রাজনীতিঃ

আজিজুর রহমান প্রিন্স, ঢাকা, বাংলাদেশঃ দল ক্ষমতায় অথচ কর্মীদের মনে সূখ নেই। যার সাথেই কথা বলি বলে ” রাজনীতি করে আর কি হবে? যাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি তারাই এখন সব নিয়ন্ত্রন করে”। কথাটি একজন সাধারন কর্মী বললে ভাবতাম সুবিধা চায়। কিন্তু যদি গুরুত্বপুর্ন কেউ বলে বা উচ্চ পদস্থ কোন সরকারী কর্মকর্ত্তাও বলে।কথাটি উড়িয়ে দেওয়া যায়না। সকলেই বলে দল ক্ষমতায় থাকলেও আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে জামাত আর বি এন পি’র লোকেরা। তাদের কাছ থেকে শেয়ার করে বা ভাগ করে ছিটা ফোটা কিছু পেয়ে দলের কর্মীরা তুষ্ট হচ্ছে। তাও সবাইনা। নেতাদের সঙ্গে বিরোধী দলের সম্পর্কটিই বেশী ভাল। কিছু প্রমানও পেয়েছি। বড় বড় কাজ যা বের হচ্ছে তার বেশীর ভাগই এই চক্রের দখলে।

অনেক ত্যগী কর্মীদের দুরাবস্থাও দেখেছি। শুধু আর্থিক সুবিধার জন্যই নয়। সকলেরই ভাবনা দল কোথায় যাচ্ছে? ৭৫ এর পরে যারা দলের জন্য ত্যগ স্বীকার করেছে তাদের বেশীরভাগই এখন পরিত্যক্ত। অনেকের নামটিও ভুলে গেছে। যারা দলের সুসময়ে এসে যোগ দিয়েছে তারা কর্তৃত্ব করছে এখন। অর্থের পাহাড় গড়েছে এলাকায় পোষ্য বাহিনী দিয়ে। তাদের নামে এখন বদনাম বহু। দলের জন্য মামলা খেয়েছে, অত্যাচার নির্যাতন সয়েছে যারা তারা এখন দলে নিগৃহিত। একমাত্র নেত্রী ছাড়া কেউ জনগনের আস্তা অর্জন করতে পারেনি। হতাশায় দল ত্যগেরও ভাবনা করছে অনেকে। শুধু বঙ্গবন্ধু কন্যার মূখের দিকে চেয়ে পারেনা। আওয়ামী লীগের মত দলে এখন চাটুকার আর স্বার্থবাজের সংখ্যাই বেশী। এই চিত্রটি ভাল লাগেনি। সবকিছুই এখন নেত্রী কেন্দ্রিক। কোন কিছুই প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়া কার্যকর হয়না।

সকলেই এখন বলাবলি করে বি এন পি’র রাজনীতি করার দরকার নেই। আওয়ামী লীগই আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করবে। অথচ দেশে উন্নয়ন হয়েছে অকল্পনীয়। অর্থনৈতিক ভাবেও দেশ এখন যে কোন সময়ের চেয়ে ভাল অবস্থানে। করোনা কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগেও দেশে খাদ্য ঘিটতি হয়নি। না খেয়ে মানুষ মারা যায়নি। রপ্তানী, বানিজ্য এবং উৎপাদন সন্তুষজনক। পদ্মা সেতু সহ বেশ ক’টি সেতু দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী সাফল্য এনে দিয়েছে। মানুষ খেয়ে পরে ভাল আছে। তবুও দেশের মানুষের মনে আওয়ামী লীগের প্রতি ক্ষোভ কেন? কেন মানূষ ফুঁসে উঠছে। দলের সুপ্রিম কমান্ড যদি বিষয়টি অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয় তাহলে দলের বিপর্যয় ঠেকানো মুশকিল হবে। এই ভীতি এখন সকলের মনে। কারন আওয়ামী লীগ পরজিত হলে দেশ পরাজিত হয়ে যায়। কোন কারনে ক্ষমতা বদল হলে দেশ এবং দল দুটোই যাবে। দলের ত্যগী কর্মীদের মনে এই ভাবণাটাই জেকে বসেছে।। 

