অটোরিক্সার লোভে নির্মম হত্যার শিকার অটোরিক্সা চালক মেহেদী হাসান

নূর মোহাম্মদ সম্রাট, বগুড়া প্রতিনিধিঃ টিম ডিবি বগুড়া’র অভিযানে সারিয়াকান্দি প্রেম যমুনার চরের চাঞ্চল্যকর অটোরিক্সা চালক মেহেদী হাসান হত্যার ৭২ ঘন্টার মধ্যে মূল রহস্য উদঘাটন, হত্যাকান্ডে জড়িত ৩ আসামী গ্রেপ্তারসহ মৃত মেহেদীর ব্যবহৃত অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ৩১/১০/২০২১ খ্রিঃ সারিয়াকান্দি থানাধীন প্রেম যমুনা চরে জেলেরা মাছ ধরতে গেলে একটি মৃত দেহ দেখতে পায় এবং বিষয়টি তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে সারিয়াকান্দি থানা পুলিশকে অবহিত করে। সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে মেহেদীর মৃত দেহ উদ্ধার, পরিচয় সনাক্তকরণ এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করে।

উল্লেখিত বিষয়ে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি থানার মামলা নং-১৭, তাং-৩১/১০/২০২১ ইং, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড এর প্রেক্ষিতে বগুড়া জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী বিপিএম সেবা মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জনাব আলী হায়দার চৌধুরী এর তত্ত্বাবধানে ০২/১১/২০২১ খ্রিঃ বিভিন্ন সময়ে নিখুত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি বগুড়া’র ইনচার্জ মোঃ সাইহান ওলিউল্লাহ এর নেতৃত্বে ডিবি বগুড়া’র একটি চৌকস টিম বগুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকান্ডের সাথে সরাসরি জড়িত তদন্তে প্রাপ্ত ৩ আসামীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- ১। মোঃ শাকিব হাসান (২৪), পিতা মৃত মোখলেছার রহমান, মাতা মোছাঃ নাজমা খাতুন, সাং নারুলী মধ্যপাড়া সুলতান পট্রি (শহিদুল এর বাসার ভাড়াটিয়া) থানা ও জেলা বগুড়া, ২। মোঃ আপেল প্রাং (২০), পিতা মোঃ ছালাম প্রাং, মাতা মোছাঃ মুগলী বেগম, সাং সাবগ্রাম কুরশাপাড়া, থানা ও জেলা বগুড়া এবং ৩। মোঃ সোহেল রানা (২৩), পিতা মোঃ নুর আলম, মাতা মোছাঃ বুলি বেগম, সাং নারুলী মধ্যপাড়া (ভাড়াটিয়া), থানা ও জেলা বগুড়া, স্থায়ী সাং কামারপাড়া, থানা ও জেলা গাইবান্ধা।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের কাছ থেকে- ১। একটি ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সা। (যা মৃত মেহেদী হাসানের ব্যবহৃত) ও ২। একটি SYMPHONY মোবাইল ফোন (যা মৃত মেহেদী হাসানের ব্যবহৃত) উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত তদন্তে প্রাপ্ত আসামিগণ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান যে, মৃত মেহেদী হাসান (২৫) বগুড়া শহরে ব্যাটারী চালিত অটো চালাইয়া জীবিকা নির্বাহ করে। পূর্বেই আসামীগণ অটো রিক্সাটি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে। সেই পরিকল্পনা মোতাবেক ঘটনার দিন তারা পরস্পর যোগসাজসে ইং ৩০/১০/২০২১ তারিখ দুপুর অনুমান প্রায় ১২.৩০ ঘটিকার সময় বগুড়া চেলোপাড়াস্থ চাষীপাড়া ব্রিজের উপরে মেহেদী হাসানকে আসামী শাকিব হাসান মোবাইল ফোনে ডেকে আনে। ঐ ব্রিজের উপর হইতে আসামী শাকিব হাসান ও আপেল প্রাং মেহেদী হাসানের তিনচাকা বিশিষ্ট ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সায় উঠে এবং আসামী শাকিব হাসান মোবাইলে আসামী সোহেলের সাথে যোগাযোগ করে সাবগ্রাম বাইপাস মোড় গামী রোডে জাহাঙ্গীরের চা ষ্টলের সামনে হতে তাকে উঠিয়া নিয়ে যায়।
পরে গ্রেফতারকৃত তদন্তে প্রাপ্ত-১। মোঃ শাকিব হাসান, ২। মোঃ আপেল প্রাং, ৩। মোঃ সোহেল রানা-গন মেহেদী হাসান সহ সারিয়াকান্দী প্রেম যমুনার ঘাটে অটো রিক্সা রেখে নৌকা যোগে নদী পার হয়ে সারিয়াকান্দী থানাধীন যমুনা নদীর পশ্চিম পার্শ্বে চরে দিঘলকান্দী মৌজাস্থ জনৈক মোঃ আমিরুল ইসলাম, পিতা মৃত আনার আকন্দ, সাং দিঘলকান্দী এর ধান ক্ষেতের পশ্চিমে চরে পাথারের নল ঝাড় সংলগ্ন পূর্ব পার্শে ফাঁকা জায়গায় বিভিন্ন আলাপ আলোচনা করতে থাকাকালে উল্লেখিত আসামীগন পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বেলা প্রায় ১৪.৫০ ঘটিকার সময় ধারালো চাকু দিয়ে মেহেদী হাসানের গলায়, মুখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যপুরি ছুড়িকাঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
হত্যার পর তাহারা মেহেদী হাসানের ব্যাবহৃত মোবাইল ফোন ও ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সাটি নিয়ে বগুড়ায় চলে আসে। ১নং আসামী শাকিব হাসান শহরের বিভিন্ন স্থানে উক্ত অটো রিক্সাটি বিক্রয়ের জন্য চেষ্টা করে। কিন্ত বিক্রি করিতে না পারায় বগুড়া জেলার সদর থানাধীন চকসূত্রাপুর কসাইপাড়াগামী সোলিং রাস্তার পার্শ্বে হইতে ১নং আসামী শাকিব হাসানের দেখানো মতে উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে ১নং আসামী শাকিব হাসানকে আরো ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সদর থানাধীন নারুলী মধ্যপাড়াস্থ ভাড়া বাসার টিন সেট ঘরের মধ্যে বালিশের নিচ হইতে আসামীর নিজ হাতে বাহির করিয়া দেওয়া মতে মৃত মেহেদী হাসানের ব্যাবহৃত একটি সিম বিহীন SYMPHONY মোবাইল সেট উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। ধৃত আসামীগণ কুখ্যাত ছিনতাইকারী।
উল্লেখ্য যে, আসামি মোঃ শাকিব এর বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির ১টি, আসামী মোঃ আপেল এর বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় অস্ত্র ও ডাকাতির প্রস্তুতি মামলাসহ ২টি এবং আসামী মোঃ সোহেল এর বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির ২টি মামলা আছে।
এছাড়া, ২ জন আসামি বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

