বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ সংগঠন মৌলভীবাজার জেলা শাখার দোয়া ও ইফতার মাহফিল

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ সংগঠন (বিএসকেএস) (রেজি নং- কু-৭৮৮/০৭) মৌলভীবাজার জেলা শাখা উদ্যোগে আলোচনা সভা,দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ২৭ এপ্রিল ২৫ রমজান বুধবার, খানদানী পেলেস কুসুমবাগ মৌলভীবাজারে বিকাল ৫:০০ঘটিকায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ সংগঠন মৌলভীবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে।

সংঘটনের সভাপতি সাংবাদিক স্বপন কুমার দেব এর সভাপতিত্বে ও মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শাহ মোহাম্মদ রাজুল আলীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মিছবাহুর রহমান-নব নির্বাচিত প্রশাসক জেলা পরিষদ মৌলভীবাজার ও সাধারণ সম্পাদক আওয়ামীলীগ মৌলভীবাজার জেলা শাখা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এড.পার্থ সারথী পাল কাউন্সিলর ১নং ওয়ার্ড মৌলভীবাজার পৌরসভা,বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুহিত টিটু।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন খালেদ চৌধুরী- হেড অফ নিউজ চ্যানেল এস ইউ কে মৌলভীবাজার। এছাড়াও  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহমুদুর রহমান সভাপতি মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা মৌলভীবাজার, জুসেফ আলী চৌধুরী, সহ-সভাপতি সিলেট বিভাগীয় প্রেসক্লাব, মুহিবুর রহমান মুহিব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ বুরহান উদ্দিন সোসাইটি মৌলভীবাজার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও রাজনিতিবিদ শাহাবুদ্দিন আহমদ সাবুল, জাকারিয়া আহমদ সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি মৌলভীবাজার, জাফর ইকবাল সভাপতি মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাব।

শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশরাফুল ইসলাম শিপন, সহকারি শিক্ষক শাহ হেলাল উচ্চ বিদ্যালয়, মোতালেব আহমদ, মুর্শেদ মুন্না, মুজাহিদুল ইসলাম।

আরও উপস্থিত ছিলেন রাজনগর উপজেলার ৮নং মনসুর নগর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শামিম আহমদ, বাংলা টিভি জেলা প্রতিনিধি আলী হোসেন রাজন, এ এস কাঁকন, ফখরুল ইসলাম।

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ সংগঠন (বিএসকেএস) মৌলভীবাজার জেলা শাখার কার্যকরী পরিষদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক মো:মশাহিদ আহমদ, সহ-সভাপতি সাংবাদিক মোঃ মঈনুল হক, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক অঞ্জন প্রসাদ রায় চৌধুরী, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আব্দুল মুকিত ইমরাজ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক সাংবাদিক শাহ মো:ফজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক চিনু রঞ্জন তালুকদার, প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক সামছুল হক জুয়েল, দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক জায়েদুল ইসলাম পাপ্পু।

সম্মানিত কার্যনির্বাহী সদস্য বৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-সাংবাদিক মোঃ রিপন আহমদ, সাংবাদিক রাশেদ আহমদ, সাংবাদিক নাসরিন প্রিয়া, সাংবাদিক এনামুল হক আলম, সাহাবুদ্দিন আহমদ, মানবাদিকার কর্মী রাহাত আহমদ শিপন প্রমুখ।

আলোচনা শেষে ইফতার পূর্বে দোয়া পরিচালনা করেন হাফিজ ফরিদুল ইসলাম ফরাজ।

নওগাঁয় ঈদ সামগ্রী বিতরন

নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় সুরমা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির উদ‍্যোগে ৬০০ পরিবারের মধ‍্যে ঈদ সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার দুপুরে রজাকপুর মহল্সংলায় গঠনের প্রধান কার্যালয় চত্বরে এসব বিতরন করা হয়। সুরমা মাল্টিপারপাস কো-অপরেটিভ সোসাইটির ব‍্যবস্থাপনা পরিচালক এম সবেদুল ইসলাম রণির সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নওগাঁ সদর উপজেলা সমবায় অফিসার আকন্দ রাব্বে উল্লাহ মানিক।

