বিশ্ব শান্তি সূচকে সাত ধাপ এগোল বাংলাদেশ

সিএনবিডি ডেস্কঃ চলতি বছরে বৈশ্বিক শান্তি সূচকে (জিপিআই) বাংলাদেশের সাত ধাপ উন্নতি হয়েছে। গত বছর বিশ্ব শান্তির এ সূচকে ৯৭তম অবস্থানে থাকলেও এ বছরে ২ দশমিক ০৬৮ স্কোর নিয়ে ৯১তম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) বিশ্ব শান্তি সূচক-২০২১ প্রকাশ করেছে। এ সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শান্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।

প্রসঙ্গত, প্রত্যেক বছর বিশ্বের স্বাধীন ১৬৩টি দেশ ও ভূখণ্ডের নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ জীবন-যাপনের নিরাপত্তা, সুরক্ষা, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে নেয়া পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করে আইইপি। চলতি বছর সহিংসতার অনুপস্থিতি অথবা সহিংসতার ভয়কে ধরে তিনটি মানদণ্ড— সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা, চলমান সংঘাত এবং সামরিকায়নের ওপর ভিত্তি করে এই সূচক তৈরি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ শান্তির এই সূচকে গত বছরের তুলনায় একেবারে সাত ধাপ উন্নতি করায় শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলেছে। শ্রীলঙ্কায় শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটায় এর প্রভাব পড়েছে সূচকেও। গত বছরের তুলনায় ১৯ ধাপ অবনতি ঘটায় দেশটির এবারের বৈশ্বিক অবস্থান ৯৫তম। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলঙ্কা ৪র্থ স্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে গত বছরের তুলনায় দুই ধাপ উন্নতি ঘটেছে ভারতের। এ বছর বৈশ্বিক শান্তির এই সূচকে দেশটির অবস্থান ১৩৫তম এবং দক্ষিণ এশিয়ায় ৫ম। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির সবচেয়ে উন্নতি ঘটেছে পাকিস্তানে। দেশটি গত বছরের তুলনায় দুই ধাপ উন্নতিতে বর্তমানে ১৫০তম অবস্থানে উঠে এসেছে। আর দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তানের অবস্থান ৬ষ্ঠ।

আর টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বের শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় একেবারে তলানিতে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ আফগানিস্তান (১৬৩তম)।

দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় সবার ওপরে আছে ভূটান। এরপরই আছে নেপাল। তবে দেশ দুটির বৈশ্বিক সূচকে অবস্থান যথাক্রমে ২২তম এবং ৮৫তম।

 

এবার ভারতে নতুন আতঙ্কের নাম ‘গ্রিন ফাঙ্গাস’

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ব্ল্যাক, হোয়াইট ও ইয়েলো ফাঙ্গাসের পর এবার ভারতে নতুন আতঙ্কের নাম ‘গ্রিন ফাঙ্গাস’। মধ্যপ্রদেশে এক ব্যক্তির শরীরে নতুন এই গ্রিন ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়েছে। কিছুদিন আগে তিনি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, চিকিৎসকরা মনে করছেন ভারতে গ্রিন ফাঙ্গাস শনাক্ত হওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম। শ্রী অরবিন্দ ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসের বক্ষব্যাধি বিভাগের প্রধান রবি দোশী জানান, চিকিৎসা পরিভাষায় এই রোগের নাম অ্যাসপারগিলোসিস। এই অ্যাসপারগিলোসিস বা গ্রিন ফাঙ্গাস সম্পর্কে আরও গবেষণা করা দরকার।

অ্যাসপারগিলোসিস একটি তুলনামূলক অস্বাভাবিক সংক্রমণ এবং এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। মধ্যপ্রদেশের ওই ব্যক্তির শরীরে গ্রিন ফাঙ্গাসের উপস্থিতি পাওয়ার পরপরই এ নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে।

৩৪ বছর বয়সী গ্রিন ফাঙ্গাসে আক্রান্ত এই রোগী দুই মাস ধরে কোভিডের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন। নাক দিয়ে রক্ত পড়া ও জ্বরে আক্রান্ত এই রোগী মারাত্মক ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। কিন্তু পরীক্ষার পর গ্রিন ফাঙ্গাস শনাক্ত হয়।

