শ্রীমঙ্গলে পসবিদ উন্নয়ন সংস্থার প্রায় ৩ কোটি টাকা উধাও!

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: প্রধান নিবার্হীর স্বাক্ষরীত কালেকশন সিটে প্রাপ্তী স্বীকার মর্মে পসবিদ উন্নয়ন সংস্থা‘র ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোঃ তোফাজ্জল হোসেন গত শুক্রবার (২৫ মার্চ) দুপুরে মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাব কার্যালয়ে লিখিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, পসবিদ উন্নয়ন সংস্থা‘র প্রধান নিবার্হী মোঃ আজাদ আলী‘র বিরুদ্ধে ১৬টি অভিযোগ এনে বিগত সময়ে সংবাদ সম্মেলন করি। প্রত্যেকটি অভিযোগের সাথে তিনি যে দুর্নিতিবাজ তাহা ১০০% প্রমাণিত হয় এমন তথ্য ও প্রমান উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছি। পসবিদ উন্নয়ন সংস্থা‘র প্রধান নিবার্হীর স্বাক্ষরীত কালেকশন সিটে প্রাপ্তী স্বীকার রয়েছে এবং সঞ্চয় আমি নিজে ও কর্মীদের দ্বারা মাঠ থেকে সংগ্রহ করেছি এবংপসবিদ কার্যালয়ে জমা করেছি। এই মর্মে প্রধান নিবার্হী স্বাক্ষরীত কালেকশন সিট ও টাকা গ্রহনের প্রাপ্তী স্বীকার আমার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

তিনি আরো জানান, ১৬টি অভিযোগের কোনো ১টিরও সঠিক উত্তর বা প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি যে পসবিদ উন্নয়ন সংস্থার প্রধান নিবার্হী দুর্ণীতিবাজ নয়। তিনি দুর্ণীতির নমুনা হিসাবে ডকুমেন্ট উপস্থাপন করে বলেন- ১৫০০জন সদস্য পসবিদে সঞ্চয় জমা করেছেন, বিনিময়ে ঋণ নিয়েছেন ৪৩৭জন সদস্য। বাংলাদেশ ব্যাংক হতে তিনি ঋণ গ্রহন করেছেন ২ কোটি ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৯৮১ টাকা, সদস্য সঞ্চয় বাবদ জমা রয়েছে ৫৭ লাখ ৫ হাজার ২শত টাকা (নভেম্বর ২০২২ এর তথ্য অনুসারে)। বিনিময়ে পসবিদ মাঠ পর্যায়ে সদস্যদের ঋণ দিয়েছে ৬৪ লাখ ৫০ হাজার ১ শত ৪টাকা। কিন্তু ঋণ দেওয়ার পর ২ কোটি ১২লক্ষ ৯২হাজার ৭৭ টাকা (২১২৯২০৭৭) পসবিদের কোন একাউন্টে রয়েছে কি ? পসবিদের নামে ২টি একাউন্ট চলমান রয়েছে। প্রাইম ব্যাংক, শ্রীমঙ্গল ব্রাঞ্চ-হিসাব নং ২১৫০৩১৮০০৭৬৭৩, সর্বশেষ ব্যালেন্স ২৫ হাজার ৪ শত ৪টাকা ও এবি ব্যাংক লিঃ শ্রীমঙ্গল ব্রাঞ্চ হিসাব নং-৪১১৮১৬৯৪৮৭৪৩০ সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সঞ্চয় রয়েছে ১ হাজার ২ শত ৩৫টাকা (১৪ ফেব্রুয়ারি-২০২৩ ইং তারিখের ব্যাংক ষ্টেইটম্যান্ট অনুযায়ী)। সরকারী টাকা সদস্যদের ঘর তৈরির কাজে না লাগিয়ে নিজের কাজে ব্যবহার করা এবং গরীব সদস্যগণকে ঋণ প্রদানের আশ্বাস দিয়ে জমানো সঞ্চয় নিজ কাজে ব্যবহার করা এটা কি আইনবিরুদ্দ কাজ নয়?

