লোহাগাড়ায় নতুন এসিল্যান্ড হিসেবে মাসুদ রানার যোগদান

মোঃ মিনহাজ উদ্দীন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে মোঃ মাসুদ রানা যোগদান করেছেন।

গত ২৮ অক্টোবর লোহাগাড়ার এসিল্যান্ড হিসেবে তিনি যোগদান করেন। তিনি ৩৬তম ব্যাচের বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা  পদায়ন পাওয়ার পর সততা, দক্ষতা ও সুনামের সাথে  ২০১৮ সাল হতে চট্টগ্রাম জেলার  (এনডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মোঃ মাসুদ রানার পঞ্চগড় এলাকায়। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হতে তিনি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন।

লোহাগাড়ার নবাগত এসিল্যান্ড মোঃ মাসুদ রানা জানান, লোহাগাড়ার এসিল্যান্ড হিসেবে আজকে দায়িত্বভার গ্রহন করেছি।  ভূমি অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিতামূলক ও সহজীকরণ সেবা নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করে যাবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এজন্য তিনি সকল জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিকসহ সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

ভূরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১২ টি দোকান পুড়ে প্রায় ৪০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ডে ১২ টি দোকান, আসবাপত্র, ইলেকট্রনিক্স জিনিসপত্রসহ অন্যান্য মালামাল পুড়ে প্রায় ৪০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের কুড়ার পাড় ইট ভাটা সংলগ্ন বাজারে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপজেলার পাইকের ছড়া ইউনিয়নের কুড়ার পাড় এলাকার ইটভাটা বাজারে রাত আনুমানিক একটার দিকে একটি চায়ের দোকান থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুনের লেলিহান শিখা পার্শ্ববর্তী দোকান ঘর গুলোয় ছড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকাবাসী আগুন দেখতে পেয়ে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্হলে পৌঁছনোর আগেই সেখানে থাকা ১২ টি দোকান ঘর ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে একটি দোকানের একাংশ রক্ষা করতে সক্ষম হন এবং আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন।

ক্ষতিগ্রস্থ দোকানদার আকতার আলী ও আলমগীর হোসেন বলেন, আমাদের দোকানের ভিতরে থাকা সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমাদের প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্থ চায়ের দোকানদার আব্দুস সামাদ বলেন, ভূরুঙ্গামারীতে ফায়ার স্টেশন না থাকার কারনে বিভিন্ন সময়ে অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। আমরা দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন মাষ্টার ইমন মিয়া বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর আগেই বাজারটির সবগুলো দোকান পুড়ে গেছে। আমরা পৌছে দেড় ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন সম্পূর্ণভাবে নেভাতে সক্ষম হই। তবে অগ্নিকান্ডের শিকার একটি দোকানের একাংশ রক্ষা করতে পেরেছি। আমরা প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছি বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের উৎপত্তি হয়েছে।

এব্যাপারে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপক কুমার দেব শর্মা বলেন, আমি আজ সকালে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ দোকান ঘরগুলি পরিদর্শন করেছি। দোকানগুলিতে থাকা দামী আসবাব পত্র, ইলেক্ট্রনিক জিনিসপত্র সহ মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আপাতত ক্ষতিগ্রস্থদের খাদ্য সহায়তার আশ্বাস দিয়েছি। তারা নির্ধারিত ফরমে আবেদন করলে পরবর্তীতে বরাদ্দ আসলে সহায়তা দেয়া হবে।

চায়ের দেশে অনুষ্ঠিত হলো হাফ ম্যারাথন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের চা বাগান ও পাহাড়ী জনপদে অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর এলাকায় ‘বেঙ্গল কনভেনশন হল হাফ ম্যারাথন ২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মৌলভীবাজার সাইক্লিং কমিউনিটি ও রানার্স ক্লাবের আয়োজনে এবং মৌলভীবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় ম্যারাথনে দেশ-বিদেশের প্রায় ৬০০ রানার অংশ গ্রহণ করেন।

শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬ ঘটিকায় মৌলভীবাজার পৌর মেয়র চত্তর থেকে নারী-পুরুষের অংশগ্রহনে একসাথে ২১ কিলোমিটার এবং ১০ কি:মি: দূরত্বের হাফ ম্যারাথন শুরু হয়। হল হাফ ম্যারাথন ২০২১ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান।

প্রকৃতির সৌন্দর্যে ভরপুর, দেশের অন্যতম পর্যটন জেলা ও চায়ের রাজধানীতে পাহাড়ী জনপথ ও চা বাগানের ভেতর এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

পৌর মেয়র চত্তর থেকে দু’টি ধাপে যথাক্রমে নারী-পুরুষের অংশগ্রহনে একসাথে ২১ কি:মি: এবং ১০ কি:মি: দূরত্বে হাফ ম্যারাথন শুরু হয়। ১০ কি:মি: অংশগ্রহনকারীরা গায়ে নীল রং টি শার্ট এবং ২১ কি:মি: হাফ ম্যারাথনে অংশগ্রহনকারীর গায়ে সবুজ রং টি শার্ট ছিল।

১০ কি:মি: হাফ ম্যারাথন পৌর মেয়র চত্ত্বর থেকে শুরু হয়ে বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক সড়ক হয়ে দেওড়াছড়া চা বাগানের ভেতর ‘একাত্তর বধ্যভূমি’ হয়ে মৌলভীবাজার জেলা স্টেডিয়ামে আসে। ২১ কি:মি: হাফ ম্যারাথন একই স্থান ও একই সময়ে শুরু হয়ে বর্ষিজোড়া ইকোপার্কা সড়ক হয়ে দেওড়াছড়া চা বাগান পাড়ি দিয়ে ‘ছয়সিড়ি দিঘি’ হয়ে মৌলভীবাজার স্টেডিয়ামে আসে।

বধ্যভূমি ও ছয়ছিড়ি দিঘির ইউটার্ন পাড়ি দেয়া প্রত্যেক অংশগ্রহনকারীর হাতে বেল্ট পড়িয়ে দেয়া হয়। রানাররা চা বাগান ও পাহাড়ী জনপথ পাড়ি দিয়ে সমাপ্তির স্থান মৌলভীবাজার জেলা স্টেডিয়ামে পৌঁছলে তা শেষ হয়। এ সময় রানারদের বিবস নাম্বার দেয়া হয়।

পরে দু’টি গ্রুপে ১০ কি:মি: হাফ ম্যারাথনে ৩ জন নারী ও ৩ পুরুষ এবং ২১ কি:মি: হাফ ম্যারাথনে ৩ জন নারী ও ৩ পুরুষ সহ মোট বিজয়ী ১২ জনকে পুরষ্কার তোলে দেন পৌর মেয়র মোঃ ফজলুর রহমান। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত অংশগ্রহনকারী প্রত্যেককে মৌলভীবাজার জেলা ব্রান্ডিং ‘চা কন্যা’ ক্রেস্ট দেয়া হয়।

আয়োজক কর্ণধার ইমন আহমদ জানান, ১০ কিলোমিটার ম্যারাথন (পুরুষ) রংপুরের সাজ্জাদ হোসেন স্নিগ্ধ ১ম হন। তাঁর ১০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে সময় লাগে ৩৮ মিনিট। ১০ কিলোমিটার ম্যারাথন (নারী) সিলেটের নাছরিন বেগম ১ম হন। ১০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে সময় লাগে ৫৫ মিনিট।

২১ কি:মি: ম্যারাথন (পুরুষ) নৌবাহীনীর সদস্য আসিব বিশ্বাস ১ম হন। তিনি ১ ঘন্টা ১৭ মিনিটে ২১ কি:মি: পাড়ি দেন। ২১ কি:মি: ম্যারাথন (নারী) বগুড়ার মৌসুমি আক্তার এপি ১ম হন। ২১ কি:মি: পাড়ি দিতে তাঁর সময় লাগে ২ ঘন্টা ৩ মিনিট।

