নওগাঁয় দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫০২টি গৃহহীন ও ভুমিহীন পরিবার সরকারী অর্থে পেলেন দূর্যোগ সহনীয় বাড়ি

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : “বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন খাকবে না” জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে নওগাঁ জেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫০২টি গৃহহীন ও ভুমিহীন পরিবার বাড়ি পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কর্মসূচীর আওতায় এসব এসব বাড়ি প্রদান করা হয়েছে।

নওগাঁ’র জেলা প্রশাসক মোঃ হারুন-অর-রশিদ জানিয়েছেন প্রত্যেককে ২শতাংশ করে খাস জমি বন্দোবস্তপূর্বক গৃহ প্রদান করা হয়েছে। গৃহ নির্মান সম্পন্ন হওয়ার পর সকল উপজেলায় এসব গৃহহীন ও ভুমিহীন পরিবারের অনুকুলে কবুলিয়ত ও নামজারী সম্পন্ন হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার সারাদেশের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নওগাঁয় এই ৫০২ উপকারভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

জেলা প্রশাসকের দেয়া তথ্য মতে, উপজেলাভিত্তিক গৃহ বরাদ্দকৃত পরিবারের সংখ্যা হচেছ নওগাঁ সদর উপজেলায় ১০টি, বদলগাছি উপজেলায় ৯টি, মহাদেবপুর উপজেলায় ৭৬টি, আত্রাই উপজেলায় ১০টি, রানীনগর উপজেলায় ৩৩টি, মান্দা উপজেলায় ২১টি, পত্নীতলা উপজেলায় ১১৭টি, ধামইরহাট উপজেলায় ২০টি, পোরশা উপজেলায় ৭১টি, নিয়ামতপুর উপজেলায় ৭৫টি এবং সাপাহার উপজেলায় ৬০টি।

সম্পন্ন সরকারী অর্থায়নে দ্বিতীয় পর্যায়ের এসব বাড়ি তৈরী করতে প্রতিটির জন্য খরচ হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এতে মোট ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৫৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।

অপরদিকে ইতিপূর্বে প্রথম পর্যঅয়ে ২০২০-২১ অর্থ বছরে মুজিব শতবর্ষে গ্রামীন অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচীর আওতায় ভুমিহীন “ক” শ্রেণীর দূর্যোগ সহনীয় ১০৫৬টি গৃহ নির্মান করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উপজেলাভিত্তিক এসব গৃহ বিতরনের পরিমাণ হচ্ছে আত্রাই উপজেলায় ১৭৫টি, রানীনগর উপজেলায় ৯০টি, নওগাঁ সদর উপজেলায় ১১০টি, বদলগাছি
উপজেলায় ৪৮টি, সাপাহার উপজেলায় ১২০টি, পতœীতলা উপজেলায় ১১৪টি, মহাদেবপুর উপজেলায় ৩৪টি, মান্দা উপজেলায় ৯০টি, নিয়ামতপুর উপজেলায় ৭১টি, ধামইরহাট উপজেলায় ১৫০টি এবং পোরশা উপজেলায় ৫৪টি।

প্রথম পর্যায়ের এসব প্রতিটি বাড়ি নির্মান করতে খরচ হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা করে। এতে মোট খরচ হয়েছে ‘১৮ কোটি ৫ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা।

 

 

শিথিল হলো দুবাই প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ দুবাইয়ে বসবাসরত অন্য দেশের নাগরিকদের জন্য প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে। খবর-দ্য গালফ নিউজ