একসাথে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ ইসলামের প্রতি সরকারের গভীর মমত্ববোধের পরিচয়াকঃ ড. আবু রেজা নদভী এমপি

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী বলেছেন, ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের প্রতি জেলা ও উপজেলা সদরে একটি করে মোট ৫৬০ টি মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের ইসলামের প্রতি গভীর মমত্ববোধের পরিচয় বহন করে। একসাথে এত সংখ্যক আধুনিক মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ মুসলিম বিশ্বে এই প্রথম। ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাটা যেন মানুষ পায় এবং ইসলামী সংস্কৃতি মানুষ যেন ভালভাবে রপ্ত ও চর্চা করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। ড. নদভী এমপি বলেন, মডেল মসজিদ শুধুমাত্র মসজিদই হবে না সেগুলো ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এসব মসজিদে নারী পুরুষের জন্য আলাদা অজু এবং নামাজের ব্যবস্থা থাকবে। মক্তব, গ্রন্থাগার, গবেষণা কক্ষ, কনফারেন্স রুম, ইমাম ও হাজীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে সেখানে। তিনি বলেন, মডেল মসিজদ থেকে জঙ্গিবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করা হবে। সেই সাথে মাদক, যৌতুক, বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধ বক্তব্য প্রচার করা হবে।
১০ জুন বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লোহাগাড়া উপজেলা কমপ্লেক্সে নির্মিত মডেল মসজিদসহ দেশের ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন শেষে লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মসজিদ কমপ্লেক্স আয়োজিত সুধী সমাবেশে ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব জিতুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী, লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জাকের হোসাইন মাহমুদ। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ- সভাপতি ও লোহাগাড়া সদর ইউপির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুচ্ছাফা চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নিবাস দাশ সাগর,  সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ নাজমুল হাসান মিন্টু, দপ্তর সম্পাদক তৈয়বুল হক বেদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, লোহাগাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম,উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মুহাম্মদ জহির উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সদস্য নুরুল আলম জিকু,ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফজলে এলাহী আরজু, উপজেলা বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান,উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক নুনু, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আলী আহমদ, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, স্থানীয় সাংসদের সহকারী একান্ত সচিব এসএম শাহাদাৎ হোসাইন শাহেদ, লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসিফুর রহমান চৌধুরী, বার আউলিয়া ডিগ্রি কলেজ সভাপতি মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল হারুন সায়দী প্রমূখ।

আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে মৃত্যুর নতুন রেকর্ড দেখলো ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মহামারি করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত ভারতে মৃত্যুর মিছিল ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মৃত্যুর পরিসংখ্যান ভেঙে ফেলেছে অতীতের সব রেকর্ড। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ৬ হাজার ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি ভারতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। ​এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃত্যু দাঁড়াল ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৬৭৬ জন।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুন) ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এ তথ্য জানায়।

হিন্দুস্তান টাইমস এর প্রতিবেদনে  বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৯৪ হাজার ৫২ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়াল ২ কোটি ৯১ লাখ ৮৩ হাজার ১২১ জনে।

প্রসঙ্গত, দেশটিতে মে মাসের শুরুতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল মৃত্যু ও সংক্রমণ। এরপর সংক্রমণ রোধে লকডাউন আরোপ, ভ্যাকসিন দেওয়ার আওতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর ফলে এ মহামারির প্রকোপ আস্তে আস্তে কমতে শুরু করেছে।

তথ্যসুত্রঃ ওয়ার্ল্ডওমিটার। 

নওগাঁয় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন আক্রান্ত ৯৪ জন, আক্রান্তের হার ২৫ দশমিক ২৬ শতাংশ

