ঠাকুরগাঁওয়ে অস্ত্র-গুলি-ইয়াবার সাথে ভারতীয় নাগরিকসহ আটক-১০

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ভারতীয় নাগরিকসহ ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র, গুলি, ইয়াবা ও কাপড় উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) হাবিবুল হক প্রধান।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়ন সীমান্ত এলাকায় যায় পুলিশ। অপরিচিত একটি মাইক্রোবাস দেখে তাদের থামতে বলা হলে, না থেমে মাইক্রোবাসসহ তারা পালিয়ে যায়।

পুলিশ মাইক্রেটিকে ধাওয়া করে আটোয়ারী উপজেলার লক্ষিথান এলাকায় বিদ্যা মোহনের সিংহ বাড়ির কাছে মাইক্রোবাসটি থামালে পুলিশকে লক্ষ্য করে মাইক্রেবাসে থাকা দুর্বৃত্তরা গুলি বর্ষণ করলে পুলিশও পাল্টা ৬ রাউন্ড ফাকা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে একজন ভারতীয় নাগরিকসহ ১০ জনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

এ সময় তাদের সাথে থাকা একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ৩২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, ভারতীয় নাগরিক গফুর আলম(২৫)।তিনি ভারতের উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর থানার নান্দাই গ্রামের জালালের ছেলে।

অন্য আসামীরা হলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার আমজানখোর ইউপির বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন (২৮)পিতা খোরশেদ আলম, আব্দুর রাজ্জাক (২৩) পিতা সলেমান আলি, বিকাশ পাল (৩৫) পিতা দিপেন পাল, জাকির হোসেন (২৫) পিতা রফিকুল ইসঃ, হজরত আলী (২৭) পিতা কাশেম আলী, মনিরুল ইসঃ (৩২) পিতা মৃত শুকুদ্দী, বিষ্ণু পাল (২৯) পিতা কারবারু। একই উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা নাসিরুল ইসলাম (২৪) পিতা সামসুর রহমান, পশিরুল ইসঃ (২৮) পিতা মৃত ধন মোহাম্মদ।

এছাড়াও পলাতক ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে।

বালিয়াডাঙ্গি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল হক প্রধান জানান, আসামীদের বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে কন্ট্রোল অফ এন্ট্রিসহ মোট ৩টি মামলা দায়েরভুক্ত করে আটোয়ারী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

লালমনিরহাটে ৭০ বোতল ফেন্সিডিলসহ পুলিশ কনস্টেবল গ্রেফতার!

ঈশাত জামান মুন্না, লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ৭০ বোতল ফেনসিডিলসহ হুমায়ুন কবির নামে একজন পুলিশ কনস্টেবলকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। তিনি হাতিবান্ধা হাইওয়ে থানার কনস্টেবল পদে কর্মরত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলের দিকে উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের সিরাজুল মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

লালমনিরহাট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিপ্তরের সহকারী পরিচালক খায়রুল বাশার বলেন, ভারতীয় সীমান্ত হয়ে পাচার হওয়া মাদক পুলিশ ও সাংবাদিক স্টিকার লাগানো গাড়িতে পরিবহন করে রংপুরসহ সারাদেশে পাঠানো হচ্ছে বলে খবর পাওয়া যায়। পরে কাকিনা মহিপুর রোডের সিরাজুল মার্কেট এলাকায় অভিযান চালায় রংপুরগামী একটি মোটরসাইকেল আটক করা হয়।

পরে মোটরসাইকেলের আরোহী পুলিশ কনস্টেবল হুমায়ুন কবিরের দেহ তল্লাশি চালিয়ে ৭০ বোতল ফেন্সিডিল পাওয়া যায়। ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশ কনেস্টেবল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার এর বিষয়টি নিশ্চিত করে হাতীবান্ধা হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, উক্ত পুলিশ কনস্টেবল হাইওয়ে থানায় কর্মরত ছিলেন।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম গোলাম রসুল বলেন, উক্ত ঘটনায় রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গ্রেফতার হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আজ বুধবার (১২ জানুয়ারি) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার রাজু ১০দিনের সফরে