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- ভুক্তভোগী‘র স্ত্রী মাহমুদা আক্তার পসবিদ উন্নয়ন সংস্থার শ্রীমঙ্গল ব্রাঞ্চের ক্রেডিট অফিসার মিনতি রাণী শীল, ক্রেডিট অফিসার অজিত ব্যুনার্জি, ক্রেডিট অফিসার টুইংকেল কর্মকার, তাহমিনা আক্তার প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে শেষ মুহূর্তে সময়ে পসবিদ উন্নয়ন সংস্থা‘র ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোঃ তোফাজ্জল হোসেনসহ উপস্থিত ভুক্তভোগীদের সাথে যে কোন সময় অপ্রীতিকর ঘটনার মুখোমুখি হতে হবে মর্মে আতঙ্কিত অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন। এজন্য যে পসবিদ উন্নয়ন সংস্থার প্রধান নির্বাহী একজন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি বলে ভীত। সম্মেলন শেষে জীবনের নিরাপত্তা জনিত কারণে ৯৯৯ ফোন করলে মৌলভীবাজার মডেল থানার পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

আদিবাসিদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ

মোঃ হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার রাউতনগর বাজারে আদিবাসিদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখল ও বসতবাড়ি নির্মাণসহ গাছ রোপনের অভিযোগ উঠেছে। ওই জমির মূল মালিক দাবীদার ও অভিযোগকারী তোজাম্মেল আলম জানান, প্রায় দুই মাস ধরে উপজেলার রাউতনগর মধ্যপাড়া গ্রামের কান্তি হেমরমের ছেলে স্যামুয়েল হেমরমও তার স্বজনরা মিলে আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ ও গাছ রোপণ করেছে এবং আমাদেরকে বিভিন্ন প্রকার ভয় ভিতি দেখিয়ে জমি দখল করে রেখেছে। আমাদের ১ একর জমি বৃটিশ সিএস রেকোর্ডীয় মালিক আমুক্তার বিনিময়ে দলিলমূলে সমিরউদ্দিন সরকারকে ১৯৫৭ সালে হস্তান্তর করেন।

আলম আরো জানান, পরবর্তীতে সমিরউদ্দিন সরকার ১৯৭২ সালে তাঁর ছেলে মজিরউদ্দিন সরকারকে সাফ কেবলামূলে হস্তান্তর করেন। এরপর এসএ রেকর্ড কতিপয় ব্যাক্তির নামে ভুলবশত হওয়ায় মজিরউদ্দিন সরকার মুন্সিপী আদালতে ১৮/৭৫ নং রেকর্ড সংশোধনী মক্কদমা আনয়ন করেন। এবং ১৯৭৭ সালে এ মামলার ডিগ্রীসহ রায় পান। যার সংশোধিত এস এ খতিয়ান নং ৪৪০। পরবর্তীতে বিএস/আর এস (মাঠপর্চা) ডিগ্রী খতিয়ান মূলে অদ্যবদি ভোগ দখলে আছে। ভুলক্রমে এসএস রেকর্ডীয় মালিক জেঠা সামির ওয়ারিশগণ এ জমি দাবি করে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে দখল নেয়ার চেষ্টা করছে। তারা জমিতে ছোট ছোট চালা ঘর নির্মাণ করে ওই সব ঘরে নিজেরাই আগুণ লাগিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে। এই জমির বিরোধ নিরোসনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নের্তৃবৃন্দ একাধিকবার এলাকায় এবং থানায় ও ভ্থমি অফিসে বসেছে কিন্তু নৃগোষ্ঠীর লোকেরা কোন কাগজপত্র দেখাতে পারে নাই। অন্যদিকে তারা জোর পূর্বক জমি দখল করে রেখেছে।

এ ব্যাপারে আদিবাসী ও বিবাদী সামুয়েল হ্যামরম বলেন, তাদের বাপ দাদার আমলের রেকর্ডসূত্রে এ জমির মালিকের দাবিদার তারা। কিন্তু বৈধ কাগজ দেখতে চাইলে নানান টালবাহান করে একথা এড়িয়ে যান।

হোসেনগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি বলেন, লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি দুই পক্ষকে ডেকেছিলাম। মজিরউদ্দিন এর ওয়ারিশগণ তাদের কাগজপত্র আমাকে দেখিয়েছে কিন্তু স্যামুয়েল ও তার ওয়ারিশগণ কাগজ দেখাতে পারেনি। এ থেকে ধারনা করা হচ্ছে এ জমির প্রকৃত মালিক মজিরউদ্দিনের ওয়ারিশগণ হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, আমার জানামতে তারা ১৯৫৭ সাল থেকে অদ্যবদি এজমি ভোগদখল করে আসছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গাড়ি চালক হত্যা মামলার আসামী আটক

পারভেজ সরকার, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিকিম কোম্পানীর পরিচালকের গাড়ী চালক হত্যা মামলার প্রধান আসামী আব্দুল মমিন কে আটক করেছে র‌্যাব ১২ এর সদস্যরা। সোমবার (২৭ মার্চ) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১২ এক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১২’র অধিনায়ক মারুফ হোসেন।

তিনি জানান, নিহত সম্রাট (৩০) পাবনার ঈশ্বরদী থানার মধ্য অরনকোলা রিফুজি কলোনীর আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে।প্রায় তিন বছর যাবত রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিকিম কোম্পানীর পরিচালকের গাড়ি চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চালক সম্রাট প্রতিদিন রাত সাড়ে ১০ টার দিকে ডিউটি শেষ করে নিজ বাড়িতে ফেরত যেতেন।

এরপর পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে তারা জানতে পারে যে সম্রাট অফিসের গাড়িসহ বাঁশেরবাদা মধ্যপাড়ায় তার বন্ধু আব্দুল মমিনের বাসায় গিয়েছিলো। সেই সূত্র ধরে  মমিনের স্ত্রী সীমার কাছে সম্রাটের ব্যাপারে জানাতে চাইলে সে উত্তেজিত হয়, তিনি জানান ২৫ মার্চ সকালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার আড়িয়াবান্দা গ্রামের সিলাইদহ ঘাট নামক স্থান হতে একটি সাদা জিপ গাড়িসহ চালক সম্রাটের বস্তাবন্ধি মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে,র‌্যাব ৩ এর সহযোগিতায় র‌্যাব-১২ অভিযান চালিয়ে ২৬ মার্চ দিবাগত রাতে ঢাকার হাতিরঝিল থানার বাংলা মোটর এলাকা হতে হত্যা মামলার আসামি,পাবনার ঈশ্বরদী থানার বাঁশেরবাদা গ্রামের বাহাদুর খাঁ এর ছেলে আব্দুল মমিন আটক করেন। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্পেনের পূর্বাঞ্চলে দাবানলে পুড়ে গেছে কয়েক হাজার হেক্টর বনভূমি

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ স্পেনের পূর্বাঞ্চলে দাবানলে পুড়ে গেছে কয়েক হাজার হেক্টর বনভূমি। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস। নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে কয়েক হাজার বাসিন্দাকে। গতকাল সোমবার (২৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য জানায়।

আল জাজিরা জানায়, স্পেনের পূর্বাঞ্চলের বনভূমিতে গেল বৃহস্পতিবার ছড়িয়ে পড়ে দাবানল। এরই মধ্যে পুড়ে গেছে ১০ হাজার একরের বেশি বনভূমি। দমকল বাহিনীর পাঁচ শতাধিক সদস্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছেন আগুন নিয়ন্ত্রণের।

এ ছাড়াও ব্যবহার করা হচ্ছে ২০টি বিমান ও হেলিকপ্টার। গতকাল সোমবার ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না এলেও দ্রুত আর ছড়াবে না। তবে দাবানল পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসতে আরও সময় লাগবে বলে জানিয়েছে তারা।
 
