মালদ্বীপে বাড়ছে “ইন্ডিয়া আউট” আন্দোলনের জনপ্রিয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠার কারন হিসেবে ‘ইন্ডিয়া আউট’ আন্দোলনের ভুমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূরর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ‘ইন্ডিয়া আউট’ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিন। আন্দোলনের প্রতি সচেতনতা ও সমর্থন বাড়াতে তিনি দ্বীপপুঞ্জ সফর করেছেন। তিনি বর্তমানে নীলন্ধুতে (ফাফু প্রবালপ্রাচীর) রয়েছেন। ইয়ামিন দাবি করেছেন, এই প্রচারণার লক্ষ্য কেবল মালদ্বীপের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। সম্প্রতি দুর্নীতি মামলায় নির্দোষ আখ্যা দিয়ে আদালত তাকে জেল থেকে মুক্তি দিলে এ আন্দোলন আরো বেগবান হয়। অবশ্য দেশটির সরকার এ আন্দোলনের জোরদার বিরোধিতা করছে।

মালদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনাদের অপসারণের দাবিতে রাজধানী মালে শহরের রাস্তায় মিছিল করেছে হাজার হাজার মানুষ। মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আবদুল্লাহ ইয়ামিন মুক্ত হওয়ার পর থেকে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রতিবাদ বিক্ষোভ তীব্র হয়। বিক্ষোভকারীরা মালদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহার এবং ভারতের সঙ্গে সামরিক চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় পতাকা বহন করে এবং লাল শার্ট পরিহিত হয়ে মালদ্বীপে অবস্থানরত ভারতীয় সেনাদের অবিলম্বে অপসারণের আহ্বান জানায়। তারা বর্তমান প্রশাসন এবং নয়াদিল্লির বন্ধুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রপতি সোলিহকে ২০১৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ২০১৯ সালের সংসদীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে ভারতের সাথে সহযোগিতা করার জন্য অভিযুক্ত করেছে।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে মালদ্বীপ দেশ হিসেবে ছোট হলেও পাশাপাশি দুই বৃহৎ শক্তি চীন ও ভারতের দৃষ্টি রয়েছে রাষ্ট্রটির ওপর। ভৌগোলিক অবস্থানগত গুরুত্বের কারণে দেশ দুটি মালদ্বীপের ওপর যে প্রভাব বিস্তার করতে চায়, তা প্রভাবিত করে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকেও। ফলে আবদুল্লাহ ইয়ামিন তার রাজনৈতিক দর্শনে যেমন ভারত বিরোধিতাকে লক্ষ্য বানিয়েছেন, তেমনি বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইবরাহিম সোলিহ তার পররাষ্ট্রনীতি সাজিয়েছেন ইন্ডিয়া ফার্স্ট নীতি দিয়ে। আগে থেকেই এ বিষয়টি স্পষ্ট থাকলেও গত বছর দেশটির রাজনীতি নতুন দিকে মোড় নেয়। বিরোধী দল প্রোগ্রেসিভ পার্টি অব মালদ্বীপের (পিপিএম) নেতৃত্বে শুরু হয় ‘ইন্ডিয়া আউট’ আন্দোলন, যা দিনে দিনে জোরালো হয়ে উঠেছে। গত মাসে মালদ্বীপের সুপ্রিম কোর্ট দুর্নীতির অভিযোগ থেকে খালাস দিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিনের কারাদণ্ড বাতিল করার পর থেকে এ আন্দোলন তীব্র হয়ে উঠছে।

এদিকে ভারতকে মালদ্বীপের সবচেয়ে ‘ঘনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য মিত্র’ আখ্যা দিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে ইব্রাহিম সলিহর নেতৃত্বাধীন সরকার। এতে মালদ্বীপের লোকজন আরো ক্ষুব্ধ হয়ে বলছে, দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য এ স্বাধীনতাটুকুও এখন হারাতে বসেছে তাঁরা।