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে ১০ দিনের সরকারি সফরে আজ আসছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ আবু জাফর রাজু। বুধবার (১২ জানুয়ারি) তিনি ঢাকা থেকে সড়ক পথে কুলাউড়া আসবেন।
পরিচালক প্রশাসন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্র থেকে জানা যায়, বুধবার (১২ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা থেকে সড়ক পথে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় আসবেন তিনি।
ওইদিন দুপুর ৪:৩০ টায় কুলাউড়া উপজেলা কমপ্লেক্সে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য, সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম আব্দুল জব্বার সাহেবের কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত।
১৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার:
@ সকাল ১১ ঘটিকায়ঃ কুলাউড়া সরকারি কলেজের শিক্ষক মন্ডলী অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ।
@ দুপুর ২ ঘটিকায়ঃ নজিরেরচক আহমেদিয়া দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষক মন্ডলী অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ।
@ সিলেট সার্কিট হাউস রাত্রিযাপন।
১৪ জানুয়ারি শুক্রবার:
@ দুপুর ২ ঘটিকায়ঃ হযরত শাহ জালাল (রহঃ) মাজার শরিফ জিয়ারত।
@ বিকেল ৪ ঘটিকায়ঃ হযরত শাহ পরান (রহঃ) মাজার শরীফ জিয়ারত।
১৬ জানুয়ারি রবিবার:
@ সকাল ১০ ঘটিকায়ঃ সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মহোদয়ের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ।
১৭ জানুয়ারি সোমবার:
@ সকাল ১১:৩০ ঘটিকায়ঃ মতলিব- সরফুন নব প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন ও শিক্ষক মন্ডলী, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ।
১৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার:
@ সকাল ১১:৩০ ঘটিকায়ঃ হায়দরগঞ্জ দাওরায়ে হাদিস টাইটেল মাদ্রাসা শিক্ষক মন্ডলী অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ।
@ দুপুর ২:৩০ ঘটিকায়ঃ কর্মধা ইউনিয়ন বাজার দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষক মন্ডলী অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ।
১৯ জানুয়ারি বুধবার:
@ সকাল ১১:৩০ ঘটিকায়ঃ জালালাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্ডলী অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ।
@ ২২ জানুয়ারি শনিবার: সকাল সময় ১১ টায় কুলাউড়া হতে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন।

নওগাঁর আত্রাইয়ে ইউএনও সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মত বিনিময় সভা

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে উপজেলার মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সাথে মত বিনিময় করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারী) সকালে দশটায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ মোঃ এবাদুর রহমান প্রামানিক। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম।

সভায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের প্রতি শীতকালিন ক্রীড়া বিষয়ে আলোচনায় প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম বলেন, শীতকালিন ক্রীড়াপ্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান ভূমিকায় জাতীয় জীবনে ক্রীড়া বা খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। খেলাধুলা স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনের অন্যতম একটি চাহিদা। খেলাধুলা জীবন গঠন ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টিতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। জয়-পরাজয় খেলার মূখ্য উদ্দেশ্য নয়।জয়-পরাজয়ের পথ ধরে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি এবং প্রতিযোগিতার ফলে খেলারমান উন্নয়ন এবং একে অপরকে জানার সুযোগ সৃষ্টি হয়। সুস্থ দেহে সুস্থ মন মানসিকতা সৃষ্টির লক্ষে প্রতি বছর নিয়মিত অনুষ্ঠান হচ্ছে আন্তঃ বিদ্যালয় বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বিদ্যালয়ের অলংকার স্বরুপ। প্রতিবছর একবার বছরের শুরুতে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান বলতে আমরা বাষিক এ্যাথলেটিক্ মাটি অথাৎ দৌড়,ঝাপ ও নিক্ষেপ প্রতিযোগিতাকে বুঝি। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে এই বাৎসরিক ক্রীড়ানুষ্ঠান করা সম্ভব হয় না। যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো আর্থিকভাবে স্বচ্ছল,খেলারমাঠ আছে,খেলাধুলার শিক্ষকসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আছে সে সকল বিদ্যালয় গুলোতে বিভিন্ন ধরনের খেলাধূলার সাথে বার্ষিক ক্রীড়াপ্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