দাবানলের কারণে এরই মধ্যে কয়েক হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সরিয়ে নেয়া এসব বাসিন্দাকে পূর্ণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এদিকে স্পেনের কাতালোনিয়া প্রদেশে দীর্ঘমেয়াদি খরার কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষকরা। তাই বৃষ্টির জন্য গির্জায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করেন তারা। এতে অংশ নেন কয়েকশ কৃষক। এর আগে সবশেষ ২০০৮ সালে এ ধরনের প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছিল।
 
খরার কারণে প্রদেশের জলাধারগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পানি কমে গেছে। এরই মধ্যে কাতালোনিয়ার বেশ কয়েকটি শহরের বাসিন্দাদের পানি ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। 

আমি আত্মহত্যা করলে দায় আপনাদের : হিরো আলম

বিনোদন ডেস্কঃ রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান হয়েছে বলে নাট্যজন মামুনুর রশীদ যে মন্তব্য করেছেন তার প্রতিবাদ জানিয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম। এ নিয়ে আত্মহত্যারও হুমকি দিয়েছেন তিনি।

হিরো আলম বলেছেন, আপনাদের রুচিসম্পন্ন মানুষের কারণে যদি আমি আত্মহত্যা করি, তবে এর দায় আপনাদেরই নিতে হবে।

সম্প্রতি অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে মামুনুর রশিদ বলেন, আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।

গত রোববার (২৬ মার্চ) সংবাদমাধ্যমে ‘রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান: মামুনুর রশীদ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি ভাইরাল হয় ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে। এ প্রেক্ষাপটে গতকাল সোমবার (২৭ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে আসেন হিরো আলম। বলেন নানা বিষয় নিয়ে কথা।

হিরো আলম বলেন, ‘তাদের মতো এত বড় মানুষ আমাকে নিয়ে কথা বলেছেন। এটা আমার জন্য সৌভাগ্য। তিনি বলেছেন, মানুষের রুচি নাকি নষ্ট হয়ে গেছে। আমি নাকি ১৮ কোটি লোকের রুচি নষ্ট করেছি। আপনারা কেন আমাকে সাপোর্ট করেন, রুচি নষ্ট করেন।’

তিনি বলেন, ‘স্যার আপনি আমাকে নিয়ে যে কথাবার্তা বলেছেন, অনেক আর্টিস্ট আপনার হাতে তৈরি। স্যার আপনি ইচ্ছে করলে কিন্তু আমাকে তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু করেন না। হিরো আলমের জন্য, বাংলাদেশ নাকি আমার কারণে নষ্ট হচ্ছে। যখন নাটকে গালিগালাজ করে, তখন কি আপনাদের রুচি নষ্ট হয় না।

‘আমার কী অপরাধ, কেন আমার লেখাপড়া নাই, চেহারা নাই? আপনার ছেলে যদি হতাম আমি। এভাবে বলতে পারতেন কেউ। হিরো আলমের মামা খালু নাই, ওয়েট নাই। অনেক এমপি দেখছি সমাজের, দেশের, মানুষের কথা বলে না। নিজেরা ব্যস্ত।’

লাইভে হিরো আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি আমাকে জেলে দেন। আমাকে সাহায্য করেন কেউ? করেন, করেন না। আমাকে ধিক্কার দেয়া বন্ধ করুন। আপনারা বড় বড় কথাবার্তা বলেন। রুচি চেঞ্জ করতে পারেন না কেন। আমি কি অপরাধ করেছি।

মানুষ আ’ত্মহ’ত্যা কখন করে জানেন? সবকিছুতে টর্চারিং করতেছেন। আমি যদি রুচি নষ্ট করে থাকি। টিকটক দেখেন তো। কেন তাদের বন্ধ করতে পারতেছেন না। অন্যদের নিয়ে কথাবার্তা বলেন না। এসবের আমি যদি আ’ত্মহ’ত্যা করি। এর জন্য দয়ী থাকবেন রুচিসম্পন্ন মানুষেরা। অন্যদের মতো আমি তো এই রুচি নিয়ে আসি নাই।

 

