রাণীশংকৈলে ৩৫১টি ভূমি-গৃহহীন পেল প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ আজ ২৬ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ১০ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুজিববর্ষে ভূমিহীন-গৃহহীনদের জন্য তৈরি প্রধানমন্ত্রীর ঈদের উপহার ৩২৯০৪ টি ঘর উদ্বোধন করেন। এরই অংশ হিসেব  রাণীশংকৈল উপজেলার ৩৫১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার তৃতীয় পর্যায়ে এবারের ঈদ উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে বরাদ্দ ঘরগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে পেল।

এর আগে গত রোববার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও জানান, ৩য় পর্যায়ে ঈদ উপহার হিসেবে ২৬ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সারা দেশে ৩২ হাজার ৯০৪টি ঘর হস্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে রাণীশংকৈল  উপজেলায় ৩৫১টি ঘর হস্তান্তর করা হবে। প্রত্যেকটি ঘরে বিদ্যুৎ, রাস্তা, স্যানেটারি, পানিসহ সকল সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

রোববারের  সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা স্যামুইল মার্ডি, ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা জাহেরুল ইসলাম।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নেত্রকোণা সদরে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের দেয়া ঘরের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষ্যে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ “আশ্রয়ণের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার” এই স্লোগানে নেত্রকোণায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ  প্রদান কার্যক্রমের ৩য় পর্যায় এর শুভ উদ্বোধন উপলক্ষ্যে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত রবিবার বিকাল ৪ টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা আক্তারের সভাপতিত্বে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তফসির উদ্দিন খান, উপজেলা ভূমি (সদর) কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার,জেলা প্রেসক্লাব সম্পাদক এম মুখলেছুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গাজী মোবারক হোসেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সকল সাংবাদিকবৃন্দসহ উপজেলার সকল কর্মকর্তারা।

ঈদে অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারণা এড়াতে যা করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ কর্মব্যস্ত জীবনে এখন ঈদের কেনাকাটায় কমবেশি সবাই অনলাইনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এতে সময় ও শ্রম দুটোই বাঁচে। তাই বর্তমানে অনলাইন বিজনেসও ফুলে ফেঁপে উঠেছে। কিন্তু অনলাইনের অভিজ্ঞতা সবার ক্ষেত্রে সমান নয়, কারও কারও ঠকে যাওয়ার মতো অভিজ্ঞতাও হয়েছে।

তাই অনলাইনে কেনাকাটার সময় কিছু বিষয় মাথায় রেখে সতর্ক হওয়া জরুরি। তাহলে এড়াতে পারবেন প্রতারণা। কোনটি বিশ্বাসযোগ্য আর কোনটি নয় সেটা বুঝতে হলে আপনাকে কিছু বিষয়ে নজর রাখতে হবে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক করণীয়ঃ

ওয়েবসাইট দেখে নিন- আপনি যে ওয়েবসাইট বা পেইজ থেকে পণ্য কিনবেন, সেটি ভালো করে যাচাই করে নিন। অনেক ওয়েবসাইটে প্রবেশের জন্য নতুন করে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়, এর ফলে আপনার বিভিন্ন তথ্য ওই ওয়েবসাইটে চলে যায়। তাই যে কোনো ওয়েবসাইটে আগেই অ্যাকাউন্ট খুলবেন না। প্রচারক চক্ররা এখন বিখ্যাত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনলাইন ওয়েবসাইটের সবকিছু নকল করে থাকে। বানান বা ডিজাইনে সামান্য পরিবর্তন এনে এসব ফেক সাইট খোলা হয়।

তাই যে কোনো শপিং সাইটে ব্যক্তিগত বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য প্রবেশ করানোর আগে দেখে নিন পৃষ্ঠার ওয়েব ঠিকানা ‘https:’ দিয়ে শুরু হচ্ছে নাকি ‘http:’। যদি প্রথমটি হয় তাহলে বুঝবেন সেটি সুরক্ষিত নয়।

