জাপা’র ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফর রেজা খোকন পার্টির সকল পদ-পদবী থেকে বহিষ্কার

রাজনীতি ডেস্কঃ জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক লুৎফর রেজা খোকনকে পার্টির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পদ-পদবী থেকেবহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১(১) ক ধারা মোতাবেক জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা-৭ আসনের উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর জাতীয় পার্টির দলীয় মনোনয়ন পান কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক লুৎফর রেজা খোকন। সেই মোতাবেক গত ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি দলীয় নেতা-কর্মী নিয়ে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় ও রিটার্নিং অফিসার দুলাল তালুকদারের নিকট মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দুইদিন পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান চান্দিনা উপজেলাসহ কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির অন্যতম নেতা লুৎফর রেজা খোকন। যার ফলশ্রুতিতে গতকাল শুক্রবার তাঁকে পার্টির সকল পদ-পদবী থেকে বহিষ্কার করা হয়।

উল্লেখ্য,, ৩০ জুলাই ওই আসন থেকে পাঁচবার নির্বাচিত সাংসদ সাবেক ডেপুটি স্পিকার অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ এর মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়ে যায়। তাই আগামী ৭ অক্টোবর ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করে ২ সেপ্টেম্বর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

দেশে সিনোফার্মের আরও ৫০ লাখ টিকার চালান এসে পৌঁছেছে

সিএনবিডি ডেস্কঃ চীন থেকে কেনা সিনোফার্মের আরও ৫০ লাখ টিকার চালান দেশে পৌঁছেছে। চীনের তিয়ানজিয়ান বিমানবন্দর থেকে রওনার পর শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে (শনিবার) বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে টিকার এ চালান ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছায়। টিকাগুলো টঙ্গীতে বেক্সিমকোর ওয়্যারহাউজে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এনিয়ে সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটি ৪৯ লাখ ডোজের বেশী টিকা পাঠিয়েছে বাংলাদেশে। এর আগে চীন থেকে কেনা সিনোফার্ম টিকার ৫৪ লাখ ডোজের আরেকটি চালান গত শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকায় পৌঁছায়। গত শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে চীনের বেইজিং থেকে ৫৪ লাখ ১ হাজার ৩৫০ ডোজ টিকা নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। পরে টিকাগুলো সংরক্ষণাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এর আগে গত ৩ জুলাই বাণিজ্যিক চালান শুরুর পর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ৬টি চালানে ১ কোটি ৯৯ লাখ ১ হাজার ৩৫০ ডোজ সিনোফার্ম টিকা বাংলাদেশে এসেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে আজকের চালানটি।

উল্লেখ্য, সিনোফার্মের ৩ কোটি ডোজ টিকা কিনতে চুক্তি করেছে সরকার। এছাড়া কোভ্যাক্স থেকেও বিনামূল্যে সিনোফার্মের টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ। এর আগে চীন সরাসরি উপহার দিয়েছিল আরও ২১ লাখ সিনোফার্ম টিকা।

“মায়া” (শেষ পর্ব)

কলমে- মোঃ আবু শামা (শ্যামা) 

ভেতরে একটা ব্যাংকের সই করা চেক, সেখানে টাকার অংক এক লাখ সাত হাজার টাকা। আমি চাচাকে বললাম, চাচা আপনি কেন চিঠির খামটা খুলেন নাই? সে যখন হাসপাতালে ছিলো, দেখেন এখানে এক লাখ সাত হাজার টাকার চেক। আপনি যদি সেই সময় চিঠির খামটা খুলতেন তাহলেই আপনি অন্তর কে বাঁচাতে পারতেন চাচা। এই টাকা দিয়েই সব চিকিৎসা হতো চাচা।

চাচা বললো, সব দুর্ভাগ্যরে মা, সব দুর্ভাগ্য সাহেবের। আর বলে কি হবে রে মা, যে চলে গেছে তার কথা আর ভেবে কি লাভ? এখন যে আসতেছে তার কথা ভাবেন গো মা, তার কথা ভাবেন।

