জাতীয় সংসদে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র বিল-২০২১ পাস

সিএনবিডি ডেস্কঃ শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন করতে সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন ও সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক করে তৈরি খসড়া আইনে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় সংসদ।

আজ বুধবার (১৬ জুন) মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এ সংক্রান্ত ‘শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র বিল-২০২১’ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন। পরে সেটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এ আইন প্রবর্তন হলে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিজ ব্যববস্থাপনায় নির্ধারিত শ্রেণির কেন্দ্র স্থাপন ও পরিচালনার পাশাপাশি আইনের অধীন নিবন্ধন সনদ নিয়ে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিচালনা করতে পারবে। অনুমোদন ছাড়া কেউ শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র চালালে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে নতুন এই আইনে।

এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।গত ৩ এপ্রিল বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

বিলে বলা হয়, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র থেকে শিশু হারিয়ে গেলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ লাখ পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে। শিশু বা ক্ষেত্রমতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর প্রয়োজনীয় সেবা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপত্তা, চিকিৎসা, বিনোদন, চিকিৎসা, শিক্ষা ও শিশুর জন্য অনুকূল পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতি তিন মাসে একবার করে শিশুদের অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে হবে।

দেশে দিন দিন কর্মজীবী ও পেশাজীবী মায়েদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন,  সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিকে দিনের  বেশিরভাগ সময় নিজ বাসগৃহের বাইরে অবস্থধান করতে হয় এবং তার শিশুর জন্য মানসম্মত উপযুক্ত স্থানে নিরাপদ ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিচর্যার লক্ষ্যে শিশুর দিবাকালীন অবস্থানের জন্য শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অবশেষে মিলল গ্লোবের টিকার হিউম্যান ট্রায়ালের অনুমতি

সিএনবিডি ডেস্কঃ বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক বঙ্গভ্যাক্সের টিকা শর্ত সাপেক্ষে মানবদেহে ট্রায়ালের নীতিগত অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (বিএমআরসি)।

আজু বুধবার (১৬ জুন) এ অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি)। গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ বিষয়টির সত্যতা ডিজিটাল বাংলা নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

বিএমআরসির পরিচালক অধ্যাপক ডা. রুহুল আমিন বলেছেন, সরাসরি অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলা যাবে না। তবে শর্ত দেওয়া হয়েছে। ভুল ত্রুটি ঠিক করলে আমরা অনুমতি দিয়ে দেব। শর্ত পূরণ করলে অনুমোদন দেওয়া হবে।

গ্লোব বায়োটেক জানিয়েছে, বিএমআরসির চূড়ান্ত অনুমতি পেলে খুব শিগগিরই শতাধিক মানুষের ওপর দেশীয় এই টিকার ট্রায়াল চালানো হবে। এ জন্য কিছু বেসরকারি হাসপাতাল নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেল জার্নালে প্রকাশ করা হয় যে, দেশিয় করোনা টিকা গ্লোব বায়োটেকের বঙ্গভ্যাক্স প্রাণীদেহে কার্যকর। এরপর মানবদেহে ট্রায়ালের জন্য বিএমআরসির অনুমোদনের অপেক্ষা ছিল প্রতিষ্ঠানটি। সবশেষ প্রতিষ্ঠানটিকে শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দেয়া হলো।

মহামারি নভেল করোনাভাইরাস মোকাবিলায় এ পর্যন্ত বিশ্বে মোট ২০১টি টিকা নিয়ে কাজ চলছে। এর মধ্যে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে ৮টি টিকা। সীমিতভাবে জরুরি ব্যবহারের জন্য আরো আটটি অনুমোদন পেয়েছে বিভিন্ন দেশে। ৩১টি টিকার বড় আকারে বা তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। ৩৬টির ট্রায়াল চলছে দ্বিতীয় পর্যায়ের। ৫০টি টিকার ট্রায়াল প্রথম পর্যায়ে চলছে।

