ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবে চুরির সময় হাতেনাতে চোর আটক

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী থানা সংলগ্ন ফুলবাড়ী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে দিনে দুপুরে সোলারের ব্যাটারী চুরির সময় এক চোরকে পথচারীদের সহায়তায় হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। গেল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মুষলধারে বৃষ্টির সময় ওই চোর প্রেসক্লাবের বাথরুমের টিনের বেড়া ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে মুল দরজা ভেঙ্গে হলরুমে প্রবেশ করে। পরে সম্পাদকের কক্ষের জানালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে চুরির উদ্দেশ্যে সোলারের ব্যাটারীর তার খুলে ফেলে।

এ সময় প্রেসক্লাবের পাশ দিয়ে যেতে থাকা এক পথচারী ক্লাবের ভিতরে দরজা ভাঙ্গার শব্দ পেয়ে সন্দেহ হলে তিনি বিষয়টি ফোনে সস্পাদক রবিউল ইসলাম বেলালকে জানান। বাইরে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালাতে না পেরে প্রেসক্লাবের ভিতর লুকিয়ে পড়ে চোর। সংবাদ পেয়ে রবিউল ইসলাম বেলাল দ্রুত প্রেসক্লাবে এসে দরজা খুলে ভাঙ্গাচোরা দেখলেও চোরকে খুঁজে পাননি। পরে স্থানীয় লোকজন ও প্রেসক্লাবের সদস্যদের সহায়তায় সম্পাদকের কক্ষের টেবিলের নিচে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় চোর লাভলু মিয়া (২০) কে আটক করা হয়।

আটক লাভলু লালমনিরহাট জেলা সদরের বিডিআর বাজার এলাকার খোঁচাবাড়ী লাইনের পাড় গ্রামের মৃত আবুল কালামের ছেলে।

চোর আটকের ঘটনা পুলিশকে জানালে ফুলবাড়ী থানার এস আই এনামুল হক দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আটক চোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে লাভলু রাস্তা ঘাটে বোতল কুড়ানোর পাশাপাশি সুযোগ পেলে মানুষের ফাঁকা বাড়ীতে ঢুকে জিনিষপত্র চুরি করার কথা স্বীকার করে। পরে বিকালে ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সম্পাদক রবিউল ইসলাম বেলাল অভিযোগ দায়ের করে চোরকে ফুলবাড়ী থানায় সোর্পদ করেন।

ফুলবাড়ী থানার ওসি রাজীব কুমার রায় জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে আটক লাভলুকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

 

