মান্দায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদক সেবনে বাঁধা দেওয়ায় শিক্ষক ও কর্মচারী লাঞ্চিত

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর মান্দার সতিহাট কে টি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের কক্ষে মাদক সেবন করতে না দেওয়ায় শিক্ষক ও অফিস সহায়ককে মারপিট করেছে ওই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ বহিরাগতরা। এবিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ লুৎফর রহমান মন্ডল বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গত রবিবার (১০ অক্টোবর) ওই প্রতিষ্ঠানের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে শনিবার (৯ অক্টোবর) রাতে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে জিলাপি ভাজার কাজ চলছিলো।

এ সময় আনুমানিক রাত ১০ টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের এনামুল হকের ছেলে সুইট হোসেন (৩০), মামুন হোসেনের ছেলে মিঠু (২৮) ও খাতামুল ইসলামের ভাগিনা রিমন (২৯) (প্রাক্তন ছাত্র) মাদক সেবনের জন্য একটি কক্ষ খুলে নিতে চায়। রুম খুলে দিতে না চাইলে তারা হুমকি প্রদান করে চলে যায়।

এ ঘটনার জের ধরে পরের দিন সকালে প্রতিষ্ঠানের ভিতর অনধিকার প্রবেশ করে গাছের ডাল দিয়ে প্রতিষ্ঠানের সহায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩০) কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার এক পর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করে এবং এলোপাথারি ভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফোলা জখম করে। তাকে বাঁচানোর জন্য প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক (মৌলভী) মোঃ মিজানুর রহমান এগিয়ে গেলে তাকেও শারীরিক ভাবে হেনস্তা করে। এরপর প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ঘটনাস্থলে গেলে তাকে মারপিট করার জন্য উদ্ধত হলে প্রাণ ভয়ে তিনি দৌড়ে অফিস কক্ষে প্রবেশ করেন। এরপর তারা অধ্যক্ষকে প্রাণনাশের হুমকিধামকি দিয়ে চলে যায়।
 

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার আগের দিন রাতে প্রতিষ্ঠানে এসএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান উপলক্ষে দোয়া মাহফিল এর জন্য জিলাপি ভাজার জন্য আমরা কিছু শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ প্রতিষ্ঠানে ছিলাম। এসময় অভিযুক্তরা মাদকদ্রব্য সেবনের জন্য আসলে আমি তাদের বাঁধা দেয়। একারণে পরদিন সকালে তারা অতর্কিত ভাবে প্রতিষ্ঠানে এসে আমাকে আক্রমণ করে মারপিট করে। এসময় আমার সহকর্মীরা আমাকে রক্ষা করে।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক (মৌলভী) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারীকে মারপিট করার সময় আমি তাকে রক্ষা করতে গেলে তারা আমাকেও শারীরিক ভাবে হেনস্তা করে।

এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ লুৎফর রহমান মন্ডল বলেন, আমার প্রাক্তন ছাত্রসহ বহিরাগতরা আমার প্রতিষ্ঠানের সহকর্মীদের মারপিট করার সময় আমি এগিয়ে গেলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারতে উদ্ধত হলে প্রাণ ভয়ে আমি অফিস কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিই। তখন তারা বাহিরে থেকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে চলে যায়। এরপর আমি আমার সহকর্মীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা করে সকলের পরামর্শ ক্রমে থানায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করি।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিনুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মোঃ লুৎফর রহমান মন্ডল বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে গত সোমবার দিবাগত রাতে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতার করা যায়নি। তবে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলেও জানান ওসি।

ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে নিহত ৯, নিখোঁজ ১১

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ফিলিপাইনে ঘুর্ণিঝড় কম্পাসুর আঘাতে ৯ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (১১ অক্টোবর) আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ে নিখোঁজ হয়েছেন আরও ১১ জন। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

সোমবার সন্ধ্যায় ‘কমপাসু’ প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) বেগে ফিলিপাইনে অবতরণ করে। এ কারণে আশেপাশের প্রায় ১৬০০ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ বেনগুয়েতে ঝড়ো বাতাস ও মুষলধারে বর্ষণের প্রভাবে সৃষ্ট ভূমিধসে ৪ জন মারা গেছেন। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় দেশটির দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপরাজ্য পালাওয়ানে মারা গেছেন আরও ৫ জন। কর্তৃপক্ষ ভূমিধসের পর নিখোঁজ ১১ জনের জন্য অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।

