নেত্রকোণায় দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষককে পুনঃবহালের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক জীবন রায়কে বিদ্যালয়ে পুনঃবহালের দাবিতে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২ ঘটিকায় মোক্তারপাড়া পৌরসভার সামনে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

নেত্রকোণা দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক জীবন রায়কে বিদ্যালয়ে পুনঃবহালের দাবিতে দানব বন্ধন করেছে বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক জীবন রায়কে বিদ্যালয়ে পুনঃবহালের দাবিতে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।   শনিবার দুপুর ১২ ঘটিকায় মোক্তারপাড়া পৌরসভার সামনে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।   নেত্রকোণা দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক জীবন রায়কে বিদ্যালয়ে পুনঃবহালের দাবিতে দানব বন্ধন করেছে বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।  এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ফাহিম রহমান খান, রাজন ক্লান্তি সরকার বাপন সহ আরো অনেকে। বিদ্যালয়ে জীবন রায়কে পুনঃবহাল সহ শিক্ষকদের প্রতি অবিচার ও হয়রানি বন্ধ সহ সাত দফা দাবি পেশ করেন।   পরে বক্তারা বলেন যদি অবিলম্বে দাবি মানা না হয় তাহলে আরো কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ফাহিম রহমান খান, রাজন ক্লান্তি সরকার বাপন সহ আরো অনেকে। বিদ্যালয়ে জীবন রায়কে পুনঃবহাল সহ শিক্ষকদের প্রতি অবিচার ও হয়রানি বন্ধ সহ সাত দফা দাবি পেশ করেন।

পরে বক্তারা বলেন যদি অবিলম্বে দাবি মানা না হয় তাহলে আরো কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

সিলেট বিকেএসপিতে একাডেমিক ভবন ও সিনথেটিক ফুটবল মাঠের উদ্বোধন

স্পোর্টস ডেস্কঃ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)সিলেট এর নতুন একাডেমিক ভবন ও সিনথেটিক ফুটবল মাঠের উদ্বোধন হয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুরে এ দুটি স্থাপনার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। কমলাপুর স্টেডিয়ামের পর সিলেট বিকেএসপির ফুটবল মাঠে স্থাপিত হলো টার্ফ।ক

উল্লেখ্য,  একসময় এই সিলেট বিকেএসপি-ই একাডেমির জন্য ব্যবহার করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। পরবর্তীতে তা বিকেএসপির কাছে হস্তান্তরও করা হয়। এই প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে প্রায় ৫ বছর সিলেট বিকেএসপি ব্যবহারের জন্য দেয়া হয়েছিল। ২০১৭ সালে তারা যখন সিলেট বিকেএসপিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে তখন আমরা এটিকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেই। এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে সিলেট বিকেএসপি’র নবনির্মিত অ্যাকাডেমিক ভবন ও সিনথেটিক ফুটবল মাঠ করা হলো। এটিকে আরও সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে এবং এখানে সুইমিংপুল ও জিমন্যাসিয়াম তৈরি করা হবে বলেও জানান তিনি।

বিকেএসপির মহাপরিচালক এএকে এম মাজহারুল হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন।

 

মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে বদ্ধ পরিকর চেয়ারম্যান রুবেল উদ্দিন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৮নং কনকপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের টেকশালিয়া গ্রামের রাস্তা থেকে অসিম দেব (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়েছে।

আটককৃত ইয়াবা ট্যাবলেট ব্যবসায়ী কনকপুর ইউপি ফতেপুর গ্রামের মৃত অরিনী দেবের ছেলে অসিম দেব।

সদর থানা পুলিশের তথ্য মতে মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ ঠা মে বুধবার ৮নং কনকপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের টেকশালিয়া গ্রামের কনাই মিয়ার বাড়ির সামনের রাস্তার উপর থেকে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয় বিক্রয়ের সময় স্থানীয় জনতা অসিম দেব’কে আটক করেন।

এই সময় ৮নং কনকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রুবেল উদ্দিন ও ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাসেল আহমদ এর উপস্থিতিতে আটককৃত অসিম দেবের শরীর তল্লাশী করে ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

এরপর কনকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রুবেল উদ্দিনের নেতৃত্বে অসিম দেবকে আটক করার পর পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে চেয়ারম্যান থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