ভয় হচ্ছেঃ

করোনার কারনে দেশে এখন কোন রাজনৈতিক কর্মসূচী নেই। তবে রাজনীতি নিয়ে সঙ্কা অনুভব করছে সকলেই। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় নেতারাও এখন অভিযোগ করছেন অনুপ্রবেশ হচ্ছে দলে। কড়া হুশিয়ারি দিয়েছেন দল গঠনে। ত্যগী কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আগেই। কর্মীদের সঙ্গে কথা বললেই শোনা যায় অসন্তুষ্টির কথা। শতভাগ নেতা কর্মীই জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর সন্তুষ্ট। কিন্তু দলের নেতাদের উপর ক্ষিপ্ত। মাঠ পর্যায়ের নেতা কর্মীরা হতাশ হয়ে নিরব ভূমিকা পালন করছে। ভিন্ন দলের লোকেরা পদ দখল করে নিয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টেও একই তথ্য বেড়িয়ে এসেছে। সরকারের বেশীর ভাগ কাজ পাচ্ছে বি এন পি’র লোকেরা। এই ভুল বি এন পি সরকারে থাকা কালীন করেনি। নিজ দলের লোকদেরকেই সুবিধা দিয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বি এন পি’র লোকেদেরকে কাজ দিয়ে নিজেকে স্বচ্ছ প্রমানের চেষ্টা করছে। নিজ দলের কর্মী বাহিনী হতাশ। ত্যগী কর্মীবাহিনী ঘুড় ঘুড় করছে কাজের জন্য। জৈষ্ঠ নেতারাও মূখ খুলছেননা। উপজিলা পর্যায়েও সদ্য ঢোকা নেতারাই নিয়ন্ত্রন করছে রাজনীতি। অবৈধ উপার্জন করে বিত্ত্ববান হচ্ছে তারা। জেনে শুনেই অপকর্ম করছে দলে ভেরা নব্য নেতারা। সরকার কোন কারনে ব্যর্থ হলে এই নব্য নেতারাই প্রথম চেহারাটি বদল করবে। ত্যগী কর্মীরা আবার রাস্তায় নামবে দলের হয়ে। দলনেত্রী শেখ হাসিনা বার বার ত্যগী কর্মীদের মূল্যায়ন করার কথা বললেও কার্যকর হচ্ছেনা দলে। দল এবং সরকার এক নয়। কিন্তু দলকে নির্ভর করেই সরকার গঠিত হয়। দলের নেতৃত্বটি নেতাদের উপর ন্যস্ত থাকে। ক্ষমতায় গিয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা দলকে, দলের নেতা কর্মীদেরকে মূল্যায়ন করছেনা। কর্মীরা নিরব হয়ে গেলে আগামী নির্বাচনেই ফলাফল ভিন্ন হবে। অনেক নেতাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হবে আওয়ামী লীগেরই বিরুদ্ধে। বিরোধী দল নেই, আওয়ামী লীগই হবে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ। নির্বাচন এখনো অনেক বাকী কিন্তু প্রচারনা চলছে নিজ নিজ এলাকায়। বি এন পি থেকে আসা নেতারাও এই প্রচারনায় সরব। এটিও বি এন পি’র কৌশল কিনা কে জানে। জনগন বর্তমান সরকারের উপর সন্তুষ্ট। শেখ হাসিনাকেই দেশের যোগ্য নেত্রী মনে করে। সরকার যে উন্নয়ন, সাফল্য দেখিয়েছে তা আর কোন নেতার পক্ষে সম্ভব হবেনা। সৎ নেতা হিসাবেও শেখ হাসিনাকেই মনে করে মানূষ। কিন্তু আওয়ামী লীগের এম পি, মন্ত্রী কিংবা নেতাদের উপর মানূষের আস্থাটি কমে গেছে। এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে নেতাদের উপর। শুধু এলাকাবাসীই নয়, দলের নেতা কর্মীরাও ক্ষুদ্ধ। এমন অবস্থাটি আওয়ামী লীগের জন্য সূখকর নয়। তাই ভয় হচ্ছে। কেন্দ্রিয় নেতাদের উচিৎ হবে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রিয় সভায় আলোচনা করা। মনে রাখতে হবে মাঠ কর্মীরাই দলের মূল চালিকা শক্তি।

আজিজুর রহমান প্রিন্স,

কলামিস্ট, ঢাকা, বাংলাদেশ।

হাতিবান্ধার ভেলাগুড়িতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রিপনের বিরুদ্ধে ধর্ষককে ছিনিয়ে নেবার অভিযোগ