রিভিউ এবং ঠিকানা- অনলাইনে কোনো পণ্য কেনার আগে ওই কোম্পানি বা পেইজের সুনাম কেমন তা যাচাই করে নিন।। এক্ষেত্রে আপনি রিভিউ দেখতে পারেন। যদি সব রিভিউগুলোই ইতিবাচক হয়, তাহলে সেখান থেকে ক্রয় করতে পারেন। কোথাও অফার বা ডিসকাউন্ট দেখলে সেখান থেকে পণ্য ক্রয় করবেন না। কারণ অফারের পণ্যগুলোর মান ততটা ভালো হয়। এক্ষেত্রে নকল পণ্য হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

পণ্য যাচাই-বাছাই- অনলাইনে পণ্য কেনার আগে সব বিষয় যাচাই করুন। বিশেষ করে পোশাক কেনার ক্ষেত্রে রং, কাপড়ের কোয়ালিট, সাইজ ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে সঠিক তথ্য জেনে তবেই অর্ডার করুন। এতে পণ্য পাওয়ার পর আর আফসোস করতে হবে না। অনেক সময় ছবির সঙ্গে বাস্তবের পণ্যের মিল থাকে না, এজন্য থেকেই বিক্রেতার কাছ থেকে ওই পণ্যের আসল ছবি দেখে নিন।

অগ্রিম পেমেন্টের ক্ষেত্রে সতর্কতা- যেসব ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেইজ ক্রেতার কাছ থেকে অগ্রিম টাকা আবদার করেন, সেখান থেকে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। যদি ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি নিতে পারেন সবচেয়ে ভালো হয়। এতে করে আপনি পণ্য দেখে শুনে সব ঠিক থাকলে তবেই টাকা ডেলিভারি ম্যানের হাতে ধরিয়ে দিতে পারবেন।

মনে রাখবেন, অনলাইনে বা ফেসবুকে লোভনীয় বিভিন্ন অফারের কোনো পপআপ, ই-মেইলে পাওয়া কোনো ফিশিং লিংকে ক্লিক করা কিংবা পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটা না করাই ভালো। এতে হ্যাকাররা সহজেই আপনার ফোন হ্যাক করে বিভিন্ন তথ্যাদি চুরি করতে পারবে।

 

ফের এভারটনকে হারিয়ে সিটির ঘাড়ে লিভারপুলের নিঃশ্বাস

স্পোর্টস ডেস্কঃ ম্যানচেস্টার সিটি ও লিভারপুল লিগের মাঝ থেকেই তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সর্বশেষ এভারটনকে ২-০ গোলে হারিয়ে সিটির সঙ্গে লিগ জমিয়ে রাখল ইয়র্গেন ক্লপের শিষ্যরা।

গতকাল রবিবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে স্বাগতিকদের হয়ে গোল করেন অ্যান্ড্রু রবার্টসন ও ডিভোক ওরিগি। লিগ শিরোপা নিশ্চিত করতে শেষ পাঁচ ম্যাচ জিতলেই চলবে সিটির। তবে এক ম্যাচে পয়েন্ট খোয়ালে আর লিভারপুল সব ম্যাচ জিতলে লিগ শিরোপা হাত ছাড়া হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।

ঘরের মাঠে প্রথম অংশে সুযোগ তৈরি করতে পারেনি সালাহ-মানেরা। তবে দ্বিতীয় অংশের আক্রমণে ধার বাড়িয়ে দ্রুত গোল আদায় করে নেয়। ৬২তম মিনিটে রবার্টসনের গোলে স্বস্তি ফিরে লিভারপুল ডাগ আউটে। ওরিগির সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়া করে দুরের পোস্টে বল ঠেলে দেন সালাহ, সেখানে দৌড়ে গিয়ে বল জালে পাঠান রবার্টসন।

ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে লিভারপুল ওরিগির গোলে ব্যবধান বাড়ায়। রবার্টসনের কর্নার বক্সের সামনে থেকে হেন্ডারসন হাওয়ায় তুলে দিলে বাইসাইকেল কিক নেন দিয়াজ, ঠিক ঠাক শট না হওয়ায় সামনে বাউন্স খেয়ে গোলমুখের দিকে গেলে হেডে জাল খুঁজে নেন ওরিগি। বাকি সময়ে আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি লিভারপুল। এভারটন পারেনি ব্যবধান কমাতে।