আমি কি ভাবে অন্তরের কাছে মাফ চাইবো? ঐ পারে যাবার পর? আমার জন্য জীবন দিয়ে গেলো, আবার আমার জন্য শেষ সম্বলটাও রেখে গেছে, আমার পাপের ক্ষমা নাই। আজ আমি সেই টাকা দিয়ে আমার চিকিৎসা করেছি। আমার সন্তান জন্ম দিয়ে সে সন্তানকে নিয়ে বেচে আছি। তার ডাইরিতে শেষ একটা স্বপ্ন একটা জায়গায় লিখে গিয়েছিলো। যদি তার একটা সন্তান হতো তাহলে তাকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াশোনা করাতো, আর তার মত অভাবের মধ্যে জীবন যাপন করতে দিতে না।

আমার হাতের ডাইরিটা আমার চোখের জলে ভিজে যাচ্ছিল। তখন আমার ছোট বোনের ডাকে নিজেকে ফিরে পেলাম, বললো- ভাইয়া আপনি এখানে আর আমি আপনাকে খুজে হয়রান হয়ে যাচ্ছি। এই ঔষধ গুলো তাড়াতাড়ি দোকান থেকে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালের জরুরি কাজের পর বিকালে একটু সময় পেলাম। তখন নির্জন জায়গায় গিয়ে মিনুর রেখে যাওয়া ডাইরিটা খুললাম। ডাইরিটা খুলতেই চোখ কপালে উঠে গেলো। মার্চ মাসের ২৩ তারিখ যেদিন অন্তর ভাই কে প্রথম মিনুর ছবি দেখিয়েছিলাম।

অন্তর ভাই মিনুকে নিয়ে যা লিখছে, তা কেবল কেবলই একজন পাগল প্রেমিকের পক্ষেই সম্ভব।

অন্তর ভাই মিনুকে নিয়ে তার অনুভুতি কথা পড়তে শুরু করলাম। লিখেছে- মায়া মায়া মায়া মানুষের কপালে এতটা মায়াময় আবহ প্রকাশ পায় তোমার কপালটা না দেখলে আমার আজন্ম অজানাই থাকতো। তোমার নাম তো মিনু, আচ্ছা তোমার কপালে যে এতটা মায়া তুমি কি জানো? জানলে নিজেকে নিজেই হিংসা করতে। আমার কিন্তু হিংসা হচ্ছে না। কারণ তোমার মত মায়াবতী মানুষের যোগ্য আমি নই তাই হিংসা করার প্রশ্নই আসে না। তবে আমি আমার কল্পনায় তোমাকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সুযোগ করে দিলাম। বেশ তবে তাই হোক এবার তোমার একটা নাম না দিলে কেমন হয়, তাই তো তোমার নাম দিলাম “মায়া”। তোমার নাম মায়া দিলাম কেন খুব জানতে ইচ্ছে করছে তাই না?

ঠিক আছে তোমাকে বুঝিয়ে বলছি, যার কপালে এতটা মায়ায় ভরা তার নাম মায়াই হওয়া উচিত। কারণ তোমার মায়া আর সম্মোহনী যাদুর শক্তিতে আমাকে সম্মোহিত করেছে। আমি আর নিজের মধ্যে নেই, নিজের অজান্তেই তোমার মায়ার প্রেমে পড়ে গেছি। অপেক্ষায় রইলাম তোমার এই পবিত্র মায়াভরা মুখখানি একটি বার চক্ষু মেলিয়া দেখার।

ডাইরির প্রতিটা পাতায় শুধু মিনু মানে মায়াকে নিয়ে লেখা প্রতিদিনের সৃতিচারণ। ডাইরির পুরোটা পড়ছিলাম আর অশ্রু ঝরছিল আমার, তারপর ডাইরির শেষ লেখাটা।

অন্তর ভাইয়ের শেষ কথা ছিলো, যেদিন মিনু তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলো-

” মায়া”,

প্রথম যেদিন তোমার মুখটা দেখেছিলাম তোমার হাতটা ধরে বলেছিলাম, বিশ্বাস রাখুন আমার সমস্ত শক্তি দিয়ে আপনাকে রক্ষা করার চেষ্টা করবো। আর আপনাকে সম্মানের সাথে ভালোবেসে যাব আজীবন।

তুমি শুধু মৃদু হেসেছিলে। সেই হাসিটা কি আজকের এই দিনটার জন্যই, আমাকে তোমার জীবনে প্রয়োজন শেষ তাই আমাকে ছেড়ে চলে যাবে বলে!