এ সময় নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কায়েস উদ্দিন, নওগাঁ পৌরসভার সংরক্ষিত ৭, ৮ ও ৯ ওয়ার্ডের কিউন্সিলর ফাতেমা বেগম এবং ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান সাগর বক্তব্য রাখেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানের ডিজিএম ফেরদৌস হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

ঈদ সামগ্রীর মধ‍্যে ছিল সেমাই, চিনি, দুধ এবং মুড়ি।

আজ হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনী পবিত্র ‘লাইলাতুল কদর’

সিএনবিডি ডেস্কঃ আজ ২৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনী পবিত্র ‘লাইলাতুল কদর’ পালন করবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। মহিমান্নিত এই কদরের রাতে নাজিল হয়েছিল মানব জাতির হেদায়েতের গ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন। মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনন্য নেয়ামত এই কদরের রাত। ‘শব’ ফারসি ও ‘লাইলাতুন’ আরবি শব্দ, যার অর্থ রাত্রি। আর কদর অর্থ সম্মান ও মাহাত্ম্য। তাই শবে কদর তথা লাইলাতুল কদর অর্থ হচ্ছে সম্মানিত ও মহিমান্বিত রাত বা মর্যাদার রাত।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি তা (আল-কোরআন) নাজিল করেছি কদরের রাতে। আপনি কি জানেন, লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হলো হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনি। এই রাতে প্রতিটি কাজের জন্য ফেরেশতা ও রুহ তাদের প্রতিপালকের আদেশে অবতীর্ণ হয়। শান্তি, যা বিরাজ করে সেই রাতের ফজর পর্যন্ত (সুরা কদর, ১-৫)।’

লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব : কদরের ফজিলত বোঝানোর জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ‘কদর’ নামে আলাদা একটি সূরা অবতীর্ণ করেন। কেবল কোরআন নয় বরং হাদিসেও কদরের ফজিলত রয়েছে বলে প্রমাণ রয়েছে।

কদরের ফজিলত সম্পর্কে মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনের সূরায়ে কদরে এরশাদ করেন-নিশ্চয়ই আমি পবিত্র কোরআনুল কারীমকে লাইলাতুল কদরে অবতীর্ণ করেছি। আপনি কি জানেন লাইলাতুল কদর কি? লাইলাতুল কদর হলো হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। উক্ত রজনীতে ফেরেশতাগণ ও জিবরাঈল (আ.) তাদের প্রতিপালকের নির্দেশে প্রত্যেক বিষয় নিয়ে অবতীর্ণ হন এটা শান্তিময় রজনী যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। (সূরা আল কদর : ১-৫)।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেছেন, নিশ্চয় আমি তা (কোরআন) এক মোবারক রজনীতে অবতীর্ণ করেছি, নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। এ রাতে প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থিরকৃত হয়। (সূরা আদ দুখান : ১-৪)।

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, শবে কদরে হযরত জিবরাইল (আ.) ফেরেশতাদের বিরাট এক দল নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং যত নারী-পুরুষ নামাজরত অথবা জিকিরে মশগুল থাকে, তাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন। (তাফসিরে মাজহারি)।

মিশকাত শরিফে উল্লেখ রয়েছে, হজরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, মহানবী (সা.) এরশাদ করেন, ‘যদি তোমরা কবরকে আলোকময় পেতে চাও তাহলে লাইলাতুল কদরে জাগ্রত থেকে ইবাদত কর। রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, যদি কেউ ঈমানের সঙ্গে সাওয়াব লাভের খাঁটি নিয়তে লাইলাতুল কদর কিয়ামুল্লাইল বা তাহাজ্জুদে অতিবাহিত করে তবে তার পূর্ববর্তী সকল গোনাহ ক্ষমা করা হবে। (বুখারি, হাদিস নং : ৬৭২)।

লাইলাতুল কদর কবে?

