কনকনে ঠান্ডা হিমেল হাওয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মৌলভীবাজারে

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে গত কয়েক দিন থেকে শুরু হওয়া কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়ার কারণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। শনিবার (১ জানুয়ারি) সকালে মৌলভীবাজারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বিকেল হওয়ার পর পরই কনকনে শীত অনুভূত হতে থাকে। শীত ও হিমেল হাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশী ভোগান্তিতে পড়েছেন ছিন্নমুল ও শ্রমজীবি মানুষজন। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, গত এক সপ্তাহ থেকে ৯ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা উঠানামা করছে।

গতকাল শনিবার ১লা জানুয়ারি সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ডিগ্রি সেলসিয়াস। ধীরে ধীরে এখানকার তাপমাত্রা কমছে। অতীত রেকর্ড অনুযায়ী তাপমাত্রা আরও নিচে নামতে পারে। শীতজনিত রোগে প্রতিদিন হাসপাতালে শিশু ও বয়স্কদের নিয়মিত ভর্তি অব্যাহত রয়েছে। গরম কাপড়ের দোকানে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের ভীড় প্রতিদিন বাড়ছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সরকারি ভাবে এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার  কম্বল বিতরণ করেছে। এদিকে পশুদের ঠান্ডার ভুগান্তি চরমে। পশুদের গায়ে চটের বস্তা গায়ে জড়িয়ে রাখা হচ্ছে।

বাঞ্ছারামপুরের বুধাইর কান্দি প্রবাসী মানব সেবা সংগঠনের শুভ উদ্ভোধন

মো.নাছির উদ্দিন, বাঞ্ছারামপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের বুধাইর কান্দি উত্তর পাড়া শুভ নববর্ষের শুরুতে ০১/০১/২০২২ ইং শনিবার বিকালে অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সামাজিক সংগঠন প্রবাসী মানব সেবা সংগঠন মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে  উদ্ভোধন করা হয়েছে। এসো আমরা ঐক্য গড়ি,দরিদ্রতা দূর করি, এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে মাষ্টার মো.আনোয়ার হোসেন এর সঞ্চালনায়  সাবেক মেম্বার হাজী আব্দুল বাতেনের সভাপতিত্বে উপস্হিত ছিলেন হাবিবুর রহমান মেম্বার, হামিদ সাবেক মেম্বার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম,ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দুলাল আহমেদ শাওন,আরদাশ মিয়া,জাহেদ আলী,হানিফ মিয়া,আক্তার হোসেন,আমির হোসেন,মমিন মিয়া,আব্দুস সালাম,গিয়াস উদ্দিন, শাহজালাল ও এলাকার ব্যাক্তিবর্গ উপস্হিত ছিলেন।

প্রবাসী মানব সেবা সংগঠনের সদস্যরা হলেন সৌদি প্রবাসী আব্দুলজাব্বার,আলআমিন, শাহজালাল, মাইনুউদ্দিন, নাছির মিয়া, ফয়সাল, মামুন মিয়া, মনির, আনোয়ার হোসেন, বাছির মিয়া। কুয়েত প্রবাসী ছোবান মিয়া, খোকন মিয়া, শামীম। ওমান প্রবাসী আবুকালাম, নাছির মিয়া, দেলোয়ার।দুবাই প্রবাসী আ.করিম, আবুল মিয়া। মালয়শিয়া প্রবাসী হারেস মিয়া, এবায়দুল্লাহ। বাহরাইন প্রবাসী ফারুক মিয়া প্রমূখ।

মানব সেবা সংগঠনের নিযুক্ত  কোশাদক্ষ্য হলেন রাসেল মিয়া,আনোয়ার মাষ্টার, শামীম, সুজন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে  পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত পাঠ করে প্রবাসীদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে সবার জন্য দোয়া করা হয়। পরে সবার মাঝে মিষ্টি বিতরণ করে অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর সকালে ঠাকুরগাঁও- রুহিয়া সড়কে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নবী (২০) এক যুবক দুর্ঘটনার শিকার হয়। ওই দিন বিকালে দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত নবী ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঘনিবিষ্ণুপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে।
থানা পুলিশ সুত্রমতে, ঘটনার দিন সকালে ঠাকুরগাঁও হতে একটি লিটারবাহী ট্রাক (বগুড়া -ট -১১-১৯০৭) রুহিয়া প্রবেশকালে মধুপুর ঈদগাও মোড়ে পৌঁছলে রুহিয়া হতে  নবীসহ ২ বন্ধু একটি মোটরসাইকেলে ঠাকুরগাঁও অভিমুখে যাওয়ার পথে ট্রাকটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং আরোহীদ্বয় গুরুতর আহত হয়। স্থানীযরা আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু তাদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল ৩ টায় নবী মারা যায়। অপর আহত ফরহাদের অবস্থাও আশংকাজনক।
রুহিয়া থানার ওসি চিত্তরন্জন রায় ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ ট্রাকটিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে মামলা দায়ের করা হবে।