ঈশাত জামান মুন্না, লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার অন্তর্গত ভেলাগুড়ি ইউনিয়নে গৃহবধূ ধর্ষককে ছাড়িয়ে নেওয়া ও ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহমান রিপনের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গৃহবধূ হাতিবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ ও দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায় যে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন এর উত্তর জাওরানী গ্রামের সাজেদুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ আমেনা বেগম তার স্বামী ঢাকায় চাকুরী করেন। সেই জন্য স্বামীর পৈত্রিক ভিটায় ২৩ বছর বয়সী ছেলে শামীমসহ দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছেন। অভিযোগ সুত্রে জানা যায় যে একই ইউনিয়ন এর আব্দুর ছাত্তার এর পুত্র মহি উদ্দিন মহি বেশ কিছুদিন যাবত তথা ঘটনার আনুমানিক ১৫/২০ দিন পূর্ব হতে ভুক্তভোগী গৃহবধূ আমেনার বসতবাড়ির আশেপাশে ঘোড়াঘুরি করেন এবং আমেনার সাথে দেখা হলেই বিভিন্ন প্রকার কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। মহি উদ্দিন মহির কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ০৩/০৭/২০২১ ইং রাত্রি আনুমানিক ৯ ঘটিকার পর ভুক্তভোগী গৃহবধূ আমেনা বেগম রাত্রের খাওয়াদাওয়ার পর তার পুব দূয়ারী শয়ন ঘরে ঘুমাইয়া পড়েন। পরবর্তীতে রাত্রি আনুমানিক ১১ ঘটিকার সময় মহি উদ্দিন মহি ঘরের দরজা স্বু কৌশলে ঘুলে গৃহবধূ আমেনা বেগম কে জড়াইয়া ধরে, গৃহবধূ আমেনা চিৎকার করার চেষ্টা করিলে মহি তার হাত দিয়ে মুখ চাপিয়া ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করিতে থাকে। একপর্যায়ে আমেনা বেগম ধস্তাধস্তি করে হাত মুখ থেকে সরে গেলে চিৎকার করে ওঠেন। আমেনা বেগমের চিৎকার শুনে তার শশুর ছেলে দেবর ও আশেপাশের লোকজন এসে ঘরের ভিতরে মহিকে আটক করতে সক্ষম হয়। মহিকে আটক করার পর এলাকার লোকজন এসে তাকে পুলিশে সোপর্দ করার পরামর্শ দিলে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহমান রিপন তারদলবল নিয়ে এসে মহিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে প্রথমে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। পরবর্তীতে রিপন ভুক্তভোগী গৃহবধূর পরিবারকে বিভিন্ন প্রকার প্রস্তাব দেন বিষয়টি আপোষ মিমাংসা করার জন্য। অপরদিকে ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী আপোষ মিমাংসায় রাজি না হওয়ায় আব্দুর রহমান রিপন পুনঃরায় তার দলবল সহ তথা ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন এর আঃ হামিদ, রাশেদুজ্জামান,নুরুল আমীন, বাহার উদ্দিনসহ আরো অনেকে মিলে লাঠিসোঁটা সহ এসে ভুক্তভোগী গৃহবধূ সহ তার শশুর, দেবর কে উপযুক্তি কিল ঘুষি লাথি মেরে মহির উদ্দিন মহিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর পরামর্শে ভুক্তভোগী গৃহবধূ আমেনা বেগম হাতিবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন ধর্ষণচেষ্টার যে ঘটনাটি ঘটেছে বিষয়টি লজ্জাজনক এবং বেশি লজ্জাজনক হচ্ছে গুন্ডামী করে অপরাধীকে ছিনিয়ে নেওয়া। তিনি আরো বলেন, ভুক্তভোগী গৃহবধূকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেছি।

উক্ত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাতিবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এরশাদুল আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

রাণীশংকৈলে কাঁঠাল গাছ থেকে পড়ে স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু

রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে গত সোমবার (৫ জুলাই) বিকেলে কাঁঠাল গাছ থেকে পড়ে জিসা আক্তার (১০) নামে এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। জিসা উপজেলার আমজুয়ান গ্রামের মাঝহারুল ইসলামের মেয়ে এবং স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাঝহারুলের   বাড়ির একটি ছোট কাঁঠাল গাছে তার মেয়ে জিসা উঠলে হঠাৎ করে পা পিছলে মাটিতে পড়ে যায় এতে প্রচন্ড ব্যথা পায়। এবং সাথে সাথেই সে মারা যায়।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন ছাত্রীর গাছ থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সিরাজগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় ১৪৬ মামলা