রাণীশংকৈলে ইউপি নির্বাচনে আ’লীগের ৩ বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী বহিষ্কৃত

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় ইউনিয়ন আ’লীগ সহ-সভাপতি আকবর আলী মাস্টার, নেকমরদ ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেন মাস্টা ও উপজেলা আ’লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক লেহেম্বা ইউনিয়নের রওশন আলী এই ৩ বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীকে বহিষ্কার করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

এই সাথে ধর্মগড় যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রিপন, উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খালেকুজ্জামান রয়েল ও একই ইউনিয়নের শ্রমিক লীগ নেতা তাহের আলীকে বহিষ্কারের সুপারিশ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

জেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এ বহিষ্কারের চিঠি গতকাল ৪ নভেম্বর উপজেলা আ’লীগ কমিটির কাছে আসে। ঐদিন রাতেই উপজেলা আ’লীগ এক সাধারণ সভায় বহিষ্কারের বিষয়টি অবহিতকরণসহ প্রত্যেককে চিঠি পাঠায়। এ বিষয়ে জেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায় বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কেন্দ্রীয় নির্দেশের আলোকে ৩ আ’লীগ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং সহযোগী সংগঠনের অপর ৩ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন এ চিঠি প্রাপ্তির তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

বগুড়ার ধুনটে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

নূর মোহাম্মদ সম্রাট, বগুড়া প্রতিনিধিঃ আসন্ন তৃতীয় ধাপে দশম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী বগুড়ার ধুনট উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের মনোনয়নপত্র বাছাইয় পড়বে ৩ টি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। গেল কয়েকদিন আগে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তফশীল অনুযায়ী ৪-ই নভেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ধুনট উপজেলার ১০মোট টি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দিতার জন্য চেয়ারম্যান পদে ৬০ জন প্রার্থী, ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ১২৮জন প্রার্থী এবং ইউপি সাধারণ সদস্য পদে ৪০৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

