কুলাউড়ায় জনপ্রতিনিধিদের সাথে ওসির মতবিনিময়

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুছ ছালেক। বুধবার দুপুরে কুলাউড়া থানা পুলিশ প্রশাসনের আয়োজনে থানা ভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় নবাগত ওসি আব্দুছ ছালেক থানা এলাকার শান্তি রক্ষায় সকল জনপ্রতিনিধির সহযোগিতা কামনা করে বলেন, কুলাউড়া উপজেলার মানুষ শান্তি প্রিয় মানুষ। থানা এলাকার প্রতিটি পাড়া মহল্লায় শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ কাজ করে যাবে।

তিনি কুলাউড়াকে মাদক, জুয়া, কিশোর গ্যাং নির্মূলসহ সকল নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সকল জনপ্রতিনিধির সহযোগিতা কামনা করেন।

এসময় কুলাউড়া থানার এসআই বিদ্যুৎ পুরকায়স্থের পরিচালনায় কুলাউড়ার সার্বিক আইনশৃঙ্খলার উন্নতিকল্পে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন- উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান, পৌর মেয়র অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল হক খান সাহেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেহা ফেরদৌস চৌধুরী পপি, ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আহমদ খান, আজিজুর রহমান মনির, সৈয়দ একেএম নজরুল ইসলাম, জাফর আহমদ গিলমান, মো. খলিলুর রহমান, আব্দুল মালিক, ওয়াদূদ বক্স, মো. আকবর আলী সোহাগ, মো. মুহিবুল ইসলাম আজাদ, মোছাদ্দিক আহমদ নোমান প্রমুখ।

নীলফামারীর ডোমারে ট্রেনের নিচে ঝাপিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

মোঃ মোশফিকুর ইসলাম, নীলফামারী: নীলফামারীর ডোমার রেল স্টেশনে ট্রেনের নিচে ঝাপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন রেল স্টেশন পাড়া এলাকার স্যান্ডেল ব্যবসায়ী জবা ইসলাম (২৭) নামে এক যুবক।

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ই জুলাই) সকাল ৮টা ১০ মিনিটে খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করে ওই যুবক।

আত্মহত্যার সত্যতা নিশ্চিত করে পৌর ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুবেল ইসলাম জানান, জবা ছোটবেলায় তার মায়ের মৃত্যুর পর থেকে রেল স্টেশনপাড়ায় তার নানীর কাছেই থেকেই বড় হয়েছে। ছোটবেলা থেকেই জবার মানসিক সমস্যা ছিলো এর আগেও সে কয়েকবার বিভিন্ন কারনে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিলো ।

পশ্চিম চিকনমাটি স্টেশনপাড়ার জবার নানি খদেজা বেগম (৬০) বলেন, প্রায় এক মাস থেকে জবার সাথে তার স্ত্রী চিলাহাটি খানকা শরিফ এলাকার মাছ ব্যবসায়ী সলেমান আলীর মেয়ে মোছাঃ মনিরা’র সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া লাগতো। ঈদের আগে জবার স্ত্রী মনিরা তার ঘরের জিনিসপত্র সহ জবার ৫ বছরের শিশু মনির হোসেনকে তার নানার বাড়ি নিয়ে যায়।

জবার নানী আরো বলেন, জবা তার স্ত্রী মনিরাকে তার বাবার বাড়ি থেকে নিয়ে আসার জন্য গেলে তার স্ত্রী তার বাড়ি আসবে না এবং জবাকে বলে ‘তুই তোর বাড়ি গিয়ে ভিক্ষা করে খা’।

এলাকাবাসী জানায়, জবার ছোটবেলা থেকে মাথার সমস্যা ছিলো এর আগেও সে বেশ কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলো, এলাকার লোকজন তাকে বিভিন্ন সময় আত্মহত্যার হাত থেকে রক্ষা করে। জবার মৃত্যুর সংবাদ দেয়া হলেও তার স্ত্রী ঘটনাস্থলে আসেনি বলে জানান এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম জানান, মৃত ব্যাক্তির বাবার লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে লাশ তার বাবার নিকট হস্তান্তর করা হয়।

জেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রশাসনের বার্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের জনগণকে আরো উন্নততর সেবা দিতে বদ্ধপরিকর জেলা প্রশাসন। ১৩ই জুলাই জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রশাসনের মধ্যকার ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসানের সাথে সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এসময় উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সহ জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শ্রম, মেধা, যোগ্যতা, কর্মনিষ্ঠা, দক্ষতা, সততা, সদ্ব্যবহার সর্বোপরি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে মৌলভীবাজার জেলার জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে প্রস্তুত মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসন কতৃপক্ষ।

রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও জেলার প্রাচীর ও সুনামধন্য রাণীশংকৈল ডিগ্রী  কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী( ৫০ বছর পূর্তি) পালন উপলক্ষে গতকাল বুধবার ১৩ জুলাই সন্ধ্যায় কলেজ হলরুমে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি পৌরমেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সইদুল হক,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ও  ভাইস-চেয়ারম্যান সোহেল রানা, উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহম্মেদ, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন।

আরো বক্তব্য দেন পুরাতন ছাত্র অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক ও নবাব আলী, প্রধান শিক্ষক সোহেল রানা, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, প্রভাষক সবুর আলী, জুয়েল রানা, জুলফিকার আলী ভুট্টো, সাদেকুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, সফিকুল ইসলাম শিল্পী ও সহকারী শিক্ষক মোশাররফ হোসেন প্রমুখ

এছাড়াও রানীশংকৈল প্রেসক্লাব (পুরাতন) সাবেক সভাপতি কুশমত আলী, সিনিয়র সাংবাদিক হুমায়ুন কবিরসহ কলেজের বিভিন্ন শিক্ষক, পুরাতন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সকলের সম্মতিক্রমে কলেজের ৫০ বছর পুর্তি পালন উদযাপনের লক্ষ্যে সাবেক এমপি অধ্যাপক ইয়াসিন আলীকে আহবায়ক এবং অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক ও সহকারী অধ্যাপক প্রশান্ত বসাককে যুগ্ন আহবায়ক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয় ৷

কুলাউড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে এক ব্যক্তি নিখোঁজ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরছড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে এক ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন। বুধবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যায় বরমচাল ইউনিয়নের বরছড়ায় বাবুল মিয়া (৫৫) নামের ওই ব্যক্তি নিখোঁজ হন। এ সময় আজিজুর রহমান নামে বাবুলের সাথে এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। বাবুল ও আজিজুর ভূকশিমইল ইউনিয়নের বাদে ভূকশিমইল এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভূকশিমইলের ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মনির।

তিনি জানান, বুধবার বিকেলে বাবুল তার সঙ্গী আজিজুরকে নিয়ে নৌকা যোগে বরমচালের বরছড়ায় মাছ ধরতে যায়। সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে ঝড়তুফানের কবলে পরলে নৌকা ডুবে তারা নিখোঁজ হয়ে যায়।

পরে বাবুলের সঙ্গী আজিজুরকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও বাবুলকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত কোন হদিস পাওয়া যায়নি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো উদ্ধার করা যায়নি নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তির।

বর্তমানে তিনিসহ স্থানীয়রা বাবুলকে উদ্ধার করতে কাজ চালাচ্ছেন বলে জানান চেয়ারম্যান মনির।

নাগেশ্বরীতে পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে গিয়ে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বুধবার নাগেশ্বরী থানায় অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছে নিহত যুবকের স্ত্রী।

নিহতের ভাই ও ভাতিজা জানান, উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের মৃত আজগার আলী আজাদের ছেলে খোকনের মাদক ব্যবসার ভারী হিসেবে কাজ করতেন কালিগঞ্জ ইউনিয়নের মনেয়ার পাড় এলাকার মৃত শমসের আলীর ছেলে সফিকুল ইসলাম (৩০)। বেশ কিছুদিন ধরে সফিকুলকে মালামাল পরিবহনের টাকা দিচ্ছিল না খোকন। এ কারণে সে কাজ বন্ধ করে দেয় এবং তাকে টাকা না দেয়ায় খোকনের মাদক ব্যাবসার তথ্য ফাঁস করে দেয়ার হুমকী দেয়। এরই জেরে ঈদের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার বিকেল বেলা খোকন একজনকে সাথে নিয়ে মোটরসাইকেলে সফিকুল ইসলামের বাড়িতে যায়। তারা জোরপূর্বক সফিকুলকে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে গিয়ে ব্যপারীহাটে নিজের মৎস্য খামারে বেধড়ক পিটিয়ে মূমুর্ষ অবস্থায় অটোরিকশায় করে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। ওই অবস্থায় সফিকুলকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিলে রাত সাড়ে ৩টার দিকে সে মারা যায়।

