রাজনীতি দেখছিঃ

গনতান্ত্রিক দেশে বিরোধী দল জরুরী। বাংলাদেশে বিরোধীতা আছে বিরোধী দল নেই। এখন দেশে দুটিই দল। আওয়ামী লীগ এবং সব দল মিলে বিপক্ষ দল। বিরোধী দলের কোন দায়বদ্ধতা নেই। তাদের একটাই কাজ সমালোচনা করা। সরকার ভাল কাজ করলেও সমালোচনা করতে হবে। সব দেশেই সরকারের সমালোচনা হয়। বস্তুনিষ্ঠ এবং গঠনতান্ত্রিক হয় তাদের সমালোচনা। কিন্তু বাংলাদেশে পদ্মা সেতু নির্মান করলেও সমালোচনা করে। জনগনকে হুশিয়ার করে সেতুতে উঠেতে। ভেঙ্গে পরবে বলে ভয় দেখানো হয়। করোনা বিশ্বকে অচল করে দিয়েছে। প্রতিষেধক নেই করোনা মোকাবেলার। যখন ভ্যাকসিন আবিস্কার হল বাংলাদেশ অনেক দেশের আগে ভ্যাকসিন এনে বিনামূল্যে বিতরন শুরু করে দিয়েছে। এই ভ্যাকসিন নিয়েও বিরোধীরা ব্যঙ্গ করেছে। নেতাদের অসত্য প্রচারনা বিশ্বাস করে ভ্যাকসিন নেয়নি অনেকে। মৃত্যু হয়েছে মানুষের। এই নেতারাই ভ্যাকসিন নিয়ে পোষ্ট দিয়েছে শোস্যাল মিডিয়াতে। অভিযোগ করেছে সরকার বিরোধীদের ভ্যাকসিন দিচ্ছেনা। বিরোধী নেতাদের কোন বক্তব্যটিকে বিশ্বাস করবে জনগন? ভ্যাকসিন নিতে এখন লাইন লেগে গেছে। এখন বলছে সরকার ভ্যাকসিন আনতে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই সরকার উৎখাত করতে হবে। কিন্তু যারা সরকার উৎখাত করার হুমকে দেয় তারা জনসম্মুখে আসেনা। সুযোগ সুবিধামত অসুখের কথা বলে সরকারের কাছ থেকে অনুদান নেয়। এই অনুদান নেওয়ার সময় নেতারা কি বলেন জানা যায়নি তবে দন্ত বেড় করে সূখের তৃপ্তিটি বুঝিয়ে দেন। মুরুব্বিরাও সমঝোতার টেবিলে বসে চীজ কেক খান আর জমীরায় আবদার করেন হাস্য চেহারায়। অনেকে এখন বয়োভারে অক্ষম হয়ে পরেছেন কিন্তু, রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চাননা। মরার আগে একবার হলেও আরাম কেদারায় বসে সূখের ঢেকুর গিলতে চান। জনগনের কাছে দায়বদ্ধতার কথাটি ভেবেনা। করোনা বিপর্যয়ে কোন নেতাকে মানুষের সেবায় এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। বরং করোনাকে পুজি করে সরকার উৎখাত করার ষরযন্ত্র করেছে অনেকে। এসব কিছুই এখন সকলের জানা।

বাংলাদেশ উন্নত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি বাংলাদেশের উপর জড়িপ করে প্রবন্ধ ছাপছে। বলছে বাংলাদেশ উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্র। উন্নয়নশীল দেশগুলিকে পরামর্শ দিচ্ছে বাংলাদেশের মডেল অনুসরন করতে। বাংলাদেশের বিরোধী নেতারা বলছে ভিন্ন কথা। তাদের চোখে “বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে গেছে। সরকারকে উৎখাত করে একটি গনতান্ত্রিক সরকার ( তাদের মত) প্রতিষ্ঠা করতে হবে”। কিন্তু বলতে পারেনা কোন সরকারটিকে তারা মডেল মনে করে! নেতারা বলতে না পারলেও দেশের মানূষ উপলব্ধি করছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট নেই। খাদ্য ঘাটতি নেই দেশে। উৎপাদন বন্ধ হয়নি বিদ্যুৎ কিংবা হরতালের কারনে। রপ্তানী রেকর্ড ছাড়িয়েছে। রাজস্ব উৎপাদন হয়েছে বিশ্বয়করভাবে। ব্যংকের রিজার্ভ এখন সর্বোচ্চ। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সহ বঙ্গবন্ধু স্যটেলাইট, কর্নফুলি টানেল এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে সর্বক্ষেত্রে। দেশের মানুষই এখন বলাবলি করে ” শেখ হাসিনা যা করেছে তা আন্য কোন সরকার করে দেখাতে পারেনি”। আগামি নির্বাচনেও শেখ হাসিনাকেই ভোট দিবে মানুষ। এসব শুনে বিরোধী নেতারা হতাশ হয়ে পরেছে। মাঝে সাঝে ঘরে বসে ফিরিস্তি দিয়ে সরকারের মুন্ডুপাত করে। তারা জানে নির্বাচন করে ক্ষমতায় যাওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হবেনা। তাই স্বাধীনতা বিরোধী গোষ্ঠিকে সঙ্গে রেখেছে সন্ত্রাস অব্যহত রাখতে।

