নওগাঁয় সংঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৭ জন গ্রেফতার : ১০টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় সংঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। সেই সাথ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় নওগাঁ সদর মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম মো: গাজিউর রহমান পিপিএম এক লিখিত বক্তব‍্যে একথা বলেছেন।

তিনি জানিয়েছেন বগুড়া জেলাধীন ধুনট উপজেলার চোয়ারপাড়া গ্রামের জনৈক মো: ফরিদুল ইসলামের সুজুকি হায়াতে ১০০ সিসি একটি মোটরসাইকেল গত ২ ফেব্রুয়ারি বিকাল অনুমান ৩টার সময় নওগাঁ শহরের চকগরীব সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ের সামনে থেকে চুরি যায়। উক্ত ফরিদুল ইসলাম নওগাঁ সদর মডেল থানায় মামলা নং ১০ ধারা ৩৭৯ তারিখ ০৫/০২/২০২২ দায়ের করেন।

এই মামলার তদন্ত করতে গিয়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নওগাঁ শহরের ঢাকা বাস ষ্ট‍্যান্ড এলাকা থেকে নওগাঁ শহরের খাস নওগাঁ এলাকার বাবু মোল্লার ছেলে জালাল মোল্লা (২৬)কে আটক করে।

পরবর্তীকালে তার দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নওগাঁ শহরের চক ইলাম এলাকার মৃত মেহের আলীর ছেলে গোলাম রব্বানী ওরফে লালচান (৩৬),  মধ‍্য দূর্গাপুর হাজীপাড়া এলাকার মৃত জহির সরদারের ছেলে মো: নাজিম উদ্দিন (৬৫) ও নাজিম উদ্দিন সরদারের ছেলে মো: ইমরান হোসেন (৩৫), মকরামপুর মধ‍্যপাড়া এলাকার মন্টু প্রামানিকের ছেলে মো: শরিফ হোসেন (৩১), চকবাড়িয়া মধ‍্যপাড়া এলাকার মো: বুলুর ছেলে মো: নাহিদ হোসেন এবং চকমুক্তার বউবাজার এলাকার মৃত জহুরুল হকের ছেলে মো: নুরুল ইসলাম (৪৯) কে আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বিভিন্নস্থানে লুকিয়ে রাখা ১০টি মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে এই চক্র দীর্ঘদিন থেকে মোটরসাইকেল চুর করে রং এবং আকার পরিবর্তন করে দেশের অন‍্যান‍্য এলাকায় বিক্রি করতো। এদের সাথে আরও কারা জড়িত আছে তাদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছ।

আইপিএল-২০২২ঃ নিলামে বিক্রি হওয়া ১০ দলের স্কোয়াডে কারা আছেন?

স্পোর্টস ডেস্কঃ গতকাল রোববার ব্যাঙ্গালুরুতে দুই দিনব্যাপী এবারের আইপিএল নিলামের পর্দা নেমেছে। নিলাম থেকে মোট ২০৪ জন ক্রিকেটার দল পেয়েছেন। এর মধ্যে ৬৭ জন খেলোয়াড় ডাক পেয়েছেন বিদেশি কোটায়। এবারের নিলামে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো মোট ৫৫১ কোটি ৭০ লাখ রুপি খরচ করেছে।

নিলামে সবচেয়ে বেশি ১৫ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হয়েছেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ঈশান কিষাণ। ভারতীয় ব্যাটারকে কিনেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ কোটি রুপিতে পেসার দীপক চাহারকে কিনেছে চেন্নাই সুপার কিংস। এছাড়া তৃতীয় সর্বোচ্চ ১২ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে ভারতীয় ব্যাটার শ্রেয়াস আইয়ারকে কিনেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। আর বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে পাঞ্জাব কিংসে গেছেন ইংলিশ অলরাউন্ডার লিয়াম লিভিংস্টোন। বিদেশিদের মধ্যে লঙ্কান অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে ১০ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে কিনেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এছাড়া একই মূল্যে ক্যারিবীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার নিকোলাস পুরানকে কিনেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

নিলামে  বিক্রি হওয়া ১০ দলের স্কোয়াড (মূল্য ভারতীয় রুপিতে):

চেন্নাই সুপার কিংস

আগের ধরে রাখা: মহেন্দ্র সিং ধোনি (১২ কোটি), রবীন্দ্র জাদেজা (১৬ কোটি), মইন আলি (৮ কোটি), রুতুরাজ গায়কোয়াড় (৬ কোটি)।

নিলামে: তুষার দেশপান্ডে (২০ লাখ), আম্বাতি রায়াড়ু (৬ কোটি ৭৫ লাখ), দীপক চাহার (১৪ কোটি), কেএম আসিফ (২০ লাখ), ডোয়াইন ব্র্যাভো (৪ কোটি ৪০ লাখ), রবীন উথাপ্পা (২ কোটি), কে ভগত বর্মা (২০ লাখ), ক্রিস জর্ডান (৩ কোটি ৬০ লাখ), এন জগদীশান (২০ লাখ), হরি নিশান্ত (২০ লাখ), প্রশান্ত সোলাঙ্কি (১ কোটি ২০ লাখ), মুকেশ চৌধুরী (২০ লাখ), শুভ্রাংশু সেনাপতি (২০ লাখ), অ্যাডাম মিলিন (১ কোটি ৯০ লাখ), মিচেল স্যান্টনার (১ কোটি ৯০ লাখ), ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস (৫০ লাখ), ডেভন কনওয়ে (১ কোটি), সমরজিত সিং (২০ লাখ), রাজবর্ধন হাঙ্গার্গেকার (১ কোটি ৫০ লাখ), মহিশ থিকসানা (৭০ লাখ), শিবাম দুবে (৪ কোটি)।