তবে লিভারপুলের সমান ম্যাচে ৮০ পয়েন্ট  নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। কারণ এই জয়ে ৩৩ ম্যাচে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানেই থাকল লিভারপুল। আর ৩২ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে ১৮তম অবস্থানে এভারটন।

 

ফের ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হলেন ম্যাক্রোঁ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ দ্বিতীয়বারের মতো ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ফের ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। গত রবিবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার ভোটে কট্টর ডানপন্থী মেরি লে পেনকে পরাজিত করে ২০ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় বার জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন ম্যাক্রোঁ।

আন্তরজার্তিক গণমাধ্যমের মতে, ৫৮ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন ম্যাক্রোঁ। অন্যদিকে মেরি লে পেন পেয়েছেন ৪১ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট।

টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে নতুন ইতিহাস গড়লেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ফ্রান্সে ২০০২ সালে জ্যাক শিরাকের পর ম্যাক্রোঁই প্রথম ফরাসি প্রেসিডেন্ট যিনি পুনরায় নির্বাচনে জয়ী হলেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনসহ বিশ্বনেতারা এরই মধ্যে অভিনন্দন বার্তা পাঠানো শুরু করেছেন ম্যাক্রোঁকে। এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হয়নি। তবে ম্যাক্রোঁর জয়ের আভাস পেয়েই আনন্দে ফেটে পড়েন তার সমর্থকরা।

প্রসঙ্গত, সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে ম্যাক্রোঁ বলেন, দেশের বিভাজন দূর করার অঙ্গীকার নিলেন তিনি, প্রেসিডেন্ট সবার জন্য। ফ্রান্সের কেন্দ্রস্থলে চ্যাম্প ডি মার্সে বিজয়ী বক্তব্যে ম্যাক্রোঁ প্রতিশ্রতি দিয়েছেন যে তার পরবর্তী পাঁচ বছরের মেয়াদে ভোটারদের হতাশার জবাব দেবেন যারা লে পেনকে সমর্থন করেছেন।

 

লোহাগাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাবে ১৪৫ পরিবার

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আগামী ২৬ এপ্রিল তৃতীয় ধাপে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছেন আরও ১৪৫ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার।

গতকাল রোববার (২৪ এপ্রিল) বেলা ১২টায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ শাহজাহান।

প্রেস ব্রিফিং এ তিনি জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় তৃতীয় ধাপে লোহাগাড়ায় ১৯৬ পরিবার পাচ্ছেন ভূমিসহ নতুন ঘর। এর মধ্যে আগামী ২৬ এপ্রিল ১৪৫ টি ঘর বুঝিয়ে দেয়া হবে। দেশের অন্যান্য উপজেলার সঙ্গে ভার্চুয়ালি মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এসব ঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিটি ঘরের জন্য সরকার নির্মাণ ব্যয় ধরেছে ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। দ্বীকক্ষ বিশিষ্ট এই সেমিপাকা প্রতিটি ঘরে দুটি কক্ষ, সংযুক্ত রান্নাঘর, টয়লেট ও সামনে খোলা বারান্দা রয়েছে।

১৪৫টি ঘরের মধ্যে পদুয়া ইউনিয়নে ৫২ পরিবার আমিরাবাদে ১৮, পুটিবিলায় ৩১, কলাউজানে ২৩, চুনতিতে ১১ এবং বড়হাতিয়া ১০ পরিবার।

এসময় লোহাগাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম জসিম উদ্দিনসহ লোহাগাড়ার সকল কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

লাউয়াছড়া বিকল্প সড়ক নির্মাণ কাজ আটকে আছে মন্ত্রনালয়ে!

