সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: সাম্প্রতিক সময়ে দেশব্যাপী সংখ্যালঘু নির্যাতন, হত্যা এবং অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার শ্রীমঙ্গল চৌমুহনা চত্তরে ‘সাধারণ সনাতনী সমাজ’ এর ব্যানারে ঝড়, বৃষ্টি উপেক্ষা করে এ মানববন্ধন করা হয়।

উল্লেখ্য দেশের কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, কমলগঞ্জ, রাঙ্গামাটি, হাজীগঞ্জ, হবিগঞ্জ, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন ধারাবাহিক হামলার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল সহ দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে বিভিন্ন সামাজিক রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে একটি চক্র সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দিচ্ছে। দেশকে অস্থিতিশীল করার গভীর চক্রান্তে লিপ্ত। তাই পালা করে দেশের সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় উপাসনালয় ভাংচুর লুটপাট অগ্নিসংযোগ এবং হত্যার মত জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে দেশের সকল সু-নাগরিক এবং বাঙালি সত্ত্বার ধার্মিক মানুষগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এরই আলোকে সকল অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানানো হয় দেশের প্রশাসন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট।

মানববন্ধনে সকল সনাতনী সমাজের সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মানবধিকার কর্মী এস কে দাশ সমুন, কানাই লাল দাস, টি এস এস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জগদীশ দাশ, প্রিতম দাশ, সুদীপ্ত দে, সৌমিক দেব প্রমূখ।

সকলের বক্তব্য উঠে আসে এই দূর্গা পূজা উদযাপন থেকে শুরু হওয়া ধংশযোগ্যের শেষ কোথায়, অচিরে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

তিস্তা ব্যারেজের সব গেট খুলে দিল পানি উন্নয়ন বোর্ড

ঈশাত জামান মুন্না, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: ভারি বর্ষণ, উজানের ঢল ও ভারতের গজলডোবার সবগুলো গেট খুলে দেওয়ায় বাড়ছে তিস্তার পানি। এতে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৯০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় ফ্লাড বাইপাস ভেঙ্গে গেছে।

গতকাল বুধবার (২০ অক্টোবর) ভোর থেকে তিস্তার পানি বাড়ায় লালমনিরহাটের তিন উপজেলার তিস্তার চর এলাকায় প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে কয়েক হাজার হেক্টর ধানক্ষেত, আগাম ভুট্টা খেত, আলু খেত।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) রাত থেকে তিস্তার পানি বেড়ে ডালিয়া পয়েন্টে ৫২ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে। বুধবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৭ টায় ওই পয়েন্টে ৬৫ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যা বিপৎসীমার ৯০ সেন্টিমিটার ওপরে। তিস্তার পানি ক্রমেই বাড়ছে।

এদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, সিঙ্গামারি, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, চর বৈরাতি তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করে প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বলেন, মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) রাত থেকে হঠাৎ পানি বাড়তে থাকায় ধানক্ষেতসহ রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করে অনেক পরিবার উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা বলেন, উজানের ঢলে ও ভারী বৃষ্টিপাতে তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৯০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ভারতের গজলডোবার ৪৪ টি গেট খুলে দেয়া হয়েছে। তাই তিস্তাপাড়ের মানুষদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার জন্য বলা হচ্ছে।

উলিপুরে ক্ষ‌তিগ্রস্ত দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেছেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের উলিপুরে হামলায় ক্ষ‌তিগ্রস্ত সব কয়টি দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেছেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার স‌ঞ্জিব কুমার ভা‌টি। গেল মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তিনি উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের প‌শ্চিম কালুডাঙ্গা ব্রাহ্মণপাড়া সার্বজনীন মন্দির, নেফরা শ্রী শ্রী দুর্গাম‌ন্দি‌র, ভূতের বাজার সার্বজনীন দুর্গাম‌ন্দির এবং থেতরাই ইউনিয়নের হোকডাঙ্গা ভরতপাড়া সার্বজনীন দুর্গাম‌ন্দি‌র ও ফাঁসিদাহ বাজার সার্বজনীন দুর্গাম‌ন্দি‌র প‌রিদর্শন করেন।

প‌রিদর্শনকালে সহকারী হাইকমিশনার সাংবা‌দিক‌দের জানান, এ রকম প্রতিটি ঘটনাই অত্যন্ত দুঃখজনক। এসময় ভুক্ত‌ভো‌গীরা সেদি‌নের বর্বরতার কথা তু‌লে ধ‌রে ন‌্যায়বিচা‌র কামনা ক‌রেন।