১০ কি:মি: পথ ১ ঘন্টা ৪০ মিনিট ও ২১ কি:মি: পথ ৩ ঘন্টা ৩০ মিনিটের মধ্যে যে সকল রানার পৌঁছান তাদের সকলকে মৌলভীবাজার জেলা ব্রান্ডিং ‘চা কন্যা’ ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

এছাড়াও এই বৃহৎ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের অন্যতম পর্যটন জেলা, খনিজ সম্পদে ভরপুর, প্রবাসী অধ্যুষিত, চায়ের দেশ খ্যাত মৌলভীবাজার জেলাকে বিশ্বব্যাপী সবার কাছে তুলে ধরাটাই মুল উদ্দেশ্য।

রাণীশংকৈলে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পুরুষ সদস্য ১৭৫, মহিলা সদস্য ৬৬ প্রার্থী

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ৮ ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৫ টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ নভেম্বর। গত বুধবার (২৭ অক্টোবর) প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

৫ টি  ইউনিয়ন চেয়ারম্যানসহ মহিলা ও পুরুষ প্রার্থীরা হলেন- ১ নং ধর্মগড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী-আবুল কাসেম, আ’লীগ, প্রতীক নৌকা, আকবর আলী, স্বতন্ত্র, প্রতীক আনারস, আব্দুর রাজ্জাক, স্বতন্ত্র, প্রতীক মোটরসাইকেল, আবু হানিফ, স্বতন্ত্র, প্রতীক, অটোরিক্সা নূরেই আলম, জাকের পার্টি, প্রতীক গোলাপফুল লোকমান আলী, স্বতন্ত্র, প্রতীক ঘোড়া।

এ ইউনিয়নে পুরুষ সদস্য পদে প্রার্থী ৪২ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৫ জন প্রার্থী হয়েছেন।

২ নং নেকমরদ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী-আলহাজ্ব মো.আবুল হোসেন,স্বতন্ত্র, প্রতীক মোটরসাইকেল, ডাঃ মো. হামিদুর রহমান, আ’লীগ,প্রতীক নৌকা, মো.মাকসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র, প্রতীক ঘোড়া, মো. এনামুল হক, স্বতন্ত্র, প্রতীক আনারস, মো. গোলাম রব্বানী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ,প্রতীক হাতপাখা, মো. জব্বার হোসেন জাকের পার্টি, প্রতীক গোলাপফুল।

এ ইউনিয়নে পুরুষ সদস্য প্রার্থী ৪০ ও মহিলা সদস্য প্রার্থী ১৫ জন।

৪নং লেহেম্বা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী-আনারুল ইসলাম,জাকের পার্টি, প্রতীক গোলাপফুল, আবুল কালাম আজাদ, আ’লীগ, প্রতীক নৌকা, মো. খালেকুজ্জামান, স্বতন্ত্র, প্রতীক চশমা, গোলাম রব্বানী, স্বতন্ত্র, প্রতীক মোটরসাইকেল, মো.তাহের আলী,স্বতন্ত্র, প্রতীক আনারস, মো.রওশন আলী, স্বতন্ত্র, প্রতীক ঘোড়া।

এ ইউনিয়নে পুরুষ সদস্য প্রার্থী ৩১ ও মহিলা সদস্য প্রার্থী ১৩ জন।

৬ নং কাশীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী-আতিকুর রহমান, আ’লীগ, প্রতীক নৌকা, হামিদুর রহমান, স্বতন্ত্র, প্রতীক মোটরসাইকেল।

এ ইউনিয়নে পুরুষ সদস্য প্রার্থী ২৭ ও মহিলা সদস্য প্রার্থী ১৪ জন।

৭ নং রাতোর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী-আখতার হোসেন, স্বতন্ত্র, প্রতীক আনারস, শরৎচন্দ্র রায়, আ’লীগ, প্রতীক নৌকা।