সুত্রঃ দ্য হিন্দু এবং মালদ্বীপ জার্নাল।

নওগাঁ জেলায় শীতার্ত গরীব ও দুঃস্থ পরিবারের জন্য ৪৭ হাজার ৯শ কম্বল বিতরন

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলায় শাতার্ত গরীব ও দুঃস্থ পরিবারের মধ্যে বিতরনের জন্য সরকারীভাবে মোট ৪৭ হাজার ৯শ কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত কম্বলগুলো জেলা প্রশাসকের স্মারক নম্বর ৫১.০১.৬৪০০.১২৬.৪০.০০১.২১-৭০৭ তারিখ ০৫-১২-২০২১ মোতাবেক বরাদ্দপ্রাপ্ত কম্বলগুলো জেলার শীতার্ত গরীব ও দুঃস্থ পরিবারের মধ্যে বিতরনের জন্য ১১টি উপজেলা ও ৩টি পৌরসভায় প্রেরন করা হয়েছে। স্ব স্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের তত্বাবধানে এসব বিতরন কার্যক্রম ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।

জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ কামরুল আহসান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসকের প্রত্যক্ষ তদারকীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পৌরসভার মেয়রগণ যথাযথ যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে এসব বিতরন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

সূত্রমতে, বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভার অনুকুলে বিতরনের জন্য বিতরনকৃত কম্বলের পরিমাণ হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের জন্য ৫ হাজার ৬শ ৪০টি, আত্রাই উপজেলায় ৮টি ইউনিয়নের জন্য ৩ হাজার ৭শ ৬০টি, বদলগাছি উপজেলায় ৮টি ইউনিয়নের জন্য ৩ হাজার ৭শ ৬০টি, ধামইরহাট উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের জন্য ৩ হাজার ৭শ ৬০টি, মান্দা উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের জন্য ৬ হাজার ৫শ ৪০টি, মহাদেবপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের জন্য ৪ হাজার ৭শটি, নিয়ামতপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের জন্য ৩ হাজার ৭শ ৬০টি, পত্নীতলা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের জন্য ৫ হাজার ১শ ৭০টি, পোরশা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের জন্য ২ হাজার ৮শ ২০টি, রানীনগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের জন্য ৩ হাজার ৭শ ৬০টি, সাপাহার উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের জন্য ২ হাজার ৮শ ২০টি, নওগাঁ পৌরসভার জন্য ৪৭০টি, ধামইরহাট পৌরসভার জন্য ৪৭০টি এবং নজিপুর পৌরসভার জন্য ৪৭০টি।

রাজধানী ঢাকায় আরও ৩ ওমিক্রন রোগী শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে ফের আরও ৩ জনের শরীরে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত ৭ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের এই নতুন ধরণ শনাক্ত হলো। আর ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে এ ভ্যারিয়েন্ট মহামারি আকার নিতে শুরু করেছে।  তিন রোগীর শরীর থেকে পাওয়া ভাইরাসের জিন বিন্যাস বিশ্লেষণ করে ওমিক্রন শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা (জিআইএসএআইডি) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, নতুন শনাক্ত ৩ জন রাজধানীর বনানী এলাকার বাসিন্দা। তাদের ২ জন নারী, ১ জন পুরুষ। নারীদের একজনের বয়স ৩০ বছর, আরেকজনের ৪৭। আর ওমিক্রন শনাক্ত পুরুষের বয়স ৮৪ বছর। গত ২৩ ডিসেম্বর সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর ওই ৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করেছিল। পরে জিনোম সিকোয়েন্স বের করে জানা যায়, তাদের শরীরে করোনা শনাক্ত হয় আর ওই ধরনটি ওমিক্রন।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার আরও একজনের শরীরে ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার খবর দেয় জিআইএসএআইডি। আক্রান্ত ওই ব্যক্তি একজন পুরুষ। তার শরীর থেকে পাওয়া ভাইরাসের নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করেছিল আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)। এ ছাড়া সোমবারও ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভ (আইদেশি) ওমিক্রনে আক্রান্ত আরেকজনের নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স জিআইএসএআইডিতে প্রকাশ করে। তিনি একজন নারী। গত দুইদিনে যারা ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছিলেন তারাও ঢাকার বাসিন্দা।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর জিম্বাবুয়ে ফেরত জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের দুজনের শরীরে করোনার নতুন ধরণ ওমিক্রন শনাক্ত হয়।