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগা জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪ জন।

আজ বৃহষ্পতিবার দুপুরে নওগাঁ’র সিভিল সার্জন ডাঃ এ বি এম আবু হানিফ জানিয়েছেন মোট ৩৭২ ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৩ ব্যক্তির নওগাঁ সদর হাসফাতালে এ্যান্টিজেন পরীক্ষা এবং ১৭৯ ব্যক্তির রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্তের হার ২৫ দশমিক ২৬ শতাংশ প্রায়।

জেলার সাপাহার উপজেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট মৃত্যু হলো ৪৯ ব্যক্তির।
উপজেলাভিত্তিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা হলো সদর উপজেলায় ১২ জন , রানীনগর উপজেলায় ৩ জন, আত্রাই উপজেলায় ৮ জন, মহাদেবপুর উপজেলায় ৪ জন, বদলগাছি উপজেলায় ২ জন, মান্দা উপজেলায় ৫ জন, ধামইরহাট উপজেলায় ৮ জন, সাপাহার উপজেলায় ১২ জন, পোরশা উপজেলায় ৬ জন এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৩৪ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হলো ২ হজার ৬শ ৮৬ জন। এ সময় সুস্থ্য হয়েছেন ২২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ্য হয়েছে ২ হাজার ১শ ৩ জন।

এদিকে জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় কোয়ারেনটাইনে নেয়া হয়েছে ২৬৪ ব্যক্তিকে। এ সময় কোয়ারেনটাইন থেকে কেউ ছাড়পত্র পান নি। সিভিলসার্জন জানিয়েছেন বর্তমানে নওগাঁ জেলা সদরের হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন
আছেন ৩৬ জন। আক্রান্ত অন্যরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহন করছেন।

 

জাফলংয়ে জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে ভারতীয় বিপুল পরিমাণ বিস্কুট আটক

মোঃ আমিন আহমেদ, সিলেটঃ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে অভিযান পরিচালনা করে জেলা ডিবি পুলিশ বিপুল পরিমান ভারতীয় চকলেট-বিস্কুটের চালান আটক করেছে সিলেট জেলা গোয়েন্দা শাখা (উত্তর)।

ডিবি পুলিশ সুত্রে জানাযায়, বুধবার দিবাগত রাত ২ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখা’র এস আই আবুল হোসেন ও এ এস.আই রুমান মিয়া’র নেতৃত্বে গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে অভিযান পরিচালনা করে মোহাম্মদপুর এলাকার আলিফ ষ্টোন ক্রাশারের পিছনের গোদাম থেকে ১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৬ শত ৮০ টাকার ভারতীয় চকলেট ও বিস্কুট আটক করে।

এ সময় ডিবি পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে চোরাকারবারি পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় এস আই আবুল হোসেন বাদী হয়ে উপজেলার জাফলং মোহাম্মদপুর গ্রামের নুরুদ্দিনের ছেলে লায়েস উদ্দীন ও কালিনগর গ্রামের সোহেল আহমদ’র নাম উল্লেখ করে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা দ্বায়ের করে।

জেলা গোয়েন্দা শাখা (উত্তর)’র ওসি সাইফুল আলম ভারতীয় চকলেট- বিস্কুটের চালান আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এ ঘটনায় পলাতক আসামী লায়েস ও সোহেল’র নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত আরও দুই জনকে আসামী করে প্রচলিত আইনে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

তালেবানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো যোগাযোগ করল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারত প্রথমবারের মতো আফগানিস্তানের তালেবান নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ভারতের ‘তিনটি নিরাপত্তা সূত্রের’ বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, দেশটির একাধিক নিরাপত্তা সংস্থা তালেবানের উপ প্রধান ও প্রধান আলোচক মোল্লা আব্দুলগনি বারাদারসহ কয়েকজন তালেবান নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। মোল্লা আব্দুলগনি বারাদার তালেবানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি কয়েক বছর পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন।

হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, ভারতের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এই আলোচনার গতি-প্রকৃতি নির্ধারণ করছেন এবং তারা তালেবানের সেইসব নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন যারা ‘জাতীয়বাদী’ হিসেবে পরিচিত এবং ‘বিদেশি প্রভাবমুক্ত’।

ভারত সরকারের এ উদ্যোগকে আফগান তালেবানের ব্যাপারে নয়াদিল্লির নীতিতে ‘মৌলিক পরিবর্তন’ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

গেটওয়ে হাউজের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক সামির প্যাটেল বলেছেন, ভারত আফগানিস্তানে নিজের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে তালেবানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বিদেশি সেনারা আফগানিস্তান ত্যাগ করার পর দেশটিতে আবার গৃহযুদ্ধ দেখা দিলে কিংবা তালেবান ক্ষমতায় আসলে যাতে পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে রাখা যায় সে লক্ষ্যে এ কাজ করছে নয়াদিল্লি।

ভারতের একটি নিরাপত্তা সূত্র বলেছে, কয়েক মাস ধরে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগের যে চেষ্টা চলছে তা এখনও ‘প্রাথমিক পর্যায়ে’ রয়েছে। দু’পক্ষের মধ্যে একাধিকবার বার্তা আদান-প্রদান করা হলেও এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি।

আরেকটি নিরাপত্তা সূত্র হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছে, হাক্কানি নেটওয়ার্ক বা তালেবানের কোয়েটা শাখাকে এই যোগাযোগের আওতায় আনা হয়নি; কারণ তারা ‘পাকিস্তানের ক্রীড়নক’। এই সূত্রটির মতে, তালেবান নেতৃত্ব এখন একথা উপলব্ধি করেছে যে, আফগানিস্তানের উন্নয়নে ভারতের অন্তর্ভুক্তি জরুরি।

আফগানিস্তানের পুনর্গঠনে বড় অঙ্কের অর্থসাহায্য দিয়েছে ভারত। গত দুই দশকে কাবুলকে ৩০০ কোটি ডলার সাহায্য করেছে নয়াদিল্লি। ভারত সব সময় আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন সরকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বলেছে এবং তালেবানের আবার ক্ষমতায় আসার বিরোধিতা করেছে। আল-কায়েদা নেটওয়ার্কের সঙ্গে তালেবানের সম্ভাব্য গোপন যোগাযোগ নিয়ে সব সময় চিন্তিত ছিল নয়াদিল্লি। সুত্রঃ হিন্দুস্তান টাইমস। 

ভিকি ও ক্যাটরিনার সম্পর্কের পরলো সিলমোহর

বিনোদন ডেস্ক/S.H:

প্রায় এক বছর ধরে বি-টাউন ঘুরছে ভিকি-ক্যাটরিনার প্রেমের গুঞ্জন। তবে গুঞ্জনে মুখ খুলেনি দুজনের কেউই। এই দুই বলিউড তারকার প্রেমে এবার মুখ খুললেন আরেক বলিউড তারকা অনিল কাপুরের ছেলে অভিনেতা হর্ষবর্ধন।

বলিউডের প্রায় নতুন নতুন প্রেমের গুঞ্জন শুনা যায়। কেউ কেউ মুখ খুললেও বেশির ভাগ তারকাই বেছে নেয় সাইলেন্স। ভিকি-ক্যাটরিনার প্রেমের সম্পর্কে মুখ বন্ধ রেখে ছিলেন ভিকি-ক্যাটরিনা দু’জনেই। নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে কথা না বলাই ভালো বলে মনে করেন অভিনেতা ভিকি। তবে এবার ভিকি-ক্যাটরিনার প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করলেন অনিল কাপুরে ছেলে হর্ষবর্ধন। একটি চ্যাট শোতে তাকে প্রশ্ন করা হয় বলিউডের এমন এক জুটির নাম বলতে যাদের সম্পর্ক আছে কিন্তু তারা স্বীকার করে না। মুহূর্তের মধ্যে উত্তর দেয় হর্ষবর্ধন। সিলমোহরটা সুন্দর করে লাগিয়ে দেয় ভিকি-ক্যাটরিনার প্রেমে। এর পরপরই ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে।

