শ্রীমঙ্গলে ভূমি অফিসের দূর্নীতি ও বিভিন্ন অজুহাতে নামজারির আবেদন বাতিল, ভোগান্তীতে সেবা গ্রহীতারা

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলবীবাজার শ্রীমঙ্গল ভূমি অফিসে দূর্নীতির কারনে জমিজমা মিউটেশন (নামজারী) নানা অজুহাতে বাতিল করা হয়েছে প্রায় সব নামজারি আবেদন। এতে ভোগান্তির শিকার উপজেলার সেবা গ্রহীতারা।

জানাযায়,গত ৬ জুন উপজেলা ভূমি কার্যালয়ে আবেদনকৃত নামজারি হঠাৎ করে মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

একজন ভোক্তভোগী শহরের সিন্দুরখাঁন রোড়ের বাসিন্দা আমির মাজি বলেন, ‘আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমার নামজারি ৬ জুন বাতিল করা হয়। এর পূর্বে আরও দু’বার কোনো কারণ ছাড়াই বাতিল করা হয়েছে। আমার নামজারি বাতিলের বিষয়ে জানতে চাইলে কানুনগো জানান ১০/১২ দিন আপনি যোগাযোগ না করায় আপনার আবেদন বাতিল হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজ ৯ মাস ধরে আমাকে কর্তৃপক্ষ নামজারির জন্যে ঘুরাচ্ছে।’

উপজেলার বিষামণি এলাকার বাসিন্দা ইউনুস মিয়া বলেন, ‘চলতি মাসের ৬ জুন হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়াই আমার নামজারির করা আবেদন মোবাইলে মেসেজ দিয়ে বাতিল বলে জানানো হয়।’

এ নিয়ে উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরাজ করছে ক্ষোভ। কয়েকজন আবেদনকারী জানান, একেকটি ই-নামজারী আবেদন দাখিল করতে তাদের খরচ হয় হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা। তারপর তো আছে আরো খরচ। এতো টাকা খরচ করার করার পর নামজারী আবেদন বাতিল হওয়ায় নানা ভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হতে হচ্ছে আবেদনকারীরা। তারা বলেন, ‘সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এবং তহশিলদার ও সার্ভেয়ারের রিপোর্ট সঠিক থাকলেও সহকারী কমিশনার ভূমি কাগজপত্র যাচাই করে সরকারী ফি আদায় সাপেক্ষ নতুন খতিয়ান খোলার অনুমোদন দেওয়ার কথা। কিন্তু এক্ষেত্রে ঘটছে তার বিপরীত।

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা ভূমি অফিস সহকারী কমিশনার ভূমি নেছার উদ্দিন বলেন, ‘আমরা সর্বাত্তোক মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। লক ডাউনের কারণে আবেদন করা কিছু আবেদন পিছিয়ে পড়েছে। এগুলো আমরা দ্রুত সমাধান করে দেয়ার চেষ্টা করছি। যেসব নামজারি বাতিল হয়েছে সেসব জমির কাগজপত্র,দাগ নাম্বার ভূল থাকায় বাতিল হলেছে। আমরা সেগুলো সংশোধন করার মাধ্যেমে নামজারি করে দিচ্ছি।

অন্য আরেক প্রশ্ন রেখেছিলাম ভুমি অফিসার এর নিকট মোঃ নেছার উদ্দিন কে, আপনার অফিসের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন রকম ভাবে হুমকি প্রদর্শন করে রাত সাড়ে ৮ ঘটিকা অব্দি অফিস করিয়ে নিচ্ছেন তাও মহিলা কর্মকর্তাদের সহ, তাদের বাসা বাড়িতে এর রাতে যাওয়ার সেইফটির কথা মাথা রাখাটাও আপনার ভাবনার বিষয়, ওনি উত্তরে বলে উঠেন এ অভিযোগ আপনাদের কে দিয়েছে, নাম না বলা শর্তে কর্মকর্তারা এমন অভিযোগ তুলেন নয়তো অন্যর্থ বদলি করে বড়লেখা, কুলাউড়ায় দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। সরকারের স্বার্থে নাকি এমন অমানবিকতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে ভূমি অফিসারের এমন এক ঘেয়েমিপনা।

