খাসিয়া সম্প্রদায়ের বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ উৎসব পালিত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: আদিবাসী খাসিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরন অনুষ্ঠান মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাগুরছড়া খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০ টায় শুরু হলেও মূল পর্ব শুরু হয় বেলা ৩টায়। ফুটবল মাঠের একপ্রান্তে বাঁশের খুঁটির উপর প্রাকৃতিক পরিবেশে নারিকেল গাছের পাতার দিয়ে ছাউনী দিয়ে আলোচনা সভার মঞ্চ তৈরি করা হয়। খাসিয়া আদিবাসী ভাষায় ‘খাসি সেং কুটস্নেম’। খাসিয়া আদিবাসী ভাষায় এ অনুষ্ঠানটি হচ্ছে ‘খাসি সেং কুটস্নেম’।

দেশব্যাপি খাসিয়াদের ঐতিহ্যবাহী ‘খাসি সেং কুটস্নেম’ উৎসব (বর্ষবরণ) পুঞ্জিগুলোতে মঙ্গলবার উৎসবের আমেজে উৎসবে মিলিত হয় তারা এই দিনে। বর্ণিত সাজে খাসিয়া সম্প্রদায়ের ছেলে মেয়েরা সাজে। এ উৎসবের মাধ্যমে তাদের বিলুপ্ত প্রায় সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে তুলে ধরা হয়।

আদিবাসী খাসিয়াদের বর্ষবিদায় উৎসবের মূল আকর্ষণ ঐহিত্যবাহী খাসি পোশাক পরে মেয়েদের নাচ-গান, তৈল যুক্ত একটি বাঁশে উঠে উপরে রাখা মুঠোফোন গ্রহণ, দুটি পুকুরে বড়শী দিয়ে মাছ শিকার, তীর ধনুক খেলা, গুলতি চালানো বিভিন্ন ধরণের তাদের নিজস্ব ভাষাতে গান গেয়ে অতিথিদের আনন্দ দেওয়া হয়। বেশ বড় আকারে মেলাসহ নানা আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউপি মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জির মাঠে মাগুরছড়া পুঞ্জির ইয়োথ ক্লাবের উদ্যোগে খাসিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের সভাপতি জিডিসন প্রধান সুচিয়াঙ এর সভাপতিত্বে ও লাউয়াছড়া খাসিয়া পুঞ্জি প্রধান ফিলা পত্মীর সঞ্চালনায় আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মণিপুরী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনন্দ মোহন সিংহ। আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক আকমল হোসেন নিপু, চা শ্রমিক নেতা পরিমল বাড়াইক প্রমুখ।

খাসিয়া আদিবাসী ভাষায় এ অনুষ্ঠানটি হচ্ছে ‘খাসি সেং কুটস্নেম’। চায়ের রাজধানী খ্যাত পর্যটন নগরী মৌলভীবাজারে বসবাস করেন নানা ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষ। এ জনপদে রয়েছে বহুভাষা ও বৈচিত্র্যমন্ডিত সাংস্কৃতিক আবহ। মৌলভীবাজার জেলায় যে কয়টি সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন তার মধ্যে খাসিয়া সম্প্রদায় একটি। এখানের খাসিয়ারা মূলত সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি। তাদের জীবিকার প্রধান উৎস পান চাষ। ভাত ও মাছ তাদের প্রধান খাদ্য। তারা মাতৃপ্রধান পরিবারে বসবাস করে। তাদের মধ্যে কাঁচা সুপারি ও পান খাওয়ার প্রচলন খুব বেশি।. খাসিয়াদের উৎপাদিত পান (খাসিয়া পান নামে পরিচিত) বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয়। এ অঞ্চলের অন্যান্য আদিবাসীর মতো একটি প্রাচীন সম্প্রদায় হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রীতি বজায় রেখে বসবাস করে আসছে। পাহাড়ের পাদদেশে বিভিন্ন টিলা এলাকায় তাদের বসবাস।

দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করলেও তারা অত্যন্ত নিরীহ প্রকৃতির। খাসিয়ারা এক সময় প্রকৃতির পূজারী হলেও বর্তমানে খ্রিস্টান ধর্মালম্বী অনুসরণ করছেন, তবে সিলেটের জৈন্তা এলাকায় কিছু খাসিয়ারা এখনোও প্রকৃতির পূজা করে থাকেন। খাসিয়াদের মাতৃভাষা খাসি, বর্তমানে এদের কোন লিখিত কোনো ভাষা নেই। তবে ধারণা করা হচ্ছে এক সময় তাদের লিখিত ভাষা ছিল কালের বিবর্তনে হারিয়ে গেছে।উৎসব উপলক্ষে খাসি সোশ্যাল কাউন্সিল বিভিন্ন কর্মসূচি ছিলো সেং কুটস্নেম উৎসবের দিনব্যাপী সবাই মিলে মাছ শিকার, ঐতিহ্যগত খেলাধুলা, ঐতিহ্যগত পোশাক পরিধান, সাংস্কৃতিক পরিবেশনাসহ ঐতিহ্যবাহী খাবার খেয়ে তারা আনন্দ ফুর্তি করে নিজেদের সামাজিক সম্পর্কে সুদৃঢ় করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হন। সেং কুটস্নেম উপলক্ষে মঙ্গলবার মাগুরছড়া পুঞ্জির মাঠে বসবে ঐতিহ্যগত মেলা।

বৃহত্তর সিলেটে প্রায় ৮০টির মতো খাসিয়া পুঞ্জি রয়েছে। প্রায় প্রত্যেকটি খাসিয়া পুঞ্জির খাসিয়ারা কমলগঞ্জ উপজেলার মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জির খাসি সেং কুটস্নেম অর্থাৎ বর্ষবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

খাসিয়া সম্প্রদায়ের পাশাপাশি এই বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বাঙালি ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষসহ দেশী-বিদেশী পর্যটকরা অংশগ্রহণ করে থাকেন। তবে মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুভাবের কারণে গত বছর ২০২০ সালে খাসিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান খাসি সেং কুটস্নেম উদযাপিত হয়নি।

বর্ষপুঞ্জি অনুযায়ী ১৫৭ তম বর্ষকে বিদায় ও ১৫৮ তম বর্ষকে বরণ করে নিলো খাসিয়া জনগোষ্ঠী। ব্রিটিশ শাসন আমল থেকে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে ২৩ নভেম্বর খাসি বর্ষ বিদায় ‘খাসি সেঙ কুটস্যাম’ পালন করা হয়। পরদিন ২৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয় খাসি বর্ষ বরণ।

মাগুরছড়া পুঞ্জির মন্ত্রী ও খাসি সোশ্যাল কাউন্সিল এর সভাপতি জিডিশন প্রধান সুচিয়াং জানান, খাসি সেং কুটস্নেম উপলক্ষে এখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

লোহাগাড়ার ৬ ইউপি’তে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আসন্ন ৬ ইউপি নির্বাচনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২৩ নভেম্বর সন্ধায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,বড়হাতিয়া ইউনিয়নে চট্টগ্রাম  দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক বিজয় কুমার বড়ুয়া, চুনতি ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদিন জনু কোম্পানি,চরম্বা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মাষ্টার শফিকুর রহমান,কলাউজান ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ,পুটিবিলা ইউনিয়নে জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক ও পদুয়া ইউনিয়নে  মোঃ হারুন রশীদকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনীত করা হয়েছে।
উল্লেখ্যঃ চতুর্থ ধাপে নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৫ নভেম্বর। বাছাই ২৯ নভেম্বর। আপিল ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর। আপিল নিষ্পত্তি ৩ ডিসেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৬ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ৭ ডিসেম্বর। আর ভোটগ্রহন ২৬  ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনা সদস্যের মৃত্যু