মত বিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা সমিতির সভাপতি ও শুটকী গাছা কেডি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ হামিদুল হক বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক ও নবাবের তাম্বু উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ বেলাল হোসেন, রাণী নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমেরেন্দ্র নাথ সাহা রনি সহ সকল উচ্চমাধ্যমিক, মাধ্যমিক,মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক গন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুস সালাম।

অনুষ্ঠানে বার্ষিক ক্রীড়া বিষয় আলোচনায় ইউনিয়ন পর্যায়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো আগামী ২০ জানায়ারী মধ্যে বার্ষিক ক্রীড়া শেষ করে উপজেলা পর্যায়ে ২১ জানুয়ারী থেকে ২৩জানুয়ারী বার্ষিক ক্রীড়া সমাপ্তির সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে স্কুল ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার  গেদুরা ইউনিয়নের মেদিনী সাগর  গ্রামের একটি আমবাগানের গাছে মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সাব্বির (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে ওই গ্রামের সাকির আলির ছেলে।

হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

হরিপুর থানা সুত্রে জানা যায়, সাব্বির বনগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল। ঘটনার দিন  বিকেলে সে বনগাঁও বাজারের উদ্দেশ্য বের হয়ে সন্ধ্যায় বাড়িতে ফেরেনি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে স্থানীয় লোকজন বনগাঁও সরকারি প্রাথমিক স্কুলের  আম বাগান মাঠে একটি  নিমগাছের ডালে সাব্বিরের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

মৃত সাব্বিরের পরিবারের লোকজন জানায়, এর আগে সে মাঝে মাঝে বাড়ি থেকে কাউকে না জানিয়ে পালিয়ে যেতো এবং ফিরে আসতো। তাই সে আত্মহত্যা করতে পারে বলে পরিবারের লোকেরা মনে করছেন মর্মে পুলিশ জানায়।

ওসি জানান, মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নীরবে চলে গেল নুরজাহান আত্মহননের ২৯তম বার্ষিকী

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: দেশ কাঁপানো, সাড়া জাগানো গত ১০ জানুয়ারী নুরজাহান আত্মহননের ২৯তম বার্ষিকী নিরবে নিভৃত্বে চলে গেল। মৌলভীবাজার জেলার সীমান্তবর্তী কমলগঞ্জ উপজেলার পাহাড় টিলা বেষ্টিত ছোট একটি গ্রাম ছাতকছড়া। সেই গ্রামের আশ্রব উল্লার যুবতী কন্যা নুরজাহান লক্ষী ছিলো ভাই বোনদের মধ্যে চতুর্থ। নুরজাহান বেগম লক্ষীকে প্রথমে বিয়ে হয় শেরপুর এলাকার আব্দুল মতিনের সঙ্গে। বিয়ের পর দীর্ঘ দিন স্বামীর কোন খোঁজ খবর না থাকায় পিতা আশ্রব উল্লা মেয়ে নুরজাহানকে নিয়ে আসেন ছাতকছড়া গ্রামের নিজ বাড়ীতে। পিতার বাড়ীতে নুরজাহান আসার পর স্থানীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা আঃ মান্নান গৃহবধু সুন্দরী নুরজাহানের প্রতি কু-নজর পড়ে এবং তাকে বিয়ে করার জন্য নুরজাহানের পিতার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়।

নুরজাহানের পিতা আশ্রব উল্যা মাওলানার প্রস্তাবে রাজী না হয়ে একই গ্রামের মোতালিব মিয়ার সঙ্গে নুরজাহানের দ্বিতীয় বিয়ে দিয়ে দেন। এই দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে সুত্রপাত ঘটে এই হৃদয় বিদারক নুরজাহানের আত্মহননের মত ঘটনায় সৃষ্টি।

বিয়ে করতে না পেরে মাওলানা আঃ মান্নান প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং নানা ছলচাতুরী শুরু করে। বিয়ের ৪৫দিন পর মাওলানা আঃ মান্নান নুরজাহান ও আব্দুল মতলিবের ২য় বিয়েকে অবৈধ বলে ফতোয়া জারী করে এবং গ্রাম্য সালিশের ডাক দেয়।

