বিশ্বের দ্রুততম বৈদ্যুতিক বিমান নিয়ে এলো রোলস রয়েস

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ গত দুইবারের রেকর্ড ভেঙ্গে বিশ্বের দ্রুততম বৈদ্যুতিক বিমান নিয়ে এলো রোলস রয়েস। ‘স্পিরিট অব ইনোভেশন’ নামের বিমানটি ঘণ্টা প্রতি ৩৪৫.৪ মাইল বা ৫৫৫.৯ কিলোমিটার গতিবেগে ৩ ঘণ্টার পথ পাড়ি দেয়। এছাড়া, ঘণ্টা প্রতি ৩৩০ মাইল বা ৫৩২.১ কিলোমিটার বেগে ১৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয়।

‘দ্যা ওয়াল্ড এয়ার স্পেস ফেডারেশন’ পরীক্ষামূলক এই অভিযান চালায় গত বছরের নভেম্বরে। এটিকে তাদের যুগান্তকারী অর্জন বলে মনে করছে রোলস রয়েস।কার্যক্রম শুরু করলে ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুতগতির এই বিমানটির গতিবেগ হবে ঘণ্টা প্রতি ৩৮৭.৪ মাইল বা ৬২৩ কিলোমিটার।

তবে, আনুষ্ঠানিকভাবে এই গতিবেগ রেকর্ড করা হয়নি। যুক্তরাজ্য সরকার দ্বারা সমর্থিত প্রকল্পটি এক্সিলারেটিং দ্য ইলেকট্রিফিকেশন অফ ফ্লাইট (এসিসিইল) এর আওতাধীন।

বিমানটি তৈরিতে চারশত বৈদ্যুতিক কিলোওয়াট শক্তি ব্যবহৃত হয়েছে যা ৫৩৫ বিএইচপি সুপারকারের সমান। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়েনের ফলে ‘জেট জিরো’ বাস্তব রূপ পাবে। এতে করে কার্বন নিঃসরণ না করে যানবাহন চলাচল আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

খবরঃ জিও টিভি।

গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করলো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকম

অর্থ-বানিজ্য ডেস্কঃ অর্ডার করে যেসব গ্রাহক প্রতারিত হয়েছেন তাদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করেছে আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকম। আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে  ২০ জন প্রতারিত গ্রাহককে ৪০ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার মধ্যে দিয়ে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, “২০ জন গ্রাহক ৪০ লাখ ২ হাজার ৪১৩ টাকা ফেরত পেয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ভোক্তাদের অর্থ ফেরতের কার্যক্রম উদ্বোধন করলাম।”

তিনি আরো বলেন, “এভাবে বিভিন্ন ইকর্মাস প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যারা প্রতারিত হয়েছেন তাদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রক্রিয় শুরু হলো। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা আছে তাদের গ্রাহকদের টাকা এখন ফেরত দেয়া সম্ভব না। যাদের বিরুদ্ধে শুধু অভিযোগ আছে, মামলা নেই, তাদের গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং হচ্ছে। ”

এর আগে রোববার (২৩ জানুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক নোটিশে বলা হয়, ফস্টার পেমেন্ট গেটওয়ের কাছে কিউকম ডটকমের গ্রাহকের আটকে থাকা টাকা সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। প্রাথমিকভাবে কিউকমে আটকে থাকা ২০ জন গ্রাহককে এই টাকা দেওয়া হবে। পরে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য গ্রাহকদের পাওনা অর্থ পরিশোধ করা হবে।

উল্লেখ্য, পেমেন্ট গেটওয়ে ফস্টারের কাছে কিউকমের ৩৯৭ কোটি টাকা আটকে আছে। এ টাকার মধ্যে ক্রেতাদের অন্তত ১৬৬ কোটি টাকা রয়েছে, যার বিপরীতে পণ্য ডেলিভারি করেনি ই-কমার্স কোম্পানিটি। ফস্টারের জব্দ করা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এসব টাকা আটকে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ফস্টারের দুটি হিসাব স্থগিত করেছে, যেখানে প্রায় ১৯৪ কোটি টাকা রয়েছে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, কিউকমের ছয়টি অ্যাকাউন্টে গ্রাহকরা জমা করেছেন ৭৯০ কোটি টাকা। লেনদেন স্থগিত থাকা এসব অ্যাকাউন্টে স্থিতির পরিমাণ দুই কোটি ৯৭ লাখ টাকা। বাকি টাকা তুলে নিয়েছে কোম্পানিটি। তবে আপাতত ৫৯ কোটি টাকার বিষয় নিয়ে বানিজ্য মন্ত্রনালয় কাজ করছে, যেখানে ৬ হাজার ৭২১ জনের লেনদেনের বিষয় রয়েছে। এসব ক্রেতা পণ্য পাননি। তাদের ৫৯ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজ ২০ জনের অর্থ ফেরত দেওয়া হলো। বাকিদের টাকা ফেরতের জন্য বানিজ্য মন্ত্রনালয় কাজ করছে।