ফিলিপাইন মূলত দ্বীপপুঞ্জ রাষ্ট্র। এই দ্বীপপুঞ্জে মোট ৭ হাজার ৬০০ টিরও বেশি দ্বীপ রয়েছে। প্রতিবছর এসব দ্বীপে প্রায় ২০ টি ঝড় কিংবা ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। আর ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক বর্ষণের কারণে ভূমিধস ফিলিপাইনে একটি সাধারণ ঘটনা।

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রডরিগো দুতার্তের মুখপাত্র হ্যারি রকু জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট নিজে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের উদ্ধার অভিযান নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

রাজ্য আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, মঙ্গলবার ১৩তম গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ফিলিপাইনে ঢুকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র : রয়র্টাস।

নওগাঁ সদর হাসপাতালে রিপ্রেজেন্টেটিভদের কারণে বিব্রত সেবা প্রত্যাশীরা

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি: হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ফেরার পথে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা (রিপ্রেজেন্টেটিভ) রোগীর ব্যবস্থাপত্র নিয়ে টানাটানি শুরু করেন। নিজেদের কোম্পানির ঔষধ লেখা আছে কিনা তা দেখার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন। কেউ বা তাদের মুঠোফোন দিয়ে ব্যবস্থাপত্রের ছবি তুলে রাখেন। এতে রোগীরা অস্বস্থি ও বিব্রতের মধ্যে পড়ে। এমন দৃশ্য প্রায় দেখা যায় নওগাঁ সদর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল চত্বরের ভিতরে। হাসপাতালে সেসব রোগীরা আসে তাদের মধ্যে অনেক গুরুত্বর রোগি থাকে। হাসপাতাল কৃর্তপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন সচেতনরা।

জেলার একমাত্র ভরসারস্থল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নওগাঁ সদর হাসপাতাল। প্রতিদিন এই হাসপাতালে শত-শত রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। কিন্তু সেবা নিতে এসে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধির কারণে। হাসপাতাল চত্বরে টিকিট কাউন্টারের পাশে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন। হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীরা চিকিৎসা নিয়ে ফেরার পথে টিকিট কাউন্টারের পাশে ব্যবস্থাপত্র ও চিকিৎসা নির্দেশিকা বই দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। এতে করে একদিকে যেমন বিব্রত রোগীরা অন্যদিকে বেড়েই চলছে ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের দৌরাত্ব।

বক্তারপর গ্রামের আব্দুস ছাত্তার বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসকের চেম্বার থেকে বের হওয়ার পর টিকিটি কাউন্টারের সামনে ৩/৪ জন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকে ঘিরে ধরেন। এরপর ব্যবস্থাপত্রটি নিয়ে কী কী ওষুধ লিখা আছে দেখা শুরু করে। অন্যদিকে একজন মোবাইল ফোনে বইটির ছবি তুলেন। প্রায় ২ মিনিট পর আবারও ফেরত দেয়া হয়।

শহরের কোমাইগাড়ীর বাসিন্দা ফরিদা পারভিন বলেন, এক বছরের বাচ্চার কয়েকদিন থেকে জ্বর-সর্দি। শিশু ডাক্তারকে দেখানোর পর ফিরছিলাম ঠিক তখনই টিকিট কাউন্টারের পাশে এক লোক কাগজটি (ব্যবস্থাপত্র) দেখতে চাইল। না বুঝেই তাকে দিলাম। এরপর কাগজটির ছবি তুলে নিয়ে আবার দিয়ে দেয়। এতে বিব্রত মনে হলো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রিপ্রেজেন্টেটিভ বলেন, আমরা সেলস বিভাগে কাজ করি। নানা সময় চিকিৎসকদের নানা ধরনের সুবিধা ও উপহার দিয়ে থাকি। আমাদের কোম্পানির ওষুধ ব্যবস্থাপত্রে লিখা আছে কিনা তা দেখার জন্য হাসপাতাল চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকি। চিকিৎসকরাও বিষয়টি জানে।

ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড নওগাঁর রিজিওন্যাল ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রোগীর অনুমতি ছাড়া ব্যবস্থাপত্র প্রতিনিধিদের হাতে নিয়ে দেখতে নিষেধ করা আছে। রিপ্রেজেন্টেটিভদের কাজের অংশ বিভিন্ন হাসপাতাল ও ওষুধের দোকান ভিজিট করা। যদি কেউ ব্যবস্থাপত্র দেখাতে না চান তবে জোর করা যাবেনা।

ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড নওগাঁর সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার শাহিন কাদের বলেন, হাসপাতাল কৃর্তপক্ষ আমাদের অনুমতি বা নিষেধ কোনটাই করেনি। যার কারণে আমাদের রিপ্রেজেন্টেটিভরা রোগীদের অনুমতি নিয়েই ব্যবস্থাপত্র দেখে থাকেন। আমরা ডাক্তারদের স্ব স্ব কোম্পানির ওষুধ লিখার জন্য বলিনা। রিপ্রেজেন্টেটিভরা অনেক সময় ডাক্তারদের সাথে সাক্ষাত করতে যায় পরিচিত হয়। এর বাহিরে কিছু নয়। আর যদি হাসপাতাল কৃর্তপক্ষ নিষেধ করে তবে আমাদের কোন রিপ্রেজেন্টেটিভরা হাসপাতালে যাবেনা।

নওগাঁ সদর হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ ইবনে ইমাম বলেন, হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীরা এখন পর্যন্ত রিপ্রেজেন্টেটিভদের বিরুদ্ধে জরালোভাবে কোন অভিযোগ করেনি। তাই তাদের বিরুদ্ধে এখনও কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। হাসপাতাল চত্বরে তাদের আসার ক্ষেত্রে অনুমতি বা নিষেধ করা হয়নি। যদি কোন চিকিৎিসক ওষুধ কোম্পানীর স্বার্থ রক্ষা করে ওষুধ লিখে তবে রোগীর স্বাস্থ্য বিপন্ন হওয়ার উপক্রম হতে পারে। রিপ্রেজেন্টেটিভদের মন জোগাতে ওষুধ লেখার প্রবনতা অনেক চিকিৎসকের রয়েছে যা অস্বীকার করা যাবেনা।

তিনি বলেন, আমরা প্রতিদিই রিপ্রেজেন্টেটিভদের নিষেধ করে থাকি যে হাসপাতাল চত্বরে তাদের কারনে কোন রোগী বা অবিভাবকরা যেন বিরক্ত না হয়। তবে এ সমস্যার সুরহা করতে কিছুটা সময় লাগবে।

ফুলবাড়ীতে ফাঁস দিয়ে মুয়াজ্জিনের আত্মহত্যা

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে গলায় রশির ফাঁস দিয়ে মসজিদের এক মুয়াজ্জিন আত্মহত্যা করেছে।

ওই মুয়াজ্জিনের নাম আব্দুল জব্বার (৭০)। তিনি উপজেলার ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের  ভাঙ্গামোড় গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে এবং মধ্য রামরাম সেন জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন।

 ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবু মুসা জানান, কয়েকদিন  ধরে আব্দুল জব্বারের মাথায় সমস্যা দেখা দেয়। মাথায় যন্ত্রণা হওয়ায় তিনি মাঝে মাঝে ছটফট করতেন। এ অবস্থায়  মঙ্গলবার ফজরের নামাজের পর সকলের অজান্তে বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত স্কুল ঘরের আড়ার  সাথে গলায় রশি পেচিয়ে সে আত্নহত্যা করেন তিনি।

সকাল নয়টার দিকে স্কুলের পাশ দিয়ে যাওয়া লোকজন লাশ ঝুলতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

ফুলবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) সারওয়ার পারভেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

নওগাঁয় চলমান শরদীয় দূর্গৎসবে ৮২০টি পূজামন্ডপে ৪১০ মেট্রিক টন চাল বিতরন

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ চলমান শারদীয় দূর্গোৎসবে নওগাঁ জেলায় ৮২০টি পূজা মন্ডপের অনুকূলে ৪১০ মেট্রিক টন চাল বিতরন করা হয়েছে। জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা কামরুল আহসান জানিয়েছেন প্রতিটি মন্ডপে ৫শ কেজি করে চাল বিতরন কার্যক্রম ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

