বিজয়ী হয়েও আতঙ্কিত মেয়র মহসিন মিয়া

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল পৌরসভা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর ও বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র শিল্পপতি মহসিন মিয়া এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন তিনি বিজয়ী হয়ে যতটুকু খুঁশি তার চেয়েও হাজার গুন বেশি আতংকিত তার সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়ে।

তিনি বলেন যারা ‘‘আমার বাসায়, এবং আমার কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা করেছে, তাদের নামে থানায় মামলা দিলেও তারা প্রকাশ্যে পুলিশের সাথে এবং আশ-পাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। আমার প্রধান নির্বাচনী এজেন্টসহ কর্মী সমর্থক ও নেতাকর্মীরা অপরাধ না করেও মামলার আসামী হয়ে লুকিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং পুলিশ তাদের খুঁজছে। এই হলো ক্ষমতার অপব্যবহার”

গত রবিবার (২৮ নভেম্বর) রাতে ফলাফল ঘোষনার পর তার নিজ বাস ভবন মহসিন নিবাসে তাৎক্ষনিক এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথাগুলো বলছিলেন চতুর্থ বারের মতো নির্বাচিত হওয়া জেলা বিএনপি’র সদস্য, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র শিল্পপতি মহসিন মিয়া।

তিনি জানান, ‘‘আমাকে যারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে আমি আপনাদের গনমাধ্যমের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে তাদের নিরাপত্তা চাই। যাতে তাদের দলীয় ও সরকারের প্রভাব খাটিয়ে আমার জনগনের উপর যেন আক্রমন করা না হয়। জনগন চায় শান্তিভাবে বসবাস করতে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি যেন না হয়, বাড়ি ঘরে যেন হামলা না হয়। কিন্তু আমি এই মূহুর্ত্বে অপারগ হয়ে যাচ্ছি এই কয়েক দিনের অবস্থা দেখে।

তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনে অংশগ্রহন করলে জয় পরাজয় থাকবেই। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জনগনের সেবা করার জন্যই মেয়র হতে চেয়েছিলেন, আমিও সেটাই চেয়েছি এবং চাইছি। জনগন আমাকে বেশি ভোট দেয়ায় আমি মেয়র নির্বাচিত হয়েছি। উনাকেও জনগন ভোট দিয়েছে। তাই জনগনের যে আশা আকাঙ্ক্ষা, আমরা দু’জন যদি মিলেমিশে কাজ করি তাহলে জনগনের আশা আকাঙ্ক্ষা পুরন করে ও শান্তির শহর গড়তে সহজ হবে।’

তিনি শান্তিপুর্ন ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনের সকল সংস্থাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরো বলেন, নৌকা মার্কার প্রার্থী যদি আমার সাথে থেকে দাঙ্গা-হাঙ্গামাকারী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন, ন্যায়কে ন্যায়, অন্যায়কে অন্যায় বলেন তাহলে আমাদের এই পর্যটন শহরে আগামীতে আরো সুন্দর হবে। আমরা ভাল কাজে এক হতে পারি না কেন ? এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, মেধাবীদের মূল্যায়ন করা না হলে মেধাবী জন্মাবে না। ভাল কাজে প্রশংসা না করলে ভাল কাজ যারা করে তারা উৎসাহ পাবে না।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে ময়লার বাগার সরানোর ব্যাপারে তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান ইচ্ছে করলে এক মিনিটেই সকল সমস্যার সমাধান করতে পারেন। আমি বাগারের জন্য জমি কিনেছি, ক্রয়কৃত জমিতে বাওয়ান্ডারী করার জন্য কাজ শুরু করলে তিনি ইউপি চেয়ারম্যান থাকাবস্থায় গেইট লাগিয়ে বাঁধা দিয়ে মামলা করে কাজ বন্ধ করে দেন। তিনি মামলা তুলে গেইটটা খুলে দিলেই তো সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।

