নেত্রকোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে মানববন্ধন

মো.কামরুজ্জামান, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি : নেত্রকোনা সদর উপজেলার মোক্তারপাড়াস্থ প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবীতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ছাত্র শিক্ষক সহ সকল পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

“শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড, কেন তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে যথাযথ সুরক্ষা নিশ্চিত পূর্বক অবিলম্বে নেত্রকোনা সহ সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।

গতকাল সোমবার (৭জুন) বেলা সাড়ে ১২ টায় জেলা শহরের প্রেসক্লাব চত্বরে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার আয়োজনে এ মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার সভাপতি ওমর ফারুক, সহ-সভাপতি আমির হামজা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাকির মাহমুদ, কেন্দুয়া থানা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তাজুল ইসলাম, আটপাড়া থানা শাখার সভাপতি মোঃ মফিজ উদ্দিন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,  করোনা ইস্যুতে সবকিছু খোলা রয়েছে, শুধু বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। করোনার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। দীর্ঘদিন দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষায় নেমে এসেছে স্থবিরতা।
তাই যথাযথ সুরক্ষা নিশ্চিত করে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

 

ফুলবাড়ীতে আসামী ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুই পুলিশ আহত, আটক-৪

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীকে আটক করার সময় পুলিশকে মারপিট
করে আসামী ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় দুই পুলিশ আহত হয়েছেন। এ সময় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার টনকার মোড় এলাকায়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাত ৮টার দিকে দাসিয়ারছড়ার টনকার মোড় এলাকার আফছার আলীর ছেলে যৌতুক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মিন্টু মিয়া(৩৫)কে আটক করেন ফুলবাড়ী থানার একদল পুলিশ। মিন্টুকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে মিন্টুর স্বজনরা তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। এসময় পুলিশ সদস্যরা পরিচয় দিলেও তারা পুলিশের সাথে ধাক্কা ধাক্কি ও মারপিট করেন। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন । এ সময় কৌশলে পালিয়ে যায় আসামী মিন্টু। পরে ফুলবাড়ী থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামী ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত ৪জন কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

আটককৃতরা হলেন ওই এলাকার ওবায়দুল হকের ছেলে সেলিম মিয়া, মনির উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম, ছয়ফার রহমানের ছেলে মজিদুল ইসলাম ও আব্দুর রহিমের ছেলে হামিদুল ইসলাম।

ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) রাজীব কুমার রায় জানান, পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অপরাধে আটক ৪ জন সহ ২০জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৪০/৪৫ জনের নামে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদ্বয় ফুলবাড়ী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে। পলাতক মিন্টুকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

আট বছর আগের জাতিবিদ্বেষী মন্তব্যের জন্য ইংল্যান্ড ক্রিকেটার নিষিদ্ধ

স্পোর্টস ডেস্ক/S.H:

 

সময়টা ২০১২-২০১৩ সাল, মাত্র ১৮ বছর বয়সে জাতিবিদ্বেষী টুইট করেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক হওয়া ইংল্যান্ড ক্রিকেটার ওলি রবিনসন। মুসলিম মানেই সন্ত্রাস ও এশিয়ার মুসলিম নারী নিয়ে করা মন্তব্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে রবিনসনের বিরুদ্ধে। যদিও কিশোর জীবনের ভুলের জন্য ক্ষমা নিউজিল্যান্ড বনাম ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজেই চেয়ে নিয়েছেন রবিনসন।

লর্ডসের অভিষেকটা দারুণ ছিল ইংল্যান্ড পেসার ওলি রবিনসনের। বল হাতে দুই ইনিংসে সেরা বলার ছিলেন রবিনসন। শুধু বল হাতেই বাজিমাত করে বসে থাকেনি রবিনসন, দলের হয়ে সুযোগ পেয়ে ৪২ রান করে দলের বিপদে পাশে দাঁড়াতে বিন্দু মাত্র ভুল করেননি রবিনসন। তবে সবকিছুর পরেও সময় ভালো যাচ্ছে না রবিনসনের। সাময়িকভাবে দল থেকে নিষিদ্ধ হলেন রবিনসন। আট বছর আগের জাতিবিদ্বেষী টুইটের ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে রবিনসনের টেস্টে অভিষেকের পরেই। সমালোচনার ঝড় উঠলে ইংল্যান্ড ও ওয়েলশ ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) রবিনসনকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেন। যদি নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজের মাঝেই নিজের ভুলের জন্য সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন রবিনসন।