 

সড়কে তীব্র জ্যামের ভোগান্তি নিরসনে ঢাকা-গাজীপুর রুটে বিশেষ ট্রেন

সিএনবিডি ডেস্কঃ ঢাকা-গাজীপুর সড়কে তীব্র জ্যামের ভোগান্তি নিরসনে ঢাকা-গাজীপুর রুটে বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী রোববার থেকে এ ট্রেন চলাচল শুরু হবে। গাজীপুরের জয়দেবপুর রেল স্টেশন থেকে ঢাকার কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত এই ট্রেনটি চলাচল করবে।

গতকাল বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘোষণা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

ফেসবুকে মন্ত্রী  লিখেছেন, গাজীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের যানজটের দুর্ভোগের হাত থেকে মানুষদের কিছুটা হলেও রক্ষা করতে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আগামী রোববার থেকে গাজীপুর থেকে টঙ্গী হয়ে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে টঙ্গী হয়ে গাজীপুর পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। রেলমন্ত্রীর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। জনগণের দুর্ভোগ লাগবে আমার পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সকল ধরনের উন্নয়ন প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরো লিখেন, গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত রাস্তাটিকে যানজট মুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিআরটি প্রজেক্ট আমাদের উপহার হিসেবে দিয়েছেন। কিন্তু ঠিকাদারদের ক্রমাগত দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে অনেক বছর ধরে ধীর গতিতে কাজ করায় মানুষের দুর্ভোগের কোনো সীমা নেই। আবার যখন বর্ষাকাল আসে এই দুর্ভোগ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়। বিআরটি প্রজেক্টে দায়িত্ব পালনরত সচিব, পিডি সহ সকলকে প্রায় প্রতিদিনই কয়েকবার করে ফোন করছি যাতে টঙ্গী গাজীপুরবাসীসহ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী প্রায় ৩৭টি জেলার মানুষদের এই দুর্ভোগের হাত থেকে দ্রুত রক্ষা করা যায়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাগবে আমার পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সব ধরনের উন্নয়ন প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে বিমান বন্দর পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) প্রকল্পের নির্মাণ কাজের ধীরগতিতে চলাচলকারী যাত্রী ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। এ অবস্থায় সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী মানুষের ভোগান্তি কমাতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

 

পিএসএলে রেকর্ড জয় মুলতানের, বিদায় নিলো কোয়েটা

স্পোর্টস ডেস্ক /S.H:

আবুধাবিতে চলা পিএসএলে গতকাল বুধবার কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্সের বিপক্ষে মাঠে নামেন মুলতান সুলতান্স। ১১০ রানে বিরাট ব্যবধানে মুলতানের কাছে হেরে এই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে  চলেছে সরফরাজের কোয়েটা। পিএসএলের ইতিহাসে এত রানে হার এর আগে কোনো দল  দেখেনি।

ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নামেন মুলতান সুলতান্স। ওপেনার শান মাসুদের ঝড়ো ব্যাটিং-এ রান গড়তে থাকে মুলতান। ৪২ বলে চারটি ছয় ও সাতটি চার দিয়ে ৭২ রান করেন শান মাসুদ। দলের হয়ে ২৪ বলে ৪৭ রান করেন মুলতানের আরেক ব্যাটসম্যান জনসন চার্লস। অধিনায়ক রিজওয়ান করেন ২৩ বলে ২১ রান ও খুশদিল শাহ অপরাজিত থেকে করেন ২০ রান। দলের জন্য দুইটি উইকেট নেন খুররম শাহজাদ এবং একটি করে উইকেট হাসান খান ও জাহির খান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২৭ রানে দুই উইকেট হারায় কোয়েটা। এর পরপরই একে একে উইকেট পড়ে যায় সরফরাজ দলের। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন জেক ওয়েদারান্ড। ১০ রানের গন্ডি পার করেন অধিনায়ক সরফরাজ, উসমান খান ও নওয়াজ। মাত্র ১২ ওভার ১ বলে ৭২ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় কোয়েটাকে। মুলতানের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন ইমরান তাহির। ইমরান খান দুইটি এবং একটি করে উইকেট তুলে নেন মুজারাবানি, সোহেল তানভির ও শাহনেওয়াজ ধানি। ম্যান অব দি ম্যাচ হোন  শান মাসুদ। পাকিস্তান সুপার লিগের ইতিহাসে আর আগে কোনো দল এত রানের ব্যবধানে হারেনি। এদিকে জয় দিয়ে পিএসএলে চতুর্থ স্থানে মুলতান। অন্যদিকে এক ম্যাচ বাকি রেখেই পিএসএলের এবারের আসর থেকে বাদ পড়লো কোয়েটা। নয়টি ম্যাচের মধ্যে মাত্র দুটিতে জয়ের মুখ দেখেন সরফরাজের কোয়েটা।