তাদের মধ্যে ২নং কালেরপাড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত ১,২,৩, ওয়ার্ডের নারী আসনে মোছা: দিপালী খাতুন, ধুনট সদর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের শাহেদ আলী ও ৪ নং গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মহাসিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

ধুনট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ মোকাদ্দেছ আলী জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ১১ নভেম্বর এবং ১০ টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহন হবে আগামী ২৮ নভেম্বর।

বিপন্ন প্রায় “ডাহুক পাখি” উদ্ধার করে অবমুক্ত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মাঝারি আকৃতির জলের পাখি ডাহুক। ডাহুক খুব সতর্ক পাখি। আত্মগোপনে পারদর্শী। এই পাখিটি খুব ভীরু বলেই সুন্দর এত? পুকুর, খাল, জলাভূমি, বিল, নদীর পাড়ের গর্ত তাদের বসবাসের জন্য প্রিয় স্থান। তবে দ্রুত নগর বিস্তৃতির ফলে হারিয়ে যাচ্ছে সুন্দর এই পাখি।

দুই দশক আগেও মৌলভীবাজার জেলার হাওর-বাওর, খাল, বিল-ঝিল, ডোবা, নালা-দীঘির পাশের ঝোপঝাড়ে দল বেঁধে বাস করতো ডাহুক পাখি।গ্রামাঞ্চলের পুকুর পাড়ের ঝোপঝাড়ে সন্ধ্যেবেলা ডাহুকের ডাক শোনা যেত। গভীর রাতেও ডাহুকের ডাকে অনেকের ঘুম ভাঙতো। তবে আজকাল আর ডাহুকের কণ্ঠ শোনা যায় না। একসময় বর্ষা ও শরতে ডাহুকরা বাড়ির গৃহপালিত হাঁস মুরগির সঙ্গে বেড়াতো। এখন আর তাদের আনাগোনা চোঁখে পড়ে না, তেমন দেখা পড়ে না। ডাহুক পাখি এখন হারিয়ে যেতে শুরু করেছে।

বর্ষাকাল এদের প্রজনন ঋতু। এসময় তারা বাসা করে পানির কাছেই ঝোপ ঝাড়ের ভেতরে অথবা ছোট গাছের ঝোপযুক্ত ডালে। নিরাপত্তা ঠিকঠাক থাকলে মাটিতেও বাসা করে এই পাখি। ৫-৭টি ডিম পাড়ে এরা, ডিমের রং ফিঁকে হলুদ বা গোলাপি মেশানো সাদা। ডাহুক-ডাহুকি দু’জন মিলেই ডিমে তা দেয়। বাচ্চার রং সব সময় হয় কালো। ডিম ফোটে প্রায় ২১-২৪ দিনে। আর ২৪-৩০ ঘণ্টা পরই বাচ্চারা বাসা ছাড়ে।

মাস তিনেক পরে বাচ্চারা আলাদা জীবন বেঁচে নেয়। প্রজননের সময় একটি পুরুষ ডাহুক অন্য একটি পুরুষ ডাহুককে সহ্য করতে পারে না। দেখলেই তারা মারামারি করে। এই পাখি লড়াকু প্রকৃতির। ডাহুকের প্রিয় খাদ্য জলজ পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ। এছাড়াও শাপলা-পদ্ম ফুলের নরম অংশ, কচি পানিফল, জলজ শেওলা, লতাগুল্মের নরম অংশ, ধান, কাউন, ডাল, সরিষা, শামুক, কেঁচো, জোঁক, মাছ, ছোট মাছ, শাকসবজি ও ফল খেয়ে থাকে।

পাখিটি বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এরা বিস্তৃত, প্রায় ৮৩ লাখ ৪০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এদের আবাসস্থল। তবে বর্তমানে তাদের আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। খাদ্য সংকট ও প্রজননকালীন সময়ে শিকারীদের উৎপাতসহ নানা কারণে হারিয়ে যাচ্ছে পরিবেশবান্ধব এ প্রজাতির পাখি। শিকারিদের হাত থেকে শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাচ্ছে না গভীর বনজঙ্গলে বসবাসকারী ডাহুকগুলো।

