জুড়ীতে ৫টি ইউপি’তে ১টি নৌকা ও ৪ টি স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিজয়

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: দ্বিতীয় ধাপের ইউপি পরিষদ নির্বাচনে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ৫ ইউনিয়নের মধ্যে ১টিতে বিজয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী। ৪টিতেই নৌকার প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন। এখানে ২টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও ২টি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে পাওয়া ফলাফলে জানা গেছে, উপজেলার সাগরনাল ইউপিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুন নূর বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ১৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকে এমদাদুল ইসলাম চৌধুরী লিয়াকত পেয়েছেন ৫ হাজার ২২৭ ভোট।

পূর্বজুড়ী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ওবায়দুল ইসলাম (রুহেল) ঘোড়া প্রতীকে ৪ হাজার ৭৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সালেহ উদ্দিন আহমদ আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৮ ভোট। এই ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী আব্দুল কাদির তৃতীয় হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৫৪১ ভোট।

পশ্চিম জুড়ী ইউপি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনফর আলী ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শ্রীকান্ত দাস নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৩৮ ভোট।

জায়ফরনগর ইউপি’তে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী মাসুম রেজা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৯ হাজার ৪৭৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাবিবুর রহমান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৮ হাজার ১০ ভোট। এই ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী জায়েদ আনোয়ার চৌধুরী তৃতীয় হয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৭১ ভোট।

গোয়ালবাড়ি ইউপি’তে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী আব্দুল কাইয়ুম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের শাহাব উদ্দিন (লেমন) নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৫০৩ ভোট।

গত বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০ ঘটিকার দিকে জুড়ী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান, এই ফলাফল ঘোষণা করেন। ইউপি পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) সিলেট বিভাগের চার জেলার ৪৪টি ইউপি’তে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এসব ইউপি’তে টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রসঙ্গত, উপজেলার ৫টি ইউপি’তে চেয়ারম্যান পদে ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন।

ভাঙ্গনের আতঙ্কে বি এন পিঃ

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হচ্ছে। এই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সকলেই স্বতন্ত্র নয় এদের বেশীর ভাগই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। দলীয় পরিচয়ে নির্বাচন হচ্ছেনা তাই কে কোন দলের এখোনই বলা যাচ্ছে না। বি এন পি নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষনা দিলেও ৮০০ এরও বেশী বি এন পি প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছে। কতজন নির্বাচিত হয়ে আসতে পারে তার উপরই নির্ভর করবে বি এন পি’র পরবর্তী সিদ্ধান্ত।

ইতিমধ্যেই জামাত ইস্যুতে দলের অভ্যান্তরে বিরোধ শুরু হয়েগেছে। মোশারফ হোসেন এবং দুদু প্রাকাশ্যে উষ্মা প্রকাশ করেছেন জামাতের উপর। নেতারাও দলের ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলছেন গনমাধ্যমে। ভারপ্রাপ্ত চ্যয়ারম্যন তারেক রহমানের নেতৃত্ব বিপদে ফেলেছে সিনিয়র নেতাদের। তারেক চায় দুর্বার আন্দোলন কিন্তু জামাত ছাড়া নয়। মাঠ কর্মীরা মাঠে নেই জামাতের কারনে। জোটের নেতারা কথা বলছেন জামাতকে নিয়েই বেশী।

ড. কামাল হোসেনকে বি এন পি বিশ্বাস করে না। আবার ড. কামালও জামাতের সাথে ঐক্য চায়না। দলের পক্ষে কর্মীরা শ্লোগান দিলেও মাঠে নেই তারা। পার্টি অফিসেই হাতাহাতি হয় প্রায়ই। মান্না, রব সাকিরা গলাবাজী করছে কিন্তু শুনছেনা কেউ কারন তাদের দলও নেই- কর্মী বাহিনীও নেই। আবার ডা. জাফরউল্লাহ চান তারেককে সরিয়ে যোগ্য নেতৃত্ব। দলের একাংশ জাফরউল্লার প্রস্তাবের পক্ষে। তবে তারেক সমর্থক দলে ভারী। সমর্থকরাও চায় জামাতকে বাদ দিয়ে বি এন পি এককভাবে আন্দোলন করুক।