নির্বাচন খুব বেশী দূরে নয়। ২০২১ ফুরিয়ে যাচ্ছে। ২০২৩ সালের ডিসম্বরে বর্তমান সরকারের মেয়াদ পুর্ন হবে। নির্বাচনি মাঠে গিয়ে কি বলে দলের পক্ষে ভোট চাইবে নেতারা! গত ১৫ বছরে আগুন সন্ত্রাস ছাড়াত তাদের ঝুলিতে তেমন কোন অর্জন নেই। শির্ষ নেতা অর্থ আত্নসাধের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে এখন নির্বাচনেরও অযোগ্য। বাকিরা অন্তরদন্দে বহুধা বিভক্ত। কে দল চালায় কর্মীবাহিনীও জানেনা। মিথ্যাচারের সত্যটি জেনেগেছে জনগন। এমন নেতাদের জনগন নির্বাচীত করবে কোন ভরসায়? রাজনীতির অবস্থাটি সেই কারনে বদলে গেছে। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে তৎপর এখন বিরোধীরাও। মনোয়ন পেলে নৌকার জোয়ারে নির্বাচীত হবে অবধারিত। তাই টিকিট না পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েই লড়বে নির্বাচনী খেলায়। অর্থ খরচ করে নির্বাচীত হতে পারলে সরকারী দলে নাম লেখাবে। তাতেও যদি ব্যর্থ হয় তাহলে সম্মিলিত বিরোধী দলে গিয়ে সমালোচনা করবে সরকারের।

সত্য মিথ্যা যাচাই না করে বিভ্রান্ত হওয়ার চরিত্র বাঙালীদের রয়েছে। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পারলেই ক্ষমতা হাতের মুঠোয়। ” হয় পাচটা কলা দাও নাহয় কাধে করে নাও” নীতিতে অটুট থাকবে নেতারা। এই ষ্ট্রেটেজিতেই জামাতের সাথে, হেফাজতের সাথে আতাত রক্ষা করে চলেছে দলটি। দেশের বাইরে এখন যে ভার্চুয়াল মিথ্যাচার প্রচার হচ্ছে তা এই ষ্ট্রেটেজিরই অংশ। অনেক অর্থ ঢালছে সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করতে। লক্ষ্যনীয় হল কোন রটনাই বেশীদিন স্থায়ী হয়না। নিত্যনতুন বিষয় তুলে যঘন্যভাবে অসত্য বলছে মিডিয়াতে। কিছুদিন আগে একজন দাবী করেছিল তার নির্দেশ পেলেই সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে নিবে। আসলে রাজনীতি কঠিন বিষয়। জনগনকে সাথে নিয়ে রাজনীতি করতে হয়। মিথ্যা নির্ভর রাজনীতির ফলাফল শুন্য।

আজিজুর রহমান প্রিন্স,

কলামিস্ট, ঢাকা, বাংলাদেশ।

বিষধর ‘খইয়া গোখরা’ উদ্ধার, লাউয়াছড়ায় অবমুক্ত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে উপজেলার আলীনগর ইউপি তিলকপুর পূর্বপল্লী থেকে ১৫টি ডিমসহ বিষধর ‘খইয়া গোখরা’ সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সদস্যরা সাপটি উদ্ধার করে।

জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় আলীনগর ইউপি তিলকপুর পূর্বপল্লীর একটি বাড়িতে ডিমসহ বিষধর গোখরা আছে এমন সন্ধান পায় বন বিভাগ। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম উপস্থিতিতে বাংলাদেশ বন্য প্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন পরিচালক সজল দেব, Stand For Our Endangered Wildlife টিম ( SEW )ফাউন্ডার তৌনুজাম খোকন সিংহ ও সোহেল শ্যাম এর সমন্বয়ে ১৫টি ডিমসহ সাপটি উদ্ধার করা হয়।

