মুরাদনগর শ্রীকাইল কলেজে ক্যাপ্টেন নরেন্দ্রনাথ দত্তের ১৩৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

মোঃ খোরশেদ আলম, মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী শ্রীকাইল কলেজ ও শ্রীকাইল কৃষ্ণ কুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ক্যাপ্টেন নরেন্দ্রনাথ দত্তের ১৩৭ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। ২১শে সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শ্রীকাইল সরকারি কলেজ অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মিয়া গোলাম সারোয়ারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভিষেক দাশ।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক কামরুল হাসান মিকাইলের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন শ্রীকাইল ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক লুৎফর রহমান, কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল মিয়া।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক শহিদুল হক সরকার, দেওয়ান মোঃ নকিবুল হুদা, ছিদ্দিকুর রহমান, প্রভাষক মোঃ সুমন মিয়া, জাকির হোসেন, জাকিরুর রহমান, মোঃ ওসমান গণি সরকার, সফিকুল ইসলাম, আবু জাফর, আবু সুফিয়ান, ফয়েজ আহম্মেদ, শাহিনুল ইসলাম পলাশ, কামাল হোসেন, সাকিনা আক্তার, সালমা পারভীন, সাবেক গভর্নিং বডি সদস্য সহিদুল ইসলাম বাবু, শ্রীকাইল কে কে উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুল কুদ্দুস, শ্রীকাইল গার্লস স্কুলের সাবেক সদস্য রফিকুল ইসলাম বেগ, মুরাদনগর প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি এম কে আই জাবেদ এবং কলেজের অন্যান্য শিক্ষকগণ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে ক্যাপ্টেন দত্তের জীবনীর উপর রচনা লেখা ও সাতার প্রততিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। রাতে শ্রীকাইল দত্ত বাড়ীতে কলেজের প্রদর্শক লিটন চক্রবর্তীর পরিচালনায় হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুসারে ‘হরিসভা’ আয়োজন করা হবে।

ক্যাপ্টেন নরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৪ সালে ২১শে সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪৯ সালের ৬ এপ্রিল কলকাতায় পরোলক গমন করেন। তাঁর বড় ভাই কামিনী কুমার দত্ত একজন বিজ্ঞ আইনজীবি ও ১৯৫৬-৫৮ সালে পাকিস্তানের আইন মন্ত্রী ছিলেন।

জাস্টিন ট্রুডো’র দানে দানে তিন দান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জয়লাভ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। কানাডার ৪৪তম পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়লাভ করেছে দেশটির ক্ষমতাসীন দল লিবারেল পার্টি। অবশ্য লিবারেল পার্টি নির্বাচনে জয়লাভ করলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি বলে এপির খবরে জানানো হয়েছে।

এদিকে কানাডার নির্বাচন কমিশনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দল লিবারেল পার্টি ১৫৬টি আসনে হয় এগিয়ে রয়েছে না হয় জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে ট্রুডোর প্রধান প্রতিপক্ষ এরিন ওটুলের কনজারভেটিভ পার্টি ১২২টি আসনে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

কানাডার পার্লামেন্টের প্রতিনিধি পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ৩৩৮টি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে নির্বাচনে কোনো দল বা জোটকে ১৭০টি আসনে জয়লাভ করতে হয়। তবে ট্রুডোর দল এবারও সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার চালাতে আগের মতোই অন্যদের সমর্থনের দিকে তাকে তাকিয়ে থাকতে হবে।

নির্বাচনে জয়লাভের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় জাস্টিন ট্রুডো কানাডা ও দেশের নাগরিকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। টুইটে তিনি বলেন, ‘লিবারেল পার্টির ওপর বিশ্বাস রাখা এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বেছে নিতে ভোট দেওয়ায় কানাডার নাগরিকদের ধন্যবাদ।’

তিনি বলেন, ‘আমরা করোনা মহামারির বিরুদ্ধে চলমান লড়াই শেষ করতে যাচ্ছি। সকলকে সঙ্গে নিয়ে আমরা কানাডাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

উল্লেখ্য, জাস্টিন ট্রুডো দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়ের ট্রুডোর পুত্র। ২০১৫ সালে জাস্টিন কানাডার মসনদে বসেন। ২০১৯ সালে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেছিলেন।