এ ইউনিয়নে পুরুষ সদস্য প্রার্থী ৩৫ ও মহিলা সদস্য প্রার্থী ০৯ জন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ তথ্য দিয়েছেন। নির্বাচন অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে মর্মে তিনি জানান, এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৫ টি ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণা বেশ জমে উঠেছে।

পর্যটন শহড় চাঁদাবাজ সন্ত্রাস মুক্ত মডেল পৌরসভা গড়ার প্রত্যয়ে মহসীন মিয়া মধু

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: চায়ের রাজধানী খ্যাত, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন শহড় সমৃদ্ধ হলো মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল পৌরসভা। ১৯৩৫ সালে মাত্র এক বর্গমাইল এলাকাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত হয় এ শ্রীমঙ্গল পৌরসভাটি। বর্তমানে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হিসেবে তালিকাভুক্ত। মুলত এই পৌরসভাটি স্থাপনের আগে যে আরবান এলাকা হিসেবে প্রতিস্থাপিত হতে হয়। বিট্রিশ সরকার কর্তৃক চা বাগান স্থাপনের ফলে এবং মারোয়ারীরা শ্রীমঙ্গলে আরদারি ব্যবসা শুরু করায় ক্রমশ এটি উন্নত এবং ব্যস্ত এলাকায় রুপ ধারণ করে। পাশাপাশি তৎকালিন সময়ে থানা ছিল মতিগঞ্জ। মতিগঞ্জ থেকে থানা ক্যাম্পাস স্থানান্তরিত হয় শ্রীমঙ্গলে। এ সব কারনে তৎকালীন আসাম সরকার এটিকে পৌরসভা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

শ্রীমঙ্গলের পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন তৎকালীণ এসডিও গিরিজা শংকর গুহ। যার নামে পৌরসভার পাশে বর্তমান গুহ রোডটি এর স্মৃতি চারণ করে। প্রশাসক থেকে যখন নির্বাচন শুরু হয় সে নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মহসীন মিয়া (মধু) বর্তমানে পৌর পিতার আসনে থেকে পৌরসভার উন্নয়ন সাধন করে চলেছেন। যার বর্তমান ভোটার সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার ৯৪ ভোট।

বর্তমান মেয়র মহসীন মিয়া (মধু) বিগত পৌর নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। এর আগেও আরো দুই মেয়াদে ১০ বছর পৌর পিতার আসনে দায়িত্ব পালনে ছিলেন।