দিল্লি ক্যাপিটালস

আগের ধরে রাখা: রিশাভ পান্ত (১৬ কোটি), আকসার প্যাটেল (৯ কোটি), পৃথ্বী শ (৭ কোটি ৫০ লাখ), আনরিক নরকিয়া (৬ কোটি ৫০ লাখ)।

নিলামে: শার্দুল ঠাকুর (১০ কোটি ৭৫ লাখ), মিচেল মার্শ (৬ কোটি ৫০ লাখ), মুস্তাফিজুর রহমান (২ কোটি), কেএস ভরত (২ কোটি), ডেভিড ওয়ার্নার (৬ কোটি ২৬ লাখ), কুলদীপ যাদব (২ কোটি), অশ্বিন হেব্বার (২০ লাখ), কমলেশ নাগারকোটি (১ কোটি ১০ লাখ), সরফরাজ খান (২০ লাখ), ভিকি ওস্তওয়াল (২০ লাখ), টিম সেফার্ত (৫০ লাখ), লুঙ্গি এনগিড়ি (৫০ লাখ), প্রবীণ দুবে (৫০ লাখ), রোভম্যান পাওয়েল (২ কোটি ৮০ লাখ), যশ ধুল (৫০ লাখ), রিপল প্যাটেল (২০ লাখ), ললিত যাদব (৬৫ লাখ), চেতন সাকারিয়া (৪ কোটি ২০ লাখ), খলিল আহমেদ (৫ কোটি ২৫ লাখ), মনদীপ সিং (১ কোটি ১০ লাখ)।

গুজরাট টাইটানস

আগের ধরে রাখা: হার্দিক পান্ডিয়া (১৫ কোটি), রশিদ খান (১৫ কোটি), শুবমান গিল (৮ কোটি।

নিলামে: নূর আহমেদ (৩০ লাখ), জেসন রয় (২ কোটি), মোহাম্মদ শামি (৬ কোটি ২৫ লাখ), রাহুল তেওয়াটিয়া (৯ কোটি), অভিনব সাদারঙ্গানি (২ কোটি ৬০ লাখ), লকি ফার্গুসন (১০ কোটি), আর সাই কিশোর (৩ কোটি), বরুণ অ্যারন (৫০ লাখ), গুরকিরাত সিং (৫০ লাখ), ম্যাথিউ ওয়েড (২ কোটি ৪০ লাখ), ঋদ্ধিমান সাহা (১ কোটি ৯০ লাখ), ডেভিড মিলার (৩ কোটি), প্রদীপ সাঙ্গওয়ান (২০ লাখ), আলজারি জোসেফ (২ কোটি ৪০ লাখ), যশ দয়াল (৩ কোটি ২০ লাখ), দর্শন নালকান্ডে (২০ লাখ), বিজয় শঙ্কর (১ কোটি ৪০ লাখ), জয়ন্ত যাদব (১ কোটি ৭০ লাখ), ডমিনিক ড্রেকস (১ কোটি ১০ লাখ)।

কলকাতা নাইট রাইডার্স

আগের ধরে রাখা: আন্দ্রে রাসেল (১২ কোটি), বরুন চক্রবর্তি (৮ কোটি), ভেঙ্কাটেশ আইয়ার (৮ কোটি), সুনিল নারাইন (৬ কোটি)।

নিলামে: শিবম মাভি (৭ কোটি ২৫ লাখ), শেল্ডন জ্যাকসন (৬০ লাখ), প্যাট কামিন্স (৭ কোটি ২৫ লাখ), শ্রেয়াস আয়ার (১২ কোটি ২৫ লাখ), নীতিশ রানা (৮ কোটি), আমান খান (২০ লাখ), উমেশ যাদব (২ কোটি), মোহম্মাদ নবি (১ কোটি), রমেশ কুমার (২০ লাখ), টিম সাউদি (১ কোটি ৫০ লাখ), অ্যালেক্স হেলস (১ কোটি ৫০ লাখ), স্যাম বিলিংস (২ কোটি), অশোক শর্মা (২০ লাখ), প্রথম সিং (২০ লাখ), অভিজিৎ তোমর (২০ লাখ), চামিকা করুণারত্নে (৫০ লাখ), বাবা ইন্দ্রজিত (২০ লাখ), রসিখ দার (২০ লাখ), অনুকুল রায় (২০ লাখ), রিঙ্কু সিং (৫৫ লাখ), আজিঙ্কা রাহানে (১ কোটি)।

লখনউ সুপার জায়ান্টস

আগের ধরে রাখা: লোকেশ রাহুল (১৭ কোটি), মার্কাস স্টয়নিস (৯ কোটি ২০ লাখ), রবি বিষ্ণই (৪ কোটি)

