নওগাঁয় নিয়ামতপুর উপজেলার ৮ ইউনিয়ন পরিষদে চলছে ভোট গ্রহণ

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : সারাদেশে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের শেষধাপে সোমবার নওগাঁ জেলার ১টি উপজেলার ৮টি
ইউনিয়ন পরিষেদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন অফিস এবং পুলিশ বিভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহন করেছে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ওই ৮ ইউনিয়নে চলবে ভোট গ্রহন।

জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ মাহমুদ হাসান জানিয়েছেন, সোমবার জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার এই ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদগুলো হচ্ছে নিয়ামতপুর, হাজীনগর, ভাবিচা, রসুলপুর, পাড়ইল, শ্রীমন্তপুর, চন্দননগর এবং বাহাদুরপুর।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে শেষ ধাপের এই নির্বাচনে সবগুলো ইউনিয়নে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৮টি ইউনিয়নে ৯০টি কেন্দ্রের ৫৮৭ ভোট কক্ষে ভোট গ্রহন করা হবে।

সোমবারের নির্বাচনে নিয়ামতপুর উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৮শ ৪৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটর ৯৭ হাজার ৬শ ৩ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ২শ ৪৪ জন।

এই নির্বাচনে ৮টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৯ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ২৪চি পদের বিপরীতে ১০৬ জন এবং সাধারন সদস্য ৭২টি পদের বিপরীতে ৩৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া জানিয়েছেন, ইতিপূর্বের মত এবারেও সুষ্ঠু শান্তিপূর্ন নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন অফিসারের নেতৃত্বে ৬ থেকে ৭ জন করে পুলিশ সদস্য সার্বক্ষনিক দায়িত্বে আছেন। তাদের সহযোগিতার জন্য আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা দায়িত্বে রয়েছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি করে ভ্রাম্যামন আদালত টহলরত রয়েছে। এ ছাড়াও ষ্ট্রাইকিং ফোর্স উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে সার্বক্ষনিক টহলরত আছে। পুলিশের পাশাপশি বিজিবি সদস্যরাও সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করছে।

কনকনে ঠান্ডা হিমেল হাওয়ায় মৌলভীবাজারের জনজীবন স্থবির

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী ঘেষা এলাকা কমলগঞ্জ উপজেলাজুড়ে কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়ার কারণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। বেড়ে গেছে ঠাণ্ডাজনিত রোগবালাই। আজ সোমবার সকালে (৩১ জানুয়ারী) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন শনিবার ছিল ৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে টানা কয়েক দিন ধরে কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়ার কারণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। শহর থেকে গ্রামে শীতের তীব্রতা বেশি। এখানে পাহাড় ও চা-বাগান অঞ্চলে শীতের তীব্রতা আরও বেশি। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে সেখানকার মানুষজন পড়েছেন ভোগান্তিতে।

এছাড়া উপজেলায় ঠাণ্ডাজনিত রোগে প্রতিদিন হাসপাতালে শিশু ও বয়স্কদের নিয়মিত ভর্তি অব্যাহত রয়েছে। প্রায় মানুষই জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত। দিনে কিছু সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও শীতের তীব্রতা কমছে না। হাড় কাঁপানো শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন চা শ্রমিক, গরিব, ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ। কষ্টে রয়েছে গবাদিপশুও। নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় একেবারে কম।

কমলগঞ্জ উপজেলায় গাছ গাছালি ও সবুজে ঘেরা থাকায় চা বাগানগুলোতে সাধারণত শীত বেশি, মৃদু বাতাস ও কুয়াশাও তুলনামূলক বেশি থাকে। ফলে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার সময়ে কাবু হয়ে পড়েন চা শ্রমিকদের একটি বৃহৎ অংশ। পর্যাপ্ত গরম কাপড়ের অভাবে হাড় কাঁপানো শীতে তারা খুবই কষ্টে দিনযাপন করছেন। কয়েক বছর আগেও শ্রমিকদের চাহিদা অনুযায়ী বাগান কর্তৃপক্ষ শীত নিবারণে চটের বস্তা বিতরণ করলেও এখন আর কোন কিছু দেয়া হয় না। হাড় কাঁপানো শীতে কাহিল হয়ে পড়ছে বৃদ্ধ ও শিশুরা। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় মানবেতর জীবন-যাপন করছে নিম্নআয়ের লোকজন। শীতে ছিন্নমূল মানুষেরা বেশি ভোগান্তিতে রয়েছে। চারদিকে শীতজনিত রোগ নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি, জ্বর, আমাশয়সহ নানা রোগ দেখা দিয়েছে। হাটবাজারে শীতের কাপড়ের চাহিদা বেড়ে গেছে। অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে শরীরে উত্তাপ নিচ্ছেন। মানুষ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না।