চীনের নতুন মহাকাশ স্টেশনে প্রথম পাঠানো হল ৩ নভোচারী

সিএনবিডি ডেস্কঃ চীনের নতুন মহাকাশ স্টেশনে প্রথম পাঠানো হল ৩ নভোচারী। “শেনঝৌ টুয়েলভ” নামে একটি মহাকাশযানে করে তিয়ানহে মডিউলে তিন নভোচারী পাঠানো হয়। এখন পর্যন্ত এটিই চীনের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী ক্রু মিশন। চীনের ওই ৩ নভোচারী হলেন- নিয়ে হাইশেং, লিউ বোমিং এবং ট্যাঙ হঙবো।

আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) সকালে চীনের গানসু প্রদেশের গোবি মরুভূমিতে অবস্থিত জিউকুয়ান কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় মহাকাশযানটি।

তিন নভোচারী দলের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নিয়ে হাইশেং। তার মূল লক্ষ্য হল পুরো দলকে নিয়ে ২২.৫ টরে তিয়ানহে মডিউলকে সচল করে তোলা। ১৬.৬ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৪.২ মিটার প্রস্থের তিয়ানহে সিলিন্ডারটি গত এপ্রিলে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রায় ৫ বছর পর মহাকাশে আবারও নভোচারী পাঠাল চীন। গেল এপ্রিলে নতুন মহাকাশ স্টেশন তিয়ানহে মডিউলটি মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। ৭০ টন ওজনের তিয়ানহে মডিউলের দূরত্ব ভূপৃষ্ট থেকে ৩৮০ কিলোমিটার। এতে রয়েছে হাবলের মতো শক্তিশালী একটি টেলিস্কোপ, যা দূরের গ্রহ-নক্ষত্র ও মহাজাগতিক ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম।

 

করোনার বিরুদ্ধে কার্যকর আরেকটি ওষুধ আবিস্কার করলো গবেষকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ করোনার বিরুদ্ধে কার্যকর আরেকটি ওষুধ আবিস্কার করেছে গবেষকরা। গবেষকরা দাবি করছে, এই ওষুধটি করোনার বিরুদ্ধে খুবই কার্যকরি। করোনা আক্রান্তদের জীবন রক্ষাকারী কবচ হিসেবে কাজ করবে এটি। রেজেন-কোভ নামের এই অ্যান্টিবডি থেরাপি করোনা আক্রান্তদের সম্পূর্ণ সুস্থ করে তুলতে সক্ষম বলে দাবি করা হচ্ছে। রেজেন-কোভ মূলত দুটি মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডির সংমিশ্রণে (ক্যাসিরিভিমব এবং ইমদেবীমবের নামে পরিচিত)। যা করোনার বিরুদ্ধে কার্যকর। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে এটির ট্রায়াল চলছে। এই ওষুধটি আবিষ্কার করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি রেজেনারন ফার্মাসিউটিক্যালস।

এখন অবধি পাওয়া ফলাফলে দেখা গেছে, এটি হাসপাতালে ভর্তি গুরুতর অসুস্থ এক তৃতীয়াংশ রোগীর জীবন বাঁচাতে সক্ষম। গবেষণায় যুক্তরাজ্যের হাসপাতালের ৯ হাজার ৭৮৫ রোগীর প্রায় এক তৃতীয়াংশ সুস্থতা পাওয়া গেছে। ১০০ গুরুতর অসুস্থ রোগী থেকে ৬ জনের জীবন রক্ষা হতে দেখা গেছে।