ফুলবাড়ীতে পিকআপ চাপায় পথচারী বৃদ্ধের মৃত্যু

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে পিকআপের চাপায় কানু সেন (৬৫) নামের এক পথচারী  বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর এলাকায় ফুলবাড়ী -টু- নাগেশ্বরী সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহত বৃদ্ধ ধর্মপুর গ্রামের মৃত আশুতোষ সেনের  ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুলবাড়ী থেকে একটি মালবাহী পিকআপ দ্রুতগতিতে নাগেশ্বরীর দিকে  যাচ্ছিল। ধর্মপুর এলাকায় পৌছিলে অটোরিকশাকে সাইড দিতে গিয়ে ওই পথচারী বৃদ্ধকে চাপা দিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় পিকআপে থাকা চালক ও সহযোগীরা কৌশলে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আমরা দ্রুত বৃদ্ধকে উদ্ধার করে নাগেশ্বরী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এদিকে ফুলবাড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঢাকা-মেট্রো-ন-১৬৪৫১০ নাম্বার  পিকআপটি জব্দ করে থানায় নিয়ে গেছে।

ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ফজলুর রহমান জানান,  চালকসহ দুই হেলপার পালিয়েছে।  পিকআপটি জব্দ করা হয়েছে। নিহতের পরিবার চালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রোজা রেখেও বিএনপি মিথ্যাচার করেঃ প্রধানমন্ত্রী

রাজনীতিক ডেস্কঃ আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের সুফল ভোগ করেও বিএনপি অনবরত মিথ্যাচার করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোজা রেখেও বিএনপি নেতারা এত মিথ্যাচার কীভাবে করে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল সোমবার (২৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

 প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সময় রেখে যাওয়া ৬২ হাজার কোটি টাকার বাজেট আমাদের সময় ৬ লাখ কোটি ছাড়িয়েছে। তবুও তারা বলে দেশের উন্নয়ন হচ্ছে না। উন্নয়নের সুফল নিয়ে ঠিকই তারা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। তবু মাইকে সারাদিন মিথ্যাচার করছে। রোজা রেখে তারা কীভাবে পারে এত মিথ্যা কথা বলতে?
 
এ সময় বাংলাদেশের মানুষের কষ্ট বোঝে না বলেই বিএনপি রমজানে আন্দোলনের ডাক দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিএনপির নেতাকর্মীরা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, এমন অভিযোগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী দলের সদস্যদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না। আমরা তো তাদের মিছিল করতে দিচ্ছি। তারাতো আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িতেই থাকতে দেয়নি। সড়কে নামলে বর্বর নির্যাতন চালিয়েছে, বাড়িঘর দখল করেছে। হত্যা-গুমের মাধ্যমে ভয়ের রাজত্ব কায়েম করেছিল।’
 
‘রমজানে যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে, তাদের কাছে কেউ নিরাপদ না’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তারা যা করেছে, সে সবের এক ভাগ করলেও তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু আমরা প্রতিশোধ নেইনি, আমরা অন্যায় করিনি। আমরা কেবল তাদের অন্যায়ের বিচার করছি।’
 
বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আঁধার থেকে আলোর পথে যাত্রা শুরু হয়েছে বাংলাদেশের। আওয়ামী লীগের ওপর মানুষের যে আস্থা-ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

“আমি বুড়ো হয়ে গেছি মরেও যাবো তবুও রাস্তার দেখা মিলল না”

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: শীতের দাপট শেষে, সামনে বর্ষা আসছে, আমাদের এই বাগান হচ্ছে করিমপুর চা বাগানের একটি ফাড়ি বাগান। ঝড় বৃষ্টি বাদল মাথায় নিয়ে অনেক দূর পথ পায়ে হেটে কর্মস্থলে যেতে হয়। রাস্তা পাকা হবে এই সব কথা শুনতে শুনতে আমি বুড়ো হয়ে গেছি মরেও যাবো। গত রবিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সবাই যখন স্বাধীন বাংলার পতাকা হাতে আনন্দে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্বাধীন বাংলার স্বাধ নিচ্ছে আর আমরা দি ইন্দেশ্বর ফাড়ি বাগানের সাধারণ চা শ্রমিকরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে দাবি জানিয়ে করিমপুর-ইন্দেশ্বর রাস্তায় একজন নারী চা শ্রমিক পাপামা নাইডু আবেগ প্রবণ হয়ে এসব কথা বলেন।