তিনি জানান, প্রথম মেয়াদে দায়িত্ব নেয়ার পর অনেক টাকা ঋণ ছিলো। কিন্তু তিনি তার মেয়াদ অতিক্রমকালে সকল ঋণ পরিশোধসহ নানাবিদ উন্নয়ন করার পরও ৭০ লক্ষ টাকা উদ্বৃত রেখে যান। পরবর্তী মেয়াদে তিনি যখন আবারও দায়িত্ব ভাড়নেন তখনও ঋণ ছিলো। বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শহড়ের উন্নয়নের পরও কোন ঋণ নেই। তিনি জানান, তার মেয়াদকালে তিনি যে সকল উন্নয়ন করেছেন এর ফলে এটি একটি মডেল পৌরসভায় রুপ নিয়েছে। তার সময়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক উন্নয়নের মধ্যে পৌরসভার মহসিন অডিটরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টার নির্মান, পৌরসভা ভবন আধুনিকায়ন ও পৌরসভার সীমানা প্রাচীরের সৌন্দর্য বর্ধন কাজ, জনসাধারনের চলাচলের জন্য বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়কের পাশে ফুটপাত নির্মান, যানজট নিরসনের জন্য পৌর এলাকায় কলেজরোড, গুহরোড, জালালিয়া রোড, সিন্দুরখান  রোড, শাপলাবাগ রোড, কালিঘাট রোডসহ অন্যান্য রাস্তা প্রশস্থ করেন। কর্মসংস্থান ও পৌরসভার আয় বর্ধনের লক্ষ্যে পোষ্ট অফিস রোডে সাইফুর রহমান মার্কেট নির্মাণ, ষ্টেশন রোডে মার্কেট নির্মান করেন। সাগরদীঘি পাড়ে পাইকারি মাছের শেড নির্মান। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে পাম্প ও বিভিন্ন রাস্তায় পাইপ লাইন স্থাপন করেন। পৌর এলাকার ছোট বড় প্রতিটি রাস্তায় বৈদ্যুতিক সড়ক বাতি স্থাপন তার অন্যতম আরেকটি উন্নয়ন। পাশাপাশি পৌর এলাকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির মেয়েদের স্বাবলম্বী ও সুশিক্ষিত করার লক্ষ্যে কিশোরী ক্লাব গঠন করে দেয়া, এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কম্পিউটার প্রশিক্ষন, ইংলিশ স্পোকেন শিক্ষা, বিউটি পার্লার, সংগীত প্রশিক্ষণ, নৃত্য ও আবৃত্তির প্রশিক্ষন প্রদান প্রবৃতি । এ ছাড়াও  পৌর এলাকার সকল কবরস্থানের উন্নয়ন কাজসহ বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে পৌর এলাকার বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির ও শশ্মানঘাটের উন্নয়ন সাধন করেছেন। তিনি জানান, যেহেতু এটি একটি পর্যটন নগরী সে কারনে পৌরসভার সৌন্দর্য বর্ধনের লক্ষ্যে পৌর এলাকায় বিভিন্ন স্থানে স্কার্পাচার নির্মান। পৌরসভার সৌন্দর্য বর্ধনের লক্ষ্যে ডাক বাংলা পুকুরপাড়ে টেরাকোটা নির্মান। পৌর এলাকার ষ্টেশন রোড, নতুনবাজার ও সাগরদিঘীপাড়ে গণশৌচাগার নির্মান। জনসাধারনের গোসলের লক্ষ্যে ডাক বাংলা পুকুরপাড়ে ২টি ঘাট নির্মান করেন।

এ ছাড়াও তার পূর্বের মেয়াদে তিনি শ্রীমঙ্গলে দ্বিতল কাঁচা বাজার নির্মান করেন। তিনি জানান, কাজের ধারাবাহিকতায় আগামীর পরিকল্পনা ও বেশ কিছু প্রকল্প জমা রয়েছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো  পৌর এলাকার ময়লা আর্বজনা ফেলার ডাম্পিং ষ্টেশন স্থাপন, পৌর এলাকার জনগনের জন্য বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ওয়াটার ট্রীটম্যান্ট প্লান্ট তৈরী। পৌরসভার জলাবদ্ধতা দুরিকরনের লক্ষ্যে দুটি ছড়া খনন। পৌর এলাকা দৃষ্টি নন্দন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সৌন্দর্য বর্ধন কাজ,  পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য আধুনিক আবাসন নির্মান, বাস ষ্ট্যান্ড নির্মান। পৌর এলাকায় আরো পাবলিক টয়লেট নির্মান, বিনোদনের লক্ষ্যে পার্ক নির্মান, পাবলিক লাইব্রেরী পুন:স্থাপন, সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ওভারহেট টাংকী নির্মান, ভেজিটেবল এগ্রিকালচার শেড নির্মানসহ পৌর এলাকা দ্রুত সম্প্রসারন করে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করার পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন।