শর্তপূরণ না করেই সহকারী অধ্যাপক, পদোন্নতি বাতিল

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক কাজী এম আনিছুল ইসলামের আবেদনের যোগ্যতার যথাযথ শর্তপূরণ না হওয়ায় যোগদানের পর পদোন্নতি বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিক্ষক কাজী এম আনিছুল ইসলাম আবেদনের সময় যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবেদন করেননি। এছাড়া তার চাকরির তিন বছরও পূর্ণ হয়নি। শিক্ষকদের পদোন্নতির নীতিমালা অনুযায়ী প্রভাষক পদে তিন বছরের সক্রিয় অভিজ্ঞতার পর সহকারী অধ্যাপক পদের পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন হয়। পাশাপাশি যদি কোনো শিক্ষকের এ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের আগে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজের অভিজ্ঞতা থাকে তবে সেই অভিজ্ঞতা সর্বোচ্চ এক বছর বিবেচিত হবে। তবুও তা হবে যদি ওই শিক্ষক আবেদনের সময় যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করে থাকেন। এ নিয়মাবলী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮তম সিন্ডিকেট সভায় নির্ধারণ হয়। কিন্তু বিভাগের সভাপতি ও প্লানিং কমিটি পদোন্নতির সুপারিশ করার আগে সকল শর্ত পূরণ করে কি না তা যাচাই বাছাইয়ের কথা থাকলেও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি ও প্লানিং কমিটি ওই শিক্ষকের যোগ্যতার শর্ত পূরণ না হওয়ার পরেও অবেদনপত্রে সুপারিশ করেন।

এছাড়াও রেজিস্ট্রার দফতরে আবেদনপত্র জমা হওয়ার পর আবেদনপত্র যাচাই বাছাই সাপেক্ষে পদোন্নতির সাক্ষাৎকার বোর্ড আয়োজন করার নিয়ম থাকলেও সেটি মানা হয়নি। অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বোর্ড করে পদোন্নতি দেয়া হয়। পরে শিক্ষক আনিছুল ইসলাম যোগদানের জন্য যোগদানপত্রও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর প্রেরণ করেন। তখন শর্তপূরণ না হওয়ার বিষয়টি নজরে এলে এবং বিভিন্ন মহলে বিতর্ক শুরু হলে বিষয়টি সিন্ডিকেটে তুলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে তিনি সহকারী অধ্যাপক পদের সমপরিমাণ বেতন পেয়ে আসছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটেও তার সহকারী অধ্যাপক পদ লেখা হয়।

শিক্ষক কাজী এম আনিছুল ইসলাম যে বিজ্ঞপ্তি অনুসারে নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন ওই বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, চাকরিরত প্রার্থীদেরকে অবশ্যই যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনকারীর আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রার/প্রতিষ্ঠান প্রদান কর্তৃক কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার বরাবর অগ্রায়িত হতে হবে অথবা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সরবরাহকৃত মূল আবেদন পত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের স্বাক্ষর ও সিলসহ ফরওয়ার্ডেড বা অগ্রায়িত শব্দটি লেখা থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন বলে বিবেচিত হবে। সে হিসেবে তিনি পদোন্নতির জন্য আবেদন করতে পারেন না।

পদোন্নতির আবেদনের সুযোগ না থাকার পর কেনো আবেদন করেছেন, এমন প্রশ্নে শিক্ষক কাজী এম আনিছুল ইসলাম বলেন, আমি আবেদন করতেই পারি এটা যাচাই বাছাই করার দায়িত্ব প্রশাসনের।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি মো: বেলাল হুসাইন বলেন, আমি এসব বিষয়ে কথা বলতে ইচ্ছুক না।

রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো: আবু তাহের বলেন, বিভাগের প্লানিং কমিটি যাচাই বাছাই করার কথা। তারা সুপারিশ করেছে। বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটি যথাযথ নিয়ম মেনে প্ল্যানিং করেনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের সময় সঠিক পদ্ধতীতে আবেদন করতে হয়। কিন্তু সেখানে এ শিক্ষকের প্রক্রিয়ায় ত্রুটি ছিল। যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন না করায় তা বাতিল হয়েছে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো: শামিমুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮তম সিন্ডিকেটের একটি সিদ্ধান্তু অনুসারে যারা নতুন যোগদান করে তাদের যথাযথভাবে আবেদনের যে প্রক্রিয়া রয়েছে তা সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে। এখন এটি যারা অনুসরণ করেছে তারা অবশ্যই বেনিফিটেড হয়েছে। যারা এটি অনুসরণ না করে পরে এসে যদি কোনোভাবে কাগজ পত্র সংযোজন করে এ সুবিধা নিতে চায় এটা একজন শিক্ষকের যে নৈতিক দিন রয়েছে সেখান থেকে আমি মনে করি না এইটা সমীচিন হয়েছে।

উপাচার্য ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, সিন্ডিকেটের যথাযথ ইনস্ট্রাকশন অনুসরণ করা হয়নি তাই এটা বাতিল করা হয়েছে।

নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনায় শুভেচ্ছা জানান ময়মনসিংহের সাবেক কাউন্সিলর মিল্লাতুল ইসলাম (সোহাগ)

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধিঃ জয় হোক মানবতার, জয় হোক বাংলাদেশের ছাত্রলীগের, “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” এই স্লোগানে, শিক্ষা,শান্তি ও প্রগতির ধারক বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা জয়বাংলার সাথে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দিতে নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের নব ঘোষিত কমিটিতে যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় আশিকুর ফারাস দোদুলকে অভিনন্দন জানান মিল্লাতুল ইসলাম সোহাগ। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিয়াল্লিশ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি গত শনিবার (২৬ জুন) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল- নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত ১ বছর মেয়াদি কমিটি লিখিত পত্রে অনুমোদন দেন। এতে সভাপতি হয়েছেন, রবিউল আওয়াল শাওন এবং সাধারণ সম্পাদক সোবায়েল আহমেদ খান। নেত্রকোনা জেলায় ছাত্রলীগের আশিকুর ফারাস দোদুলকে যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত করায় কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে অভিনন্দন জানান আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ময়মনসিংহ ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক কাউন্সিলর মিল্লাতুল ইসলাম (সোহাগ)।

মিল্লাতুল ইসলাম (সোহাগ) বলেন, “তিন মাস ভারপ্রাপ্ত থাকার পর ছাত্রলীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আল-নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য কে পূর্ণাঙ্গ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন বঙ্গমাতা জননেত্রী শেখ হাসিনা”। তিনি নেত্রকোনার ছাত্রলীগের নবগঠিত নেতাদের কবিতা আবৃত্তি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, তারা ছাত্রলীগ নেতাকর্মী যে বয়সে নরম কন্ঠে প্রেয়সীর বরমাল্য পেতে প্রপোজ করার কথা। সে বয়সে তাদের কন্ঠ প্রতিবাদী বজ্র শ্লোগানে খুঁজে নিয়েছে ঠাঁই, দেশ প্রেমি মানুষের ক্লান্ত মিছিলে তারা ছাত্রলীগ নেতাকর্মী।

এছাড়াও শুভেচ্ছা জানান মোঃ নাসিম জাহাঙ্গীর ভূইয়া আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগ।