অক্ষত অবস্থায় সাপটি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হলেও ডিমগুলো বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

ডিমসহ সাপ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বন্যপ্রাণী বিভাগের শ্রীমঙ্গল রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আমরা বন বিভাগ ও স্বেচ্ছাসবী টিম ১৫টি ডিমসহ একটি ‘খইয়া গোখরা’ সাপ উদ্ধার করি। সাপটি লাউয়াছড়া বনে অবমুক্ত করে ডিমগুলো বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে।

লোহাগাড়ায় চুনতিতে ভিজিএফ এর চাউল বিতরণ

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়ন এ নারিচ্ছা,চাঁদা,মাঝির পাড়া,পাতেয়ার পাড়া ও উত্তর পানত্রিশায় আসহায় ও দুস্থদের ভিজিএফ চাউল বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর নাগাদ ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন জনুর উপস্থিতে ২৫০ শতাদিক পরিবারের মাঝে চাউল বিতরণ করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত ইউপি সদস্য হোছনে আরা বেগম সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি সদস্য জানে আলমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সত্যকে গলাটিপে হত্যা করার তোড় জোর চেষ্টা!

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের গৃহ ও ভূমিহীন মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা মাদার অফ হিউমিনিটি, বঙ্গকন্যা, জননেত্রী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর ঘরগুলো নির্মাণে অপরিকল্পনা, অনিয়ম, অবহেলা ও দুর্নীতির বিষয়টি  সম্প্রতি উঠে আসে ।

একসময় যাদের ঠিকানা ছিলো গাছতলা, কোনো অফিসের বারান্দা, কারো চিলেকোঠা বা অন্যের বাড়িতে- তারা পাচ্ছেন স্থায়ীভাবে মাথা গোঁজার ঠাঁই।

এ প্রাপ্তি ছিলো পরম আনন্দের। কিন্তু বাস্তবতার সঙ্গে অসামাঞ্জস্যপূর্ণ ব্যয় নির্ধারণ, ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণপদ্ধতি ও অনিয়ম-দুর্নীতি মলিন করে দিয়েছে উপকারভোগীদের মুখের হাসি।

এরই প্রেক্ষিতে আমি একজন ক্ষুদ্র গনমাধ্যম কর্মী হিসেবে নিজের বিবেকতাড়িত হয়ে এবং স্থানীয়দের অভিযোগের সূত্রে শ্রীঙ্গল উপজেলার ৩নং সদর ইউপি মহাজিরাবাদ বেগুনবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ নিয়ে অপরিকল্পনা, অনিয়ম, অবহেলা ও দুর্নীতির বিষয়ে সরজমিন তদন্ত করে তার বাস্তব চিত্র আমার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন একাধিক গণমাধ্যমে প্রচারিত ও প্রকাশিত হওয়ায় একটি কুচক্রী মহল আমার অনিষ্ঠ সাধনে এবং আমাকে হয়রানী মূলক মামলায় জড়ানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে গোপনসূত্রে জানতে পারি।

তাই জাতির বিবেক, একজন ক্ষুদ্র গনমাধ্যম কর্মী হিসেবে শুধু একটি কথাই বলবো, সত্য প্রকাশে আমি জীবনে কখনো পিছপা হইনি কারো রক্তচক্ষু ভয় পাইনি, আর যতদিন বেঁচে থাকবো দেশ, জাতি এবং সমাজের স্বার্থে সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলেই প্রকাশ করবো। সত্যের জয় সর্বদা নিশ্চিত।

নওগাঁয় চলতি বছর ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪শ ৯১টি পশু পালন, চাহিদ প্রায় ৩ লাখ

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলায় এ বছর ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪শ ৯১টি কোরবানীর পশু প্রতিপালন করা হয়েছে। জেলায় চলতি বছর চাহিদা রয়েছে ৩ লাখ পশুর। সে হিসেবে পশু উৎপাদনে নওগাঁ জেলা উদ্বৃত্ত। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এ জেলা থেকে কোরবানীর পশু বরাবরই ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ দেশের অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

জেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ হেলাল হোসেন জানিয়েছেন, আসন্ন কোরবানীকে সামনে রেখে জেলার ১১টি উপজেলায় মোট ৩১ হাজার ৩শ ৪০টি খামারে এসব পশু প্রতিপালন করা হয়েছে। কোরবানীর পশুর মধ্যে রয়েছে ৯৮ হাজার ৮শ, ৮৩টি ষাড়, ৩২ হাজার ৪শ ২৯টি বলদ, ৩৬ হাজার ১শ ১৫টি গাভী, ৬ হাজার ৯শ ৬০টি মহিষ। এ ছাড়াও ছাগল রয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪শ ৩৭টি, ভেড়া রয়েছে ২৫ হাজার ৬৫১টি এবং অন্যান্য রয়েছে ৪২৪টি।

জেলা প্রাণীসম্পদ বিভাগের তথ্য মতে, উপজেলা ভিত্তিক খামাড়, ষাড়, বলদ এবং গাভীর সংখ্য্ধাসঢ়; হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ৩৬৩০টি খামাড়ে ১৩ হাজার ৩শ ৮২টি ষাড়, ২ হাজার ৫শ ৯১টি বলদ ও ২ হাজার ৫শ ৭৭টি গাভী। রাননীনগর উপজেলায় ১৮৫০টি খামাড়ে ৭ হাজার ১শ ১১টি ষাড়, ৮১৪টি বলদ ও ৩ হাজার ১শ ৬৯টি গাভী। আত্রাই উপজেলায় ১১২৪৬টি খামাড়ে ৫ হাজার ৭শ ৮২টি ষাড়, ৮১৬টি বলদ ও ৯৭৪টি গাভী। বদলগাছি উপজেলায় ৩৯১৮টি খামাড়ে ৬ হাজার ২শ ৬৮টি ষাড়, ১ হাজার ৬শ বলদ ও ৩ হাজার ৬শ ৮৩টি গাভী। মহাদেবপুর উপজেলায় ১২৪০টি খামাড়ে ৮ হাজার ২শ ২৯টি ষাড়, ১ হাজার ৪শ ১৬টি বলদ ও ২ হাজার ৮টি গাভী। পত্নীতলা উপজেলায় ১৮০৫টি খামাড়ে ৭ হাজার ১শ ৩৩টি ষাড়, ১ হাজার ৮শ ৩৫টি বলদ ও ২ হাজার ২শ ৫৮টি গাভী। ধামইরহাট উপজেলায় ২৪৭৮টি খামাড়ে ১১ হাজার ৯শ ৫৩টি ষাড়, ৭ হাজার ১শ ৮৭টি বলদ ও ৬ হাজার ৫শ ১৬টি গাভী। সাপাহার উপজেলায় ৩৭৯২টি খামাড়ে ৭ হাজার ১৭টি ষাড়, ৩ হাজার ৩শ ২৬টি বলদ ও ২ হাজার ৪শ ৩৮টি গাভী। পোরশা উপজেলায় ২০৫৯টি খামাড়ে ৬ হাজার ৮শ ৬৬টি ষাড়, ৩ হাজার ৯টি বলদ ও ২ হাজার ৭শ ২৭টি গাভী। নিয়ামতপুর উপজেলায় ১৫৩৭টি খামাড়ে ৬ হাজার ৪৪টি ষাড়, ১ হাজার ৯শ ৫টি বলদ ও ১ হাজার ৫শ ৭৫টি গাভী এবং মান্দা উপজেলায় ৭৭৮৫টি খামাড়ে ১৮ হাজার ৭শ ৯৮টি ষাড়, ৬ হাজার ৮শ ৪০টি বলদ ও ৮ হাজার ৯৬টি গাভী।

জেলার ভারপ্রাপ্ত প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ হেলাল হোসেন বলেছেন, দেশে লকডাউন চললেও জেলা প্রাণীসম্পদ অফিস থেকে পশু ক্রয় বিক্রয় নামে অনলাইন ভিত্তিক একটি মোবাইল মার্কেটিং ব্যবস্থ্ধাসঢ়; চালু করা হয়েছে। এই অ্যাপে জেলার বিভিন্ন খামাড়ীদের ঠিকানা, গরুর ছবি, গরুর আনুমানিক ওজন, মূল্য ইত্যাদি উল্লেখ করে পোষ্ট দেয়া হচ্ছে। এতে মোটামুটি ভালোই সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি বিক্রি হচ্ছে।

সিলেটে ৯ জনের ধর্ষণের শিকার কিশোরগঞ্জের গৃহবধু!