কিন্তু দেশের মানুষ চায় শেখ হাসিনাই প্রধানমন্ত্রী থাকুক। মানুষ যা দেখে আর বি এন পি যা বলে তার পার্থক্যটি জনগন এখন বুঝে গেছে ৷ কুমিল্লার ঘটনায় চেষ্টা করেও বি এন পি আন্দোলন জমাতে পারেনি। নতুন কোন হট ইস্যুও নেই বি এন পি’র হাতে নেই। তারেকের বক্তব্য শুনে দলের কর্মীরাই লজ্জায় মুখ ঢাকে। বেগম জিয়ার সমর্থন আছে কিন্তু তারেকের নেই। বি এন পি’কে রাজনীতিতে ফিরতে হলে নেতৃত্ব বদল করতে হবে। তারেক জামাতকে ছাড়বেনা। জামাতের কারনেই বি এন পি এখন ভাঙ্গনের মূখে। নির্বাচনের আগে এমনটি হলে বি এন পি’র ভরাডুবি হবে। দায়টিও এড়াতে পারবেনা তারেক। জামাতের সঙ্গে সম্পর্কটি এখন গলায় বিধেঁ গেছে বি এন পি’র। এই শঙ্কাতেই বি এন পি নেতারা এখন ব্যস্ত।

আজিজুর রহমান প্রিন্স, কলামিস্ট, টরন্টো, কানাডা।

কক্সবাজারে নির্বাচন কেন্দ্রিক সহিংসতায় আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গেলেন সিএমপি কমিশনার

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ গত ১১ নভেম্বর কক্সবাজার জেলার ২ টি পৌরসভা ও ১৪ টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জরুরী সরকারি দায়িত্ব পালনকালে নির্বাচন কেন্দ্রিক সহিংসতায় আহত হন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পাহাড়তলী থানার এস আই/ আক্তার হোসেন এবং সদরঘাট থানায় কর্মরত কন্সটেবল মোঃ আনিসুর রহমান।

এ বিষয়টি জানা মাত্রই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর, পিপিএম কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে যান। তিনি ডিউটি ডাক্তারদের সাথে আলাপকালে আহত পুলিশ সদস্যদের বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এমআরআইসহ যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আহতদের প্রত্যেকেই শংকামুক্ত বলে কর্তব্যরত ডাক্তার কমিশনার মহোদয়কে অবহিত করেন।

এস আই আক্তার হোসেন কক্সবাজার জেলার সদর থানাধীন চপল নন্দী ইউনিয়নের ০৮ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন মহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ডিউটিরত ছিলেন এবং কং মোঃ আনিসুর রহমান খুরুশকুল ইউনিয়নের তেতৈয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্বরত ছিলেন।

জরুরী সরকারি দায়িত্ব পালনকালে আহত পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত কল্পে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সিএমপি কমিশনার জনাব সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর, পিপিএম প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে ৮ ইউপি’র ৬ টিতে নৌকা জয়ী

ঈশাত জামান মুন্না লালমনিরহাট প্রতিনিধি : দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের ৬ ইউপিতে নৌকা, একটিতে আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী প্রার্থী এবং একটিতে সতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাত ৯ টায় উপজেলা নির্বাচন কমিশন ও রির্টানিং কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নে শ্রী কৃষ্ণ কান্ত রায় বিদূর ( নৌকা), মহিষখোচা ইউনিয়নে মোসাদ্দেক হোসেন চৌধুরী ( নৌকা), কমলাবাড়ী ইউনিয়নে মাহমুদ ওমর চিশতী ( নৌকা), ভেলাবাড়ি ইউনিয়নে মোহাম্মদ আলী ( নৌকা), দূর্গাপুর ইউনিয়নে আসাদুজ্জামান নান্নু ( নৌকা) , সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়নে আলহাজ্ব আব্দুস সোহরাব (নৌকা), সারপুকুর ইউনিয়নে একেএম হুমায়ূন কবির আওয়ামী বিদ্রোহী ( মোটরসাইকেল) এবং পলাশী ইউনিয়নে আলাউল ইসলাম ফাতেমি পাভেল ( সতন্ত্র (ঘোড়া) প্রার্থী হিসাবে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