নিলামে: আবেশ খান (১০ কোটি), কুইন্টন ডি’কক (৬ কোটি ৭৫ লাখ), মার্ক উড (৭ কোটি ৫০ লাখ), মণীশ পান্ডে (৪ কোটি ৬০ লাখ), জেসন হোল্ডার (৮ কোটি ৭৫ লাখ), দীপক হুডা (৫ কোটি ৭৫ লাখ), ক্রুণাল পান্ডিয়া (৮ কোটি ২৫ লাখ), অঙ্কিত রাজপুত (৫০ লাখ), মায়াঙ্ক যাদব (২০ লাখ), এভিন লুইস (২ কোটি), করণ শর্মা (২০ লাখ), কাইল মায়ের্স (৫০ লাখ), আয়ূস বাদোনি (২০ লাখ), মহসিন খান (২০ লাখ), মনন ভোরা (২০ লাখ), শাহবাজ নদিম (৫০ লাখ), দুশমন্ত চামিরা (২ কোটি), কৃষ্ণাপ্পা গৌতম (৯০ লাখ)।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

আগের ধরে রাখা: রোহিত শর্মা (১৬ কোটি), জাসপ্রিত বুমরাহ (১২ কোটি), সূর্যকুমার যাদব (৮ কোটি), কাইরন পোলার্ড (৬ কোটি)।

নিলামে: বাসিল থাম্পি (৩০ লাখ), মুরুগান অশ্বিন (১ কোটি ৬০ লাখ), ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (৩ কোটি), ইশান কিষাণ (১৫ কোটি ২৫ লাখ), ফ্যাবিয়ান অ্যালেন (৭৫ লাখ), আরিয়ান জুয়াল (২০ লাখ), অর্জুন তেন্ডুলকার (৩০ লাখ), হৃত্বিক শোকিন (২০ লাখ), রাহুল বুদ্ধি (২০ লাখ), রমনদীপ সিং (২০ লাখ), আনমোলপ্রীত সিং (২০ লাখ), মোহাম্মাদ আরশাদ (২০ লাখ), রিলি মেরেডিথ (১ কোটি), টিম ডেভিড (৮ কোটি ২৫ লাখ), টাইমাল মিলস (১ কোটি ৫০ লাখ), ড্যানিয়েল স্যামস (২ কোটি ৬০ লাখ), জোফ্রা আর্চার (৮ কোটি), সঞ্জয় যাদব (৫০ লাখ), তিলক বর্মা (১ কোটি ৭০ লাখ), মায়াঙ্ক মার্কান্ডে (৬৫ লাখ), জয়দেব উনাদকাট (১ কোটি ৩০ লাখ)।

পাঞ্জাব কিংস

আগের ধরে রাখা: মায়াঙ্ক আগারওয়াল (১৪ কোটি), আর্শদিপ সিং (৪ কোটি)।

নিলামে: জিতেশ শর্মা (২০ লাখ), শাহরুখ খান (৯ কোটি), জনি বেয়ারস্টো (৬ কোটি ৭৫ লাখ), হরপ্রীত ব্রার (৩ কোটি ৮০ লাখ), শিখর ধাওয়ান (৮ কোটি ২৫ লাখ), ইশান পোড়েল (২৫ লাখ), কাগিসো রাবাদা (৯ কোটি ২৫ লাখ), রাহুল চাহার (৫ কোটি ২৫ লাখ), প্রবসিমরন সিং (৬০ লাখ), বেনি হাওয়েল (৪০ লাখ), ভানুকা রাজাপাক্ষে (৫০ লাখ), অথর্ব টাইডে (২০ লাখ), ন্যাথান এলিস (৭৫ লাখ), অংশ প্যাটেল (২০ লাখ), বলতেজ ধান্ধা (২০ লাখ), ঋত্ত্বিক চট্টোপাধ্যায় (২০ লাখ), বৈভব আরোরা (২ কোটি), প্রেরক মানকাড় (২০ লাখ), ঋষি ধাওয়ান (৫৫ লাখ), রাজ বাওয়া (২ কোটি), সন্দীপ শর্মা (৫০ লাখ), ওডিন স্মিথ (৬ কোটি), লিয়াম লিভিংস্টোন (১১ কোটি ৫০ লাখ)।

রাজস্থান রয়্যালস

আগের ধরে রাখা: সাঞ্জু স্যামসন (১৪ কোটি), জশ বাটলার (১০ কোটি), যাশাসবি জয়সওয়াল (৪ কোটি)।

নিলামে: কেসি কারিয়াপ্পা (৩০ লাখ), রিয়ান পরাগ (৩ কোটি ৮০ লাখ), ট্রেন্ট বোল্ট (৮ কোটি), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৫ কোটি), যুজবেন্দ্র চাহাল (৬ কোটি ৫০ লাখ), শিমরন হেটমায়ার (৮ কোটি ৫০ লাখ), প্রসিধ কৃষ্ণা (১০ কোটি), দেবদূত পাডিক্কাল (৭ কোটি ৭৫ লাখ), ডারিল মিচেল (৭৫ লাখ), রাসি ভ্যান ডার দাসেন (১ কোটি), ন্যাথান কুল্টার-নাইল (২ কোটি), জিমি নিশাম (১ কোটি ৫০ লাখ), শুভম গারওয়াল (২০ লাখ), কুলদীপ যাদব (২০ লাখ), তেজস বরোকা (২০ লাখ), ধ্রুব জুরেল (২০ লাখ), করুন নায়ার (১ কোটি ৪০ লাখ), কুলদীপ সেন (২০ লাখ), অরুনয় সিং (২০ লাখ), ওবেদ ম্যাককয় (৭৫ লাখ), নভদীপ সাইনি (২ কোটি ৬০ লাখ)।