নওগাঁয় মাত্র তের ঘন্টার ব্যবধানে ৫ মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় মাত্র তের ঘন্টার ব্যবধানে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নওগাঁর ট্রাকের চাপায় ৪ মোটরসাইকেলের আরোহী এবং বালুবোঝাই ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে নিহত হন আরও ১ মোটরসাইকেল আরোহী।

জানা গেছে, রোববার (২৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধামুরহাট উপজেলার হরতকীডাঙ্গা বাজার এলাকায় ধামইরহাট-জয়পুরহাট সড়কে ৪জন নিহত হন। নিহতরা হলেন-ধামইরহাট উপজেলার নানাইচ গ্রামের গোলজার হোসেনের ছেলে আবু সুফিয়ান (১৮), একই গ্রামের মোজ্জাম্মেল হকের ছেলে আব্দুস সালাম (৩০), উপজেলার জাহানপুর গ্রামের মিনহাজুল (২৮) ও একই গ্রামের সজল (৩৫)।

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম রাকিবুল হুদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, চারজন একই মোটরসাইকেলে ধামইরহাট বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

অন্যদিকে, আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মহাদেবপুর উপজেলার শিবরাম হ্যালিপেড মেইনরোড এলাকায় বালুবোঝাই ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল চালক নিহত হন। তিনি সিভিল সার্জন অফিস সহকারী কর্মকর্তা ছিলেন বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

শাবিপ্রবির অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি

সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ পদত্যাগের দাবিতে অনশনরত ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে ১৬ জনকে সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি ৪ জন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ফিরে এসে ভিসির বাসভবনের সামনে অনশন করছেন।

আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টা পর্যন্ত তারা অসুস্থ হন। এর আগে রোববার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বিকেল থেকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে রেখেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ঘোষণা দেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে গত ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়ায় আন্দোলন গত বুধবার (১৯ জানুয়ারি) আমরণ অনশনে পরিনত হয়। ওইদিন দুপুর থেকে ২৪ শিক্ষার্থী আমরণ অনশন শুরু করেন। এর মধ্যে এক অনশনকারীর পরিবারের সদস্য হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় বাড়ি ফিরে গেছেন।

ফুলবাড়ীতে ডিএনসি সদস্যদের অভিযানে ফেন্সিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের  সদস্যদের অভিযানে ১০ বোতল ফেনসিডিল সহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক হয়েছে। রবিবার দুপুরে উপজেলার নন্দিরকুঠি এলাকায় ওই মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ী তল্লাশি করে ফেনসিডিল সহ তাকে আটক করা হয়।

আটক মাদক ব্যবসায়ীর নাম খায়রুজ্জামান মিয়া (৫৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত নমিজ উদ্দিনের  ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কুড়িগ্রাম জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক আব্দুর রহমান জানান, ওই বাড়ীতে ফেনসিডিল বিক্রি হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। তল্লাশি কালে ওই বাড়ীর রান্না ঘর থেকে ১০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে বাড়ীর মালিককে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় খায়রুজ্জামানের সহযোগী নয়ন ও  শহিদুল কৌশলে পালিয়ে যায়।

পরে পলাতক দুজন ও ধৃত আসামি সহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে  ফুলবাড়ি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে ধৃত আসামিকে কুড়িগ্রাম জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