জাতিসংঘের ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডিবিএন ডেস্কঃ দেশরত্ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) দারিদ্র্য দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সার্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সঠিক পথে অগ্রসরের জন্য ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ প্রদান করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ পুরস্কার গ্রহণ করে বলেন, তিনি বাংলাদেশের জনগণকে এটি উৎসর্গ করছেন।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের পর টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে (এসডিজি) দ্রুত এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে এ পুরস্কার পাওয়াকে দেশের সফলতার গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে অভিহিত করেন।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন কৌশলবিদ অধ্যাপক জেফ্রি ডি. সচ’র নেতৃত্বে জাতিসংঘ মহাসচিবের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১২ সালে এসডিএসএন প্রতিষ্ঠা করা হয়।

টেকসই উন্নয়নের জন্য বাস্তব ভিত্তিক সমাধান জোরদারে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোই এ প্লাটফর্মের লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক শেখ হাসিনাকে ‘জুয়েল ইন দি ক্রাউন অব দি ডে’ হিসেবে তুলে ধরেন এবং সচ বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনাভাইরাস চলাকালেও এসডিজি প্রচারণা কার্যক্রম চালাতে তার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

এ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এ পুরস্কার হচ্ছে এসডিজি’র লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে জোরালো দায়িত্ব পালনের একটি প্রমাণপত্র।’

প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (ইউএনজিএ) ফাঁকে আজ আরো কয়েকটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ব্রিটেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের যৌথভাবে আয়োজিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সরকার প্রধানদের গুরুত্বপূর্ণ রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেন।

খবর বাসস।

বাংলাদেশি ফাইরুজ পেলেন আন্তর্জাতিক গোলকিপারস অ্যাওয়ার্ড

সিএনবিডি ডেস্কঃ মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে প্রথমবারের মতো বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন থেকে গোলকিপারস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাংলাদেশী এক তরুণী। তিনি মনের স্কুলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাইরুজ ফাইজা বিথার। শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা দূর করে হাসি-আনন্দ ফিরিয়ে আনতে তাঁর সংগঠনটি বিভিন্ন কাজের উদ্যোগ নিয়ে থাকে। ফাইরুজ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন থেকে ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

আজ মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এ পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে।

পুরস্কারপ্রাপ্তির পর দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় ফাইরুজ ফাইজা বিথার বলেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের আরও তরুণ-তরুণী মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হবে। এখানে আমাদের যে দূর্বলতা আছে তা দূর করে ফেলতে পারব ইনশাআল্লাহ।’

মনের স্কুল প্রসঙ্গে ফাইরুজ ফাইজা বিথার বলেন, বর্তমান প্রজন্মের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই হতাশায় ভোগেন। এদের অধিকাংশই জানেন না, কেন তারা হতাশায় ভোগেন। এর চাইতেও ভয়াবহ ব্যাপার হলো, অনেকেই জানেন না কীভাবে তারা এই হতাশা থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন। এদেরকে সাহায্য করতেই খোলা হয়েছে ‘মনের স্কুল’। সেজন্যই আমরা ৭জন মিলে মনের স্কুল শুরু করি।

ফাইজা বলেন, ‘আমাদের মাঝে অনেকেই হতাশাগ্রস্ত হয়ে থাকেন, কিন্তু প্রকাশ করতে পারেন না। আবার নিজের হতাশা দূরীকরণে মানসিক ডাক্তারের কাছে যাওয়াকে পাগলের ডাক্তারি বলে মনে করেন। আমরা এই ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে দিতে চাই।’

নওগাঁর আত্রাইয়ে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী মাদারের গান অনুষ্ঠিত