লাইলাতুল কদরের নির্দিষ্ট কোনও তারিখ নেই। অনেকেই মনে করেন ২৭ রমজানই লাইলাতুল কদরের রাত। আসলে এ ধারণাটি সঠিক নয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) কখনও বলেন নি যে, ২৭ রমজানের রাত কদরের রাত। তবে ২১ রমজান থেকে নিয়ে ২৯ রমজন পর্যন্ত বেজোড় যে কোন রাতই শবে কদর হতে পারে।
লাইলাতুল কদরের তারিখের ব্যাপারে নবী করীম (সা.) এরশাদ করেন, আমাকে লাইলাতুল কদর দেখানো হয়েছে, অতঃপর আমাকে তা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। অতএব তোমরা শেষ দশ রাতের বেজোড় রাতসমুহে তা খোঁজ করবে। (বুখারি, হাদিস নং :৭০৯)।
রাসূল (সা.) আরও বলেন, ‘রমজানের শেষ দশদিনে তোমরা কদরের রাত তালাশ কর। (মুসলিম, হাদিস নং: ১১৬৯)।
একদা হযরত উবায়দা (রা.) নবী করীম (সা.) কে লাইলাতুল কদরের রাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তখন নবীজী সেই সাহাবিকে বললেন রমজানের বেজোড় শেষের দশ দিনের রাতগুলোকে তালাশ করো। (বুখারি, হাদিস নং: ২০১৭)।
হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যদি কেউ লাইলাতুল কদর খুঁজতে চায় তবে সে যেন তা রমজনের শেষ দশ রাত্রিতে খোঁজ করে। (মুসলিম, হাদিস নং : ৮২৩)। তাই ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজানের রাতগুলোকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
ইবনে মাজাহ শরিফে উল্লেখ রয়েছে, হজরত রাসূল (সা.) বলেন, যে লোক শবে কদর থেকে বঞ্চিত হয় সে যেন সমগ্র কল্যাণ থেকে পরিপূর্ণ বঞ্চিত হল।
আবু দাউদ শরিফে উল্লেখ রয়েছে, হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর পেলো কিন্তু ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে কাটাতে পারলো না, তার মতো হতভাগা দুনিয়াতে আর কেউ নেই। কদরের রাতের ইবাদতের সুযোগ যাতে হাতছাড়া হয়ে না যায় সেজন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ দশদিনের পুরো সময়টাতে ইতেকাফরত থাকতেন। (মুসলিম, হাদিস নং : ১১৬৭)।

লাইলাতুল কদরে আমরা কী করব?

হযরত মুহাম্মদ (সা.) রমজানের শেষ দশকে নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মধ্যে এত বেশি সময় দিতেন, যা অন্য সময়ে দিতেন না। আয়েশা (রা.) থেকে ইমাম বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন যে, রমজানের শেষ দশরাত্রি শুরু হলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত জেগে ইবাদত করতেন তার পরিবারবর্গকে জাগিয়ে তুলতেন এবং স্ত্রী-সহবাস থেকে বিরত থাকতেন।

ইমাম আহমাদ ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন যে, “তিনি রমজানের শেষ দশকে এত বেশি ইবাদত করতেন যা অন্য সময়ে করতেন না।”

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈমানের সঙ্গে ও সওয়াব পাওয়ার আশায় রাত জেগে নামাজ আদায় করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবের নিয়তে লাইলাতুল কদরে (ভাগ্য রজনীতে) নামায আদায় করবে তার অতীতের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।” [সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম] এই হাদীস প্রমাণ করে যে, ভাগ্য রজনীতে কিয়ামুল লাইল (রাত্রীকালীন নামায) আদায় করা শরীয়তের বিধান।

লাইলাতুল কদরে (ভাগ্য রজনীতে) পঠিতব্য সবচেয়ে ভালো দোয়া হচ্ছে- যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আয়েশা (রা.) কে শিক্ষা দিয়েছেন। যেটি তিরমিযি আয়েশা (রাঃ) থেকে সংকলন করেছেন এবং সহীহ আখ্যায়িত করেছেন।

আয়েশা (রাঃ) বলেন- আমি বললাম,“হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি জানতে পারি কোন রাতটি লাইলাতুল কদর (ভাগ্য রজনী) তবে সে রাতে আমি কী পড়ব? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি বলবে- “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউউন তুহিব্বুল ‘আফওয়া ফা ‘ফুউ ‘আন্নী (অর্থ: হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করাকে আপনি ভালবাসেন, অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।)

তাই পবিত্র লাইলাতুল কদরের ফজিলত অপরিসীম। তাই সারা রাত জাগরণ করে সঠিকভাবে ইবাদত-বন্দেগীতে মনোনিবেশ করা কর্তব্য। বেশি বেশি নফল নামাজ, তাহাজ্জুদ, সালাতুস তাসবিহ, উমরী কাজা নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, দান-সাদকা, জিকির-আজকার, তাসবিহ-তাহলিল, তাওবা-ইসতেগফার, দুয়া-দুরূদসহ ইত্যাদি নফল আমলের প্রতি মনযোগী হওয়া একান্ত জরুরি।

১৪ দফা নির্দেশনা দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্কঃ এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪ দফা নির্দেশনা দিয়ে এসএসসি পরীক্ষা-২০২২’র সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা- ২০২২ আগামী ১৯ জুন থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

গতকাল বুধবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সই করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪ দফা নির্দেশনাঃ 

১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

২. প্রশ্নপত্রের উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

৩. প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। বহুনির্বাচনী (MCQ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২০ মিনিট এবং সৃজনশীল পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট।

৪. পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিনদিন পূর্বে সংগ্রহ করবে।

৫. সকল শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়সমূহ এনসিটিবি এর নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সাথে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে।

৬. পরীক্ষার্থীগণ তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোন অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

৭. পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।

৮. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোন অবস্থায় ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ গ্রহণ করতে পারবে না।

৯. কোন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা (সৃজনশীল/রচনামূলক (তৃতীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক) নিজ বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না। পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।

১০. পরীক্ষার্থীগণ পরীক্ষায় নন-প্রোগ্রামেবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে।

১১. কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি/পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন না।

১২. সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে।

১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা স্ব স্ব কেন্দ্ৰ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

১৪. পরীক্ষার ফল প্রকাশের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষার জন্য অনলাইনে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

এসএসসি পরীক্ষা-২০২২’র রুটিন ডাউনলোড করতে বা দেখতে ক্লিক করুন <<<এখানে>>>

বাংলাদেশে এখনো সাম্প্রদায়িকতার বিষ বাষ্প ছড়িয়ে আছে : সেতুমন্ত্রী

রাজনীতি ডেস্কঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশে এখনো সাম্প্রদায়িকতার বিষ বাষ্প ছড়িয়ে আছে। সেই বিষ বাস্প থেকে জাতিকে উদ্ধার করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

গতকাল বুধবার শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এমন মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন একজন অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী নেতা। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

এদিন এর আগে শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের ৬০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঐতিহাসিক শহীদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে তার সমাধিতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

ওই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন ও অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম প্রমুখ।

ভারতে রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১১ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ প্রতিবেশী দেশ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের একটি মন্দিরে রথযাত্রা অনুষ্ঠানের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ১৫ জন। খবর এনডিটিভির।