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (রাজশাহী প্রতিনিধিঃ) মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১ কঠোর লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে মাস্ক ছাড়া বিনা কারণে বাইরে ঘোরাফেরা করার দায়ে সিরাজগঞ্জে ১৪৬টি মামলায় ১৬১ জনকে বিভিন্ন পরিমাণে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (৫ জুলাই) সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলা সদরসহ নয়টি উপজেলায় ১৬টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এসব মামলা দায়ের করা হয়।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান।

তিনি জানান, করোনার সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন মানাতে সোমবার (৫ জুন) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারদের (ইউএনও) নেতৃত্বে ১৬টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে, বিনা কারণে ঘরের বাইরে বের হওয়া, স্বাস্থ্যবিধি না মানা, মাস্ক না পড়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৪৬টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় ১৬১ জন ব্যক্তিকে বিভিন্ন পরিমাণে মোট ৬৭ হাজার ৩৫০ টাকা জরিমানা করা হয়।

 

হাসপাতালে মৃত বাবার পাশে কান্নারত ৭ বছরের শিশু কন্যার ভাইরাল ভিডিওতে মৃত ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় পাওয়া গেছে (ভিডিও)

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ হাসপাতালে মৃত বাবার পাশে কান্নারত ৭ বছরের শিশু কন্যার সেই ভাইরাল ভিডিওর মৃত ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় পাওয়া গেছে। নওগাঁ পোরশা উপজেলার নিতপুর কলনিপাড়া গ্রামের কালু মুদ্দীন ছেলে মুজিবুর রহমান। তিনি পেশায় একজন ফেরিওয়ালা ছিলেন। ভ্যানে করে মেলামাইন ও সিরামিক সামগ্রী বিক্রি করতেন। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। গত রোববার সাপাহার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে ভর্তি নেয়া হয়নি। গত সোমবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ভর্তির পুর্বেই তার মৃত্যু হয়।

বাবার লাশের পাশে ক্রন্দনরত মরিয়ম আক্তার(০৭)।

মুজিবুরের স্ত্রী তানজিলা আক্তার মোবাইল ফোনে বলেন, আমার স্বামী করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী হাসপাতালে ভর্তির পুর্বেই তার মৃত্যু হয়। আমার এক ছেলে দুই মেয়ে, ছেলের নাম তুষার হোসেন, (১৩) বড় মেয়ে মাফরুফা আক্তার( ০৯) ও মরিয়ম আক্তার(০৭) নিয়ে কোথায় যাব, কি খাব। সরকার যদি সাহায্য সহযোগিতা করত তা হলে উপকার হতো।

মৃত মুজিবুরের চাচা সাদেকুল ইসলাম জানান, করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় গত কাল সোমবার সন্ধ্যা ৬ টায় নিজ গ্রাম নিতপুর কলনিপাড়ায় মাগরিবের নামাজে পর জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

 

হোমনায় কুকুরের কামড়ে নারীসহ আহত-৮, আতঙ্কে এলাকাবাসী

মো.নাছির উদ্দিন, হোমনা, কুমিল্লা, প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার হোমনায় পাগলা কুকুরের কামড়ে  নারীসহ ৮ জন আহত হয়েছেন। সোমবার বিকেলে উপজেলার নিলখী ইউনিয়নের  নিলখী ঘারমোড়া ইউনিয়নের ছোট ঘারমোড়া ও মিশ্বিকারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন-নিলখী ইউনিয়নের নিলখী গ্রামের সরাফত আলীর ছেলে মো. জুলহাস (৫০), জহুর উদ্দিনের ছেলে মো. ইসমাইল (৪০), মোস্তফা মিয়ার স্ত্রী ফজিলতের নেছা (৫৫), মৃত হাসমত আলীর ছেলে ময়নাল মিয়া (৩০), মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (১৭), মো.তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী বেলাতন নেছা (৫০), এ ছাড়া ঘারমোড়া ইউনিয়নের ছোট ঘারমোড়া গ্রামের সুমন মিয়ার ছেলে ফাহিম (১০) ও মিশ্বিকারী গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে মো. সাব মিয়া। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কুকুরটিকে মারতে পারেনি। এনিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন এলাকাবাসী।
আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। জুলহাস মিয়ার হাতের আঙ্গল কেটে যাওয়ায় তাকে  ঢাকায় প্রেরন করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার বিকাল ৩ টার দিকে একটি পাগলা কুকুর ছোটাছুটি করতে থাকে। এক পর্যায়ে কুকুরটি উপজেলার নিলখী, ছোট ঘারমোড়া, মিশ্বিকারী গ্রামের নারীসহ ৮ জনকে কামড়িয়ে আহত করে।
হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য  কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মাহবুবুর রহমান  জানান, কুকুরের কামড়ে আহত ৮ জনকে চিকিৎসা দেওয়ার পর জলাতঙ্কের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। একজনকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। কুকুরের কামড়ে তার হাতের আঙ্গুল  বিচ্ছন্ন হওয়ার পথে।