খুব জানতে ইচ্ছে করছে তোমাকে কি আমি নিরাপত্তা দেইনি? দেইনি কি অবাধ স্বাধীনতা? তোমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে কখনো একটা কাজ করেছি? তোমার মনে পরে কি একটিবারের জন্যও তোমার মুখে তুলে খাইয়ে না দিয়ে নিজে একলোকমা খাবার খেয়েছি?

হাঁ সেদিন থেকে তোমার মুখে তুলে খাইয়ে দেইনি, যেদিন তুমি আমার সমস্ত আশা আকাংখা বিশ্বাস ভেঙে চুরে তছনছ করে দিয়ে তোমার বন্ধু কে নিজের হাতে মুখে তুলে খাইয়ে দিয়েছিলে। আর তা আমার নিজের চোখে দেখতে হয়েছে। ঢাকার বাইরে লং ড্রাইভে আমারি কোম্পানির প্রজেক্টের সামনে তোমার বন্ধুকে মুখে তুলে খাইয়ে দিচ্ছিলে, আর আমি অসহায়ের মতো চেয়ে চেয়ে দেখতে বাধ্য হয়েছিলাম। শুধু তোমার সম্মান রক্ষা করার জন্য কাউকে কিছুই বলিনি। কারণ প্রথম দেখায় তোমাকে কথা দিয়েছিলাম তোমার নিরাপত্তা আর সম্মান রক্ষা করবো আজীবন।

তবে সেইদিন বুঝতে পারছিলাম যার মুখে নিজের হাতে খাবার খাইয়ে না দিলে একটাবারও খাবার খেয়ে শান্তি পেতাম না, অথচ তোমার হাতে এক লোকমা খাবার খেতে পাগলের মত মনটা ছটফট করতো তুমি একটিবার বুঝতেও পারোনি। অথচ আজ রাস্তার পাশে বসে বন্ধু মুখে খাবার তুলে খাইয়ে দিচ্ছো।

আর আমি এতটা বছর একবারের জন্য বুঝতে পারিনি আমি এর জন্য নই, শুধু অপেক্ষা করে নিজেকে সান্তনা দিয়েছি। আর না। তুমি বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাবে এতে আমি তো তোমাকে কখনো প্রশ্ন করিনি। যদিও তোমার ব্যপারে অনেকেই আমাকে অনেক আজেবাজে কথা বলতো, কিন্তু তোমার প্রতি আমার অসীম বিশ্বাস ছিলো।

আজ আমার সব বিশ্বাস ভেঙে গেলো। এতকিছুর পরও আরো একটা বছর তোমাকে শুধরিয়ে দেবার চেষ্টা করেছি, কোন কিছু তে অপূর্ণ তো রাখিনি! আমার ভালোবাসায় তো কোন কমতি ছিলো না। অথচ তোমার চোখ আমার জন্য ন্যুনতম ভালোবাসা দেখিনি একটিবারের জন্যও।

শুধু এক সেকেন্ডের জন্য যদি তোমার চোখে আমার জন্য ভালোবাসা প্রকাশ করতে আমার জীবনের আর কোন চাওয়া থাকতো না মায়া। আমার অপেক্ষার অবসান হলো না মায়া, তুমি মায়ার সমস্ত বাঁধন ছেড়ে আজ চলেই গেলে, জীবনের সমস্ত সঞ্চয় আর ভালোবাসা দিয়ে তোমাকে সুখী করতে পারলাম না।

জানি না সুখী হতে পারবে কিনা অন্য কারো সাথে। আমি হয়তো বুড়ো মানুষ তোমার মনে ভালোবাসা জন্মাতে পারিনি। যে জন্মাতে পেরেছে তাকে নিয়ে সুখী হও। ভালো থাকা হয় যেন শুভকামনা ।।

“সমাপ্ত”

মাল্টা চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন বাঞ্ছারামপুরের কৃষক মুজিবুর রহমান