উপজেলা ভিত্তিক দূর্গাপূজা মন্ডপের সংখ্যা এবং চাল বিতরনের পরিমান হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ১১৮টি পূজা মন্ডপের অনুকুলে ৫৯ মেট্রিক টন, নিয়ামতপুর উপজেলায় ৬২টি পূজা মন্ডপের অনুকুলে ৩১ মেট্রিক টন, সাপাহার উপজেলায় ১৭টি পূজা মন্ডপের অননুকুলে ৮.৫ মেট্রিক টন, পোরশা উপজেলায় ২০টি পূজা মন্ডপের অনুকুলে ১০ মেট্রিক টন, ধামইরহাট উপজেলায় ৩২টি পূজা মন্ডপের অনুকুলে ১৬ মেট্রিক টন, পত্নীতলা উপজেলায় ৮১টি পূজা মন্ডপের অনকুলে ৪০.৫ মেট্রিক টন, বদলগাছি উপজেলায় ১০৭টি সূজা মন্ডপের অনুকুলে ৫৩ দশমকি ৫০০ মট্রিক টন, মহাদেবপুর উপজেলায় ১৫৮টি সূজা মন্ডপের অনুকুলে ৭৯ মেট্রিক টন, মান্দা উপজেলায় ১২৪টি পূজা মন্ডপের অনুকুলে ৬২ মেট্রিক টন,আত্রাই উপজেলায় ৪৯টি পূজা মন্ডপের অনুকুলে ২৪ দশমকি ৫০০ মেট্রিক টন এবং রানীনগর উপজেলায় ৫২টি পূজা মন্ডপের অনুকুলে ২৬ মেট্রিক টন চাল।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার মাধ্যমে জেলার ১১টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সহযোগিতায় এস চাল বতিরন কর হয়েছে।

রাণীশংকৈল পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর চিকনমাটি গ্রামে একটি পুকুর থেকে  মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) কাউসার (৩) রিফাত (৩ বছর ৬ মাস ) ও নামে দুই ভাইয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে ।

মৃত: কাউসার ওই গ্রামের ছাবলু মোহাম্মদের এবং রিফাত সাহাবউদ্দিনের ছেলে। সম্পর্কে তারা দু’জন আপন চাচাতো ভাই।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন আনুমানিক সকাল ১০ টায় কাউসার ও রিফাত  বাড়ীর পাশে খেলা করছিলো । হঠাৎ তাদের দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন  খোঁজাখুঁজি করে। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে  বাড়ীর অদূরে একটি পুকুরে একজন গরুকে গোসল করাতে গিয়ে কাউসারের ভাসমান লাশ দেখতে পায়।

খবর পেয়ে পরিবারের লোক পুকুর থেকে কাউসারের লাশ উদ্ধার করে। এরপর ওই পুকুরেই প্রায় ১ ঘন্টা খোঁজাখুঁজির পর শিশু রিফাতেরও লাশ পাওয়া যায়।

রানীশংকৈল থানার ওসি তদন্ত আব্দুল লতিফ শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে ।

মুরাদনগরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন কুমিল্লার মুরাদনগর ও বাংগরা বাজার দুই থানায় শারদীয় দূর্গোৎসবের মহাষ্টমীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার বিষয়ে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম. তানভীর আহমেদ।

সোমবার সন্ধায় মুরাদনগর উপজেলার ১৪ নং নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড নগরপাড় রায় বাড়ীর পূজাম-প থেকে এ পরিদর্শন শুরু করেণ। পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৯ নং কামাল্লা ইউনিয়নের ৬টি এবং ১নং শ্রীকাইল ইউনিয়নের পূজামণ্ডপসহ সকল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেণ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাদেকুর রহমান,১৪ নং নবীপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আবুল খায়ের উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নিতাই প্রফেসর, সাধারণ সম্পাদক রাম প্রসাদ,বাংগরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ।

এ বছর মুরাদনগর উপজেলায় মোট ১৪৫ টি পূজামণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা উপ নির্বাচনে পেশিশক্তি, কারচুপি জালিয়াতির অভিযোগে নির্বাচন বাতিলের দাবি

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে ব্যাপক ভোট কারচুপি, কেন্দ্র দখল, বিভিন্ন এজেন্টদের গায়ে শারীরিকভাবে আঘাত, ভোট জালিয়াতি, নির্বাচন কমিটি ও প্রশাসনের নিশ্চুপ আচরণ ও নির্বাচন বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় দাবী করা হয়েছে  “প্রশাসনের সহযোগিতায় ভোট দিয়েছে ছাত্রলীগ”। গতকাল সোমবার সকালে ভাড়াউড়া চা বাগানে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়।

পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নুর মিয়ার সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের বালিশিরা ভ্যালীর সভাপতি বিজয় হাজরা, খাইছড়া চা বাগান সভাপতি পুস্ব পায়ংকা, প্রেম সাগর হাজরা প্রমূখ। এসময় প্রতিবাদ ও মানববন্ধন সভায় প্রায় তিনশোর মতো চা-শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, ভোটের দিন সকাল থেকে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে নৌকা প্রার্থীর সমর্থকরা কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার ও দখল করে রেখে জাল ভোট দিয়েছেন। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়। তাঁদের কর্মী মোহন রবি দাশকে নৌকা প্রতিকের সমর্থকরা মারধর করে। এতে মোহন রবি দাশের মাথা ফেটে যায়। এই বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