রাণীশংকৈলে ডোবার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে গত ৫ জুলাই সোমবার ডোবার পানিতে পড়ে সাব্বির হোসেন নামে দুই বছর বয়সী শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

মৃত শিশু সাব্বির উপজেলার উত্তর সন্ধ্যারই গ্রামের সুমন আলীর ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৫ টার সময় সুমন আলীর দুই বছরের ছেলে সাব্বীর সবার অগোচরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে  ৫০ গজ দূরের ডোবার কাছে গেলে পানিতে পড়ে যায়। সে সময় শিশুটির চাচী দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে লোকজন এসে শিশুটিকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে।  তাৎক্ষণিক তাকে  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক, আরএমও ডাক্তার ফিরোজ আলম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটি মারা গেছে।

ফুলবাড়ীতে মাদকসহ আটক-১

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :  কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১১০ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপ, ৪ বোতল ফেন্সিডিল ও আধা কেজি গাঁজা সহ এক মাদক কারবারীকে আটক করেছে। আটক মাদক কারবারীর নাম সুজন মিয়া (২২)। তিনি উপজেলার আজোয়াটারী গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার  সন্ধায় সুজনের বাড়ীতে অভিযান চালায় ফুলবাড়ী থানার একদল পুলিশ। এসময় তার ঘর তল্লাশি করে পুলিশ আধা কেজি গাঁজা উদ্ধার সহ তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাড়ীর পার্শ্ববর্তী পুকুর থেকে ১১০ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপ, ৪ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে তাকেসহ থানায়  নিয়ে আসে।

ফুলবাড়ী থানার ওসি রাজীব কুমার রায় জানান, আটককৃত মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

মৌলভীবাজারে নতুন ৫৬ জনের করোনা শনাক্ত, শনাক্তের হার ৫২ শতাংশ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারে প্রতিদিনই আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা সংক্রমণ।হু হু করে বেড়ে চলছে মৌলভীবাজার জেলায় পজেটিব রোগি।শহর ছাপিয়ে গ্রামেগঞ্জে ছঁড়িয়ে পড়েছে করোনার ডেল্টা ভ্যরিয়েন্ট, হাসপাতালগুলোতে সিট খালি নেই।

গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৫৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে;  গতকাল শনাক্তের হার ছিল ৪৩ শতাংশ তা আজ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ শতাংশে।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে তথ্য মতে গত ২৪ ঘন্টায় ১০৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার ৫২ শতাংশ। বিগত ২৪ ঘন্টায় জেলায় সুস্থ হয়েছেন ১৮ জন।

নতুন আক্রান্ত ৫৬ জনের মধ্যে রাজনগর ৭ জন, কুলাউড়া ১ জন, কমলগঞ্জের ২ জন, শ্রীমঙ্গলের ১ জন এবং মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের ৪৫ জন।

বিগত ২০শে মার্চ ২০২০ইং থেকে ৬ জুলাই ২০২১ইং পর্যন্ত জেলায় মোট ৩২৩৮  জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ৩৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ২৭৫০  জন।