মো.নাছির উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মো.মুজিবুর রহমান। তিনি  উজানচর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে বিশাল এলাকা নিয়ে গড়ে তুলেছেন মাল্টাসহ বিভিন্ন ফলের বাগান।

সরেজমিনে মাল্টা বাগান ঘুরে দেখা যায়, বাগানজুড়ে সবুজ মাল্টার সমাহার মূহুর্তেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। টসটসে রসালো এই ফলের ভারে প্রতিটি গ্রাছের ডালপালা নুইয়ে পড়ছে। প্রতিটি গাছেই ঝাঁকে ঝাঁকে মাল্টা এসেছে।

 চাষী মো.মুজিবুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্যসম্মত ও সুস্বাদু হওয়ায় প্রতি কেজি মাল্টা ১৫০ টাকা দরে বাগান থেকেই নিয়ে যাচ্ছেন ক্রেতারা। এছাড়া স্হানীয় বাজারে ও মাল্টার অনেক চাহিদা রয়েছে।প্রতিদিন এ চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে

 তিনি আরোও বলেন বাণিজ্যিক ভাবে বারি ওয়ান-মাল্টা বাগান করে অল্প সময়ে পেয়েছেন প্রত্যাশিত সাফল্য। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের জন্য খুবই উপযোগী বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

প্রায় ৩ বছর পূর্বে ৩৫ শতাংশ  জমিতে মাল্টা চাষ শুরু করেন কৃষক মো.মুজিবুর রহমান, গাছ রোপণের পরের বছরই ফলন পেতে শুরু করেন।  এরপর থেকে প্রতি বছরই তিনি ওই জমি থেকে নিয়মিত মাল্টা পাচ্ছেন। আর এ মাল্টা বিক্রি করে লাভবানও হয়েছেন তিনি। মাল্টার পাশাপাশি তার একই জমিতে ড্রাগন, জাম্বুরা, খেজুর, ও পেয়ারাসহ বিভিন্ন ফলের চারা রয়েছে।

উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো.সাইদুল হক বলেন চাষী মুজিবুর রহমানকে সর্বত্মক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। করোনাকালীন সময়ে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই মাল্টা পুষ্টির চাহিদা পূরনের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

শ্রেষ্ঠ নায়েক হিসেবে চুড়ান্ত এসএমপির সফি

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) শ্রেষ্ঠ নায়েক হয়েছেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ব্যক্তিত্ব মো. সফি আহমেদ। সফি আহমদ কুলাউড়া উপজেলার পৌর এলাকার চাতলগাও এর বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত মোঃ ইদ্রিস আলীর সুযোগ্য সন্তান।

করোনা কালিন সরকারি নির্দেশনায় লকডাউনে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা প্রদান, চিকিৎসা সহযোগিতা, করোনায় মৃত ব্যক্তিদের দাফন, প্লাজমা সংগ্রহ করে প্রদানসহ মানবিক পুলিশিং এর এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় তাকে বিশেষভাবে সম্মানিত করলো এসএমপি।

তাকে পুরস্কৃত করার কারণ হিসেবে এসএমপি জানায়- সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ এর মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি সার্ভিস শাখায় কর্মরত নায়েক মো. সফি আহমদ, করোনা পরিস্থিতিতে গত বছরের ২৬ মার্চ থেকে মানবিক কার্যক্রমের অংশীদার হয়ে অদ্যাবধি উদার মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তিনি এসএমপি কমিশনার মো. নিশারুল আরিফের অনুপ্রেরণায় করোনা মহামারীতে নিজ উদ্যোগে নিজস্ব ও আত্মীয় স্বজন এবং বন্ধু বান্ধবদের অর্থায়নে করোনা আক্রান্ত রোগীদের বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা, করোনা রোগীদের প্লাজমা সংগ্রহ করে প্রদান করা, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিদের দাফন সম্পন্ন করা, করোনাকালীন সময়ে সাধারণ রোগীদের রক্তের প্রয়োজন হলে রক্ত সংগ্রহ করে দেওয়া, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার সহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, অসহায় দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং নগদ অর্থ প্রদান করে আসছেন। অদ্যাবধি প্রায় ৩ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