রয়্যাল চালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু

আগের ধরে রাখা: বিরাট কোহলি (১৫ কোটি), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ কোটি), মোহাম্মদ সিরাজ (৭ কোটি)।

নিলামে: ফ্যাফ ডু’প্লেসি (৭ কোটি), অনূজ রাওয়াত (৩ কোটি ৪০ লাখ), জোস হ্যাজেলউড (৭ কোটি ৭৫ লাখ), আকাশ দীপ (২০ লাখ), শাহবাজ আহমেদ (২ কোটি ৪০ লাখ), দীনেশ কার্তিক (৫ কোটি ৫০ লাখ), হার্ষাল প্যাটেল (১০ কোটি ৭৫ লাখ), ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (১০ কোটি ৭৫ লাখ), ডেভিড উইলি (২ কোটি), লুবনিথ সিসোদিয়া (২০ লাখ), সিদ্ধার্থ কাউল (৭৫ লাখ), করন শর্মা (৫০ লাখ), অন্নেশ্বর গৌতম (২০ লাখ), চামা মিলিন্দ (২৫ লাখ), জেসন বেহরেনডার্ফ (৭৫ লাখ), শেরফান রাদারফোর্ড (১ কোটি), ফিন অ্যালেন (৮০ লাখ), মহিপাল লোমরোর (৯৫ লাখ)।

সানরাইজার্স হায়দারাবাদ 

আগের ধরে রাখা: কেন উইলিয়ামসন (১৪ কোটি), আব্দুল সামাদ (৪ কোটি), উমরান মালিক (৪ কোটি)।

নিলামে: নিকোলাস পুরান (১০ কোটি ৭৫ লাখ), জগদীশা সূচিত (২০ লাখ), শ্রেয়াস গোপাল (৭৫ লাখ), কার্তিক তিয়াগী (৪ কোটি), ওয়াশিংটন সুন্দর (৮ কোটি ৭৫ লাখ), ভুবনেশ্বর কুমার (৪ কোটি ২০ লাখ), টি নটরাজন (৪ কোটি), প্রিয়ম গর্গ (২০ লাখ), অভিষেক শর্মা (৬ কোটি ৫০ লাখ), রাহুল ত্রিপাঠী (৮ কোটি ৫০ লাখ), ফজলহক ফারুকি (৫০ লাখ), গ্লেন ফিলিপস (১ কোটি ৫০ লাখ), বিষ্ণু বিনোদ (৫০ লাখ), সৌরভ দুবে (২০ লাখ), শশাঙ্ক সিং (২০ লাখ), আর সামর্থ (২০ লাখ), সিয়ান অ্যাবট (২ কোটি ৪০ লাখ), রোমারিও শেফার্ড (৭ কোটি ৭৫ লাখ), মারকো জানসেন (৪ কোটি ২০ লাখ), এডেন মার্করাম (২ কোটি ৬০ লাখ)।

তিতাসের পাঁচ সাংবাদিকের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার প্রতিবাদে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

মোঃ খোরশেদ আলম,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ তিতাসে কর্মরত পাঁচ সাংবাদিকের নামে চট্রগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে)মামলা দায়ের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় তিতাস প্রেস ক্লাবের আয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেইট সংলগ্ন গৌরীপুর-হোমনা সড়কে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় সাংবাদিকদের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন পেশা শ্রেণীর লোক অংশগ্রহণ করেন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত এই মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

উক্ত মানববন্ধনে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, তিতাস প্রেস ক্লাবের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মো.কবির হোসেন, বৃহত্তর দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ করিম সরকার, দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মো. হানিফ খান, তিতাস প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি এম এ কাশেম ভূইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হালিম সৈকত, মুন্সি সামসুউদ্দিন আহম্মেদ সাগর ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো.সজিব হোসেন প্রমূখ।

এছাড়াও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন তিতাস, হোমনা ও দাউদকান্দির কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ।

অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ইন্ধন দাতাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ১৫ জানুয়ারী তিতাস উপজেলার দুধঘাটা নুরে মোহাম্মদি (সঃ) দাখিল মাদ্রাসার সুপার ইব্রাহিম খলিলের দুর্নীতি, বিভিন্ন অনিয়ম ও অপসারণের দাবিতে এলাকাবাসী এবং অভিভাবকবৃন্দ মানববন্ধনকরে। উক্ত মানববন্ধন ও সমাবেশের সংবাদ বিভিন্ন পত্রিকায় ও অনলাইন পোর্টালে প্রকাশ করায় একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনে মাদ্রাসা সুপার ইব্রাহিম খলিল বাদী হয়ে তিতাস প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার তিতাস উপজেলা সংবাদদাতা মো. আসলামকে প্রধান আসামী করে এবং দৈনিক মানবজমি পত্রিকার তিতাস প্রতিনিধি মো.জুয়েল রানা, ফেইজবুক পেইজ এফবি নিউজ এর রাসেল মুন্সি, জেপি টিভি ফেইজবুক পেইজ এর জহিরুল ইসলাম পাশা, জনতা টিভি ফেইজবুক পেইজ এর আবদুর রহিম ও দুধঘাটা গ্রামের আরো ১৭ জনসহ মোট ২২ জনকে আসামী করে এই মামলা করেন।

