নওগাঁ জেলায় বিআরটিএ বিগত এক বছরে রাজস্ব আয় করেছে ৭ কোটি টাকারও বেশী

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) নওগাঁ পরিবহনের বিভিন্ন খাত থেকে গত ১ বছরে মোট ৭ কোটি ৬ হাজার ৩শ ৩০ টাকা রাজস্ব আয় করেছে। বিআরটিএ নওগাঁ’র সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) মোঃ হারুন-অর-রশিদ জানিয়েছেন গত ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২২সালের ১ জুলাই পর্যন্ত এই এক বছরে উল্লেখিত পরিমাণ রাজস্ব আয় করা সম্ভব হয়েছে।

সূত্রমতে, উল্লেখিত সময়ে বিভিন্ন খাতে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ হচ্ছে ৯ হাজার ২৮টি রেজিষ্ট্রেশন থেকে ৪ কোটি ২৯ লক্ষ ৫ হাজার ৪শ ৯৪ টাকা। ৬টি ডুপ্লিকেট রেজিষ্ট্রেশন সরবরাহ করে ২ হাজ্ধাসঢ়;র ৭০ টাকা। ৫৮টি মালিকানা পরিবর্তন সম্পন্ন করে রাজস্ব আয় হয়েছে ১ লাক্ষ ৯৪ হাজার ৪৩ টাকা। ৭টি ভেহিকেল এনড্রোসমেন্ট রাজস্ব আয় হয়েছে ৬ হাজার ৪১ টাকা। ৩টি হায়ার পারচেজ এনড্রোসমেন্ট থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ৫ হাজার ১শ ৭৫ টাকা। ২০টি ফিটনেস সনদপত্র ইস্যু করা হয়েছে যা থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ২৩ হাজার ৮শ ১২ টাকা। ১ হাজার ৬শ ৭৩টি ফিটনেস নবায়ন করা হয়েছে। এখান থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ২৭ লক্ষ ৭৫ হাজার ৮শ ৫৩ ট্ধাসঢ়;কা। ডুপ্লিকেট ফিটনেস সনদ প্রদান করা হয়েছে ৪২১টি। এই খাত থেকে সরকারী রাজস্ব আয় হয়েছে ৮৩ হাজার ৬ টাকা।

এ সময় জেলায় নতুন রুট পারমিট প্রদান করা হয়েছে ৫টি। এই খাত থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ২৯ হাজার ৯শ ৩০ টাকা। এ সময় ৭৫টি রুট পারমিট নবায়ন করা হয়েছে যা থেকে মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ৩ লক্ষ ৭২ হাজার ১শ ২৩ টাকা। উল্লেখিত সময়ে ১টি রুট পারমিটের নকল সরবরাহ করা হয়েছে যা থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ৩৩৪ টাকা। উল্লেখিত সময়ে ৮ হাজার ২শ ২৬টি ট্যাক্স টোকেন সরবরাহ করা হয়েছে। এই খাতে রাজস্ব আয় হয়েছে ১ কোটি ৮৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৪শ ৮২ টাকা। লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে ১২ হাজার ৫শ ৭০টি। এই খাতে রাজস্ব আয় হয়েছে ৪৪ লক্ষ ৭২ হাজার ১৬ টাকা। এবং বিবিধ খাতে ১৬১টি কাজের বিপরীতে মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৯শ ৫২ টাকা।

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি নওগাঁ’র সহকারী পরিচালক মোঃ হারুন-অর-রশিদ আরও বলেছেন নওগাঁয় প্রাইভেট পরিবহন সেক্টর খুবই সম্ভাবনাময়। এ ছাড়াও এ জেলায় প্রচুর সংখ্যক মানুষ মোটরসাইকেল ব্যবচহার করেন। প্রতিদিন এই মোটসাইকেল ব্যবহারের সংখ্যা বাড়ছে। পরিবহন আইন মেনে চলা এবং সরকারী সকল শর্ত পুরন করে এসব পরিবহন ব্যবহার করতে নওগাঁ’র মানুষের মধ্যে খুবই আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়।