আজ রবিবার (২০ জুন) দ্য গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাত অনুমোদিত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ গ্রহণ করা থাকলেই দুবাইতে প্রবেশ করা যাবে। শেখ মনসুর বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের নেতৃত্বে দুবাইয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা, নাইজেরিয়া এবং ভারত থেকে আগত ব্যক্তিরা এই সিদ্ধান্তের আওতাভুক্ত। গৃহীত নতুন সিদ্ধান্ত ২৩ জুন থেকে কার্যকর হবে বলা জানা গেছে।  ভারত থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে বলা হয়, যারা বৈধ রেসিডেন্ট ভিসাধারী রয়েছেন এবং ইতোমধ্যেই ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ পেয়েছেন, শুধু তারাই দুবাই প্রবেশের অনুমতি পাবেন। ভ্যাকসিন গ্রহণ এবং পিসিআর টেস্টের শর্ত সাপেক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নাইজেরিয়া থেকে ভ্রমণ ভিসায় আবেদন করা যাত্রীদেরও প্রবেশে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিজ দেশের নাগরিকদের দুবাই প্রবেশের নিয়ম শিথিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার অনুমোদিত ৪টি ভ্যাকসিনের  মধ্যে রয়েছে- সিনোফার্ম, ফাইজার-বায়োএনটেক, স্পুটনিক-ভি এবং অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা।

 

চট্টগ্রামে ফের করোনা শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামে ফের করোনা শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৬ জন। এ সময়ের মধ্যে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে।  আর শনাক্তের হার ২১ শতাংশের বেশি।

আজ রোববার (২০ জুন) চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, চট্টগ্রামের সাতটি ও কক্সবাজারের একটি ল্যাবে ৬৪২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ১৩৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরের ৬৭ জন এবং বিভিন্ন উপজেলার ৬৯ জন রয়েছেন।

উপজেলায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে বাঁশখালীর ৩ জন, লোহাগড়ার ১, আনোয়ারার ১, চন্দনাইশের ১, পটিয়ার ৩, রাঙ্গুনিয়ার ২, রাউজানের ১, ফটিকছড়ির ৩০ জন, হাটহাজারীর ৪, সীতাকুণ্ডের ১৩ ও মিরসরাইয়ের ১০ জন রয়েছেন।

চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৫ হাজার ৯৮১ জন। মোট শনাক্তদের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরীর ৪৪ হাজার ১০০ জন। আর জেলার বিভিন্ন উপজেলার ১১ হাজার ৮৮১ জন রয়েছেন।

 

দেশজুড়ে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল সরকার

সিএনবিডি ডেস্কঃ দেশজুড়ে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্যাডেল চালিত রিকশায় বা ভ্যানে ইঞ্জিন লাগিয়ে চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

আজ রবিবার (২০ জুন) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য টাস্কফোর্সের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

সড়ক পরিবহন টাস্কফোর্স এর সভা শেষে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, সারা দেশে রিকশা ভ্যানের ভেতরে ব্যাটারিচালিত মোটর লাগিয়ে রাস্তায় চলছে। সামনের চাকায় শুধু ব্রেক। পেছনের চাকায় কোনো ব্রেক নাই কিংবা ব্রেকের ব্যবস্থা থাকলেও অপ্রতুল। সেগুলো যখন ব্রেক করে প্যাসেঞ্জারসহ গাড়ি উল্টে যায়। এ দৃশ্য আমরা দেখেছি। আমরা দেখেছি হাইওয়েতেও এ রিকশা চলে এসেছে। সেজন্য আমরা সারাদেশে, এই ধরনের ব্যাটারি চালিত রিকশাকে যারা ইঞ্জিন দিয়ে রূপান্তর করেছিলেন, সেই সমস্ত রিকশা-ভ্যান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত আজকের সভাতে হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, বাস টার্মিনাল ছাড়া কোনো জায়গা থেকে চাঁদা আদায় করা যাবে না।

এছাড়া, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

 

৪০ জনের বেশি শিয়া কিশোরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরিকল্পনায় সৌদি

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সৌদি সরকার সরকার-বিরোধী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেয়ার অভিযোগে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় কাতিফ এলাকায় ৪০ জনের বেশি শিয়া কিশোরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরিকল্পনা করছে। বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে মানবাধিকার কর্মীরা সৌদি সরকারকে সতর্ক করেছে। খবর-আল আরাবিয়া। 