সম্প্রতি আই.ইউ.সি.এন এই প্রজাতিটিকে নুন্যতম বিপদগ্রস্থ বলে ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে ২০১২ সালে এ প্রজাতিটিকে সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত ধংশ করা হচ্ছে এদের আবাসস্থল। শিকারের কারণে বিলুপ্ত প্রায় এই ডাহুক পাখি। ডাহুক পাখি (বৈজ্ঞানিক নাম: Amaurornis phoenicurus) গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২ টার দিকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের কলেজ রোডে চোঁখে পড়ে পাখিটি ছটফট করতে দেখে এগিয়ে গিয়ে উদ্ধার করি নিজেই। উদ্ধার এরপর সযত্নে পাখিটি রাখি এবং বুঝতে পারি বৈদ্যুতিক তারের সাথে শক লেগে পড়ে যায়। পাখিটির ২ দিন দেখা শুনা করে।

গেল বুধবার (৩ নভেম্বর) রাতে Stand For Our Endangered Wildlife (S E W) সোহেল শ্যাম ও খোকন থৌনাউজম সংগঠনের ফাউন্ডার বন্য প্রাণী সংরক্ষণ করে এই সংগঠনটি। সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক সোহেল শ্যাম’কে সংবাদদাতা আমি নিজে ফোন করে খবর দিলে ডাহুক পাখিটি সংগঠনের নিকট হস্তান্তর করি।

পরে বৃহস্পতিবার (৪ ঠা নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ও বন্য প্রাণী গবেষক আমিনুর রহমানের উপস্থিতিতে ও সাথে ছিলেন Stand For Our Endangered Wildlife (S E W) সোহেল শ্যাম ও খোকন থৌনাউজম বিকেলে সবুজ বাগ এলাকায় হাওড় অঞ্চলে ডাহুক পাখিটি সুস্থতার সহিত অবমুক্ত করা হয়েছে।

রাণীশংকৈল মহিলা ডিগ্রী কলেজে নতুন ৪ তলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তিস্থাপন

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈল মহিলা ডিগ্রী কলেজে রবিবার ৭ নভেম্বর দুপুরে নতুন ৪ তলা ভবনের ভিত্তি স্থাপনের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় সাংসদ জাহিদুর রহমান। এ সময় কলেজ সভাপতি, উপাধক্ষ্য, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসহ শিক্ষক- কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে কলেজ চত্বরে গভর্নি বডির সভাপতি অধক্ষ্য  সইদুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও- ৩ আসনের সংসদ সদস্যর জাহিদুর রহমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, অধ্যক্ষ হাসান আলী নবাব ও জাপা সভপতি এজেড সুলতান, বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে গন্যমান্য ব্যক্তি, জিবি সদস্য, শিক্ষক প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত  ছিলেন। আরো বক্তব্য রাখেন – শিক্ষক প্রতিনিধি সাদেকুল ইসলাম, শিক্ষক আবু শাহানশাহ ইকবাল,জাপা নেতা ইসাহাক আলী, জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপি নেতা অধ্যাপক শাহজাহান আলী, শাহাদত হোসেন, পান্না বিশ্বাস, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজা বেগম,উপাধ্যক্ষ মহাদেব বসাক, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম। বক্তারা তাদের বক্তব্যে মহিলা কলেজের সার্বিক উন্নয়নে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে কলেজের উন্নয়নে যথাসাধ্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় রবিবার ৭ নভেম্বর প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় কৃষাণ-কৃষাণীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।

এ উপলক্ষে এদিন সকাল ১১ টায় কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহা, ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাবের আলম ও প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মচারী, কৃষাণ-কৃষাণী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বর্তমান আ’লীগ সরকারকে কৃষি ও কৃষক বান্ধব বলে উল্লেখ করে তাদেরকে দেয়া বীজ ও সারের যথাযথ ব্যবহারের আহবান জানান। বিতরণ কর্মসূচির সঞ্চালনা করেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম।

পরে উপস্থিত কৃষক-কৃষাণীদের প্রত্যেককে ১ কেজি করে সরিষা বীজ, ১০ কেজি করে ড্যাব ও ১০ কেজি করে পটাশ সার বিতরণ করেন।

নওগাঁয় প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিভিন্ন রবি ফসলের জন্য বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরন

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে রবি মওসুমের বিভিন্ন ফসল চাষের জন্য বিনা মুল্যে বীজ ও সার বিতরন করা হয়েছে। রবিবার বেলা সাড়ে ১২টায় নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সদর উপজেলার ৪শ জন কৃষকের মধ্যে এসব বিতরন করেন।

অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার ৪শ প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে প্রত্যেককে ১ বিঘা জমির অনুকুলে গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, মশুর ডাল ও খেসারী ডালের বীজ এবং প্রয়োজনীয় ডিএপি ও এমওপি সার বিতরন করা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন গম চাষীদের জন্য ২০ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি, ভুট্টাচাষীদের জন্য ২ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি, সরিষা চাষীদের জন্য ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি, সূর্যমুখী চাষীদের ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি, মশুর ডাল চষীদের ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি এবং খেসারী চাষীদের ৮ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি বিতরন করা হয়।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর্জা ইমাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এসব বিতরন অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান ইলিয়াস তুহিন রেজা, মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান শাহনাজ আখতার নাইস এবং উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

রাণীশংকৈলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ শুরু

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ “মুজিব বর্ষে শপথ করি, দুর্যোগে জীবন-সম্পদ রক্ষা করি” – এ শ্লোগান নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বৃহস্পতিবার ৪ নভেম্বর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

এ উপলক্ষে এদিন সকাল ১১ টায় পৌর শহরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন চত্বরে এক উদ্বোধন ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই স্টেশন অফিসার নাছিম ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার( ভূমি)
ইন্দ্রজিৎ সাহা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জাহেরুল ইসলাম, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহাজামাল আলী।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে সিভিল ডিফেন্স কর্মি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সেবা কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। পরে এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লাহ, হাটবাজার, সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জনসচেতনতামূলক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

উজানচর কে এন উচ্চবিদ্যালয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান

মো.নাছির উদ্দিন, বাঞ্ছারামপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার স্বনামধন্য ঐতিহ্যবাহী উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয়ে এস এস সি ২০২১ ব্যাচের পরীক্ষার্থীদের বিদায়  অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এর  মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উজানচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কাজী জাদিদ আল-রহমান জনি। প্রধান শিক্ষক তপন চন্দ্র সূত্র ধর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য বৃন্দ।

প্রধান শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের উদ্যেশে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের জন্যে সামনের দিনগুলিতে পরীক্ষার জন্য কিভাবে নিজেকে প্রস্তুতি করবে, সে বিষয়ে গুরত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন ২০১৭ সাল থেকে বিগত চার বছর যাবৎ কৃতিত্বের সহিত শতভাগ পাঁশের গৌরব অর্জন করে আসছে আমি বিশ্বাস করি বরাবরের মতো এবছর ও শতভাগ পাঁশের মাধ্যমে ধারাবাহিতা অক্ষুণ্ণ রাখবে। বক্তারা শিক্ষার্থীদের উজ্জল ভবিষ্যত কামনা করে বলেন, তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ। সামনে তোমরাই দেশের হাল ধরবে। সবাই ভালো ভাবে পরীক্ষা দেবে। এখান থেকেই দৃঢ় মনোবল নিয়ে নিজেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য মো.তাজুল ইসলাম ছোট তাজ ছাত্রছাত্রীদের উদ্যেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। এই সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবক,বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্হিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,১৪ই নভেম্বর  থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৭১জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। ছাত্র-৫৩,ছাত্রী-১১৮ জন। এতে মানবিক বিভাগে ছাত্রী-৯৮,ছাত্র ১৪ মোট-১১২,ব্যবসায়ী শিক্ষা – ছাত্র ৩০,ছাত্র ৯ মোট ৩৯। বিজ্ঞান বিভাগে-ছাত্র ৯,ছাত্রী ১১ মোট ২০জন।

অনুষ্ঠান শেষে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের নিজস্ব অর্থ থেকে বিদায়ী পরীক্ষার্থীদের, পরীক্ষার প্রস্তুতি মূলক সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।

কেন?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি প্রশ্ন রেখেছেন, জনগন কেন বি এন পি’কে ভোট দিবে! এর পর থেকেই বি এন পি মরিয়া হয়ে আন্দোলনের চেষ্টা চালাচ্ছে। আন্দোলন করার অধিকার সবারই আছে। যে কেউ সরকারের সমালোচনা করতে পারে। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নটি কি আসলেই অযুক্তিক? জনগন সরকারের কাছে দেশের উন্নয়ন প্রত্যাশা করে। বি এন পিও সরকার পরিচালনা করেছে দুই মেয়াদের একটু বেশী। তারা কি জনগনের সেই প্রত্যাশা পুরন করতে পেরেছে? সাফল্য দাবী করে সব সরকারই কিন্তু তথ্য কি বলে? প্রথম মেয়াদে বি এন পি খুব খাড়াপ করেনি। কিন্তু ক্ষমতায় টিকে থাকতে যে ষরযন্ত্রটি করেছে, জনগন তা মেনে নেয়নি। ২০০১ সালের নির্বাচন ছিল সম্পুর্নভাবে পরিকল্পিত এবং নির্বাচনের পরে সংখ্যালুঘুদের উপর যে নির্যাতন হয়েছে তা ছিল অমানবিক। ২০০১ সালে বি এন পি সরকারের অব্যবস্থাপনা আর দুর্নীতি দেশে যে ক্ষতি করেছে তা অন্য কোন সরকারের আমলে হয়নি। সব রেকর্ডই আর্কাইভে রয়ে গেছে। হাওয়া ভবনের নৈরাজ্য ছিল মানুষের মুখে মুখে।

বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা কোথায়? নির্বাচন বার বার প্রত্যাখ্যান করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় যাওয়ার পথ পরিস্কার করে দিয়েছে বি এন পি। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও প্রচারনা না চালিয়ে বলেছে নির্বাচন সুষ্ঠু হবেনা। এই প্রচারনায় বিশ্বাস করে বি এন পি সমর্থকরা ভোট কেন্দ্রে যায়নি। নির্বাচনকে ভোট বিহীন প্রমান করতে বি এন পি’র কৌশলটি ব্যর্থ হয়েছে। সঙ্গতভাবেই ভোট যা পরেছে তা আওয়ামী লীগের বাক্সেই পরেছে বেশী। বিজয়ী হয়েও মির্যা ফখরুল শপথ নেননি। নতুন শ্লোগান তুলেছেন রাতে ভোট হয়েগেছে। যদি প্রমান থাকে তাহলে আদলতে গেলনা কেন বি এন পি?

সত্যটি হল, উন্নয়নের দৃশ্য দেখে বি এন পি’র ভোটারও নৌকায় ভোট দিয়েছে। ১২ বছরে বি এন পি একটি যৌক্তিক আন্দোলনও জমাতে পারেনি। দপ্তরে বসে সব্ধায় বিবৃতি দেওয়া ছাড়া কোন ভূমিকাও ছিলনা তাদের। নিস্কৃয় দলটির প্রধান শক্তি এখন জামাত। জামাতের অর্থে লালিত বি এন পি এখন জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে নেমেছে। জামাতের অনুদান বন্ধ হলে অফিস ভাড়াও দিতে পারবেনা বি এন পি। লোকবালও সাপ্লাই করছে জামাত। বিষয়টি নিয়ে বি এন পি’তেও মতবিরোধ আছে। কিন্তু জামাত চায় সরকারকে বেকায়দায় ফেলে পদত্যেগে বাধ্য করাতে। সারাদেশে অচল অবস্থা সৃষ্টি করতে। বি এন পি তাদের আজ্ঞাবাহ।

দেশের সাধারন মানুষ আওয়ামী লীগের অনেক নেতা মন্ত্রীর প্রতিই এখন ক্ষুদ্ধ। অনেকেই নির্বাচনে পরাজিত হবে হয়ত কিন্তু, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শেখ হাসিনাকেই চায় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগন। কারনটি ব্যক্তিগত নয়, শেখ হাসিনা দেশকে বদলে দিয়েছে। দক্ষিন বঙ্গের মানূষ এখন উন্নয়নের আলো দেখছে।তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে উত্তর বঙ্গও সামিল হবে উন্নয়নে। এটাই শেখ হাসিনার শক্তি। নিরপেক্ষ নির্বাচন কখনোই হয়নি। এটা শুধু বাংলাদেশেই নয় প্রতিবেশী ভারতেও দেখা গেছে। প্রচুর সংঘাত হয়েছে, অভিযোগ উঠেছে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও।

আমেরিকার নির্বাচনও প্রভাব মুক্ত প্রমান করতে পারেনি। বাইডেনকে শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে সরকারী ঘোষনা পেতে। রাশিয়াতেও বিরোধী দলের নেতা জেল খেটেছে। তত্বাবধায়ক সরকারও যদি বি এন পি’র পছন্দের না হয় তখন তা নিয়েও বিরোধিতা করবে বি এন পি। কিন্তু বিভিন্ন জড়িপের রিপোর্ট হল বি এন পি জনসমর্থনে বহু পিছিয়ে। এসব রিপোর্ট বি এন পি নেতারা দেখাননা তা নয়। তাহলে এই আন্দোলনের চেষ্টা কেন?

আজিজুর রহমান প্রিন্স, কলামিস্ট, টরন্টো, কানাডা।