প্রতিবাদ সভায় নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা এবং নির্বাচনের দিন কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন বর্জনকারী দুই প্রার্থীর একজন প্রেম সাগর হাজরা বলেন, এই উপনির্বাচনের দিন শহরের বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখেছি কোন ভোটাররা ছিল না। তারা সকাল থেকেই জাল ভোট দেওয়া শুরু করে দেয়। কেন্দ্রগুলোতে তেমন কোন ভোটারের উপস্থিতি ছিল না। শুধু ছাত্রলীগ ও যুবলীগদের দেখেছি যাঁরা পুলিশ ও প্রিসাইডিং অফিসারের সামনেই জাল ভোট দিয়েছে। আমি চাই সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার ফিরে আসুক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি জনগণের মা। আমাদের মা, আপনি একমাত্র পারবেন এই নির্বাচন বাতিল করে একটা সুষ্ঠ নির্বাচন দিয়ে জনগণের আস্তা ফিরিয়ে আনতে।

তিনি আরো বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাই এই উপনির্বাচন ভালো করে তদন্ত করে আবার পূর্ন নির্বাচন দেওয়া হোক এবং এই ভোট বাতিল করে এবং পূর্ন নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার দাবী জানাই।

উল্লেখ্য, গত সাত তারিখ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে উপজেলা পরিষদ উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ শুরু হয় তবে ভোটারদের উপস্থিতি তেমন চোখে না পড়লেও দুপুর দুইটা থেকে অস্থির হয়ে উঠে ভোটের মাঠ। নৌকার পক্ষে কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে কয়েকটি ভিডিও। যাতে প্রমাণ মিলে এইসব অভিযোগের। এরই মধ্যে ভোটের শেষ সময়ে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন দুই স্বতত্র প্রার্থী প্রেম সাগর হাজরা ও আফজল হক।

তবে দিন শেষে ভোট গননার পর বিজয়ী ঘোষনা করা হয় আওয়ামীলীগের প্রার্থী ভানু লাল রায়কে।  তিনি ৫৮ হাজার ৩০৫ ভোট পান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নির্বাচন বর্জনকারী  প্রেমসাগর হাজরা আনারস প্রতীক নিয়ে পান ৩৩ হাজার ২৮৩ ভোট।

নির্বাচনে মিজানুর রব লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পান ৭৯৪ ভোট এবং আফজল হক ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ১২ হাজার ৪৪৬ ভোট পান। তিনিও কারচুপির অভিযোগে নির্বাচন বর্জন করেছিলেন।

নির্বাচনের তিন দিন আগে নৌকার প্রতিদন্ধী দুই প্রার্থী মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্বাচনে কারপি হবে এবং দুপুর দুইটা থেকে কেন্দ্র দখল করার পরিকল্পনা করে নৌকাকে জিতানোর কৌশল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।

এবং ভোটের দিনেও একই অভিযোগ করে তারা বর্জন করেন। সেদিন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রেমসাগর হাজরা অভিযোগ করেন, সকাল থেকে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নৌকার প্রার্থীর সমর্থকেরা প্রভাব বিস্তার করে রাখেন। দুপুরের পর থেকে নৌকার প্রার্থীর এজেন্ট ও সমর্থকেরা কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দেন। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাঁর এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। বেলা তিনটার দিকে দারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের সামনে তাঁর এক কর্মী মোহন রবি দাশকে নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরা মারধর করেন। মোহনের মাথা ফেটে রক্ত বের হয়।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘চা-শ্রমিকেরা বারবার জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে আসছেন। আমি চা-শ্রমিকের সন্তান হয়ে এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। কিন্তু আমরা যাঁদের বারবার ভোট দিয়ে বিজয়ী করি, তাঁরাই আমাদের এই নির্বাচনে কারচুপি করে পরাজিত করতে নীলনকশা করেছেন।’

এদিকে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেও আলোচনা থামছেনা এই নির্বাচনকে ঘিরে। ভোট কেদ্রের অস্থিরতার ভিডিও ছড়িয়ে পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