পরে আসামীর দেওয়া স্বীকারোক্তিতে ২০১৮ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারায় আটককৃত  ইয়াবা ব্যবসায়ী অসিম দেব’কে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এদিকে এই ঘঠনার পরের দিন (৫ মে ) রোজ বৃহষ্পতিবার ৮নং কনকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রুবেল উদ্দিন সাংবাদিকদের নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন উনার নিজ বাড়িতে। এই সময় উপস্থিত ছিলেন ৮নং কনকপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জুলহাস আহমদ (লিটন), ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহ আলম, ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শিব্বির আহমদ, ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাসেল আহমদ, ১,২,৩ সংরক্ষিত আসনের মহিলা ইউপি সদস্য মাজেদা আক্তার পপিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।

এই সময় রুবেল উদ্দিন বলেন মাদকমুক্ত কনকপুর ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে আমার এই ধরণের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। এতে সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন, এছাড়াও মাদক ব্যবসায়ীদেরকে যে ধরিয়ে দিবে তাকে পুরষ্কৃত করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রুবেল উদ্দিন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ৮নং কনকপুর ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এরই ধারাবাহিকতায় উনার নেতৃত্বে এই মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। সাথে হুশিয়ার করে দেন যে যারা মাদকের সাথে জড়িত তাদের এ পথ থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য, অন্যথায় এই অসিম মাদক ব্যবসায়ীর মত অবস্থা হবে আগামীতে।

বাকি জীবন দেবিদ্বার পৌরবাসীর মাঝে বিরাজ করতে চাইঃ সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী সাংবাদিক খায়ের

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ অল্প কিছু দিনের মধ্যেই দেবিদ্বার পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা শুনা যাচ্ছে। এই নিয়ে সারা দেশের মতো দেবিদ্বার পৌরসভার নবীন ও প্রবীণ সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা শুরু করেছেন নিজেদের প্রচার প্রচারণা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থকেরা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।এছাড়া দেবিদ্বার পৌরসভার বিভিন্ন হাট, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে দেয়াল। আসন্ন দেবিদ্বার পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে সরব হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গণ। সর্বত্রই চলছে আলোচনা, বইছে নির্বাচনী হাওয়া।

দেবিদ্বার পৌরসভার মেয়র পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন জাতীয় দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার, Rtv কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধি, মরিচাকান্দা জিয়া স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি, কুমিল্লা ইউনিটি রিপোর্টারসের সাংগঠনিক সম্পাদক, দেবিদ্বার প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা,মুরাদনগর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং দেবিদ্বার পৌরসভার ভিংলাবাড়ী গ্রামের মরহুম হাজী মোঃ কামাল উদ্দিনের সুযোগ্য পুত্র সাংবাদিক আবুল খায়ের।

পারিবারিক সূত্র বলছে, সাংবাদিক আবুল খায়ের একজন সৎ, নিষ্ঠাবান মানুষ। তিনি বিভিন্ন সময় বিদ্যালয়, মাদ্রাসা,ঈদগাহ, কবরস্থানসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব পালন ও সমাজ কল্যাণমুলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িত থেকে সমাজ সেবায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং তিনি করোনা কালীন সময়ে অসহায় কর্মহীন হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এবং শীতার্তদের মাঝে শীত বস্র বিতরণ করেন। মানুষের সেবা করাকেই তিনি মহান ব্রত হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

সাংবাদিক আবুল খায়ের দেবিদ্বার পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন,ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে তাল মিলিয়ে দেবিদ্বার পৌরসভাকে একটি পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গঠনে সচেষ্ট হবেন।নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে তিনি নিয়মিত গনসংযোগ করছেন।দেবিদ্বার পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও আগামীতে আর কি কি হতে যাচ্ছে সেই বার্তাও পৌছে দিচ্ছেন।

সাংবাদিক আবুল খায়ের বলেন দেবিদ্বার পৌরসভার তৃণমূলের জনসাধারণের হৃদয়ের ভাষা উপলব্ধি করতে চাই, অবহেলিত এবং দুঃখী মানুষের আবেগ গুলো শুনতে তাদের দুয়ারে দুয়ারে যেতে চাই। হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা দিয়ে পৌরসভার বাসিন্দাদের পাশে থাকতে চাই, মানব সেবায় বাকি জীবন জনসাধারণের মাঝে বিরাজ করতে চাই,অসহায় গরীব মানুষ গুলোই হউক আমার শেষ ঠিকানা।তিনি আরও বলেন,আমি আসন্ন দেবিদ্বার পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হলে শাসক নয় জনগনের সেবক হয়ে কাজ করবো। দেবিদ্বার পৌরসভাকে মাদক, সন্ত্রাস ও দূর্নীতি মুক্ত করতে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করব।