ফুল ফুটুক আর না-ই ফুটুক আজ ঋতুরাজ বসন্ত

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানঃ “আহা আজি এ বসন্তে, এত ফুল ফোটে এত পাখি গায়, আহা আজি এ বসন্তে বিশ্ব কবির সুরে সুর মিলিয়ে ফাল্গুনের হাত ধরে চলে এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত। ঋতুরাজকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতির আজ এমন বর্ণিল সাজ। সকল কুসংস্কারকে পেছনে ফেলে, বিভেদ ভুলে, নতুন কিছুর প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা নিয়ে এসেছে বসন্ত। বসন্ত মানে পূর্ণতা। বসন্ত মানে নতুন প্রাণের কলরব।

শীতের রুক্ষতাকে পিছনে ফেলে প্রকৃতিকে আবার নতুন রূপে সাজিয়ে তোলার আগমনী বার্তা নিয়ে আসে বসন্ত। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়। ফুলের মুকুল আসে। পাখি গান গায়। আর বাতাসে ভাসে মিষ্টি ফুলের ঘ্রাণ। প্রজাপতিরা রঙিন ডানা মেলে জানায় ঋতুরাজের আগমনী বার্তা। শুধু প্রকৃতিতেই নয় মানুষের মনেও জাগায় এই  প্রাণের ছোঁয়া। তাই বসন্তের প্রথম দিনটিকে উদযাপন করতে সবাই মেতে ওঠে উৎসবে। নিজেকে সাজিয়ে তোলে বসন্তের রঙে।

বাংলা পঞ্জিকা বর্ষের শেষ ঋতু বসন্তের প্রথম দিনকে বাঙালি পালন করে ‘পহেলা ফাল্গুন-বসন্ত উৎসব’ হিসেবে। বাঙালির নিজস্ব সার্বজনীন প্রাণের উৎসবে  এ উৎসব এখন গোটা বাঙালির কাছে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। বাংলায় বসন্ত উৎসব এখন প্রাণের উৎসবে পরিণত হলেও এর শুরুর একটা ঐতিহ্যময় ইতিহাস আছে, যা অনেকের অজানা।

মোঘল সম্রাট আকবর প্রথম বাংলা নববর্ষ গণনা শুরু করেন ১৫৮৫ সালে। নতুন বছরকে কেন্দ্র করে ১৪টি উৎসবের প্রবর্তন করেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বসন্ত উৎসব। তখন অবশ্য ঋতুর নাম এবং উৎসবের ধরনটা এখনকার মতো ছিল না। তাই পহেলা ফাল্গুন বা বসন্ত উৎসব কেবল উৎসবে মেতে ওঠার সময় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলার গৌরবময় ঐতিহ্য, বাঙালিসত্তা। সে ঐতিহ্যের ইতিহাসকে ধরে রাখতে পারলেই বসন্ত উৎসবের সঙ্গে সঙ্গে নতুন প্রজন্ম ছড়িয়ে দিতে পারবে বাঙালি চেতনাকে।

ফাল্গুন নামটি এসেছে মূলত ফাল্গুনী নামে নক্ষত্র থেকে। খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ সালের দিকে চন্দ্রবর্ষ ও সৌরবর্ষ উভয়ই মেনে চলা হতো। ফাল্গুন ছিল পূর্ণ চন্দ্রের মাস। ১৯৫০-১৯৬০ দশকেই আনুষ্ঠানিকভাবে পহেলা ফাল্গুন পালন শুরু হয়। সেসময় বাংলাদেশের জনগণ পাকিস্তানের সংস্কৃতি থেকে নিজেদের আলাদা করতে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনার পাশাপাশি বাঙালি নিয়মে পহেলা ফাল্গুন পালন শুরু করে। এই বসন্ত নিয়ে লেখা হয়েছে অনেক গান, অনেক কবিতা।

আমাদের দেশে বঙ্গাব্দ ১৪০১ সাল থেকে প্রথম ‘বসন্ত উৎসব’ উদযাপন করার রীতি চালু হয়। সেই থেকে জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ বসন্ত উৎসব আয়োজন করে আসছে। তবে মহামারির কারণে এ বছরের বসন্ত উৎসব সীমিত পরিসরে পালন করা হচ্ছে। তবে আয়োজনের কোনো কমতি ছিল না। উৎসবে ছিল একক আবৃত্তি, একক ও দলীয় সংগীত, দলীয় নৃত্যসহ বিভিন্ন মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা। দেশবরেণ্য শিল্পীরা পরিবেশনা করেছেন।