নবগঠিত যুগ্ন- সাধারণ সম্পাদক আশিকুর ফারাস দোদুল শুভেচ্ছা প্রেক্ষিতে বলেন, জেলার দক্ষিণ অন্ঞ্চল ছাত্রলীগের পক্ষে যে কোন অন্যায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে কাজ করে যাব। গরিব দুঃখি অসহায় মানুষকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করব।দীর্ঘদিন পর কমিটির অনুমোদন ও নিজে যুগ্ন- সাধারণ সম্পাদক হওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে দোদুল জানান, অনুভূতি এককথায় অসাধারণ। কেন্দ্রীয় নেতারা যেভাবে জেলার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক তথা মূল নেতৃত্ব বেছে নিয়েছেন তা সত্যিই নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের জন্য বড় পাওয়া। চমৎকার এই সিদ্ধান্তের জন্য কেন্দ্রীয় সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য’র সিদ্ধান্তের প্রতি সারাজীবন শ্রদ্ধা বজায় থাকবে। নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের এখন শুধু সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় আমরা নিষ্টা ও সততার সাথে কাজ করে যাব এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সর্বদাই সচেতন থাকব।

রাজনগরে ৫০০ কৃষকের মাঝে ধান বীজ ও সার বিতরণ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ রোপা আমন আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ধানবীজ ও সার বিতরণ করছে সরকারের কৃষি বিভাগ। খরিপ-২ মৌসুমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৫০০ জন কৃষকের মাঝে ধানবীজ ও সার বিতরণ করছে কৃষি বিভাগ।

মঙ্গলবার (২৯ জুন) রাজনগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নেছার আহমদ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, খরিপ-২ মৌসুমে রোপা আমন আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২০-২১ অর্থবছরে উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ৫০০ জন কৃষককে ধানবীজ ও সার দেয়া হচ্ছে। প্রত্যেক কৃষককে ৫ কেজি ধানবীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর কৃষকদের বিনা ১৭, ব্রিধান ৪৯, ব্রিধান ৭১, ব্রিধান ৫১, ব্রিধান ৫২ এর বীজধান দিচ্ছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা পালের সভাপতিত্বে ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. এনামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক লুৎফুল বারী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তি চক্রবর্তী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ ইফ্ফাত আরা ইসলাম, রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মিলন বখত প্রমুখ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাজনগর ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান খয়রুল মজিদ সালেক, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান, সেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম সোহেল, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ফৌজি প্রমুখ।

ফুলবাড়ীতে বিনামুল্যে বীজ ও সার বিতরণ

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৯’শ কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে ২০২০-২১ অর্থবছরে খরিপ-২/২০২১-২২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী ও হাইব্রীড জাতের রোপা আমন চাষাবাদের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ -সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন দাস।

এসময় উপজেলা কৃষি অফিসার মাহবুবুর রশিদ, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাবাব ফারহান, উপ- সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক, ফকরুল ইসলাম, আশরাফুল আলম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে প্রথমবারের মত কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক/S.H:

অসাধারণ জয় দিয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মত কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড। ২৯ জুন রাতে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের মুখোমুখি হয়েছিল সুইসরা। ৩-৩ গোলে ড্র করায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। এমবাপের পঞ্চম শটটি দারুণ ভাবে রক্ষা করেন সুইস গোলরক্ষক সমার।

মঙ্গলবার রাতে উইরোর নক আউট পর্বে সুইজারল্যান্ড মুখোমুখি হয় ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল ফ্রান্সের বিপক্ষে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ম্যাচটা সহজ ছিলনা সুইসদের জন্য। তবে ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অসাধারণ ভাবে খেলে ফুটবল বিশ্বকে অবাক করে দেয় সুইজারল্যান্ড। শুরুর ১৫ মিনিটেই লিড নেয় সুইজারল্যান্ড। সুইসদের হয়ে প্রথম গোলটি করেন হ্যারিস সেফারোভিচ। এরপর প্রথমার্ধে গোলের মুখ দেখেনি দু’দলের কেউই। দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হলে মাঠে নামেন ফ্রান্সের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় করিম বেনজেমা। রিয়ালের তারকা হাত ধরে বাজিমাত করেন ফ্রান্স। পরপর দুই গোল দিয়ে লিড নেয় ইউরো রানার্স আপরা। ৭৫ মিনিটে নিজেদের খাতায় তৃতীয় গোলটি যোগ করেন পল পগবার৷ যেখানে ফ্রান্স জয়ের সুবাস নিয়ে ম্যাচ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল ঠিক তখনই শেষ সময়ে পরপর দুই গোল দিয়ে সমতা আনেন সুইস বাহিনী। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে আক্রমণাত্মক খেলা খেলেও গোলের মুখ দেখেনি দুদলের কেউ। ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে, আর সেখানে বাজিমাত সুইজারল্যান্ডের। পাঁচটি শটের ৫ টিই ফ্রান্সের জালে পাঠান সুইসরা। প্রথম চারটি শটও দারুণ ভাবে জালে পাঠান ফরাসি খেলোয়াড়রা। তবে বিপত্তি বাধে এমবাপের নেয়া পঞ্চম শটে। সুইস গোলরক্ষক ডান দিকে ঝাপিয়ে গোল রক্ষা করে সুইজারল্যান্ড নিয়ে যায় ইতিহাসে প্রথমবারের মত কোয়ার্টার ফাইনাল। সুইস সাপোর্টার ও দলকে দেখা যায় অবিশ্বাস্য জয়কে উদযাপন করতে। আর একই মাঠে বেনজেমার দলকে দেখা যায় বিদায়ের দুঃখ নিয়ে পড়ে থাকতে।