বর্তমানে এর চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। তবে এটি শেষ হবে এ বছরের শেষ নাগাদ। এরই মধ্যে ট্রায়াল থেকে যে তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই এর কার্যকারিতার দাবি করেছে রেজেনারন ফার্মাসিউটিক্যালসও। তবে এই ওষুধটি বেশ ব্যয়বহুল।  যার দাম ১০০০ থেকে ২০০০ পাউন্ড করে।

ট্রায়ালের মাধ্যমে চিকিৎসা পাওয়া কিম্বারলে ফেথারস্টোন বিবিসিকে জানিয়েছেন, আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান, আমি এই ওষুধের সহযোগিতা পেয়েছি এবং এই ওষুধটি কার্যকর কিনা তা খুঁজে বের করতে সহযোগিতাও করতে পেরেছি।

সুত্রঃ বিবিসি। 

 

অটোপাস হলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থী

সিএনবিডি ডেস্কঃ গতকাল বুধবার (১৬ জুন) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থীকে অটোপাস দেওয়া হয়েছে বলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমােশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। যেসব শিক্ষার্থী ২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন তাদেরকে শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমােশন দিয়ে ক্লাস করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন সর্বমােট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৬ জন, অনিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৯ হাজার ৫০ জন। আর মানােন্নয়ন পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ১৫৯ জন। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ২য় বর্ষে প্রমােশন পাবেন ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিল ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৬ জন শিক্ষার্থী।

প্রমােশন পাওয়ার শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হচ্ছে- পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব শিক্ষার্থীদেরকে অবশ্যই ১ম বর্ষের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কেউ যদি এই পরীক্ষায় অংশ না নেয় বা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে রেগুলেশন অনুযায়ী ‘নট প্রমােটে’ হয় সেক্ষেত্রে তার শর্তসাপেক্ষে দেওয়া প্রমােশন বাতিল বলে গণ্য হবে।

এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট nu.ac.bd-এ পাওয়া যাবে।

 

৫কেজি গাঁজাসহ অটোরিকশা উদ্ধার, আটক ৩জন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় ৫ কেজি গাঁজাসহ তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।রোজ বুধবার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পৌরসভার পানিদার এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় গাঁজা পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত তিনজন হলেন বড়লেখা উপজেলার সদর ইউপি ডিমাই গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে কামাল আহমদ (২৫), আব্দুস সবুরের ছেলে জাহিদ আহমদ (১৯) ও মৃত নূর উদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান (১৯)।

বড়লেখা থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌরসভার পানিদার এলাকায় বড়লেখা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহেদ আহমদের নেতৃত্বে সহকারী উপ পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুর রহিমসহ একদল পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানের সময় সিএনজি চালিত অটোরিকশা তল্লাশি করে ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক কারবারি কামাল আহমদ, জাহিদ আহমদ ও মিজানুর রহমানকে আটক ও অটোরিকশা জব্দ করা হয়।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার (১৬ জুন) রাত সাড়ে ১১টায় আসামী ৩ জন র্দীঘদিন হতে মাদককারবারে সাথে জরিত এবং বিভিন্ন সময়,বিভিন্ন কৌশলে মাদক কারবার করে আসছে।

এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী ব্যবস্তা গ্রহন করা শেষে আজ বৃহস্পতিবার (১৭জুন) মহামান্য আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

ট্রেন এবং প্লেনঃ

আজিজুর রহমান প্রিন্স, ঢাকা, বাংলাদেশঃ কোটি কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয় বিমান এবং রেলওয়েতে প্রতিবছর। এই দুই প্রতিষ্ঠানে লাভ দেখাতে পারেনি কোন সরকারই। টিকিট পাওয়া যায় না বিমানের। রেলও খালী যায়না তবুও লোকসান হয়। লাভ হিসাব করেইত বিমান আর রেলওয়ের টিকিটের মূল্য নির্ধারন করা হয়। তাহলে লোকসান হবে কেন?