এদিকে বসন্ত উৎসব উপভোগ করেছেন সব বয়সের মানুষ। নারী-পুরুষ সেজেছে বাসন্তী সাজে। শিশুরাও পড়েছে বর্ণিল পোশাক। অনেকের খোপাতেই কাঁচা ফুল।

এছাড়া রাজধানীর লক্ষ্মীবাজারের বাহাদুর শাহ পার্ক, ধানমণ্ডির রবীন্দ্রসরোবর ও উত্তরার ৭ নম্বর পার্কের মাঠে বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠান চলছে।

পাচঁ বছর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কিছু ভুল ত্রুটি হতে পারে : বিদায়ী সিইসি

জাতীয় ডেস্কঃ আজ সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আনুষ্ঠানিক বিদায় অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেন-“গত পাচঁ বছরে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কাজ করতে গিয়ে হয়তো ছোট-খাট কিছু ভুল ত্রুটি থাকতে পারে। তবে আমি এবং আমার কমিশন চেষ্টা করেছি সর্বোচ্চটা দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে।”

বিদায়ী সিইসি বলেন, গত ৫ বছর নির্বাচন কমিশন সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। ইভিএমএ ভোট গ্রহণ কমিশনের বড় সাফল্য। আইনের মাধ্যমে নির্বাচনকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা ছিল। আমরা এই পাঁচ বছরে দেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচনসহ প্রায় ৬ হাজার ৬৯০টি নির্বাচন করেছি। তবে কিছু নির্বাচন বিভিন্ন কারণে বাকি রয়েছে।

তিনি বলেন,দায়িত্ব পালনে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তারপরেও সফলভাবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। তবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কিছু ভুল হয়েছে। শতভাগ সফলতা অর্জন করতে পারেনি। নির্বাচনে অনেক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে, যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। আর আমরা আমাদের সময়ে নানা ধরনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। কিছু কিছু কাজে আমরা সফল হইনি কারণ করোনার জন্য গত ২ বছর আমরা পিছিয়ে গেছি। তারপরও আমাদের চেষ্টা ছিল।

আজকের অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ ও যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জমান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কে এম নূরুল হুদাকে প্রধান নির্বাচন কমশিনার (সিইসি) করে কমিশনে মাহবুব তালকুদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরীকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। এরপর ওই বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেন তারা। দীর্ঘ ৫ বছর দায়িত্বে তারা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সব সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করেন। আজ সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তাদের দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

সম্পত্তির ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে ১০ ঘণ্টা পর বাবার লাশ দাফন

মোঃ জ‌হির হো‌সেন, লক্ষ্মীপুরঃ বাবার লাশ খোলা আকাশের নিচে ১০ ঘণ্টা রেখেও বাড়ি ও জমির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের সুরাহা করা যায়নি। বাবার রেখে যাওয়া সম্পদের ভাগ নিয়ে দুই ভাই ও চার বোনের বাদানুবাদ ও লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার এক পর্যায়ে ছুটে আসেন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। দীর্ঘ সালিশ বৈঠকে বিরোধ নিরসনের চূড়ান্ত পর্যায়ে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে গোয়েন্দা পুলিশ ও সাংবাদিকরা। রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১২টার সময় উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের চরইন্দুরিয়া গ্রামের মাঝি বাড়িতে ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, চরইন্দুরিয়া গ্রামের বৃদ্ধ আদম আলীর স্ত্রী মালেকা বেগম শনিবার সকালে নীজ বাড়িতেই মারা যান। একইদিন দিবাগত রাত তিনটার সময় আদম আলিও (৯৫) মারা যান। তার ৩ ছেলে ও ৪ মেয়েসহ নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। মারা যাওয়ার আগে আদম আলি তার ৪৮০ শতাংশ এবং তার স্ত্রীর ২৭ শতাংশ জমির পুরোটাই তাদের মেজ ছেলে মোহন মাঝিকে লিখে দেন। বিষয়টি তার বড় ও ছোট ছেলে এবং চার মেয়ে মেনে নিতে পারেননি। এ নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই ৭ ভাই বোনের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার দুই ভাই ও চার বোন এক হয়ে তাদের বঞ্চিত করার অভিযোগে দেওয়ানী আদালতে বাবার বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদম আলিকে নিয়ে মেঝো ছেলে মোহন মাঝি এক সঙ্গে বসবাস করছিলেন। আদম আলির মৃত্যুর জন্য মোহন মাঝিকে দায়ী করে আসছিল বাকি ৬ ভাইবোন। তাদের অভিযোগ জেলা আদালতের মাধ্যমে জমিজমার সুষ্ঠু বণ্টনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় মোহন মাঝি পুরো জমি আত্মসাৎ করেন।

স্থানীয়রা জানান, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আদম আলির ৭ সন্তানের মধ্যে মেঝো ছেলে মোহন মাঝির সাথে বড় ও ছোট ভাই এবং চার বোনের সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরেই বিরোধ চলছিল। উভয়ের মধ্যে ৬টি মামলাও করা হয়েছিল। প্রায় দুই মাস আগে হায়দরগঞ্জ বাজারে চার শতাংশ জমি দখল করে ভবন ও দোকান নির্মাণে বাঁধায় কাউছার নামের ছেলেকে বেদম মারধর করা হয়। এই বিরোধের জেরে লাশ দাফন আটকে রাখা হয়।