র‍্যাবের জালে ৬ কেজি গাঁজা সহ আটক ১জন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ৬ কেজি গাঁজাসহ আব্দুল রহিম ভুট্টো মিয়া (৪১) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৯ ব্যাটালিয়ান।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত সোমবার রাতে র‌্যাব-৯ সিসিপি-২ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বসু দত্ত চাকমার নেতৃত্বে র‌্যাব সদস্যরা কমলগঞ্জ পৌরসভার ভানুগাছ চৌমুহনীস্থ তাজ ভেরাইটিজ স্টোর নামক দোকানের সামনে থেকে আব্দুল রহিম ভুট্টোকে আটক করেন।

র‍্যাব আরও জানায়, আটককৃত ব্যক্তি উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা চা-বাগানের বাজার লাইন এলাকার মৃত ইয়াকুব মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় গাঁজা বিক্রয় করে আসছিলেন।

শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বসু দত্ত চাকমা আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ থানায় মঙ্গলবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কমলগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাদক আইনে থানায় মামলা দায়েরের পর আসামিকে আজ বিজ্ঞ আদালতের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।

ব্রিজ না থাকায় ১৫ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা খেয়া নৌকা

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার তেকানি ঝগড়ারচর, চেংটাপাড়া, কাউয়ারচর, চরবোয়ালমারী, চরেরগ্রাম, ধর্মপুর, ঝগড়ারচর ও ডাঙ্গুয়াপাড়াসহ আশেপাশের অন্তত ১৫টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। বর্ষার দিনে স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত, হাট-বাজার বা হাসপাতালে যাতায়াতে তাদের একমাত্র ভরসা খেয়া নৌকা। একটি ব্রিজের অভাবে তারা খেয়া নৌকায় পারাপার হচ্ছেন দীর্ঘদিন।

স্থানীয়দের অভিযোগ- জাতীয় সংসদ, উপজেলা এমনকি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আসলে প্রার্থীরা একের পর এক প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন। কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা ভুলে যান।জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খেয়া নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। মাঝেমধ্যে অনেক শিশু শিক্ষার্থী দুর্ঘটনার শিকার হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপের কারণে গ্রামগুলোতে দোকানপাট খুব একটা নেই। কৃষকরা আবাদকৃত জমির ফসল শহরে নিতে না পারায় বাধ্য হয়ে গ্রামে বসেই কম দামে বিক্রি করতে হয়। তবে ব্রিজ নির্মাণ হলে ওই এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গতি ফিরবে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

এছাড়া নৌকাটি যাত্রী নিয়ে পূর্ব পাড়ে পৌঁছালে পশ্চিম পাড়ের মানুষকে অপেক্ষা করতে হয়, সেটি কখন আবার এসে দাঁড়াবে এপাড়ে। এতে যেন দুর্ভোগের শেষ নেই কিষান-কিষানিসহ শ্রমজীবী মানুষের।

স্থানীয় দাঁতভাঙ্গা ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন থেকে এলাকার মানুষ খুব কষ্টে যাতায়াত করে। কয়েকবার উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়েছি। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে রৌমারী উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়েত হোসেন বলেন, বাঘেরহাট জিঞ্জিরাম নদীর উপর ৬০ মিটার ব্রিজের জন্য ডিও পাঠানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত ব্রিজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামীকাল এসএসসি পরীক্ষার ফল যেভাবে জানা যাবে

শিক্ষা ডেস্কঃ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও  সমমানের পরীক্ষা-২০২১ এর ফলাফল  আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়ায় এদিন ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে তিনি জানান। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আবুল খায়েরও এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, আগামী বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের দিন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে সময় তার হাতে সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সারসংক্ষেপ তুলে দেওয়া হবে। এরপর তিনি ফলাফল ঘোষণা করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন শেষে শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে। http://www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট ভিজিট করে ফলাফল জানা যাবে। ওয়েবসাইটে রোল নম্বর, পরীক্ষার (Examination) নাম এবং বোর্ড সিলেক্ট করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে ফলাফল জানা যাবে।