যদিও গত বছর সৌদি সরকার দাবি করেছিল যে, ছোটখাটো অপরাধের জন্য লোকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার রীতি বন্ধ করবে, তারপরও মানবাধিকার কর্মীরা জানাচ্ছেন যে, রিয়াদ ৪০ জনের বেশি কিশোরকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে। এসব কিশোর গণতন্ত্রপন্থী মিছিল-সমাবেশে অংশ নিয়েছে বলে জানিয়েছে রিয়াদ সরকার।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন সৌদি সরকার ২৪ বছর বয়সী শিয়া মুসলিম তরুণ মুস্তাফা বিন হাশিম বিন ঈসা আল-দারভিশকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। কাতিফ এলাকায় সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেয়া ও উসকানি সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। ২০১৫ সালে তাকে যখন আটক করা হয় তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর।

এছাড়া, কারাগারে আটকে রেখে নির্যাতনের মাধ্যমে মুস্তাফা বিন হাশিম বিন ঈসা আল-দারভিশের কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে।

সুত্রঃ পার্সটুডে। 

আজ বিশ্ব বাবা দিবস

সিএনবিডি ডেস্কঃ আজ ২০ জুন (রবিবার) বিশ্ব বাবা দিবস।  প্রতিবছরের জুন মাসের তৃতীয় রবিবার এই বাবা দিবস পালিত হয়ে থাকে। “বাবা” নামটি খুব ছোট হলেও বাস্তবতায় তার বিশালতা সম্পর্কে ধারণা করা খুব কঠিন। সন্তানকে সামান্য ভালো রাখতে নিজের জীবনটুকুও যিনি দিতে প্রস্তুত থাকেন তার নাম বাবা। সন্তানের মাথার ওপর বটবৃক্ষের মতো হলেন বাবা। যার স্নেহ অবারিত ধারায় শুধু ঝরতেই থাকে। আদর-শাসন আর বিশ্বস্ততার জায়গার নাম বাবা। প্রতিটি বাবার মাধ্যমেই তার সন্তানের জীবনের শুরু যার ঋণ হয়তো পরিমাপ করার ক্ষমতা সন্তানদের হয়তো প্রকৃতি দেয়নি। বাবা মানে নির্ভরতার প্রতীক। আর সেই বাবাদের সম্মান জানাতে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বাবা দিবস।

ইতিহাস সুত্রে জানা যায়, ১৯০৮ সালে প্রথম বাবা দিবস উদযাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টে ৫ জুলাই এই দিবস পালন করা হয়। ১৯৬৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস হিসেবে নির্ধারণ করেন। ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন প্রতিবছর জাতীয়ভাবে বাবা দিবস পালনের রীতি চালু করেন।

বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে পালিত হয় এ দিবসটি। এই দিনে ছেলেমেয়েরা তাদের বাবাদের কোনো না কোনো গিফট দিতে খুব পছন্দ করে। আর বাবারাও ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে গিফট পেয়ে অভিভূত হন। দিনটিতে বাবাদের নানাভাবে শুভেচ্ছা জানানো বা স্মরণ করা হয়। এখন সময় পাল্টেছে দিবসটিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বাবাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। বাবার ছবি শেয়ার দেন অনেকে, মন্তব্য করেন, কবিতা লিখেন, লিখেন স্মৃতিকথা।

বাবা শাশ্বত, চির আপন, চিরন্তন। বাবার তুলনা বাবা নিজেই। হাজারও কথা বলার পরও শেষ হবে না সন্তানের প্রতি, সংসারের প্রতি বাবার অবদানের কথা। ভালো থাকুক বিশ্বের সকল বাবা। প্রতিটি বাবা তার প্রতিটা সন্তানের অন্তরে বেঁচে থাকুক অনেক অনেক ভালবাসা নিয়ে।

রোনালদোদের হারিয়ে নক আউটের দৌড়ে জার্মানি

স্পোর্টস ডেস্ক/S.H:

 

