ফটিকছড়ির লেলাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

সিএনবিডি ডেস্কঃ গতকাল ২৬শে এপ্রিল মঙ্গলবার ফটিকছড়ির লেলাং ইউনিয়নের সন্যাসির হাট সংলগ্ন মাঠে লেলাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক মো ফারুক হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন ফঠিকছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গোলাম রহমান।

অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ফঠিকছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন মুহুরি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রি শেখ হাসিনা ইসলামের খেদমতে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ইফতার মাহফিলের মত একটি ধর্মীয় অনুষ্টানও বানচাল করার জন্য একটি চিহ্নিত মহল বরাবরের মত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল কিন্ত লেলাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্ঠায় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের হাজারও নেতা কর্মীর উপস্থিতে অনুষ্ঠিত এ মাহফিল সফল করে আবারো প্রমান করেছেন ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগ যেকোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার সক্ষমতা রাখে।

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. জাকির হোসেন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও ফসল উদ্ভিদবিজ্ঞান অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. জাকির হোসেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোছা. রোখছানা বেগম সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মঙ্গলবার তাকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপন অনুসারে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের (আচার্য) অনুমোদনক্রমে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২১ এর ধারা ১০ (১) অনুযায়ী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. জাকির হোসেনকে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (উপাচার্য) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

আগামী চার বছর তিনি এ পদে থাকবেন। তবে রাষ্ট্রপতি চাইলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মাে. মকবুল হােসেন ও জামিলা খানমের ছেলে জাকির হোসেন ১৯৬৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার অন্তর্গত উত্তর বাউচান্দি পাকার মাথা গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

অধ্যাপক ড.এ.কে.এম. জাকির হােসেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও ফসল উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি জাপানের গিফু ইউনির্ভাসিটি থেকে প্লান্ট ফিজিওলজি অ্যান্ড বায়ােকেমিষ্ট্রি বিষয়ে পিএইচডি এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার ফর এগ্রিকালচারাল সায়েন্স থেকে পোস্ট ডক্টরাল সম্পন্ন করেন।

তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফসল উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে ১৯৯৭ সালে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন। পরবর্তীতে ২০০০ সালে সহকারী অধ্যাপক, ২০০৫ সালে সহযােগী অধ্যাপক এবং ২০১০ সালে তিনি অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।

এ বিষয়ে অধ্যাপক জাকির বলেন, রাষ্টপতি এবং প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে নতুন দায়িত্ব দিয়েছেন আমি তা সঠিক ভাবে পালন করার চেষ্টা করব। বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বিশ্বমানের করতে আমি চেষ্টা করে যাব। উত্তরের কৃষিকে উন্নত করতে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করি। উত্তরের কৃষি এবং কৃষক যেন এই বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা উপকৃত হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করব।

নেত্রকোণায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে ৩৪৭ পরিবার পেল জমিসহ ঘর

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণায় ঈদ উপলক্ষে হতদরিদ্র পরিবারের লোকজন একটি যাকাতের শাড়ি, সামান্য চাল, ডাল ও সেমাই পেত। এ বছর নেত্রকোণায় ৩৪৭টি পরিবার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে জমিসহ ঘর পেয়েছে।

মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ৩য় পর্যায়ে (ক শ্রেনীর) ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান উপলক্ষে নেত্রকোণা জেলার মদন উপজেলার দক্ষিণপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন।

এতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নেত্রকোণা জেলার ৩৪৭টি ঘরসহ ৩২ হাজার ৯ শত হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে আনুষ্ঠানিক ভাবে জমিসহ ঘর হস্তান্তরের ঘোষণা করেন।

মদন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ তালুকদারের সভাপতিত্বে জমিসহ ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কাজি মোঃ আবদুর রহমান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মদন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান, মদন পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম সাইফ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খালিয়াজুড়ি সার্কেল) রবিউল ইসলাম, মদন থানার অফিসার ইনচার্জ ফেরদৌস আলম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শওকত জামিল শুভ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কদ্দুসসহ জনপ্রতিনিধি, অন্যান্য কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে মদন উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত উপজেলা ঘোষণা করা হয়।

ভূমিসহ ঘর পেয়ে হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যরা অত্যান্ত আনন্দিত ও আবেগে আপ্লূত। তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

বাঞ্ছারামপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর

মো.নাছির উদ্দিন, বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার জমি ও পাকাঘর পেল ৭১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। সারা দেশে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৩২৯০৪টি বাড়ির মধ্যে ২৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের মধ্যে দিয়ে বাঞ্ছারামপুরেও ৭১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার জমি ও পাকাঘর পেল।