এছাড়া পবিত্র মাহে রমযান উপলক্ষেও রাস্তায় ছিন্নমূল মানুষের জন্য ইফতার ও সেহরী বিতরণ, বিভিন্ন এতিমখানায় সম্পূর্ন রমজান মাসে ইফতার ও সেহরির ব্যবস্থা করা এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে সিলেট মহানগরীর পাশাপাশি কুলাউড়া উপজেলায় মানবিক টিমের মাধ্যমে ১০০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

তাছাড়া সফি আহমেদ বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষাথীদের মাঝে তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহসহ দরিদ্র অসহায় মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার খরচ বহন, দরিদ্র মানুষের ঘর নির্মাণে সহায়তা ও দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন।

এসবের পাশাপাশি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ পেইজ ও তার ব্যবহৃত ফেইসবুক আইডি- সফি আহমেদ এর মাধ্যমে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে এাণের সহায়তার জন্য তার মোবাইল- ০১৭১৪-৩৬৩৪৮৬ নাম্বার দিয়ে সাধারণ মানুষদের সাহায্য সহযোগিতা করে ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন। যার মাধ্যমে তিনি অসহায় বেকার মানুষদের স্বাবলম্বি করার জন্য সেলাই মেশিন, ভ্যান গাড়ী ও রিক্সার ব্যবস্থা, শারীরিক প্রতিবন্ধিদের হুইল চেয়ার, স্টিক প্রদান ও দৈনন্দিন প্রায় ১৫/২০টি পরিবারকে সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

মানবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি দাপ্তরিক কার্যক্রমে তিনি এসএমপি’র মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি সার্ভিস শাখায় কর্মরত থেকে এসএমপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পোগ্রাম, ভালো কাজের তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করেন। এছাড়া সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ পেইজে ও ইউটিউব চ্যানেলে এসএমপি’র কার্যক্রম, বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন, ভিডিওবার্তা প্রচার প্রচারণা করে আসছেন।

উল্লেখিত, কার্যক্রম সততা ও দক্ষতার সাথে পালন করে যাওয়ায় এসএমপি তাকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেছে বলে জানিয়েছেন- সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের।

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী হাঁস ধরা খেলা অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে প্রতি বছরের মতো এবারও নবজাগরণ সমবায় সমিতির আয়োজনে হাঁস ধরা খেলা অনুষ্ঠিত হয়। গত শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পীরগঞ্জ উপজেলার খনগাঁও ইউনিয়নের জসাই পাড়া এলাকায় একটি পুকুরে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

এ ভিন্ন রকম মজার খেলায় ২০ জন যুবক অংশ নেন। আর শত শত মানুষ পুকুর পাড়ে দাঁড়িয়ে তা উপভোগ করেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে হাঁস ধরা খেলার শুভ উদ্বোধন করেন  খনগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদ হোসেন।

এ খেলায় অন্যান্যদের মধ্যে খনগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সাহেব আলী ও সাবেক সভাপতি আলী হোসেন, ছাত্রনেতা নয়ন আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং হাঁস খেলা উপভোগকারি শত শত নারী- পুরুষ দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

খেলা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিরা খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

শিশু ধর্ষণের অভিযুক্ত আসামি গ্রেফতার

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মদনমোহনপুর চা বাগানে চার বছরের শিশু ধর্ষণ চেষ্টাকারী মোহনলাল ভরকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ। মোহনলাল ভর ২ মাস ১৬ দিন দিন ধরে পালিয়ে ছিলেন।

রোজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মাধবপুর চা বাগানের দক্ষিণ লাইন এলাকা থেকে মোহনলালকে আটক করে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ।

জানা যায়, মাধবপুর ইউপি মদনমোহনপুর চা বাগানের লছমিপাড়া শ্রমিক লাইনে মা-বাবার অনুপস্থিতিতে ঘর ফাঁকা পেয়ে গত ১ জুলাই দুপুরে মোহনলাল ঘরে প্রবেশ করে ৪ বছরের এক শিশুকে চকলেট দিয়ে লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ঘটনার পর থেকেই মোহনলাল আত্মগোপন করেছিল।