দেশদ্রোহী মামলার কারণে পাসপোর্ট নিয়ে বিপাকে কঙ্গনা রানাউত

বিনোদন  ডেস্ক/S.H:

বলিউডের কুইন কঙ্গনা রানাউত প্রায় দিন কোন কোন বিষয় নিয়ে চর্চায় থাকেন । এইবার শক্তিশালী এই অভিনেত্রী বিপাকে পড়েছেন পাসপোর্ট নিয়ে। ২০২০ সালে পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলেও দেশদ্রোহী মামলার কারণে পাসপোর্ট রিনিউ করতে পারছেনা বলিউডের কুইন।

আলোচনা -সমালোচনার জীবন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের। অভিনয়ে দক্ষ এই অভিনেত্রী মানুষ মন জয় করে নিয়েছেন নিজের মতামত প্রকাশের মাধ্যমে। যদি মতামত প্রকাশ কারণে নেটিজনদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন অনেকবার। তবে বিপত্তি দেখা দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়তে ধর্ম নিয়ে মন্তব্য করার কারণে৷ নেটিজনদের মতে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কঙ্গনা সাম্প্রদায়িক বিষ ও ধর্মীয় সম্প্রতি নষ্ট করছেন। তাই অভিযোগ উঠে এই তারকার বিরুদ্ধে। দেশদ্রোহী মামলা করা হলেও তা প্রসেসিং হয়নি এখনো৷ তবে কঙ্গনা বিপাকে পড়ে এরপর। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শেষ হয় কঙ্গনার পাসপোর্টের মেয়াদ। কিন্তু মামলা থাকার কারণে রিনিউ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই বিষয়ে ভারতের পাসপোর্ট অফিস কঙ্গনাকে জানান হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া তারা পাসপোর্ট রিনিউ করতে পারবেন না। এর পরপরই কঙ্গনা হাইকোর্টের আপিল করলে তারা জানান, “আবেদন পত্রে কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন। কঙ্গনা তা পরিবর্তন করে সঠিক তথ্য দিলে তারা কঙ্গনার পাসপোর্ট রিনিউ করতে আদেশ দিবে।” তবে কঙ্গনা এখন এই বিষয়ে গণমাধ্যমকে  এখন পর্যন্ত কিছু বলেনি।

ঢাকার বাস সার্ভিসঃ

পৃথিবীর সব উন্নত শহরেই বাস সার্ভিস জনপ্রিয় হয়। বাস সার্ভিস নিরাপদ এবং খরচও কম। দেশের রাজস্ব উৎপাদনেরও বাস সার্ভিস একটি বড় খাত। কিন্তু বাংলাদেশের বাস সার্ভিস ঝুকিপুর্ন। বাধ্য না হলে কেউ বাসে উঠতে আগ্রহী হয়না। পরিকল্পনার অভাবে দেশের এই রাজস্ব খাতটি ব্যহত হচ্ছে। বিশাল অঙ্কের রাজস্ব হারাছে। রাস্তার অস্বাভাবিক যানজট সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারন এখন শহরের অপরিকল্পিত বাস সার্ভিস। যত্রতত্র যাচ্ছেতাই ভাবে বাস চলাচল রাস্তাকে অচল করে দিয়েছে। ট্রাফিক আইন মানছেনা বাস চালকরা। একটি ষ্টেশন থেকে গন্তব্যে যাওয়ার সময় নির্ধারন করে দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ে ষ্টেশন ত্যগ করলেও ধীর গতিতে এগুতে থাকে। থেমে থাকে রাস্তার মাঝ খানে অন্যকে আটকে দিয়ে। কেউ হাত তুললেই মাখখানে দাঁড়িয়ে যায় সামনটি বাঁকা করে। যাত্রী নামানোর জন্যও রাস্তা ব্লক করে রাখে। রাস্তার গতি থামিয়ে দেয়। শেষ প্রান্তে গিয়ে বেপরোয়া হয়ে গাড়ীর গতি বাড়িয়ে দেয়। অন্যকে ধাক্কা দিয়ে হলেও বেঁধে দেওয়া সময় রক্ষা করতে গাড়ী চালায়। দুর্ঘটনা ঘটে বাসের নিয়ন্ত্রন হারিয়ে।

গাড়ী শুধু এক কম্পানির নয়। বহু বাস চলাচল করে একই রাস্তায়। যাত্রী তুলতে সব বাসই একইভাবে ব্লক পন্থা অনুসরন করে। একসময় শুধু বাসই লাইন ধরে থাকে। পথচারি পারাপারের সুযোগটিই রক্ষা করেনা। হেল্পার কন্ট্রাকটারদের গালাগালি আর দুর্ব্যবহার ঢাকার বাসের বাড়তি সংযোজন। ভেতরের সিট এবং সিটের অবস্থা বসার যোগ্য নয়। বাধ্য হয়েই স্বল্প আয়ের মানুষেরা বাসে চড়ে। সব মিলিয়ে ঢাকার বাস সার্ভিস এক দুর্বিসহ নির্যাতন।

সরকারী বাসও ব্যক্তি মালীকানায় পরিচালিত হয়। এই অব্যবস্থাপনা ভুল নয় অন্যায়। সরকারী দপ্তরে বসে বি আর টি সি’র নামে বেতন তুলে বাস ব্যক্তি মালীকানায় দেওয়া অযোগ্যতা। রাস্তার এমন অব্যবস্থাপনা দিয়ে যানজট কমানোর ভাবনা অবান্তর। এতগুলি ওভার ব্রিজ নির্মান করেও নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌছানোর সময় নিশ্চিত করা যায়নি। ক্রসিং পারাপারেও গাড়ীতে বসে থাকতে হয় ৩০ মিনিট। আধুনিক যূগে পুলিশ হাত তুলে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন করে – এটা ভাবা হাস্যকর। সরকার কাজ করছে ভাল। কিন্তু রাস্তাকে নিয়ন্ত্রন করা না গেলে সব অর্জন ব্যর্থ হয়ে যাবে। নিয়ন্ত্রনহীন ট্রাফিক ব্যবস্থা দেশের উৎপাদন থামিয়ে দিয়েছে ১০% শতাংশ। রাস্তার ব্যবস্থাপনা সচল করা কষ্টকর তবে অসম্ভব নয়। বিশ্বের উন্নত দেশের তুলনা করে নেতারা ঢাকা কে পরিবর্তনের আশ্বাস দেন প্রায়ই। কোন একটি দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনাটি অনুসরন করলেইত এই পরিবর্তন সম্ভব। চলবে……..