নিহতের স্ত্রী সামছুন্নহার জানান, খোকনের নিকট তার স্বামী সফিকুল টাকা পেত, সেই টাকা দিতে চেয়ে বাড়ি থেকে আমার স্বামীকে নিয়ে যায় খোকন। পরে জানায় সে অসুস্থ।

নাগেশ্বরী থানার ওসি (তদন্ত) তানভীরুল ইসলাম জানান, মামলা হয়েছে। আসামী ধরার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কুড়িগ্রামের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পর্যটন নগরী মৌলভীবাজারে পর্যটক শূন্য

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: বিশাল হাকালুকি হাওর, পাহাড়ের রাজ্যে সবুজের কার্পেট বিছানো গালিচার মতো থোকা থোকা বাগানের চায়ের গাছ, দিগন্ত বিস্তৃত রাবার বাগান, আর আঁকাবাঁকা পিচঢালা পথের ধারে সবুজ প্রকৃতি এবার টানতে পারছে না পর্যটকদের। প্রতিটি ঈদে যেখানে মৌলভীবাজারের চায়ের রাজধানী খ্যাত শ্রীমঙ্গল, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও বড়লেখার পর্যটন স্পটগুলো দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা হাজার হাজার পর্যটকদের ভীড়ে মুখরিত থাকতো এবার স্মরণকালে ভয়াবহ ও দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় লোকজন শূন্য হয়ে আছে।

নেই কোথাও কোলাহল, অনেকটা নির্জীব জনশূন্য গোটা জেলার পর্যটন স্পটগুলো। নানা বয়সের মানুষকে রঙিন পোশাক পরে এখানে সেখানে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে না পর্যটকদের। শ্রীমঙ্গলের সব পর্যটন স্থানে অনেকটা একরকমের দৃশ্য। মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যার প্রভাবে সিলেট বিভাগ পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে।

শ্রীমঙ্গলের হোটেল রিসোর্টের বেশির ভাগই ফাঁকা পড়ে আছে। সকল প্রকার প্রস্তুতি নিয়ে পর্যটণ সংশ্লিষ্টরা কাঙ্খিত পর্যটক না আসায় মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

কুলাউড়া, জুড়ি ও বড়লেখার বিশাল এলাকা জুড়ে হাকালুকি হাওরে পানিতে ভরপুর থাকলেও ঘাটগুলোতে ইঞ্জিনের নৌকা নিয়ে মাঝিদের বসে থাকতে দেখা গেছে পালেমোড়া এলাকার মাঝি কাশেম মিয়া ও রাসেল বলেন অনেক আশা নিয়ে বসেছিলাম ঈদের সময় দর্শনার্থীদের নিয়ে হাওরে ঘুরে কিছু টাকা আয় করবো। কিন্তু আমাদের আশায় বাঁধ সেজেছে ভয়াবহ বন্যা। সংসার কিভাবে চালাবো সেই চিন্তায় দিন কাটছে। কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে তেমন পর্যটকের দেখা মেলেনি। কিছু পর্যটককে বিকেলে দেখা গেছে।

চা-বাগান, বধ্যভূমি, চার কন্যা ভাস্কর্য, বিটিআরআই, সাত রঙের চায়ের দোকান, খাসিয়া পল্লী ও মনিপুরী পাড়াতে সাধারণ ছুটির দিনে যে মানুষ থাকে, তার চেয়েও অনেক কম পর্যটকরে ঘুরতে দেখা যায়।

ঢাকা থেকে আসা আমজাদ আলী, সুমনা আক্তার, দিপক পাল বলেন, ঈদের ছুটিতে ঘুরতে এসেছি শ্রীমঙ্গলে। চাবাগানে ঘুরলাম, লাউয়াছড়ায় গেলাম। লোকজন খুবই কম, অনেটা শান্তিতে ঘুরতে পেরেছি। পরিবার নিয়ে পর্যটনের রাজধানীতে এসে ভালো লাগল।