ভারতে কেন্দ্রীয় সরকারের রেল মন্ত্রী হয়েছিলেন বিহারের লালু প্রসাদ যাদব। আলোচিত এই নেতা মন্ত্রী হয়ে রেলওয়ের লাভ দেখিয়েছিলেন। সাংবাদিকরা লালুজি কে প্রশ্ন করেছিল তার ম্যাজিক টা কি! লালু প্রসাদ যাদব তার স্বভাব ভঙ্গিতে উত্তর দিয়ছিলেন ” হামনে কুছ নেহি কিয়া স্রেফ চুরি বান্দ কিয়া”। বাংলাদেশের রেল মন্ত্রীরা কিছু করেননা বলা যাবেনা। রেলমন্ত্রী হয়েই বিয়ে করেন। দুর্নীতি বন্ধের কথা বলেন। তারপর একইভাবে চলতে থাকে দুর্নীতি আর চুরি। স্বাস্থ্য দপ্তরের পিয়ন দাড়োয়ানের মত রেল কর্মচারীরাও কেউ আর গরীব নেই। গরীব শুধু বাংলাদেশ রেলওয়ে। টিকিট পাওয়া যায় না ছাদেও। বসার যায়গা থাকেনা ভিতরে। দাঁড়িয়ে ট্রেনে ভ্রমন করতে হয়। তবুও রেলওয়ের লোকসান হয় কোটি কোটি টকা। হিসাবটি বুঝতে পন্ডিত হতে হয়না। অপচয়, চুরি আর দুর্নীতিই রেলওয়ের বারটা বাজিয়ে দিয়েছে। সঠিক নিয়ন্ত্রন আর চুরি বন্ধ করা গেলে বাংলাদেশ রেলওয়ে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত হতে পারত।

লোকে বলে ” যে লঙ্কায় যায় সে’ই রাবন হয়” কাকে ভরসা করবে সরকার? এটা ঠিক যে রেলওয়ের কিছু সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে কিন্তু লোকসান কমেনি। লোকসান বন্ধ করা না গেলে হাজার বছরেও যতই দাবী করুক বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নতি হবেনা।

বাংলাদেশ বিমানের অবস্থাও অভিন্ন। প্রতি বছর শুধু অবনতিই হচ্ছে। বিমানেও লাভ নয় লোকসানের পরিমান বাড়ছে। আধুনিক বিমান এবং ভাল সার্ভিস দিয়েও লোকসান কমানো যাচ্ছেনা। পৃথীবির যে কোন ষ্টেশনে বিমানের টিকিট কিনতে গেলে শোনা যাবে টিকিট নেই। কিছু বাড়তি মূল্য দিলেই যে কোন দিনের টিকিট পাওয়া যায়। সব চেয়ে বড় দুর্নীতিটি হয় গ্রাউন্ডে। ১২ ডলারের যন্ত্রাংশ ১২০০ ডলার দেখিয়ে বিল পাশ করে নেয় যোগসাজোস করে। প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে বাংলাদেশ বিমান। যাত্রী বোঝাই জাহাজ উড়ে গেলে লোকসানের কারনটিত লালু প্রসাদের কথাতেই সত্য হবে। চুরি বন্ধ হতে হবে নাহয় একদিন যন্ত্র নেই বলে বিদেশের কোন এয়ারপোর্টে পরে থাকবে জাহাজটি। এই দুটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান সরকারী দপ্তরের চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে। নিয়ন্ত্রন করা না গেলে পুরু দেশটাই দেউলিয়া হয়ে পরবে।

যোগাযোগ খাতের সব ক’টি প্রতিষ্ঠানই এখন দেউলিয়া। সড়ক পথের সব নিয়ন্ত্রন ব্যক্তি মালিকানায়। রাজস্ব উৎপাদনের লাভজনক প্রতিষ্ঠান লোকসান দেওয়ার দায়ভার কেউ এড়াতে পারবেনা। দুদক দেশের রাজস্ব খাত রক্ষা করতে বিমান, রেলওয়ে আর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অভিযান চালালেই থলের বিড়াল বেড়িয়ে পরবে। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধনে কে? এই তিন প্রতিষ্ঠানে লসের ভুত তাড়াতে না পারলে আরও এক লক্ষ কোটি টাকা বাজেট ভর্তুকি দিয়েও লাভ হবেনা। যোগাযোগ খাতে রাজস্ব উৎপাদন হয় প্রতিদিন। পরিমানটিও আকাশ চুম্বি। ট্রেড ইউনিয়ন, অসৎ কর্মচারী আর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা মিলে এই লাভজনক খাতটি লুটেপুটে খায়।