গতকাল ছিল জার্মানির জন্য “ডু অর ডাই”-এর দিন। প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে আত্মঘাতি গোলে হার দিয়ে ইউরো শুরু করতে হয়ছিল শক্তিশালী জার্মানিকে। তাই নক আউটের দৌড়ে নিজেদের টিকে রাখতে পর্তুগালের সাথে জয়টা ছিল একমাত্র ভরসা। গতকাল ৪-২ গোলে পর্তুগালকে হারিয়ে নক আউটের দৌড়ে এখন রয়েছে জার্মানি।

গত শনিবার ছিল ইউরোর “এফ” গ্রুপের লড়াইয়ের দিন। একদিকে পর্তুগাল-জার্মানি, অন্যদিকে ফ্রান্স-হাঙ্গেরি। আগের খেলায় কপাল খারাপ থাকায় হার দেখতে হয়েছে সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ খেলা জার্মানিকে। অন্যদিকে হাঙ্গেরির বিপক্ষে দারুণ জয় দিয়ে ইউরো শুরু করেন রোনালদোর পর্তুগাল। ১৯ জুন শনিবার মুখোমুখি হয় পর্তুগাল-জার্মানি। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল আক্রমণাত্মক খেলা। গোল দিতে মরিয়া হয়ে উঠা জার্মানিকে গোল খেতে হয়েছে প্রথমে। ১৫ মিনিটে পর্তুগালের হয়ে গোল করেন সিআর সেভেন। দারুণ এই গোলে এগিয়ে গেলেও ডিফেন্স শক্ত রাখতে পারেনি ফার্নান্দো সান্তোসের দল। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে নিজেদের জালেই বল পাঠান পর্তুগীজরা। আবার একই ঘটনা ঘটে ৩৯ মিনিটেও। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল করেন রাফায়েল গুয়েরেইরো। ফলে লিড নিয়ে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ করেন গতিশীল জার্মানি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল করেন জার্মান ফুটবলার কাই হ্যাভারটজ। ৬০ মিনিটের মাথায় আরও একটি গোল যোগ করেন জার্মান ফুটবলার রবিন গোসেন। চার গোল খেয়ে পর্তুগালের অবস্থা যখন একেবারেই শোচনীয় তখন দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন দিয়েগো। এরপর অনেক চেষ্টার পরও গতিশীল জার্মানির সাথে সমতা আনতে পারেনি ক্রিশ্চিয়ান রোনালদোর দল। ৪-২ গোলে জার্মানির কাছে হেরে মাঠ ছাড়েন সান্তোসের দল। এদিকে নিজেদের প্রথম জয় দিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়ার আসা বাঁচিয়ে রাখলো শক্তিশালী জার্মানি। আগামী ২৩ জুন হাঙ্গেরির বিপক্ষে মাঠে নামবে জার্মানি।

জাকিরের গাড়িতে হামলাকারী ঘটনায় অন্য ছাত্রলীগ নেতা আটক

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সদস্য, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের গাড়িতে হামলা চেষ্ঠার অভিযোগে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ফারিয়ান আহমদ উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা বলে জানা গেছে। এনিয়ে এ ঘটনায় মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ জুন) রাত সাড়ে ৭ টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে জুড়ী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ ও ফারহান নামের আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করে ১৫১ ধারায় মামলায় অভিযুক্ত করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১২ জুন রাত সাড়ে আট ঘটিকায় জুড়ীর নিজ জন্ম স্থান গোয়ালবাড়ি থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে জুড়ী বিজিবি ক্যাম্প চত্বরে জাকিরের গাড়িতে হামলার চেষ্ঠা চালানো হয়। এসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার কারনে হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

