কমলগঞ্জে ১৫৬ পরিবার পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি অসহায়, ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে দলিল সহ ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে।

রোববার (২০জুন) গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের হল রুমে উপকার ভোগীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরের কাগজ তুলে দেওয়া হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরিন চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রাম ভজন কৈরী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম প্রমুখ।

কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রতিটি ঘরের জন্য বরাদ্দ ১ লক্ষ ৯১ হাজার টাকা। এ টাকায় বানানো ঘরে তাদের জন্য ২০ ফুট টু ২৩ ফুট প্রস্থের ঘরে রয়েছে দুটি কক্ষ, একটি রান্নাঘর, রুমের পিছনে টয়লেট ও সামনে খোলা বারান্দা।

নদী সংস্কারঃ

ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী এবং অন্যতম প্রধান শহর। শহরের ব্যপ্তি এখন ছড়িয়ে গেছে বহুদুর। চারিদিকে নদী বেষ্টিত এমন শহর পৃথীবিতে খুব বেশী আছে জানা নেই ( না থাকারই কথা)। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু আর শীতলক্ষা চারটি নদী রয়েছে ঢাকাকে ঘিরে। সবগুলি নদী এখন অস্থিত্ব সঙ্কটে। নর্দমায় পরিনত হয়ে গেছে। বুড়িগঙ্গার নির্মল পরিবেশ আর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে নবাব পরিবার নির্মান করেছিল নবাব বাড়ীটি। কালের বিবর্তনে সেই সব সৌন্দর্য এখন ইতিহাসের পাতায় বন্দি। নবাব বাড়ীটি ঢাকা পরে গেছে বানিজ্য প্রসারে। সদরঘাট টার্মিনাল ছাড়া নদীর সীমনা প্রায় সবটাই দখল হয়ে গেছে। সঙ্কুচিত হয়ে গেছে বুড়িগঙ্গা। অগভীর পানি আর আবর্জনায় বুড়িগঙ্গা এখন পচা নর্দমা। আগে এই নদীর পানি বিতরন হত ঢাকায়। তুরাগ বালু আর শীতলক্ষাও এখন অস্তিত্বহীন। ধলেশ্বরী নদীর মূখটুকু খালী আছে ঢাকা ঢোকার গেট হিসাবে। তবে সেটিও চর পরে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে পশ্চিমে। ময়লা আবর্জনা সব নিক্ষিপ্ত হয় নদীতেই। গভীর নলকুপ থেকে পানি তুলে বিতরন করতে হয় ঢাকা বাসীকে।

নদীপথেই যোগাযোগ ছিল সহজলভ্য। প্রথমে গয়না নৌকা পরে লঞ্চ ষ্টিমার চলাচল শুরু হয় নদী পথে। লঞ্চের পোড়া তেল আর উচ্ছিষ্ঠ নিক্ষেপ করে পানি দূষণ শুরু হয়। শহরের সব ড্রেনেজ নিক্ষিপ্ত হয় নদীতে। অসম্ভব বিষাক্ত আবর্জনাও নদীতে ফেলে আস্বস্থ্য হয় শহরবাসী। আধুনিক যুগে নদীকে এমন অবহেলা কোনভাবেই মানা যায়না। সিঙ্গাপুরের পানিতে কলার খোসা ফেলার জরিমানা গুনতে হয়। বাংলাদেশে পানিতেই আবর্জনা ফেলে সব। দুটি দেশের ভাবনা আর নিয়ন্ত্রনের বৈপরিত্বই বলে দেয় আমরা কতটা সভ্য। মিঠা পানির সংরক্ষন সমগ্র পৃথীবিতেই এখন দুর্লভ। সর্বাধিক মিঠা পানির সংরক্ষন রয়েছে বাংলাদেশে। মিঠা পানির মাছ গুরুত্বপুর্ন রাজস্ব খাত হতে পারে নদী সম্পদ। কিন্তু যথাযথ ব্যবহার না হলে দেশের এই রাজস্ব খাতটিও ব্যহত হবে। ঢলে কাঁদা পানি এসে প্রতিবছর পলিমাটি দিয়ে ভরাট হয়ে যায় নদী। নদী খনন ব্যয়বহুল এবং প্রতিবছর হতে হবে। কিন্তু দেশের উন্নয়নে পদ্মা সেতু নির্মানের চেয়ে নদী খনন কম গুরত্বপুর্ন নয়। রাজস্ব উৎপাদন হবে নদীতেই বেশী। ঢাকার চারপাশের নদী গুলি সংস্কার করে পুর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা গেলে ঢাকা যেমন দৃষ্টি নন্দন হবে,পর্যটকদের বিনোদনেরও আকর্ষন হবে। দুই পাশে সেবামূলক প্রতিষ্ঠান লগ্নি খাটিয়ে নিয়োগ দিবে অসংখ্য মানুষকে। বেকারত্ব দু্রীভূত হবে দেশে। মৎস শিল্প উৎসাহিত হবে নদী গর্ভে। বর্তমান সরকার দেশে অভাবনিয় অবোকাঠামো নির্মান করেছে। দেশের উন্নয়ন করেছে অকল্পনীয়। এই সরকারই পারবে নদীগুলি সংস্কার করে ঢাকা এবং নারায়নগঞ্জের পুরানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে। ঢাকা নারায়নগঞ্জের নদীগুলির প্রতি সরকার নজর দিবে আশাকরি।