ইয়াসমিন বেগম পরিবারসহ শনিবার রাতে একটি রিসোর্টে উঠেছেন। তিনি বলেন, দিনে প্রচন্ড গরম থাকায় ঈদের দিন সকালে বের হতে পারেননি তবে বিকেলে ঘুরতে বের হয়েছি।

পর্যটক কম থাকায় এ ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট অনেকেই সংকটে পড়েছেন। পর্যটকদের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান গাইডরা। কিন্তু পর্যটক একেবারেই না থাকায় তাঁদের মন ভালো নেই। ট্যুর গাইড শ্যামল দেববর্মা বলছিলেন, এই সময়ে অনেক ট্যুর গাইডের প্রয়োজন পড়ে। আমরা পর্যটকদের নিয়ে ঘুরে বেড়াই। এবার পর্যটকেরা নেই, আমরা সারা দিনেও পর্যটক পাইনি। খুবই কঠিন পরিস্থিতি আমাদের জন্য।

পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এবার পর্যটক যে এত কম হবে, তা আমরা ভাবতে পারিনি। তাঁদের প্রস্ততি থাকলেও পর্যটক না থাকায় ব্যবসার ক্ষতি নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় আছেন।

শ্রীমঙ্গলের রাধানগরে অবস্থিত লেমন টি রিসোর্ট এর স্বত্ত্বাধীকারী সেলিম মিয়ার সাথে কথা বললে তিনি জানান, ‘ঈদ কিংবা বড় কোনো ছুটিতে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনেক প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। এ সময় দেশবিদেশ থেকে প্রচুর পর্যটক আসবেন। প্রচুর পর্যটকের পদচারণে শ্রীমঙ্গলসহ পর্যটন এলাকা মুখরিত থাকে, তবে এ বছর চিত্রটা ভিন্ন। রিসোর্টে অন্য সময় যেখানে পর্যটকদের জায়গা দিতে হিমশিম খেতে হয়, কিন্তু এবছরে ১০ভাগ ও বুকিং নেই সব ফাঁকা। সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যার প্রভাবে এখানে পর্যটকের সংখ্যা নেই বললেই চলে। ফলে দীর্ঘ মেয়াদী অর্থনৈতিক মন্দায় পরবে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। এই অপূরণীয় ক্ষতি যা কাটিয়ে ওঠা তাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ঈদকে সামনে রেখে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিলেও পর্যটক না আসায় সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িতরা মনে করছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভা বুধবার ১৩ জুলাই সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় জেলা প্রশাসক মো: মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, দিনাজপুর ৪২ বিজিবি’র অধিনায়ক লে: কর্নেল মো: ইউসুফ চৌধুরী, পিএসসি, ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির পরিচালক লে. কর্নেল এএম জাহিদ পারভেজ পিএসসি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রামকৃষ্ণ বর্মন, এন,এস,আই’র জয়েন্ট ডিরেক্টর হেমায়েত হোসেন, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা, জেলা আ’লীগের সহ -সভাপতি মাহাবুবুর রহমান খোকন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বপন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. অরুনাংশু দত্ত টিটো, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বাবু, সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান প্রমুখ।

এ সময় বিভিন্ন উপজেলার  নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা  চেয়ারম্যান ও থানার অফিসার ইনচার্জগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় জেলার আইন শৃংখলার উন্নতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভা বুধবার ১৩ জুলাই সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় জেলা প্রশাসক মো: মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, দিনাজপুর ৪২ বিজিবি’র অধিনায়ক লে: কর্নেল মো: ইউসুফ চৌধুরী, পিএসসি, ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির পরিচালক লে. কর্নেল এএম জাহিদ পারভেজ পিএসসি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রামকৃষ্ণ বর্মন, এন,এস,আই’র জয়েন্ট ডিরেক্টর হেমায়েত হোসেন, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা, জেলা আ’লীগের সহ -সভাপতি মাহাবুবুর রহমান খোকন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বপন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. অরুনাংশু দত্ত টিটো, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বাবু, সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান প্রমুখ।

এ সময় বিভিন্ন উপজেলার  নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা  চেয়ারম্যান ও থানার অফিসার ইনচার্জগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় জেলার আইন শৃংখলার উন্নতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বঙ্গবন্ধু পরিষদ আছির প্রদেশ সৌদি আরব কেন্দ্রীয় কমিটির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