আজ বুধবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে তামিলনাড়ুর থানজাভুর জেলার কালিমেদু আপ্পার মন্দিরে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, তামিলনাড়ুর থানজাভুর জেলার কালিমেদু আপ্পার মন্দিরে রথ শোভাযাত্রা চলার সময় মন্দিরের পালকিতে অনেক মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন। দাঁড়িয়ে থাকা এসব মানুষ একপর্যায়ে হাইভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে ঘটে দুর্ঘটনা। রথযাত্রা উৎসবে বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে প্রাণ হারান অন্তত ১১ জন।

এদিকে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মন্দিরের পালকিটি ওভারহেড বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে আসার সময় বাঁক নিতে গিয়ে কিছুটা বাধার সম্মুখীন হয়েছিল। বুধবার ভোরে কিছু বুঝে ওঠার আগেই রথের সঙ্গে হাইভোল্টেজ লাইনের সংঘর্ষ হয়৷ এতেই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে দুজন শিশু। এছাড়া আহত আরো তিনজনকে চিকিৎসার জন্য থানজাভুর মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।

অন্যদিকে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে।

এছাড়া বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, তামিলনাড়ুর থানজাভুর জেলার কালিমেদু আপ্পার মন্দিরে রথ শোভাযাত্রা বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে মারা গেছেন ১০ জন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। এ ঘটনায় থানায় এফআইআর করা হয়েছে।

আফতাবগঞ্জে ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি রাতেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ছুটে যান সাংসদ শিবলী সাদিক

অলিউর রহমান মেরাজ, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের গিলাঝুকি (মাহাতাব পাড়া, কুষ্টিয়া পাড়া) ও (শস্টি পাড়া, ঘোনা পাড়া ও ছাবেদ গঞ্জ) এ গতকাল মঙ্গলবার হঠাৎ করেই রাতে  প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝড় বৃষ্টির এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে  হয়েছে।

অনেকের টিনের বাড়ি লন্ডভন্ড হয়েছে আবার কারোকারো গাছ পড়ে ইটের দেয়াল ভেঙ্গে মানুষ ও আহত হয়েছে কারেন্টের পোল পরে কেউ আহত হয়েছে গরু ছাগলের ও ব্যাপক  ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেই খবর পেয়ে রাতেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ছুটে যান দিনাজপুর ০৬ আসনের সাংসদ সদস্য এমপি শিবলী সাদিক।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে সকলকে নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেন এবং যাদের বাড়ি লন্ডভন্ড হয়েছে তাদের কে নতুন করে বাড়ি নির্মাণ করে দিবেন বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ৯ নং কুশদহ ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মোঃ সায়েম সবুজ প্রমুখ।

কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম পৌরসভার গোরস্তানপাড়া এলাকায় পেয়ারা গাছের ডাল কাটতে গিয়ে সরবরাহকৃত  বিদ্যুৎ লাইনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৪র্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম সুশান্ত কুমার (১২)। সে ওই এলাকার পরেশ চন্দ্রের ছেলে এবং বাড়ির পার্শ্ববর্তী ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ষ্টেশন অফিসার আলী সাজ্জাদ জানান, তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। এরপর জানতে পারেন বাড়ির পেয়ারা গাছের ডাল কাটতে গিয়ে ২২০ ভোল্টের বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের সঙ্গে কাটা ডালের সংস্পর্শ হলে সুশান্ত কুমার নামের এক স্কুল ছাত্র বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছিটকে নিচে পড়ে যায়।

তিনি আরও জানান, এ অবস্থায় তারা সঙ্গে সঙ্গে সুশান্তকে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শিক্ষার্থীর পিতা পরেশ চন্দ্র জানান, ছেলের সঙ্গে সকালে একসাথে বসে নাস্তা খেয়েছেন। তার বেশ কিছু সময় পর সুশান্ত পেয়ারা গাছে উঠে ডাল কাটতে শুরু করে।  এ সময় কিভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেল বুঝে উঠতে পারছেন না তিনি।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।