কেন্দ্র দখল, জাল ভোটসহ প্রার্থীদের নানা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচনের দিন এই প্রতিবেদক উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা তপন জ্যোতি অসিমের কাজে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে কয়েকটি কেন্দ্রে সামান্য ঝামেলা হয়েছে স্বীকার করেন পাল্ট প্রশ্ন করেন। “কারে কি প্রশ্ন করতে হয় জানেন না”

তবে বিজয়ী প্রার্থী নৌকা প্রতিকের ভানু লাল রায় শুরু থেকেই দাবী করে আসছেন, জনগন নৌকার পক্ষে রায় দিয়েছে নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে। নির্বাচনের পর থেকে বিভিন্ন স্থানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অভিনন্দন জানিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এক মন্দির প্রাক্ষনে লাইভ করা ভিডিও চিত্র থেকে জানা যায় ওনার বিপক্ষে যে সংবাদ কর্মীরা বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের কুকুর সমতুল্য করে ব্যঙ্গ করে বলেন এবং ওনার কর্মী বাহিনীর দুএকজন সংবাদ কর্মীকে হুমকি প্রদর্শন করে বলেন সময় আসলে দেখা যাবে এমন যোগাযোগ মাধ্যম প্রকাশ্যে লিখেন। এই পরিস্থিতিতে সংবাদ কর্মী হিসেবে সত্য তুলে ধরা অন্যায় কাজ করা হলে এভাবে হুমকির মুখে পড়তে হবে এবং যে কোন সময় বিপদগ্রস্তের মুখোমুখি হতে পারি বলে মনে করছি। আমি নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছি।

নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মৌলভীবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘দুই প্রার্থীর ভোট বর্জনের কথা লোকমুখে শুনেছি। তাঁরা আমাদের লিখিত ভাবে জানাননি। ভোট বর্জনের বিষয়টি আইনসিদ্ধ নয়। এখানে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। কিছু ভোটকেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেটা সামাল দিয়েছে। কোথাও কোনো কারচুপি হয়নি। ভোট শতভাগ সুষ্ঠু হয়েছে।’

ফুলবাড়ীতে পুরি খাওয়ার লোভ দেখিয়ে ফুপা কর্তৃক শিশু ধর্ষণ

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী অনন্তপুর মাঠের পাড় গ্রামে প্রতিবেশী দুর-সম্পর্কের ফুপা কর্তৃক  পুরি খাওয়ার লোভ দেখিয়ে সাড়ে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকালে ওই শিশুর মা বাদী হয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে ফুলবাড়ী থানায় এ মামলা করেন।

জানা গেছে, রোববার দুপুরে প্রতিবেশী  আব্দুস ছাত্তারের ছেলে ও  শিশুটির পিতার চাচাত বোনের স্বামী  সাইদুল হক (৪০) এর বাড়ীর উঠানে খেলা করছিল শিশুটি। এ সময় বাড়ীতে লোকজন না থাকার সুবাদে সাইদুল হক শিশুটির হাতে ২০ টাকা দিয়ে পুরি কিনে খাওয়ার লোভ দেখায়। পরে নিজ ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে শিশুটির চিৎকারে তার মা সহ কয়েকজন নারী দ্রুত ঘটনাস্থলে গেলে ধর্ষক সাইদুল পালিয়ে যায়।

স্বজনরা আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে উন্নত চিকিৎসার  জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে  নিয়ে যায়। শিশুটি বর্তমানে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শিশুটির মা জানান, মেয়ের চিকিৎসা চলছে। তার অবস্থা ভালো নয়। আমি ওই লম্পটের উপযুক্ত বিচার চাই।

ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সারওয়ার পারভেজ জানান, মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

নওগাঁর আত্রাইয়ে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাই উপজেলা পরিষদের মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল সোমবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদসভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ এবাদুর রহমান প্রামানিক।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল কালাম আজাদ,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যন শেখ হাফিজুর রহমান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, উপজেলা স্বাস্থ ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ রোখসানা হ্যাপী, উপজেলা কৃষি অফিসারকৃষিবিদ কেএম কাওছার হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমন্ডার আকতারুজ্জামান, উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি কামাল উদ্দিন টগর, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শ্রী নৃপেন্দ্র নাথ দত্ত দুলাল, সাহাগোল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবু, মনিয়ারী ইউপি চেয়ারম্যান আল্লা-মা-শেরই বিপ্লব, আত্রাই পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিমুদ্দিনসহ উপজেলার সকল দপ্তরের দপ্তর প্রধান গন উপস্থিত
ছিলেন।