প্রবাস ডেস্কঃ বঙ্গবন্ধু পরিষদ আছির প্রদেশ সৌদি আরব কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ১২ই জুলাই’ ২২ ইংরেজি তারিখ সন্ধ্যায় সকলস্তরের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে ঈদ পুনর্মিলনী দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব সফিউল আলম ও সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক আজাদ রহমান।

প্রধান অথিতির আসন অলংকৃত করেন অনুষ্ঠানের মধ্যমনি ও সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আবু বকর কামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে এস এম জাহাঙ্গীর আলম, উপদেষ্টা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, উপদেষ্টা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, উপদেষ্টা মাওলানা জিয়াউদ্দীন,আব্দুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ চৌধুরী।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ নাছির, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, মোহাম্মদ লোকমান, এমদাদ চৌধুরী, ফারেস উদ্দিন, আমানুল্লাহ, নাছির উদ্দিন, জাহাঙ্গীর বিন এস এম,মিজানুর রহমান, হারাধন শীল, আব্দুল কুদ্দুস,রাশেদুল আলম, মোহাম্মদ পেয়ারু, মোহাম্মদ মোস্তাক,তাজেম উদ্দিন, এয়াকুব আলী, রহমত উল্লাহ, আবু শামা, নুরুল আলম, মোহাম্মদ নাসিম, নাজিম উদ্দিন, মোহাম্মদ এজাহার, শহিদ উল্লাহ, ইউনুচ ফকির, বদরুদ্দোজা, মোহাম্মদ আরজু, মোহাম্মদ মিনার।

সভায় বক্তারা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধ ভাবে মোকাবেলা করার অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেন।

মোহাম্মদ ওয়াহেদ আলী’র সুললিত কন্ঠে পবিত্র কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠান অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে ভোজন পর্বের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা পালিত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: বৌদ্ধদের অন্যতম সামাজিক, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালিত অনুষ্ঠান শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা তিথি বুধবার (১৩ জুলাই)। এই শুভানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা জীবনকে আরও সাবলীল, সুন্দর আর ঋদ্ধ করার প্রচেষ্টাকে ফের একবার নবায়ন করে থাকেন। শুধু সাধারণ বৌদ্ধধর্মাবলম্বীরাই নয়, বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্যও আষাঢ়ী পূর্ণিমা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন বহন করে। বৌদ্ধরা এদিনটিকে সচরাচর শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা হিসেবে অভিহিত করে থাকে।

বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধের সময়ে আষাঢ়ী পূর্ণিমা তিথিকে কেন্দ্র করে তিনটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে। এক আষাঢ়ে পূর্ণিমায় গৌতম বুদ্ধ সিদ্ধার্থরূপে মাতৃগর্ভে প্রবিষ্ট হয়েছিলেন। আরেক পূর্ণিমায় তিনি গৃহত্যাগ করে সন্ন্যাসব্রত ধারণ করেন এবং ছয় বছর কঠোর সাধনা করে মোক্ষ লাভ করেন। আর শেষে আরেক পূর্ণিমায় তিনি মহাঅনির্বাণ লাভ করেন।

এ ঘটনাগুলোকে উপলক্ষ করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা দিনটি পালন করে থাকেন। এ দিনটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই আষাঢ়ী পূর্ণিমার পরবর্তী তিন মাস বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বর্ষাবাস শুরু করেন। এ সময় ভিক্ষুরা জরুরি কোনো কারণ ছাড়া বিহারের বাইরে রাতযাপন করতে পারেন না। এই তিন মাস বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ধর্ম বিনয় অধ্যায়ন ও ধ্যান চর্চা করে থাকেন। এই তিন মাস বর্ষাবাস শেষ হওয়ার পর প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু মাসব্যাপী কঠিন চীবরদানোৎসব।