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতরে শ্রীমঙ্গল-ভানুগাছ সড়ক ও ঢাকা-সিলেট রেললাইনে প্রায়ই বন্যপ্রাণীর মৃত্যু হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বন্য প্রাণী বিশেষজ্ঞরা গভীর উদ্বেগ জানিয়ে আসছেন। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ‘লাউয়াছড়া বাইপাস সড়ক’ নির্মাণের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। তবে প্রকল্পটি আটকে আছে। এর বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ সম্প্রতি সড়ক ও জনপথ বিভাগকে(সওজ) চিঠি দিয়ে সড়কটি নির্মাণের দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করেছে। সেই সঙ্গে উদ্যানের ভেতরে ঢাকা-সিলেট রেললাইনে ট্রেনের গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকেও চিঠি দিয়েছে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।

এলজইডি সূত্রে জানা গেছে, এলজিইডি ‘সিলেট বিভাগের সড়ক প্রশস্ত ও শক্তিশালীকরণ’ প্রকল্পের নামে ১ হাজার ৯৪০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প তৈরি করেছে। বন্যপ্রাণীর মৃত্যু রোধে এই প্রকল্পে লাউয়াছড়া বাইপাস সড়ক অন্তর্ভুক্ত আছে। বাইপাস সড়কটি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের দক্ষিণ পাশ দিয়ে নূরজাহান ও মাধবপুর চা-বাগান হয়ে ভানুগাছ-ধলই সড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। লাউয়াছড়া বাইপাস সড়কের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার (ফিজিবিলিটি স্টাডি) প্রতিবেদনে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে এলজিইডি। কিন্তু প্রকল্পটি এখনো মন্ত্রণালয়ে আটকে আছে। কবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে, একনেকে অনুমোদন পাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের সিলেট বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প প্রণয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.ইকবাল আহমদ বলেন, প্রায় চার মাস আগে প্রকল্পটি মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আর পাঠানো হয়নি। এলজিইডির প্রকল্পটি অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকায় বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ গত ২৪ মার্চ সওজকে একটি চিঠি দিয়েছে। সেখানে শ্রীমঙ্গল-ভানুগাছ সড়কে যানবাহনের গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ ও বিকল্প সড়ক নির্মাণের জন্য সওজকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রতিদিনই যানবাহনের চাকায় পিষ্ট হয়ে বিভিন্ন বন্যপ্রাণী মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে রাতে বন্য প্রাণীরা সড়ক পারাপারের সময় হতাহতের ঘটনা বেশি ঘটে। ২০১৬ সালের ২ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রক্ষায় করণীয় বিষয়ে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে রাতে বিকল্প সড়কপথে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এ বিষয়ে সওজকে চিঠিও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এ বিষয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি। এই সড়কপথে প্রতিবছর ৫০ থেকে ৬০টি বিরল ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বন্য প্রাণী মারা পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুতগতির যানবাহন পরিবেশ ও প্রতিবেশের জন্য হুমকি হয়ে পড়েছে।

চিঠিতে বন্যপ্রাণী চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নূরজাহান চা-বাগান-পদ্মপুকুর-ভানুগাছ রাস্তাটির উন্নয়ন করে বিকল্প সড়ক হিসেবে নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বিকল্প সড়ক না হওয়া পর্যন্ত যানবাহনের গতি সর্বোচ্চ ৪০ কিলোমিটারের নির্দেশিকার পরিবর্তে সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটারের নির্দেশিকা স্থাপনেরও অনুরোধ করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ গত ৩ মার্চ বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস থেকে এই সড়কে সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার গতিতে যান চলাচলে প্রচারণা চালিয়ে আসছে।

মৌলভীবাজারের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘লাউয়াছড়ার ভেতরে সড়কে বন্য প্রাণী মারা পড়ছে। এ বিষয়ে বন বিভাগকে চিঠি দিতে বলেছিলাম। চিঠির বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মতামত নেওয়া হবে। যে বিকল্প সড়কের কথা বলা হচ্ছে, সেটি এলজিইডির। সড়কটি এলজিইডি থেকে নিতে পারলে সার্বিক বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা যেতে পারে।’

নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, অস্থায়ীভাবে সর্বোচ্চ গতিসীমা ২০ কিলোমিটারের কিছু নির্দেশিকা লাগানো হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে স্থায়ী নির্দেশিকা-সংবলিত সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে।