বর্তমান সরকার দেশে ব্যপক উন্নয়ন দেখিয়েছে। পদ্মা সেতুর মত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করার ধৃষ্ঠতা দেখিয়েছে। এই সরকারই পারবে দেশের রাজস্ব খাত রক্ষায় সব অনিয়ম দুর করতে। চুরি বন্ধ না করা গেলে যতই অবকাঠামো নির্মান হউক দেশ উন্নত হবেনা। পদ্মা সেতুকেও দেউলিয়া করে দিবে শিঘ্রই।

 

মৌলভীবাজার জেলাব্যাপী বিনামুল্যে অক্সিজেন বিতরন অনুষ্ঠান আয়োজিত

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার সামাজিক সংগঠন শেখ বোরহান উদ্দিন (রহ.) ইসলামী সোসাইটি (বিআইএস) মৌলভীবাজার ও মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট ডেভলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব ওয়ার্ল্ড ওয়াইডের যৌথ উদ্যোগে জেলাব্যাপী ফ্রি অক্সিজেন সার্ভিস প্রদানের জন্য ‘অক্সিজেন ব্যাংক’ উদ্বোধন করা হয়েছে।

অগ্রণী ব্যাংকের এমডি ও সিইও শাম্স উল ইসলামের মাধ্যমে আবুল খায়ের গ্রুপ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব তানভীর আহমেদ তরফদারের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত অক্সিজেন ব্যাংকের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান।

বুধবার (১৬জুন) দিনে শ্রীমঙ্গল রোডস্থ সাবেক প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মহসিন আলীর বাসভবন প্রাঙ্গণে এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শেখ বোরহান উদ্দিন (রহ.) ইসলামী সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম মুহিবুর রহমান মুহিবের সভাপতিত্বে ও দপ্তর সচিব সিরাজুল হাসানের উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র ফজলুর রহমান, প্রাউড টু বি সিলেটি ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট ইউ.কে উপদেষ্টা ডা. ছাদিক আহমদ, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. মসুদ আহমদ, মৌলভীবাজার জেলা ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব ওয়াল ওয়াইডের সভাপতি সৈয়দ নওশের আলী খোকন, সহ-সভাপতি সৈয়দ হুমায়েদ আলী শাহিন, জেলা পরিষদ সদস্য সৈয়দা জেরিন আক্তার, সম্মিলিত সামাজিক উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি খালেদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে চলাকালে ব্রিটেন থেকে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের চিফ পেট্রন মকিস মনসুর আহমদ।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমদ চৌধুরী, মৌলভীবাজার জেলা ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অব ওয়াল ওয়াইডের সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সহ-সাধারন সম্পাদক শাহ নেওয়াজ চৌধুরী সুমন, অর্থ সম্পাদক ফয়ছল মনসুর, সাংগঠনিক সম্পাদক লিপন আহমদ, শেখ বোরহান উদ্দিন (রহ.) ইসলামী সোসাইটির জেলাব্যাপী মেধা যাচাই পরীক্ষার উপ – পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়াসিম আহমেদ নিশান, সাংগঠনিক সচিব সোহান হোসাইন হেলাল, প্রচার ও প্রকাশনা সচিব দুলাল হোসেন জুমান, কার্যকরী পরিষদের সদস্য সোহেল আহমদ, ওমর ফারুক জুয়েল, নির্বাহী পরিচালক আব্দুল মুত্তাকিন শিপলু, ইয়াসিন তালুকদার, সিরাজুল ইসলাম, নাইম আহমেদ তালুকদার, শাহরিয়ার খাঁন সাকিব, আদনান ইমন, মোনাঈদ আহমদ মুন্না,  মনসুর আলম দিপু, নাইম আহমদ সানি, আবুল মাসুম রনি প্রমুখ।

এ বিনামুূল্য অক্সিজেন সার্ভিস সেবায় বিভিন্ন সামগ্রী প্রদান করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে মাদারিস তরফদার ফাউন্ডেশন, মোহাম্মদ তৈয়ব সৈয়দা তাহেরুননেছা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, একাটুনা ইউনিয়ন ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, সিলেটি দাতাগোষ্ঠী, মুরাদ খান ফাউন্ডেশন, সাদিয়া কমিউনিটি সেন্টার, কচুয়া এমএমপি ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন।