কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যে ফুলজোর নদীর পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ জেলার আন্তঃসীমান্ত নদী করতোয়া এবং বাঙ্গালী বা ফুলজোর। যে নদীটি একপাশে তিস্তা ও অন্য পাশে যমুনা হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। এই দুই জেলার মানুষের মেলবন্ধন ফুলজোর নদী একসময় বানিজ্যিক রুট হিসেবে ব্যবহৃত হতো এবং এখনও হয়। অথচ এসআর কেমিক্যাল ও মজুমদার প্রডাক্টস এর বিষাক্ত বর্জ্য সরাসরি ফুলজোর নদীতে ফেলায় পানি দূষিত হচ্ছে যার ফলে নদীর মাছও মরে যাচ্ছে। ঐ পানিতে গোসল করে মানুষ চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ জেলার বথুয়াবাড়ী, সীমাবাড়ী, চান্দাইকোনা বাজার সহ আরও শতাধিক হাট বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ফুলজোর নদী কোটি মানুষের জীবনে ফুল ফুটিয়েছে।এ অঞ্চলের মানুষের জীবন জীবিকা বিশেষ করে জেলে সম্পদায়, মাছ ব্যবসায়ীসহ হাজারো ব্যবসায়ী, নদী সংলগ্ন কৃষি ব্যবস্থা এই নদীর উপর শতভাগ নির্ভরশীল।

কিছুদিন আগেও নদীটি দূষণমুক্ত ছিল। স্থানীয়দের আমিষের উৎস ফুলজোরের মাছ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের চাহিদা মিটিয়েছে। কিন্তু বেশ কিছুদিন হলো এই নদী আগ্রাসনের শিকার। আশেপাশে গড়ে ওঠা কলকারখানাগুলোর নেই সঠিক কোন ইটিপি প্ল্যান্ট, নেই কোন ইএমপি প্রোফাইল। ফলে তারা পরিবেশ দূষন করছে, নদী ধ্বংস করছে অথচ এর ভয়াবহতা সম্পর্কে রয়েছে অজ্ঞতা। তাই স্থানীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

নবাবগঞ্জে বন বিভাগের রাস্তার গাছ চুরি, চোর ধরেও ছেড়ে দিলেন কর্তৃপক্ষ

অলিউর রহমান মেরাজ, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সড়কের দুই ধারে সরকারিভাবে লাগানো গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে এবং চোর আটক করেও ছেড়ে দেওয়ার কারণে রাস্তার গাছগুলো প্রতিনিয়ত চুরি হচ্ছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

রাস্তার পাশে লাগানো বন বিভাগের গাছ চুরির সময় হাতে নাতে দুই চোরকে আটক করেন স্থানীয় জনতা। এসময় এলাকাবাসীকে মারধর করে ঘটনাস্থল থেকে এক চোর পালিয়ে গেলেও এলাকাবাসী স্থানীয় বন বিভাগকে খবর দিলে ঘটনা স্থালে উপস্থিত হয়ে আটকৃত ১ জন চোরকে তাদের অফিসে নিয়ে যায় বন বিভাগের কর্মকর্তারা। পরে আবার সেই চোরকে ভাদুরিয়া ইউপি সদস্য মমিনের কথামতো ছেড়েও দিয়েছেন বন বিভাগের কর্মকর্তা। তবে ইউপি সদস্য বললেন তিনি ছেড়ে দিতে বলেননি বরং বিচার করতে বলেছেন।

জনতার হাতে আটককৃত চোর’রা হলেন, উপজেলায় পশ্চিম ফতেপুর গ্রামের মোঃ তসলিম উদ্দিনের ছেলে মাহমুদুল ইসলাম ও মোঃ মতিয়ার রহমানের ছেলে আনিছার রহমান। সোমবার দিবাগত রাত ২ টায় উপজেলার মাহামুদপুর ইউনিয়নের কাসাগাড়ী এলাকা থেকে তাদের আটক করেছিলেন স্থানীয় জনতা।