মৌলভীবাজারের রাজনগরে করিমপুর চা বাগান থেকে ইন্দেশ্বর চা বাগান পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা-পাকা করনের দাবীতে চা শ্রমিকরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। শ্রমিকরা জানিয়েছেন, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কুলাউড়া উপজেলার লুয়াইনি হতে করিমপুর ইন্দেশ্বর হয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ ভায়া সিলেট পর্যন্ত রাস্তাটি কাঁচা রয়ে গেল। এমপি মন্ত্রীরা শুধু আশ্বাস দেন। কিন্তু কোনো আমলেই রাস্তাটি পাকা করা হয়নি। এমনকি ইট সলিং পর্যন্তও হয়নি। আমরা এই স্বাধীন বাংলার সাধারণ নাগরিক এই সুবিধা থেকে ও বঞ্চিত। আমরা কতটা অবহেলিত নিপীড়িত চা শ্রমিকরা।

শ্রমিকরা আরো বলেন, বাগানের চা শ্রমিক শিশুদের লেখা পড়ার জন্য একটি সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা কত সুখে স্বাধীন বাংলায় বসবাস করছি!

এসব দাবী দাওয়া নিয়েই ইন্দেশ্বর ফাড়ি বাগানের কয়েক শত চা শ্রমিক রাস্তায় নেমেছিলো দাবি আদায়ের লক্ষ্যে। চা বাগানে গিয়ে কথা হলে শ্রমিক মাখন রিকমন বলেন, আমাদের একশ বছরের ঐতিহ্যবাহী রাস্তাটি কাঁচা রয়ে গেল। আমরা সকল আমলেই এলাকার এমপি মন্ত্রীদের দারস্থ হয়েছি। আশ্বাস দিলেও কোনো কাজের কাজ কিছুই করে দেননি তারা।

চা শ্রমিক সুজন পাল  বলেন, বর্ষাকালে এই রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। তখন আমাদের শ্রমিকরা দুর্ভোগ পোহায়, স্কুলগামী ছাত্র ছাত্রীরা স্কুলে যেতে পারেনা, নারী শ্রমিকদের কাজে যেতে কষ্ট হয়। এসব দেখে শুনে ও কি আমরা চা শ্রমিকরা স্বাধীন দেশে সুখে আছি!

স্থানীয় ইউপি সদস্য বেলাল আহমদ  বলেন, আমাদের একটাই দাবী আগামী নির্বাচনের আগে রাস্তা পাকা করন। প্রতি নির্বাচনের আগে এমপিরা আশ্বাস দেন, কিন্তু নির্বাচনের পরে আর কারো খোঁজ পাওয়া যায় না। বাগানের সহস্রাধিক শ্রমিক কাঁদার কারণে বর্ষাকালে জরুরী কাজে বাহিরে যেতে পারেন না।

মানববন্ধনে যোগ দিয়ে চা শ্রমিক শিশু অর্চি নাইডু বলে, বাগানে আমরা একটা সরকারি স্কুল চাই। আমাদের এখান থেকে সরকারি স্কুল অনেক দূরে, আমরা যেতে পারিনা। এজন্য বাচ্চার পড়ালেখার বাহিরে থেকে যায়। কতটা অবহেলিত নিপীড়িত মানুষের মাঝে আমরা দিনাতিপাত করে যাচ্ছি সে বিষয়ে সকলের নিকট আবেদন, দেখুন আমাদের জীবন যাপন নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস না হতে পারে স্বাধীন দেশে পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ আমরা! কেন এই বৈষম্য অবহেলিত সে প্রশ্ন রয়ে যায় সব সময়।

‘বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন প্রয়াত সাংবাদিক বেবী মওদুদ

শিক্ষা ডেস্কঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টির উদ্যোগে প্রথমবার “বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক” পাচ্ছেন প্রয়াত সাংবাদিক ও সাবেক সংসদ সদস্য বেবী মওদুদ। তার কর্মজীবনে তিনি বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গবেষণার সাথেও জড়িত ছিলেন।

গতকাল সোমবার (২৭ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক মনোনয়ন কমিটির এক সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেয়া হয়।

বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক দেওয়ার লক্ষ্যে সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি মনোনয়ন কমিটি গঠন করা হয়। গত ১৬ মার্চ এ কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টির পরিচালক অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মাহফুজা খানম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা ও সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল।

বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ এবং ‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক গ্রন্থসহ বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের ক্ষেত্রে বেবী মওদুদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বেবী মওদুদ ১৯৪৮ সালের ২৩ জুন জন্মগ্রহণ করেন। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই তিনি ইন্তেকাল করেন।

সূর্যমুখী চাষে বেকায়দায় পড়েছেন কৃষক!

পারভেজ সরকার, সিরাজগঞ্জঃ সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ধানগড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা নূর ইসলাম। পেশায় একজন গাছ ব্যবসায়ী। নূর ইসলামের পিতা রওশন আলী একজন দিনমজুর কৃষক। কৃষি কাজ করেই চলে তাদের সংসার।নিজের জমি বলতে বাড়ির আঙিনায় রয়েছে ৪৫ শতাংশ আবাদি কৃষি জমি। সাংসারিক ভাবে স্থানীয় ক্ষুদ্র ঋণ দান সমিতি উদ্দিপন থেকে দুই হাজার পাঁচশত টাকা দিয়ে কেনেন ২ কেজি সূর্যমুখী বীজ। বাবার জমি বর্গা নিয়েই চাষ করেন সূর্যমূখী। তার চাষ করা সূর্যমুখী ক্ষেতে সূর্যমুখীর হলুদ আঙ্গিনায় প্রত্যেকদিন সকাল থেকেই দেখা যায় মানুষের আনাগোনা। বিশেষ করে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজের তরুণ-তরুণীদের উচ্ছ্বাসে মুখরিত থাকে সেখানে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ-বা ফোনে ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

রায়গঞ্জ উপজেলার  বাসিন্দা ইমরান হাসান পরিবারের একমাত্র মেয়েকে নিয়ে সূর্যমুখী ফুলের সৌন্দর্য দেখতে এসেছেন। এসে তার খুবই ভালো লেগেছে। ছবি তুলেছেন, ভিডিও করে তা ছড়িয়ে দিয়েছেন।

তবে সূর্যমুখীর ক্ষেত দেখতে প্রচুর লোক সমাগমে বেকায়দায় পড়েছে কৃষক নুর ইসলামের পরিবার। পরিস্থিতি সামালাতে  তার পরিবারের লোকজন হিমশিম খাচ্ছেন। অনেকেই বাগানে ঢুকে ফুল ও গাছ নষ্ট করেন বলে অভিযোগ তাদের। কেউ কেউ ফুলের ছবি তোলার জন্য তা ছিঁড়েও ফেলেন।

রায়গঞ্জ উপজেলার তেলিজানা এলাকার চাষি আহমেদ কবির বলেন, “অন্য ফসলের চেয়ে খরচ কম ও অধিক লাভ হওয়ার কারণে আগামীতে এই ফুলের চাষ তিনিও করবেন।

রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের তেলিজানা ব্লকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা উপসহকারী মাহবুবুল হাসান বলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ স্যারের দিক নির্দেশায় সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে আসছি।

রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ বলেন, “এই ফুলের চাষ নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে বীজ বপনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে। বীজ বপনের ৯০ থেকে ১০০ দিনের মধ্যে ফসল তোলা যায়। সামান্য পরিমাণ রাসায়নিক সার ও দুবার সেচ দিতে হয়। প্রতি একর জমিতে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা খরচ হয়। আর এক একর জমির উৎপাদিত বীজ থেকে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব। সূর্যমুখী গাছ জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।