বজ্রপাতের সময় করনীয় ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ

সিএনবিডি ডেস্কঃ বাংলাদেশে এপ্রিল-জুন ও অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত বজ্রপাত সাধারণত বেশী হয়ে থাকে। বর্ষা শুরুর আগে আগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতে প্রতিদিনই প্রাণহানি ঘটছে। বাংলাদেশ সরকার ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করলেও আমরা সবাই সাধারণত জানি না যে বজ্রপাতের সময় কী করা উচিত, আর কী উচিত নয়। আর তাই এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বজ্রপাতের সময় পাকা বাড়ির নিচে আশ্রয় নিতে এবং উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। এ সময় জানালা থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলা, টিভি-ফ্রিজ না ধরা, গাড়ির ভেতর অবস্থান না করা এবং খালি পায়ে না থাকারও পরামর্শ তাদের।

আসুন জেনে নিই আবহাওয়া অধিদপ্তর ঘোষিত বজ্রপাতের সময় করনীয় ও বর্জনীয় বিষয়সমূহঃ  

  •  ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে খোলা বা উঁচু জায়গায় না থাকাই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনও দালানের নিচে আশ্রয় নেওয়া যায়।
  • বজ্রপাত হলে উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বিদ্যুৎস্পর্শের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই বজ্রঝড়ের সময় গাছ বা খুঁটির কাছাকাছি থাকা নিরাপদ নয়। ফাঁকা জায়গায় যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে অত্যন্ত বেশি।
  • বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছে গিয়ে উঁকিঝুঁকি নিরাপদ নাও হতে পারে। এ সময় জানালা বন্ধ রেখে ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
  • বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করা ঠিক হবে না। এমনকি ল্যান্ড ফোন ব্যবহার না করতেও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে স্পৃষ্ট হন।
  • বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব ধরনের যন্ত্রপাতি এড়িয়ে চলা উচিত। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও স্পর্শ করা ঠিক হবে না। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই প্লাগ খুলে রাখা ভালো।
  • বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করতে বলেছেন আবহাওয়াবিদরা। যদি তখন প্রচণ্ড বজ্রপাত ও বৃষ্টি হয়, তাহলে গাড়ি কোনও গাড়িবারান্দা বা পাকা ছাউনির নিচে রাখা যেতে পারে। ওই সময় গাড়ির কাচে হাত দেওয়াও বিপজ্জনক হতে পারে।
  • বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমতে পারে। অনেক সময় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে সেই পানিতে পড়ে হতে পারে দুর্ঘটনার কারণ। কাছে কোথাও বাজ পড়লেও সেই পানি হয়ে উঠতে পারে বিদ্যুতস্পৃষ্টের কারণ।
  • বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। যদি একান্ত বের হতেই হয়, পা ঢাকা জুতো ব্যবহার করা ভালো। রাবারের গামবুট এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো কাজ করবে।
  • বজ্রপাতের সময় রাস্তায় চলাচলেও খেয়াল রাখতে হবে। কেউ আহত হয়ে থাকলে দেরি না করে তাকে হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করতে হবে। তবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট কাউকে ঘটনার সময় খালি হাতে স্পর্শ করলে নিজেও ঝুঁকিতে পড়তে হবে।

 