সাংবাদিকেদের উদ্দ্যেশে মেয়র আরো বলেন, যারা শহরের ফুটপাত দখল করে, এলোপাতাড়ি ভাবে গাড়ি রেখে যানজট সৃষ্টি করে এবং যেখানে সেখানে ময়লা ফেলে পর্যটন নগরীর সৌন্দর্য বিনষ্ট করে এদের ব্যাপারে আপনারা সহযোগিতা করলে আমি চির কৃতজ্ঞ থাকবো। আমি চাই পর্যটন নগরীকে একটা পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে।

উল্লেখ্য: গত ২৮ নভেম্বর ১ম বারের মতো ইলেকট্রনিক মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে শ্রীমঙ্গল পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সৈয়দ মনসুরুল হককে ৪৫৭ ভোটে পরাজিত করে তিনি পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি মোট ভোট পান ৫৯৮৯ এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা মার্কার প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দ্বারিকাপাল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ মনসুরুল হক ৫৫৩২ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।

নওগাঁয় চলতি রবি মৌসুমে লক্ষাধিক প্রান্তিক কৃষক পাচ্ছেন সরকারি প্রণোদনা

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি: চলতি রবি মৌসুমে নওগাঁ জেলায় মোট ১ লাখ ৯ হাজার ৫০০ কৃষককে বিভিন্ন ফসলের অনুকূলে সরকারী প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রান্তিক কৃষকদের প্রত্যেককে ১ বিঘা জমির বিপরীতে এই প্রণোদনা বিতরণ করা হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁ’র উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ শামসুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন এসব কৃষকদের বিভিন্ন ফসলের বীজ ও প্রয়োজনীয় দুই প্রকারের সার বিতরণ করা হচ্ছে।

সূত্রমতে বিতরণকৃত প্রণোদনার আওতায় রয়েছে ৮ হাজার জন গমচাষী, ১০ হাজার জন ভুট্টাচাষী, ১৫ হাজার জন সরিষাচাষী, ২ হাজার জন সূর্যমুখীচাষী, ৪ হাজার জন মসুরচাষী, ৪ হাজার জন খেসারীচাষী, ১ হাজার জন চিনাবাদাম চাষি, ৫শ জন মুগচাষী, ১ হাজার জন পেঁয়াজচাষী এবং ৬৪ হাজার জন বোরোচাষী। বোরোচাষীদের মধ্যে ৪৪ হাজার জন কৃষককে হাইব্রিড ধান চাষের জন্য এবং ২০ হাজার জন কৃষককে উন্নত ফলনশীল উফশী জাতের ধান চাষের জন্য।

বিভিন্ন ফসলের অনুকূলে প্রদত্ত প্রণোদনা প্রদানের পরিমাণ হচ্ছে গমচাষীদের প্রত্যেককে ২০ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার। ভুট্টাচাষীদের প্রত্যেককে ২ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার। সরিষা চাষিদের প্রত্যেককে ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার। মসুরচাষীদের প্রত্যেককে ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার। খেসারীচাষীদের প্রত্যেককে ৮ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার। চিনাবাদাম চাষিদের প্রত্যেককে ১০ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার। মুগচাষীদের প্রত্যেককে ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার, পেঁয়াজচাষীদের প্রত্যেককে ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার। বোরো ধানের ক্ষেত্রে হাইব্রীডচাষীদের কেবলমাত্র ২ কেজি করে বীজ এবং উপশয়ী জাতের চাষিদের ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ শামসুল ওয়াদুদ বলেছেন কৃষি এবং কৃষকদের উন্নয়নে ধারাবাহিক কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সরকার সারাদেশে বিপুল সংখ্যক কৃষকদের এসব প্রণোদনা দিয়ে আসছে। এতে দেশের প্রান্তিক কৃষকদের উন্নয়ন তরান্বিত হচ্ছে।

 

কমলগঞ্জে ৯ ইউনিয়নে ৩১ জন নৌকা প্রত্যাশী

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: পঞ্চম ধাপে আগামী ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান পদে ৩১ জন প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সম্পাদক বরাবরে জীবনবৃত্তান্তসহ লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।

