প্রায় ১ ঘন্টা চেষ্টার পর বিরল প্রজাতির নীলগাই উদ্ধার

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রামবাসীদের সহায়তায় ১ঘন্টা চেষ্টার পর বিরল প্রজাতির একটি নীলগাই উদ্ধার করেছে বিজিবি। গত শুক্রবার ৭ জানুয়ারি  বিকালে জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে এ নীল গাইটিকে ধরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সহায়তায় বিজিবির হাতে হস্তান্তর করা হয়।

নীল গাইটি সুস্থ্য আছে এবং বিজির জিম্মায় আছে বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান হিমু সরকার।

গ্রামের ছেলে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ফয়সাল আমিন হৃদয় বলেন, আমরা ১০ থেকে ১২ জন মাঠে খেলে বাড়ি আসছিলাম । আসার সময় দেখি নীল গাইটি মাঠে হাটতেছে। পরে আমরা জোরে নীল গাই নীল গাই বলে হৈ হুল্লোর করলে গ্রামবাসী চারদিক থেকে নীল গাইটিকে ঘেরাও করে ধরে ফেলে। স্থানীয় গ্রামবাসী তমিজ মিয়া বলেন, আমরা শিশুদের চিৎকারে সেখানে গিয়ে নীল গাইটিকে ঘেরাও করে ধরি। পরে নীল গাইটি অনেক ছোটা ছুটির পর ধরতে সক্ষম হই। গাইটি অনেক শক্তিশালী সামলানো যাচ্ছিলোনা। তাই দরি দিয়ে বেঁধে চেয়ারম্যানকে মোবালে ডাকি।

গ্রামবাসীর বরাত দিয়ে চেয়ারম্যান হিমু সরকার বলেন, বিকালের দিকে একটি নীল গাই ভারতীয় কাটাতার সীমান্ত(শিঙ্গোর) অতিক্রম করে মাধবপুর গ্রামে ঢুকে পড়ে। এরপর গ্রামবাসী নীল গাইটিকে দেখতে পেয়ে চারপাশে ঘেরাও করে ৪৫ মিনিট চেষ্টার পর ধরতে সক্ষম হয়। আমাকে খবর দিলে আমি বিজি ক্যাম্পে জানাই। উপজেলা ইউএনও মহোদয়ের উপস্থিতিতে নীল গাইটি তাদের কাছে হস্তান্তর হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোউল করিম বলেন, নীল গাইটিকে গ্রামবাসী চারদিকে ঘেরাও করে ধাওয়া করে ধরে। পরে আমরা খবর পেলে সেখানে যাই। উপজেলা প্রাণী চিকিৎসককে দেখানো হয়েছে। বর্তমানে নীল গাইটি সুস্থ রয়েছে। নীল গাইটিকে বিজির হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখনো আমি নীল গাইটি উদ্ধারের খবর জানিনা। এ বছর এটি প্রথম উদ্ধারকৃত নীল গাই হবে। এর আগে সহ এখন পর্যন্ত ৫ টি নীল গাই উদ্ধার করা হয়েছে। যার তিনটি মারা গেছে বলে তিনি জানান।

পত্নীতলা উপজেলাধীন পাটিচরা ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান এস এম সবেদুল ইসলাম রণিকে সম্বর্ধনা

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলাধীন পাটিচরা ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান এস এম সবেদুল ইসলাম রণিকে সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।  সুরমা মাল্টপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির উৎদ্যোগে শনিবার (৮ জানুয়ারী) দুপুরে এই সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের ডিজিএম ডা: ফেরদৌস হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সম্বর্ধনা অনুষ্ঠিত বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো: কায়েস উদ্দিন, পৌর কাউন্সাসিলর ফাতেমা বেগম, সাবেক পৌর কাউন্সিলর সোহেল রানাসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ সময় সুরমা মাল্টপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির কর্মকর্তা ও কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, নবনির্বাচত চেয়ারম্যান এম সবেদুল ইসলাম রনি  সুরমা মাল্টপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ১৮ হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে করোনার টিকা প্রদান শুরু

এ. কে. রিফাত, কক্সবাজারঃ মহেশখালীর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা জন্মনিবন্ধন সনদের মাধ্যমে সরকারি সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করে মহামারী করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার ।