ফুলবাড়ীতে অটোচালক আব্দুর রাজ্জাকের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে অটোরিক্সা চালক আব্দুর রাজ্জাকের  হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে  ফুলবাড়ী অটোরিকশা মালিক-চালক সমিতি এবং পরিবার ও স্থানীয় লোকজন। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার খড়িবাড়ী বাজারে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা অটোচালক আব্দুর রাজ্জাকে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাইকারীদের ফাঁসবর দাবী জানান।

উল্লেখ, গত ৬ জুলাই রাত ৮টার দিকে উপজেলার খড়িবাড়ী বাজার হতে নাগেশ্বরী যাওয়ার কথা বলে নিহত আব্দুর রাজ্জাকের অটো রিকসা ভাড়া করে কযেকজন যুবক। পথিমধ্যে তারা রাজ্জাককে হত্যা করে লাশ পাট ক্ষেতে লুকিয়ে রেখে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।  পরে ৭ জুলাই সন্ধা ৭টার দিকে উপজেলার রাবাইতারী গ্রামের আব্দুর সামাদ বিএসসি মাষ্টারের বাড়ির সামনে আক্কাছ আলীর পাট ক্ষেত থেকে অটো চালক আব্দুর রাজ্জাকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী ছামিনা বেগম বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ফুলবাড়ী থানা পুলিশ গত ১২ জুলাই ঘটনার সাথে জুড়িত মো: মমিনুল ইসলাম মিজান (২৪) ও তার প্রতিবেশি বন্ধু আব্দুর রশিদ রোকন (২৩) নামে দুইজনকে গ্রেফতার করে এবং তাদের দেয়া তথ্যমতে নাগেশ্বরী উপজেলার ফকিরপাড়ার হামিদুলের বাড়ী থেকে অটো রিকসাটি উদ্ধার করে।

নিহত অটো চালক আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের নওদাবস গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।

নওগাঁয় নিখোঁজের ৯ দিন অতিবাহিত হলেও মাদরাসা ছাত্র রোহানের কোন সন্ধান মিলেনি

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় নিখোঁজ হওয়ার ৯ দিন অতিবাহিত হলেও এক মাদ্রাসা ছাত্রের সন্ধান মিলেনি। ঐ শিক্ষার্থীর বাবা মাসহ পরিবারের লোকজন আতঙ্কগ্রস্থ দিনযাপন করছেন। এ ব্যপারে নওগাঁ সদর থানায় একটি মিসিং ডাইরী লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। নওগাঁ সদর থানার মিসিং ডাইরী নম্বর ১২৭১ তারিখ ২৪-০৭-২০২২ইং।

দাখিলকৃত ডাইরীসূত্রে জানা গেছে, নওগাঁ সদর উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নধীন চাকগোয়ালী গ্রামেরআব্দুর হমানের পুত্র মোহাম্মদ রোহান (১৭) গত ৪ বছর ধরে নওগাঁ জেলাৈপ শহরে আব্দুল জলিল পার্কের উত্তরপার্শ্বে অবস্থিত হামিউস সুন্নাহ কারিমিয়া আনওয়ারুল উলুম মাদরাসা কমপ্লেক্সে হেফজ বিভাগের একটি শাখায় পড়াশুনা করছে।

মাদরাসাসূত্রে জানা গেছে গত ২২ জুলাই’২০২২ শুক্রবার বিকেলে ছুটির দরথাস্ত দিয়ে বাড়িতে যাবে বলে মাদরাসা থেকে বেড়িয়ে যায়। কিন্তু সে বাড়িতে যায়না। এমনকি মাদরাসাতাওে ফিরে আসেনি। পারিবারিকভাবে আত্মীয় স্বজনদের বাড়িসহ সম্ভব্য সবগুলোস্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়। কিন্তু কোথাও পাওয়া যায়না।

মাদরাসা কর্ত্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ করে গত ২৪ তারিখে নওগাঁ সদর থানায় রোহানের পিতা আব্দুল রহমান বাদী হয়ে একটি সাধারন ডাইরী করেন। উক্ত আবেদনের ট্র্যাকিং নম্বর এনএলএক্সকে ৮৬।

এদিকে রোহানের নিখোঁজের প্রায় ৯ দিন অতিবাহিত হলেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে বাবা মা ও পরিবারের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। রোহানের ভাগ্যে কি ঘটেছে এ নিয়েও শঙ্কিত পরিবারের লোকজন।