মন্দির পরিদর্শনের সময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন মন্টু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উলিপুর সার্কেল) মাহমুদ হাসান, উলিপুর থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির, বাংলা‌দেশ ব্রাহ্মণ সংস‌দের যুগ্ম মহাস‌চিব ও জেলা পূজা উদযাপন প‌রিষ‌দের সহ-সভাপ‌তি উদয় শঙ্কর চক্রবর্তী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির উলিপুর শাখার সভাপতি সৌমেন্দ্র প্রসাদ পাণ্ডে গবা, সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র বর্মণ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ উলিপুর উপজেলা শাখার সভাপতি পার্থ সারথি সরকার, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল রায় সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা উপ‌স্থিত ছিলেন।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সংঘতি সভা অনুষ্ঠিত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিশেষ সংহতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের (সদর-রাজনগর) সংসদ সদস্য ও আওয়ামীলীগের মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি নেছার আহমদ।

উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আয়োজিত এ গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ সংহতি সভায় সভাপতিত্ব করেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান। সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, পৌর মেয়র ফজলুর রহমান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ, এনএসআই-এর উপপরিচালক।

এছাড়াও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শামসুজ্জোহা, শামসুল ইসলাম, আহমদ বেলাল, পঙ্কজ রায় মুন্না, অ্যাডভোকেট রাধাপদ দেব সজল, মানবীর রায় মঞ্জু ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আয়োজিত সভায় সকলের সহযোগিতা কামনা আসা করেন জেলা প্রসাশন।

রাণীশংকৈলে ইএসডিও’র অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে গত মঙ্গলবার ইএডিও’র বাস্তবায়নে এবং এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহোযোগিতায় দলিত ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে এদিন দুপুরে উপজেলা কনফারেন্স রুমে অবহিতকরণ কর্মশালায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহার সভাপতিত্বে এবং ইএসডি’র প্রেমদ্বীপ প্রকল্প ম্যানেজার খারুল আলমের সঞ্চালনায়  প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহারিয়ার আজম মুন্না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, ওসি জাহিদ ইকবাল, ইএসডিও’র একসেস প্রকল্প প্রোগ্রাম ম্যানেজার আমিনুল হক ।

আরও বক্তব্য দেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুর রহিম, ইউনিয়ন সহকারি ভূমি  কর্মকর্তা জাহিরুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনজুরুল আলম, ইউপি চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম, সাংবাদিক কুসমত আলী প্রমুখ।

এছাড়াও ইএসডি’ওর একসেস প্রকল্পের এম ই আবু শাহীন, কমিনিউটি ফ্যাসিলেটর মোশারফ হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কর্মকর্তা কর্মচারি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তরা এই উপজেলায় সমতলে দলিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ও অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর করাসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের কথা ব্যক্ত করেন।

ফুলবাড়ীতে ছাত্রলীগের সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে দেশব্যাপি সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সম্প্রীতি সমবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। গত মঙ্গলবার দুপরে উপজেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে শান্তি শোভাযাত্রা উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

পরে তিনকোণা মোড়ে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তৌকির হাসান তমাল ও সাধারণ সম্পাদক মোছাব্বীর রহমান হ্যাভেন বক্তব্য রাখেন।

এসময় বক্তারা বাংলাদেশের শত বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান এবং দলের সকল নেতাকর্মীকে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তৎপরতা প্রতিরোধে প্রস্তুত থাকার নিদের্শ দেন।

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর /এমআরবি

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা নারী তুরস্কের রুমেইশা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বিশ্বের সব চেয়ে লম্বা নারী তুরস্কের রুমেইশা গেলগি। কয়েক দিন আগে গিনেস বুকে নাম উঠেছে ২৪ বছর বয়সী রুমেইশার। তার উচ্চতা সাত ফুট ০.৭ ইঞ্চি। অর্থাৎ প্রায় ২১৫.৬ সেন্টিমিটার।

রুমেইশা জন্মলগ্ন থেকেই ‘উইভার সিন্ড্রোম’-এ আক্রান্ত। ‘উইভার সিন্ড্রোম’ এক ধরনের বিরল জিনের রোগ, যার জেরে অস্বাভাবিক হারে দ্রুত বাড়তে থাকেন রোগাক্রান্ত ব্যক্তি। অধিক লম্বা হওয়ার কারণে হাঁটতে চলতে অসুবিধে হয় রুমেইশার। তাই হুইলচেয়ারই ব্যবহার করেন তিনি। তবে মাঝে মধ্যে ওয়াকারে ভর দিয়ে হাঁটারও চেষ্টা করেন।

তিনি বলেন, ‘সমস্ত ধরনের অসুবিধাকে সুযোগে বদলে ফেলা সম্ভব। তবে তার জন্য নিজের বর্তমান অবস্থাকে মেনে নিতে হবে। নিজে কী পারো আর না-পারো, সেটাও জানা ভীষণ জরুরি।’

২০১৪ সালে রুমেইশার বয়স যখন ১৮, তখনও বিশ্বের সব চেয়ে লম্বা মেয়ে হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তার নাম উঠেছিল।