এছাড়া, মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। সেজন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণস্বরূপ : SSC DHA 123456 2021 লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের জন্য DAKHIL লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে আবার স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণস্বরূপ : DAKHIL MAD 123456 2021 লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। আর মহামারির অভিঘাতে দেড় বছর স্থগিতের পর এটাই ছিল দেশের প্রথম কোনো পাবলিক পরীক্ষা। তবে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হয় পরীক্ষাগুলো।  এ বছর মোট ২২ লাখ ২৭ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে নিবন্ধন করেছিলো।

তীব্র শীতে জর্জরিত ৩শতাধিক ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষ পেল উষ্ণ উপহার

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: তীব্র শীতে জর্জরিত ছিন্নমূল মানুষরা দিনশেষে স্টেশনের প্লাটফর্মে ঘুমিয়ে পড়েছেন। বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা এসব ছিন্নমূল, অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে দেখার যেন কেউ নেই। আশাহীন এসব মানুষ জানে না তাদের কপালে কবে জুটবে শীতের কাপড় কিংবা কম্বল। আকস্মিক তাদের দরজায় কড়া নাড়িয়ে একজন বললেন উপজেলা চেয়ারম্যান স্যার ও ইউএনও স্যার আপনাদের জন্য শীতের কাপড় (কম্বল) নিয়ে এসেছেন। এসময় স্থানীয় পৌর এলাকার পরীনগর গ্রামের তোহরা বেগম (৪০), ফাতেমা বেগম (৫৫), রুপিয়া বেগম (৪৫) নামে তিনজন মহিলা স্টেশন প্লাটফর্মে বসে শীতে কাতরাচ্ছেন। অন্যদিকে হাজিপুর ইউনিয়নের আব্দুল আহাদ (৩৫), জয়চন্ডী ইউনিয়নের কামারকান্দি এলাকার আখলিছ মিয়া (৫০), কাদিপুর ইউনিয়নের মইনুল হক (৬৫) বয়সের কয়েকজন ব্যক্তিও শীতে কাতরাচ্ছেন। এদিকে স্বাধীন (১১), রকি (১০), সানি (১২), মিজান (১৪), হাসান (১৫) নামের কয়েকজন শিশুর গায়ে শীতের কাপড় না থাকায় তারাও কাতরাচ্ছে। হঠাৎ করে তাদের সামনে এসে কয়েকজন লোক এগিয়ে এসে দেখেন কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী তাদের জন্য কম্বল নিয়ে এসেছেন।

কম্বল হাতে পেয়ে তারা সবাই বলেন, আমাদের কষ্টের কথা শুনে তারা দেখতা আইছন, আমাদের অবস্থা দেইখ্যা তারা কম্বল দিয়া কইআ এটা শেখ হাসিনা দিসইন, শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করবেন। ‘এখন আমরা সবাই শীতের যন্ত্রণা থেকে বাঁচতাম পারমু’। প্রধানমন্ত্রীর তহবিলের বরাদ্দ থেকে উপহার হিসেবে কম্বলগুলো পেয়ে তারা সকলেই বেজায় খুশি।

তারা সবাই বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য মন খুলে দোয়া করি, এই শীতের সময় আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কথা তিনি চিন্তা করেছেন। তিনি যেন সবসময় ভালো থাকেন, আল্লাহ পাক উনার মঙ্গল করবেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টায় কুলাউড়ার রেলওয়ে স্টেশন প্লাটফর্মে ছিন্নমূল মানুষদের কষ্ট স্বচক্ষে দেখতে বের হন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সফি আহমদ সলমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম ফরহাদ চৌধুরী, কুলাউড়া পৌরসভার মেয়র অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাও: ফজলুল হক খান সাহেদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজল মোল্লা, কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিনয় ভূষন রায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শিমুল আলী প্রমুখ।

এসময় সঙ্গে ছিলেন উপজেলা কৃষকলীগ, ছাত্রলীগসহ অনেকেই। সবাই মিলে রেলস্টেশনে অবস্থানরত ছিন্নমূল প্রায় ৩ শতাধিক মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন ও খোঁজ খবর নেন।