বাঞ্ছারামপুরে হজরত শাহ রাহাত আলীর (রহ.) ৭৭তম বাৎসরিক ওরস মোবারক শুরু

মো.নাছির উদ্দিন, বাঞ্ছারামপুর: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর  উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি মাজার প্রাঙ্গণে শুক্রবার সকাল ১১ঘটিকার সময় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে ৭৭ তম বাৎসরিক ওরস মোবারক উদ্ভোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার একি মিত্র চাকমা, ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম তুষার, বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফুল মিয়া, রাহাত আলী কলেজের প্রফেসার সমির মজুমদার, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শফিকুর রহমান, করিম মাষ্টার ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পরান আহমেদ, যুবলীগ নেতা জালাল, জয়নাল, বাবুল মিয়া, সাংবাদিক মো.নাছির উদ্দিন, আশিকুর রহমান, মো.বাহারুল ইসলাম, মাজার কমিটি ও ওরস পরিচালনা কমিটি এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এই মহান সাধক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যনগর গ্রামে ১৮৬৪ কিংবা ১৮৬৫ খৃস্টাব্দের কোনো এক সময় জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্ম সাল নির্দিষ্ট করে জানা যায় না। ওফাতের সময় তার বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৮০ বা ৮২ বছর। সে হিসেব তার জন্ম সাল ধারণা করা হয়।

রাহাত আলী শাহ’র পিতার নাম আইনুদ্দিন মোল্লা,মাতা আয়না বিবি,দাদা মোহাম্মদ হানিফ বেপারী। রাহাত আলী শাহের আসল নাম ছিল (মাদ্রাসা রেকর্ড অনুযায়ী) আবদুল আলীম। রাহাত আলী তার ডাক নাম।

দু’ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। বড় ভাই রহমত আলী। পারিবারিক সিদ্ধান্তে তাকে শিশুকালে গ্রামের মসজিদ ভিত্তিক স্থানীয় মক্তবে ভর্তি করিয়ে দেয়া হয়। অল্পদিনের মধ্যেই শুধু মক্তবের পড়াই নয় পবিত্র কোরানও মুখস্থ করতে শুরু করেন রাহাত আলী।

মক্তবে পড়া শেষ হলে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার নাসিরনগর মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেয়া হয়। তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন বলে জানা যায়।

এই মহান সাধকের দেশ-বিদেশে অগনতি ভক্ত-অনুসারী থাকলেও তার সম্পর্কে বিশেষ কিছুই জানা যায় না। তবে তাকে ঘিরে নানা কাহিনী ও কারামতের কথা প্রচলিত আছে।

কথিত আছে, এ সময় তিনি অলৌকিকভাবে হজরত খাজা খিজির (আ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তার কাছ থেকে মারফতের উচ্চতর শিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তীতে অলৌকিকভাবে বড়পীর আবদুল কাদির জিলানী, খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি, মুজাদ্দেদ আলফেসানী ও বাহাউদ্দিন নফসবন্দীর দিদার লাভ করে ফায়েজ প্রাপ্ত হন।

বলা হয়ে থাকে, শাহানশাহ রাহাত আলী শাহ মূলত ছিলেন বাকাবিন্নাহর অনুসারী। তার আধ্যাত্মিকতায় চার তরিকা একাকার হয়ে সৃষ্টি হয়েছিল তরিকায়ে রাহাতিয়া। তার সাধনার ধারা ছিল আমিত্বকে বিলীন করে পরমসত্তার সাথে একাত্ম হওয়া। লীন হওয়ার পরমের সাথে এটাই মূলমন্ত্র।

জাগতিক কোনো কিছুর প্রতি তার মোহ ছিল না। তিনি সদাই থাকতেন আপন খেয়ালে। মজনুন থাকতেন আপন সাধনায়। কারো কিছুর প্রতিই তার আগ্রহ ছিল না। এমনকি ভক্ত-অনুসারীদের দেয়া জিনিস পত্র ও তিনি ছুঁয়ে দেখতেন না।

সাধনায় যখন তিনি লীন হয়ে যেতেন অর্থাৎ মজনুন থাকতেন তখন দুনিয়াবি কোনো বিষয়ের প্রতিই তার খেয়াল থাকতো না। এমনকি পোষাক আশাকেরও তেমন কোন বালাই থাকতো না। মাঘ মাসের প্রচণ্ড শীতেও গায়ে কাপড় রাখতেন না।