১৭ বছরের কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা, পিবিআই’র তৎপরায়তায় আটক ২

সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধিঃ প্রেম মানে না দিন রাত, প্রেম পবিত্র।প্রেম ও শারীরিক সম্পর্কের কারণে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী প্রাণ দিতে হলো! বয়স ও যুগের তালে প্রেমিকের ডাকে প্রেমিকা রাতের আধাঁরে ঘর থেকে বের হয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে পবিত্র ভালবাসাকে অপবিত্র ও কংলকিত করতে গিয়ে জীবিত অবস্থায় আর ঘরে ফিরে আসতে পারলনা জুবা! 

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে হাত পা ও মূখ বেঁধে কিশোরী হত্যার ৭২ ঘন্টার মধ্যে ২ ঘাতককে গ্রেফতার করেছে হবিগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিকেশন (পিবিআই)। গত সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে নবীগঞ্জের বাগাউড়া গ্রামের সুফি মিয়া’র কিশোরী কন্যা জুবা আক্তার (১৭)কে হত্যা করে ধান ক্ষেতে ফেলে চলে যায় ঘাতকরা। এমন ন্যাক্কার জনক হত্যাকান্ডের খবর দেশ- বিদেশে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার পাশাপাশি চুলছেড়া বিশ্লেষণ চলতে থাকে। এ খবর নবীগঞ্জ থানায় আসার সাথে সাথেই গত ২৯ ডিসেম্বর দুপুর ১১টার দিকে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ডালিম আহমেদ ও তদন্ত ওসি আমিনুল ইসলাম সহ একদল চৌকস পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ছুটে আসেন, নবীগঞ্জ- বাহুবল সার্কেলের এএসপি আবুল খায়ের চৌধুরী।