আজিজুর রহমান প্রিন্স,

কলামিস্ট, ঢাকা, বাংলাদেশ।

বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় ১৮৫ সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে দলিলসহ ঘরের চাবি হস্তান্তর

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগে গৃহহীন জনগণকে গৃহপ্রদান, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এক অবিস্মরণীয় পদক্ষেপ। যা ইতিহাসের পাতায় পাতায় লিখা থাকবে।

তিনি বলেন, এ যাবৎ কাল অনেক সরকার এসেছে, কোনো সরকার প্রধান এত বিপুল পরিমাণ গৃহহীনকে গৃহ নির্মাণ করে দেওয়ার কথা চিন্তাও করেনি। জাতির পিতার কন্যা সেই স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করে প্রমাণ করেছেন, “যতদিন শেখ হাসিনার হাতে দেশ, ততদিন পথ হারাবে না বাংলাদেশ।”

রবিবার (২০জুন) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে মৌলভীবাজারের উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ঢাকাস্থ সরকারি বাসভবন হতে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে বক্তব্য প্রদানকালে পরিবেশ মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিবেশ মন্ত্রী উপস্থিত উপকারভোগীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সবাই মিলে একতাবদ্ধ হয়ে সমবায় সমিতি তৈরি করতে হবে। পরস্পরের সহযোগিতায় নিজেদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার মন্ত্রী তাদের প্রতি আহবান জানান।

উপকারভোগীদের সার্বিক আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সামাজিক উন্নয়নের জন্য স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি সর্বোপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় তাদের পাশে আছেন। তাই নির্ভয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে এখানে বাস করে নিজেদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে সোনার বাংলা বিনির্মাণে অবদান রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী আজ ভার্চুয়ালী ৫৩ হাজার ৩৪০ টি পরিবারের মাঝে ঘরের চাবি ও জমির তুলে দেয়া কার্যক্রমের উদবোধন করেন। মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ২য় পর্যায়ে ১৫০টি গৃহের মধ্যে ১০৫ টি এবং জুড়ী উপজেলায় ১৬৯ টি গৃহের মধ্যে ৮০ টি গৃহ উপকারভোগীদের মাঝে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

এসময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

জবির মাঠ দখল করে বাণিজ্যিক প্রকল্প গ্রহণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

জুবায়ের, জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ধূপখোলায় কেন্দ্রীয় মাঠ দখল করে সিটি করপোরেশনের মার্কেট ও পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
রোববার (২০ জুন) দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে একমত পোষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ধূপখোলা মাঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একমাত্র খেলার মাঠ। এখানে খেলার মাঠ ধ্বংস করে কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা চলবে না। এমন সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীরা থামিয়ে দেবে। ডিএসসিসি আমাদের মাঠ দখল করে যে পিলার দিয়েছে তা অনতিবিলম্বে উঠাতে হবে। মাঠের দিকে কুনজর দিলে শিক্ষার্থীরা তাদের মাঠ রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়বে।

শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল আলম টিটন মানববন্ধনে বলেন, যে কোনো মানুষের সুস্থ থাকতে খেলাধুলা দরকার। আমাদের একটি মাত্র মাঠ, সেটিও দখল হয়ে যাচ্ছে।  দখলদাররা এসব দখল করে ব্যবসা করতে যাচ্ছে। তারা পিলার দিয়েছে। আমরা বলতে চাই দ্রুত এসব তুলে নেবেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানে কিভাবে তাদের অধিকার রক্ষা করতে হয়। তাই আমরা কঠোর হওয়ার আগে আপনারা খুঁটি তুলে নেবেন।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, মাঠ রক্ষার্থে যে সব পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন তা আমরা নেব। সোমবার (২১ জুন) আমাদের মেয়র মহোদয়ের সঙ্গে মাঠের বিষয়ে সরাসরি বৈঠক রয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে সমাধান আসবে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের আমল (৮০ দশক) থেকে ধূপখোলা মাঠের একটি অংশ তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ পরবর্তীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ হিসেবে বিভিন্ন মাধ্যম কর্তৃক স্বীকৃতি পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে জবিয়ানদের একমাত্র খেলার মাঠ হিসেবে ধূপখোলা মাঠের নির্ধারিত অংশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করে আসছে এমনকি জবির প্রথম সমাবর্তনও সে মাঠে হয়েছে।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দখল করে ডিএসসিসির বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ চলবে না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ রক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
পুরান ঢাকার ধুপখোলায় অবস্থিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ দখল করে সেখানে মার্কেট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত ১০ জুন দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামসুজ্জোহা ও সিটি কর্পোরেশনর সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার হরিদাস মল্লিক মাঠের ভেতর ম্যাপ অনুযায়ী মাঠের চার কর্নারে খুঁটি বসিয়েছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে না জানিয়ে মাঠে খুঁটি বসানোর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
মানববন্ধনে শাখা ছাত্রলীগের আশরাফুল আলম টিটন, সৈয়দ শাকিল, জামাল উদ্দীন, আকতার হোসেন, নুরুল আফসার, আসাদুজ্জামান আসাদ উপস্থিত ছিলেন।

বীরাঙ্গনা শিলা গুহের কথায় প্রধানমন্ত্রী অশ্রুশিক্ত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি: বীরাঙ্গনা শিলা গুহ একজন উপকারভোগী নারী। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে একটি ঘর বুঝে পান। রোববার ২০ জুন সকাল সাড়ে ১১ টায় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা মাজদিহি পাহাড়ের দৃষ্টিনন্দন এলাকায় নির্মিত ৩ শত ঘর ও দলিল ভূমিহীন, গৃহহীন পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করেন।
এসময় উপকার ভোগিদের মধ্যে বীরাঙ্গনা শিলা গুহ বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যে শিলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে বলেন, আমি ঘর পেয়ে খুবই খুশি। আগে ছিলাম রাস্তার ভিখারি, এখন আমি লাখপতি। শুধু বঙ্গবন্ধুকন্যার জন্য আমি এ পর্যায়ে আসতে পেরেছি। ভগবান তাঁকে দীর্ঘজীবী করুন। কামনা করি, বঙ্গবন্ধু ও আমার মা শেখ ফজিলাতুন্নেছার আত্মা শান্তি পাক। শিলা গুহ বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে তাঁর একটাই দাবি রেখে বলেন, আমাকে যে নতুন ঘর দিয়েছেন সেই ঘরে একবার আসবেন। আমি আপনাকে সাতকরা দিয়ে তরকারি রান্না করে খাওয়াবো। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন শিলা।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে শিলা গুহ বলেন, তারা (একাত্তরের শহীদরা) যেন স্বর্গ থেকে দেখতে পান আমরা সুখি হয়েছি। আমি এখনও আপনার মঙ্গল কামনা করে দুই টাকার বাতি জ্বালিয়ে পুজো করি। প্রতিদিন আমি বাতি জ্বালাই, আমার বোন যেন সুখি থাকে। আমার বোনকে যেন করোনাভাইরাস আক্রান্ত করতে না পারে। আমার বোন যেন হাজার বছর বাঁচে, সেই কামনা করি।’
তিনি বলেন, ‘আমি যুদ্ধের সময়ও ভাবতে পারিনি যে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেষ পর্যন্ত বৃদ্ধ বয়সেও আমাকে দেখে রাখবেন। তাই আমি ভীষণ খুশি হয়েছি। আবেগ আপ্লুত শিলা গুহর কা’ন্নায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। কথা বলা শেষে চশমা খুলে চোখ মুছতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকেও। বীরাঙ্গনা শিলা গুহ আগে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিঁন্দুরখান এলাকার একটি বস্তিতে বসবাস করতেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনি খুব ভালো বক্তব্য রাখছিলেন, আমা’র আন্তরিক শুভেচ্ছা নেবেন। আমি যদি সুযোগ পাই নিশ্চয়ই আসার চেষ্টা করবো। আপনাদের যে অবদান, আপনাদের যে আত্মত্যাগ এই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই তো আমাদের স্বাধীনতা অর্জন। আত্মত্যাগ কিন্তু বৃথা যায় না। আপনারা যারা ঘর পেয়েছেন সবাই ভালো থাকেন এই কামনা করি।’
রোববার ২০ জুন সকাল সাড়ে ১১ টায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর ও দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য উপাধক্ষ্য ড. আব্দুস শহিদ, নারী সংসদ সদস্য সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, জে’লা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান ও মৌলভীবাজার জে’লা পরিষদের চেয়ারম্যান মিছবাউর রহমান মৌলভীবাজার পৌরসভা’র মেয়র মোঃ ফজলুর রহমান, জে’লা প্রশাসনের কর্মক’র্তারাসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। 