তিনি আরো ও জানান, আমার চেয়ারম্যানের মেয়াদকালে ব্যবসায়ীদের কোন রকম সন্ত্রাসী হামলা ও চাঁদা বাজীদের কোন রকম উপদ্রুবের কোন নজীর নেই। পৌর এলাকার জনগণের শান্তি প্রিয় জনগনের জানমালের নিরাপত্তার জন্য সব সময় সচেষ্ট ভূমিকায় সর্বাত্মক চেষ্টা ও জনগণের সহযোগিতায় এগিয়ে যেতে সাহস যোগিয়েছে।

তিনি জানান, একি সাথে পৌর এলাকার হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে আরো বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ বাস্তবায়নেরও পরিকলনা গ্রহন করেছেন। নিজেকে দুর্নীতি মুক্ত রেখে নিষ্ঠার সাথে জনগণের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তার মধ্যে ও যদি কোন প্রকার ভূল ভ্রান্তির অবকাশ থেকে থাকে সে সব ভুলের সংশোধন করেই আগামীতে জনগনের রায়ের প্রতিফলনে তিনি নির্বাচিত হলে সচ্ছতা ও নিষ্ঠার সহিত তার নিজ দায়িত্ব পালন করে অসমাপ্ত কাজ ও জনগনের পাশে থাকবেন এবং দূর্নীতি, অনিয়মের বিরুদ্ধে কাজ করে যাবেন সব সময় এটাই হবে মুল প্রতিবাদ্য বিষয়ে জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটাতে আমি বদ্ধপরিকর।

যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করতে পারলেন না মিজানুর রহমান আজহারী

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বিতর্কিত ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করতে দেয়নি দেশটির কর্তৃপক্ষ। আগামী ৩১ অক্টোবর লন্ডনে ‘আই অন টিভি’র আমন্ত্রণে একটি ইসলামী কনফারেন্সে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। লন্ডন ছাড়া আরো ৪টি শহরে ইসলামী বক্তব্য প্রদানের আয়োজনও করে আই অন টিভি।

সুত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) রাতে মিজানুর রহমান আজহারী মালয়শিয়া থেকে কাতার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর যখন লন্ডনের ফ্লাইটে উঠার জন্য সংশ্লিষ্ট গেটে আসেন তখনই সেখান থেকে তাঁর ব্রিটেনে আসার ফ্লাইটে উঠতে দে‌ওয়া হয়নি। কেন তাঁকে এই ফ্লাইটে উঠতে দে‌ওয়া হয়নি অথবা তাঁর ভিসা বাতিল করা হয়েছে কি না এ সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা যায়নি।

এদিকে যুক্তরাজ্যের বাঙালিদের মধ্যে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি থেকে শুরু করে প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের অনেক মানুষ আজহারীর সফরের বিরোধিতা করে আসছিলেন।

তাছাড়া ব্রিটিশ এমপি থেকে শুরু করে হোম অফিসসহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট জায়গায় মিজানুর রহমান আজহারীর বিভিন্ন বক্তব্য, যেখানে ধর্মীয়ভাবে অন্য ধর্মকে আঘাত করা হয়েছে বা যেসব বক্তব্য ঘৃণা ছড়ায় এমন সব ভিডিও পাঠানো হয়েছে। যার ফলেই ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন বলে অনেকে ধারণা করছেন।

অন্যদিকে, বিভিন্ন গণমাধ্যম বক্তা মিজানুর রহমানের মালয়েশিয়ার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কোনো উত্তর পায়নি।

সুত্রঃ রেমো নিউজ ডট কম। 

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের জয়ে উচ্ছ্বাস করলেই রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হবে : উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপে পাকিস্তানের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেই রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

এর আগে, আগ্রার ইঞ্জিনিয়রিং কলেজের তিন জন কাশ্মীরি ছাত্রকে সাইবার সন্ত্রাসের আওতায় গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ পাকিস্তানের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নিজেদের হোয়াটস অ্যাপ স্টেটাস আপডেট করেছে তারা। আর পাক দলকে সমর্থনের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রুজু হয়েছে কাশ্মীরি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে।