উপজেলার আশ্রয়ন প্রকল্প-৩ এর ৪৬টি ও আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর ২৫টি পরিবারের মধ্যে মঙ্গলবার সকালে জমি ও গৃহের দলিল হস্তান্তর করা হয়। উপজেলার আসাদনগর, রূপসদী কান্দাপাড়া, হোগলাকান্দি, ছয়ফল্লাকান্দি, শান্তিপুর, কালিকাপুর ও কড়িকান্দিতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো ২ শতাংশ জমিসহ তালিকাভুক্ত ভুমিহীন অসহায়দের মাঝে হস্তান্তর করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার জমি ও পাকাঘর পেয়ে উপকারভোগীরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা শমসাদ বেগম, সহকারী কমিশনার (ভুমি) শুভাশীষ চাকমা, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান সায়েদুল ইসলাম ভূইয়া বকুল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জলি আক্তার, বাঞ্ছারামপুর পৌরসভা মেয়র মো. তোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মো.  জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পবিত্র চন্দ্র মন্ডল, বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা ওসি (তদন্ত) মো.শফিকুল ইসলাম, বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নওগাঁর আত্রাইয়ে মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন বত্রিশটি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে আত্রাই উপজেলায় পাকা ঘর পাচ্ছেন বত্রিশ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রায়ণ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ের প্রথম বরাদ্দে নির্মত ওই ঘরগুলো হস্তান্তর করেন মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকাল এগারো টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভাচুয়ালি যুক্ত হয়ে উপকারভোগীদের ওইসব ঘরের চাবি, জমির দলিল ও কবুলিয়ত হস্তান্তর করেন।

প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাচুয়ালি হস্তান্তর শেষে আত্রাই উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে মুজিব বর্ষ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে মনিয়ারী ইউনিয়নের কয়ড়া গ্রামের আশ্রন প্রকল্পের বত্রিশটি ভূমিহীন ও গৃহহীন পবিবারকে ঘরের চাবি, জমির দলিল ও কবুলিয়ত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি,আত্রাই, কাজী মোহম্মাদ অনিক ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম,আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল কালাম আজাদ, আত্রাই উপজেলা প্রেস ক্লাব সাবেক সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক কামাল উদ্দিন টগর, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শ্রী নৃপেন্দ্র নাথ দত্ত দুলাল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আক্কাছ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী নীরেন্দ্র নাথ দাস, আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ভার প্রাপ্ত আর এম ও সামছুল আলম, উপজেলা প্রকৌশলী জোনায়েত আলম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সহকারী মোঃ ইসমাইল হোসেন, উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ নিজাম উদ্দিন, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ ফজলুল হক, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি অফিসার মোঃ আমিনুল ইসলাম, মনিয়ারী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সম্রাট হোসেন, ভোঁপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নাজিম উদ্দিন মন্ডল, আত্রাই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম, উপজেলা পরিষদের সকল দপ্তর প্রধান, প্রিন্ট ও ইলেকটনিক মডিয়ার সাংবাদিক সহ উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

নেত্রকোণার আটপাড়ায় গৃহীহীন ও ভূমিহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহারের ঘর হস্তান্তর

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার আটপাড়ায় ২৬ এপ্রিল (মঙ্গলবার) ভূমিহীন ও গৃহহীন ‘ক’ শ্রেণির ৩য় পর্যায়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার স্বরুপ বরাদ্দকৃত ঘর ও জমির যাবতীয় কাগজপত্র ২০টি পরিবারের মাঝে তুলে দেয়া অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে সরাসরি আটপাড়া উপজেলাকে যুক্ত করা হয়।

এ উপলক্ষে একটি আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী মো: খায়রুল ইসলাম, নির্বাহী অফিসার মাহফুজা সুলতানা, ভাইস চেয়ারম্যান মো: মিজানুর রহমান খান নন্দন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তানিয়া নাজনীন চৌধুরী রেখা, কৃষি অফিসার ফয়জুর নাহার নিপা, অফিসার ইনচার্জ জাফর ইকবাল, উপজেলা প্রকৌশলী আল মুতাসিম বিল্লাহ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেসকাতুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সুলতান আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈয়ুব উদ্দিন, ইউ.পি চেয়ারম্যান সায়েদুল হক তালুকদার, মো: শাহজাহান কবীর, মো: রোকন-উজ্জামান রোকন, প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: জহিরুল ইসলাম খান হীরাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ প্রমুখ।