জানা যায়, মোহনলাল ভর মাধবপুর চা বাগানের মৃত সীতারামভরের ছেলে। এ ঘটনায় শিশুটির পিতা দীপক রিকিয়াশন ঘটনার পর দিন দুপুরে মোহনলাল ভরকে আসামী করে কমলগঞ্জ থানায় একটি নারী শিশু আইনে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ আসামিকে আটকের জন্য অভিযান শুরু করে।

অবশেষে প্রায় আড়াই মাস পর মোহনলাল তার বাড়িতে ফিরলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কমলগঞ্জ থানার এসআই আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল শুক্রবার সকাল ১০ টায় মাধবপুর চা বাগান থেকে আটক করে কমলগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে নিশ্চিত করতে কমলগঞ্জে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ইয়াদৌস হাসান জানান, মোহনলাল ভরকে গ্ৰেপতারের পর মৌলভীবাজার আদালতের নির্দেশে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নওগাঁয় প্রাচীর ভেঙ্গে জোরপূর্বক ড্রেন নির্মানের অভিযোগ

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁয় জোরপূর্বক বৃদ্ধার বাড়ীর প্রাচীর ভেঙ্গে বাড়ির জায়গা জবর- দখল করে মাঠের পানি নিস্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর সদর উপজেলার বর্ষাইল ইউনিয়নে মল্লিকপুর মাষ্টারপাড়া গ্রামে।

এ বিষয়ে ভুক্তভুগীরা জানায়, গত ৮সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে এলাকার প্রভাবশালী নাসিরুল সাকলাইন তান্নু ও তার পালিত ক্যাডার বাহিনী দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র হাতে নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে  জোর জবরদস্তি করে ভুক্তভোগী সিরাজুলের বাড়ীর পাকা প্রাচীর ভেঙ্গে ড্রেন কাটতে শুরু করে। সে সময় উপায় না পেয়ে ভুক্তভুগী রেহেনা বানু,আসমা খানম ও মাহমুদা খানম সরকারি  ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে তাৎক্ষণিক  নওগাঁ সদর থানা পুলিশ এসে কাজটি বন্ধ করে দেয় এবং কেন তারা জোর- জবদস্তি করে এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে তা জানার জন্য বিকাল ৪টায় তাদেরকে থানায় যেতে বলে। কিন্তু পুলিশ চলে যাওয়ার সাথে সাথে পুনরায়  তারা কাজটি চালু করে।

ভুক্তভগী রেহেনা বানু বলেন, স্থানীয় নাসিরুল সাকলাইন তান্নুসহ এলাকার কথিপয় কিছু ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন থেকে আমার পরিবারের সকল সদস্যকে খুন-জখমের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে এবং বাড়ির পাশে লাগানো গাছগুলো কেটে ফেলতেছে মাঠের পানি নিষ্কাশনের ড্রেন করার অজুহাতে বাড়ির পাশ দিয়ে ট্রেন করার জায়গা দিতে চাইলেও তিনি প্রভাবশালী হওয়ার কারণে জোর করে লাগানো বড় বড় গাছ কেটে বাড়ীর ভিতর দিয়ে জোরপূর্বক ড্রেন কাটা শুরু সময় সেখানে আমি বাঁধা দিতে গেলে আমাকে এলোপাতারি ভাবে মারপিট করেছে। এ বিষয়ে ইতিপূর্বে স্থানীয় চেয়ারম্যান,মেম্বার বসে,বাড়ির সামনের দিক দিয়ে ড্রেন নির্মান হবে বলে লিখিত ভাবে একটি সহি- সাক্ষর সম্মলিত কাগজ করা হয়েছিলো কিন্তু নাসিরুল সাকলাইনেরা সেটাও মানতে রাজি নয়, তারা বাড়ীর ভিতর দিয়েই জোরপূর্বক ড্রেন করবে। এ বিষয়ে নওগাঁ কোর্টে একটি মামলা হয়েছে, তবুও তাদের অন্যায় অত্যাচার থেকে রেহাই পাচ্ছি না এবং নওগাঁ সদর আসনের এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে জোরপূর্বক ভাবে ড্রেন নির্মাণ করছে সাকলাইন তান্নু আমি এমপি সাহেব সহ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করি।