এদিকে গেল রোববার ভারত ও পাকিস্তানের বিশ্বকাপ ম্যাচ চলাকালীন পাকিস্তানের হয়ে জয়ধ্বনি দেওয়া ও পাকিস্তানের জয়ে উদযাপন করার একাধিক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এই প্রেক্ষিতেই মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের স্পষ্ট বার্তা, যারা পাকিস্তানের হয়ে গলা ফাটাবে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দিয়ে জেলে ঢোকানো হবে।

অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশে ব্যাপক ধরপাকড় চলছে। রবিবারের ম্যাচ হারার পর ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে অশভ্য ভাষায় গালিগালাজ করায় গতকাল বুধবার লখনউ থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, পুলিশের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় উস্কানিমূলক প্রচারও চালাচ্ছিল তারা।

বঙ্গবন্ধুর নির্বাচিত ভাষণ ইংরেজিতে বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে

ডিবিএন ডেস্কঃ সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া মার্কিন প্রকাশনা সংস্থা ‘হে পাব্লিশিং হাউজে’র সহযোগী প্রতিষ্ঠান বালবোয়া প্রেস কর্তৃক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্বাচিত ভাষণগুলো নিয়ে ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে ‘ফাদার অব দ্য ন্যাশন : সিলেক্টেড স্পিচেস অব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ নামের বই। নির্বাচিত ভাষণগুলো ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী কবি, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন।

‘ফাদার অব দ্য ন্যাশন : সিলেক্টেড স্পিচেস অব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ নামের বইটিতে বঙ্গবন্ধুর ২৫টি ভাষণ রয়েছে। দুটি ভাষণ বঙ্গবন্ধু ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংসদে ইংরেজিতে দিয়েছিলেন। বাকি ২৩টি ভাষণ ডা. মিল্টন ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন। বইয়ের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী রয়েছে। বইটির মুখবন্ধ লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে।

বইটির প্রচ্ছদ করেছেন আমেরিকার ফ্লোরিডা নিবাসী এনজি অ্যালিয়া। ইংরেজি ভাষার সম্পাদনা করেছেন নিউজিল্যান্ডবাসী পল মেহু। বইটি বর্তমানে বালবোয়া প্রেস, অ্যামাজন, বুকটোপিয়াসহ বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অনলাইন বুকস্টোরগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে।

বর্তমানে বইটির তিনটি সংস্করণ : ই-বুক, পেপারব্যাক ও হার্ডকাভার সংস্করণ পাওয়া যাচ্ছে। অচিরেই বাংলাদেশেও অন্বেষা প্রকাশনের মাধ্যমে বইটি পরিবেশন করা হবে। বাংলাদেশে কুরিয়ার চার্জসহ বইটির পেপারব্যাক ও হার্ডকাভার সংস্করণের দাম পড়বে যথাক্রমে ২ হাজার ২০০ টাকা ও ৪ হাজার টাকা।

আগামী ৬ নভেম্বর সিডনিতে বইটির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

এছাড়াও মূল অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ, লেখক ও বাঙালি কমিউনিটি নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

আজ জুডোর প্রতিষ্ঠাতা জাপানের ড. জিগারো কানো’র ১৬১ তম জন্মদিন

সিএনবিডি ডেস্কঃ আজ ২৮ অক্টোবর জুডোর প্রতিষ্ঠাতা জাপানের ড. জিগারো কানো’র ১৬১ তম জন্মদিন। তিনি ১৮৬০ সালের এই দিনে জাপানের মিকেজ শহরে (বর্তমানে হিগাশিনাদা -কু, কোবেতে) জন্মগ্রহণ করেন।

প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ আত্মরক্ষার জন্য বিভিন্ন কৌশল আবিষ্কার করে আসছে এবং ক্রমেই তা আধুনিক থেকে আধুনিকতর হচ্ছে। খালি হাতে নিজেকে বাঁচানোর একটি অন্যতম কৌশল হচ্ছে জুডো। আর জুডো হলো প্রথম জাপানি মার্শাল আর্ট যা ব্যাপক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে এবং ১৯৬৪ সালে প্রথম অলিম্পিক খেলায় পরিণত হয়।