উল্লেখ্য, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অংশ হিসেবে গ্লোব বায়োটেকের টিকা উৎপাদনে ওষুধ প্রশাসনের অনুমতি পায় গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর। আর চলতি বছরের গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সেই অনুমোদন প্রাপ্তির জন্য বিএমআরসিতে চিঠি দেওয়া হয়।

 

দূর্ভাগ্য দিয়ে ইউরো শুরু জার্মানির

স্পোর্টস ডেস্ক/S.H:

ইউরো কাপে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। আর সেই লড়াইয়ে ভাগ্যের কাছে হেরে ইউরো শুরু করলো জার্মানি। বুধবার রাতে জার্মানি বনাম ফ্রান্সের ম্যাচে নিজেদের জালে বল পাঠান শক্তিশালী জার্মানি।

ভাগ্য বলে যে একটি কথা আছে তা আবার প্রমাণ হল ফ্রান্স ও জার্মানির প্রথম ইউরো ম্যাচে। ইউরোপের শক্তিশালী দল হিসেবে এই দু’দলই পরিচিত। আর ইউরোপের দলগুলোর জন্য নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের সবচেয়ে বড় সুযোগটা তৈরি হয়  ইউরো কাপে। সেই শ্রেষ্ঠত্ব লড়াইয়ে আত্মঘাতী গোলের সাক্ষী হল সবচেয়ে বেশিবার বিশ্বকাপ খেলা দল জার্মানি। বুধবার ফ্রান্স ও জার্মানির ইউরোতে প্রথম  ম্যাচ ছিল। খেলার ২০ মিনিটে এমবাপের উদ্দেশে বল বাড়ান লুকা এরনঁদেজ। গোল ঠেকাতে জার্মান ফুটবলার হুমেলস বল পাঠানোর চেষ্টা করেন ক্রসবারের ওপর দিয়ে। কিন্তু ভাগ্য সঙ্গ দেয়নি অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার হুমেলসের। বল চলে যায় জার্মানির নিজেদের জালে। পরে সেই গোল শোধরাবার অনেক চেষ্টাই করেন জার্মানি। কিন্তু ফ্রান্সের ডিফেন্স ভেঙ্গে বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ হয় জার্মানরা। দু’দলের নিকট বেশ কিছু সুযোগ আসে, তবে তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ দু’দলই। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে ফ্রান্সের কাছে হেরে মাঠ ছাড়তে হয় জার্মানদের।

একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা

মোঃ আমিন আহমেদ, সিলেটঃ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনা ঘটেছে  গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের বিন্নাকান্দি গ্রামে।

আজ বুধবার (১৬ জুন) সকাল ৮টার দিকে তাদের বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১৫ জুন) রাতে উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের বিন্নাকান্দি দক্ষিণ পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর অবস্থায় আরও একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন, আলিমা বেগম (৩০) ও তার দুই সন্তান মিজান (১০) এবং তানিশা (৩)। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন আলিমা বেগমের স্বামী হিফজুর রহমান। তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ জানায়, বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি দেখে প্রতিবেশীরা হিফজুরের ঘরের সামনে যান। ভেতর থেকে শব্দ শুনে তারা দরজায় ধাক্কা দেন। এসময় ঘরের দরজা খোলা ছিল। ভেতরে প্রবেশ করে খাটের মধ্যে তিন জনের জবাই করা ও কুপানো মরদেহ ও হিফজুরকে রক্তাক্ত দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানার এসআই মহসিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গিয়ে লাশ তিনটি উদ্ধার করেন এবং হিফজুরকে হাসপাতালে পাঠান। হিফজুরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে দায়ের কোপ ছিল।

গোয়াইনঘাট থানার ওসি আবদুল আহাদ তিনজন নিহত ও একজন আহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বটি দা দিয়ে কুপিয়ে কে বা করা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। ঘটনার কারণ খুঁজে দেখছে পুলিশ।

 