চা শ্রমিকরা জানান, স্বল্প আয় থাকায় গরম কাপড় কেনা তাদের অধিকাংশেরই সামর্থ্যের বাইরে। শীত নিবারণে এসব পরিবার সদস্যরা ঘরের ভেতরে ও বাইরে খড়খুঁটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে সময় কাটান। বর্তমানে চা বাগানে শ্রমিকদের মধ্যে বাগান পঞ্চায়েত, জনপ্রতিনিধি ও ম্যানেজমেন্টের সুবিধাভোগীসহ সচ্ছল প্রায় ১০ শতাংশ হাতে গোনা কিছু পরিবার স্বাচ্ছন্দ্যে দিন কাটালেও ৯০ শতাংশেরই খুবই দুঃখ-কষ্টে দিনযাপন করতে হচ্ছে।

শমশেরনগর চা বাগানের শ্রমিক স্বপন গোয়ালা, আদরমনি মৃধা বলেন, দৈনিক মাত্র ১২০ টাকা মজুরিতে পাঁচ, সাত সদস্যের পরিবারের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। আমরা চা শ্রমিকরা খাইবো কি আর কাপড় চোপড় কিনবোই বা কি? আর বাজারে জিনিসপত্রের দামও যে হারে বাড়ছে তাতে গরম কাপড় কেনা মোটেও সাধ্য নেই। অভাব অনটনসহ সব মিলিয়ে শীতে আমাদের কষ্ট আরও একধাপ বেড়েছে। সবগুলো চা বাগানে একই অবস্থা। তারা আরও বলেন, শীতে খড়কুঁটো বিছিয়ে কেউ কেউ ঘুমানোর ব্যবস্থা করেন। কেউ কেউ বস্তা বিছিয়ে ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার চেষ্টা করেন আবার কেউ কেউ আগুন জ্বালিয়ে শরীরে গরম ভাপ লাগান।

শমশেরনগর কানিহাটি চা বাগানের শ্রমিক নেতা সীতারাম বীণ, দেওছড়া চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি শংকর রবিদাস ও চা শ্রমিক সংঘের নেতা রাজদেও কৈরী বলেন, শীতের সময়ে চা শ্রমিকদের মধ্যে বাগান কর্তৃপক্ষ কোন শীতবস্ত্র বিতরণ করেন না। কয়েক বছর আগে বাগান কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের মধ্যে চটের বস্তা বিতরণ করতো। এখন আর কিছুই দেয়া হয় না। অধিকাংশ শ্রমিক পরিবার সদস্যরা শীতে কষ্ট পোহাচ্ছেন। তাছাড়া চা বাগানগুলোতে চিকিৎসা ব্যবস্থাও নাজুক। ডিসপেনসারিগুলোতে ভালো চিকিৎসা সুবিধাও নেই। সবমিলিয়ে চা শ্রমিকরা ভালো নেই।

এ ব্যাপারে ডানকান ব্রাদার্স আলীনগর চা বাগানের আলীনগর চা বাগান ব্যবস্থাপক হাবিব আহমেদ চৌধুরী বলেন, আগে এক সময় শীতবস্ত্র দেয়া হতো। এখন চা বাগান কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের মধ্যে কোন শীতবস্ত্র বিতরণ করছে না।

মৌলভীবাজারস্থ শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মুজিবুর রহমান জানান, মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও ঘন কুয়াশা কেটে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। জেলার উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বইছে। গতকাল সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকাল থেকে কিছুটা তাপমাত্রা বেড়েছে। আগামী দু’একদিন তাপমাত্রা এ ধরনের থাকতে পারে।

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে ৫ ‌‌‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে। পুলিশের দাবি, নিহতদের মধ্যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মুহাম্মদের এক কমান্ডার রয়েছে। শনিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কাশ্মীরের পুলওয়ামা এবং বুদগাম জেলায় এ ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তথ্যমতে, শনিবার সন্ধ্যায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ১২ ঘণ্টার অভিযানে পুলওয়ামার নাইরা অঞ্চলে যে বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে তাতে চারজন নিহত আর বাদগাম জেলায় নিহত হয়েছেন একজন। নাইরাতে যে চারজন নিহত হয়েছেন তারা জইশ-ই-মুহাম্মদ সংশ্লিষ্ট। আর বাদগামের চারার-ই-শরীফে নিহত ব্যক্তি লস্কর-এ-তৈয়বা সংশ্লিষ্ট।