লেবাসের ইসলামে নয়, ইনসাফের ইসলামে বিশ্বাস করিঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সিএনবিডি ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মুষ্টিমেয় লোক সন্ত্রাস ও জঙ্গি কর্মকাণ্ড করে ইসলামকে দোষারোপ করে। আমি বিশ্বের যেখানেই গেছি, এ বিষয়ে কথা উঠলে সব ফোরামে বলেছি, মুষ্টিমেয় লোকের কর্মকাণ্ডে ধর্মকে দোষারোপ করা যায় না।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে উদ্ধৃত করে বলেন, ‘লেবাসের ইসলাম নয়, আমরা বিশ্বাস করি ইনসাফের ইসলামে।’

আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুন) সারাদেশে নির্মাণাধীন ৫৬০ মডেল মসজিদের মধ্যে কাজ সমাপ্ত হওয়া ৫০টির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সরকারপ্রধান।

মুসলিমরাই জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সভ্যতায় এগিয়ে ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সবকিছুতে মুসলিমরা ছিল পথপ্রদর্শক। তারা কেন আজ পিছিয়ে থাকবে? মুসলিমদের মধ্যে সঠিক ইসলামের জ্ঞান অর্জনে সহায়তা ও তাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য জানতে এই মডেল মসজিদ ও ইসলামিক কালচারাল সেন্টার। এখানে তারা মূল কথাটা জানতে ও শিখতে পারবে।’

ভার্চুয়াল এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ এবং খুলনা জেলা সদর, রংপুরের বদরগঞ্জ ও সিলেটের সুরমা উপজেলা সদর থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও মুসল্লিরা সংযুক্ত ছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা সারাদেশে ৫৬০ মডেল মসজিদ নির্মাণ করছি। এরমধ্যে ৫০টি আজ উদ্বোধন করছি। এই মসজিদ থেকে মানুষ যেন ইসলামের মূল কথাটা শিখতে পারে, জানতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, যেন ইসলাম সম্পর্কে সবাই সচেতন হয়। ইসলাম ধর্ম নারীদের অধিকার দিয়েছে। পিতার ও স্বামীর সম্পদে নারীর অধিকার দিয়েছে। এই মসজিদেও নারী-পুরুষের নামাজের ব্যবস্থা আছে। এর মাধ্যমে ধর্মীয় দৃষ্টিতে বাল্যবিয়ে, নারী-শিশুদের নির্যাতন ও মাদকের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে হবে। এগুলো রোধে সামাজিকভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় এসে হজ যাত্রীদের যাতে কোনো সমস্যা না হয় সে ব্যবস্থা করেছি। যখনি আমি হজে যাই আমাদের হজ যাত্রীদের খোঁজ-খবর নিই। সৌদি আরবের সরকারের সঙ্গে কথা বলে সেগুলো সমাধানও করি। এখন আর হজ যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয় না। ঢাকা বিমানবন্দরের আশকোনা হজ ক্যাম্পেই ইমিগ্রেশনসহ নানা কার্যক্রম শেষ করার সুযোগ রেখেছি। জেদ্দায় নেমে যাতে সমস্যায় না পড়ে সেখানেও হজ্জ অফিস করে দিয়েছি।’

ধর্ম মন্ত্রণালয় আয়োজিত মডেল মসজিদের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জঙ্গিবাদ থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে অভিভাবক ও আলেম সমাজের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

এ ছাড়া নারীর প্রতি সহিংসতা, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির আহ্বানও জানান তিনি। হজযাত্রীদের সেবা ও কল্যাণে বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও জানান শেখ হাসিনা।