মসজিদ কমিটির সভাপতিরা বলছেন, বন বিভাগের কর্মকর্তারা কখন চোর ধরছেন,কখন ছেড়ে দিয়েছেন তাদের এ বিষয় কিছুই জানাননি কর্মকর্তারা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাদুরিয়া বন বিভাগের কর্মকর্তা নুরুলহুদা বলেন, রাস্তার গাছ চুরি করার সময় স্থানীয় এলাকাবাসী দুই চোরকে হাতে নাতে আটক করে আমাদের খবর দেয়। তবে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই এক জন সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল একজনকে আটক করে অফিসে আনা হলেও তাকে মমিন নামে একজন ইউপি সদস্য ও সে জীবনে আর কোনোদিন গাছ চুরি করবে না এমন কথায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এবিষয়ে ইউপি সদস্য মমিন মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি চোরকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, চোরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য বন বিভাগের কর্মকর্তাকে অনুরুধ করেছেন তিনি। তার কথা মতো চোরকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি সম্পুর্ন মিথ্যা।

বন বিভাগ ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় নামা কাঁঠাল, পশ্চিম ফতেপুর, মুরাদপুর ও অফিস পাড়া গ্রামের মসজিদ থেকে যৌথভাবে এলাকাবাসীরা ভাদুরিয়া বিট অফিস থেকে ভাদুরিয়া বাজার ও কাসাগাড়ি চার রাস্তার মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই ধারে আকাশমণি ও ইউক্যালিপটার দুই প্রজাতির গাছ লাগান।

সাংবাদিকের উপর হামলা-অপপ্রচার এর ঘটনায় অনলাইন প্রেসক্লাবের নিন্দা

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় ১৫ এপ্রিল বিকাল ৩ ঘটিকার সময় মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাব কার্যালয়ে মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর ইকবাল এর সভাপতিত্বে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আমাদেরকন্ঠ পত্রিকার মৌলভীবাজার প্রতিনিধি সাংবাদিক মশাহিদ আহমেদ এর উপর অতর্কিত হামলা ও প্রেসক্লাব কার্যালয়ে ভাংচুর, মুল্যবান কাগজ পত্র তছনছ, লুটপাট, সাধারণ সম্পাদকে বহিষ্কার দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ইত্যাদি বিবিধ বিষয় নিয়ে সাধারণ সভায় আলোচনা করা হয়।

উক্ত সভায় মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দরা নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান। এসময় বক্তব্য রাখেন  সহ সভাপতি স্বপন দেব, অঞ্জন প্রসাদ রায় চৌধুরী, সহ সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বাছিত খান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক চিনু রঞ্জন তালুকদার,  অর্থ সম্পাদক মুকিত ইমরাজ, দপ্তর সম্পাদক  মঈনুল হক প্রমুখ।

এছাড়াও মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের অন্যন্য সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সদস্য জুসেফ আলী চৌধুরী, তিমির বণিক, মোঃ শাহাব উদ্দিন, ইমরান আহমেদ, রাশেদ আহমদ, সামছুল হক ইসলাম জুয়েল, জাহেদুল হক পাপ্পু, শাহ ফজলুর রহমান, শাহ মোহাম্মদ রাজুল আলী, আলাল আহমেদ রিপন, সুয়েব আহমেদ, রিপন আহমদ, মাসুদ আলী চয়ন, খালেদ আহমদ, কিবরিয়া আহমেদ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, এঘটনায় সাংবাদিক মশাহিদ আহমেদ বাদী হয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বাপরে বাড়ি বেড়াতে এসে গৃহবধূর আত্মহত্যা

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে বাপের বাড়ী বেড়াতে এসে আম গাছের  ডালের সাথে লাল উড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে এক যুবতী গৃহবধূর আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ এসে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। শমশেরনগর উত্তর রাধানগর গ্রামে শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) আনুমানিক রাত ৯ টায় এ ঘটনাটি ঘটে। আত্মহত্যাকারিনী মৃত মছক মিয়ার মেয়ে সিমা বেগম (৩০)।

পরিবার সূত্রে ও মৃতের ভাই জাহাঙ্গীর  জানান, মৌলভীবাজারের রাজনগর থানার পরচক গ্রামের রাজিব মিয়ার সাথে ৬ মাস আগে বিয়ে হয়। ঘটনার দিন জুম্মার নামাজ শেষে আমরা মৃত সিমার স্বামীর বাড়িতে ইফতার নিয়ে যাই সেখানে সিমাকে চিন্তিত দেখে স্বামীর অনুমতিতে সাথে করে বাড়ি নিয়ে আসি। রাতে একটি আম গাছের ডালে গলায় ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখে বিষয়টি শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়িতে অবহিত করলে, রাতেই পুলিশ গাছ থেকে লাশটি নামিয়ে সুরতহাল তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। নিহতের ভাই ও চাচা রুসন মিয়ার আত্মহত্যার কারন জানতে চাইলে তারা জানান মৃত সিমা বেগমের মানসিক সমস্যা ছিলো।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক সোহেল রানা আত্মহত্যার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের লোকজন বলছে মানসিক সমস্যার কারনে এই ঘটনাটি ঘটে। আপাতত থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হবে। ময়না তদন্তের জন্য লাশটি মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসা না পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