তারই ধারাবাহিকতায় ৮ জানুয়ারি শনিবার সকাল ১০ টায় মহেশখালী উপজেলার ৩৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে এই টিকা কায়ক্রম শুরু করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স । মহেশখালীর দুটি ভেন্যুতে (উপজেলা পরিষদ হল রুম ও মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ) এ এই টিকা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানা যায়।

মহেশখালীতে যে সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা টিকা গ্রহন করবে-

মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ১৬৮০ জন, গোরকঘাটা উচ্চ বিদ্যালয় ৫১৩ জন, মহেশখালী কলেজ ৭০০ জন, মহেশখালী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৪০০ জন, লিডারশীপ হাই স্কুল ৪০০ জন, ক্যামব্রিয়ান হাই স্কুল ৭০ জন, পুটিবিলা ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসা ৪২৫ জন।

বড় মহেশখালী; সরকারী বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ ২৫০ জন, আলমমগীর ফরিদ বিএম কলেজ ১৫০ জন, মহেশখালী আইল্যান্ড হাই স্কুল ১৬৫০ জন, বড় মহেশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৯০৫ জন, মহেশখালী মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ১৮০ জন, বড় মহেশখালী দারুল কোরান দাখিল মাদ্রাসা ৪২৫ জন।

কুতুবজুম উচ্চ বিদ্যালয় ৮২৫ জন , কুতুবজোম অফসোর হাই স্কুল ৫০০ জন , ঘটিভাঙ্গা নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২৭০ জন , কুতুমজোম জামেয়া সুন্নাহ ৪৫০ জন, তাজিয়া কাটা সুমাইয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ১৯৫ জন, কুতুবজোম ইসলামীয়া ক্যাডেট এন্ড কেজি মাদ্রাসা ৯০ জন।

ছোট মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৬৩০ জন, ছোট মহেশখালী বহুমূখি বিদ্যালয় ৮০ জন, আহমদিয়া তৈয়বিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা ৫০০ জন, সিপাহীর মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা ১৯০ জন।

শাপলাপুর ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসা ৬০৬ জন, ষাইট মারা দাখিল মাদ্রাসা ৩২৮ জন, কায়দাবাদ ইসলামীয় দাখিল মাদ্রাসা ১২০ জন, শাপলাপুর নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ৬০ জন, ষাইটমারা রেসিডেশিয়ান বিদ্যালয় ৫০ জন, বারিয়া পাড়া মডেল একাডেমি ৭০ জন, আলহাজ মাষ্টার আব্দুল গণি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৪০ জন, শাপলাপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ১৩৪৭ জন, জেমঘাটা হাই স্কুল ৮৩৫ জন।

মাতারবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ২০০০ জন, মাতারবাড়ি আইডিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১৫০ জন, মাতারবাড়ি নিম্ন মাধ্যমিক পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় ৩০০ জন, মাতারবাড়ি কিন্ডার গ্যাডেন এন্ড প্রি ক্যাডেট স্কুল ১০০ জন ছাত্রছাত্রী সহ মোট ১৮ হাজার শিক্ষার্থী এই টিকা গ্রহন করবে ।

উক্ত বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা সাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মোঃমাহফুজুল হক জানান,মহেশখালী উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ২ হাজার করে ক্রমান্নয়ে মোট ১৮ হাজার শিক্ষার্থীকে বিনামুল্যে ফাইজার টিকা প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীদের জন্মনিবন্ধন নিয়ে কোন ঝামেলা থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং স্থানীয় মেয়র,চেয়ারম্যানদের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত তা নিষ্পত্তি করে টিকা গ্রহন করার আহবান জানান।

মাউশির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেসব শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন নেই (৬ জানুয়ারির মধ্যেও ) এবং যাদের ১৬ নম্বরের ( ডিজিট ) নিবন্ধন নম্বর নেই, তাদের পুনরায় নিবন্ধন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জানানোর আহবান নির্দেশ দিয়েছেন ।

রাণীশংকৈলের বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কুমারের মৃত্যু

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার  নেকমরদ এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন কুমার ভক্ত (৭৫) শনিবার ৮ জানুয়ারি সকাল ৭ টায় ঢাকায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন। দ্রুত তাকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করা হয়।  চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকাল ৯ টায় তিনি মারা যান। তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অনেক আত্মীয়- শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।

রাণীশংকৈলের বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, মুক্তিযোদ্ধা রতন কুমারের মরদেহ ঢাকা থেকে তার নিজ বাড়িতে পৌঁছাবার পর আজ রবিবার ৯ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

