দীর্ঘ লম্ফে রংপুর বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ সিয়ামকে সংবর্ধনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: শেখ কামাল আন্ত: স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় রংপুর বিভাগে দীর্ঘ লম্পে প্রথম স্থান অর্জনকারী শাহপরান সিয়াম (১৪) কে সংবর্ধনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। পরে তার সাফল্যে ও মঙ্গল কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা নিবার্হী অফিসার সুমন দাসের সভাপতিত্বে সংবর্ধনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম রব্বানী সরকার। এসময় শাহপরান সিয়াম, তার মা সাহেরা খাতুন, দাদা সুরত জামাল মিয়া, ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ফজলুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান মিয়া বাদশা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হাই, প্রধান শিক্ষক আবেদ আলী খন্দকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজার রহমান, ফুলবাড়ী সদর ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রংপুরের  শেখ রাসেল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত  শেখ কামাল আন্ত: স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতার ‘ক’ বিভাগের দীর্ঘ লাফ(লং জাম্প) ইভেন্টে প্রথম স্থান অধিকার করেন সিয়াম। এ ইভেন্টে তিনি ১৯ দশমিক ৯ ফুট দূরত্ব অতিক্রম করেন। এর আগে ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেন তিনি।

সিয়াম ফুলবাড়ী জছিমিঞা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের কুটিচন্দ্রখানা গ্ৰামের হোসেন আলী ও সাহেরা খাতুন দম্পতির ছেলে।

সিয়াম বলেন, রংপুর বিভাগে সেরা হতে পেরে আমি গর্বিত। অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছি, জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশ সেরা অ্যাথলেট হতে চাই।

সিয়ামের মা সাহেরা খাতুন বলেন, শত অভাব অনটনের মধ্যে থেকেও আমার ছেলে রংপুর বিভাগে সেরা হয়েছে এজন্য আল্লাহর কাছে শোকরিয়া জানাই। সকলে দোয়া করবেন তার দেশ সেরা হওয়ার স্বপ্ন যেন পূরণ হয়।

ফুলবাড়ী জছিমিঞা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবেদ আলী খন্দকার জানান, সিয়াম আমাদের বিদ্যালয় তথা উপজেলার মুখ উজ্জ্বল করেছে।তার পড়ালেখা ও অ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতার বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

উপজেলা নিবার্হী অফিসার সুমন দাস বলেন, সিয়াম  আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। সে যেন তার সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে সেজন্যই আজকের এ আয়োজন। আমাদের এই প্রয়াস। তাছাড়া জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হওয়ার জন্য তাকে সার্বিক সহায়তা করা হবে।

বিস্ফোরণ

রাজধানীতে কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি বিস্ফোরণের ঘটনায় পুরু দেশ এখন সঙ্কায়। রাজনৈতিক মহলেও পাল্টা পাল্টি বক্তব্য বিনিময় চলছে। কিন্তু ঘটনার সূত্র খুঁজে বেড় করতে পারেনি গোয়েন্দারা। বিস্ফোরণ ঘটার নিশ্চই কোন কারন রয়েছে। সেই কারনটি উদঘটন করা না গেলে সঙ্কা আর সন্দেহ দুটোই থেকে যাবে। ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ হলেও ঘটনার মিল রয়েছে।আগুন ছড়ায়নি কোথাও এবং ইমারতের কলাম ভেঙ্গে পরেছে। তাহলে কি এমনটাই লক্ষ্য ছিল (যদি কেউ করে থাকে)?

ইমারত নির্মান কৌশলের ত্রুটির কথা বলেনি কেউ। শুধু গ্যাস হলেও বিস্ফোরণে আগুন ছড়ানোর সম্ভাবনা ছিল! তা হয়নি কারন কলাম বিনষ্ট করাই উদ্দেশ্য ছিল ( যদি কেউ উদ্দেশ্য নিয়ে করে থাকে)? এটি ষড়যন্ত্র নয় দুর্ঘটনা এমন ভাবনাই মাথায় থাকুক তবে, কোন সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দেওয়া যাবেনা। কারন এমন বিস্ফোরণ দেশে আরও হয়েছে। একসাথে ৫০০ জায়গাতেও বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে, সিনেমা হলে বোমা বিস্ফোরিত হয়েছে। তদন্তে একটি উগ্রবাদি দলের সংশ্লিষ্ঠতা পাওয়া গেছে। সরকারের বিরুদ্ধে অপতৎপরতা দেশে রয়েছে! দেশকে অস্থিতিশিল করতে কিছু দল এবং ব্যক্তি বিদেশীদের সহায়তায় চেষ্টাও চালাচ্ছে। ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গেও কেউ কেউ বৈঠক করেছে। রাজনৈতিক ফয়দা নিতে অপচেষ্টার কমতি নেই দেশে এবং সবই চলছে রাজনীতির নামে। তাই কোনভাবেই এই বিস্ফোরণকে অঘটন বলা যাবে না। জড়িতদের (যদি থেকে থাকে) খুঁজে বের করা প্রয়োজন।