জুডো একটি জাপানি শব্দ যার অর্থ Gentle Way। আক্ষরিক অর্থে ‘জুডো’ দুইটি চীন শব্দ থেকে এসেছে। ‘Ju’ শব্দের অর্থ হচ্ছে Gentleness। আর ‘Do’ অর্থ Way। অর্থাৎ JUDO হলো The way of gentleness। ১৮৮২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাপানের ইসোজি বুদ্ধিস্ট টেম্পল এ ডঃ জিগারো কানো জুডো শুরু করেন ৯ জন ছাত্র ও ১২ টি তাতামি নিয়ে। জুজুৎসু ও জুডোর মধ্যে তফাৎ হল এই যে জুজুৎসু একটি যুদ্ধ বিদ্যা আর জুডো হচ্ছে জীবনের সুন্দর পথ।

অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে চীন, জাপান ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে জুজুৎসু নামে এক প্রকার অস্ত্রবিহীন যুদ্ধের বিকাশ ঘটে। কালক্রমে জুজুৎসু বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ডঃ জিগারো কানো জাপানী জুজুৎসু নামক এই প্রাচীন রণবিদ্যাকে পরিবর্তিত, পরিমার্জিত ও সংশোধিত করে জুডো নামক নতুন আর্টটির সৃষ্টি করেন।

জুজুৎসু ছিল মানুষকে আহত করার অত্যন্ত জটিল কৌশলের সমন্বয়। ডঃ জিগারো কানো আধুনিক সমাজ ব্যবস্থার সাথে মিল রেখে নতুন নতুন কৌশলের সমন্বয় ঘটান (শারীরিক ও মানসিক অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে) এবং জুজুৎসু হতে জটিল ও জীবননাশক কৌশলগুলো অপসারন করে ১৮৮২সালে সৃষ্টি করেন জুডো এবং একই বছর তিনি টোকিওতে Kodokan জুডো ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।

আর রাশিয়াতে প্রবর্তিত ‘সানবো’ জুডোরই প্রবর্তিত রূপ। কর্ণেল হিরোস রাশিয়াতেই অবস্থানকালে সেখানে এটির প্রচলন ঘটান এবং জনপ্রিয় করে তোলেন। বিগত খেলোয়াড় ও জুডো প্রশিক্ষক মাইদা দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থানকালে সেখানে জুডোর প্রচার ও প্রসার ঘটান।

লালমনিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ফুলবাড়ীর যুবকের মৃত্যু

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার এক যুবক লালমনিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায়  মৃত্যুবরণ করেছেন। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০ টার দিকে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের টিকটিকি বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই যুবকের নাম আতিকুর রহমান বাবু (৩৫)। তিনি উপজেলার চন্দ্রখানা বালাটারী  এলাকার আলহাজ্ব আলতাফ হোসেনের ছেলে ।

নিহতের পারিবারিক সুত্র জানায়, আতিকুর রহমান তার ফুফাতো ভাই লেবু মিয়া (৩০) সহ বড়বাড়ী থেকে অটোবাইক যোগে বাসায় ফিরছিলেন। এসময় ওই স্থানে পৌঁছিলে একটি কনস্ট্রাকশন ফার্মের ট্রাক্টর ওই অটোবাইকটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।  এতে বুকে ও মাথায় প্রচন্ড আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হন বাবু। এসময় তার ভাই লেবুরও হাত ভেঙে যায়।

পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে কাউনিয়া এলাকায় বাবুর অবস্থা আরও অবনতি হয়। তখন সাথের লোকজন তাকে কাউনিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মারা যান বাবু।

ফুলবাড়ী থানার ওসি রাজীব কুমার রায় সড়ক দুঘটনায় যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।