মোঃ আমিন আহমেদ, সিলেটঃ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরগঞ্জের এক গৃহবধূকে (২৫) সিলেটে এনে ৯ জনে মিলে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) পৃথক অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে সিলেট এয়ারপোর্ট থানাপুলিশ।

সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মোবাইল ফোনে রং নাম্বারে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার এক গৃহবধূর সঙ্গে পরিচয় হয় সিলেট এয়ারপোর্ট থানার লাউগুল গ্রামের মৃত হামিদ মিয়ার ছেলে জামেদ আহমদ জাবেদের (৩৬)। পরে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

একপর্যায়ে ওই গৃহবধূকে বিয়ে ও তার দু সন্তানকে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করবে এই প্রলোভন দেখায় জাবেদ। অবশেষে গত ১০ জুলাই ভিকটিমকে ফুসলিয়ে সিলেট নিয়ে আসে জাবেদ।

শনিবার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূ সিলেটে আসলে তাকে এয়ারপোর্ট থানার খাদিমনগর ইউনিয়নে বুরজান চা-বাগানের সুন্দর মরাকোণা টিলার উপর একটি ছাউনিতে নিয়ে যান জাবেদ। সেখানেই আগ থেকে ওৎ পেতে থাকা জাবেদের সহযোগী এয়ারপোর্ট থানার ফড়িংউরা গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে ফয়সল আহমদ (২২), বাজারতল গ্রামের ইসরা হালিমের ছেলে রাসেল আহমদ (২৪) ও সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার শুক্কুরের বাজার এলাকার জামিল আহমদ (২২)- এই ৪ জন মিলে কিশোরগঞ্জের ও গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।

ধর্ষণের পরও ওই গৃহবধূকে আটকে রাখেন জাবেদ ও তার সহযোগিরা। দুই দিন আটকে রাখার পর ১৩ জুলাই ভোরে ঘটনাস্থলে যান জাবেদের সহযোগী আরও ৫ ধর্ষক। তারা হচ্ছেন- এয়ারপোর্ট থানার ফড়িংউরা গ্রামের মুজিবুরের ছেলে রুবেল (২৫), কামাল উদ্দিনের ছেলে ইমাম (২৫), ইশরাক আলীর ছেলে ফারুক (২৩), মৃত ফুল মিয়ার ছেলে মো. মোশাহিদ আহমদ (২৭) ও জামালের ছেলে আবুল (২৬)। পরে এই ৫ জনও ভিকটিমকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

তাদের ধর্ষণের পর মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) দুপুরে ওই গৃহবধূ কৌশল করে সেখান থেকে পালিয়ে এসে এক পথচারীর মাধ্যমে পুলিশে খবর দিলে এয়ারপোর্ট থানার একদল পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে তার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ধর্ষক জাবেদ ও মো. মোশাহিদ আহমদকে গ্রেফতার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধর্ষক ফয়সল আহমদ ও রাসেল আহমদকে গ্রেফতার করে থানাপুলিশ।

ভিকটিমকে উদ্ধারের পর পুলিশ তাকে সিলেট এম এ জি ওসমনী মেডিকেল হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি এবং গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে!

নওগাঁয় গত চব্বিশ ঘন্টায় নতুন আক্রান্ত ৩৪, সুস্থ্য ৬৭ জন

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলায় মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৪ ঘন্টায় নতনু করে ৩৪ ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ পিসিআর ল্যাব এবং নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে মোট ২৭৯টি নমুনা পরীক্ষা করে এই ৩৪ ব্যক্তির শরীরে করোনার অস্থিত্ব পাওয়া গেছে। ২৪ ঘন্টায় আক্রান্তের হার ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ। জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা হলো ৫ হাজার ৩শ ৪৮ জন।

এ সময় সুস্থ্য হয়েছেন ৬৭ জন এবং সর্বমোট সুস্থ্য হয়েছেন ৪হাজার ৪শ ২৮ জন। সুস্থতা বিবেচনায় বর্তমানে জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রয়েছেন ৯২০ জন। তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্ত্তি রয়েছেন ৪৮ জন। বাঁকী আক্রান্তরা স্ব স্ব বাড়িতে থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করছেন।

এই চব্বিশ ঘন্টায় কোয়ারেনটাইনে নেয়া হয়েছে ২০৯ জনকে এবং এ পযৃন্ত সর্বমোট কোয়ারেনটাইনে নেয়া হয়েছে ৩১ হাজার ৪শ ৬৫ জনকে। এ সময় কোয়ারেনটাইন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ২৪০ জনকে এবং সর্বমোট ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ২৭ হাজার ৯শ ১৫ জনকে। সেই হিসেবে বর্তমানে প্রাতিষ্ঠনিক ৭৬ জনসহ সর্বমোট কোয়ারেনটাইনে রয়েছে ৩ হাজার ৫শ ৫০ জন।

