ভারতের সাথে জয়ের খুশিতে পাকিস্তানে বিজয়োৎসব উদযাপন, গুলিবিদ্ধ ১২

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের সাথে জয়ের খুশিতে পাকিস্তানের করাচিতে বন্দুকের গুলি ছুড়ে বিজয়োৎসব করতে গিয়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।

গতকাল রোববার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ম্যাচ জয়ের পরপরই রাস্তায় নেমে আসে উল্লাসিত পাকিস্তানিরা। নেচে-গেয়ে, বাজি পুড়িয়ে বিজয় উদযাপন করেছেন তারা। কিন্তু দেশটির সবচেয়ে বড় শহর করাচিতে ফাঁকা গুলি ছুড়ে আনন্দ করতে গিয়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন। এদের মধ্যে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকও রয়েছেন।

গুলি ছুড়ে পাকিস্তান দলের বিজয় উদযাপনের খবর পাওয়া গেছে করাচির সচল গোথ, ওরাঙ্গি, নিউ করাচি, গুলশান-ই-ইকবাল ও মালির এলাকায়ও। এর মধ্যে ওরাঙ্গিতে অজ্ঞাত দিক থেকে আসা গুলিতে আহত হয়েছেন অন্তত দু’জন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, গুলশান-ই-ইকবাল এলাকায় ফাঁকা গুলি ছোড়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় উপ-পরিদর্শক আব্দুল গনির শরীরেও একটি বুলেট আঘাত করে।

প্রসঙ্গত, রোববার রাতে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়েছে পাকিস্তান। ভারতের মতো শক্তিশালী দলকে তারা হারিয়েছে অনেকটা হেসে খেলেই। ১৯৭৫ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর পর থেকে এ ধরনের আসরে ভারত ছিল পাকিস্তানের কাছে এক অজেয় প্রতিপক্ষের নাম। আগের ১২বারের দেখায় প্রতিবারই হারতে হয়েছে পাকিস্তানিদের।

সূত্র: জিও টিভি। 

সুদানে সামরিক অভ্যুত্থান, গৃহবন্দি প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সুদানে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের খবর জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আব্দাল্লাহ হামদককে গৃহবন্দি করেছে দেশটির সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। খবর-আল জাজিরা।

আজ সোমবার (২৫ অক্টোবর) ভোরে অজ্ঞাত পরিচয়ের সেনা সদস্যরা তার বাড়ি ঘেরাও করার পর তাকে গৃহবন্দি করেন। এছাড়া, আটক করা হয়েছে সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রী এবং সরকার সমর্থক রাজনৈতিক নেতাদের।

আল-জাজিরা জানিয়েছে,  সোমবার প্রথম প্রহর থেকে পূর্ব আফ্রিকার এই দেশটির রাজধানী খার্তুমে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিতে দেখা যায়। এ ছাড়া জনসাধারণের চলাচলে আরোপ করা হয় কড়াকড়ি। এর মধ্যেও শহরের বিভিন্ন এলাকায় সুদানের জাতীয় পতাকা নিয়ে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। এই পরিস্থিতিতে খার্তুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করে দিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা।

আটক হওয়া নেতাদের মধ্যে আছেন সুদানের তথ্যমন্ত্রী হামজা বালোউল, ক্ষমতাসীন সভরেইন কাউন্সিলের মুখপাত্র মোহাম্মদ আল ফিকে সুলাইমান, শিল্পমন্ত্রী ইব্রাহিম আল-শেখ, খার্তুমের গভর্নর আইমান খালিদ।

এর মধ্যেই সামরিক বাহিনীর একটি দল রাজধানী খার্তুমে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে অভিযান চালিয়ে তাকে গৃহবন্দি করেছে বলে খবর দিয়েছে আল হাদাথ টিভি।

এর আগে গত মাসেও দেশটিতে একটি অভ্যুত্থানচেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়। সে সময় আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, একদল সেনা এই অভ্যুত্থানের চেষ্টা করেছিলেন। তারা অভ্যুত্থান করতে ব্যর্থ হন।

সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স। 

ফের টাকার বিপরীতে বাড়ল ডলারের দাম, বাড়ছে আমদানি খরচ

অর্থনীতি ডেস্কঃ ফের টাকার বিপরীতে বাড়ল ডলারের দাম। গতকাল রোববার খোলাবাজার ও নগদ মূল্য ডলার ৯০ টাকা ১০ পয়সা উঠেছে। এটি এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ মূল্য। বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় বেশি দামে কেনা-বেচা হচ্ছে ডলার। এ কারণে ডলারের দাম বাড়ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বাড়ালেও গত তিন মাস ধরে প্রবাসীদের পাঠানো আয় বা রেমিট্যান্স ধারাবাহিকভাবে কমছে। রপ্তানি আয়ে ভাটা চলছে। বেড়েছে আমদানি ব্যয়। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। যা টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়ায় ৮৫ টাকা ৭০ পয়সা। তবে খোলাবাজার ও নগদ মূল্যে ডলার ৮৯ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৯০ টাকা ১০ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, আমদানি বাড়ায় ডলারের চাহিদা বেড়েছে ঠিক। কিন্তু ডলারের কোনো সংকট নেই। পর্যাপ্ত ডলার আছে। চাহিদা পূরণে বাজারে ছাড়া হচ্ছে।

ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণ কয়েকটি। করোনা শেষে মূলধনি যন্ত্র ও কাঁচামাল আমদানি যেমন বেড়েছে, তেমনি দেড় বছর পর খুলে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন দেশের সীমান্ত। পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। করোনার কারণে থেমে যাওয়া বহুজাতিক বিমান সংস্থাগুলো এখন অনেক রুট তথা গন্তব্যে তাদের বিমান চালানো শুরু করেছে। ফলে মানুষের পেশাগত কাজ, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কেনাকাটার জন্য বিভিন্ন দেশে যাতায়াত শুরু হয়েছে।

ডলার ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাইরে যাওয়ার জন্য হঠাৎ ডলারের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। এতোদিন ৮৮ থেকে ৮৯ টাকায় ডলার কেনাবেচা হয়েছে। তবে গত দুই থেকে তিনদিন ধরে বেড়েছে ডলারের দাম। বর্তমানে আমরা ৮৯ টাকা ৮০ পয়সায় ডলার কিনছি। বিক্রি করছি ৯০ টাকা ১০ থেকে ২০ পয়সায়। সে তুলনায় হাতে হাতে দেশে ডলার আসছে না। ফলে দাম বেড়ে গেছে। হাতে হাতে ডলার দেশে না এলে এই ঊর্ধ্বগতি শিগগির থামবে না।

ব্রিটেনে শিশুদের জনপ্রিয় নাম ‘মুহাম্মদ’

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সম্প্রতি এক তথ্যসুত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে গ্রেট ব্রিটেনের ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ছেলে নবজাতকের নামকরণে জনপ্রিয়তায় পঞ্চম স্থান দখল করেছে ‘মুহাম্মদ’। শিশুদের জন্ম নিবন্ধন থেকে এ তথ্য জানা গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান কার্যালয় (ওএনএস)।

এছাড়া মুহাম্মদ নামের বানানে পরিবর্তন এনে মোহাম্মেদ ও মোহাম্মাদ ব্রিটেনের শিশুদের জনপ্রিয় ১০০ নামের তালিকায় স্থান পেয়েছে। মোহাম্মেদ রয়েছে ৩২তম ও মোহাম্মাদ রয়েছে ৭৪তম স্থানে। ‘মুহাম্মদ’ নামটি সবচে জনপ্রিয়তা পেয়েছে দেশটির লন্ডন, উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ড, ইয়র্কশায়ার, হাম্বার এবং পশ্চিম মিডল্যান্ডে, যা ব্রিটেনে এশিয়ান সম্প্রদায়ের বিস্তারকে ইঙ্গিত করে।

গত বছর ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ৩ হাজার ৭১০ শিশুর নাম ‘মুহাম্মদ’, এক হাজার ৬১৫ শিশুর নাম ‘মোহাম্মেদ’ এবং ৭৫১ শিশুর নাম ‘মোহাম্মাদ’ রাখা হয়েছে।

ছেলে শিশুর ১০টি শীর্ষস্থানীয় জনপ্রিয় নাম হলো- অলিভার, জর্জ, আর্থার, নোয়া, মুহাম্মদ, লিও, অস্কার, হ্যারি, আর্চি ও জ্যাক।

ওএনএস জানায়, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে টানা পাঁচ বছর ছেলে ও মেয়ে নবজাতকের সবচেয়ে জনপ্রিয় নামের স্থান দখল করে রেখেছে যথাক্রমে অলিভার ও অলিভিয়া। ৩৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মায়েরা আরও ঐতিহ্যবাহী নাম পছন্দ করেন, আর কম বয়সী মায়েরা আরও আধুনিক ও সংক্ষিপ্ত নাম পছন্দ করেন।