অবৈধভাবে পারাপারের সময় বিএসএফের হাতে ১বাংলাদেশী আটক

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ কারী বাংলাদেশে আসা এক ভারতীয় নাগরিককে ভারতে পার করার সময় বাংলাদেশি এক তরুণকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের লালারচক বিজিবি সীমান্ত ফাঁড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বাংলাদেশি ওই তরুণের নাম মো. ফয়জুর। তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফয়জুরের এক ভারতীয় আত্মীয় অবৈধভাবে বাংলাদেশে এসেছিলেন। গতকাল সন্ধ্যায় ইফতারের পর ফয়জুর তাঁর আত্মীয়কে নিয়ে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া অতিক্রম করিয়ে দিচ্ছিলেন। এ সময় বিএএসফের সদস্যরা ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে ফয়জুরকেও ধরে নিয়ে যায়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিজানুর রহমান সিকদার বলেন, অবৈধভাবে ভারতীয় এলাকায় অনুপ্রবেশ করায় বাংলাদেশি ওই তরুণকে বিএসএফ ধরে নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) বিএসএফ এবং বিজিবি কোম্পানী কমান্ড পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে বিএসএফের পক্ষ থেকে জানানো হয় ভারতীয় নাগরিক ও বাংলাদেশি নাগরিক ওই দুজন মানবপাচারের সাথে জড়িত। এমন তথ্য তাঁদের কাছে রয়েছে বলে পতাকা বৈঠক এসব নিশ্চিত করেন।

লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত

চট্টগ্রাম সংবাদদাতাঃ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি বনপুকুর মিডওয়ে এলাকায় ডাম্প ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল ৫ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, উপজেলার আধুনগর পেঠানের পাড়ার হারুনুর রশিদের ছেলে ডাম্প ট্রাক চালক মাহফুজ (২২) ও হেলপার একই ইউনিয়নের সাতগড় দক্ষিণ হরিনা মোস্তাক হাজী পাড়ার আসহাব মিয়ার ছেলে কফিল উদ্দিন (২৩)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনারদিন বিকেলে কক্সবাজারমুখী একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে চট্টগ্রামমুখী একটি ডাম্প ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে গাড়ি দুটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। এবং ডাম্প ট্রাক চালক-হেলপার হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান। এ ঘটনায় কাভার্ডভ্যান চালক চিকিৎসাধীন রয়েছে।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি হাইওয়ে থানা হেফাজতে রয়েছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর / মোস্তাফিজুর রহমান

মুরাদনগরে ব্রিজের রড কেটে বিক্রির অভিযোগ, চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে রফাদফার চেষ্টা

এম শামীম আহম্মেদ, কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার মুরাদনগরে ব্রিজের রড কেটে তা বিক্রি করেছেন বলে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বুধবার সকালে উপজেলার কামাল্লা ইউনিয়নের নয়াগাঁও বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

এরপর দিন বৃহস্পতিবার ব্রিজের রড বিক্রির বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মমিন সরকার ও গ্রাম্য পুলিশ এর নেতৃত্বে নয়াগাঁও বাজারের একটি বাঙ্গারি দোকান থেকে চুরি হওয়া রড উদ্ধার করে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাশার খাঁনের নিকট হস্তান্তর করেন। পরে ওই চেয়ারম্যান রড চুরি ও বিক্রির সাথে যারা সম্পৃক্ত তাদের বিচার করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন, তবে কোনদিন বিচার করবে তা কাউকে জানান নি। সরকারি ব্রিজের রড চুরির বিষয়টি প্রশাসনকে না জানিয়ে চেয়ারম্যান সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ায় এ নিয়ে এলাকায় জনমনে ক্ষোভ এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে।

 সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত নয়াগাঁও বাজার বটগাছতলা ব্রিজের রেলিং সহ বিভিন্ন অংশ থেকে রড কেটে তা বিক্রি করছেন একটি চক্র। রাতের আধাঁরে এভাবে ব্রিজের বিভিন্ন অংশ ভেঙে রড বের করে নিয়ে গেলেও ওই চক্রটি ছিলো ধরা ছোয়ার বাহিরে। সর্বশেষ গত বুধবার ব্রিজের থেকে কেটে নেওয়া রড নয়াগাঁও বাজারের একটি বাঙ্গারি দোকান থেকে উদ্ধার হলে তখন এ রড বিক্রির সাথে জড়িত ৪ জনের নাম আসে।

জড়িতরা হলেন- নয়াগাঁও গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে মো: সাগর, মিজানুর রহমানের ছেলে মো: ইউসুফ, মৃত. নুরু মিয়ার ছেলে মহসিন মিয়া এ ব্রিজের রেলিং ভেঙে রড চুরি করে নিয়ে যায়। পরে এ চুরি করা রড বিক্রির উদ্দেশ্যে কামাল্লা বাজারের ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী ফারুক মিয়ার কাছে একটি অটোরিকশা দিয়ে পাঠায় নয়াগাঁও গ্রামের মৃত. আসমত আলীর ছেলে কামাল শেখ। পরে ফারুক এ রডগুলো পরিমোপ করে সাড়ে ১৯ কেজি হয়েছে বলে কামাল শেখকে জানালে, কামাল শেখ অভিযুক্ত সাগরকে টাকা আনার জন্য পাঠালে সাগর গিয়ে টাকা নিয়ে আসে। পরে ব্রিজ ভেঙে রড চুরির বিক্রির বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মমিন সরকার এ রডগুলো উদ্ধার করে ইউপি চেয়ারম্যান বাশার খাঁনের নিকট নিয়ে গেলে ওই রডগুলো ইউনিয়ন পরিষদে রাখার জন্য নির্দেশ দেন বাশার খাঁন।

এ বিষয়ে কামাল শেখ বলেন, আমি মোবাইলে এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারবো না। যদি কোন কিছু আপনাদের জানার প্রয়োজন হয় বাশার চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করেন।

বাঙ্গারি দোকানদার ফারুক বলেন, আমার দোকানের মালামাল কেনার জন্য একটি রিকশা কামাল্লা বাজারে গেলে আসার সময় কামাল শেখ এ রডগুলো তুলে দেন এবং আমাকে ফোন করে রডগুলো পরিমাপ করে জানানোর জন্য বলেন। আমি পরিমাপ করে সাড়ে ১৯ কেজি রড হয়েছে বলে কামাল শেখকে জানালে উনি সাগর নামে একজকে পাঠায় এবং আমি তার কাছে রডের দাম দিয়ে দেই। তবে এ রডগুলো যে ব্রিজ ভেঙে সংগ্রহ করা হয়েছে তা আমি জানতাম না।

ইউপি সদস্য মমিন সরকার বলেন, স্থানীয় কয়েকজন যুবক রড চুরি করে ভাঙ্গারি দোকানে বিক্রি করেছে বলে জানতে পেরে ওই দোকান থেকে রডগুলো উদ্ধার করি এবং চেয়ারম্যানের নির্দেশে ওই রডগুলো ইউনিয়ন পরিষদে রেখে আসি। পরে শুনেছি স্থানীয়ভাবে চেয়ারম্যান বিষয়টি মিমাংসা করবেন।

ইউপি চেয়ারম্যান বাশার খাঁন বলেন, এলাকার পোলাপাইন না বুঝে ব্রিজ ভেঙে রড বিক্রি করেছে। রডগুলো উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয়েছে। আমি স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করছি।

মুাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসিম বলেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে  তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও উস্কানির অভিযোগে যুবক জেলহাজতে

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের রাজনগরে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও উষ্কানীর অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে রাজনগর থানার পুলিশ। তার বিরুদ্ধে রাজনগর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা (নং ১৬, তারিখ: ১৩/০৪/২০২২) হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) তাকে আদালতে হাজির করলে আদালত জেলহাজতে প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করেন। আটক যুবকের নাম জাহিদ হাসান (২১)। সে উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের মিয়ারকান্দি গ্রামের কুটি মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র মতে জানাযায়, রোমান আহমদ নোমান নামের এক প্রবাসী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে লেখক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলীর লেখা “মানুষ মোহাম্মদ (স.)” প্রবন্ধের ছবি তুলে ফেইসবুকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও উষ্কানীমূলক পোস্ট করে। একই উদ্দেশ্যে রোমান আহমদ নোমানের ওই ফেইসবুক পোস্ট রাজনগর উপজেলার মিয়ারকান্দি গ্রামের কুটি মিয়ার ছেলে জাহিদ হাসান (২১) তার নিজের ফেইসবুক আইডি (Prince Jahid) থেকে শেয়ার করে। বিষয়টি রাজনগর থানা পুলিশের নজরে এলে ১৩ এপ্রিল বুধবার ভোরে জাহিদ হাসানকে আটক করা হয়। পরে তার মোবাইল ফোন থেকে বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়। এসময় সে পুলিশের কাছে স্বীকারুক্তি মূলক জবানবন্দী দেয় বলে পুলিশ জানায়।