এবিষয়ে উত্তর চরবংশী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। ঘটনা শোনার পরই আমি খোজখবর নেই। আদম আলী জিবিত অবস্থায় ৭ ছেলে মেয়েকে নিয়ে জমির ভাগ বন্টন নিয়ে কয়েকবার বৈঠকে বসছিলেন। কিন্তু মোহন মাঝি ছাড়া অন্য সন্তানরা কথা না শুনায় তাকে সকল জমি লিখে দিয়েছেন আদম আলি। স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিক খান বলেন, শুক্রবার তাদের জমি-জমার বিষয়টির সমাধান করে দেব বলে আশ্বস্ত করা হলে আদম আলিকে দাফনের সিদ্ধান্ত নেই।

হতভাগ্য আদম আলীর বড় ছেলে ও চার মেয়ের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বাবা তাদের মেঝ ভাই মোহন মাঝির কাছে থাকেন। সেই সুযোগে সে বাবাকে ফুসলিয়ে তার সব সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নেন। এ নিয়ে গ্রাম আদালতে মামলা করি। কিন্তু আদালত বাবাকে হাজির হতে নির্দেশ দিলেও অসুস্থতার কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। এর মাঝেই শনিবার সকাল ৭ টার সময় তাদের মা মালেকা বেগম এবং তাদের বাবা রাতে মারা যান।

এ প্রসঙ্গে মোহন মাঝি বলেন, শনিবার বিকালে হঠাৎ বাবা অসুস্থ হলে তাকে স্থানীয় ক্লিনিকের ডাক্তার দেখাই। এ সময় ডাক্তার কিছু টেস্ট ও ওষুধ লিখে দেন এবং বাবাকে বাসায় রেখে চিকিৎসা করাতে বলেন। আমি সে অনুযায়ী বাবাকে বাসায় রেখে চিকিৎসা করাচ্ছিলাম। শনিবার রাতেই বাবা বেশি অসুস্থ হয়ে মারা যান। বাবা সুস্থ অবস্থায় সজ্ঞানে আমার নামে বাড়ি ও জমি লিখে দিয়ে গেছেন। আমার অপরাধ নাই।

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

সিএনবিডি ডেস্কঃ “ভালবাসা” ছোট্ট একটি শব্দ হলেও এর অর্থ কিন্তু অনেক অনেক বেশি। এই ছোট্ট একটি শব্দই পুরো দুনিয়াকে পালটে দিতে এক নিমিষেই। ভালোবাসার নেই কোন রঙ বা রূপ। হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয় ভালোবাসা। প্রিয়জনকে ভালোবাসতে বা তা প্রকাশ করতেও প্রয়োজন নেই কোনো নির্দিষ্ট ক্ষণ, দিন, মাস বা বছরের। এই কথাগুলো জানা আমাদের সবারই। সব কথার পরও গুরুত্ব বলে একটা কথা থেকে যায়। আর এই ভালোবাসার গুরুত্ব বা তাৎপর্যকে তুলে ধরতেই জন্ম হয় বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের।

প্রতি বছর এই দিনটাতে অনেকেই তাদের প্রিয়জনদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে একটু অন্যভাবে। ফুল, কার্ড আর নানান উপহার সামগ্রীতে ভরিয়ে দেয় তারা প্রিয় মানুষটিকে। অনেকের কাছেই তাই বহুল আকাঙ্ক্ষিত দিন এটি। নানা আয়োজনে বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হয় দিনটি। দিবসটি বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে ১৯৯৫ সাল থেকে। এই দিনটিকে ঘিরে প্রতি বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে থাকে নানান আয়োজন। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অনুকরুণে বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের সব দেশেই বাড়ছে দিনটির কদর। বিশেষত তরুণ সমাজে দিনটির মূল্য রীতিমত চোখে পড়ার মত।

তবে এ দিনটির পেছনেও রয়েছে এক বিশাল ইতিহাস। তা হয়ত আমরা অনেকেই জানি না। জেনে নেওয়া দরকার দিনটির ইতিহাস সম্পর্কে। আসলে কেন পালন করা হয় ১৪ ফেব্রুয়ারী।

২৬৯ সালে  ইতালির রোম  নগরীতে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন’স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচারের অভিযোগে তৎকালীন রোম সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। আর তাই তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেন্টাইন’স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন’ দিবস ঘোষণা করেন।

খৃষ্টানজগতে পাদ্রী-সাধু সন্তানদের স্মরণ ও কর্মের জন্য এ ধরনের অনেক দিবস রয়েছে। যেমন: ২৩ এপ্রিল – সেন্ট জজ ডে, ১১ নভেম্বর – সেন্ট মার্টিন ডে, ২৪ আগস্ট – সেন্ট বার্থোলোমিজম ডে, ১ নভেম্বর- আল সেইন্টম ডে, ৩০ নভেম্বর – সেন্ট এন্ড্রু ডে, ১৭ মার্চ – সেন্ট প্যাট্রিক ডে। পাশ্চাত্যের ক্ষেত্রে জন্মদিনের উৎসব, ধর্মোৎসব সবক্ষেত্রেই ভোগের বিষয়টি মুখ্য। তাই গির্জাঅভ্যন্তরেও মদ্যপানে তারা কসুর করে না। খৃস্টীয় এই ভ্যালেন্টাইন দিবসের চেতনা বিনষ্ট হওয়ায় ১৭৭৬ সালে  ফ্রান্স  সরকার কর্তৃক ভ্যালেইটাইন উৎসব নিষিদ্ধ করা হয়। ইংল্যান্ডে ক্ষমতাসীন পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিকভাবে এ দিবস উদযাপন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