এ ব্যাপারে জুবা’র বাবা সুফি মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বলেন, গত রাতে আমরা এক সাথে খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমার মেয়ে পাশের রুমে ঘুমিয়ে পড়ে। আমিও ঘুমিয়ে যাই। পরদিন সকাল বেলা ঘুম থেকে ওঠে কাজের জন্য জমিতে চলে যাই। কাজের ফাঁকে খবর আসে আমার মেয়ের গলাকাটা লাশ ধানক্ষেতে পড়ে আছে। এ কথা শুনে দৌড়ে যাই সেখানে। গিয়ে দেখি সত্যিই আমার মেয়ের গলা কাটা লাশ পড়ে আছে। এসব বলতে বলতে তিনি বারবার চোখের পানিতে বুক বাসিয়ে প্রশাসনের সু- দৃষ্টি কামনা করে কান্না জড়িত কন্ঠে তার মেয়ে হত্যাকারীদের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচারের দাবী জানান।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানা ও পিবিআই’র সূত্রে আরো জানাযায়, নিহতের বাবা সুফি মিয়া গত ২৮ ডিসেম্বর নবীগঞ্জ থানায় ৩০২/৩৪ ধারায় একটি মামলা করেন। মামলা নাম্বার ১২। উক্ত মামলাটি পেনাল কোর্ডে রুজু হয়। এতে গত ২৯ডিসেম্বর এই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলাটি হবিগঞ্জ জেলার পিবিআই অধিগ্রহণ করে। এতে পিবিআই’র ডিআইজি বিপিএম (বার), পিপিএম বনজ কুমার মজুমদার এর দিক নির্দেশনায় হবিগঞ্জ পিবিআই ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার মোঃ আল মামুন শিকদারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ- পুলিশ সুপার পরির্দশক আব্দুল আহাদ গত ২৯ ডিসেম্বর এই চাঞ্চল্যকর মামলাটির কার্যক্রম শুরু করেন। তদন্ত শুরু করার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই আসামী সনাক্ত হয়ে যায়। ৩০ ডিসেম্বর হতাকান্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য মাঠে নামে হবিগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের সময় পুলিশ পরিদর্শক বিপিএম মোঃ আব্দুল মালিক, এসআই আব্দুল আহাদ, এসআই শাহনেওয়াজ, এসআই বাপ্পু, এসআই সঞ্জয়, এএসআই এনামুল, এএসআই রিয়াজ সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হরিনগর গ্রামের মিরাজ উদ্দিনের পুত্র বাস হেলপার খলিল উদ্দিন (২০) ও একই গ্রামের মৃত ইরশাদ উল্লা’র পুত্র সবজি বিক্রেতা গোলাম হোসেন (৫০)কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারের পর পিবিআই’র জিঞ্জাসাবাদে আসামী খলিল উদ্দিন ঘটনার বর্ণনা দেয়। সে জানায়, জুবা আক্তারের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। জুবা আক্তার রিমা পরিচয় দিয়ে তারা দুজন প্রেম করতো। রিমার ছন্দ নাম ও মোবাইল নাম্বার আসামি গোলাম হোসেনকে দিয়ে খলিল প্রদান করে। জুবা ওরপে রীমা মোবাইল ফোন পেয়ে খলিলের সাথে কথোপনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। রীমা হত্যার প্রায় ১৫/১৬ দিন পূর্বে ঐ স্থানেই মধ্য রাতে তারা প্রেমিক প্রেমিকা দেখা করতে আসে। তখন তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয়। হত্যাকান্ডের আগের দিন প্রেমিকা রীমা ফোন করে তার প্রেমিক খলিলকে বলে সে অসুস্থ, তার টাকা লাগবে। উত্তরে খলিল রীমাকে ২ হাজার টাকা দিবে বলে আশ্বাস দিয়ে বলে, রাতে দেখা করে টাকা নিও। এরপর সন্ধা বেলায় গোলাম হোসেন ও খলিলের মধ্যে দেখা স্বাক্ষাত হয়। এবং খলিল গোলাম হোসেনকে বলে আজ রাতে রীমার সাথে দেখা করতে যাবো৷ আমার সাথে যেতে হবে। এ কথা শুনে গোলাম হোসেন রাজি হয়ে যায়। পরে ২৭ ডিসেম্বর রাত ১টার দিকে খলিল ও গোলাম হোসেন ঘটনাস্থলে যায়। তারা যাওয়ার কিছুক্ষনের মধ্যেই রীমা চলে আসে। রীমা আসার সাথে সাথেই গোলাম হোসেন আড়ালে লুকিয়ে যায়। এক পর্যায়ে তারা প্রেমিক প্রেমিকা দৈহিক মেলামেশা করতে থাকে। তাদের মেলামেশার পরপরই গোলাম হোসেন দৌড়ে তাদের কাছে আসে। এবং রীমার সাথে শারিরীক সম্পর্ক করার জন্য দস্তাদস্তি শুরু করে। এতে জুবা আক্তার রীমা বাধা দেয়। এ সময় রীমার প্রেমিক খলিলও রীমাকে অনুরুধ করে বলে, গোলাম হোসেনের সাথে তুমি শারিরীক সম্পর্ক করো ৷ এতে সে রাজি না হওয়ায় তারা দুজনই উত্তেজিত হয়ে গোলাম হোসেন জুবা’র গলার ওড়না দিয়ে হাত, পা বেধেঁ তার গলায় পেচানো ওড়নার একদিকে গোলাম হোসেন অন্যদিকে খলিল টানতে থাকে। এতে রীমা শ্বাসরোদ্ধ হয়ে মাঠিতে পড়ে যায়। পরে ঘাতকদের সাথে থাকা ব্লাড দিয়ে গলা কেটে রীমাকে হত্যা করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ বিষয়ে আসামি খলিল উদ্দিন গতকাল বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ দারায় জবানবন্দি দিয়ে তার দোষ স্বীকার করে।

পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, অধিক উৎপাদনশীল জাত উদ্ভাবনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ গবেষণায় গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন

দীর্ঘ নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে, দু‘লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম স্বপ্ন ছিল এ দেশের স্বাধীনতা অর্জন ও সাধারণ মানুষের মুক্তি। স্বাধীনতা অর্জনের পর তাঁর দ্বিতীয় স্বপ্ন ছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সোনারবাংলায় রূপান্তরিত করা। তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলায় তিনি দেখতে চেয়েছিলেন দেশের কৃষি ও কৃষকের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন এবং স্বনির্ভরতা।

বঙ্গবন্ধু কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে তখন কৃষি গবেষণা ও কৃষি শিক্ষার গুরুত্ব দেন। কৃষি শিক্ষায় ও কৃষি গবেষণায় মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের আকৃষ্ট করার জন্য ১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এক সমাবর্তন  অনুষ্ঠানে কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা দেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি কৃষির গবেষণার গুরুত্ব অনুধাবন করে কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রতিষ্ঠা ও কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক কৃষি উন্নয়ন তথা কৃষি এবং কৃষকের কথা ভেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের জনগণের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্তির লক্ষ্যে কৃষি উন্নয়নের বৈপ্লবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

১৯৭৩ সালে গঠন করা হয় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট (বারি), বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট(ব্রী) ও বাংলাদেশ আণবিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র (বিনা)। এসব প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে দেশে ধান, শাকসবজি ও ফলমূল সহ অন্যান্য ফসল উৎপাদনে উচ্চফলনশীল জাত এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বাংলাদেশ  কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল নামক একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। উক্ত কৃষি গবেষণা কাউন্সিল পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে একটি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেম প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

বঙ্গবন্ধুর সময় দেশে প্রথম কৃষি ঋণ ব্যবস্থার প্রচলন করা হয়। কৃষকরা যাতে সহজভাবে ঋণ পেতে পারে এ লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে কৃষি ব্যাংক স্থাপন করা হয়।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐ একই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘খাদ্য বলতে শুধু ধান, চাল, আটা, ময়দা আর ভুট্টাকে বুঝায় না বরং মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, শাকসবজি এসবকেও বুঝায়। সুতরাং কৃষির উন্নতি করতে হলে এসব খাদ্যশস্যের সমন্বিত উৎপাদনের উন্নতি করতে হবে।’

কিন্তু কৃষির উন্নয়নে সেই যাত্রাপথে ছেদ পড়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা পরবর্তী সামরিক সরকার সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ব্যবস্থা করেনি। ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর সে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদান করে ধীরে ধীরে গড়ে তুলছেন সোনার বাংলা, কৃষিতে সমৃদ্ধ এক বাংলাদেশ। এগিয়ে চলেছে কৃষি উন্নয়নের ধারা।

কৃষির উন্নতি মানে শুধু ধান-গম বা ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি নয়। ভাত-রুটি খেয়ে পেট ভরে ঠিকই, কিন্তু মেধাবী জাতি গঠনে দরকার সুষম খাদ্য ও পুষ্টি। এ ছাড়া মেধাবী জাতি ছাড়া কোনো দেশের উন্নতি হয় না। সেজন্য প্রধান খাদ্যের পাশাপাশি মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ইত্যাদির উৎপাদন বাড়ানোর উপরও জোর দেওয়া প্রয়োজন।

মেধাবী জাতি গঠনে সুষম খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহারে ‘পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ‘ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সেই কর্মসূচি বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার সরকার স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘একটি বাড়ী-একটি বাড়ী খামার‘ প্রকল্প, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘প্রানীসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প‘সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ করেছে এবং বাস্তবায়ন করছে।

গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ বাংলাদেশ আণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের ‘বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা‘য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় কৃষিমন্ত্রী ডঃ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা দানাদার খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ  হয়েছি, …কিন্তু পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাছ মাংস ডিম ও দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি করতে আরও গবেষণা করতে হবে‘।

১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএফআরআই), বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই) প্রতিষ্ঠা হলেও মাছ, মাংস, ডিম, দুধ উৎপাদনে আশানুরূপ সাফল্য অর্জন হয়নি। মাছ মাংস ডিম দুধ ইত্যাদি প্রাণীজ আমিষ জাতীয় খাদ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর খাদ্য ও পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কৃষি শিক্ষা ও গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়।  সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রাণীজ আমিষ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি হলেও চাহিদা পূরণে সক্ষমতা অর্জন হয়নি। বারি, ব্রী, বিনা  ও বিএফআরআই যেমনিভাবে উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে, তেমনিভাবে বিএলআরআই থেকেও অধিক উৎপাদনক্ষম জাত উদ্ভাবন করে মাংস ডিম দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি করার দিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিএলআরআই এ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাসহ সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীর সংখ্যা বৃদ্ধি ও বৈদেশিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা জরুরি ভাবে প্রয়োজন।