আর যদি কোন সংশ্লিষ্ঠতার আলামত খুঁজে না পাওয়া যায় তাহলে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা বিস্ফোরণের সম্ভব্য কারন গণ-মাধ্যমে প্রচার করা জরুরী। একই সাথে দেশের স্পর্শকাতর জায়গায় এবং গুরুত্বপুর্ন ইমারত নিরাপদ রক্ষা করার ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিৎ। দেশে বিদেশে সরকারের বিরুদ্ধে যেভাবে মিথ্যাচার চলছে। বিস্ফোরণের মত ঘটনা আরও ঘটতে পারে। গোয়েন্দারা আলামত চিহ্নিত করুক আর না’ই করুক সম্ভানাটির কথা উড়িয়ে দিলে ভুল করা হবে।


আজিজুর রহমান প্রিন্স, কলামিস্ট ও আওয়ামীলীগ নেতা, টরন্টো, কানাডা

প্রতিকূল আবহাওয়ায় চা উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রায় শঙ্কা

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: সিলেটের চা-বাগানগুলোতে চলছে তীব্র খরা। পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাবে রেড স্পাইডারসহ নানা ধরনের পোকামাকড়ের আক্রমণের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে চলতি বছরের চা উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছে।গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বৃষ্টি না হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

গত সপ্তাহে সিলেটে ২৫-৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও মৌলভীবাজার, কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল এলাকার বাগানগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ।গত দুই দিন বৃষ্টি হলেও ‘চা-বাগানগুলোর জন্য এটা কিছুই নয়’—এমন মন্তব্য করেছেন একজন বাগান ম্যানেজার।

কমলগঞ্জের ফুলবাড়ি টি-এস্টেটের জি এম লুত্ফর রহমান চৌধুরী বলেন, আকাশের মেঘ আছে, কিন্তু বৃষ্টি নেই। দুপুরেও প্রচণ্ড তাপমাত্রা ছিল।’ এই অবস্থায় তার বাগানে এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা ৭ লাখ ৩০ হাজার কেজি কীভাবে অর্জিত হবে—তা নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় আছেন।

বাগান সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাবে মারাত্মক খরার মধ্যে চা-বাগানগুলো। অথচ বাগানগুলো এখন সবুজে ঢাকা থাকার কথা। কিন্তু ধুলায় ধূসরিত। পাতা ছাড়ছে না চা-গাছগুলো।

সিলেটের ‘হবিবপুর বাগান’-এর ব্যবস্থাপক হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘চা একটি সংবেদনশীল কৃষিপণ্য। এজন্য প্রয়োজন সুষম আবহাওয়া, সঠিক পরিচর্যা। কিন্তু এবার আবহাওয়া বেশ এলোমেলো।’ গত বুধ, বৃহস্পতিবার দুই দিনের বৃষ্টিতে হাবিবপুর বাগানে কিছুটা সজীবতা এসেছে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি এখনো অনুকূল নয়। চট্টগ্রামের অবস্থা আরও বৈরী। সারা দেশের ১৬৭টি চা-বাগানের মধ্যে সিলেটেই ১৩৬টি রয়েছে।

বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের নর্থ সিলেট ভ্যালির চেয়ারম্যান নোমান হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘এখন খুব বাজে অবস্থা যাচ্ছে। বৃষ্টির দেখা নেই।’ তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা প্রোনিং (চা-গাছ ছেঁটে দেওয়া) শেষ করেছি, খাল, লেবার শেড ইত্যাদি সংস্কার হয়েছে।’তিনি বলেন, বৃষ্টি হলে চা-গাছ কুড়ি ছাড়বে। আর মার্চের প্রথম সপ্তাহে ‘চা চয়ন’ (পাতি তোলা)  শুরু হবে। সিলেট, শ্রীমঙ্গল, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের  চা-বাগানের ব্যবস্থাপক, শ্রমিক ও মালিক এখন বৃষ্টির জন্য চাতকের মতো চেয়ে আছেন।