এছাড়া অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবস প্রত্যাখ্যাত হয়। সম্প্রতি পাকিস্তানেও  ২০১৭ সালে ইসলাম বিরোধী হওয়ায় ভ্যালেন্টাইন উৎসব নিষিদ্ধ করে সে দেশের আদালত। বর্তমানকালে, পাশ্চাত্যে এ উৎসব মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়। যুক্তরাজ্যে মোট জনসংখ্যার অর্ধেক প্রায় ১০০ কোটি পাউন্ড ব্যয় করে এই ভালোবাসা দিবসের জন্য কার্ড, ফুল, চকোলেট, অন্যান্য উপহারসামগ্রী ও শুভেচ্ছা কার্ড ক্রয় করে এবং আনুমানিক প্রায় ২.৫ কোটি শুভেচ্ছা কার্ড আদান-প্রদান করা হয়।

আগুনে ৬ ঘর পুড়লেও অক্ষত কোরআন শরীফ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনে লেগে ৬ বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হলেও একমাত্র অক্ষত অবস্থায় রয়েছে পবিত্র কোরআন শরীফ। রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর বারশত ইউনিয়নের ১ নম্বর গোবাদিয়া ওয়ার্ডের মিন্নত আলি হাট এলাকার ইয়াসিন খাঁর বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত আনুমানিক ২টার দিকে পার্শ্ববর্তী মোশারফ আলীর ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় ঘরে হাঁস মুরগীসহ ৬টি বসতবাড়ি ও গোয়ালঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ঘর থেকে কোনো মালামাল বের করা সম্ভব হয়নি। ঘরের নতুন ফ্রিজ, স্বর্ণ, টাকা সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১২-১৫ লক্ষ টাকা মতো হবে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে ঘরের মধ্যে থাকা সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও পবিত্র কুরআন শরীফ অক্ষত রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার বেলাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
অফিসার বেলাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারপর একটানা আড়াই ঘণ্টা প্রচেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুন লেগে ৬টি ঘর, ৬টি রান্নাঘর, একটি গোয়ালঘর পুড়ে যায়। তবে অক্ষত অবস্থায় পবিত্র কোরআন শরীফ উদ্ধার করা হয়েছে।

আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন নারায়ণগঞ্জ সিটির মেয়র আইভী

রাজনীতি ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী গতকাল রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে ওইদিন কাউন্সিলররাও নগর ভবনে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

নাসিক মেয়র আইভী বলেন, গত ১৮ বছর যেভাবে জনগণের সেবা করে আসছি, এবারও আগামী পাঁচ বছর দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাব। নগর ভবন হবে টেন্ডারবাজ-চাঁদাবাজ মুক্ত। কোনো ধরনের আপস মনোভাব নিয়ে এখানে আসা হয়নি। আপস থাকবে জনগণের সঙ্গে, কাজের সঙ্গে। কোনো সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের সঙ্গে নয়।

আইভী বলেন, শুরুতেই চলমান কাজের পাশাপাশি মেগা প্রজেক্ট কদম রসুল ব্রিজকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করা হবে। জালকুড়িতে ওয়েস্ট টু এনার্জিসহ ছয়টি বড় মেগা প্রজেক্টের কাজ শেষ করার পর তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন। জনগণের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে।

এর আগে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নবনির্বাচিত মেয়র আইভীকে। পরে নগর ভবনে ২৭টি ওয়ার্ডের নারী ও পুরুষ কাউন্সিলরদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিপুল ভোটে টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।

মাদক উদ্ধারের সময় পুলিশকে কুপিয়ে জখম

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহীতে মাদক মাদক উদ্ধারের সময় পুলিশ ও তার সোর্সকে কুপিয়ে জখম করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা। আহত পুলিশ সদস্য আতিকুর রহমান রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে কনস্টেবল পদে কর্মরত রয়েছেন। রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে মহানগরীর ডাঁশমারি এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযানে গেলে ঘটনাটি ঘটে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহত পুলিশ সদস্য আতিকুর রহমানের বাঁহাতের কবজি গুরুতর জখম হয়েছে। এর জন্য বড় ধরনের অপারেশন করা হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশের সোর্স নাঈম হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, দুপুরে ডিবির একটি দল নগরীর মতিহার থানাধীন ডাঁশমারি এলাকায় মাদক উদ্ধার করতে গেলে অতর্কিত হামলা চালায় মাদক ব্যবসায়ীরা। এ ঘটনায় একজন পুলিশ সদস্য গুরুতর যখম হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম দুখুকে আটক করা হয়েছে।