মাওলানা মান্নানের কথা মত ১৯৯৩ সালের ১০ জানুয়ারী সকালে একই গ্রামের নিয়ামত উল্লার বাড়ীতে গ্রাম্য সালিশী বিচার বসে। সালিশী বিচারে গ্রামের মনি সর্দার, দ্বীন মোহাম্মদ, নিয়ামত উল্লা ও মাওলানা আঃ মান্নান প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ নুরজাহান ও মতলিবের পরিবারকে দোষী সাব্যস্ত করে। সেই বিচারে গৃহবধু নুরজাহানকে মাটিতে পুঁতে ১০১ টা পাথর নিক্ষেপ করার রায় ঘোষনা দেয়া হয়। সালিশী রায় কার্যকর করার পর উপস্থিত গ্রাম্য সর্দার মনির মিয়া নুরজাহানের উদেশ্যে বলতে থাকে এত কিছুর পর তোর বেঁচে থাকা উচিত নয়। তুই বিষ পানে মরে যাওয়া উচিত।

গ্রাম্য এ সর্দারের কটাক্ষ উক্তি সহ্য করতে না পেরে ক্ষোভে ও দুঃখে গৃহবধু নুরজাহান লক্ষী সেই দিনই বিষ পানে আত্মহনন করে। ২০০৯ সালের জুন মাসে নুরজাহানের মা ছাতকছড়া গ্রামের বাড়ি বিক্রি করে কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউপির গোপীনগর গ্রামে বাড়ি কিনে ২ ছেলেকে নিয়ে চলে আসেন। ১০ জানুয়ারী নুরজাহান আত্মহননের ২৯তম বার্ষিকী।

যে রায়ে অত্মহনন করে গৃহবধু নুরজাহান : অপমানের জন্য আত্মহত্যা করেছে গৃহবধু নুরজাহান সেটি ছিল আংশিক। পূর্ণাঙ্গ ফতোয়ায় ছিল নুরজাহান ও তার স্বামী মতলিবকে গলা পর্যন্ত গর্তে দাঁড় করিয়ে প্রত্যেককে ১০১টি পাথর নিক্ষেপ করা এবং ১০১টি বেত্রাঘাত করা হবে। নুরজাহানের বাবা আশ্রব উল্যা ও মা সায়েরা বেগমসহ বিয়েতে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদেরকে কানে ধরে উঠ বস করতে হবে। বিচারে উপস্থিত মতলিবের বাবা, নুরজাহানের শশুর মতিউল্লা ফতোয়ার এ শাস্তি কমানোর আবেদন করিলে ও বিচারে উপস্থিত গ্রামবাসীর অনুরোধে গর্তের গভীরতা গলা থেকে কোমর পর্যন্ত কমে আসে এবং ১০১ ঘা বেত্রাঘাত কমে ৫১ ঘা করা হয়। শেষ পর্যন্ত দু’ পিঠে ১০২ ঘা বেত বসানো হয়।

যে ভাবে প্রতিবাদের ঝড় উঠলো : সংবাদপত্রের কল্যাণে ঘটনাটি ব্যাপক প্রচার লাভ করলে বাংলাদেশের বিবেকবান মানুষ এ ঘটনার প্রতিবাদে রুখে দাড়ান। দেশের নারী আন্দোলনের প্রথম সারীর নেত্রী বেবী মওদুদ, অ্যাড. আয়েশা খানম, মালেকা বেগমসহ জাতীয় দৈনিকগুলোর নামী দামী সাংবাদিক, কলামিষ্ট, লেখকদের অনেকেই ছুটে আসেন এ অখ্যাত গ্রামে।

প্রথমদিকে পুলিশ প্রশাসন বিষয়টির ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করলেও সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় উঠলে অভিযুক্ত ইমাম আব্দুল মান্নান, দ্বীন মোহাম্মদ, আব্দুল মিয়া, নিয়ামত উল্লা, এছামত উল্লা, সুনা মিয়া ও বুরহান উদ্দিন নামে ৯ জনকে গ্রেফতার করলেও আদালতে ফাইনাল চার্জ সীট জমা দিতে সময় লাগে ৪ মাস। অতঃপর ১৯৯৪ সালে ২২ ফেব্রুয়ারী অভিযুক্ত ৯ জন আসামী প্রত্যেককে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করে আদালত। সাজাপ্রাপ্ত ৯ জনের মধ্যে ৮ জন সাজা ভোগ করার পর এলাকায় ফিরে এসেছে। মামলার ১নং আসামী মনির সর্দার জেলহাজতে থাকাবস্থায়ই মারা যান।