এ ঘটনায় রাজনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোলেমান আহমদ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এব্যাপারে রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, জাহিদ হাসান নামের ওই ছেলে নিজের ফেইসবুক আইডি থেকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও উষ্কানীমূলক পোস্ট শেয়ার করে। বিষয়টি আমরা অবগত হয়ে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাই। এঘটনায় তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।

রানীশংকৈল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল প্রশাসন  ও উপজেলা পরিষদের উদ্যোগ বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) পরিষদ চত্বরে এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মামুন ভূঞা, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, সাবেক সাংসদ অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাজহারুল ইসলাম সুজন, ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম,সাবেক,সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহা, উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমদ হোসেন বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার হোসেন বিপ্লব, জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল কাদের, বৈশাখী উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ও অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান  আইনুল হক মাস্টার, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মাষ্টার, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান,মহিলা আ’লীগ সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন।

এছাড়াও প্রধান শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন,ভিপি কামাল উদ্দীন, পৌর বিএনপি’র সভাপতি সহকারি অধ্যাপক শাজাহান আলী,সহকারী অধ্যাপক শফিকুল আলম ও প্রশান্ত বসাক, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, প্রেসক্লাব আহবায়ক কুশমত আলী,  সভাপতি ফারুক আহমেদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, কর্মকর্তা- কর্মচারী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইফতার মাহাফিলে প্রায় দুই শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। আবাদ তাকিয়া কামিল মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও শাহী মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল্লাহ-হিল বাকীর নেতৃত্বে ইফতার মাহফিলে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

টরোন্টোতে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সমিতি কানাডার ইফতার ও দোয়া মাহ্ফিল সম্পন্ন

প্রবাস ডেস্কঃ মাহে রমজানের নবম দিনটি টরোন্টোসহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি শহরে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীদের হৃদয়ে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কেননা তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ব্যবধান অবশেষে কিছুটা হলেও হ্রাস পেয়েছে এদিন। কানাডায় বসবাসরত হাজারো চট্টলাবাসীর দীর্ঘদিনের চাহিদার প্রতি সম্মান রেখে, মূল চট্টগ্রাম সমিতির অবয়বে, চট্টগ্রাম সমিতি ঢাকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের চট্টগ্রাম সমিতির মন-মনন -মানসিকতা আর কার্যক্রমের সাথে সঙ্গতি রেখে নতুন আঙ্গিকে-নব উদ্যোমে -নতুন চিন্তাচেতনায়- ধর্মীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে শুরু করে চট্টগ্রাম সমিতি কানাডা ইনকের নতুন পদযাত্রা। ওই দিন ইফতার মাহ্ফিলে উপচে পড়া মানুষের ঢল থেকে বুঝা গিয়েছে কানাডার চট্টগ্রামবাসীরা এই দিনটির জন্যেই এতদিন অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন। তাদের সৌম্য শান্ত পরিতৃপ্তির হাসিমাখা প্রশান্তিময় মুখাবয়ব দেখে মনে হচ্ছে যেন দীর্ঘ বছরের জমে থাকা ক্ষোভ- অস্বস্তি আর অপ্রাপ্তির হাহাকারে তপ্ত হৃদয়ের যেন এক পশলা শান্তির বারিধারা প্রবাহিত হয়ে গেল। সন্ধ্যার অনেক আগ থেকেই সভাস্থল ডানফোর্থস্থ রয়েল কানাডিয়ান লিজিয়ন হল কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠে। মনে হচ্ছিলো কানাডার বুকে যেন একখন্ড চট্টগ্রাম।