রিক্সা এবং পুলিশঃ

আজিজুর রহমান প্রিন্স, ঢাকা, বাংলাদেশঃ রিক্সা একটি চমৎকার বাহন। খোলা আকাশ তলে ধীর গতিতে আয়েশী চলাচল ভাল লাগে। এমন ভাবনাতেই বোধহয় জাপান এই যান আবিস্কার করে। নারায়নগঞ্জের দুই ইংরেজ সাহেব চটকলের উর্ধতন কর্মকর্তা  গিয়েছিলেন রেঙ্গুনে। আয়েশী চলাচলের জন্য তারা দু’টি রিক্সা ক্রয় করে আনে। আবাস থেকে অদুরে এই রিক্সাতেই যাতায়াত করতেন তারা। দেখে বাঙালীর মনেও পুলক অনুভুত হয়। কেদারায় বসে চলার সূখ জাগে মনে। শুরু হয় রিক্সার প্রচলন। আর রিক্সায় চড়ে চড়েই বাঙালী অলস হয়ে পরে। লোভটি আর ছাড়তে পারেনি বাঙালী। এই লোভে বাড়তে থাকে রিক্সার সংখ্যাটিও। রিক্সা এখন গননায় ভুল হয়ে যায়। খাতায় আছে আশি হাজার (ঢাকায়) কিন্তু গননে কেউ বলে তিন লক্ষ আবার বেশীও অনুমান করে অনেকে।

রিক্সা নিয়ে আমার কোন অনুযোগ নেই। সিট একটু সঙ্কুচিত হয়েছে তবে চড়তে খাড়াপ লাগে না। মাঝ পথেও চলে গাড়ীকে ঘন্টা বাজিয়ে। যখন তখন যেখানে খুশী ঢুকে পরে ইচ্ছেমত। একটু জ্যাম বাধে বৈকি! কিন্তু দারুন লাগে থেমে থাকা গাড়ী রিক্সা ঠেলা গাড়ীর মারামারি দেখতে। একসময় একজন লাঠি নিয়ে জ্যাম ছুটাতে এগিয়ে আসে। হৈ চৈ হয় হর্ন বাজে মুহুরমুহুর। পৃথিবীর কোথায়ও রাস্তায় এমন দৃশ্য দেখা যাবে না। রিক্সা একেবারে স্বাধীন, কারও তোয়াক্কা করেনা। প্রতিযোগিতা চলে কে কার আগে যাবে। ইচ্ছামতই ভাড়া চায়। কোন নিয়ম নিয়ন্ত্রন নেই। বসে থাকবে, খামোখাই মূখ ঘুড়িয়ে বলে দিবে “যাবোনা”। আবারিত স্বাধীনতা রিক্সা চালকদের। ব্যত্যয় ঘটে পুলিশ দেখলে। বিনা কারনেই থামিয়ে টাকা দাবী করে। দিতে হয় তাদের, না হয় জরিমানা ছাড়াও বেত্রাঘাত সইতে হয়।

রিক্সা শ্রমিকদের উপার্জন ভাল এখন। করোনা কালীন সময়ে রিক্সায় উপার্জন হয়েছে দ্বিগুন। বেরসিক বাস চালকদের সঙ্গে রিক্সার বৈরিতা আছে। ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। একসময় ঢাকাকে বলা হত মসজীদের শহর। এখন ঢাকা রিক্সার শহর হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে। রিক্সা নিয়ে মানুষের ক্ষোভ থাকলেও পুলিশের উপার্জনের মোক্ষম দৃষ্টি রিক্সার উপর।বসে অপেক্ষা করে কখন তার সামনে দিয়ে একটা রিক্সা যাবে। রাজার অসৎ কর্মীর পানির ঢেউ গোনার মত রিক্সা গোনে পুলিশ। যে কারনে সরকার চাইলেও পুলিশ চায় না রিক্সা উঠে যাক! একটি লাইসেন্সে কতটি রিক্সা চলে তা নিয়ে পুলিশের আগ্রহ নেই। সংখ্যাটি যত বেশী হবে পকেট তত ভারী হবে। সুবিধা হয়েছে ট্রফিক লাইট না থাকায়। পুলিশই রাস্তা নিয়ন্ত্রন করে হাত উঁচিয়ে। হাত তুলে ইশারা করে বলে ” কিনারে যাও”। প্রতিনিধি দাঁড়ানোই থাকে। পকেট কাটে রিক্সাওয়ালার। সন্ধার পর মোড়ে মোড়ে হাট বসে। পকেট ভরে ঘরে ফিরে পুলিশ। কে দেখবে? দেখার জন্য তো পুলিশকেই নির্দেশ দিবে।