জনশ্রুতি আছে, এক আষাঢ়ী পূর্ণিমায় রাজা শুদ্ধোধনের মহিষী রাণী মহামায়া উপোমথ ব্রত গ্রহণ করলেন। সে রাত্রে রাণী মহামায়া স্বপ্নমগ্না হয়ে দেখলেন যে চার দিক থেকে পাল দেবগণ এসে পালঙ্কসহ তাকে নিয়ে গেল হিমালয়ের পর্বতোপরি এক সমতল ভূমির ওপর। সেখানে মহামায়াকে সুউচ্চ এক মহাশাল বৃক্ষতলে রেখে দেবগণ সশ্রদ্ধ ভঙ্গিমায় এক পাশে অবস্থান দাঁড়িয়ে পড়ল। পরে দেবগণের মহিষীরা এসে মায়াদেবীকে হিমালয়ের মানস সরোবরে স্নান করিয়ে দিব্য বসন-ভূষণ ও মাল্যগন্ধে সাজিয়ে দিলেন। অনতিদূরে একটি শুভ্র রজতপর্বতে ছিল একটি সুবর্ণ প্রাসাদ। চারিদিক থেকে পাল দেবগণ মহারাজা পুনঃপালঙ্কসহ দেবীকে সেই প্রাসাদে নিয়ে গিয়ে দিব্যশয্যায় শুইয়ে দিল। তখন অদূরবর্তী সুবর্ণ পর্বত থেকে এক শ্বেতহসত্মী নেমে এসে উত্তরদিক থেকে অগ্রসর হয়ে রজতপর্বতে আরোহণ করলেন। রজত শুভ্রশু একটি শ্বেতপদ্মের রূপ পরিগ্রহ করে কবীবর মহাক্রোষ্ণনাদে সুবর্ণ প্রাসাদে প্রবেশ করলেন। তারপর ধীরে ধীরে তিনবার মাতৃশয্যা প্রদক্ষিণপূর্বক মায়ের শরীরের দক্ষিণ পার্শ্বভেদ করে মাতৃজঠরে প্রবেশ করলেন।

পর দিন প্রত্যুষে রাণী মহামায়া রাজা শুদ্ধোধনকে স্বপ্ন বৃত্তান্ত অবহিত করলেন। কালবিলম্ব না-করে রাজা শুদ্ধোধনকে চৌষট্টিজন জ্যোতির্বিদ এনে স্বপ্নের ফল জানতে চাইলেন। তারা বললেন, মহারাজ চিন্তা করবেন না, আপনার মহিষী সন্তানসম্ভবা। তিনি এমন এক পুত্ররত্ন লাভ করবেন যার ফলে বসুন্ধরা ধন্য হবে।

এক মহাগুণ-সমৃদ্ধ সন্তান লাভ করবেন, এ কথা শোনা মাত্রই রাজ্যময় জয়ধ্বনি দিতে শুরু করলেন। শুভ বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে শুভলগ্নে, শুভক্ষণে সিদ্ধার্থ ভূমিষ্ঠ হলেন নেপালের লুম্বিনী উদ্যানে। যথারীতি রাজকীয় সুখে দিনযাপনের মাধ্যমে বড় হতে লাগলেন এবং সব ধরনের বিদ্যাশিক্ষায় পারদর্শিতা অর্জন করলেন। সিদ্ধার্থ যৌবনে পদার্পণে রাজা শুদ্ধোধন ও রানী মহামায়া দেবীর সিদ্ধান্তক্রমে গোপাদেবীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। সংসার জীবনে ক্রমেই তার বৈরাগ্য জীবনের প্রতি আকৃষ্ট হতে লাগলেন, মনের উদাসীনতা কাটাতে নগর ভ্রমণের ইচ্ছা পোষণ করলে রাজার নির্দেশক্রমে রাজকীয়ভাবে নগর ভ্রমণের ব্যবস্থা করলেন। অনাকাক্সিক্ষতভাবে দেখতে পেলেন নগরের চারদিক ভ্রমণে চারটি দৃশ্য, দৃশ্যগুলো যথাক্রমে জরাগ্রস্ত ব্যক্তি, ব্যাধিগ্রস্ত ব্যক্তি, মৃত ব্যক্তি ও সন্ন্যাসী। এতে তার মন আরও বেশি বিচলিত হয়ে উঠেছে।

সংবাদ পেলেন গোপাদেবীর সন্তান প্রসব হয়েছে, সন্তানের নাম রাখা হয়েছে ‘রাহুল’। সিদ্ধার্থ মনে মনে ভাবতে লাগলেন রাহুলের জন্ম হয়েছে, সংসার বন্ধন সুদৃঢ় হতে চলেছে, আষাঢ়ী পূর্ণিমা সমাগত, আর দেরি করা যাবে না। স্ত্রী-সন্তানকে এক পলক দেখে ছন্দককে ডেকে সেদিন রাতেই সিদ্ধার্থ বা গৌতম বুদ্ধ গৃহত্যাগ করলেন।