দেশে বোরো ধান উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

সিএনবিডি ডেস্কঃ চলতি বছর দেশে এবার বোরো ধান উৎপাদনে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। এ বছর ২ কোটি ৭ লাখ ৮৪ হাজার ৫০৮ টন বোরো উৎপাদন হয়েছে, এটি এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। গত বছর দেশে বোরো ধানের জাতীয় গড় ফলন ছিল প্রতি হেক্টরে ৩ দশমিক ৯৭ টন। এ বছর ৪ দশমিক ২৯ টন। অর্থাৎ হেক্টরপ্রতি উৎপাদন বেড়েছে দশমিক ৩২ টন, যা গত বছরের তুলনায় ৮ দশমিক শূন্য শতাংশ বেশি।

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর বোরোর উৎপাদন গত বছরের তুলনায় ১১ লাখ টনেরও বেশি হয়েছে। গত বছর উৎপাদন হয়েছিল ১ কোটি ৯৬ লাখ টন। এবার বোরোতে ২ কোটি ৫ লাখ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে এটিও ছাড়িয়ে গেছে।

সারাদেশে এ বছর ৪৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। গত বছর বোরো ধান আবাদ হয় ৪৭ লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৭ হেক্টরে। অর্থাৎ এ বছর ১ লাখ ২৯ হাজার হেক্টর বেশি আবাদ হয়েছে।

জানা গেছে, সদ্য সমাপ্ত বোরো মৌসুমে দেশে রেকর্ড পরিমাণ ফলন দিয়েছে ‘ব্রি ৮১’। চাষিরা বিঘাপ্রতি ৩১ মণ ফলন পেয়েছেন উচ্চ ফলনশীল এ জাত থেকে। যেখানে প্রতি হেক্টরে আগের জনপ্রিয় জাত ‘ব্রি ২৮’ উৎপাদন হতো ৬ টন, সেখানে একই জমিতে ‘ব্রি ৮১’ চাষ করে ফলন পাওয়া গেছে সাড়ে ৭ টন পর্যন্ত। ফলন বেশি হওয়ায় এ বছর হাইব্রিড ধানের উৎপাদন যেমন বেশি হয়েছে, উচ্চ ফলনশীল ধানের প্রচলন ও সম্প্রসারণও বেড়েছে।

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চলতি বছরের শুরুতেই আমরা সর্বাত্মক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলাম। সব স্তরে যেকোনো মূল্যে বোরোতে উৎপাদন বাড়াতে কাজ হয়েছে। বীজ ও সারসহ প্রণোদনা পেয়েছেন কৃষকরা। আমাদের উদ্যোগের ফলে গত বছরের তুলনায় এ বছর ১ লাখ ২০ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়।

তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩ লাখ হেক্টরেরও বেশি জমিতে হাইব্রিডের আবাদ বেড়েছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার বোরোতে বেশি উৎপাদন হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চলতি বছরের শুরুতেই আমরা সর্বাত্মক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলাম। সব স্তরে যেকোনো মূল্যে বোরোতে উৎপাদন বাড়াতে কাজ হয়েছে। বীজ ও সারসহ প্রণোদনা পেয়েছেন কৃষকরা। আমাদের উদ্যোগের ফলে গত বছরের তুলনায় এ বছর ১ লাখ ২০ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়।

তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩ লাখ হেক্টরেরও বেশি জমিতে হাইব্রিডের আবাদ বেড়েছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার বোরোতে বেশি উৎপাদন হয়েছে।

 

রোনালদোর ‘বোতল কাণ্ডে’ নিমিষেই কোকাকোলার ক্ষতি ৩৪ হাজার কোটি টাকা

স্পোর্টস ডেস্কঃ রোনালদো কোকাকোলা সরিয়ে সবাইকে পানি পান করতে বলায় নিমিষেই কোকাকোলার ক্ষতি হলো ৩৪ হাজার কোটি টাকার মত। কোমলপানীয়ের প্রতি অনীহার কারনে বলি হতে হলো কোকাকোলা কোম্পানিকে। তার হটাত করে বসা এই কান্ডে বিশ্ববিখ্যাত কোমল পানীয় প্রতিষ্ঠান কোকাকোলার ব্র্যান্ড মূল্য ৪০০ কোটি ডলার কমে গেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩৩ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা। তাদের শেয়ারবাজারে নেমেছে এই বিশাল ধস। আর তাও মাত্র আধঘণ্টার ব্যবধানে।