ওএনএস-এর গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান আউটপুট শাখার সিয়ান ব্র্যাডফোর্ড বলেন, ‘২০২০ সালের সালের সবচেয়ে জনপ্রিয় ছেলে ও মেয়েদের নাম হচ্ছে অলিভার ও অলিভিয়া। আমরা দেখতে পেয়েছি যে মায়েদের বয়স শিশুর নাম চয়ন করার ওপর প্রভাব ফেলছে।’

সূত্র: খালিজ টাইমস। 

কালভার্ট নির্মাণের ১১বছর পেরিয়ে গেলেও হয়নি রাস্তা

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউপি পশ্চিম বাছিরপুর এলাকার ছোট একটি খালের ওপর প্রায় ১১ বছর পূর্বে নির্মাণ করা হয় একটি কালভার্ট। নির্মাণের পর থেকে কালভার্টের উভয় পাশে মাটি না ফেলায় কারনে দীর্ঘদিন যাবত এলাকার মানুষ আছে চরম দুর্ভোগে। দীর্ঘদিন যাবত কালভার্টের উভয় পাশে মাটি না থাকায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ এখন চরম তুঙ্গে। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরেও তা সাধারণ মানুষের কোনো কাজে না, এসে উল্টো ভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে। কালভার্টের দুপাশে উঠা-নামার ক্ষেত্রে মাটি না থাকায় কোনো ধরনের যানবাহন তো দূরের কথা সাধারণ মানুষের হেঁটে চলাচল করাও বেশ ভোগান্তিসহ বিপদজনকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশেপাশের প্রায় একশ টি পরিবারের শত শত মানুষ ঝুলন্ত অবস্থায় কালভার্টের একপাশ দিয়ে অনেক কষ্ট করে পারাপার হচ্ছেন। এ কালভার্টটি পারাপারে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ছে এলাকার বয়স্ক, বয়জেষ্ঠ ব্যক্তি সহ শিশুরা। ঝুঁকি নিয়ে কালভার্ট টি পারাপার হতে গিয়ে প্রতিদিনই ঘটছে নানা ধরনের দুর্ঘটনা। বর্তমানে কালভার্টটি ব্যবহার করতে না পেরে এলাকার গৃহবধূরা কালভার্টের একপাশে লাকরি শুকানোর কাজে ব্যবহার করছেন। এলাকাবাসী এ কালভার্টটিতে মাটি ভরাটের বিষয়ে বারবার এ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলেও তিনি কোন ব্যবস্থা করে দেননি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ তুলে করেন।

এলাকার বাসিন্দা ধনু মিয়া (৬০) বলেন, কালভার্টটি নির্মাণ হওয়ার পর যোগাযোগ ব্যবস্থার বেশ উন্নয়ন হবে বলে এমন ধারণা ছিলো। কিন্তু মাটি না ভড়াট করার কারণে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ১১ বছর ধরে দুর্ভোগেই যেন আমাদের নিত্যসঙ্গী। কালভার্টের এ দুর্ভোগের জন্য মসজিদ‌ ও স্থানীয় বাজারে যাতায়াতে আমাদের কষ্টের যেন শেষ নেই।

এলাকার বাসিন্দারা আরও জানান, কালভার্টটি নির্মাণ হওয়ায় আমরা বেশ আনন্দিত হয়েছিলাম। কিন্তু এটি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার ১১ বছর সময় পার হয়ে গেলেও দুই পারে মাটি বা রাস্তা না থাকায় কালভার্টটি সাধারণ মানুষের কোনো কাজেই আসছে না। প্রতিবারই নির্বাচন আসলে প্রার্থীরা আমাদেরকে আশ্বস্ত করেন। ভোটের পর কেউ আর আমাদের খবর রাখে না। এ সময় কালভার্টটির দুপাশে মাটি ভরাট ও রাস্তা নির্মাণের জন্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করেন এলাকাবাসী।

এলাকার মিনি বেগম নামের এক গৃহবধূ জানান, কালভার্টের ওপর দিয়ে মানুষের চলাফেরা করাটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। বেশির ভাগ মানুষ কালভার্টের এক পাশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে। তাই কালভার্টের ওপর লাকরি (জ্বালানি) বা অন্য কিছু শুকানোর কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এটির উভয় পাশে মাটি ভরাট করে রাস্তা নির্মান করলে স্থানীয়দের চলাচলের জন্য খুবই উপকার হবে।

স্থানীয় ৩ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত দুই বারের ইউপি সদস্য আমির হোসেন বলেন, ২০১১ সালে প্রথম সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরের বছর অর্থাৎ ২০১২ সালে সরকারের ৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এখানে একটি কালভার্ট নির্মাণ করি।

