মৌলভীবাজার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জি এম মুক্তাদির রাজু ও সিলেট বিভাগীয় কমিটির সহ-সভাপতি স্বাগত কিশোর রায় চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ মিছিলের অগ্রভাগে মৌলভীবাজার সদর উপজেলা যুবদলের সভাপতি হাফেজ মাহফুজ আহমেদসহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও  বিএনপির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মিছিলে অংশ নেন। এসময় পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান মিছিলের গতিপথ অনুসরণ করে।

উল্লেখ্য, রবিবার বিদ্যুতের অব্যাহত লোডশেডিং এবং জ্বালানি খাতে নানা অব্যবস্থার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ চলাকালে ভোলায় পুলিশের সাথে বিএনপির সংঘর্ষ হয়। ওই সময় পুলিশের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের আব্দুর রহিম মাতবর নিহত এবং আরও শতাধিক আহত হন।

বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবকদল এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার গায়েবানা জানাজা বিক্ষোভ মিছিল সহ ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে। কর্মসূচি চলাকালে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সোমবার সকাল থেকেই জেলা সদরসহ জেলাজুড়ে পুলিশ বাড়তি সতর্কতা নেয়। শহর ও জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ  মোতায়েন করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯ টার আগেই মৌলভীবাজার শহরের চৌমুহনী পয়েন্ট, কুসুমবাগ মোড়, প্রেসক্লাব মোড়,শাহ মোস্তফা রোড, পশ্চিম বাজার এলাকা, কলেজ পয়েন্ট মিছিল সমাবেশ হতে পারে এমন সকল স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ আগস্ট পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার (১ আগস্ট) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মামুন ভুইয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুবুর রহমান বাবলু, মাহাবুবুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা বদরুদ্দোজা বদর, প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, পৌর কাউন্সিলর দ্রৌপদী দেবী আগারওয়ালা, জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সৈয়দ জাকির হোসেন ইমন প্রমুখ।

সভায় উল্লেখিত দিবসগুলি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের বিষয়ে সকল প্রকার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।