জি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলওয়ামায় নিহতদের মধ্যে শীর্ষ জেইএম কমান্ডার জাহিদ ওয়ানি রয়েছেন। লেতপুরা বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত জাহিদ। ওই বিস্ফোরণে ৪০ জন সিআরপিএফ সেনা নিহত হয়। ওই ঘটনার পর থেকে তাকে খুঁজছিল ভারতের পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত মাস থেকে এ পর্যন্ত একাধিক অভিযানে ২২ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে খবর জানা গেছে। সূত্র: এনডিটিভি, জি নিউজ।

ফেসবুক মেসেঞ্জারে নতুন সুবিধা চালু

প্রযুক্তি ডেস্কঃ সম্প্রতি ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রাহকদের জন্য আরও নজরদারি বাড়াতে নিয়ে এসেছে একাধিক নতুন ফিচার। বিশেষ করে মেসেঞ্জারের জন্য তারা চালু করেছে চ্যাট ও কলের নিরাপত্তায় এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন।

এই এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন হচ্ছে- যে দু’জনের মধ্যে কথোপকথন হয়েছে, তারা বাধে সেই তথ্য অন্য কেউ দেখতে পাবেন না। আর এবার থেকে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্ট করা মেসেঞ্জার চ্যাটে ডিজাপিয়ারিং মেসেজের কেউ স্ক্রিনশট নিলে নোটিফিকেশন পাবেন গ্রাহক। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সিকিউরিটি ফিচার, যা এতদিন ধরে চালু ছিল শুধু কিছু সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য। এবার সব ব্যবহারকারী এ সুবিধার আওতায় আসবে।

এর পাশাপাশি মেসেজ রিয়াকশন ফিচারও রিলিজ করা হচ্ছে। মেসেঞ্জারের এই অপশনটির সাহায্যে ইমোজিসহ মেসেজের প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে।

ফেসবুকের নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জুকেরবার্গও জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত চ্যাটের পাশাপাশি মেসেঞ্জারে গ্রুপ চ্যাট, গ্রুপ অডিও বা ভিডিও কলের ক্ষেত্রেও এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন কার্যকর হবে। মূলত গ্রাহকদের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতেই নতুন ফিচার আনা হল।

চলতি বছর সারে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে ২৮ হাজার কোটি টাকা : কৃষিমন্ত্রী

সিএনবিডি ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় চলতি বছর দেশে সারের জন্য ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া লাগবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ঢাকার এফডিসিতে ‘নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ’ নিয়ে এক ছায়া সংসদে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে সারের ভর্তুকিতে ২৮ হাজার কোটি টাকা লাগবে। এখন পর্যন্ত ১৯ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দেয়া হয়েছে এবং আগামী জুন পর্যন্ত আরও ৯ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। তারপরও দেশের কল্যাণে ও কৃষির উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারের দাম বাড়াবেন না বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সারের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি ও পরিবহণ ব্যয় বাড়ার ফলেই এ বিশাল অংকের ভর্তুকি লাগবে। এমনিতে আমাদের প্রতিবছর ৮ থেকে ৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকিতে লাগে।

আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বর্তমান সরকার সবার জন্য নিরাপদ খাবারের নিশ্চয়তা দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে। সেজন্য নিরাপদ খাদ্য আইন প্রণয়ন করেছে, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: বাংলাদেশের বিদায়, সেমি-ফাইনালে ভারত

স্পোর্টস ডেস্কঃ আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের গত আসরে যে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ, এবার তাদের কাছেই হেরে বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশী যুবাদের। কোয়ার্টার-ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৫ উইকেটের হার নিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শেষ করলো টাইগার যুবারা।

শনিবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাতে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং ব্যর্থতায় পড়ে বাংলাদেশের যুবারা। ভারতীয় বোলারদের বোলিং তোপে ৩৭ দশমকি ১ ওভারে গুটিয়ে যাওয়ার আগে মাত্র ১১১ রানের সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ।

সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৩০ দশমিক ৫ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত। বাংলাদেশের যুবারদের ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পা রাখে টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত অপরাজিত ভারত অনুর্ধ্ব-১৯ দল।

ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপাকে পড়ে চ্যাম্পিয়নরা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার মাহফিজুল ইসলামকে ২ (৪) রানে বোল্ড করে ফেরান রবি কুমার। আরেক ওপেনার ১৭ বল খেললেও ১ রান করে বিদায় নেন রবি কুমারের বলে ক্যাচ দিয়ে। দলের অন্যতম ব্যাটার প্রান্তিক নওরোজকে ৭ (১৯) রানে ফেরান আগের দুই উইকেট নেয়া রবি। আইচ মোল্লার উপর দলের ভরসা, সেই আইচ ১৭ (৪৮) রান আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে।

এরপর আরিফুল ইসলাম ৯, মোহাম্মদ ফাহিম ০, রাকিবুল হাসান ৭ রানে ফেরার পর হাল ধরেন এস এম মেহরব ও আশিকুর জামান। মেহরবের ৩০ (৪৮) ও আশিকুরের ১৬ (২৯) রানে ভর করে কোনও মতে একশ রান পার করে বাংলাদেশ। ৩৭.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১১১ রানে থেমে যায় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।

ভারতের পক্ষে ৩ উইকেট নেন রবি কুমার, ২ উইকেট নেন ভিকি ওসটল ও ১টি করে উইকেট নেন রাজবর্ধন, কুশল তাম্বে এবং আংক্রিশ রাজবংশী। ম্যাচ সেরা হয়েছে বল হাতে বাংলাদেশ শিবিরে ধস নামানো রবি কুমার।

কঙ্গোর আদালতে জাতিসংঘের দুই বিশেষজ্ঞ হত্যায় ৫১ জনের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিকান কঙ্গোর সামরিক আদালত প্রায় পাঁচ বছর আগে জাতিসংঘের দুই বিশেষজ্ঞ হত্যার দায়ে ৫১ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। নিহত জাতিসংঘের দুই বিশেষজ্ঞ জাইদা কাতালান ও মাইকেল শার্প ওই সময় দেশটির বিরোধপূর্ণ কাসাই অঞ্চলে সহিংসতার ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। জাইদা হলেন একজন সুইডিশ ও মাইকেল একজন আমেরিকান।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্যমতে, সুইডেনের নাগরিক জাইদা কাতালান ও আমেরিকান মাইকেল শার্প ২০১৭ সালের মার্চে দেশটির বিরোধপূর্ণ কাসাই অঞ্চলে যান। সরকারি বাহিনী ও একটি সশস্ত্রগোষ্ঠীর মধ্যে সহিংসতার ঘটনার তদন্ত করতে গিয়েই হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তারা। প্রথমে নিখোঁজ হওয়ার খবর এলেও পরে ওই বছরের ২৮ মার্চ একটি গ্রামে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়।

মানবাধিকার এই দুই কূটনীতিককে হত্যার ঘটনা ব্যাপকভাবে নাড়া দেয় বিশ্বকে। এ হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ ৪ বছর ধরে চলছে দেশটির সামরিক আদালতে।

দেশটির কর্তৃপক্ষ সশস্ত্র গোষ্ঠীর লোকেরা তাদের হত্যা করেছে বলে দাবি করেছে।

প্রসঙ্গত, কঙ্গোতে প্রায়শই হত্যা মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু ২০০৩ সালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ওপর স্থগিতাদেশ ঘোষণা করে দেশটি। সুত্রঃ আল-জাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান।

৪০ বছর বয়সীরা বুস্টার ডোজ, ১২ বছরের ঊর্ধ্বে হলেই সবাই পাবে টিকা

সিএনবিডি ডেস্কঃ চলমান মহামারি প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বুস্টার ডোজের বয়সসীমা কমিয়ে  ৪০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এখন থেকে ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সবাইকে টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ রবিবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিসিয়ান অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) ভবনে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন এবং করোনা পরিস্থিতি বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ৯ কোটি ৭০ লাখ প্রথম ডোজ, ৬ কোটির উপরে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হয়েছে। এ মাসে সর্ব্বোচ্চ ৩ কোটি ৪০ লাখ টিকা দেয়া হয়েছে। আজ থেকে আমরা ৪০ বছর বয়সীদেরও করোনার বুস্টার ডোজ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের এখন বাড়তি টিকার দরকার নাই। তাই চীন কিংবা ভারতের সাথে চুক্তি হলেও আমরা কাউকে টিকার জন্য চাপ দিচ্ছি না।