সাংবাদিক আবুল খায়ের এলাকায় সমাজসেবক হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এছাড়া সকল সময়ে তিনি অসহায় দুস্থ্য মানুষের সুখ দুঃখে সর্বদা পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডসহ একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এলাকায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রচারণাকালে তিনি আরো জানান, আমি মেয়র নির্বাচিত হলে সুশীল সমাজকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা মূলক দেবিদ্বার পৌরসভার অবকাঠামোগত উন্নয়ন তথা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাস্তাঘাট, কালভাট, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেকার যুবক-যুবতীদের যথাযথ প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী করে তোলার কাজ করব। নারী ও শিশুনির্যাতন, মানব পাচার, এসিড, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ এবং মাদক, চোরাচালানের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলবো। দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ণতাকে পিছনে ফেলে দেবিদ্বার পৌরবাসীর সার্বিক সহযোগীতায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ ত্বরান্বিত করবো।

তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে আরো বলেন, সবার সহযোগিতায় দেবিদ্বার পৌরসভাকে বাংলাদেশের মধ্যে একটি মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যেখানে থাকবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সুখ-শান্তি আর নাগরিকের সুযোগ সুবিধা।

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ট্রলিতে গাছ তুলতে গিয়ে কাঠ শ্রমিকের মৃত্যু

অলিউর রহমান মেরাজ, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৯ নং কুশদহ ইউনিয়নের ষষ্টিপাড়া গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছপালাসহ প্রায় শতাধিক কাঁচা পাকা ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সেখানে আকাশমনির বাগানে বেশ কিছু গাছ ঝড়ে উপড়ে পড়ে যায়। ওই গাছগুলো বাগান মালিক বিক্রি করে দেয়। বিক্রয় হওয়া গাছগুলো সংগ্রহ করে ট্রলির মাধ্যমে গাড়িতে উঠানোর সময় মোটা একটি গুড়ি পিছলে পড়লে ঘটনাস্থলেই ওই কাঠ শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

এলাকাবাসী জানান, শনিবার সকাল ১১ টায় আকাশমনির গাছ কেটে গাড়িতে তোলার সময় বেতিক্রম ভাবে আকাশমনি গাছের গুড়ি মাথায় পড়ে গিয়ে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই কাঠ শ্রমিক তাইজুল ইসলাম (৩২) এর মৃত্যু হয়।

মৃত কাঠ শ্রমিক কুশদহ ইউনিয়নের বাঘাডুবি ভবানীপুর গ্রামের ছব্বুর হোসেনের ছেলে।

আফতাবগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রেজাউল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে দিনাজপুর এম এ আব্দুর রহিম মেডিক্যাল হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। পোস্ট মর্টেম শেষে পরিবারের নিকট লাশ হস্তান্তর করা হবে।

কুলাউড়ায় বৈদ্যুতিক তারের লাইনের উপর পড়ে কিশোরী গুরুতর আহত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বৈদ্যুতিক তারের সাথে লেগে কিশোরী আহত হয়েছে। (৭ মে) শনিবার কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নে ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জুড়ী উপজেলার রানীমোড়া নামক গ্রামের বাসিন্দা জামাল মিয়ার মেয়ে সিপা বেগম (১৬) এর সাথে মোবাইল ফোনে প্রেম হয়। কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা জীবন নামক ছেলের সাথে। মোবাইল ফোনে প্রেম। প্রেমিকের পাঠানো সিএনজি অটোরিক্সা রিক্সায় চড়ে দেখা করতে আসেন কিশোরী প্রেমিকা। সেখানেই ঘটে দুর্ঘটনা। বৈদ্যুতিক তারে ঝলসে গেছে শরীর। বাস্তবে জীবন নামে কোন ছেলের সন্ধান মেলেনি।