প্রসঙ্গত, বিশ্বের সব চেয়ে লম্বা পুরুষ সুলতান কোসেনও তুরস্কের বাসিন্দা। সুলতানের উচ্চতা ৮ ফুট ২.৮ ইঞ্চি।

সূত্র: বিবিসি, আনন্দবাজার।

ওমানের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প নেই টাইগারদের

স্পোর্টস ডেস্কঃ বাংলাদেশের জন্য ওমানের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প নেই। এই ম্যাচটি এখন বাঁচা-মরার লড়াই। তাই মাস্কাটের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে গ্রুপ ‘বি’তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সহ-আয়োজক ওমানের বিপক্ষে ম্যাচটি টাইগারদের জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ। জয়ের ধারায় ফিরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখার এটাই এখন শেষ উপায়। কারণ নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে গেছে টিম বাংলাদেশ।

আর সে লক্ষ্য নিয়েই আজ ১৯ অক্টোবর, মঙ্গলবার ওমানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে। সরাসরি দেখাবে গাজী টিভি ও টি-স্পোটর্সে। বাংলাদেশের জন্য দ্বিতীয় ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিলো সুপার টুয়েলভ নিশ্চিতের, কিন্তু এখন তারা বাঁচা-মরার লড়াইয়ে নামছে।

এখন পর্যন্ত একবার ওমানের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাছাই পর্বের রাউন্ডে ওমানকে বৃষ্টি আইনে ৫৪ রানে জিতেছিল টাইগাররা। ব্যাট হাতে ৬৩ বলে ১০৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন তামিম ইকবাল। এ ফরম্যাটে বাংলাদেশের পক্ষে এটিই একমাত্র সেঞ্চুরি। তবে এবারের বিশ্বকাপে দলে নেই  তামিম।  নিজ থেকেই বিশ্বকাপ দল থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ দল 

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার, লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ নাঈম শেখ, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, রুবেল হোসেন, শরিফুল ইসলাম, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ ও তাসকিন আহমেদ।

পেঁয়াজ নিয়ে বিপাকে হিলির আমদানিকারকরা

অর্থনীতি ডেস্কঃ পেঁয়াজের আমদানি বাড়ায় কমতে শুরু করেছে দাম। প্রতি কেজিতে কমেছে ৪ থেকে ৫ টাকা। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) হিলি স্থলবন্দর সুত্রে এ তথ্য পাওয়া যায়।

হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজার সুত্রে জানা গেছে, প্রতি কেজি ভারতীয় আমদানিকৃত পেঁয়াজ প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা থেকে ৩৫ টাকায়। দাম কমাতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক রাখতে তারা বেশি বেশি পেঁয়াজ আমদানি করছেন। ক্রেতা না থাকায় আমদানিকৃত পেঁয়াজ নিয়ে বিপাকে বিক্রেতারা। অতিরিক্ত গরমে নষ্ট হচ্ছে পেঁয়াজ।

এছাড়া, পূজার আগে মজুত করে রাখা পেঁয়াজও এখনো বিক্রি করতে পারেনি তারা। এ অবস্থায় কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

কেরালায় বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালায় প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ৩৫ জনে। কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টির পর সৃষ্ট দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে রাজ্যটিতে প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। রাজ্যটিতে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির মধ্যেই বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নিখোঁজদের উদ্ধারে কেরালায় ভারতীয় সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা পূর্ণ শক্তি নিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। সোমবার তারা রাজ্যটির বিভিন্ন দুর্যোগপীড়িত স্থানে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন।

আলজাজিরা বলছে, কেরালার বহু জায়গা জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় এলাকায় এখনও অনেক মানুষ আটকে রয়েছেন। একইসঙ্গে বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। যার কারণে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

এ পরিস্থিতিতে কেরালার দুটি বড় নদীর বাঁধের গেট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। ফলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, যে দুটি বাঁধের পানি ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, তার মধ্যে একটি এশিয়ার বৃহত্তম খিলেন বাঁধ ইদ্দুকি। এটি পেরিয়ার নদীর ওপর নির্মিত। অন্যটি ইদামালায়ার বাঁধ। এই বাঁধটিও পেরিয়ারেরই একটি উপনদীর ওপর তৈরি করা হয়েছে।

এদিকে কেরালা রাজ্য প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্যের অধিকাংশ জেলা যেখানে প্লাবিত সেখানে বাঁধের পানি ছেড়ে দিলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। তবে প্রশাসনের সতর্কবার্তা মেনে চললে সাধারণ মানুষও ক্ষয়ক্ষতি এড়িয়ে চলতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

অবশ্য শুধু কেরালা নয়। সোমবার উত্তরাখণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, রাজস্থান, দিল্লি-সহ ভারতের আরও ১০টি রাজ্যে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরাখণ্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় পাঁচ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন দু’জন।

এছাড়া রোববার রাত থেকে সোমবার সারা দিন হওয়া টানা ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, উড়িষ্যা এবং উত্তরপ্রদেশ।