করোনার ভয়াবহতা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে ২০ গুণ এবং মৃত্যু বেড়েছে ৪ গুণ। করোনাকে মৃদু বলা যাবে না।

মন্ত্রী বলেন, ভাসমান মানুষদের জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা দেয়া হবে। যেহেতু এটি সিঙ্গেল ডোজের টিকা। এ ছাড়া বাস মালিক সমিতি, দোকান সমিতিসহ বিভিন্ন পেশাজীবীদের তাদের সমিতির মাধ্যমে টিকা দেয়া হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এতদিন ১২ বছরের ঊর্ধ্বে শুধু স্কুলের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হচ্ছিল। এখন এটা ওপেন করে দেওয়া হলো। ১২ বছরে ঊর্ধ্বে হলেই সবাইকে টিকা দেওয়া হবে। বাংলাদেশের নাগরিক হলেই তিনি টিকা পাবেন।

প্রসঙ্গত, সরকার গত মাস থেকে করোনার টিকার নিয়মিত কেন্দ্রগুলোতে বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু করে। ষাটোর্ধ্ব নাগরিক ও সম্মুখসারির কর্মীদের বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়। দ্বিতীয় ডোজ পাওয়ার ছয় মাস পরই শুধু বুস্টার ডোজ নেওয়া যাচ্ছে। আর গেল বছর নভেম্বরের প্রথম দিন থেকে দেশে ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। এরই মধ্যে ১ কোটি ৩৮ লাখেরও বেশি স্কুল শিক্ষার্থী টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে।

রায়পুরে মৃত্যুদন্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামী আটক ক‌রে‌ছে থানা পু‌লিশ

মো. জ‌হির হো‌সেন, লক্ষ্মীপুরঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় মৃত্যুদন্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামী রাকিব নামে একজনকে আটক করেছে রায়পুর থানা পুলিশ।

রায়পুর পৌর ১নং ওয়ার্ড মোল্লা বাড়ীর বাসিন্দা রাকিব  ফুলগাজী থানার মামলা নং -০৩ ,  তা – ১৯/১১/১০ ইং , জি আর -১১৯/১২ , দায়রা মামলা নং -২০২/১২ , ধারা -৩৯৬ পেনাল কোড এর মৃত্যুদন্ড সাজা প্রাপ্ত আসামী হুমায়ুন হাসান রাকিব (৩৫ ),পিতা আবুল কালাম ডাকাতি ও খুনের মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘ এক যুগ পর আটক হয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় রায়পুর থানার ওসি শিপন বড়ুয়ার নেতৃত্ত্বে এসআই নিঃ ইমদাদুল হক, এএসআই নিঃ আতিকুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ রায়পুর উপজেলার বোয়ার্ডার এলাকা থেকে আটক করে রায়পুর থানা পুলিশ।

রায়পুর থানার ওসি শিপন বড়ুয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটকের বিষয় নিশ্চিত করে বলেন ,অপরাধীরা যে এলাকারই হোক অপরাধ করে পালিয়ে বেড়ালেও সাজা তাকে পেতেই হবে। রায়পুর থানার এই ধরনের অভিযান আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে সবসময় চলমান থাকবে।

কুলাউড়ায় গাঁজা সহ ১জন গ্ৰেফতার

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ভোরবেলা মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানার এসআই পরিমল চন্দ্র দাস এর পরিচালনায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে একটি দলের বিশেষ অভিযান করিয়া কুলাউড়া পৌর শহর তলীর জয়পাশা নামক স্থানে ছত্তার মিয়া এর কলোনীর সামনে হইতে মাদক ব্যবসায়ী শেখ সাজিদ (২৫) নামক ১জনকে আটক করা হয়। মধ্য জয়পাশা গ্ৰামের শেখ রজমুল এর ছেলে শেখ সাজিদ বলে জানা যায় ।

গ্রেফতারকৃত আসামী সাজিদকে আটক করিয়া আসামীর সাথে থাকা ৭০০ গ্রাম গাঁজা  উদ্ধার করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কুলাউড়া সার্কেল, সাদেক কাউসার দস্তগীর এবং অফিসার ইনচার্জ বিনয় ভূষন রায় এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় অভিযানে নেতৃত্ব প্রদান করেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আমিনুল ইসলাম। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি।

তিনি আরো বলেন কুলাউড়া থানাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া নির্দেশে থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।