মডেল মসজিদগুলোর স্থানঃ মডেল মসজিদগুলো ঢাকার সাভার উপজেলা, ফরিদপুরের মধুখালী ও সালথা উপজেলা, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও কুলিয়ারচর উপজেলা, মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা, রাজবাড়ী সদর উপজেলা, শরীয়তপুর সদর ও গোসাইরহাট উপজেলা, বগুড়ার সারিয়াকান্দি, শেরপুর ও কাহালু উপজেলা, নওগাঁর সাপাহার ও পোরশা উপজেলা, সিরাজগঞ্জ জেলা ও সদর উপজেলা, পাবনার চাটমোহর উপজেলা, রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও পবা উপজেলা, দিনাজপুরের খানসামা ও বিরল উপজেলা, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা, পঞ্চগড় সদর ও দেবীগঞ্জ উপজেলা, রংপুর জেলা, সদর উপজেলা, মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জ ও বদরগঞ্জ উপজেলা, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা, ময়মনসিংহের গফরগাঁও ও তারাকান্দা উপজেলা, চট্টগ্রাম জেলা, লোহাগড়া, মীরসরাইর ও সন্দ্বীপ উপজেলা, জামালপুর সদর ও ইসলামপুর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও বিজয়নগর উপজেলা, ভোলা সদর, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা, খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা, কুষ্টিয়া সদর, খুলনা জেলা, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা, ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা এবং চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় নির্মিত হয়েছে।

 

জনসম্মুখে থাপ্পড় খাওয়া নিয়ে যা বললেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সম্প্রতি জনসংযোগে গিয়ে এক ব্যক্তির হাতে থাপ্পড় খেয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ম্যাক্রোঁর থাপ্পড় খাওয়ার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুলোতে ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের উপর জুতা নিক্ষেপের পর এই প্রথম কোন প্রেসিডেন্টকে এমন পরিস্থিতির শিকার হতে হলো। ঘটনার পর থেকে এখনও আটককৃত হামলাকারীর পরিচয় প্রকাশ করেনি ফরাসি পুলিশ। এমনকি জানা যায়নি প্রেসিডেন্টকে চড় মারার কারণও।

https://youtu.be/OzYiLoeAbR0

তবে জনসম্মুখে থাপ্পড় খাওয়ার ঘটনার প্রতিক্রিয়া‍য় প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘গণতন্ত্রে ক্ষোভ প্রকাশের সুযোগ আছে, তবে নির্বুদ্ধিতার সাথে সহিংসতা যুক্ত হলে তাকে প্রশ্রয় দেওয়া যায় না। আমি বরাবরই সাধারণ মানুষের কাছাকাছি আসাটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। অনেক সময়ই তারা ক্ষোভ-হতাশা প্রকাশ করেন।’

তবে চলমান জনসংযোগ কর্মসূচিতে এ ঘটনা কোনো প্রভাব ফেলবে না বলেও দাবি করেন ম্যাক্রোঁ।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী জ্যঁ ক্যাসেক্স বলেন, দেশের প্রধানের ওপর হামলার অর্থ হল গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। গণতন্ত্রের অর্থ হল বিক্ষোভ, বিতর্ক, আর আলোচনার মাধ্যমে মতামত আদান-প্রদান। মতভেদ থাকতে পারে। সেটা জানানোর বৈধ উপায়ও আছে। কোনোভাবেই মৌখিকভাবে হেনস্তা বা শারীরিক আঘাত গ্রহণযোগ্য নয়।

দেশটির একটি বামপন্থী দলের আইনপ্রণেতা আদ্রিয়েন কোয়াটেনেন্স মনে করেন, যে হামলার শিকার হয়েছেন ম্যাকরন তা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে যে কোনো সমস্যা আলোচনা আর ব্যালটের মাধ্যমে সমাধান করতে হয়। সহিংসতার মাধ্যমে নয়।

প্রসঙ্গত, ড্রোম প্রদেশের ছোট শহরটির রেঁস্তোরা ব্যবসায়ী ও স্কুল পরিদর্শনের পর অপেক্ষমান সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময়ে এগিয়ে যান প্রেসিডেন্ট ম্যাকরন। হঠাৎই ঘটে অপ্রীতিকর ওই ঘটনা। দেহরক্ষীরা দ্রুত সামলে নিলেও এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে অনলাইনে। পুলিশ ওই নাগরিকসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে।

সুত্রঃ এনবিসি নিউজ।