কলাবাগান মাঠ

নগরায়ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠিত একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয় (subject)। এই পাঠ্যসূচি পড়েই আধুনিক নগর পরিকল্পনা করে নগরবিদরা। কিন্তু বাংলাদেশের নগরবিদরা অপরিকল্পিত নগরায়ন করে রাজধানী ঢাকাকে বাজারে পরিনত করেছে। কয়েকজন হকার রাস্তায় মালামাল নিয়ে বসলেই সেখানে হকার মার্কেট গড়ার প্রয়োজন অনুভব করে তারা। পুরানো রেলওয়ে ষ্টেশন ফুলবাড়িয়া থেকে কমলাপুর স্তানান্তরিত হয় ১৯৬৮ সালে। তখন থেকেই পরিত্যক্ত জমিটি দখলে নেয় হকাররা। সেখানে হকার মার্কেটের সংখ্যা এখন বহু। হকার মার্কেট নির্মান করে রাস্তা হকার মুক্ত করা যায়নি। তবে মার্কেট নির্মান করে নগরবিদদের পকেট ভারি হয়েছে।

৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষন দিয়েছিলেন রমনা রেসকোর্স ময়দানে। সেখানেই পাকিস্তানি সৈন্যরা মিত্র বাহিনীর কাছে আত্নসমর্পন করেছিল। স্বাধীনতার পর মাঠটির নাম বদল করে সরোওয়ার্দি উদ্যান করা হয়। নির্মীত হয় ইন্দিরা মঞ্চ। জেনারেল জিয়া ক্ষমতায় এসে ইন্দিরা মঞ্চটি ভেঙ্গে নির্মান করে শিশু পার্ক। এই শিশু পার্ক অন্যখানেও নির্মান করা যেত। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে ইতিহাস মুছে ফেলতেই শিশু পার্ক নির্মান করে জেঃ জিয়া। শিশু পার্ক শিশুদের কতটুকু বিনোদন দিয়েছে জানিনা তবে রাতের বিনোদন জমে উঠেছে এইখানে। সরোওয়ার্দি উদ্যানে এখন বাজার বসে যৌন কর্মীর। ধুপখোলা মাঠ দখল হয়ে গেছে আগেই। সেখানে এখন জমজমাট হকার মার্কেট। ধানমন্ডি মাঠ, আবহানী মাঠ সঙ্কুচিত হয়ে গেছে। আরমানিটোলা মাঠেটি চেনা যায় না। ষ্টেডিয়ামের পাশে খোলা মাঠ ছিল, সেখানে এরশাদ ষ্টেডিয়াম নির্মান করে দোকান বিক্রি করেছে ব্যবসায়ীদের কাছে। পুরো গুলিস্তান এলাকায় এখন কোন ফুটপাত নেই। সব হকারদের দখলে। ঢাকায় হকারদের কাছ থেকে প্রতিদিন টোল আদায় হয় ১০ কোটি টাকা। সিটি কর্পোরেশন মাঠ তত্বাবধায়নের দায়িত্বে। খেলাধুলার জন্য মাঠে কোন নির্মান কাজ করার আগে নগরবাসির বিনোদনের বিষয়টি ভাবার কথা। একইভাবে কলাবাগান মাঠটি দখলে নেওয়ার বুদ্ধিটি কার জানি না। তবে নগরায়ন কল্পে এট ভাল উদ্যোগ মনে হয়না। নদী দখলের মত ঢাকার মাঠ দখলদারিটি নগরবাসির জন্য সুখবর নয়। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবী জানাই।

আজিজুর রহমান প্রিন্স, কলামিস্ট ও আওয়ামীলীগ নেতা, টরন্টো, কানাডা।


 

মুরাদনগরে জাহাঙ্গীর আলম সরকারের বাসভবন উপজেলা প্রশাসন ও আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের মিলনমেলায় পরিণত

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকারের বাসভবনের দোয়া ও ইফতার মাহফিলে উপজেলা প্রশাসন ও আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল।

মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল মুরাদনগর উপজেলার চেয়ারম্যান ড.আহসানুল আলম সরকার কিশোরের বাবা আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকারের সভাপতিত্বে রামচন্দ্রপুর বি চাপিতলা গ্রামে এই দোয়া এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

উক্ত দোয়া এবং ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিষেক দাশ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমাইয়া মমিন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা নাজমুল আলম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা,উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাসহ উপজেলার আরও অন্যান্য কর্মকর্তা।