গবেষণায় অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধি করে উন্নতজাত উদ্ভাবন করে খামারীদের মাঝে বিতরণ করা এবং খামার স্থাপনে  ঋণ গ্রহণে সহজীকরণ করা প্রয়োজন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন এর ন্যায় ‘বাংলাদেশ প্রানিসম্পদ উন্নয়ন কর্পোরেশন‘ স্থাপন করে পশুখাদ্য সহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহে ভুর্তকির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

ড. মোঃ আওলাদ হোসেন, ভেটেরিনারীয়ান, পরিবেশবিজ্ঞানী, রাজনৈতিক কর্মী ও কলামিস্ট, ঢাকা, বাংলাদেশ। 

নবাবগঞ্জে বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা

অলিউর রহমান মেরাজ, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে সারা দেশের ন্যায় বিনামূল্যে বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার নবাবগঞ্জ মডেল সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয় চত্তরে স্ব্যাস্থবিধি মেনে নতুন বই বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আতাউর রহমান।

পরে অতিথিরা  নবাবগঞ্জ সরকারি বহুমূখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও  নবাবগঞ্জ বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এ বই বিতরণ অনুষ্ঠানের  উদ্বোধন করেন ।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ সোম, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. পারুল বেগম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো.রেজাউল করিম,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.তোফাজ্জল হোসেন, নবাবগঞ্জ মডেল সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.এনামুল হক, নবাবগঞ্জ সরকারি বহুমূখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীলিপ কুমার শাহ, নবাবগঞ্জ বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. তোফায়েল হোসেন ,বীর মুক্তিযোদ্ধা দবিরুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো.রেজাউল করিম বলেন, এবছর ১শ ৪৯টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ  উপজেলার কেজি স্কুলের প্রায় ২০ হাজার  শিক্ষার্থীকে নতুন বই দেওয়া হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, মাধ্যমিক পর্যায়ে ১০৪টি  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাহিদা মোতাবেক ইবতেদায়ীর ৬হাজার ৭শ ৫০ জন,দাখিল পর্যায়ে ৫হাজার ৭শ ৩৭ জন ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ১৬ হাজার ৯শ ৫১ জন শিক্ষার্থীকে, মোট ৩ লাখ ৭০ হাজার ৮৫পিচ বই প্রদান করা হবে।

নেত্রকোণায় বই বিতরন শুরু

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে সরকারি বই বিতরণ শুরু হয়েছে। জেলায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে মোট ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৭২৪ শিক্ষার্থীর মাঝে ৪৬ লাখ ৮৪ হাজার ৮২৪ বই বিতরণ করা হয়েছে।

আজ সকালে নেত্রকোণা শহরের সাতপাই নেত্রকোণা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কাজি মোঃ আবদুর রহমান।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকের বরাদ্দের ৯২ শতাংশ ও মাধ্যমিকে বরাদ্দের ৭৫ শতাংশ বই জেলায় এসে পৌঁছেছে।

আগামী ১৩ জানুয়ারির মধ্যে সকল শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

নওগাঁয় বিগত এক বছরে ১৬ হাজার ৬শ ৩০টি ই-পাসপোর্ট সম্পাদন

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলায় পাসপোর্ট আঞ্চলিক অফিস স্থাপিত হওয়ার পর জেলাবাসীর পাসপোর্ট সম্পর্কিত জটিলতা নিরসন হয়েছে। এ জেলার মানুষ সহজেই এখন তাঁদের পাসপোর্ট তৈরী করতে সক্ষম হচ্ছেন। কাজেই মানুষের মধ্যে পাসপোর্ট তৈরী করার আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে।