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ অতিজন প্রিয় লোক সংস্কৃতি মাদারের গান আজ বিলুপ্তির পথে। আজ থেকে প্রায় এক যুগ আগেও এর বেশ প্রচলন দেখা গেছে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। এ উপজেলার অধিকাংশ পাড়া-মহল্লায় সন্ধ্যা থেকে বাড়ির উঠানে, খোলা আকাশের নিচে রাত ভর জমজমাট ভাবে উদযাপিত হতো এই মাদারের গানের আসর। গ্রামের ছোট, বড় সকল বয়সী নারী-পুরুষ হাজারো উৎসুক জনতারা সকলে মিলে, শপ, পাটি ও খরকুটো পেতে এই মাদারের গান উপভোগ করতো। মাদারের গান উপলক্ষে অত্র এলাকায় বিরাজ করতো উৎসব মূখর পরিবেশে। আর এই মাদারের গান কে কেন্দ্র করে বসতো হরেক রকমের খাবারের দোকান।

আজ তা শুধু গল্পের মত শোনা যায়। কিন্তু হঠাৎ করে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পাঁচুপুর ইউনিয়নের বিপ্রবোয়ালীয়া গ্রামের শাহার আলীর বাড়িতে গত সোমবার বিকাল থেকে মঙ্গরবার দুপুর পর্যন্ত দুই দিন ব্যাপী চলে এই গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মাদারের গানের আসর। আর এই ঐতিহ্যবাহী গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া মাদারের গান শোনার জন্য ছোট-বড় সকল বয়সী হাজারো উৎসুক জনতার ভীর জমায়, বিভিন্ন অঞ্চল থেকে শিল্পীরা এই মাদারের গান পরিবেশ করতে আসে।

এ ব্যাপারে উৎসুক জনতার, টুকু সরদার,আব্দুল করিম,শাহানা বেগম, শান্তি বালা, মনিকা বেগমসহ আরো অনেকে জানান,এই জনপ্রিয় গানের আসরের কথা অনেক শুনেছি হঠাৎ করে এতো দিন পরে গ্রাম বাংলার এইআসরে উপস্থিত হতে পেরে ভীষন ভালো লাগছে। এই ধরনের উৎসব গ্রামে আরো হলে এলাকার মানুষের জীবনে নতুন করে আনন্দ ও গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি সম্পর্কে আগামী প্রজন্মের ধারনা সুন্দর, সঠিক ভাবে লালন করে তরুন প্রজন্ম নাশকতাও মাদক থেকে বিরত থাকবে।

এ ব্যাপারে সাহার আলী জানান, মাদারের গান আমি আগে অনেক শুনেছি অনেক দিন থেকেই এই গানের আসর আমার বাড়িতে দেওয়ার ইচ্ছা কিন্তু বিভিন্ন সমস্যার কারণে এই উৎসবটা আমি করতে পারিছিলাম না। কিন্তু সম্প্রতি সময়ে আমার স্ত্রী পারুলের জন্য মান্নত করার কারনে উপজেলার বিশা ইউনিয়নের পার-মোহন ঘোষ থেকে মাদারের গানের শিল্পী নদীর দল ভাড়া করে ছোট পরিসরে হলেও এই গানের আয়োজন করতে পেরে এবং এতো লোকজন উপস্থিত হওয়ায় আমার ভীষন ভালো লাগছে।

কুমিল্লা-৭ আসনে অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী

ডিবিএন ডেস্কঃ কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন বিএসএমএমইউয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। এ সংক্রান্ত এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এরপর গেজেট প্রকাশের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানো হবে।

গতকাল সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার প্রাণ গোপাল দত্তকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। প্রাণ গোপাল দত্তের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) মনিরুল ইসলাম ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। ফলে ওই আসনে একক প্রার্থী হিসাবে প্রাণ গোপাল দত্তের নাম চূড়ান্ত করা হয়।

প্রাণ গোপাল দত্ত ১৯৫৩ সালের ১ অক্টোবর চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি চান্দিনা পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৭০ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রচার সম্পাদক ছিলেন।

এরপর তিনি বিদেশ থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৯ সাল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন টানা দুই মেয়াদে। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন পাননি। তিনি বর্তমানে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। চিকিৎসা সেবার জন্য তিনি ভূষিত হয়েছেন স্বাধীনতা পুরস্কারে, প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসক হিসেবে বেশ পরিচিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ জুলাই পাঁচবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাবেক ডেপুটি স্পিকার অধ্যাপক আলী আশরাফের মৃত্যুতে কুমিল্লা-৭ আসনটি  শূন্য হয়। ৭ অক্টোবর ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করে ২ সেপ্টেম্বর নির্বাচনি তপশিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।   ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিয়ে জমা দেন ৪ জন। ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন মোট ৩ জন। ফলে প্রাণ গোপাল দত্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন।