কুমিল্লা উত্তর জেলা আ’লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকারের সভাপতিত্বে এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাসুকুল ইসলামের উপস্থাপনায় দোয়া এবং ইফতার মাহফিলের বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টার, কুমিল্লা উত্তর জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট নিজামুল হক, বশিরুল আলম মিয়াজী, মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডঃ আহসানুল আলম সরকার কিশোর, দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, চান্দিনা পৌরসভার সাবেক মেয়র মফিজুল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হারুনুর রশীদ, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি সৈয়দ আহমদ হোসেন আউয়াল, উত্তর জেলা কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি পার্থ সারথী দত্ত, উত্তর জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আল আমিন, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ইকবাল হোসেন, জাকির হোসেন প্রমুখ।

মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারে ঘর পাচ্ছে ৭৭৯ টি গৃহহীন পরিবার

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে তৃতীয় ধাপে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে আশ্রয়ণের ঘর পাচ্ছে ৭৭৯টি গৃগহহীন পরিবার। মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) ৪৯৫টি ঘর হস্তান্তর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলা ১১টায় ভার্চুয়ালি ঘরগুলো উদ্বোধন করেন। রাজনগর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ৪৫টি ঘর হস্তান্তর করেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি নেছার আহমদ।

এদিকে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে উপকারভোগীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সদর উপজেলার ১৮২টি ঘর হস্তান্তর করেন, সংসদ সদস্য সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আজমল হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহি অফিসার সাবরিনা রহমান বাঁধন প্রমুখ।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে তৃতীয় পর্যায়ে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের আওতায় দেশব্যাপী প্রায় ৩২ হাজার ৯০৪ টি পরিবারকে জমি ও ঘর হস্তান্তর করা হয়।

মৌলভীবাজার জেলায় তৃতীয় পর্যায়ে বরাদ্ধকৃত নির্মিতব্য ৭৭৯টি ঘরের মধ্যে ৪৯৫টি ঘরের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। উপকারভোগীদের মধ্যে সেগুলো মঙ্গলবার হস্তান্তর করা হয়।

জানা গেছে,তৃতীয় পর্যায়ে ঘর প্রতি ব্যয় হয়েছে ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫ শত টাকা। এ পর্যায়ে মৌলভীবাজার জেলায় ৭৭৯ টি পরিবারের জন্য ৭৭৯ টি ঘরে সরকারের নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ২০ কোটি ২১ লক্ষ ৫০ হাজার ৫ শত টাকা। তৃতীয় পর্যায়ে মৌলভীবাজার জেলায় ৭৭৯ টি বরাদ্ধকৃত ঘরের মধ্যে মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় রয়েছে ৩৩২টি, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ৫০টি, রাজনগর উপজেলায় ৫৯টি, কমলগঞ্জে ৫০টি, কুলাউড়ায় ১১৩টি, বড়লেখায় ৭০টি এবং জুড়ী উপজেলায় ১০৫টি। বরাদ্ধকৃত ৭৭৯ টি ঘরের মধ্যে মঙ্গলবার জেলায় ৪৯৫টি ঘর হস্তান্তর করা হয। এর মধ্যে মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ১৮২টি, শ্রীমঙ্গলে ৫০টি,রাজনগরে ৪৫টি, কমলগঞ্জে ৫০টি,কুলাউড়ায় ৯৭টি,বড়লেখায় ৩৬টি এবং জুড়ী উপজেলায় ৩৫টি।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা,বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

রাণীশংকৈলে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিহীন-গৃহহীনদের ভূমি-গৃহ হস্তান্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ দেশব্যাপী মুজিববর্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ও একযোগে কর্মসূচিতে মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ হস্তান্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিন সারাদেশে ৩য় পর্যায়ে ৩২ হাজার ৯০৪টি ঘর উদ্বোধন করেন। এরই অংশ হিসেবে রাণীশংকৈল উপজেলায় ৩৫১ টি ঘর প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে এদিন সকাল সাড়ে ৯ টায় উপজেলা হলরুমে ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রামকৃষ্ণ বর্মণ, আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইদ্রজিৎ সাহা ও ওসি এসএম জাহিদ ইকবাল প্রমুখ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে সুবিধাভোগী, বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক নেতা, কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিরা ছাড়াও বক্তব্য দেন- প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা স্যানুয়েল মারডি,প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক-কবি আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক অধ্যক্ষ ক্রীড়া সংগঠক তাজুল ইসলাম, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম, প্রেসক্লাব আহবায়ক কুশমত আলী ও সভাপতি ফারুক হোসেন প্রমুখ।

পরে, উপজেলার বরাদ্দকৃত ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারদের মাঝে ঘর ও জমির দলিলপত্র প্রদান করা হয়।