২০২৩ সালে দেশে চা উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে ১০০ মিলিয়ন কেজির বেশি। ২০২২ সালেও  লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০০ মিলিয়ন কেজি। বন্যা ও চা শ্রমিকদের আন্দোলনসহ নানা কারণে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। তাই এ বছর অনেক আশা নিয়ে বাগান সংশ্লিষ্টরা উৎপাদনে নামেন। কিন্তু খরার কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশে ১৪০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদনের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এর মধ্যে ১৩০ মিলিয়ন কেজি চা দিয়ে দেশের চাহিদা পূরণ করা হবে এবং বাকি ১০ মিলিয়ন  কেজি চা বিদেশে রপ্তানি করা  হবে। এমনি সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের (বিটিবি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম।

সূত্র জানায়,  হবিগঞ্জের  লস্করপুর ভ্যালিতে চায়ের উৎপাদন কমেছে। গত বছরের প্রথমার্ধে অনাবৃষ্টি ও বছরের শেষ দিকে গত আগস্টে চা-শ্রমিক ধর্মঘটকে দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে নতুন বছরে অনুকূল আবহাওয়া থাকলে চায়ের উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করছেন তারা।

সীতাকুণ্ডে তুলার গুদামে আগুন

চট্টগ্রামে সীতাকুন্ডের ছোট কুমিরায় নেমসন কন্টেইনার ডিপোর সাথে এবার তুলার গুদামে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার (১১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সীতাকুন্ড , কুমিরা, আগ্রাবাদ এবং বায়েজিদ স্টেষন থেকে থেকে ৮টি গাড়ী গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে । এখনো আগুন নিভানোর কাজ চলছে। ইউনিটেক্স লিমিটেডের জন্য আমদানি করা তুলার বান্ডিল পুড়ছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।

তুলার আগুন নেভাতে সময় লাগার কারণে এবং আশপাশে পানির উৎস না থাকায় আগুন নেভাতে দেরি হচ্ছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। গুদামে কী কারণে আগুন লেগেছে তা জানা যায়নি।

চীনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন লি কিয়াং

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ টানা তৃতীয় মেয়াদে চীনের প্রেসিডেন্ট পদে শি জিনপিং নির্বাচিত হওয়ার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লি কিয়াং।

গতকাল শুক্রবার ( ১০ মার্চ) সকালে পার্লামেন্ট অধিবেশনে শি জিনপিং মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ভোটাভুটিতে জয়ী হওয়ার পর লি কিয়াংয়ের নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী লি কেছিয়াংয়ের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

৬৩ বছর বয়সী নতুন প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসে ২,৯০০ এরও বেশি প্রতিনিধির কাছ থেকে প্রায় প্রতিটি ভোটই পেয়েছেন। তিনি প্রেসিডেন্ট শির একজন ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত।

পার্লামেন্টে স্থাপন করা একটি ইলেকট্রনিক স্ক্রিনে দেখা গেছে, লি ২ হাজার ৯৩৬ ভোট পেয়েছেন। মাত্র তিনজন প্রতিনিধি তাঁর নিয়োগের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। আটজন ভোটদানে বিরত ছিলেন।

নির্বাচনের পর চীনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন লি কিয়াং। চীনের সংবিধানের প্রতি অনুগত থাকার অঙ্গীকার করেন তিনি।

লি কিয়াং তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন সেচপাম্প স্টেশনের শ্রমিক হিসেবে। এরপর ধীরে ধীরে স্থানীয় সরকার পর্যায়ের বিভিন্ন পদে আসীন হন। একসময় সাংহাই শহরে কমিউনিস্ট পার্টিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন লি কিয়াং। ২০০০–এর দশকের শুরুতে সি চিন পিংয়ের চিফ অব স্টাফ ছিলেন তিনি।

আগামী সপ্তাহে কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা

আবহাওয়ার খবরঃ আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশের একাধিক জেলায় কালবৈশাখীর আশঙ্কা রয়েছে। আজ শনিবার (১১ মার্চ) আবহাওয়া দপ্তরের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানা যায়।

আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ ফেসবুকে জানিয়েছেন, আগামী ১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চের মধ্যে বাংলাদেশে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানার আশঙ্কা রয়েছে।

গত ৪৮ ঘণ্টায় আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেলগুলো থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে ১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চের সম্ভাব্য কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও তীব্র বজ্রপাত সম্পর্কে অনেকটা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

১৫ মার্চ বিকেলের পর থেকে ১৬ মার্চ সকাল ৮টার মধ্যে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