পোশাকের মতো খাওয়া দাওয়ার প্রতিও তার কোন আগ্রহ ছিল না। জানা যায়, তিনি তেমন কিছুই খেতেন না। নামে মাত্র আহার গ্রহণ করতেন কখনো সখনো। নিজ ইচ্ছায় চেয়ে কোনো খাবার নিতেন না। ভক্তরা পীড়াপীরি করলে সামান্য আহার নিতেন তাদের মন রাখতে।

কামনা-বাসনার ঊর্ধ্বের এই সাধক ছিলেন চিরকুমার এক মহান মজনু পুরুষ। শৈশব থেকেই তার মধ্যে অলৌকিকতার প্রকাশ পেতে শুরু করে। যা পরবর্তিতে ছড়িয়ে পরলে তার কাছে মানুষ ভিড় করতে শুরু করে। ভক্ত আশেকানের মিলন মেলায় পরিণত হয় তাকে ঘিরে।

এ মহান সাধক ২ আগস্ট ১৯৪৫ খৃস্টাব্দ (১৮ শ্রাবণ ১৩৫২ বঙ্গাব্দ) রোজ শুক্রবার দেহলোক ত্যাগ করেন। তিনি যে স্থানে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তার কাছেই মাছিনগরে তাকে সমাহিত করা হয়। সেই সমাধি ঘিরেই গড়ে উঠে মাজার। আর মাজারকে কেন্দ্র করে ভক্ত-আশেকানের মিলন মেলা।

শাহেনশাহ রাহাত আলী শাহর মাজারকে গিয়েই গড়ে উঠে তার জ্ঞান ও আধ্যাত্ম চর্চার প্রাণকেন্দ্র। প্রতি বছর ১৩ থেকে ১৯ শ্রাবণ লাখ লাখ ভক্ত ও আশেকানের উপস্থিতিতে ওরস উদযাপিত হয়।

ফুলবাড়ীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের সাথে অসৌজন্য মুলক আচরণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে সদ্য গেজেটভুক্ত বীরমুক্তিযোদ্ধাগণের উদ্যোগে সাবেক সচিব বীরপ্রতীক মরহুম বদরুজ্জান মিয়াসহ মুক্তিযোদ্ধাগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, কুটুক্তি করা এবং অসৌজন্য মুলক আচরনের প্রতিবাদে   মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত উপজেলা সদরের তিনকোনা মোড়ে ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বীরমুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার সলিমুল্যাহ’র সঞ্চলনায় ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা গোলাম রব্বানী সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল হুদা দুলাল, বীরমুক্তিযোদ্ধা আজিজার রহমান মাস্টার, বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহাজান আলী, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান  আহাম্মদ আলী পোদ্দার রতন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফুলবাড়ী সদর ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ,শিমুলবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান শরিফুল আলম মিয়া সোহেল,  উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক মিলন, ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক মিলন বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন,জামুকা কর্তৃক ‘ক’ তালিকার যাচাই-বাছাই শেষে আজকে যাদের বীরমুক্তিযোদ্ধা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে এক শ্রেণীর স্বাধীনতা বিরোধী কথিত মুক্তিযোদ্ধা নানা ধরনের কটুক্তি ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। এসকল নামধারী মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ কেউ জামায়তে ইসলামীর রাজনীতির সাথেও জড়িত। অনেকের সন্তান স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী। আর আমরা যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছিলাম পৌরাণিক ভাবে আওয়ামীলীগের সঙ্গে রয়েছি তাদের বেলার তাদের আপত্তি।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সাবেক সচিব বীরপ্রতীক মরহুম বদরুজ্জান মিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক খেতাব প্রাপ্ত। এই নাম সর্বস্বরা বীরপ্রতীক মরহুম বদরুজ্জান মিয়া সম্পর্কেও আপত্তিকর সমালোচনা করেন। বক্তারা তদন্ত সাপেক্ষে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান। পরে বিক্ষোভ মিছিল সহযোগে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর বরাবরে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।