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। নিহত সেনা সদস্যদের নাম শাহাদুজ্জামান শিপন (২৪)। তিনি উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আউয়ালের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে  ৬টার দিকে মোটরসাইকেলে এক আরোহী সহ কিছু মালামাল নিয়ে ভূরুঙ্গামারীর সোনাহাট সেতুর পশ্চিম প্রান্ত থেকে সেতুর মাঝামাঝি স্থানে পৌঁছান শিপন। এসময় সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে একটি পাথরবাহী ট্রাক সেতুর মাঝামাঝি চলে আসে। শিপন ট্রাকটিকে রাস্তা ছেড়ে দিয়ে সেতুর উত্তর পাশে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে যান। ট্রাকটি শিপনকে অতিক্রমকালে মোটর সাইকেলের পিছনে থাকা মালামাল ট্রাকের গায়ে আটকে যায়। এতে শিপন ট্রাকের নিচে পড়ে যান এবং চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, ট্রাকটি আটক করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে ইএসডিও’র সাংস্কৃতিক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরে বেসরকারি সংস্থা ইএসডিও’র অফিসে মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর বিকেলে উপজেলা শিল্পকল একাডেমি ও স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতিকর্মিদের নিয়ে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইএসডিও ম্যানেজার খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহা। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও শিল্পকলা একাডেমির সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, রাণীশংকৈল সংগীত বিদ্যালয় সম্পাদক প্রভাষক সুকুমার চন্দ্র মোদক ও সহ-সম্পাদক প্রভাষক প্রশান্ত কুমার বসাক। এছাড়াও সভায় শিল্পকলা একাডেমির অন্য সদস্য ও আদিবাসি সংস্কৃতিকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন, খায়রুল ইসলাম।
আরো বক্তব্য দেন, শিল্পকলা একাডেমি সদস্য ও শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ সভাপতি জাকারিয়া হাবিব ডন, নাট্যকার জালালউদ্দিন জিল্লু, নৃত্য শিক্ষক সঞ্জীব, যন্ত্রশিল্পি জাহাঙ্গীর আলম  ও সংগীত শিল্পি শিবু বসাক। সঞ্চালনা করেন ইএসডিও কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর আবু কাজেম।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় আদিবাসী সংস্কৃতিকর্মিদের এগিয়ে নেয়ার জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব ও পরামর্শ দেন। পরে, আদিবাসী শিল্পিরা গান, বাঁশি ও নৃত্য পরিবেশন করেন।

থানায় জিডি-অভিযোগ-মামলা এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য কোন টাকা পয়সা লাগে না: মুরাদনগর থানার ওসি

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ থানায় জিডি, অভিযোগ, মামলা ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে কোন টাকা পয়সা লাগে না বললেন কুমিল্লার মুরাদনগর থানার ওসি আবুল হাসিম।              

গতকাল মঙ্গলবার (২৩ নবেম্বর) মুরাদনগর উপজেলার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সামাজিক অবক্ষয়, কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং, বাল্য বিয়ে, কিশোর-কিশোরীদের মোবাইল ব্যবহারে সর্তক হতে হবে।

মুরাদনগর থানার ওসি মোঃ আবুল হাসিম আরও বলেন, মাদকের ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।  হয় মাদক ছাড়ও না হয় মুরাদনগর ছাড়ও। বক্তব্যকালে তিনি বলেন থানায় জিডি-মামলা এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে কোন টাকা পয়সা লাগবে না। 

মৌলভীবাজারে ২০টি ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগরের ২০ টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ড। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) রাতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মনোনয়ন প্রাপ্তরা হলেন-মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আমতৈল ইউপি’তে মো. মখলিছুর রহমান, খলিলপুর ইউপি’তে মো. অলিউর রহমান, মনুমুখ ইউপি’তে এমদাদ হোসেন, কামালপুর ইউপি’তে মো. আব্দুর রহমান, আপার কাগাবলা ইউপি’তে মো. মুজিবুর রহমান, আখাইলকুড়া ইউপি’তে শেখ মো. বদরুজ্জামান চুমু, একাটুনা ইউপি’তে মো. আবু সুফিয়ান, চাঁদনীঘাট ইউপি’তে আখতার উদ্দিন, কনকপুর ইউপি’তে জুবায়ের আহমদ, নাজিরাবাদ ইউপি’তে মো. আশিকুর রহমান, মোস্তফাপুর মো. খসরু আহমেদ ও গিয়াসনগরন ইউপি’তে মো. ছুরুক মিয়া।
রাজনগর উপজেলার ফতেপুর ইউপি’তে মো. বখতিয়ার উদ্দিন, উত্তরভাগ ইউপি’তে মো. সোহেল আলম, মুন্সিবাজার ইউপি’তে ছালেক মিয়া, পাঁচগাও ইউপি’তে মো. সিরাজুল ইসলাম, রাজনগর ইউপি’তে মো. রেজাউল করিম সোহেল, টেংরা ইউপি’তে মোহাম্মদ মাহমুদ উদ্দীন, কামারচাক ইউপি’তে মো. নজমুল হক  ও মনসুরনগর ইউপি’তে মিলন বখত।

রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদ পুকুর মিনি পার্ক হিসেবে রুপান্তর এবং উদ্বোধন