বাবা-মাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করলেন তেলেগু সুপারস্টার থালাপতি বিজয়

বিনোদন ডেস্কঃ ভারতের তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় তার বাবা এস এ চন্দ্রশেখর ও মা শোভাসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে তামিলনাড়ু রাজ্যের মাদ্রাজ সিটি কোর্টে দেওয়ানি মামলা করেছেন।

জানা গেছে, কয়েক মাস আগে বিজয় এবং তার মা-বাবার সঙ্গে বিবাদসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল। সেখান থেকে জানা গিয়েছিল, বিজয় ফ্যান অ্যাসোসিয়েশন নামে যে ফ্যান ক্লাব রয়েছে, সেটিকে রাজনৈতিক দলে রূপান্তর করেছেন তার মা-বাবা। সে কারণেই মা-বাবাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বিজয়। বিজয়ের বাবা এসএ চন্দ্র শেখর ‘অল ইন্ডিয়া থালাপাতি বিজয় মাকল আইয়াকাম’ নামে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেছেন।

ভারতের নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, দলটির কোষাধ্যক্ষ বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর এবং সাধারণ সম্পাদক তার বাবা এসএ চন্দ্র শেখর। সবার ধারণা ছিল-খুব শিগগির এই দলে যোগ দেবেন বিজয়ও। কিন্তু তা করেননি এ অভিনেতা।

এর আগে ২০২০ সালের নভেম্বরে বিজয় একটি লিখিত বিবৃতিতে বলেছিলেন, আমার বাবার দেওয়া রাজনৈতিক বিবৃতির সঙ্গে আমার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো সম্পর্ক নেই। আমি আমার ভক্তদের অনুরোধ করছি, আমার বাবা যে পার্টি শুরু করেছেন, তাতে কেউ যোগ দেবেন না। যদি কেউ আমার রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার জন্য আমার ছবি, নাম বা আমার ফ্যান ক্লাবের অপব্যবহার করার চেষ্টা করেন, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

বঙ্গবন্ধুর নামে জাতিসংঘের বাগানে বেঞ্চ উৎসর্গ ও বৃক্ষরোপণ ঐতিহাসিক ঘটনা: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্কঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উত্তর লনের বাগানে একটি বেঞ্চ উৎসর্গ এবং সেই সঙ্গে একটি বৃক্ষরোপণকে ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খবর-বাসস (নিউইয়র্ক)।

গতকাল সোমবার নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি এ বৃক্ষরোপণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘এই বৃক্ষটাও শতবর্ষের ওপর টিকে থাকবে এবং শান্তির বার্তাই বয়ে বেড়াবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা সবসময় শান্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন। দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্যই ছিল তার এই সংগ্রাম। সেখানে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের কথাও যেমন তিনি ভেবেছেন, তেমনি সারাবিশ্বের ক্ষুধা ও দারিদ্র জর্জরিত, শোষিত-বঞ্চিত মানুষের কথাও তিনি বলেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব করও সঙ্গে বৈরিতা নয়, এটাই ছিল তার লক্ষ্য। কারণ, এতে করেই শান্তি আসবে এবং শান্তির সন্ধানেই তিনি ছিলেন। শান্তির জন্যই তিনি সংগ্রাম করেছেন। আর শান্তি ছাড়া কখনও কোনো দেশের উন্নতি হয় না।’

তিনি বলেন, ‘এটা আমরা খুব ভালো বুঝি, একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই উন্নতি হওয়া সম্ভব’।

তিনি আরো বলেন, ‘আজ এখানে একটি বৃক্ষরোপণ করা হলো সেই সেপ্টেম্বর মাসে, যে মাসে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় (১৭ সেপ্টেম্বর) এবং তার পরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে আসেন এবং এখানে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন (২৫ সেপ্টেম্বর)। কাজেই, সেই মাসে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উত্তরের লনের বাগানে বৃক্ষরোপণ করা হলো এবং একটি চেয়ার উৎসর্গ করা হলো। এই বৃক্ষটাও শতবর্ষের ওপর টিকে থাকবে এবং শান্তির বার্তাই বয়ে বেড়াবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বৃক্ষ যেমন পরিবেশ রক্ষা করে তেমনি মানুষকে খাদ্য ও ছায়া দেয়। আর মানুষের জীবনকেও রক্ষা করে।’