এই ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোন ব্যক্তির মৃত্যু হয় নি। তবে এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃতেও সংখ্যা ১০৭ জন।

বগুড়ার শেরপুরে জিনাত ফাউন্ডেশন ও জিনাত কম্পিউটার টে্র্ইনিং অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ একাডেমির উদ্যোগে মাক্স ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ

বগুড়া প্রতিনিধি (নুর মোহাম্মদ সম্রাট): জিনাত ফাউন্ডেশন ও জিনাত কম্পিউটার টেইনিং অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ একাডেমির উদ্যোগে ১৪/০৭/২০২১ইং তারিখে সকাল ১১ টায় বগুড়ার, শেরপুর, বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মাক্স ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতারণ করা হয়।

উক্ত বিতরণ কাযক্রমে অংশ নেন ডক্টরস কমপ্লেক্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমতির সভাপতি, বিপ্লব দত্ত ,সাধারন সম্পাদক মোঃ জাকিরুল ইসলাম পলাশ, কোষাধক্ষ্য আব্দুর রহমান, দপ্তর সমাপাদক আনোয়ার হোসেন, মোঃ শাহীন হোসেন, সাহাব উদ্দিন, মুক্তার হোসেন, সুলতান হোসেন, শেরশা নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক মুনজু সহ অন্যান্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

স্বার্বিক সহযাগিতায় ছিলেন জিনাত ফাউন্ডেশন ও জিনাত কম্পিউটার টেইনিং অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ একাডেমির চেয়ারম্যান অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষনার্থী মোঃ মাসুম বিল্লাহ।

বাঞ্ছারামপুরে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার

মো.নাছির উদ্দিন, বাঞ্ছারামপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র মাঠে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার উজানচর ইউনিয়নের ১২৩২ জনকে ভিজিএফ এর ১০ কেজি করে চাল এবং উজানচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজি জাদিদ আল-রহমান জনির নিজস্ব অর্থায়নে ১ কেজি আটা, ১কেজি চিনি, ১কেজি ডাল বিতরণ করা হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার  স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মো.মাঈন উদ্দিন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম(অব.)- এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা চেয়ারম্যান মো.সিরাজুল ইসলাম,বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরোয়ার,নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা শমসাদ বেগম,সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম,ভাইস চেয়ারম্যান সায়েদুল ইসলাম ভূইয়া,পৌর মেয়র মো. তফাজ্জল হোসেন, নবীনগর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সিরাজুল ইসলাম, উজানচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উজানচর কে এন উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি কাজী জাদিদ আল-রহমান জনি,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পবিত্র চন্দ্র মন্ডল,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়া, উপজেলা ছাত্র লীগের

সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার জুয়েল আহমেদ উপজেলা শ্রমিকলীগের আহবায়ক সৈয়দ মোহাম্মদ  আজিজ উজানচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি তফাজ্জল হোসেন তাজ মিয়া সাধারণ সম্পাদক সেলিম মিয়া, প্রধান শিক্ষক তপন চন্দ্র সূত্র ধর,স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষকসহ আওয়ামীলীগের নেতৃকর্মী এসময় উপস্হিত ছিলেন।

ফুলবাড়ীতে ৬ জুয়াড়ী আটক

ফুলাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের চর রোশন শিমুলবাড়ী গ্রামে তাসের মাধ্যমে জুয়া খেলার সময় ৬ জুয়াড়ীকে আটক করেছে।মঙ্গলবার গভীর রাতে ওই গ্রামের একটি পাট ক্ষেত থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন,  আলমগীর হোসেন (৩২), পিতা মৃত দুলাল মিয়া, লিটন মিয়া (২৬), পিতা মৃত মোসলেম উদ্দিন উভয়ের গ্রাম রামপ্রসাদ,  শফিকুল ইসলাম (৩৬), পিতা মৃত আজগার আলী গ্রাম পূর্ব ধনিরাম (গেটের বাজার) আঃ মালেক (৩৬), পিতা মৃত কান্দুরা মামুদ, নয়ন ইসলাম (২৫) পিতা আঃ হক গ্রাম কবির মামুদ, রতন মিয়া (২৬) পিতা মোঃ সাবের আলী গ্রাম শিমুলবাড়ী।
ফুলবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) সারওয়ার পারভেজ জানান, জুয়া আইনে মামলা দায়ের করে আটককৃতদের বুধবার কুড়িগ্রাম জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।