সত্য মিথ্যা

সত্য প্রকাশে বিড়ম্বনা আছে কিন্তু শত বাঁধা অতিক্রম করে হলেও বিজয়ী হয় সত্যটি তা যত দেরীতেই হউক। সে কারনেই মিথ্যা নির্ভর রাজনীতি বিপদজনক। রাজনীতির মিথ্যা প্রকাশ পেলে দল জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পরে। তেমনটাই ঘটেছে বি এন পি’র এখন। দলটির জন্ম হয়েছিল সামরিক সদরে। সামরিক শাসন জারি করে জনগনের মূখ স্তব্ধ করে রেখেছিল। ক্ষমতার লোভ দেখিয়ে দলছুট নেতা দিয়ে দল গঠন করেছিল বি এন পি। দল বানিয়ে শুরু করেছে ইতিহাস বদল আর জিয়া বন্দনা। বঙ্গবন্ধুর বিকল্প বানিয়ে জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বানিয়ে দিয়েছে। জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের প্রয়াস চালিয়েছে। ক্ষমতা স্থায়ী করতে নির্বিচারে মূক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে আর প্রতিষ্ঠিত করেছে স্বাধীনতার শত্রু জামাতকে। গোলাম আযমের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দিয়ে মৌলবাদকে উস্কে দিয়েছে। রাজনীতির প্রতিপক্ষ বানিয়ে দিয়েছে স্বাধীনতা বিরোধী জামাতকে।

বেগম জিয়াও সেই ধারা অব্যাহত রেখে ধোঁকাবাজী করেছে জনতার সাথে। মিথ্যা জন্মদিন থেকে শুরু করে প্রতিটি স্তরে মিথ্যাচার করেছে। এতিমের অর্থ আত্নসাত করতেও কুন্ঠা বোধ করেনি। পদ্মা সেতুর নির্মান বন্ধ করতে বিদেশী দালাল নিয়োগ দিয়েছে বলেছে আওয়ামী লীগ সরকার এই সেতু নির্মান করতে পারবে না। জোড়াতালি দিয়ে সেতু নির্মান করলেও রিস্ক আছে। বেগম জিয়ার এই বক্তব্য শুনে দলের কর্মী সমর্থকরা নৃত্য করে উল্লাস করেছে। দুর্নীতির কথা বলে বিশ্বব্যংকের কাছ থেকে পাওয়া ঋনের টাকা ফেরৎ পাঠিয়ে উল্লাস করেছে আবারও। এখন দাবী করে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছে খালেদা জিয়া। চীনের কাছ থেকে বেশী সূদে অর্থ এনে পদ্মা সেতু নির্মান করে অর্থ লুট করেছে সরকার। সেতু নির্মানের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে দলের মহাসচিব। দেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে গেছে বলে মিথ্যাচার করছে নেতারা। দেশে কোন উন্নয়ন হয়নি বলে বক্তৃতা করছে প্রতিদিন।এখন নির্বাচনের নিরপেক্ষতা দাবী করছে দলটি। সেই দাবীতেও সত্যতা নেই। কখনো বলছে তত্বাবধায়ক সরকার চাই আবার কখনো বলছে জাতীয় সরকার। জনগনকে ধোঁকা দিতে সরকার পতনের হুঙ্কার দিয়ে নিজেরাই নিস্প্রাভ হয়ে পরে। কারন তাদের বক্তব্যে সত্যতা নেই। অসত্য বক্তব্যের কারনে জনগনের সমর্থন হারিয়েছে দলটি। দলটির কর্মকান্ডের কিছু কেবল উল্লেখ করা হয়েছে। এখন জনগনই বিচার করবে বি এন পি’র কোন দাবীটি সত্য। রাজনৈতিক দলের অসত্য বক্তব্য বিপদ ডেকে আনে। ক্ষতিগ্রস্থ্য হয় দেশ এবং দল।সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ্য হয় রাজনীতিটি।

আজিজুর রহমান প্রিন্স, কলামিস্ট ও আওয়ামীলীগ নেতা, টরন্টো, কানাডা।

 