এদিন সন্ধ্যা ৭ টায় অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র আল-কোরআন থেকে তেলাওয়াত মধ্য দিয়ে। তেলাওয়াত করেন ইমাম বাহাইকি। সংক্ষিপ্ত আলোচনা এবং ইফতার ও দোয়া মাহফিল এই দুই পর্বে সাজানো ছিল অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন তানভি হক। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।

প্রাদেশিক সংসদ সদস্য শ্রদ্ধেয়া ডলি বেগম আমাদের সাথে উপস্থিত থেকে আমাদেরকে ধন্য করেছেন। সেই সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন কম্যুনিটির অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা হলেন: সর্বজন শ্রদ্ধেয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. শেখ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, বিশিষ্ঠ নাট্যব্যাক্তিত্ব বাংলাদেশ থিয়েটার টরোন্টোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাবিবুল্লাহ দুলাল, বিশিষ্ঠ নাট্যকার, অভিনেতা, চাকসুর সাবেক জিএস আজিম উদ্দিন আহমেদ, চাকসুর সাবেক সহ-আপ্যায়ন সম্পাদক শফিউদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র নেতা, বিশিষ্ঠ সংগঠক নাজমুল মুন্সি, নাট্য নির্দেশক আহমদ হোসেন, NRB TV এর চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফোরামের সভাপতি আব্দুল হালিম, সাপ্তাহিক বাংলা কাগজের সম্পাদক এম আর জাহাঙ্গীর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক শিক্ষক ড. আজিজুর রহমান, কেমিস্ট ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক মোহাম্মদ কামাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষক, বর্তমানে সেন্টেনিয়াল কলেজের শিক্ষক সোহেল চৌধুরী, ফেয়ারট্যাক্স একাউন্টিংয়ের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ শাহবুদ্দিন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আনোয়ারুল কবির, কানাডা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি আমিন মিয়া, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কানাডার সভাপতি ড. হুমায়ুন কবির, অন্টারিও আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আলী, কানাডা মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হাসিনা আক্তার জানু, বেঙ্গলী কালচারাল এসোসিয়েশনের সভানেত্রী ফারহানা পল্লব সহ আরও অনেকেই।

আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: জয়নাল আবেদীন, বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব হাবিব উল্লাহ দুলাল, টরোন্টো ডিসট্রিক্ট স্কুল বোর্ডের শিক্ষক সৈয়দ মো: ফখরুদ্দিন, কানাডা আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুর রহমান প্রিন্স, সমিতির যুগ্ম-আহবায়ক ও বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী মো: হাসান, যুগ্ম-আহবায়ক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম-সদস্য সচিব Peel Region Board of Education এর শিক্ষক হাসান তারেক চৌধুরী, সদস্য মানস রক্ষিত ও শেখ জসিম উদ্দিন। বক্তাদের বক্তব্যে সমিতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও কার্যক্রম ফুটে উঠে। চট্টগ্রাম সমিতির আগামীতে আরও বৃহত্তর পরিসরের বিভিন্ন আয়োজনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।

দ্বিতীয় পর্বে ছিল দোআ ও মিলাদ। পরিচালনা করেন বিশিষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবিদ ইমাম বাহাইকি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ইফতার বক্স সকলের কাছে পৌছিয়ে দেয়া হয়। ইফতার পর্ব শেষে সকলে নৈশভোজে অংশ গ্রহণ করেন। পোলাও, বিফকারী, মিক্সড ভেজিটেবল, সালাদ ও চিকেন বিরিয়ানির সমন্বয়ে সুস্বাদু নৈশভোজ সকলে পরিতৃপ্তির সহিত উপভোগ করেন।

ইফতার ও নৈশভোজ পরিবেশনে ছিলেন প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, মো: হাসান, আহসান উল করিম লাভু, সুমন কায়সার, শেখ জসিম উদ্দিন, হাসান তারেক, মো: এরশাদ, মো: মাকসুদ, নাইমা ফেরদৌসি। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন মাহবুবুল চৌধুরী সাইফুল, নাসিমা আকতার ইলিয়াস, শাহজাদী চৌধুরী।

এক ঝাঁক দক্ষ, নিবেদিতপ্রাণ ও আন্তরিক কর্মীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তিন-শতাধিক অতিথির ইফতারসহ নৈশ ভোজের এই সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতা আগামীতেও চলমান রাখবে চট্টগ্রাম সমিতি কানাডা ইনক।

পরিশেষে সভার সভাপতি সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করেন।