মনোনয়ন প্রত্যাশীদের আবেদনপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন সোমবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত বেঁধে দেন দলীয় নিতিনির্ধারকগন, ভানুগাছ বাজার চৌমুহনাস্থ আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয়ে আগ্রহী প্রার্থীরা জীবনবৃত্তান্তসহ লিখিত আবেদন জমা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এড. মো. সানোয়ার হোসেন বলেন, কমলগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের জন্য মোট ৩১ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন।

উল্লেখ্য: পঞ্চম ধাপে আগামী ৫ জানুয়ারি কমলগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ৭ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ৯ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৫ ডিসেম্বর।

শুরু হলো গৌরবময় মহান বিজয়ের মাস

ডিবিএন ডেস্কঃ আজ ১লা ডিসেম্বর। আজ থেকে গৌরবময় মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বর শুরু। বাংলাদেশের বুকে স্বাধীনতার রক্তলাল সূর্যোদয়ের ভিত্তি সূচিত হয়েছিল বেশ আগেই। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে উদ্দীপ্ত বাঙালি জাতি দৃঢ় শপথ নিয়েছিল স্বাধীনতা অর্জনের। ২৫ মার্চের নির্মম নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর তারা রুখে দাঁড়িয়েছিল শোষণের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রাম করে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল বাংলার দামাল ছেলেরা।  ৩০ লাখ শহীদ আর ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত হওয়ায় বাঙালি জাতির ইতিহাসে স্মরণীয়-বরণীয় এই মাস। আগামী ১৬ই ডিসেম্বর পূর্ণ হতে যাচ্ছে গৌরবময় বিজয়ের ৫০ বছর। স্বাধীনতাকামী বাঙালির হৃদয়ে মাসটি মহা আনন্দের, মহা গৌরবের, অপার্থিব সৌরভের। স্বজন হারানোর বেদনায় এই মাস একইসঙ্গে শোকেরও।

বাংলাদেশের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে অনন্য গৌরবময় ঘটনা হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের পেছনে রয়েছে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত। পশ্চিম পকিস্তানের সামরিক জান্তাদের শোষণ-বঞ্চনা এবং বিমাতা সুলভ আচরণের শিকার হয়ে আসছিল বাংলার মানুষ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বপ্ন সাধ পূরণ হয় এ মাসে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন, স্বাধীনতা অর্জন ছাড়া বাঙালি জাতির ওপর অত্যাচার, নির্যাতন ও বঞ্চনার অবসান হবে না। তাই তিনি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে দীপ্তকণ্ঠে ঘোষণা দেন বাংলার স্বাধীনতার।

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’- ১৮ মিনিটের তার এই কালজয়ী ঘোষণার মধ্য দিয়ে মূলত সেদিন থেকেই শুরু হয় স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত অধ্যায়। বঙ্গবন্ধুর ডাকে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। চলতে থাকে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিও। এরই ধারাবাহিকতায় সংগঠিত হতে থাকে বাংলার মানুষ।

প্রতিবাদী বাঙালিকে দমাতে পাকিস্তান বাহিনী একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে পূর্ব পাকিস্তানে চালায় নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। ‘অপারেশ সার্চ লাইট’ নামে পরিচালিত ওই অভিযানে নিরস্ত্র মানুষকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। এর পরপরই রাতের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ।

বাংলাদেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন। বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন করা হয়। এই সরকার ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে এবং মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে।

স্বাধীনতার বিজয়ের ঠিক দু’দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর জাতির ইতিহাসে অত্যন্ত বেদনা বিধুর একটি দিন। মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় যখন ঠিক সুনিশ্চিত তখনই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা ১৪ ডিসেম্বর জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের রাতের আঁধারে নির্মমভাবে হত্যা করে।