স্বামীকে খুন করায় একদিনে ৩ নারীর ফাঁসি ইরানে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ স্বামীকে হত্যার দায়ে ইরানে একদিনে ৩ নারীর ফাঁস কার্যকর করা হয়েছে। গত বুধবার (২৭ জুলাই) পৃথক কারাগারে তিন নারীর ফাঁসি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নরওয়েভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর)। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই তথ্য প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনের মাধ্যমে আইএইচআর জানায়, ২৭ জুলাই ইরানে স্বামী হত্যার দায়ে ৩ নারীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। তারা তিনজনই তাদের স্বামীদের হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ছিলেন বলে জানা যায়। ফাঁসি দেওয়ার ওই তিন নারীর মধ্যে একজন সোহেলা আবাদি। মাত্র ১৫ বছর বয়সে তার বিয়ে হয়। বিয়ের ১০ বছর পর স্বামীকে হত্যা করেন সোহেলা। বাকি দুই নারীকেও স্বামী হত্যার দায়ে ফাঁসি দেওয়া হয়।

সংস্থাটির কর্মীরা বলছেন, এ বছরে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো। অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ে অথবা অত্যাচারের শিকার হওয়ার কারণে নারীরা তাদের স্বামীদের হত্যা করছেন। ইরানের প্রচলিত আইনগুলো নারীবিদ্বেষী হওয়ায় তারা তালাক নিতে পারেন না। এমনকি পারিবারিক সহিংসতা এবং নির্যাতনের ক্ষেত্রেও তাদের চুপ থাকতে হয়। ফলে বাড়ছে হত্যার মতো ঘটনা।

উল্লেখ্য, ২০১০ থেকে ২০২১ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত কমপক্ষে ১৬৪ নারীকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আইএইচআরের হিসেবে এ বছরই ইরানে কমপক্ষে ৩০৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

নীলফামারীতে লোকালয়ে আসা হনুমানটিকে উদ্ধার করেছে বনবিভাগ

মোঃ মোশফিকুর ইসলাম, নীলফামারী: দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নীলফামারী জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করা হনুমানটি উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকালে নীলফামারী বড় বাজারের একটি মোবাইল টাওয়ার থেকে এটিকে উদ্ধার করেন রংপুর ও স্থানীয় বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

হনুমানটিকে উদ্ধারের বিষয়টি  নিশ্চিত করেন নীলফামারী জেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা মোনায়েম খান।

তিনি বলেন, আজ সকালে রংপুর বন বিভাগ ও নীলফামারী বন বিভাগের কর্মকর্তারা যৌথ অভিযান চালিয়ে হনুমানটিকে উদ্ধার করি। হনুমানটি টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে এই এলাকায় এসেছে। আমরা কিছুদিন ধরে হনুমানটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে আজকে উদ্ধার করেছি।

রংপুর বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা স্মৃতি সিংহ রায়  বলেন, নীলফামারী বন বিভাগের সহায়তায় রংপুর থেকে একটি টিম গিয়ে চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে নীলফামারী শহরের বড়বাজার এলাকার একটি মোবাইল টাওয়ার থেকে হনুমানটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। হনুমানটিকে দেখে মনে হচ্ছে কিছুটা অসুস্থ। রংপুর চিড়িয়াখানায় এটিকে রেখে সুস্থ করে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী রংপুর চিড়িয়াখানায় অথবা টাঙ্গাইলের মধুপুর বনে অবমুক্ত করা হবে।

নীলফামারী সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নুরুল করিম  বলেন, সেদিন কলেজের দেয়ালের ওপর বসে থাকতে দেখি হনুমানটিকে। ধন্যবাদ বন বিভাগকে এটিকে উদ্ধার করার জন্য। এছাড়াও আমি ধন্যবাদ দিতে চাই নীলফামারীবাসীকে । তারা উৎসুক ছিল হনুমানটিকে দেখার পর, কিন্তু তার কোনো ক্ষতি করেনি। এছাড়াও যে যেভাবে পারছে  হনুমানটিকে খাবার দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৫ থেকে ২০ দিন আগে সৈয়দপুর থেকে নীলফামারীতে আসে এই হনুমানটি। বেশ কিছু দিন থেকে তাকে দেখা যায় শহরের বড়বাজার, গাছবাড়ি, কৃষি ফার্ম, মিলনপল্লী, হাড়োয়া, পুরাতন রেলস্টেশন, নীলফামারী সরকারি কলেজ এবং নতুন বাজার এলাকায়। এ নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে নিউজ প্রকাশ গত ২৮ জুলাই ‘লোকালয়ে হনুমান, বিরক্ত না করার আহ্বান’ শিরোনামে নিউজ প্রকাশ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ১৫ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করলেন জননেতা আমিনুল ইসলাম আমিন