যে আশার বাণী শোনানো হয়েছিল গ্রামবাসীকে : হতভাগী নুরজাহানের আত্মহননের ঘটনার পর সরকারী উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় সেই সময়ে আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য দূর্গম গ্রামটির রাস্তা সংস্কার এবং কালভার্ট তৈরী করা হবে এবং রাস্তাটির নামকরন হবে নুরজাহানের নামেই। যে টিলায় নুরজাহানকে কবর দেয়া হয়েছিল তৎকালীন জেলা প্রশাসক সেই টিলাটির নামকরন করেছিলেন “নুরজাহান টিলা”।

এছাড়া নারী পরিষদ নুরজাহানের কবর পাকা করনেরও ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু এই টিলাটি অন্য ব্যক্তির কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়ায় সেখানে লাগানো হয়েছে নানান জাতের গাছ গাছালি। এমনকি আরও অনেক আশার বাণী শোনানো হয়েছিল গ্রামবাসীকে। কিন্তু সেই আশার বাণীই আশাতেই রয়ে গেছে। দীর্ঘ ২৯ বছর পূর্বে যেমন ছিল তেমনি রয়ে গেছে গ্রামটি। গ্রামের কোন পরিবর্তন হয়নি।

ফতোয়াবাজীর ঘটনার শিকার নুরজাহানের আত্মহননের ঘটনার পর যে টিলায় তাকে কবর দেয়া হয়েছিল সেটি এখন গভীর অরণ্যে ঢাকা। নুরজাহান টিলা হিসাবে পরিচিত এই কবর স্থানটি সংস্কার বিহীন অবস্থায় পড়ে থাকার কারণে বর্তমানে সেই কবর খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ রয়েছে।

নিরবে নিভৃতে চলে যাওয়া ফতোয়াবাজদের শিকার নুরজাহান লক্ষী আত্মহননের ২৯ তম বার্ষিকী ১০ জানুয়ারি।  প্রথম দিকে স্মরণ করা হলেও এখন কেউ স্মরণ রাখে না।

লোহাগাড়ায় ৪৩ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতাঃ গতকাল ১১ জানুয়ারি সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পাবলিক হলে ফিতা কেটে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)ও উপজেলা বিজ্ঞান ক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ আহসান হাবীব জিতু।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে রাখেন, লোহাগাড়া উপজেলা বিজ্ঞান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইলিয়াছ।

সুখছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক দেবাশীষ আচার্য্যের সঞ্চালনায় উপস্থিত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মুহাম্মদ মাহবুব আলম শাওন ভুঁইয়া, আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ফজলুল হক, উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার মুহাম্মদ আবদুল হামিদ বেঙ্গল, আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যাপক মুহাম্মদ গোলাম রসুলসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃ্ন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বিজ্ঞান মেলার বিভিন্ন  স্টলগুলো পরিদর্শন করেন অতিথিবৃন্দরা।

সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল

রাজনীতি ডেস্কঃ দেশে চলমান মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। গতকাল তাদের শরীরে করোনার লক্ষণ দেখা গেলে উভয়ের করোনা পরীক্ষা করান।

গতকাল সোমবার (১০ জানুয়ারি) বিএনপির মহাসচিবের স্ত্রীর করোনা পজিটিভির রিপোর্টের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। আজ মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের করোনা পজিটিভির রিপোর্ট আসে। এরপরই গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানানো হয়।

বর্তমানে তারা উত্তরার ভাড়া বাসায় আইসোলেশনে আছেন। এখনও পর্যন্ত দুজনের শারিরীক অবস্থাই স্থিতিশীল। সম্প্রতি করোনার বুস্টার ডোজও নিয়েছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আগামীকাল রাজশাহীতে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেয়ার কথা ছিল বিএনপি মহাসচিবের।