দেশকে মেধাশূন্য করার অপচেষ্টা হিসেবে বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা হাতে নেয় পাকবাহিনী। এই হত্যাকাণ্ড ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম এক বর্বর ঘটনা যা বিশ্বব্যাপী শান্তিকামী মানুষকে স্তম্ভিত করেছিল। এ দিবসটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালন করে বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ও নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয় ১৬ ডিসেম্বর। ওই দিন বিকেলে পাকিস্তানি বাহিনী রেসকোর্স ময়দানে মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। জাতি পায় স্বাধীন রাষ্ট্র, নিজস্ব পতাকা ও জাতীয় সংগীত। বঙ্গবন্ধুর অপরিসীম ত্যাগ ও আপোষহীন নেতৃত্বে পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশের মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনগুলো প্রতিবছর দিনটিকে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে। এবারও তারা দিনটি পালনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

ফুলবাড়ীতে নৌকা ৪, বিদ্রোহী ২ নির্বাচিত

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ ইউনিয়ন পরিষদ সাধারণ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ৬টি ইউনিয়নে শান্তিপুর্ণ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৪ টিতে নৌকা এবং ২টিতে আ-লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

নৌকা প্রতীকে নির্বাচিতরা হলেন, নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে মোঃ হাসেন আলী ৬৪১৭ ভোট, ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নে মোঃ হারুন অর রশিদ হারুন ১২৪৬৩ ভোট, বড়ভিটা ইউনিয়নে আতাউর রহমান মিন্টু ৮১২৯ ভোট এবং ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নে মোহাম্মদ আলী শেখ ৭১১৭ ভোট।

নির্বাচিত বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন, কাশিপুর ইউনিয়নে মোঃ মনিরুজ্জামান মানিক ৭৭৩৭ ভোট এবং শিমুলবাড়ী ইউনিয়নে মোঃ শরীফুল আলম মিয়া সোহেল ৫৯২৫ ভোট।

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর /এমআরবি

হেরে গেলেন ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী দুই সতীন

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে সংরক্ষিত সদস্য পদে পরস্পরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী দুই সতিন আঙ্গুর বেগম ও জাহানারা বেগম পরাজিত হয়েছেন। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দিতাকারী এই দুই সতিনের আসনে পদ্মফুল প্রতীকের প্রার্থী আঞ্জুয়ারা বেগম জয় লাভ করেছেন বলে উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার সদর ইউনিয়নের চন্দ্রখানা বুদারবান্নি গ্ৰামের ফজলু মিয়ার প্রথম স্ত্রী আঙুর বেগম কলম প্রতীক  এবং তৃতীয় স্ত্রী জাহানারা বেগম তালগাছ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দুই স্ত্রী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও স্বামী ফজলু মিয়া সমর্থন দিয়েছেন প্রথম স্ত্রী আঙ্গুর বেগমকে।
ফজলু মিয়া জানান, প্রথম স্ত্রী আঙ্গুর বেগম পেয়েছেন ১ হাজার ৭৮০ ভোট, তৃতীয়  স্ত্রী জাহানারা বেগম পেয়েছেন ১ হাজার ৮ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী আঞ্জুয়ারা বেগম পদ্মফূল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৫ ভোট। তৃতীয় স্ত্রী প্রার্থী না হলে প্রথম  স্ত্রী আঙ্গুর বেগম বিজয়ী হতো বলে তিনি জানান।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মমিনুর আলম বলেন, দুই সতিনের কেউই ভোটে জয় লাভ করতে পারেননি। তবে নারীদের অংশগ্রহণকে আমরা স্বাগত জানাই।

কাউন্সিলর সোহেল হত্যা মামলার দুই আসামীর সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলি বিনিময়

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ গতকাল রাতে ১ টার সময় গোপন সূত্রে সংবাদ পাওয়া যায় যে, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ রায়ের হত্যা মামলার এজহারনামীয় আসামি সহ অজ্ঞাতনামা আসামীরা সংরাইশ এবং নবগ্রাম এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে কোতয়ালি মডেল থানা এবং ডিবি পুলিশের একাধিক টিম আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা শুরু করে।