বাংলাদেশের পুলিশের তরিৎকর্মা নির্দেশ লাগেনা। তারাই দেখছে সব। চমৎকার ব্যবস্থা। রাস্তার নিয়ন্ত্রন এখন পুলিশের হাতে। ইচ্ছাকরেই জ্যাম বাধিয়ে রাখে। ট্রাফিক আইনে একটি চলাচল এক মিনিট থামানো হয়। বাংলাদেশের পুলিশ বিশ মিনিটও আটকে রাখে। বাংলাদেশের রাস্তার নিয়ন্ত্রন দেখে বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীও জ্ঞান হারাবে। আধুনিক যুগে পুলিশের হাত তুলে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ আশ্চার্য বিবেচনা করলেও ভুল হবেনা।

এদেশে ট্রাফিক জ্যামের আনন্দ আছে। হাটবাজার করা যায় গাড়ীতে বসেই। খাওয়া দাওয়াও এখন ডেলিভারী দেয় থেমে থাকা গাড়ীতে। ডায়েবেটিক রোগীদের জন্য খালী হওয়ার ব্যবস্থা থাকলে এই জ্যম আরও উপভোগ্য হত। পঞ্চাশ বছর চিৎকার করেও ট্রাফিক ব্যবস্থাটির উন্নতি করা যায়নি। অন্তত ডায়েবেটিক রোগীদের অবস্থাটির কথা বিবেচনা করে রাস্তায় ভাসমান শৌচাগার নির্মানের জোড় দাবী জানাচ্ছি। 

 

সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ সৌদি বাদশার নিজস্ব সাহায্য সংস্থা কিং সালমান হিউম্যানেটেরিয়ান এইড এন্ড রিলিফ সেন্টার (king Salman humanitarian aid & relief centre) অর্থায়নে এবং প্রকল্পের কৌশলগত অংশীদার ও বাস্তবায়নকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ড মুসলিম লীগ (Muslim World League) এর সহযোগিতায়, লোকাল পার্টনার আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কক্সবাজার জেলার উখিয়া কুতুপালং, ভাসানচর এ বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক এবং সাতকানিয়া লোহাগাড়াসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের দুঃস্থ-দরিদ্র পরিবারের মাঝে ৮০ হাজার প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণের অংশ হিসেবে ১৯ জুন শনিবার দিনব্যাপী সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় পাঁচ হাজার প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটের বাজার মূল্য প্রায় পাঁচ হাজার টাকা।

সাতকানিয়া মাদার্শা বাবুনগর স্কুল মাঠে সকাল ১০টায় খাদ্য প্যাকেট বিতরণ করেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা আ’লীগের সহ সভাপতি মাস্টার ফরিদুল আলম, মাদার্শা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আ.ন. ম সেলিম চৌধুরী, স্থানীয় সাংসদের একান্ত সচিব ও উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য এরফানুল করিম চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা কায়সারুল আলম চৌধুরী, মাদার্শা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদ সিকদার, যুবলীগ নেতা আবুল হোসেন মনু,সাতকানিয়া বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক কচির আহমদ কায়সার যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন বেলাল প্রমুখ।

লোহাগাড়া মোস্তাফিজুর রহমান কলেজে দুপুর ২টায় বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব জিতু, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকের হোসাইন মাহমুদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী, সহ সভাপতি নিবাস দাশ সাগর, লোহাগাড়া ইউপি চেয়ারম্যান নুরুচ্ছাফা চৌধুরী, আব্দুল জব্বার, নুরুল আলম জিকু, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক নুনু, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক জহির উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফজলে এলাহি আরজু, পদুয়া ইউপি চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন, চরম্বা ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার শফিকুর রহমান, আমিরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইউনুচ, কলাউজান ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহেদ, লোহাগাড়া বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পরিষদ এর সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান,লোহাগাড়া উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।