লোহাগাড়া প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার আওয়ামী লীগের ৪ জন অসুস্থ নেতাকর্মীদের মাঝে ১৫ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জননেতা আমিনুল ইসলাম আমিন। বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) বিকেল ৪টায় বার আউলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আমিনুল ইসলাম আমিন উপস্থিত থেকে দলের অসুস্থ ৪ নেতাকর্মীদের হাতে এসব চেক তুলে দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান মিন্টু, কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক, দপ্তর সম্পাদক শাহজাদা তৈয়বুল হক বেদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এম. কামাল উদ্দিন, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আজিজুর রহমান, উপ- দপ্তর সম্পাদক এম. এস মামুন, কার্যনির্বাহী সদস্য মামুন-উর রশিদ চৌধুরী, নুরুল হক কন্ট্রাক্টর, কামরুল হুদা, হারুনুর রশিদ রাসু, নুরুল আবছার, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নাজিম উদ্দিন, লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, চরম্বা ইউনিয়ন সভাপতি মাষ্টার শফিকুর রহমান, আমিরাবাদ ইউনিয়ন আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম, পুটিবিলা ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক ফোরাত বিন হানিফ চৌধুরী শাকিল, উপজেলা যুবলীগের সদস্য আবছার উদ্দিন, নাজিম উদ্দিন, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক এস. এম আজিজ, লোহাগাড়া উপজেলা তাঁতী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি রাশেদুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা তাঁতী লীগের সদস্য আলীম উদ্দিন, লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক একেএম পারভেজ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রিহান পারভেজ চৌধুরী, বার আউলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম ও কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মো : জোবাইর প্রমুখ।

চেক বিতরণকালে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে যেমন কাজ করছেন, তেমনি দেশের অসহায় মানুষের কল্যাণেও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত, অসুস্থ ও অসহায় সব শ্রেণী পেশার মানুষের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে বাংলাদেশে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। যা অতীতের কোন সরকার তা কখনো করেনি। যার প্রমাণ আজকের চেক বিতরণ।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদানের চেকপ্রাপ্তরা হলেন- মাষ্টার শফিকুর রহমান ৫ লাখ টাকা, জামাল হোসাইন ৫ লাখ টাকা, বকুল বালা দেবী ৩ লাখ টাকা, জান্নাত আরা বেগম ২ লাখ টাকা।

নওগাঁয় সপ্তাহব্যপী বৃক্ষমেলা শুরু হয়েছে

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় সপ্তাহ ব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকাল ১০ টায় মুক্তির মোড়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধ চত্বরে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নওগাঁ বন বিভাগ এই বৃক্ষমেলার আয়োজন করেছে।

“বৃক্ষপ্রাণে প্রকৃতি পরিবেশ আগামী প্রজন্মের টেকসই বাংলাদেশ” শিরোনামের এই মেলার উদ্বোধন করেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান। সামাজিক বন বিভাগের রাজশাহী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো : রফিকুজ্জামান শাহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ  এবং নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো : কায়েস উদ্দিন।

অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন নওগাঁর সহকারী বন সংরক্ষক মো: মেহেদীজ্জামান এবং জেলা নার্সারী মালিক সমিতির পক্ষে মোস্তাক আহম্মেদ।

এর আগে কৃষ্ণধন সরকারি  উচ্চ বিদ‍্যালয় চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন
সড়ক প্রদক্ষিন করে মুক্তির মোড়ে মেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।  মেলায় বন বিভাগ, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ  ব্যক্তিগত ও বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন সমূহের প্রায় ৪০ টি ষ্টলে প্রচুর সংখ্যক ফলদ, বনজ ও ঔষধী গাছের চারার সমাহার ঘটেছে।

অনুষ্ঠানে সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশ হিসেবে জেলা প্রশাসকের নিকট ৪৫ লক্ষ‍ ৪৫ হাজার টাকা, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট ৭ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা এবং জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট ১ লাখ ৯৬ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ, নার্সারী মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।