রাত্রী আনুমানিক ১২.৪৫ ঘটিকায় কোতয়ালি থানার বালুমহল সংলগ্ন সংরাইশ গোমতী নদীর বেড়িবাঁধের নিকটে ডিবি ও থানা পুলিশের টিম পৌঁছালে আসামীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি করতে থাকে। উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। গোলাগুলির একপর্যায়ে কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী পালিয়ে যায়। গুলিবর্ষণ শেষে ঘটনাস্থলে দুইজন ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরবর্তীতে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উক্ত ব্যক্তিদের মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে সন্ত্রাসিদের ছোড়া গুলিতে পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পুলিশ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল তল্লাশি করে উক্ত স্থান হতে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি ৭.৬৫ পিস্তল, একটি পাইপ গান, পিস্তলের অব্যবহৃত গুলি, গুলির খোসা এবং কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়। স্থানিয় জনতা, কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ রায়ের হত্যা মামলার এজহার নামীয় আসামীদের দেখে মৃত এক জনের নাম সাজেন (এজহারনামীয় ৫ নং আসামী) এবং অপরজনের নাম সাব্বির (এজহারনামীয় ৩ নং আসামী) বলে সনাক্ত করে। সরকারি কাজে বাধা, হত্যা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্তে পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।

বগুড়ায় সদর ইউপি নির্বাচনে নির্বাচিত হলেন যারা

নূর মোহাম্মদ সম্রাট, বগুড়া প্রতিনিধিঃ সাবগ্রাম ইউপিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ফরিদ উদ্দিন সরকার। শাখারিয়া ইউপিতে নৌকা প্রতিকে প্রভাষক এনামুল হক রুমি। নুনগোলাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ বদরুল আলম। গোকুলে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউর রহমান। শেখেরকোলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী রশিদুল ইসলাম মৃধা। লাহিরীপাড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জি: আপেল মাহমুদ। নিশিন্দারায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল ইসলাম এবং নামুজা ইউনিয়নে নৌকা প্রতিকে আলহাজ রফিকুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

২টি তে দলীয় প্রতিকে (নৌকা) ৬ টাতে স্বতন্ত্র বিজয়ী।

দেশের প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের ইউপি চেয়ারম্যান ঋতু নিজেকে মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করতে চান

খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধিঃ দেশে প্রথমবারের মতো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় লিঙ্গের নজরুল ইসলাম ঋতু চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের ত্রিলোচনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে হারিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। রোববার তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হন। নির্বাচনে জয়লাভ করার পর তিনি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সমাজের একজন অবহেলিত মানুষ হওয়ার পরেও এলাকার মানুষ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। এ জন্য আমি তাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আমি এখন থেকে মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবো।

ত্রিলোচনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৯ হাজার ৫৫৭ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সানা নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫২৯ ভোট। ঋতু নৌকার প্রার্থীর চেয়ে ৫ হাজার ২৮ ভোট বেশি পেয়েছেন। এছাড়াও তিনি উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ার রেকর্ড গড়েছেন।

আগামীতে তার পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম ঋতু জানান, এই গ্রামে আমার জন্ম। এখানে আমার পরিবার বেড়ে উঠেছে। তাদের পাশে থেকে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের সম্প্রদায়ের ভোটের অধিকার দিয়েছেন। তার অবদানের কথা আমরা কোনও দিন ভুলবো না। আমি ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপ দিতে চাই। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাই যখন শুনি আমার এলাকার কেউ অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না অথবা মেয়ে বিয়ে দিতে পারছেন না। এখন বিজয়ী হতে পেরে এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সহযোগিতা করতে পারবো।

উল্লেখ্য, এর আগে ১৩ নভেম্বর খুলনা জেলার মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ-৬ থেকে প্রথম ট্রান্স জেন্ডার শাহিদা বেগম ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পার্শ্ববর্তী উপজেলা কোটচাঁদপুরে পিংকি খাতুন নামে এক তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি দেশের মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের প্রথম জনপ্রতিনিধির স্বীকৃতি পান।