সেই সুবাদে প্রেমিক দেখা করতে একটি সিএনজি অটোরিক্সা পাঠান প্রেমিকাকে আনতে। প্রেমিকের পাঠানো সিএনজি অটোরিক্সায় চড়ে একই গ্রামের তানজিনা নামক খালাতো বোনকে নিয়ে প্রেমিকের সাথে দেখা করতে আসেন সিপা বেগম। সাক্ষাৎ করার সময় ঝগড়া বাঁধে উভয়ের মধ্যে। একপর্যায়ে, জয়চন্ডী ইউনিয়নর ভূমি অফিসের পেছন দিয়ে প্রবাহিত পল্লী বিদ্যুৎতের ১১কেভি লাইনের উপর পড়েন সিপা বেগম। এতে বিকট শব্দে বিদ্যুৎলাইনে শব্দ হয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

এই ঘটনা দেখে, স্থানীয় শিশুদের চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে সিপা বেগমকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। সিপা বেগমের গলা থেকে কোমর পর্যন্ত বিদ্যুতের আগুণে ঝলসে গেছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আহত সিপা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করেছেন।

তবে সিপা বেগমকে আনতে যাওয়া সিএনজি অটোরিক্সা ও তার খালাতো বোন তানজিনাসহ প্রেমিক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে ঘটনার মূল রহস্য জানা সম্ভব হয়নি।

এদিকে কুলাউড়া থানার এসআই মহসিন খবর পেয়ে কুলাউড়া হাসপাতালে যান। তিনি জানান, সিপার দেয়া মোবাইল নাম্বার অনুসারে তার মা ও মামাকে খবর জানানো হলেও বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৪ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও পরিবারের কেউ আসেনি। সিপা বেগমও অসলগ্ন কথাবার্তা বলছে। পরিবারের লোকজন এলে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইউক্রেনে স্কুলে বোমা হামলার অভিযোগ, ৬০ জনের মৃত্যুর আশংকা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইউক্রেনের লুহানস্কের একটি স্কুলে এবার  রুশ বাহিনীর বোমা হামলায় ৬০ জন নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। গত রবিবার  ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেন, আক্রমণের ভয়ে বহু মানুষ ওই স্কুলটিতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু রাশিয়া স্কুল ভবনেও আক্রমণ চালিয়েছে।

লুহানস্কের গভর্নর জানিয়েছেন, রাশিয়ার বিমান থেকে বোমা ফেলার পর স্কুলের বাড়ি ভেঙে পড়ে। এরপর সেখানে আগুন ধরে যায়। স্কুলের বেসমেন্টে প্রচুর মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। দমকল কর্মীরা প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে চেষ্টার পর আগুন নেভাতে সহ্মম হন। স্কুল ভবন থেকে ইতোমধ্যে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভেঙে পড়া দালানের ইট ও পাথরের নিচে চাপা পড়ে আরও ৫৮ জন নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন লুহানস্ক অঞ্চলের মেয়র।

উল্লেখ্য, রাশিয়ার এই হামলায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, রাশিয়ার এই আক্রমণ মেনে নেওয়া যায় না। স্কুল ভবনে হামলা ক্ষমাহীন অপরাধ। এদিন ফের যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি বৈঠকে বসার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। তবে স্কুল ভবনে বোমা ফেলা নিয়ে রাশিয়া এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

এদিকে জাপানের বক্তব্য়ে জানা যায়, তারা রাশিয়া থেকে অশোধিত তেলের আমদানি বন্ধ করবে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী জি ৭ বৈঠকে বলেছেন, জাপান সম্পূর্ণভাবে বিদেশি তেলের উপর নির্ভরশীল। রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি করা হয়। নীতিগতভাবে তারা ওই তেলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করছে।

জাপান জানিয়েছে, বিকল্প শক্তির উপর তারা জোর দিচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব রাশিয়ার তেল নেওয়া পুরোপুরি বন্ধ করা হবে।

ফুলবাড়ীতে সংকটের অজুহাতে ১১০ টাকা লিটার দরে বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে সংকটের অজুহাতে খোলা বাজারে ১০০ থেকে ১১০ টাকা লিটার দরে বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল। এদিকে  উপজেলায় পেট্রোল পাম্প না থাকায় সংকট দেখিয়ে ৯৫ টাকা লিটার দরে পেট্রোল বিক্রি করছে ডিপো মালিকরা। আর এ সুযোগে উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের হাট-বাজারের খুচরা বিক্রেতারা ১০০ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি করছে। শুক্রবার থেকে এ উপজেলায় হঠাৎ করে পেট্রোলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ ও মটরসাইকেল চালকরা বিপাকে পড়েছেন।

উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম বন্ধন জানান, বালারহাট বাজারে ১০০ টাকা লিটার দরে ২ লিটার পেট্রোল কিনে মোটরসাইকেলে ভরেছেন তিনি। একই ইউনিয়নের কুরুষা ফেরুষা এলাকার জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার সকালে বাজারে পেট্রোল কিনতে গিয়ে লিটার প্রতি ১১০ টাকা দাম শুনে হতবাক হই। এ অবস্থা চললে ভোগান্তি বেড়ে যাবে।

বালারহাট বাজারের খুচরা পেট্রোল বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানান, ১০০ টাকা প্রতি লিটার পেট্রোল বিক্রি করছেন তিনি। অন্য বিক্রেতা লিমন মিয়া জানান, শনিবার সকাল থেকে লিটার প্রতি ১১০টাকা দরে পেট্রোল বিক্রি করছেন তিনি। তারা জানান, পাম্পগুলোতে পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে না। মহাজনদের কাছ থেকে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা লিটার দরে পেট্রোল কিনতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা সদরের স্বপন ট্রেডার্সের ম্যানেজার সুশান্ত সেন জানান, সরবরাহ না থাকায় প্রতি লিটার পেট্রোল ৯৫ টাকা দরে বিক্রি করছেন তিনি।

কুড়িগ্রামের পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজরুল ইসলাম জানান, আমরা বাঘাবাড়িতে তেলের লরি পাঠিয়ে বসে আছি। সেখানে তেলের যে জাহাজ আসে সেটা এখনো ভেড়েনি। তাছাড়া রেল পথে যে তেল আসত সেটাও বন্ধ রয়েছে। ফলে কিছুটা সংকট সৃষ্টি হয়েছে। কবে নাগাদ এই পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটবে সেটাও বলতে পারছি না।

আজ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী

সিএনবিডি ডেস্কঃ আজ কবিগুরুর জন্মজয়ন্তী। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের পঁচিশে বৈশাখ কলকাতায় জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জম্মগ্রহণ করেন তিনি। সার্বজনীন এ কবি বাংলাভাষা সাহিত্যকে নিয়ে গেছেন বিশ্ব দরবারে। তাইতো নাগরিক মধ্যবিত্ত মননে আজও বাজে কবির অনিন্দ্যসুন্দর সব গান। আনন্দ, বেদনা, কিংবা বিরহ, ভালোবাসা প্রতিটি প্রকাশেই বাংলা ভাষাভাষির প্রাণের আশ্রয় রবীন্দ্রনাথ।

সীমার মাঝে অসীম তুমি বাজাও আপন সুর.. আমার মধ্যে তোমার প্রকাশ তাই এত মধুর.. কত বর্ণে কত গন্ধে, কত গানে কত ছন্দে.. অরূপ, তোমার রূপের লীলায় জাগে হৃদয়-পুরু.. আমার মধ্যে তোমার শোভা এমন সুমধুর….বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি পরতে পরতে এমনি রস মিশিয়ে এই সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। নিজের সময়ে থেকেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ধারণ করেছিলেন অনাগত কালকে। তাইতো সব সৃষ্টি কর্মই এখনো সমান আবেদন নিয়ে মুগ্ধ শ্রোতারা। মধ্যযুগীয় উপনিবেশিক সাহিত্যের বেড়াজাল থেকে বাংলা সাহিত্যকে আধুনিকতায় মুক্তি দিয়েছিলেন কবিগুরু। বাংলা সাহিত্যের অনন্যপ্রতিভা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখনীতে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলা সাহিত্যের সব কটি ধারা। কবিগুরুর হাতেই মূলত সার্থক বাংলা ছোটগল্পের সূত্রপাত। এরপর গান-কবিতায় তিনি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। মূলত সে উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন বাংলা সাহিত্যকে।

রবীন্দ্রনাথ বাংলার কবি, বাঙালির কবি। তবে তিনি নিজেকে বিশ্বচরাচরের অংশ হিসেবে বিশ্বাস করতেন। বাঙালির উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘তুমি নিছক বাঙ্গালী নও, তুমি বিশ্বচরাচরের অংশ।’ সকলের সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রেমের মধ্যে বাঁচতে বলেছেন রবীন্দ্রনাথ। সঙ্গে যুক্ত করতে বলেছেন- প্রাণীজগৎ, নিসর্গ, প্রকৃতিকে । শুধু তাই নয়, শিল্পের জগত, কল্পনার জগতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজের বিস্তার ঘটাতে বলেছেন। পাশাপাশি কাজ করেছেন কৃষক ও জনমানবের জন্যও।