আজ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের ১০৮তম জন্মদিন

সিএনবিডি ডেস্কঃ আজ বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের ১০৮তম জন্মবার্ষিকী। এই গুণী শিল্পী ১৯১৪ সালের এ দিনে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার কেন্দুয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। শিল্পের মুখ্য শর্ত হচ্ছে সারল্য। শিল্প হবে চিন্তার অকপট প্রকাশ। এমন ভাবনা নিয়েই ক্যানভাস রাঙিয়েছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। আলোকবর্তিকা হয়ে শিল্পের পথ দেখিয়েছেন প্রকৃতি ও মানুষের ছবি আঁকা এই চিত্রকর। বিশ্বসভায় তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতি। তার বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, ঝড়, কাক, বিদ্রোহী ইত্যাদি। ১৯৭০ সালে গ্রামবাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন তাঁর বিখ্যাত ৬৫ ফুট দীর্ঘ ছবি নবান্ন।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন নয় ভাইবোনের মধ্যে ছিলেন সবার বড়। তাঁর বাবা তমিজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন পুলিশের দারোগা (সাব-ইন্সপেক্টর), মা জয়নাবুন্নেছা গৃহিণী। খুব ছোটবেলা থেকেই তিনি ছবি আঁকতে পছন্দ করতেন। পাখির বাসা, পাখি, মাছ, গরু-ছাগল, ফুল-ফল এঁকে মা-বাবাকে দেখাতেন। ছেলেবেলা থেকেই শিল্পকলার প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল লক্ষ্যণীয়। মাত্র ষোল বছর বয়সে বাড়ি থেকে কলকাতায় পালিয়ে ছিলেন গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস দেখার জন্য। ১৯৩৩ সালে মাধ্যমিক (ম্যাট্রিক) পরীক্ষার আগেই স্কুলের পড়ালেখা বাদ দিয়ে কলকাতায় চলে যান এবং মায়ের সমর্থনে গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন। জয়নুল আবেদিনের আগ্রহ দেখে তাঁর মা নিজের গলার হার বিক্রি করে ছেলেকে কলকাতার আর্ট স্কুলে ভর্তি হতে সাহায্য করেন।

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানে একটি চিত্রকলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুভব করেন জয়নুল আবেদিন। সে লক্ষ্যে তাঁরই উদ্যোগে ১৯৪৮ সালে পুরান ঢাকার জনসন রোডের ন্যাশনাল মেডিকেল স্কুলের একটি জীর্ণ কক্ষে গভর্নমেন্ট আর্ট ইন্সটিটিউট স্থাপিত হয়। সূচনায় এর ছাত্র সংখ্যা ছিল মাত্র ১৮। জয়নুল আবেদিন ছিলেন এ প্রতিষ্ঠানের প্রথম শিক্ষক। ১৯৫১ সালে এই আর্ট ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচার একটি বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৫৬ সালে আর্ট ইন্সটিটিউটটি শাহবাগে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৬৩ সালে এটি প্রথম শ্রেণির সরকারি কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং এর নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর এই প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘বাংলাদেশ চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়’। জয়নুল আবেদিন ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জয়নুল আবেদিনের আগ্রহ ও পরিকল্পনায় ১৯৭৫-এ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প জাদুঘর ও ময়মনসিংহে জয়নুল সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করে সরকার।