বি‌ভিন্ন প্র‌ার্থীর কিছু অ‌ভিযোগের মধ্য দি‌য়ে সম্পুর্ন হ‌লো রায়পু‌র ইউ‌পি নির্বাচন

মোঃ জ‌হির হে‌া‌সেন, লক্ষ্মীপুরঃ উ‌দ্বেগ আর উৎকন্ঠা আর শঙ্কার মধ্য দি‌য়ে সম্পুর্ন হ‌লো লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পু‌রের ইউ‌পি নির্বাচন। তৃতীয় ধা‌পের নির্বাচ‌নের প্রথম প্রহ‌র থে‌কে শেষ পর্যন্ত ভোটার উপ‌স্থি‌তি ছি‌লো চো‌খে পড়ার ম‌তো। ত‌বে এর ম‌ধ্যে কিছু সংখ্যক প্রার্থী‌দের অ‌ভি‌যোগ ছি‌লো তা‌দের এ‌জেন্ট‌কে কেন্দ্র থে‌কে বের ক‌রে দেওয়া হ‌য়ে‌ছে, ভোটার‌দের ভোট দি‌তে হয়রা‌নি করা হ‌য়ে‌ছে । ভোটার‌দের বে‌শিরভাগ অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন দীর্ঘসময় দাঁ‌ড়ি‌য়ে থে‌কে ভোট দি‌তে হ‌য়ে‌ছে কে‌হো কে‌হো ব‌লে সকাল আটটায় লাই‌নে এসে প্রয় ৪/৫ ঘন্টা অ‌পেক্ষা ক‌রে ভোট দি‌তে হ‌য়ে‌ছে। র‌বিবার (২৮ ন‌ভেম্বর ) সকালে  ভোট গ্রহণ শুরেু ক‌রে বি‌কেল ৪ টায় শেষ হয়। লক্ষ্মীপু‌রের ২০ ইউপিতে মোট ভোটার সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩২২ জন।

নির্বাচনের পরিস্থিতি সুষ্ঠ ও শৃঙ্খল রাখতে মাঠে ৯ প্লাটুন বিজিবি, ১৮জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, র‍্যাব, পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিযুক্ত ছিল ব‌লে জানা যায়।

রায়পুরের বিভিন্ন ইউনিয়নের কেন্দ্রে ব্যালট পেপার টেনে নিয়ে জাল ভোট,ভোটারদের হুমকি ধমকি, প্রার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেয়া, এজেন্টদের বের করে দেয়া, সাংবাদিকের উপর হামলা সহ ডজনখানেক অভিযোগ উঠেছে।

রামগঞ্জ ও রায়পুরের ২০টি ইউপিতে ১৯২টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ করা হয়। এসব ইউনিয়নগুলোতে চেয়ারম্যান পদে ১৩০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এসব ইউনিয়নের প্রতিটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীর পাশাপাশি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ছিলেন শক্ত অবস্থানে।

এছাড়াও ভোটের আগে গতকাল শনিবার জেলার রামগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার মধ্য ভাদুর এলাকা থেকে ৩১ জনকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটক করা হয়। এসময় একটি এলজি, ৪টি চাপাতি, ৯টি ককটেলসহ দেশীয় আরও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও একই উপজেলার ভোলা কোট ইউনিয়নের লক্ষীধরপাড়া ভোট কেন্দ্র থেকে আজ রবিবার সকাল ১১টার দিকে চাইনিজ কুড়াল ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৭ জন যুবক ও তাদের গাড়িচালককে আটক করে টহলরত বিজিবির সদস্যরা। এ নিয়ে রামগঞ্জে অস্ত্রসহ আট হলেন মোট ৩৯ জন।

উল্লেখ্য,লক্ষ্মীপুর পৌরসভায় মেয়র পদে ৪ জন, ১৫টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৮০ জন ও মহিলা কাউন্সিলর পদে ২০জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।