কালভার্ট নির্মাণের ১১ বছর পরও কেন মাটি ভরাট করেননি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আশে পাশের মানুষ মাটি না দেওয়ায় তা সম্ভব হয়ে উঠেনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পশ্চিম জুড়ী ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রীকান্ত দাশ বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে আগামীতে গুরুত্বসহকারে বিষয়টি দেখা হবে আশ্বস্ত করেন।

১৬ লাখ ই-মেইল বন্ধ করেছে গুগল

প্রযুক্তি ডেস্কঃ এবার গুগল সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রতারণামূলক কাজে ব্যবহৃত ১৬ লাখ ই-মেইল বন্ধ করেছে। গত ৬ মাসে এসব ই-মেইল বন্ধ করে দেয় গুগল। এসব ই-মেইলের উদ্দেশ্য ছিল ইউটিউব অ্যাকাউন্ট চুরি করা এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার বাড়ানো। সাইবারক্রাইম ইনভেস্টিগেশন গ্রুপ, ইউটিউব ও জি-মেইলসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ৯৯ দশমিক ৬ শতাংশ ফিশিং ই-মেইল বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে গুগলের থ্রেট অ্যানালাইসিস গ্রুপ।

এক ব্লগপোস্টে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ইতোমধ্যে ১৬ লাখ ফিশিং ই-মেইল বন্ধসহ ৬২ হাজার সেফ ব্রাউজিং ফিশিং পেজের জন্য সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ৪ হাজার অ্যাকাউন্ট সফলভাবে পুনরুদ্ধার করেছি।

গুগল আরও বলেছে, সাইবার অপরাধীরা ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস, ভিপিএন, মিউজিক প্লেয়ার ও ফটো এডিটিং সফটওয়্যার এবং অনলাইন গেমসের মতো বিভিন্ন প্রলোভনমূলক ই-মেইল ব্যবহারকারীদের কাছে পাঠায়। এসব ই-মেইলে ক্লিক করার ফলে তাদের ইউটিউব চ্যানেলের দখল নেয় হ্যাকাররা। পরবর্তীতে সেগুলো তারা বিক্রি করে দেয়, অথবা ক্রিপ্টোকারেন্সি-কেন্দ্রিক প্রতারণার জন্য ব্যবহার করে।

এজন্য অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় অপরিচিত কোনো ই-মেইলে ক্লিক না করার পরামর্শ দিয়েছে গুগল।

সূত্র: গ্যাজেটস নাও। 

ফুলকপির নানা গুন সম্পর্কে জানেন কী?

সিএনবিডি ডেস্কঃ শীতকালীন সবজি ফুলকপি স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। কারণ এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন রোগের নিরাময়। বিশেষ করে ফুলকপি খেলে হৃদযন্ত্র ভালো থাকে। এছাড়াও এটা ক্যানসার প্রতিরোধ করতেও সহায়তা করে। এই ফুলকপি এখন প্রায় সারা বছর ধরেই পাওয়া যায়।

আসুন জেনে নিই ফুলকপির উপকারিতা সমূহ:

# ফুলকপিতে রয়েছে সালফোরাফেন। এই উপাদান ক্যানসারের স্টেম সেল মেরে টিউমারের বৃদ্ধি আটকায়। ফুলকপির এই উপাদান প্রস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

# ফুলকপি ফাইবার-সমৃদ্ধ। যা হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

# ফুলকপিতে রয়েছে কোলিন। এটি এক ধরনের ভিটামিন বি। যা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

# ফুলকপিতে থাকা সালফোরাফেন ওজন ঝরাতে সাহায্য করে।

# এটি ভিটামিন কে সমৃদ্ধ। যা হাড় শক্ত রাখে। ফুলকপিতে উপস্থিত ফাইবার হজমে সাহায্য করে।

# কিডনি রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে ফুলকপিতে থাকা ফাইটোকেমিক্যালস।

# ফুলকপিতে থাকা বিভিন্ন রকমের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চামড়ার ডার্ক স্পট কাটাতে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র: আমেরিকান ইন্সটিটিউট ফর ক্যান্সার রিসার্চ। 

আজ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামছে আফগানিস্তান

স্পোর্টস ডেস্কঃ আজ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে গ্রুপ বি হতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছে আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ড। আফগানিস্তান বনাম স্কটল্যান্ডের মধ্যকার খেলাটি আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টায় শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম,  শারজায় অনুষ্ঠিত হবে।

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারর স্কটিশ দল যে কোন সময়ের স্কটল্যান্ডের থেকে শক্তিশালী। স্কটল্যান্ড মানসিক দিক থেকেও  অনেক তুঙ্গে। সুপার টুয়েলভে আফগানিস্তানের ম্যাচের আগে এমনটাই জানিয়েছেন স্কটল্যান্ড।