এজন্য তিনি জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের ধন্যবাদ জানান।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী সকালে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের অংশগ্রহণে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। তিনি গত রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগদানের জন্য ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কি হয়ে নিউইয়র্ক পৌঁছান।

সূত্রঃ বাসস। 

কুমিল্লায় স্কুলের ক্লাসে রুমে পাঁচ ছাত্রীর করা টিকটক ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

সিএনবিডি ডেস্কঃ কুমিল্লা শহরের টমসমব্রিজ এলাকার ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্লাসরুমে টিকটক ভিডিও বানিয়ে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে বেশ কয়েকজন কিশোরী। ভাইরাল সেই ভিডিওতে দেখা গেছে, খালি ক্লাসরুম। স্কুলের পোশাকে কয়েকজন ছাত্রী, চোখে কালো চশমা। সেখানে হিন্দি গানের সঙ্গে নানান অঙ্গভঙ্গি করে তৈরি করেছেন টিকটক ভিডিও।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টিকটক ভিডিও বানানো ওই পাঁচ ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষার্থী, যারা আগামী ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা দেবে। স্কুলের শ্রেণিকক্ষ ও বারান্দায় ওই ভিডিও তৈরি করেছেন তারা।

<<<ভিডিও>>>

তবে স্কুলের শ্রেণিকক্ষে বানানো এ ভিডিও নিয়ে চলছে সমালোচনা। ভিডিওটির কমেন্ট বক্সে অনেকে লিখেছেন, কুমিল্লার আদর্শ বিদ্যাপীঠ হিসেবে ‘ইবনে তাইমিয়া’ সবার কাছে পরিচিত। সেখানে এমন ভিডিও বানানো মানা যায় না। এটি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য খারাপ বার্তা দেবে।

ওই টিকটক ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বেশ কয়েকজন শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, টিকটক ভিডিও বানানোয় ইবনে তাইমিয়ার পাঁচ শিক্ষার্থী বহিষ্কার।

ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. শফিকুল আলম হেলাল বলেন, আমাদের স্কুলের ৫ শিক্ষার্থী ক্লাসে টিকটক ভিডিও তৈরি করেছে। এরই মধ্যে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে সেটি। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠান-প্রধান হিসেবে আমি খুব বিব্রত। তবে আমরা ওই শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করিনি। সর্বোচ্চ সতর্ক করেছি।

তিনি আরও বলেন, গত রোববার ওই ৫ শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ডেকে এনেছি। আমরা অভিভাবকদের সতর্ক করেছি। শিক্ষার্থীদেরও সতর্ক করেছি।

ফুলবাড়ীতে ১৭৫ বোতল মাদক সহ আটক -১

অলিউর রহমান নয়ন, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী থানা পুলিশ মাদক বিরোধী বিশেষ  অভিযান চালিয়ে ১৭৫ বোতল নেশা জাতীয় ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ সহ এক মাদক চোরাকারবারি কে আটক করেছে।

আটক চোরাকারবারির নাম ইউনুস আলী (২৪)। তিনি ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের উত্তর বিদ্যাবাগিশ গ্রামের মহিরুদ্দিনের ছেলে।

জানা গেছে, সোমবার সন্ধা সাড়ে ৬ টার দিকে সীমান্ত এলাকা থেকে বাইসাইকেল যোগে বস্তাভর্তি এস্কাফ সিরাপ নিয়ে উপজেলার চান্দের বাজার হতে বিদ্যাবাগিশ গামী পাকা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল ইউনুস। ফুলবাড়ী থানা পুলিশের একটি অভিযানিক দল এ  সময় তাকে হাতেনাতে আটক করে।

ফুলবাড়ী থানার ওসি রাজীব কুমার রায় জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আসামি ইউনুসকে আগামী আজ মঙ্গলবার জেল হাজতে পাঠানো হবে।