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসনের অর্থায়নে এবং ইউএনও’র নিবির তদারকির মাধ্যমে গত সোমবার ২২ নভেম্বর সন্ধায় পরিষদের সমস্ত পুকুর পাড়ে রাস্তা নির্মাণ, লাইটিংসহ মিনি পার্কের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনূষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও- ২আসনের সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলাম ও ৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর ইসলাম বলেন, সত্যি উপজেলা পরিষদে এরকম একটি মিনি পার্ক তৈরি করায় ইউএন’র প্রশংসা না করে পারা যায় না। ইউএনও’র উদ্যোগে এরকম একটি মহৎ কাজ রাণীশংকৈলবাসী অনেকদিন মনে রাখবে।  পরিষদে আসা অনেকেই এই ৫৩০ মিঃ দৈর্ঘ্য এ রাস্তায় শারীরিক ব্যয়াম, পরিবারকে নিয়ে অবসর সময় কাটাতে পারবে এবং বিভিন্ন জায়গায় স্থাপিত কনক্রিটের তৈরি ছোট ছোট বেঞ্চে বসে বিশ্রাম নিতে পারবে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতার এটি একটি নতুন মাত্রা।

প্রসানের উদ্যোগে এরকম একটি জনকল্যাণকর কাজ সচরাচর চোখে পড়েনা বলে স্থানীয় সুধি সমাজ মনে করেন। তারা আরো বলেন এই পৌরশহরে অবকাশ সময় পার করার মতো কোন স্থান ছিলোনা।  এটি হওয়াতে অনেকেই অনাসয়ে ঘুরে যেতে পারবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সাবেক সাংসদ অধ্যাপক ইয়াশিন আলী, সাবেক মহিলা সংরক্ষিত সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি সেলিনা জাহান নিলটা, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ, আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারি কমিশনার ভূমি ইন্দ্রজিৎ সাহা, ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম,থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল লতিফ শেখ,আ’লীগ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহম্মেদ প্রমুখ।

এ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক বৃক্তিবর্গ ও স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফুলবাড়ীতে ১শ বোতল স্কাফ মাদকসহ অটোরিকশা চালক আটক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১০০ বোতল নেশাজাতীয় ভারতীয় স্কাফ মাদক সহ এক অটোরিকশা চালককে আটক করেছে। আটক ব্যক্তির নাম আনিচুর রহমান (২৯)। তিনি উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ অনন্তপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কবির মামুদ এলাকায় শেখ হাসিনা ধরলা সেতু বাজারে অটোরিকশা তল্লাশি করে চালকের সিটের নিচ থেকে ওই মাদক গুলো উদ্ধার করা হয়। পরে চালক আনিচুরকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে কুড়িগ্রাম জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ রাজীব কুমার রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্রাম সমিতি কানাডার শুভযাত্রা

অত্যন্ত আনন্দঘন ও জাঁকজমকপূর্ন পরিবেশে নন্দন টেলিভিশন কানাডার অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল “চট্টগ্রাম সমিতি কানাডার” শুভ যাত্রার প্রথম প্রহর।

সূর্য ডোবার আগে থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে-মিল্টন, হ্যামিলটন, ওকভিল, কিচেনার, মিসিসাগা, ব্রাম্পটন এমনকি মন্ট্রিল থেকেও চট্টগ্রামবাসীরা সভাস্থলে আসতে শুরু করে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নবীন-প্রবীণের সরব উপস্থিতিতে মুহূর্তেই নন্দন টিভির হলরুম পরিনত হয় কানাডার বুকে ছোট্ট একখন্ড “চট্টগ্রামে”। আড্ডা, হাসি আর উচ্ছ্বাসে মুখরিত হয়ে উঠে সভাস্থল। করণাকালীন বাধ্যবাধকতার কারণে আমন্ত্রিতের সংখ্যা ১৫০ জনে সীমাবদ্ধ থাকায় অনেকেই বাসা থেকে ফেইসবুক লাইভের অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বিশ্বমারির করালগ্রাসে যারা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন তাদের স্মরণে এবং বিশেষ করে ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের আত্মার সদ্গতি কামনা করে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এর পরপরই দুদেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজান হয়।

সভার সভাপতিত্ব করেন কানাডা ও নর্থ আমেরিকায় অনেকগুলো সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াস মিঞা। সূচনা বক্তব্যে সভাপতি সংক্ষেপে “চট্টগ্রাম সমিতি কানাডা ইনকের” লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। উনার বক্তব্যে উনি স্পষ্টভাবেই উল্লেখ করেন “চট্টগ্রাম সমিতি” হবে কানাডায় বসবাসরত সকল শ্রেণী-পেশা-নবীন-প্রবীণ প্রতিটি চট্টগ্রামবাসীর ইচ্ছে-আশা-আকাঙ্খার প্রতিচ্ছবি।

তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-লিঙ্গ বিশেষে সকল চট্টগ্রামবাসীর সমঅংশদারীত্ব এবং মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে এই সংগঠন। এখানে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা সম্প্রদায়ের কোনো বিশেষ প্রভাব বা প্রতিপত্তির কোনো স্থান থাকবে না। সংগঠনের মূল লক্ষ্য হবে কানাডায় বসবাসরত সকল চট্টগ্রামবাসীকে একত্র করে বীর চট্টলার হাজার বছরের ইতিহাস -ঐতিহ্য -সংস্কৃতিকে কানাডা তথা নতুন প্রজম্মের কাছে তুলে ধরার মাধ্যমে একটা গতিশীল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মানবিক ও অসম্প্রদায়িক সংগঠন হিসাবে কানাডার বুকে প্রতিষ্ঠা করা। আর এইটা পরিচালিত হবে আমাদের অভিভাবক সংগঠন “চট্টগ্রাম সমিতি বাংলাদেশের” ভাবাদর্শে এবং অবয়বে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে : বাংলাদেশ থিয়েটার টরোন্টোর প্রতিষ্টাতা সভাপতি বর্ষীয়ান নাট্য ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাবীবুল্লাহ দুলাল, চট্টগ্রাম সমিতি বাংলাদেশের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মারুফ শাহ চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার জয়নাল আবেদীন, ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার তপন বড়ুয়া, আর্কিটেক্ট আকসিন আহমেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাহবুবুল আলম চৌধুরী সাইফুল, চবির প্রাক্তন ছাত্র মানস রক্ষিত, রোটারিয়ান হুসাইনুজ্জামান শামীম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশ বিজিনেস ফোরামের ডিরেক্টর এডমিন মোহাম্মদ হাসান, সংগঠক উজ্জ্বল চৌধুরী, পিল ডিষ্ট্রিক্ট স্কুল বোর্ডের শিক্ষক হাসান তারিক চৌধুরী, তরুন উদ্যোক্তা শাহেদ তাহের, নাঈমা ফেরদৌসী, জর্জ ব্রাউন কলেজের অধ্যাপক ডঃ নুরুল হুদা, অধ্যাপক আনোয়ার সাদত, ডঃ হারুনর রশীদ, ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল হক চৌধুরী শাহীন, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী রুমি খান এবং আরো অনেকেই।

এর পরপরই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পালা। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়াঁকে আহবায়ক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, মেলোডি হোমস এর কর্নধার মনজুর চৌধুরীকে সদস্য সচিব এবং আরিফ রহমানকে কোষাধক্ষ্য করে ৫১ সদস্যের একটা শক্তিশালী আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। উপস্থিত সবাই মূহুর্মূহু করতালি দিয়ে নতুন কমিটিকে স্বাগত জানান। নবনির্বাচিত সদস্য সচিব মনজুর চৌধুরী উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন এবং সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং তার উপর যে গুরু দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে তা যথাযথ ভাবে পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। সভার সভাপতি এবং নবনির্বাচিত আহবায়ক মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়াঁর সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই পর্বের সমাপ্তি হয়।

তৃতীয় পর্বে টরোন্টোর অত্যন্ত পরিচিত মুখ নাট্যকার, অভিনয় শিল্পী ও লেখক তানভী হক সংগীত পরিবেশন করেন। সকলেই উপভোগ করেন।
সমগ্র অনুষ্ঠানে যে বিষয়টি চোখে পড়ার মত ছিল তা হল সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করা এক ঝাঁক তারুণ্যের উপস্থিতি-পরবাসে চট্টগ্রামের পরবর্তী কান্ডারী। তাদের সরব উপস্থিতি আমাদের চমকিত করেছে-সেই সাথে আমাদের করেছে আশ্বস্ত, আশান্বিত এবং মুগ্ধ।

সব শেষে সুস্বাদু রাতের খাবার পরিবেশন করা হয়। সবকিছু মিলিয়ে একটা গোছানো, পরিছন্ন ও উপভোগ্য সন্ধ্যা উপহার দিল” চট্টগ্রাম সমিতি কানাডা ইন্ক”।