প্রসঙ্গত, তিনি গত মঙ্গলবার ৪ জানুয়ারি  তার নিজ কাজে রাণীশংকৈল থেকে ঢাকায় যান। তার মৃত্যুতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

ফের সময় বাড়ল মুজিববর্ষের

জাতীয় ডেস্কঃ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের লক্ষ্যে মুজিববর্ষের সময় বাড়িয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি’ ও ‘জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’র মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে।

আজ শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের লক্ষ্যে সরকার ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ সময়কে মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করে। মুজিববর্ষ উদযাপনের লক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচি কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির কারণে নির্ধারিত সময়ে যথাযথভাবে শেষ করা সম্ভব না হওয়ায় মুজিববর্ষের সময়কাল গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল।

’এ সময়ে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিসৌধে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলা আয়োজন, অনলাইন কুইজের পুরস্কার বিতরণ, বিভিন্ন প্রকাশনা মুদ্রণের কাজ সম্পন্ন, জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির কার্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যাদি সম্পন্ন, নথিপত্র, অফিস সরঞ্জামাদি, প্রকাশনাসমূহ সরকার নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর, আর্থিক বিষয়াদি নিষ্পন্ন করা, ব্যাংক হিসাব বন্ধ করা, অডিট সম্পাদন ইত্যাদি কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে সরকার মুজিববর্ষের সময়কাল এবং ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি’ ও ‘জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’র মেয়াদ আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বর্ধিত ঘোষণা করা হলো।’

মুরগির দাম কমায় স্বস্তি, সবজির দামে হতাশা

সিএনবিডি ডেস্কঃ গত ৭-৮ দিনের ব্যবধানে মুরগির দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার পর এখন কিছুটা কমের দিকে। রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি কমেছে ১৫-২০ টাকা, সোনালি বা পাকিস্তানি (কক) মুরগির দাম কমেছে কেজিপ্রতি ৬০ টাকা পর্যন্ত। তবে বাজারে সব ধরনের শীতের সবজি ভরপুর থাকা সত্ত্বেও সবজির বাজার চড়া থাকায় হতাশ সাধারণ মানুষ। এর সঙ্গে অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজ ও আলুর দাম। আর মাছের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯৫ থেকে ২০০ টাকা। আর গত সপ্তাহে ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া সোনালী মুরগির দাম কমে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে সবজির সরাবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে । শিম বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি, পাকা টমেটোর ৪০-৬০ টাকা কেজি, গাজর ৩০-৪০ টাকা কেজি, বরবটি ৫০-৭০ টাকা কেজি, মুলা ৩০-৪০ টাকা কেজি এবং শালগম ৩০-৪০ টাকা এবং আলু ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, কিছুটা কমেছে পেঁয়াজের দাম। দেশি পেঁয়াজ ৫৫-৫০ টাকা কেজি এবং আমদানি করা পেঁয়াজ ৪৫-৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া দেশি রসুন ৭০ টাকা কেজি, আমদানি করা রসুন ১৪০ টাকা ও শুকনা মরিচ ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

তবে মাছের বাজার অপরিবর্তিত রয়েছে। ৩০০-৪৫০ টাকা কেজিতে রুই-কাতল মাছ, ২৫০-৩৫০ টাকা কেজিতে শিং-টাকি, ১৫০-১৭০ টাকা, তেলাপিয়া ও পাঙাস মাছ ১৫০-১৭০ টাকা কেজি এবং এক কেজির ইলিশ ১ হাজার ১২শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৪৪ ধারা জারি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি ও ছাত্রলীগ একই স্থানে সমাবেশ ডাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। আজ শনিবার সকাল ৬ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত পুরো পৌর এলাকায় এই আদেশ বলবৎ থাকবে বলে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

১৪৪ ধারার আওতায় সকাল থেকেই সমাবেশস্থলসহ শহরের ৫২টি পয়েন্টে ৫ শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বন্ধ রয়েছে শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সভা, সমাবশে ও গণজমায়েত। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে এ নিয়ে শহরজুড়ে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচী হিসেবে শহরের ফুলবাড়িয়া কনভেনশন সেন্টার প্রাঙ্গণে সমাবেশের ডাক দেয়। অপরদিকে ছাত্রলীগও একই স্থানে ও সময়ে পাল্টা কর্মসূচী ঘোষণা করে।