পাসপোর্ট করতে নওগাঁ আঞ্চলিক পাটপোর্ট অফিসে আসা বদলগাছি উপজেলার মোঃ শফিকুল ইসলাম, মহাদেবপুর উপজেলার মোঃ আজিজার রহমান, নওগাঁ সদর উপজেলার কবির হোসেন জানিয়েছেন এখন অত্যন্ত সহজ প্রক্রিয়ায় অনলাইনে ফরমপুরনসহ যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদন করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট খাতে সরকারী ফি ব্যাংকে জমা দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোন ঝামেলা ছাড়াই পাসপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে।

এর আগে সুদুর রাজশাহীতে গিয়ে পাসপোর্ট সম্পাদন করতে খুবই হয়রানির শিকার হতে হতো। পাসপোর্ট হাতে পাওয়া ছিল সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।

নওগাঁ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ শওকত কামাল জানিয়েছেন গত জানুয়ারী ’২০২১ থেকে ৩০ ডিসেম্বর’ ২০২১ পর্যন্ত সময়ে এই এক বছরে জেলার ১৬ হাজার ৬শ ৩০টি মানুষ তাঁদের পাসপোর্ট সম্পাদন করেছেন। এসব পাসপোর্টের সবগুলোই ছিল ই-পাসপোর্ট।

মাসভিত্তিক জেলায় পাসপোর্ট সম্পাদনের পরিমাণ হচ্ছে জানুয়ারী মাসে ৮৮৯টি, ফেব্রুয়ারী মাসে ১১৬৬টি, মার্চ মাসে ১৩০৩টি, এপ্রিল মাসে ৩৪৮টি, মে মাসে ৫৬১টি, জুন মাসে ৭২৬টি, জুলাই মাসে ২৫১টি, আগষ্ট মাসে ১৩২৪টি, সেপ্টেম্বর মাসে ২২১৬টি, অক্টোবর মাসে ২২৮৪টি, নভেম্বর মাসে ২২৩০টি এবং ডিসেম্বর মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত ৩৩৩২টি। এসব পাসপোর্ট থেকে প্রচুর টাকা রাজস্ব আয় সম্ভব হয়েছে।

“শতবর্ষে শততথ্যে” পুস্তিকা বিতরণ ও আইটি ল্যাব উদ্বোধন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: জাতির পিতার বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মৌলভীবাজারে শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘শতবর্ষে শততথ্যে বঙ্গবন্ধু’ নামক পুস্তিকা বিতরণ এবং বঙ্গবন্ধু ট্রেনিং আইটি ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসক মিলনায়তনে শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘শতবর্ষে শততথ্যে বঙ্গবন্ধু’ নামক পুস্তিকা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন।

পুস্তিকাটি জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদ যৌথ উদ্যোগে প্রকাশ করা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ‘শতবর্ষে শততথ্যে বঙ্গবন্ধু’পুস্তিকাটি তুলে দেয়া হয়। পর্যায়ক্রমে জেলার সকল বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুস্তিকাটি বিতরণ করা হবে।

জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসানের সভাপতিত্বে  এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান, স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক মল্লিকা দে, জেলা পরিষদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোদেজা খাতুনসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ।

পরে  মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু আইটি ট্রেনিং ল্যাব উদ্বোধন করেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন।

নবাবগঞ্জে গাঁজা কেনাবেচার সময় নারীসহ আটক ৪

অলিউর রহমান মেরাজ, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে  ৩৫০ গ্রাম গাঁজা কেনাবেচার সময় এক নারীসহ মোট ৪ জনকে আটক করেছে নবাবগঞ্জ  থানা পুলিশ।

গেল বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধার সময় থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ মশিউর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ধ্যায়  উপজেলার ভাদুরিয়া  ইউনিয়নের ধরন্দা গ্রামের মোছাঃ আসমা বেগম (৪০) এর বসত বাড়িতে মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান চালায় এসময় ৩৫০ গ্রাম গাঁজা সহ ৪ জনকে আটক করে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার ধরন্দা গ্রামের মোঃ মহসিন আলীর স্ত্রী মোছাঃ আসমা বেগম(৪০), বাজিতপুর গ্রামের মোঃ কাশেম মণ্ডল , মৃত আমিনুল ইসলামের ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম নয়ন (৪২), মোঃ নাসির উদ্দিনের ছেলে মোঃ সোহাগ মিয়া (৪৩) ও মোঃ নাজিম উদ্দিন(২২)।

নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ফেরদৌস ওয়াহিদ  বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে থানায় মাদক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।