জয়নুল আবেদীনের সব বিখ্যাত চিত্রকর্ম

জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালার জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। এ ছাড়াও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলো হল: ১৯৫৭-এ নৌকা, ১৯৫৯-এ সংগ্রাম, ১৯৭১-এ বীর মুক্তিযোদ্ধা, ম্যাডোনা প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁর দীর্ঘ দুটি স্ক্রল ১৯৬৯-এ অঙ্কিত ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭৪-এ অঙ্কিত ‘মনপুরা-৭০’ জননন্দিত দুটি শিল্পকর্ম। তিনি চিত্রাঙ্কনের চেয়ে চিত্রশিক্ষা প্রসারের ওপর অনেক বেশি সময় ব্যয় করেছেন। অনুমান করা হয় তার চিত্রকর্মের সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংগৃহীত তার শিল্পকর্মের সংখ্যা ৮০৭। বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সংগ্রহে আরও প্রায় পাঁচশত চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে। তাঁর পরিবারের কাছে সংরক্ষিত আছে চার শতাধিক চিত্রকর্ম। ময়মনসিংহের সংগ্রহশালায় রক্ষিত চিত্রকর্মের সংখ্যা ৬২। এছাড়া পাকিস্তানের বিভিন্ন সংগ্রহশালায়ও তাঁর বিপুল পরিমাণ চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে। বিশ্বের প্রাচীনতম ও সর্ববৃহৎ ব্রিটিশ নিলামকারী প্রতিষ্ঠান বনহামসে তার স্কেচ বিক্রয় হয়। তিনি ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সবচেয়ে বড় খেতাব হেলাল-ই-ইমতিয়াজ, ১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে ‘শিল্পার্চায’ উপাধী এবং ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে জাতীয় অধ্যাপকের সম্মান লাভ করেন।

১৯৭৬ সালের ২৮ মে ৬১ বছর বয়সে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন জয়নুল আবেদিন।

কর্মসূচীঃ সকাল পৌনে ১০টায় শিল্পাচার্যের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান। বিশেষ এই দিনটি উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ আজ থেকে তিন দিনব্যাপী জয়নুল উৎসব ও জয়নুল মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এবার জয়নুল মেলায় অনুষদের আয়োজনে সঙ্গী হয়েছে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে উত্সব উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছেন সংস্কৃতিসচিব মো. আবুল মনসুর। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করবে।

এসএসসি পরীক্ষার্থী মেহেদী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসান(১৫) হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার ২৮ ডিসেম্বর মেহেদীর পরিবার, এলাকাবাসী ও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শহরের চৌরাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন করেন এবং জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এদিন সকালে এলাকাবাসী ও পরিবারের লোকজন বিসিক শিল্প নগরী এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের চৌরাস্তা হয়ে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান করে। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও যোগ দিয়ে মিছিল নিয়ে চৌরাস্তায় জড়ো হয়ে সেখানে ঘন্টাব্যাপী অবস্থান নেয়।

এ সময় চৌরাস্তা এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকে। আন্দোলনকারীরা বিচারের দাবিতে মুহুর মুহুর শ্লোগান দিতে থাকে। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তানভিরুল ইসলাম এসে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার প্রতিশ্রুতি দিলে অন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মো:মাহবুবুর রহমানকে পরিবার ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এ সময় বক্তব্য দেন, নিহত মেহেদীর মা মাহফুজা খাতুন, বাবা আ: মালেক, নানী আজমিরা খাতুন, নানা সমির উদ্দিন, মামা আমজাদ হোসেন, খালা ওয়াফা বিনতে জামান, মেহেদীর বন্ধু আদিব, শিশির, প্রক্তন ছাত্র সৌগত দেবনাথ, সাংস্কৃতিক কর্মী রেজওয়ানুল হক রিজু, এলাকাবাসীর পক্ষে খোতেজা বেগম প্রমুখ। বক্তারা অবিলম্বে প্রকৃত জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ২২ ডিসেম্বর রাতে পৌর শহরের দুরামারি নামক স্থানে দুবৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এসএসসি পরীক্ষার্থী মেহেদেী হাসান (১৫) নিহত হয়। সে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৪/৫ জনকে অজ্ঞাত করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে অসহায় হত দরিদ্রদের মধ্যে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় বাংলা বাজারস্থ গরীব, অসহায় মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

গতকাল মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২ঘটিকা পর্যন্ত অসহায় হত দরিদ্র ৩০১ জনকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫১ ফিল্ড এম্বুলেন্স।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লেঃ কর্ণেল সুলতানা দিল আফসানা, এ.এম.সি ১৭ পদাতিক ডিভিশন, অধিনায়ক ৫১ ফিল্ড এম্বুলেন্স।

সেনাবাহিনীর এ মহৎ চিকিৎসা সেবা দেয়ার কারণে গ্রামের অসহায় হত দরিদ্র লোকজন আনন্দিত ও উপকৃত। অসহায় হত দরিদ্র লোকজন এ সেবা পেয়ে সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।