শৈশবে তিনি কলকাতার ওরিয়েন্টাল সেমিনারি, নরম্যাল স্কুল, বেঙ্গল একাডেমি ও সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজিয়েট স্কুলে পড়াশোনা করেন। ছেলেবেলায় জোড়াসাঁকোর বাড়িতে অথবা বোলপুর ও পানিহাটির বাগানবাড়িতে প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে ঘুরে বেড়াতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। ৮ বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৮ সালে ব্যারিস্টারি পড়ার উদ্দেশে তিনি ইংল্যান্ড যান। সেখানে তিনি ব্রাইটনের একটি পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। ১৮৭৯ সালে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে আইনবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন।

প্রায় দেড় বছর ইংল্যান্ডে কাটিয়ে ১৮৮০ সালে কোনো ডিগ্রি না নিয়ে দেশে ফিরে আসেন। ১৮৮৩ সালের ভবতারিণীর সঙ্গে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহিত জীবনে ভবতারিণীর নামকরণ হয়েছিল মৃণালিনী দেবী। এর মধ্যেই চলতে থাকে তার সাহিত্যচর্চা। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও উড়িষ্যার জমিদারি তদারকি শুরু করেন রবীন্দ্রনাথ। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে রবীন্দ্রনাথ সপরিবারে শিলাইদহ ছেড়ে চলে আসেন বীরভূম জেলার বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে।

বাংলা ভাষার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস ও ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে। গীতাঞ্জলী রচনা করে তিনি ১৯১৩ সালে পান সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার। যার অর্থ দিয়ে তিনি এ দেশে শাহজাদপুরের দরিদ্র কৃষকদের ঋণ দেয়ার উদ্দেশে প্রতিষ্ঠা করেন কৃষি ব্যাংক। ওপার বাংলায় গড়ে তোলেন শান্তিনিকেতন।

জন্মের দেড় শতাধিক বছর পেরিয়ে গেলেও বাঙালিদের এখন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা বাঙালির কাছেই এক আনন্দঘন উৎসবের এ দিন। কবিগুরুর জন্মদিনের উৎসবে রবীন্দ্রজয়ন্তীর অজস্র অনুষ্ঠান আয়োজন করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হতো প্রিয় কবির স্মৃতির প্রতি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা পরিমাণে বিপুল, বিষয়ে বৈচিত্র্যময়। কবিতা, সংগীত, উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, ভ্রমণ, শিশুতোষ রচনাসহ সাহিত্যের প্রতিটি শাখাই সমৃদ্ধ হয়েছে তাঁর মেধা-মনন-সৃজনশীলতায়। প্রায় একক প্রচেষ্টায় তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে আধুনিক করে তুলেছিলেন। জীবনের শেষ পর্যায়ে চিত্রকলা চর্চায় মনোনিবেশ করে সেখানেও অনন্যতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন।

নিউ ইয়র্কে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে করোনা সংক্রমণ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা চলতি বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রতিদিন গড়ে ১০ হাজারের বেশি মানুষ এ প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে, যা চলতি বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সুত্রে জানা গেছে, নিউ ইয়র্ক সিটিতে গেল সপ্তাহ ধরে করোনাভাইরাসে গড় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

এদিকে, এমন পরিস্থিতিতে মেয়র এরিক অ্যাডামস আরও বেশি মানুষকে টিকা ও বুস্টার ডোজ নেয়ার জন্য উত্সাহিত করছেন।

অন্যদিকে, একসময় মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত জনসন অ্যান্ড জনসনের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ব্যবহার সীমিত করে দিয়েছে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা এফডিএ।

তবে হোয়াইট হাউসের কোভিড রেসপন্স কো-অর্ডিনেটর আশিষ ঝা বলছেন, এ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। তিনি এখনও বিশ্বাস করেন জনসন অ্যান্ড জনসন একটি ভাল ভ্যাকসিন।

প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে নিউ ইয়র্ক শহরকে কোভিডের জন্য মধ্যম সতর্কতার স্তরে রাখা হয়েছে। এর চেয়ে বেশি ঝুঁকির সতকর্তা জারির অর্থ হবে ইনডোরেও টিকা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হবে।