আদিতমারী উপজেলার ৮ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এবারে ভোটারের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সকাল ৮ টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪ টা প্রযন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কুলাউড়ায় ইউপি নির্বাচনে জাতীয় পার্টি নিখোঁজ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কোনো প্রার্থী নেই জাতীয় পার্টির (জাপা)। গত ২রা নভেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে জাপার কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি। বড়লেখায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাশাপাশি জাপারও রয়েছে ভোট ব্যাংক। তাদের এখানকার কমিটিও সক্রিয়। তারপরেও জাপার কেউ প্রার্থী না হওয়ায় জনমনে নানা আলোচনা, জল্পনা চলছে।

বড়লেখার ১০ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ৫৬ জন চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দলীয়ভাবে নির্বাচনে না এলেও স্বতন্ত্র মোড়কে ভোটে অংশ নিচ্ছেন বিএনপি ও জামায়াতের অনেকে। জানা গেছে, ১৯৯১ সালে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে জাপা থেকে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন এবাদুর রহমান চৌধুরী। সে হিসেবে বড়লেখায় পার্টির একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে। তারপরেও তারা ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী না দেওয়ায় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে জনমনে।

তবে উপজেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক বাবরুল হোসেন রিয়াজ বলেছেন, দলে কোনো যোগ্য প্রার্থী না থাকায় এবং নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা না থাকায় আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি না।

বগুড়া শেরপুর থানার ওসির মোবাইল নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার চেষ্টা

নূর মোহাম্মদ সম্রাট, বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলামের সরকারি মোবাইল নম্বর ক্লোন (স্পুফিং) করে প্রতারণা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (১০নভেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম নিজেই।

তিনি জানান,শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এর সরকারি মোবাইল নম্বর ০১৩২০ ১২৬৭৯৯ ক্লোন/স্পুফিং করে প্রতারকেরা বিভিন্ন জনকে ফোন করতেছে। সবাইকে সর্তক থাকার জন্য অনুরোধ করছি।

এদিকে বগুড়া জেলা পুলিশের ফেসবুকে জানানো হয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সামনে রেখে পুলিশে সরকারি নম্বার স্পুফিং করে বিভিন্ন প্রার্থীর মোবাইল নম্বরে প্রতারকরা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা চেয়ে কল করছে মর্মে কয়েকজন প্রার্থী আমাদের জানিয়েছেন।

এমতাবস্থায় প্রার্থী বা তার সমর্থক পুলিশের কোন সরকারি নম্বর থেকে কল পেয়ে থাকলে তা যথাযথভাবে যাচাই করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

নওগাঁর আত্রাইয়ে কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার(১০ নভেম্বর) সকাল এগারো টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে আট ইউনিয়নের চার হাজার দুই শত জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে, ভূট্টা, সরিষা, খেসারী, মসুর, গম, পিঁয়াজ, বাদাম, সূযমূখী, মূগ ফসলের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।