এছাড়াও শুক্রবার দুপুরে সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপির শীর্ষ তিন নেতা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদসহ কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার গাড়ি আটকে দিয়েছে পুলিশ। শনিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে আশুগঞ্জ উপজেলা সদরের টোলপ্লাজায় তার গাড়ি আটকে দেয় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে আয়োজিত বিএনপির সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য আসছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, রুমিন ফারহানার গাড়ি আটক করা হয়নি। তার সঙ্গে কথা আমরা বলছি। রুমিন ফারহানা টোলপ্লাজায় তার আটকে রাখা গাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।

বগুড়ার এমপি মোশারফ সপরিবারে করোনায় আক্রান্ত

নূর মোহাম্মদ সম্রাট, বগুড়া প্রতিনিধিঃ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের এমপি মোশারফ হোসেন। একই সঙ্গে তার স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক পুত্র সন্তানও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে তিনি মুঠোফোনে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

এমপি মোশারফ বলেন, ”জ্বর ও সর্দি থাকার কারণে আজ দুপুরের সংসদ ভবনে পরিবারের সবাইকে মিলে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেই। পরে বিকালে আসা ফলাফলে আমাদের সবার করোনার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তারপর থেকে আমরা হোম আইসোলেশনে আছি এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলছি। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন”।

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মৃত্যু হলো ছোট ভাইয়ের

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে বড় ভাই আফসার আলীর বাঁশের লাঠির আঘাতে ছোট ভাই নাসিরউদ্দিনের (৫০) মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ৬ জানুয়ারি বিকেলে এ মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

নিহত নাসিরউদ্দীন হরিপুর উপজেলার আমগাঁও ইউনিয়নের ভেটনা গ্রামের মৃত সাজ্জাদ আলীর ছেলে।

থানা সুত্রে জানা গেছে বৃহস্পতিবার ৬ জানুয়ারি সকালে বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিবাদের এক পর্যায়ে বড় ভাই আফসার ছোট ভাইয়ের নাসিরুলের মাথায় বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে  নাসিরুল গুরুতর অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাৎক্ষনিক  তাকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। নাসিরুলকে দিনাজপুর নেয়ার পথিমধ্যে বিকেল ৩ টায় সে মারা যায়।

হরিপুর থানার ওসি তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয় এবং তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ঘটনার পর থেকে বড় ভাই আফসার আলী পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তার করতে আমাদের অভিযান চলছে। এ নিয়ে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ কুলাউড়ার বিনয় ভুষন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: সাম্প্রতিক সময় মাদক নির্মূল, অপরাধ দমন, আসামি গ্রেপ্তার, কমিউনিটি পুলিশিংসহ মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ওপর ভিত্তি করে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিনয় ভূষণ রায়।

গত বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়ার সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) এ বি এম মুজাহিদুল ইসলাম পিপিএমের পরিচালনায় আয়োজিত পুলিশের মাসিক অপরাধসভায় বিনয় ভূষণ রায়কে অভিন্ন মানদণ্ডের আলোকে ডিসেম্বর ২০২১ সালে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত করা হয়। এর আগে তিনি গত বছর দুইবার মৌলভীবাজার জেলার ( মে-জুন মাস) শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হন। এ ছাড়া দুইবার সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জও নির্বাচিত হন।

মাসিক অপরাধ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সুদর্শন কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. জিয়াউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাউসার দস্তগীর, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো. শহীদুল হক মুন্সীসহ মৌলভীবাজার জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

সভা শেষে জেলার পুলিশ সদস্যদের কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার হিসেবে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া অফিসারদের হাতে ক্রেস্ট ও ধন্যবাদপত্র তুলে দেন।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিনয় ভূষণ রায় বলেন, আমার এই অর্জনের পেছনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিবিড় তদারকিসহ কুলাউড়া থানা পুলিশের সবা সদস্যের অক্লান্ত পরিশ্রম, কর্তব্যনিষ্ঠা এবং দায়িত্বের প্রতি তাদের আনুগত্য জড়িয়ে আছে।

তিনি আরো বলেন, যেকোনো পুরস্কারই ভালো কাজে উৎসাহ জোগায়। আমাকে এ সম্মানে ভূষিত করার জন্য পুলিশ সুপার স্যারসহ ঊর্ধ্বতন সব কর্মকর্তার প্রতিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমার কর্মস্থল কুলাউড়াবাসীর কাছে দোয়া চাচ্ছি- আগামীতেও আরো ভালো দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে যেন কুলাউড়ার নামটি সমুজ্জ্বল রাখতে পারি।