স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটার জানান, তারা জয়ের জন্য আজ মাঠে নামবে এবং জয় ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে তারা ভাবছে না।

আফগানিস্তানের রয়েছে বিশ্বসেরা বোলিং লাইনআপ। আফগানিস্তান তাদের বোলিং দিয়ে যে কোন দলকে কাবু করার ক্ষমতা রাখে। রাশিদ খান মোহাম্মদ নবীদের নিয়ে গড়া দলটি যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। আফগানিস্তান বিশ্বকাপ খেলতে আসার সময় জানিয়েছিল এবার তারা বিশ্বকাপ জিতার জন্য মাঠে নামবে।

রশিদ খান বলেন, নিজেদের দিনে আফগানিস্তান সবার সেরা, আমরা কোন দলকে পরোয়া করি না আমরা মাঠে নামি শুধু জিতার জন্য।

আফগানিস্তান টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে সরাসরি খেলছে। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী যে সমস্ত দল গুলো টি টোয়েন্টি র‍্যাংকিং এ ১-৮ থাকবে তারা সরাসরি টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে। আফগানিস্তান র্যাংকিয়ে এগিয়ে থাকায় শেষ পর্যন্ত টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

উল্লেখ্য, টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত একবারের দেখায় আফগানিস্তান স্কটল্যান্ডকে হারিয়েছিল।

বেগমগঞ্জের হামলার ঘটনায় বিএনপি-জামায়াত নেতাসহ গ্রেপ্তার ১১

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ সম্প্রতি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় পূজামণ্ডপসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার ঘটনায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ও জামায়াত নেতাসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ অক্টোবর) রাতভর জেলার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ সোমবার (২৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- সদর উপজেলার জাহানারাবাদ গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে মো. রায়হান (৩৮), পূর্ব চরমটুয়া গ্রামের মৃত কারিমুল হক চৌধুরীর ছেলে ফয়সাল বারী চৌধুরী (৪৫), পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্যসচিব ও সূর্য নারায়ণবহর গ্রামের আব্দুস শুক্কুরের ছেলে বেলায়েত হোসেন (২৬)। চাটখিল উপজেলার ছয়ানী টগবা গ্রামের শাহজাহানের ছেলে পারভেজ হোসেন (২৯)। সোনাইমুড়ী উপজেলার দক্ষিণ পেয়ারাপুর গ্রামের মৃত বদি আলমের ছেলে আব্দুল বারেক (৫৫)। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরহাজারী ৩ নং ওয়ার্ডের আব্দুস সোবাহানের ছেলে মিন্টু (২৩)। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ও বেগমগঞ্জ উপজেলার রাজুল্লাহপুর গ্রামের আবু হানিফের ছেলে ফয়সাল ইনাম কমল (৩৯), মীর ওয়ারিশপুর গ্রামের তোফায়েল আহাম্মদের ছেলে আলাউদ্দিন (৩২), নরোত্তমপুর গ্রামের মুজিবুল হকের ছেলে ফজলুর করিম সুমন (৩২), হাজীপুর গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে আব্দুল বাকী শামীম (৪১)। সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা কাজীরখিল গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. হারুনুর রশিদ (৪৮)।

এসপি মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য দলীয় স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে মানুষকে উসকানি দিয়েছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা রিমান্ড প্রার্থনা করে আসামিদের থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা করব।

তিনি আরো বলেন, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনা সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। মন্দির ও পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, পূজা চলাকালে সহিংসতার ঘটনায় জেলায় মোট ২৬টি মামলা করা হয়েছে। মোট গ্রেপ্তার ১৯২ জন। এর মধ্যে এজাহারনামীয় আসামি ৯০ জন আর সন্দিগ্ধ ১০২ জন।

বিএনপি’র রিজভী-দুলুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

সিএনবিডি ডেস্কঃ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং দলটির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আজ সোমবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর শাহবাগ থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত মামলাটির অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তাপস কুমার পাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৮ সালের মার্চ মাসে শাহবাগ থানায় করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র আজ আমলে নিয়েছেন আদালত। এই মামলায় পলাতক আসামি বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। রিজভী ও দুলু ছাড়া বাকি চারজনের নাম জানা যায়নি।

আগামী ১২ ডিসেম্বর আসামিদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত মোট আসামির সংখ্যা ১৮। এর মধ্যে ১২ জন জামিনে আছেন। আজ শুনানির সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।