কমলগঞ্জে বন্য শূকর হামলায় চা শ্রমিকের মৃত্যু

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার বন্য শূকরের কামড়ে চন্দন বাউরী (৫০) নামের এক চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এতে সজল তন্ত বায় নামে আরেক শ্রমিক আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ফুলবাড়ি চা বাগানে এ ঘটনা ঘটে। তিনি নতুন লাইনের লক্ষ্মীকান্ত বাউরীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চা শ্রমিক চন্দন বাউরী ও সজল তন্ত বায় প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার সকালে চা পাতা উত্তোলন করতে বাড়ি থেকে বের হন। কাজে যাওয়ার পথে ফুলবাড়ি বাগানের মাগুরছড়া সংলগ্ন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি বন্য শূকর তাদের উপর আক্রমণ করে। এ সময় সজল ও চন্দনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড় দেয়। দুই চা শ্রমিককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় চা শ্রমিকরা তাদের উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পড়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চন্দন বাউরী মারা যান। অপর আহত চা শ্রমিক সজল তন্ত বায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুন মিয়া বন্য শূকরের হামলায় চা শ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বাঘমারা বিটের কর্মকর্তা সুলহাস উদ্দীন বলেন, ‘বন্য শূকরের হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি, আহত দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে জানতে পেরেছি, একজনের মৃত্যুও হয়েছে।’

নেত্রকোণায় স্বাস্থ্য সহকারীদের নিয়ে রিফ্রেশার্স ওরিয়েন্টেশন

নেত্রকোণা প্রতিনিধি: নেত্রকোণা ডায়াবেটিক সমিতি আয়োজনে অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সহায়তায় ২ দিনব্যাপী “রিফ্রেশার্স ওরিয়েন্টেশন” শুরু হয়েছে। নেত্রকোণা ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি হাজী মো: খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় শহরের  ইসলামপুরে নেত্রকোণা ডায়াবেটিক হাসপাতালের হলরুমে ২দিন ব্যাপী  রিফ্রেশার্স ওরিয়েন্টেশনের প্রথম দিন শুরু হয়।

এতে নেত্রকোণা সদর, দূর্গাপুর, আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলার ৪৯ টি কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সহকারীরা (HA) অংশগ্রহণ করছে।

প্রথম দিনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির সম্মানিত সদস্য সচিব জনাব গাজী মোজাম্মেল হোসেন টুকুন। সূচনাপর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা ডায়াবেটিক সমিতির আজীবন সদস্য ও প্রধান পৃষ্টপোষক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা জনাব আশরাফ আলী খান খসরু এমপি।

এ সময় অন্যান্য অতিথির মধ্য উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন-সমিতির আজীবন সদস্য ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মো: আতাউর রহমান মানিক, সাধারন সম্পাদক জনাব মো: হাফিজুর রহমান খান, সমাজ সেবা ডিডি মো: আলাল উদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক জনাব মো: মাজহারুল ইসলাম খান, এডহক কমিটির সম্মানিত সদস্য জনাব ফজলুল বারী কাজল, অধ্যাপক মো: সাইদুর রহমান তালুকদার ও জনাব সোহরাব উদ্দিন আকন্দ প্রমুখ।

প্রশিক্ষণ প্রদান করেন নেত্রকোনা  ডায়াবেটিক সমিতি ও হাসপাতালের চীফ কনসালটেন্ট এবং নেত্রকোনার  সাবেক সিভিল সার্জন ডা: মো: সাহিদ উদ্দিন আহমেদ, ডা: কে. জামান. বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল, ময়মনসিংহের প্রশিক্ষক জনাব মনিরুজ্জামান মানিক, প্রকল্পের ফোকাল পার্সন দেবজ্যোতি রায় জনি ও হেলথ এডুকেটর জনাব মো: হেলাল উদ্দিন।

রিফ্রেশার্স ওরিয়েন্টেশন সঞ্চালনা করেন- অফিস সুপার অলিদ মিয়া।