কমলগঞ্জে অবৈধ ও অপরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তোলন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের আলীনগর চা বাগানের ফাঁড়ি বাগান কামারছড়ার পাহাড়ি ছড়া থেকে প্রতিনিয়ত অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করছে একটি অসাধু চক্র। অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনে চা বাগানের প্লান্টেশন টিলার ক্ষতির সাথে ট্রাক ও ট্রলি দিয়ে পরিবহনে বাগানের অভ্যন্তরীণ সড়কেরও ক্ষতি হচ্ছে। বারবার প্রশাসনকে অবহিত করে সহায়তা চাওয়ার পরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে বালু উত্তোলনের সাথে সক্রিয় চক্রটি এখন চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপককে নানাভাবে হুমকি প্রদান করছে।

আলীনগর চা বাগানের ফাঁড়ি সুনছড়া ও কামারছড়া চা বাগানের পাহাড়ি সুনছড়া ও কামারছড়া থেকে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র বালু উত্তোলন করছে। এর মাঝে কামারছড়া থেকে সম্পুর্ণরুপে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে ছড়া তীরবর্তী চা প্লান্টেশন টিলায় ধস নেমেছে। পর্যায়ক্রমে ধস নেমে প্লান্টেশন টিলা এখন হুমকির মুখে। আবার ছড়া থেকে তোলা বালু ট্রাক ও ট্রলি দিয়ে চা বাগানের অভ্যন্তরীণ রাস্তায় পরিবহন করায় বাগানের রাস্তারও ক্ষতি সাধন হচ্ছে।

এ বিষয়ে আলীনগর চা বাগানের ব্যবস্থাপক দুইবার লিখিতভাবে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করে বালু তোলা বন্ধের সহায়তা কামনা করেছিলেন। এর পরও কামারছড়া বালু তোলা বন্ধে এখন পর্যন্ত প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

সম্প্রতি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় ৮ থেকে ১০ জনের বালু শ্রমিকরা কামারছড়া থেকে বালু উত্তোলন করে ট্রাক ও ট্রলিতে দিচ্ছে। আলাপকালে তারা নিজেদের নাম প্রকাশ না করে জানায়, কালিছলি গ্রামের রসিদ উল্যা, ইব্রাহিম আলী, আবুল হোসেনসহ কয়েকজনের নিয়োগে তারা ছড়া থেকে বালু তোলার কাজ করছেন। প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ ট্রাক বালু পরিবহন করা হয় বলেও তারা জানান। তোলা এসব বালু বিভিন্ন স্থানে স্থাপনা নির্মাণ কাজে পরিবহন করা হচ্ছে বলেও তারা জানান।

সরেজমিনে স্থানীয় নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায় বালু উত্তোলনকারী চক্রের সদস্যদের নামে হত্যা মামলাসহ একাধিক বন মামলাও রয়েছে। তাদের অনেকেই আবার চা বাগানের পাহারার সাথে যুক্ত রয়েছে। চা বাগান কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে তাদেরকে দিয়ে সে এলাকার চা বাগান পাহারা দিতে হয়।

আলীনগর চা বাগানের ব্যবস্থাপক হাবিব আহমদ চৌধুরী বলেন, গত ১০ জুন ও ২৬ জুন দুইবার মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। যার অনুলিপি তিনি পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে দিয়েছিলেন। তাছাড়া মুঠোফোনেও কয়েক দফা তাগাদাও দিয়েছিলেন। তার পরও কামারছড়া থেকে বালু তোলা বন্ধে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ব্যবস্থাপক হাবিব আহমদ চৌধুরী আরও বলেন, কামরারছড়া থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনে আপত্তি জানানোর কারণে সহকারি ব্যবস্থাপককে চক্রটি নানাভাবে হুমকি দেয়।

তবে অভিযোগ সম্পর্কে বলেন তিনি বা তার লোকজন কামারছড়া থেকে বালু উত্তোলন করছেনা না ও বালু ব্যবসার সাথে যুক্ত নন।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক কামারছড়া থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে দ্রুত আইনি পদক্ষেপের সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২১ বছরেও এমপিওভূক্ত হতে না পেরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন শিক্ষক বকুল