গত সোমবার রাতে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এসে কথা শুরুর আগেই টেবিল থেকে কোকাকোলার দুটি বোতল সরিয়ে পাশে রেখে দেন এবং পানির বোতল হাতে নিয়ে বলেন, কোক নয়, পানি খান। অথচ উয়েফা ও ইউরোর অন্যতম বড় স্পনসর এই প্রতিষ্ঠানটি। ফলে ঘটনার পর থেকেই বিতর্ক তুঙ্গে। আর শুধু কোমল পানীয়র বোতল সরিয়েই ক্ষান্ত হননি রোনালদো, তার পরিবর্তে রাখেন সাধারণ পানির বোতল।

অর্থনীতিভিত্তিক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, রোনালদোর ঐ বোতল সরানোর ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর কোকাকোলার প্রতিটি শেয়ারের মূল্য কমে হয়েছে ৫৫.২ ডলার। যার ফলে সামগ্রিকভাবে তাদের শেয়ারের দাম কমেঠেছ ১.৬ শতাংশ এবং মার্কেট ভ্যালু কমেছে ৪০০ কোটি ডলার।

তবে শুরুতে এই বিশাল ধস নামলেও, ধীরে ধীরে আবার বাড়ছে শেয়ারের দাম। এমনটাই দাবি এখন দাবি করছে কোকাকোলা কোম্পানি।

শ্রীমঙ্গলে ভারতীয় নারী আটক

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এক ভারতীয় নারী আটক হয়েছে। গত সোমবার দিবাগত রাতে (১৪ জুন) উপজেলার সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা কুঞ্জবন আর্ন্তজাতিক সীমান্ত পিলার ১৯৪৩/১০ থেকে ওই নারীকে আটক করে বিজিবি।

আটককৃত নারীর নাম সমজা বিবি (৩১)। সে ভারতের ধলাইপিন জেলার কমলপুর থানার গঙ্গানগর এলাকার আব্দুস সালামের স্ত্রী বলে জানা গেছে।

৫৫ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্ণেল এসএনএম সামীউন্নবী চৌধুরী এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক নারীর বিরুদ্ধে শ্রীমঙ্গল থানায় বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ১৯৫২ সালের (কন্ট্রোল অব এন্ট্রি এ্যাক্ট) অনুপ্রবেশ এর ৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং নারীকে আসামীকে থানার প্রেরন করা হয়।

ছয় দিনে হয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মাদ আদনানের

সিএনবিডি ডেস্কঃ ছয় দিনে হয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি আলোচিত ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মাদ আদনানের। রংপুর থেকে ফেরার পথে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে গত বৃহস্পতিবার (১০ জুন) ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিখোঁজ হয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্ত্রী ও মা রংপুর ও ঢাকায় এ বিষয়ে পুলিশকে লিখিত অভিযোগ করেন। তবে নিখোঁজের পরদিন শুক্রবার আবু ত্ব-হার স্ত্রী দারুস সালাম থানায় লিখিত অভিযোগ করতে গেলেও তা গ্রহণ করা হয়নি।

এদিকে নিখোঁজ আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের স্ত্রী সাবেকুন নাহার জানান, পুলিশ এবং র‍্যাবের সাথে দফায় দফায় যোগাযোগ করার পরও তারা কিছু জানতে পারছেন না। স্বামীকে ফিরে পেতে আবু ত্ব-হার স্ত্রী সাবেকুন নাহার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন।

চিঠিতে সাবেকুন নাহার প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। কারও সহযোগিতা না পেয়ে আপনার (প্রধানমন্ত্রী) বরাবর শেষ আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আপনাকে মা ও আমার অভিভাবক মেনে আমার দু হাত জোড় করে আমার স্বামী নিখোঁজ আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানাচ্ছি।’ আবু ত্ব-হা কোনো অপরাধ করে থাকলে, তাকে আইনের কাছে সোপর্দ করা হোক।