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের সাথে হাঙ্গেরির ড্র

স্পোর্টস ডেস্ক/S.H:

 

ইউরোর প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে মাঠে নেমে ৩-০ গোলে হারতে হয়েছিল হাঙ্গেরিকে। ফুটবল বিশ্বের ধারণা মতে ফ্রান্স কাছে এইভাবেই হারবে হাঙ্গেরি। তবে গোটা ফুটবল বিশ্বকে অবাক করে গত শনিবার ফ্রান্সের সাথে ড্র করেন হাঙ্গেরি।

ইউরো কাপে “এফ” গ্রুপে রয়েছে সব বাঘা-বাঘা টিম। শক্তিশালী ফ্রান্স ও জার্মানি তো আছেই, তার সাথে আছে সাবেক ইউরো চ্যাম্পিয়ান পর্তুগালও৷ এসব বাঘা-বাঘা টিমের সাথে এ গ্রুপে রয়েছে হাঙ্গেরি। রোনালদোর পর্তুগালের সাথে ৩-০ গোলে হেরে উইরো শুরু করেন হাঙ্গেরি। দ্বিতীয় ম্যাচটি ছিল গতকাল শনিবার ফ্রান্সের বিপক্ষে৷ ১-১ গোলে ড্র করে ফুটবল বিশ্ব তাক লাগিয়ে দিয়েছে মার্কো রোসির দল । ফেরেঙ্ক পুসকাস স্টেডিয়ামে ফ্রান্সের বিপক্ষে মাঠে নামেন হাঙ্গেরি। ম্যাচে আধিপত্য বিস্তারটা ছিল ফ্রান্সের। কিন্তু প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে দারুণ এক গোল দিয়ে হাঙ্গেরিকে এগিয়ে নিয়ে যায় ফিওলার। বিরতির পর যে ফ্রান্সের বিপক্ষে খুব ভালো ভাবে নিজেদের ডিফেন্স দাঁড় করান হাঙ্গেরিয়ানরা। সে ডিফেন্স ভেদ করে ৬৬ মিনিটে গোল করেন ফ্রান্স তারকা গ্রিজমান। জয়ের লক্ষ্যে আরও একটি গোলের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যায় দু’দলই। শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি দু’দলের কেউ। ফলে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের সাথে ড্র করেন হাঙ্গেরি। হাসি মুখে মাঠ ছাড়েন হাঙ্গেরি ফুটবলার ও সাপোর্টাররা।

নওগাঁয় ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ২৩০ জন, ১ ব্যক্তির মৃত্যু

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলায় করোনা ভাইরাসে শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা একদিনের রেকর্ড ছাড়লো। গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ২৩০ ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকা“ল ৮টা পর্যন্ত এই ২৪ ঘন্টায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে এ্যান্টিজেন ২০৮ এবং রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পিসিআর ল্যাবে ৫২১ জনসহ সর্বমোট ৭২৯ ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করে এই ২৩০ ব্যক্তির শরীরে কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার ৩১ দশমিক ৫৫ শতাংশ। জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হলো ৩৫৬২ জন ।

নওগাঁ’র সিভিল সার্জন ডাক্তার এ বি এম আবু হানিফ জানিয়েছেন, উপজেলাভিত্তিক আক্রান্তের সংখ্যা হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ৭৯ জন, রানীনগর উপজেলায় ১০ জন, আত্রাই উপজেলায় ৭ জন, মহাদেবপুর উপজেলায় ২১ জন, মান্দা উপজেলায় ২২ জন, বদলগাছি উপজেলায় ১৯ জন, পত্নীতলা উপজেলায় ১৭ জন, ধামইরহাট উপজেলায় ১০ জন, নিয়ামতপুর উপজেলায় ২০ জন, সাপাহার উপজেলয় ১৫ জন এবং পোরশা উপজেলায় ১০ জন।

এই চব্বিশ ঘন্টায় মহাদেবপুর উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬১ জন-এ।

এ সময় নতুন করে সুস্থ্য হয়েছেন ২৪ জন এবং এ পযৃণÍ মোট সুস্থ্য হয়েছেন ২৩২৭ জন। সুস্থ্য হওয়ার পর বর্তমানে ১২৩৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রয়েছেন।

এদের মধ্যে নওগাঁ জেলা সদরের হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৪৬ জন। অন্যরা চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী স্ব স্ব বাড়িতে অবস্থান করে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করছেন। এ সময় জেলায় মোট কোয়ারেনটাইনে নেয়া হয়েছে ২৫৩ ব্যক্তিকে। কোয়ারেনটাইন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৪ জন। বর্তমানে জেলায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইনে রয়েছেন ৬৮ জন এবং হোম কোয়ারেনটাইনে রয়েছেন ২৮৪২ জন।

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর /এমআরবি

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ২৯৬ জন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে ঘরের চাবি ও জমির কাগজ হস্তান্তর

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ “মুজিব শতবর্ষ” উপলক্ষে আশ্রয়ণ -২ প্রকল্পের আওতায় ২০ জুন রোববার সকাল সাড়ে দশটায় সরাসরি গণভবন থেকে সারাদেশে একযোগে ভার্চুয়ালে সংযুক্ত হয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩ শত ৪০ জন ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্মিত ঘরের চাবি ও ২ শতাংশ জমির কাগজ প্রদানের শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরই অংশ হিসেবে এদিন সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলার ভূমিহীন ও গৃহহীন ২৯৬ ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ঘর প্রদানের লক্ষে উপস্থিত ৪০ জনকে বিনামূল্যে ঘরের চাবি ও জমির কাগজ প্রাদান করা হয়।

সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও (ভারপ্রাপ্ত) ইউএনও প্রীতম সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কামরুন নাহার।

অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সাংসদ ইয়াসিন আলী, উপজেলা আঃলীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম, উপজেলা আঃলীগ সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহম্মেদ প্রমুখ।

এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সামাজিক- রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে সুবিধাভোগীদের মাঝে ঘরের চাবি ও জমির কাগজ তুলে দেয়া হয়। উপজেলার সুবিধাভোগী ভিক্ষুক, ছিন্নমূল, বিধবা, দিনমুজুর,দলিত, হরিজন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর, অসহায় মানুষেরা “স্বপ্নের স্থায়ী নীড়” পেয়ে তাদের চোখে মুখে  উচ্ছাস ও আনন্দের হাসি ফুটে উঠতে দেখা যায়। এজন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

মহাদেবপুরে আট ও নয় বছরের দুই  শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আটক এক

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মহাদেবপুরে আট ও নয় বছরের দুই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে
আটক এক জন। গত রবিবার দুপুরে জেলার মহাদেবপুর উপজেলার সরস্বতীপুর গ্রামে এ ঘটনা জের ধরে গত শুক্রবার সকাল
১১টায় মেয়ের বাবা শোউখ হোসেন (৩৫) বাড়ীর মধ্য থেকে ধরে নিয়ে এসে  পিটিয়ে আহত করে বাবলু হোসেন (৪০) নামের এক ব্যক্তি কে।

শিশুটির পরিবার ও পুলিশের ভাষ্যমতে, গত রবিবার দুপুরে দুই শিশুকে মোবাইলে কার্টুন দেখার লোভ দেখিয়ে ঘরের মধ্য নিয়ে
তাদেরকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

স্থানীয় লোকজন জানায়, গত শুক্রবার সকালে শোউখ হোসেন হঠাৎ করে বাবলু হোসেনকে বেদম মারপিট করে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে তাদের কেউও মারার হুমকি প্রদান করে শোউখ হোসেন। বাবলু হোসেন জ্ঞান হারিয়ে ফেললে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায় শোউখ হোসেন । পরে স্থানীয় লোকজন বাবলু হোসেনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নওগাঁ সদর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা শ্রী জয়ন্তি রানী জানান, শুক্রবারে দিন সকালে শোউখ চিল্লাপাল্লা করতে করতে বাবলুর বাড়িতে গিয়ে বলে তোর
টাকা বেশি হয়ে গেছে বলেই মারতে শুরু করে। মার থামাতে এগিয়ে গেলে সে আমাদেরকে মারার হুমকি প্রদান করে। এবং মারতে মারতে রাস্তায় নিয়ে আসে জ্ঞান না হারানো পর্যন্ত বাবলুকে মারতে থাকে। কি জন্য মেরেছে কেন মেরেছে জানিনা। এখন শুনছি বাবলু না-কি ধর্ষণ করেছে। এই কথা আমার বিশ্বাস হয়না বাবলুকে আমরা চিনি সে এই রকম জঘন্য কাজ করতে পারে না। শোউখ নেশার টাকা না পেয়ে এই কাজ করেছে।

স্থানীয় হাফিজুর রহমান বলেন, বাবলু খুবই ভালো মনের মানুষ এরকম জঘন্য কাজ করবে আমার বিশ্বাস হয়না। আমার মনে হয়
পরিকল্পিতভাবে এটা সাজানো নাটক। একসঙ্গে দুটো মেয়েকে ধর্ষণ করবে এটা কি করে সম্ভব। প্রশাসনের কাছে আমার আকুল
আবেদন বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

এই বিষয়ে শোউখ এর সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

শিশুটির মা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার মেয়ে ও ভাগ্নি বাবলুর বাড়ীর পাশে মাঠে ধানের চিতান নিয়ে খেলা করছিল এ সময়
মোবাইলে কার্টুন দেখার লোভ দেখাইয়া নির্যাতন করেছে আমি তার সুষ্ঠু বিচার চাই।

মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেন, এই বিষয়ে বাবলু হোসেন নামে একজনকে আটক করছে পুলিশ। অসুস্থ থাকায় পুলিশ পাহারায় চিকিৎসার জন্য নওগাঁ সদর মেডিকেল কলেজ হাসপালে ভর্তি আছেন। দু’টি মেয়েকে ধর্ষণ করার এই বিষয়ে পরিবার বাদি হয়ে একটা মামলা করেছে। ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ধর্ষণ হয়েছে কি না, পরীক্ষা  না করে বোঝা যাবে না’। ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য দুই শিশুকে নওগাঁ সদর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

আগামীকাল থেকে ফাইজারের টিকা দেওয়া শুরু

ডিবিএন ডেস্কঃ আগামীকাল সোমবার (২১ জুন) প্রাথমিকভাবে নির্ধারিত রাজধানীর তিনটি হাসপাতালে ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনা টিকা দেয়া শুরু হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল এবং কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ১২০ জন করে মোট ৩৬০ জনকে টিকা দেয়া হবে।

আজ রোববার (২০ জুন) করোনা বিষয়ক নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমএনসিএইচ) ডা. মো. শামসুল হক এসব তথ্য জানান।

ডা. মো. শামসুল হক জানান, ইতোমধ্যে কোভ্যাক্স থেকে এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা আমাদের হাতে এসেছে। টিকা দেওয়ার জন্য গাইড লাইন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ হয়েছে। আমরা আশা করি আগামীকাল (২১ জুন) থেকে ফাইজার টিকা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এ সকল হাসপাতালে যারা রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন কিন্তু টিকা গ্রহণ করেননি তারা এ টিকা নিতে পারবেন। যারা টিকা গ্রহণ করবেন তাদের সাতদিন অবজারভেশনে রেখে পরবর্তীতে সারাদেশে এ টিকা দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৭ মে জরুরি ব্যবহারের জন্য ফাইজারের টিকা অনুমোদন দেয় সরকার।