এদিকে সোমবার ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২ হাজার ২৩১ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এতে করে দেশে করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৯৫ হাজার ৯৯০ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয় ২৬ হাজার ১৪৩ জনের। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২০৮ জন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৫১ হাজার ১১৩ জন।

এর আগে, গত রোববার (৯ জানুয়ারি) করোনা আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং শনাক্ত হয়েছিলেন ১ হাজার ৪৯১ জন। 

কিংবদন্তি গায়িকা লতা মঙ্গেশকর আইসিইউতে

বিনোদন ডেস্কঃ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯২ বছর বয়সী কিংবদন্তি গায়িকা কুইন অব বলিউড খ্যাত লতা মঙ্গেশকর হাসপাতালে ভর্তি আছেন। মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের আইসিইউতে তার চিকিৎসা চলছে। কিংবদন্তি গায়িকাকে শনিবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কোভিডের সঙ্গে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে তার অবস্থা গুরুতর বলে জানা যায়।

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে লতার ভাইজি রচনা বলেছেন, উনি আপাতত স্থিতিশীল। এই বয়সে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সাবধানতা অবলম্বনের জন্য আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে তাকে। আমাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানানোর জন্য ধন্যবাদ। দয়া করে ওর জন্য প্রার্থনা করবেন।

এই খবর শোনার পর থেকে এই বর্ষীয়ান গায়িকার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন তার ভক্তরা।

প্রথমবারের মতো মানবদেহে সফলভাবে শূকরের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বিশ্বে প্রথমবারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক রোগীর শরীরে শূকরের হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। ৫৭ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি অস্ত্রোপচারের তিনদিন পরও বেশ সুস্থ আছেন। তার নাম ডেভিড বেনেট। তবে এই রোগীর শরীরে শূকরের হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করার আগে হৃদপিণ্ডটিকে জেনেটিক্যালি রূপান্তরিত করে নেওয়া হয়। খবর বিবিসির।

এর আগে, সফলভাবে শূকরের দেহ থেকে মানবদেহে কিডনি প্রতিস্থাপনে সফলতা পেয়েছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞ সার্জনরা।

সোমবার জানা যায় যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড মেডিক্যাল স্কুলে শুক্রবার এ সার্জারি হয়। রোগীর অবস্থা এখন বেশ ভালোই আছে। এই সার্জারি সফলতার মুখ দেখায় প্রাণীদেহ থেকে মানবদেহে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে বড় ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বের প্রথম এ ধরনের অস্ত্রোপচার করার জন্য ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারকে বিশেষ অনুমতি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা তদারকি কর্তৃপক্ষ।

চিকিৎসকরা বলছেন, সাত ঘণ্টা ধরে পরীক্ষামূলকভাবে এ অস্ত্রোপচার চালানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোরে এ অস্ত্রোপচার হয়। অস্ত্রোপচারের তিনদিন পরও ডেভিড বেনেট বেশ সুস্থ রয়েছেন।

ডেভিড বেনেটের জীবন বাঁচাতে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে এটাই সর্বশেষ চেষ্টা ছিল। কারন তিনি সর্বশেষ কয়েক মাস ধরে শয্যাশায়ী, হার্ট ও লাং বাইপাস মেশিনের ওপর নির্ভর ছিলেন। তবে দীর্ঘমেয়াদে তিনি কতদিন সুস্থ থাকতে পারবেন, তা এখনও স্পষ্ট করে বলেননি চিকিৎসকরা।

এদিকে অস্ত্রোপচারের একদিন আগে বেনেট বলেছিলেন, আমার সামনে বিকল্প পথ দুইটা, হয় অস্ত্রোপচার করা অথবা মারা যাওয়া। আমি জানি এটা অন্ধকারে গুলি ছোড়ার মতো একটা ব্যাপার। কিন্তু আমার আর কোনো উপায় নেই। এটাই শেষ চেষ্টা।

ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড স্কুল অব মেডিসিনে এক বিবৃতিতে সার্জন বার্টলে গ্রিফিথ বলেছেন, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ স্বল্পতার সমাধানে এই অস্ত্রোপচার বিশ্বকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। আমরা সাবধানতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা আশাবাদি যে এই সার্জারি ভবিষ্যতে রোগীদের জন্য একটি নতুন সুযোগ তৈরি করবে।