আদনানের মা আজেদা বেগম বলেন, ‘রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় জিডি করা হয়েছে। কিন্তু আমার ছেলের সন্ধানে পুলিশের কোনো তৎপরতা পাচ্ছি না’

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকায়। বাড়ি রংপুরে হওয়ায় আদনানের মায়ের করা জিডির সূত্র ধরে অনুসন্ধান চলছে। আশা করি শিগগিরই এই রহস্যের জট খুলবে।

অন্যদিকে, নিখোঁজ আবু ত্ব-হা আদনানের সন্ধান চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। গত সোমবার (১৪ জুন) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সাউথ এশিয়ার ভেরিফায়েড টুইটার থেকে এ বিবৃতি দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার তিন সঙ্গী গত বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে নিখোঁজ হন। আবু ত্ব-হা ও তার সঙ্গীদের অবস্থান শনাক্তে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে দ্রুত এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার দাবি জানাচ্ছে অ্যামনেস্টি। আর তারা যদি রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকে, তাহলে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রাতে রংপুর থেকে ঢাকায় ফিরবেন বলে বলে বাসা থেকে বের হন আদনান। ফেরার পথে রাত আড়াইটার দিকে স্ত্রী হাবিবা নূরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে শেষ কথা হয় তার। আদনানের সঙ্গে থাকা আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দিনও নিখোঁজ। তাদের সবার মোবাইল ফোনও বন্ধ। তার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলা হয়, রংপুর থেকে গাবতলী আসার পর তিনি তার সঙ্গীদেরসহ নিখোঁজ হন।

 

১২ কেজি গাঁজা ও ১ টি সিএনজিসহ ২জন আটক

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এঘটনায় মাদক পরিবহনের দায়ে একটি সিএনজি অটোরিক্সাসহ ২ ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার পীরপুর দক্ষিণ পাড়া গ্রামের আনকার আলীর পুত্র জুয়েল আহমেদ (২১) ও একই এলাকার বড় বাড়ীর মকদ্দুস আলীর পুত্র সিএনজি অটো ড্রাইভার জমির আলী (৩২) বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন তথ্য ভিত্তিতে শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মো. আব্দুছ ছালেক ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হুমায়ন কবিরের নেতৃত্বে পুলিশ ফোর্স মঙ্গলবার (১৫ জুন) ভোর ৫টায় উপজেলার সাতগাঁও ইউনিয়নের লছনা বাজারে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে এসব গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় দুপুরে থানা চত্তরে এক প্রেস কনফারেন্সে এএসপি সার্কেল (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) মো. শহিদুল হক মুন্সী বলেন, আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদকগুলো হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার মনতলা সীমান্ত এলাকা থেকে সিলেটে পরিবহনের চেষ্টা করার কথা জানা যায়।
পুলিশ গোপন সংবাদ পেয়ে ভোরে ওঁৎ পেতে সিএনজি অটোরিক্সাটি আটক করে। পরে তল্লাসী করে তিনটি পোটলায় কসটেপ দিয়ে মোড়ানো ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। এসময় সিএনজি চালক জমির আলী ও জুয়েল আহমেদকে আটক করা হয়। আটক গাঁজার বাজার মূল্য ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা বলে জানান। এর আগে গত ৬ জুন উপজেলার সিন্দুরখান সীমান্ত এলাকা থেকে ৪শ’ ২পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয় বলে ব্রিফিং এ জানানো হয়।
শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মো. আব্দুছ ছালেক বলেন, আকটকৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে।

বিশৃংখলা ও টোল আদায়

বিশৃংখলাঃ গতকাল গ্রাম থেকে ফিরেছি। বুড়িগঙ্গা নদী পার হলে মাওয়া যেতে এখন সময় লাগে মাত্র ৩০ মিনিট। আমার বাড়ী মাওয়া ঘাট থেকে দশ মিনিটেরও কম দুরত্বে। গুলিস্তান কিংবা যাত্রাবাড়ী দুইখান থেকেই মাওয়া যেতে প্রায় একই সময় লাগে। কিন্তু গুলিস্তান থেকে গেলে বাবু বাজার ব্রীজ পার হতেই সময় লেগে যায় আধা ঘন্টা। একই অবস্থা যাত্রাবাড়ী হয়ে গেলে। পোস্তখোলা থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত প্রায় ৪০ মিনিট বসে থাকতে হয়েছে। যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় নেমে যা প্রত্যখ্য করেছি তা স্বাভাবিক নয় দখলদারি। নিয়ন্ত্রন নেই কোথায়ও। হকাররা রাস্তার প্রায় পুরুটাই দখল করে রেখেছে দুটি লাইন করে। গাড়ীত দূর মানুষ হাটার জায়গাটুকুও রাখেনি। দৃশ্যটি সবাই দেখছে। এ পথেই নেতা মন্ত্রী এম পি’রাও চলাচল করছে। কেউ জানতে চায়না রাস্তা বন্ধ করে কে এই অবাধ ব্যবসা করার সুযোগ করে দিল? এই অনিয়ম দেখার কি কেউ নেই? এই এলাকায় দীর্ঘ দিন বসবাস করেছি। চৌরাস্তাটি ছিল যাত্রাবাড়ীর ঐতিহ্য। নারায়নগঞ্জ, চট্রগ্রাম সিলেট সহ বহু রাস্তার যোগ সড়ক যাত্রাবাড়ী। ওভার ব্রীজ নির্মীত হয়েছে চৌরাস্তার উপর দিয়ে কিন্তু দুরাবস্থাটি বদলায়নি। একসময়ের অনুন্নত যাত্রাবাড়ী এখন বসবাসের অযোগ্য। চেনাই যায়না।

টোলঃ রাস্তায় টোল আদায় করে উন্নত দেশেও। টোলের টাকা দিয়েই অবকাঠামো নির্মানের অর্থ পরিশোধে করে। আদায়কৃত অর্থ জমা হয় সে দেশের রাষ্ট্রিয় কোষাগারে। বাংলাদেশে আগে রাস্তায় টোল ছিলনা। নদীর ঘাটে টোল দিত হত এক পয়সা দুই পয়সা করে। সেই ঘাটের ডাক নিয়ে শুনেছি খুনাখুনি হত। এখন রাস্তায় টোল দিতে হয় অনেক টাকা। ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই টোল আদায় করা সম্ভব। প্রযুক্তিটি দেশীয় বিজ্ঞানীরাই প্রস্তুত করতে পারে। তাহলে কেন টোল আদায়ের জন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হচ্ছে? জেনেছি টেন্ডারে যে পরিমান অর্থ নির্ধারন করা হয় সেই টাকাও পরিশোধ করেনা। তাহলে কোন কারনে ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে টোল আদায় করে রাস্তার দুরাবস্থা সৃষ্টি করা হচ্ছে? রাষ্ট্রের অর্থ লোপাট করছে কিছু সন্ত্রাসী। টোল ছাড়াও সি এন জি/রিক্সার কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে মহল্লার মস্তানরা। সবার সামনেই এই চাঁদাবাজি চলছে অবাধে। টাকার পরিমানটিও চোখ উল্টে যাওয়ার মত। মস্তানরা কোন কিছু না করেই বিত্ত্বশালী হচ্ছে। প্রভাব খাটিয়ে অর্থের পাশাপাশি রজনীতিও দখল করে নিচ্ছে। ঢাকা শহরের ওয়ার্ড কমিশনারদের রেকর্ড বেড় করলেই জানা যাবে কে কতটা কেসের আসামি। এই যদি হয় দেশের অবস্থা তাহলে দেশ কিভাবে উন্নত হবে? রস্তা নির্মান করে দেশের সর্বানাশ হবে আরও। সময় এসেছে আইন প্রনয়নকারীদের চক্ষু খুলে দেখার। অন্যায় অপরাধ বন্ধ না হলে, জাতীকে শিক্ষিত, সচেতন আর সুনাগরিক করা না গেলে উন্নত হয়েও পেছনে পরে থাকবে বাংলাদেশ।

আজিজুর রহমান প্রিন্স, ঢাকা, বাংলাদেশ।