১৬ মার্চ কালবৈশাখী ঝড় বাংলাদেশে প্রবেশ করার আশঙ্কা বেশি খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে। সম্ভাব্য এই ঝড় ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দিকে অগ্রসর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

১৭ ও ১৮ মার্চ কালবৈশাখী ঝড় বাংলাদেশে প্রবেশ করার আশঙ্কা বেশি রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে, যা পরবর্তীতে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দিকে অগ্রসর হতে পারে।এই দুদিন ব্যাপক বজ্রপাত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে এই দুই দিনে ২০২৩ কালবৈশাখী মৌসুমে বজ্রপাতের কারণে প্রথম মানুষ মারা যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই দুই দিনে সকাল ৯টার পর থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ জেলায় তীব্র বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে এই দুই দিন তীব্র বজ্রপাতের ঝুঁকি, সেই সঙ্গে বজ্রপাতে মানুষের মৃত্যুর প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

১৮ ও ১৯ মার্চ বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও তীব্র বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে। দিনের বেলায় দেশের সব জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট ও রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে কালবৈশাখীর তীব্রতা সবচেয়ে বেশি হতে পারে।

 

অফিসে আদর্শ বস হতে মেনে চলুন কয়েকটি পদক্ষেপ

শিক্ষা ডেস্কঃ অধীনস্থ কর্মচারীদের শ্রদ্ধা, প্রশংসা ও সম্মান অর্জন করতে চাইলে আদর্শ বস হতে হবে। তাই আদর্শ বস হতে চাইলে আপনি মেনে চলুন এই পদক্ষেপ।

সংগঠিতঃ পছন্দের বসরা তাদের সব কাজ গুছিয়ে করেন। তাঁরা তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজকে সহজ করে দেন। কাজ কমিয়ে দেন এবং সংগঠিত করেন। যাতে কর্মীরা পরবর্তীতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হয়। এতে করে কাজে ভুল হবার সম্ভাবনা কম থাকে। একজনকে দিয়ে দুইজনের কাজ করাতে গেলে তা আপনার কোম্পানির জন্য ক্ষতিকারক হয়ে উঠবে।

নীতি নির্ধারকঃ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে একজন আদর্শ বস কখনই পিছপা হন না। তারা দৃঢ়চেতা হয়ে থাকেন। সিদ্ধান্তে নেওয়ার আগে প্রতিটি দিক সাবধানে বিশ্লেষণ করেন। তারা নিজেদের সম্পর্কেও আত্মবিশ্বাসী। খুব চাপের পরিস্থিতি সামলানোর ক্ষমতা তাদের মধ্যে থাকে।

 ন্যায় বিচারকঃ একজন আদর্শ বস ন্যায় বিচারক হয়ে থাকেন। তিনি সবার সাথে সমান আচরণে বিশ্বাসী। তারা কর্মীদের  নিয়ে পক্ষপাতিত্বে লিপ্ত হযন না। বাকিদের চেয়ে কাউকে বেশি সুবিধা দেয় না। তারা তাদের কর্মের জন্য খুব দায়বদ্ধ। একজন আদর্শ বস হিসেবে অফিসের সব কর্মীদের তিনি সমান চোখে দেখেন।

সঠিক নির্দেশনা প্রদানকারীঃ বসরা তাদের কর্মীদের সঠিক নির্দেশনা প্রদান করে থাকেন। সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেন। একজন আদর্শ বস কঠিন পরিস্থিতির ক্ষেত্রে পুরো দলকে সমর্থন করেন। এ ধরনের বসদের ওপর কর্মীদের অনেক আস্থা রয়েছে।

প্রশংসা করাঃ আদর্শ বসের আর একটি অন্যতম গুণ প্রশংসা করা। তিনি সবসময় অধীনস্তদের প্রশংসা করেন, উৎসাহ যোগান। ভালো কাজের স্বীকৃতি দেন। ভুল হলেও তিনি প্রকাশ্যে তার ইতিবাচক সমালোচনা করেন। যা তাদের আরো আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

ধন্যবাদ জ্ঞাপনঃ কাউকে তার কাজের জন্য ধন্যবাদ জানালে তিনি খুশি হয়ে ওঠেন। আদর্শ বসরা সবসময় এই নীতি মেনে চলেন। যা তার অধীনস্তদের কাজ করতে উৎসাহী করে তোলে।

বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার মানুষ ভাই-ভাই

স্পোর্টস ডেস্কঃ প্রথমবার বাংলাদেশে এসে আর্জেন্টিনা কাবাডি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও জাতীয় দলের কোচ আকুনিয়া জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার মানুষের অনুভূতি একই রকম, বিশেষ করে কাতার বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশের মানুষ আর্জেন্টিনার প্রতি উৎসাহ দেখিয়েছে, টিভিতে আর্জেন্টাইনরা দেখেছে। আমরা অভিভূত। বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার মানুষ ভাই-ভাই।

জাতীয় দলের কোচ হওয়ার পাশাপাশি আর্জেন্টিনা কাবাডি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আকুনিয়া। বয়স ৫৫। তরুণ বয়সে ব্যাডমিন্টন খেলতেন। ব্যাডমিন্টন খেলতে ৪০টি দেশ ভ্রমণ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে তার। এবার যুক্ত হলো বাংলাদেশও।

কাবাডি আর্জেন্টিনার ছোট খেলাগুলোর মধ্যে একটি। ২০০২ সালে কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের খেলতে দেখে কাবাডির প্রতি আগ্রহ জন্মায় আকুনিয়ার। সেখানে খেলার নিয়ম-কানুন শিখে নিজ দেশে চর্চা শুরু করেন।

তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনায় সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। কাতার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর উন্মাদনা আরও বেড়ে গেছে। বিশেষ করে তরুণরা ফুটবলের প্রতি আরও বেশি বুদ হয়েছে। তবে আর্জেন্টাইনরা খেলাধুলার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র একটা খেলা খেলে না, একাধিক খেলা খেলে। ’

আর্জেন্টিনায় কাবাডিতে নিয়মিত কোনো লিগ হয় না, কিন্তু বছরে দুটি টুর্নামেন্ট হয়। বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্ট খেলতে আসা দলের মধ্যে চারজন পুরনো, যারা ২০১৬ সালে আহমেদাবাদে বিশ্বকাপ খেলেছেন। দলে তিন জন রয়েছেন কুস্তিগীর, দু’জন দ্বিতীয় বিভাগে ফুটবল খেলেন; আছেন রাগবি, ব্যাডমিন্টন ও তায়কোয়ানদো খেলোয়াড়ও।

 

বাবার সঙ্গে ঝগড়া করে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আত্মহত্যা নারী চিকিৎসকের

অনলাইন ডেস্কঃ বাবার সঙ্গে ঝগড়া করে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক নারী চিকিৎসক। গতকাল শুক্রবার (১০ মার্চ) রাতে বান্দরবানের লামা উপজেলায় বমুবিলছড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ওই চিকিৎসকের নাম সাবরিনা তারানুম মেঘলা। বান্দরবানের লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।তিনি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা মো.শওকত ও শাহিনা আক্তারের মেয়ে।

প্রতিবেশীরা জানায়, সিলিংফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছিল ওই নারী চিকিৎসক। উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের দাবি, বাবার সঙ্গে ঝগড়া করে শ্বশুরবাড়িতে এসে আত্মহত্যা করেছেন মেঘলা।

লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.শহিদুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা ওই নারী চিকিৎসককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।  কিন্ত তার আগেই মারা যান তিনি।

বান্দরবানের লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য ওই নারী চিকিৎসকের মরদেহ বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পর্ন তারকার মামলায় ফের আদালতে ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সাবেক পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসের মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দিতে আদালতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ‍নিউইয়র্কের সরকারি কৌঁসুলিরা। ট্রাম্পকে ডেকে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী। খবর বিবিসির।

ড্যানিয়েলসকে মুখ বন্ধ রাখার বিনিময়ে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে টাকা দেয়ার একটি মামলা গত ৫ বছর ধরে তদন্ত করছে ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতে ট্রাম্পকে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য ডাকার মানে হচ্ছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হতে পারে।

এদিকে সাবেক এই পর্ন তারকার দাবি, ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। আর সেই সম্পর্কের কথা গোপন রাখার বিনিময়ে ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে তাকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দেয়া হয়েছিল। তবে ড্যানিয়েলসের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ট্রাম্প।

এই মামলায় অভিযোগ গঠনের জন্য যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ আছে কি না খতিয়ে দেখতে একটি গ্র্যান্ড জুরি গঠন করেন একজন সরকারি কৌঁসুলি। এই গ্র্যান্ড জুরির সাক্ষ্য গোপনে নেয়া হচ্ছে। জানা গেছে, ট্রাম্পের বেশ কয়েকজন সাবেক সহযোগী এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।