আত্রাই উপজেলা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে কৃষি পূর্নবাসন সহায়তা খাত হতে প্রণোদনা কর্মূসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজবিতরণের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ এবাদুর রহমান প্রামানিক, ষভাপত্বি করেন উপজেলা নিবাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ কেএম কাওছার হোসেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি কামাল উদ্দিন টগর, উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার কেরামত আলীসহ কৃষি সম্প্রসারন অফিসার,উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন অফিসার, উপ-সহকারী অফিসারসহ আট
ইউনিয়নের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ কেএম কাওছার হোসেন জানান, উপজেলার আট ইউনিয়নের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক
কৃষকদের মাছে কৃষি উপকরণের মধ্যে এক কেজি করে সরিষাবীজ, দশ কেজি ডিএফপি ও দশ কেজি হারে এমওপি,ভূট্টা বীজ দুই কেজি, ডিএফপি বিশ কেজি এমওপি দশ কেজি, খেসারী বীজ আট কেজি ডিএফপি দশ কেজি এমওপি পাঁচ কেজি, মসুর বীজ পাঁচ কেজি ডিএফপি দশ কেজি,মসুর বীজ পাঁচ কেজি ডিএফপি দশ কেজি এমওপি পাঁচ কেজি, গম বীজ বিশ কেজি, ডিএফপি দশ কেজি এমওপি দশ কেজি, পিঁয়াজ বীজ বিশ কেজি এক কেজি ডিএফপি দশ কেজি এমওপি দশ কেজি করে মোট চার হাজার দুইশত জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক ১জন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থানাধীন পৌরসভাস্থ ৮ নং ওয়ার্ড হবিগঞ্জ রোড নুর ফুডসের সংলগ্ন রোজ মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা করে দিত আনুমানিক পৌনে ১২ ঘটিকার সময় সোহেল মিয়া (২৬) নামক এক জনকে ইয়াবা সহ আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তির নিকট হতে ৫৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে সোহেল’কে গ্ৰেপতার করা হয়। জানা যায়,  জালালিয়া রোড়ের বাসিন্দা মৃত আনিছ মিয়ার ছেলে সোহেল।
সোহেল মিয়ার নামে শ্রীমঙ্গল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ১৮ তারিখ (১০ নভেম্বর) ধারা ২০১৮ ইং সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর ১০(ক) ধারায় মামলা রুজু করে মৌলভীবাজার আদালতে প্রেরন করা হয়।
এর সত্যতা নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করি, শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের তদন্ত ওসি হুমায়ূন কবীর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং আসামী সোহেল কে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

ফুলবাড়ীতে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে এলাকার জনসাধারণের সাথে সচেতনতামুলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শিমুলবাড়ী বিট পুলিশিং ও আরডিআরএস বাংলাদেশের বিল্ডিং বেটারফিউচার ফর গার্লস ( বিবিএফজি) প্রজেক্টের আয়োজনে এবং সিডা ও প্লান ইন্টারন্যাশনাল এর অর্থায়নে  বুধবার সকাল ১১ টায় উপজেলার সোনাইকাজি এলাকায় এ সভা  অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় শিমুলবাড়ী বিট পুলিশিং অফিসার এস আই মিলন, বিবিএফজি প্রজেক্টের ফুলবাড়ী উপজেলা কো-অর্ডিনেটর ঝরনা বেগম সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকার শতাধিক নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

বগুড়া শেরপুরে ইউপি নির্বাচনে ৪৮ কেন্দ্রই ঝুঁকিপুর্ণ

নূর মোহাম্মদ সম্রাট, বগুড়া প্রতিনিধিঃ দ্বিতীয়ধাপে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন আজ ১১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে সর্বমোট ১০৯টি কেন্দ্রের মাঝে ৪৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপুর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

শেরপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোছা. আছিয়া খাতুন জানান, নির্বাচনে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহনের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার ১০৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৮টি গুরুত্বপুর্ণ এবং ৬১টি সাধারণ ভোটকেন্দ্র হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশ্বস্তসুত্রে জানা গেছে, ঝুঁকির্পুণ কেন্দ্রের মধ্যে সুঘাট ও শাহবন্দেগী ইউনিয়নে ৭টি করে ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া সর্বনিন্ম ৪টি করে ঝুঁকিপুর্ণ কেন্দ্র ধরা হয়েছে খানপুর ও মির্জাপুর ইউনিয়নে। ভবানীপুরে ঝুঁকিপুর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৬টি। এছাড়া কুসুম্বী, খানপুর, বিশালপুর ও সীমাবাড়ী ইউনিয়নে ঝুঁকিপুর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ৫টি করে।

শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) দেবাশীষ রায় জানান, শেরপুর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শান্তিপুর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য দুই প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হবে।

প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশের একটি মোবাইল টিম কাজ করবে। তাছাড়া সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৭ জন আনসার ও ৪জন পুলিশ সদস্য আইনশৃংখলা রক্ষার দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া গুরুত্বপুর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৭জন আনসার ও ৫ জন পুলিশ সদস্য থাকবেন।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নির্বাচনের দিন আইনশৃংখলা রক্ষায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩৯জন, সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য পদে ১০৬জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ২৯৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এতে সর্বমোট ২ লাখ ১০ হাজার ৫৬৬জন ভোটার ১০৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিবেন বলে আশা করা হচ্ছে।