<<<চট্টগ্রাম সমিতি কানাডার পূর্নাঙ্গ কমিটি দেখতে ক্লিক করুন>>> 

সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে বন্ধ হলো খেলার মাঠে ভিনদেশী পতাকা উত্তোলন

সিএনবিডি ডেস্কঃ পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ হেরে যতটা না কষ্ট লেগেছে বাংলাদেশের মানুষদের, তারচেয়েও বেশী কষ্ট পেয়েছে  মিরপুর শেরে বাংলার গ্যালারিতে নিজ দেশের লোকেদের হাতে পাকিস্থানের পতাকা ওড়াওড়িতে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফলাফলকে ছাপিয়ে আলোচনার তুঙ্গে ছিল নিজ দেশের পতাকা ছেড়ে পাকিস্তানের পতাকা ও জার্সি নিয়ে এইরকম মাতামাতির ঘটনাটি। দেখা গিয়েছে গুটিকয়েক পাকিস্থানি নাগরিকের পাশাপাশি অনেক বাংলাদেশি নাগরিকও পাকিস্থানের জার্সি পরে পতাকা হাতে উল্লাস করেছে। ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীন সোনার বাংলায় এমন ঘটনা আমাদের জন্য জাতি হিসেবে খুবই লজ্জার এবং অপমানের বিষয়। যদিও এ বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই মিডিয়া আর সোশ্যাল সাইটে তোলপাড় চলছে।

তবে গতকাল সোমবার (২২ নভেম্বর) টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচে স্বচক্ষে গ্যালারির দিকে তাকিয়ে পাকিস্থানের পতাকার ওড়াওড়ি  তেমন একটা দেখা যায়নি। দুই-একজনকে দেখা গেছে যারা পাকিস্থানের জার্সি পরে পতাকা হাতে যারা পাকিস্থানের নাগরিক বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া বিছিন্ন কয়েকটি জায়গায় এরকম দেখা গেলেও তা নগণ্য। কিন্তু গত দুই ম্যাচে পাকিস্থানের বড় পতাকা বা অনেক পতাকা যেমন দেখা গিয়েছে শেষ ম্যাচে তেমনটা দেখা যায়নি।

শেষ ম্যাচ  শুরুর আগে দেখা গিয়েছে স্টেডিয়াম গেটের সামনে ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে কিছু তরুণ। যারা পাকিস্থানি পতাকা নিয়ে স্টেডিয়ামে আসা বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতিরোধের ঘোষণা দেন এবং তারা গ্যালারিতে পাকিস্থানি পতাকা ও জার্সি পরিহিত যে সমস্ত বাংলাদেশি সমর্থক দেখবেন তৎক্ষণাৎ সবাইকে প্রতিহত করবেন বলেন জানায়। ‘পাকিস্থানি দালাল রুখবে তারুণ্য’ ব্যানারে অবস্থান নেওয়াদের মধ্যে একজনকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লক্ষাধিক মা-বোনের আর্তনাদের বিনিময়ে পাওয়া স্বাধীনতা। সেই স্বাধীনতার শত্রু যারা আজও রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমা চায়নি, ক্ষতিপূরণ দেয়নি। যারা আজও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে, তাদের হয়ে এদেশীয় দালাল গোষ্ঠীকে ৭১ এর মতোই প্রতিহত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ আমরা। গ্যালারিতে পাকিস্থানি পতাকা ও জার্সি পরা নির্লজ্জ বাংলাদেশিদের দেখলে এর উচিত শিক্ষা দিতেও আমরা পিছপা হব না।

তাদের বক্তব্য অনুযায়ী সেই রকমই দৃশ্য বাস্তবে দেখা গেল।  যেসকল বাংলাদেশি নাগরিক হাতে করে পাকিস্থানি পতাকা কিংবা জার্সি নিয়ে ঢুকতে যাচ্ছিলেন তাদের দেখামাত্রই সেগুলো তারা খুলে নেন এবং অগ্নিসংযোগ করেন। যার ফলে শেষ ম্যাচে গ্যালারিতে আর চাঁদ-তারা খচিত পতাকা হাতে ও জার্সি পরিহিত বাংলাদেশিদের উল্লাস চোখে পড়েনি।

এছাড়া আসছে আগামী ২৬ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রামে শুরু হতে যাওয়া পাকিস্থানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচেও “পাকিস্থানি দালাল রুখবে তারুণ্য” সগঠনের সবাই জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে একইভাবে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবেন বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের তরুণরাও সংগঠিত হয়ে প্রস্তুত আছেন।