স্থানীয়দের সাথে কথা হলে তারা জানায়, পানি যাতায়াতের ব্যাবস্থা না থাকায়, বর্ষাকালে জলবদ্ধতার কারণে সেখানে পানি জমা হয়ে, ঘর-বাড়ী ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। পানি যাতায়াতের জন্য ৫টি জায়গা পূর্বে খোলা থাকলেও বর্তমানে তা বন্ধ। এখানে একটি স্থায়ী সমাধানের দরকার। ঘর-বাড়ীর ভিতর দিয়ে ড্রেন নির্মান হোক এটা কেউ চাইবে না । বাড়ী সামনে দিক জায়গা ফাঁকা আছে সে দিক দিয়ে ড্রেন নির্মান যদি হয় তাহলে বাড়িওয়ালার কোন ক্ষতি হবে না। তারা ড্রেন নির্মানে রাজি আছে, ড্রেন নির্মাণের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবে এবং খুব সুন্দর ভাবে সেখান দিয়ে পানি যাতায়াত করবে, সমস্যাটির একটি স্থায়ী সমাধান হবে।

এ বিষয়ে নাসিরুল সাকলাইন তান্নুর সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে এমপি সাহেবের এর সাথে কথা বলেই কাজ করছি এর বেশী কিছু বলতে পারবো না।

এ ব্যাপারে নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার নিজামুদ্দিন জলিল জন বলেন, কৃষকের যেন ক্ষতি না হয় সে জন্য ওখানের স্থানীয়রা আছেন এবং আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাইস চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক তারা যেটা ভালো মনে করেছে সেটাই করেছে।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ভূমি প্রদান করলো প্রশাসন

ঈশাত জামান মুন্না, লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমরিহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ভূমিহীন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাম্মেল হককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবেগঘন ট্যাস্টাস দেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রোকনুজ্জামান সোহেল। আর সেই ট্যাস্টাসটি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হলে বিষয়টি আমলে নিয়ে উপজেলা প্রসাশন ভূমিহীন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাম্মেল হক ও তার স্ত্রীকে ১৫ শতক জমি দিয়েছে। সেই জমিতে আবার ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

গত বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলা ভূমি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাম্মেল হকের হাতে জমির কাগজ তুলে দেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবু জাফর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামিমা সুলতানা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের হাতীবান্ধা উপজেলা আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান সোহেল প্রমুখ।

এ বিষয়ে ভূমিহীন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাম্মেল হক বলেন,জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও এসিল্যান্ডকে অসংখ্য ধন্যবাদ। দোয়া করি আল্লাহ্ তাদের মঙ্গল করবেন।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের হাতীবান্ধা উপজেলা শাখার আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান সোহেল বলেন, ভূমিহীন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাম্মেল হক চাচাকে নিয়ে ফেসবুকে ট্যাস্টাস দিয়েছিলাম। প্রশাসন বিষয়টি নজরে নিয়ে যে দৃষ্টি স্থাপন করল তার জন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ।

হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমীন বলেন, ভূমিহীন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাম্মেল হক ও তার স্ত্রীকে ১৫ শতক জমি দেওয়া হলো। সেই জমিতে তাদের বাড়ি করে দেওয়া হবে।

বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সহ মাদক কারবারি আটক

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: ১৭’শ ৮৫ পিস ইয়াবাসহ কুলাউড়ায় লুৎফুর রহমান (৩৫) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-৯ এর সদস্যরা।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র‌্যাবের একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুলাউড়া পৌর শহরের মাগুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। লুৎফুর বড়লেখা উপজেলার লতিব আলীর ছেলে।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯ এর সিনি. এএসপি লুৎফুর রহমান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ কুলাউড়ার মাগুরা এলাকায় শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে অভিযান চালিয়ে ১৭’শ ৮৫ পিস ইয়াবাসহ লুৎফুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেন। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে লুৎফুরের অপর দুই সহযোগী পালিয়ে যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিনি. এএসপি লুৎফুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত লুৎফুরকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে কুলাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।