 

আজিজুর রহমান প্রিন্স,

কলামিস্ট, ঢাকা, বাংলাদেশ।

ফুলবাড়ীতে আকষ্মিক ঝড়ে ঘরবাড়ী বিধ্বস্ত, আহত-৩

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে আকর্ষ্মিক টর্নেডো ঝড়ে একটি পরিবারের বসতঘর, মুরগীর খামার, সেচ পাম্পের ঘর সহ মোট ৬টি টিনসেড ও ১টি পাকাঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের পশ্চিম বড়লই গ্রামের মৃত ছমেদ উল্লার ছেলে আজিজুল হকের বাড়ীতে এ আকর্ষ্মিক ঝড় আঘাত হানে।

বাড়ীর মালিক আজিজুল হক সহ স্থানীয়রা জানান, মাগরিবের নামাজের কিছুক্ষন পর হালকা বৃষ্টির সাথে হঠাৎ দমকা বাতাস শুরু হয়। লোকজন কিছু বুঝে উঠার আগেই মুহুর্তের মধ্যে বাতাস ঘুর্ন্নিরুপ ধারন করে ৪টি টিনের বসতঘর ও দুইটি টিনের মুরগীর খামার ঘর, ঘরের আসবাব বিছানাপত্র উড়িয়ে নিয়ে যায়। এ সময় আজিজুলের বাড়ীর পাশে অবস্থিত নুরুজ্জামান মিয়ার বরেন্দ্র সেচ পাম্পের পাকা ঘরটিও সম্পুর্ন বিধ্বস্ত হয়।

প্রানভয়ে ছুটাছুটি করতে গিয়ে টিন এবং বাঁশ কাঠের আঘাতে আজিজুল হকের স্ত্রী জাহেদা বেগম (৩০) মেয়ে অনামিকা (৮) ছেলে জাহিদ (৩) আহত হন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হলেও উড়ে যাওয়া ঘরের টিনগুলো মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।

বড়ভিটা ইউপি চেয়ারম্যান খয়বর আলী জানান, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঝড়ে পরিবারটির প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

 

করোনার আতঙ্কের মাঝে তামাবিল সীমান্তে অনুপ্রবেশ, নাইজেরিয়ান যুবক আটক

মোঃ আমিন আহমেদ, সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ের সীমান্ত এলাকার তামাবিল সীমান্ত দিয়ে ২৯ জুন অনুপ্রবেশের সময় এক নাইজেরিয়ান নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি’র নৌজওয়ানরা৷ জানা যায় বাংলাদেশের তামাবিল এলাকা থেকে এক যুবক আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করে ৷

সীমান্ত ডিঙিয়ে অনুপ্রবেশের সময় সীমান্তে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিবি’র নৌজওয়ানরা তাকে আটক করে ৷ তার কাছ থেকে তাঁর কিছু ব্যবহারি জামাকাপড় সহ একটি মোবাইল ফোন অন্যান্য উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছেন তামাবিল ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার মোঃ সুরুজ আলী। তাকে আটক করে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে৷ বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশ কড়ায় নির্দিষ্ট থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করেছে পুলিশ ৷

উল্লেখ্য, সীমান্ত অতিক্রম করে প্রায়ই ভারত থেকে লোকজন দেশে অনুপ্রবেশ করে চলেছে বলে অভিযোগ ৷ সন্ত্রাসবাদীরা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে এ ধরনের কার্যকলাপ সংগঠিত করার পথ প্রস্তুতি করছে বলে জানা গেছে ৷ তারা সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত করছে বলে পুলিশ ও বিজিবি’র কাছে সুনির্দিষ্ট খবর রয়েছে৷ এরই পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে ৷ তবে জাফলংয়ের তামাবিল সীমান্তে আটক যুবকের কাছ থেকে আপত্তিকর কোনো জিনিসপত্র উদ্ধার করা যায়নি ৷ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ ৷ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি নৌজওয়ানদের তৎপরতা আরো বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে। তামাবিল ৪৮ ব্যাটেলিয়ান বিজিবি’র ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার মোঃ সুরুজ আলী।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে গোয়াইনঘাট থানার এস আই লিটন রায় জানান মহামারি করোনার সংক্রমণে সারাদেশ আতঙ্কিত আজ এক নাইজেরিয়ান যুবক আটক করা হয়েছে বাংলাদেশের সীমান্ত পথে আরও কড়াকড়ি নজরদারি আমাদের ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।