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার এ.বি. ফুলবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মজাহারুল ইসলাম( বকুল) দীর্ঘ ২১ বছরেও এমপিওভূক্ত( সরকারি বেতনভূক্ত) হতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ নিয়ে তিনি ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক একরামুল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগসহ তাকে এমপিওভূক্ত করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, মজাহারুল ইসলাম ৫ জুলাই ২০০০ খ্রি. তারিখে বিধিমোতাবেক নিয়োগ পেয়ে ১১ জুলাই ২০০০ খ্রি. তারিখে এবি ফুলবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন। ২০১৩ খ্রি.থেকে তিনি তার এমপিওভূক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে থাকেন। সর্বশেষ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রি. তিনি এমপিওভূক্তির জন্য তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রধান শিক্ষকের নিকট জমা দেন। কিন্তু আজ অবধি তিনি এমপিওভূক্ত হননি। এজন্য তিনি প্রধান শিক্ষককে দায়ি করেন। প্রধান শিক্ষক তার পরে নিয়োগ পাওয়া একই ক্যাটাগরির অন্য শিক্ষককে এমপিওভূক্ত করেছেন মর্মেও তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক একরামুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,  আসলে তার (মজাহারুল ইসলামের) অনেক সমস্যা আছে যা সমাধান করতে হবে। তার এমপিওভূক্তির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও প্রধান শিক্ষক জানান।

এদিকে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি  আব্দুল গফফার বলেন,  শিক্ষক মজাহারুল ইসলামের প্রতি আমার সহানুভূতি আছে এবং তার এমপিওভূক্তিতে আমার কোনো আপত্তি নাই।

লালমনিরহাটে বিজিবি কর্তৃক প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের মাদক ধ্বংস

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ( বিজিবি)  কর্তৃক কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার ১৫৬ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় গত দু্ই বছরে মালিকবিহীন অবস্থায় আটক করা বিভিন্ন ধরনের মাদক ধ্বংস করা হয়েছে।

রবিবার সকালে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের প্রশিক্ষণ মাঠে ২ কোটি ৭৪ লক্ষ ৭২ হাজার ৪২২ টাকা মূল্যের এসব মাদক ধ্বংস করা হয়।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজিবির রংপুর রিজিয়নের ডেপুটি রিজিয়ন কমান্ডার কর্নেল মো জাকারিয়া হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তৌহিদুর রহমান। এ সময় ১৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম তৌহিদুল আলম বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে সামরিক, বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্কুল কলেজের শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ধ্বংসকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে ছিল বিভিন্ন প্রকার ২০১ প্যাকেট মদ, ৭০ মন ৬ কেজি গাঁজা, ৩৪ হাজার ১১১ বোতল  তরল মদ, ৬ হাজার ১৭৬ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ২০ হাজার ৪৫৫ পিস ইয়াবা, ২৬০ পিস আয়রন ট্যাবলেট,  ৪৯৪ প্যাকেট খৈনি।

পুলিশ সপ্তাহ ২০২২ মৌলভীবাজারে পালিত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: “দক্ষ পুলিশ, সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ রোববার (২৩ জানুয়ারী) পালিত হচ্ছে পুলিশ সপ্তাহ ২০২২।

পুলিশ সপ্তাহ ২০২২ এর মূল অনুষ্ঠান সকাল ১০টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে বার্ষিক পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালী যুক্ত থেকে প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।

পুলিশ সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষে অন্যান্য জেলার মতো মৌলভীবাজারেও না না কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে জেলার পুলিশ স্টেশন, পুলিশ অফিস, পুলিশ লাইন্স ও অন্যান্য স্থাপনাগুলোতে বর্ণিল আলোকসজ্জা করা হয়।

পুলিশ সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সে উন্নত মানের খাবার পরিবেশনের লক্ষ্যে বড়খানার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) হাসান মোঃ নাসের রিকাবদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সুদর্শন কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ জিয়াউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) এ.বি.এম মুজাহিদুল ইসলাম পিপিএম সহ জেলার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ অফিসার ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

সিংড়ায় মাস্ক না পরায় ১৩ জনকে জরিমানা

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (রাজশাহী প্রতিনিধি) : নাটোরের সিংড়ায় মাস্ক না পরায় ১৩ জনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এম এম সামিরুল ইসলাম এর আদালত এ জরিমানা করেন।

রবিবার বেলা ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী সিংড়া উপজেলা চত্বর, মাদ্রাসা মোড়, বাজার, বাসষ্ট্যান্ড, বাস, হোটেল ও দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৩ জনকে ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ৩ জনকে ১০০ টাকা করে ও ১০ জনকে ৫০ টাকা করে মোট ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় জনসচেতনতায় মাস্ক বিতরণ করেন ইউএনও।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এম এম সামিরুল ইসলাম বলেন, করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাস্ক বিতরণ এবং ১৩ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। করোনা রোধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।