এদিকে, গত ১ জানুয়ারি বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ভেতরে ট্রেনের গতিসীমা ২০ কিলোমিটার রাখার ব্যাপারে রেল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়। চিঠিতে ভারতের রাজাজি ন্যাশনাল পার্কে ট্রেনের গতিসীমা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে জাতীয় স্বার্থে উদ্যানের ভেতরে ট্রেনের গতিসীমা ২০ থেকে ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে রাখার ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সিলেট বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘এলজিইডির বিকল্প সড়ক নির্মাণের কোনো খবর নেই। কবে প্রকল্প পাস হবে অনিশ্চিত। বিকল্প সড়কটি সওজকরতে পারে। আমরা সওজের সঙ্গে বিকল্প সড়কের বিষয়ে আলাপ করেছি। চিঠি দিয়েছি। এ ছাড়া সওজ ও রেলওয়ে বিভাগে যানবাহন ও ট্রেনের গতি ২০ কিলোমিটার করার ব্যবস্থা নিতেও চিঠি দিয়েছি।’

নেত্রকোণায় দশ বছরের সাজা ও এক লক্ষ টাকা জরিমানা প্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার দুর্গাপুরে দশ বছরের সাজা ও এক লক্ষ টাকা জরিমানা প্রাপ্ত পলাতক আসামি লিটন মিয়া (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। তিনি উপজেলার গাঁওকান্দিয়া গ্রামের আইন উদ্দিনের ছেলে। গেল শুক্রবার চট্টগ্রাম জেলার রাওজান থানা এলাকা হইতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত শনিবার দুপুরে আসামীকে আদালতে প্রেরন করা হয়।

পুলিশ জানায়, দুর্গাপুর থানার এ এসআই আব্দুল হাদীর  নেতৃত্বে একদল পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা রয়েছে, মামলা নং -১৬(২)২০১২। আর ওই মামলায় আদালত তাকে দশ বছরের সাজাসহ এক লক্ষ টাকা জরিমানা করে। এরপর থেকে আসামি পলাতক ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তারের সত্যতা স্বীকার করে দুর্গাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে গত শনিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

কমলগঞ্জে অভয়চরন উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অভয়চরন উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ১নম্বর রহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল।

রোববার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ছয়কুটস্থ অভয়চরণ উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা  সামছুন নাহার পারভীন এর উপস্থিতিতে  অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে টানা ২য় বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইফতেখার আহমেদ বদরুল।

ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সদস্য সচিব প্রধান শিক্ষক মো. সাজ্জাদুর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আশিষ বিজয় দেব কানুনজ্ঞ, দাতা সদস্য অশোক বিজয় দেব কানুনজ্ঞ, অভিভাবক সদস্য মো. সুলেমান মিয়া, বিশ্বজিৎ দত্ত, আব্দুল আজিজ, তছকির মিয়া, সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য বাবলী বেগম, সাধারণ শিক্ষক সদস্য মো. আব্দুল হান্নান, নিহারেন্দ্র চন্দ্র দেব ও সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক সদস্য নাছরিন খাতুন প্রমুখ।

ভবন নির্মাণে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিএনবিডি ডেস্কঃ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রেখে প্রতিটি ভবন নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার (২৪ এপ্রিল) গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে দেশে নতুন করে ৪০টি ফায়ার স্টেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিটি স্থাপনায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেভাবেই বিল্ডিং স্থাপনা তৈরি  করতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে মাঝেমধ্যেই অগ্নিনির্বাপণের মহড়া করতে হবে, যাতে সবাই সচেতন থাকতে পারে।

এ সময় পর্যায়ক্রমে দেশের প্রত্যেকটি উপজেলায় ফায়ার স্টেশন নির্মাণ করা হবে বলেও জানান সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে মর্যাদা পেয়েছি। আমরা এভাবে এগিয়ে যাবো।

উল্লেখ্য, এর আগে দেশে নতুন করে ৪০টি ফায়ার স্টেশনের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। এ নিয়ে দেশে মোট ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৯৬ টি।