এদিকে রবিনসনের শাস্তির পরিমাণটা একটু বেশি হয়ে গেছে বলে মনে করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তার সাথে ব্রিটিশ ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সচিব অলিভার ডাউডেনও মনে করেন শাস্তিটা একটু বেশি হয়ে গেছে। তার মতে, “রবিনের মন্তব্য অবশ্যই খুবই বাজে ছিল। কিন্তু কিশোর বয়সের ভুলের জন্য এত বড় শাস্তি একটু বেশি হয়ে গেছে। ইসিবির বিষয়টি নিয়ে আরেকবার ভাবা উচিত।” জানা গেছে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা থাকতে হবে রবিনসনকে। গতকাল আরও একটি পুরোনো টুইটের খবর আসে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের কাছে। বর্তমানে ঐ ক্রিকেটারও খেলছে ইংল্যান্ডের হয়ে এবং সে ১৬ বছর বয়সে জাতিবিদ্বেষী টুইট করেছিলেন। টুইট করার সময় বয়স মাত্র ১৬ বছর হওয়া ঐ খেলোয়াড়ের নাম গোপন রাখা হয়েছে বলে জানান ইসিবি। বিষয়টি নিয়েও তদন্ত চলছে বলে জানান ইসিবি।

মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত কুলাউড়ার থানার অফিসার ইনচার্জ বিনয় ভূষণ রায়

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ গতকাল সোমবার (৭ জুন) জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার হতে গৃহিত ও অভিন্ন মানদণ্ডের আলোকে ভালো ও মানবিক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত করা হয়।
মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়ার থেকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা স্মারক পদক নিলেন কুলাউড়া থানার ওসি বিনয় ভূষণ রায়।
এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, আইশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক,মাদক, চোরাকারবারিসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে সফলতার উজ্জ্বল সমীপে সফলতা পাওয়ায় বিনয় ভূষণ রায়কে এ সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়।

কুড়িগ্রামে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের শংকা ক্রমেই বাড়ছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ-ভারতের সীমানায় কাঁটাতার না থাকার সুযোগে দু’রাষ্ট্রের নাগরিকগণ অবাধে চলাফেরা করায় কুড়িগ্রামে বাড়ছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের শংকা। করোনা মোকবেলায় জেলার সরকারি বিভাগগুলো একত্রে কাজ করছে বলে জানানো হলও সীমান্তে ঢিলেঢালা অবস্থা। এদিকে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সীমান্তবাসীর মধ্যে নেই কোন ভয়ডর।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের শিমুল তলা এলাকায় ১০২১সীমান্ত পিলার সংলগ্ন নেই কোন কাঁটাতার। কলসের আকৃতি মতোই এখানে ভারত-বাংলাদেশ আলাদা হয়েছে। এই সীমান্তে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ি জেলার গোপালগঞ্জ থানার ফাইসার কুটি গ্রাম এবং বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কেদার ইউনিয়নের ছোট খামার গ্রাম। দীর্ঘ প্রায় আড়াই থেকে তিন কিলোমিটার এলাকায় নেই কোন কাঁটাতার। ফলে ভারতের নাগরিকগণ প্রায় সময় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এসে হাট-বাজার করে থাকেন। এই দুই গ্রামের মানুষের গরু-ছাগলকে ঘাস খাওয়ানোসহ বিভিন্ন কাজে প্রতিবেশির মতোই চলাফেরা করে থাকেন। শুধুমাত্র এখানে পিলার দ্বারা দু’রাষ্টকে বোঝানো হয়েছে। এমন কাঁটাতার বিহীন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি গ্রামেও একই অবস্থা। এখানে ভারত-বাংলাদেশের ঘর দেখে বোঝার উপায় নেই কে কোন দেশের বাসিন্দার বসত। বিএসএফ পাহাড়া আর সীমান্ত পিলার দিয়েই দু’দেশকে ভাগ করা হয়েছে। এই এলাকায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার দীঘলটারী গ্রাম। এখানেও নেই কোন কাঁটাতার। কাঁটাতার বিহীন এই সীমান্তে এমন চিত্র দৃশ্য দেখা যায় যেখানে দু’টি পুকুরের মাঝের পার দিয়ে দেশ ভাগ হয়ে গেছে। তবে এসব এলাকায় বিজিবি- বিএসএফ’র চোখ ফাঁকি দিয়ে অবাদে চলাফেরা করে দু’রাষ্টের নাগরিকগণ। নেই কোন ভেদাভেদ।

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সূত্র তথ্য মতে, জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলার সাথে ভারতের তিনটি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে ২৭৮দশমিক ২৮কি.মি.। এরমধ্যে প্রায় ৩২কি.মি. সীমান্তে নেই কাঁটাতার। এছাড়াও নদী পথ রয়েছে ৩১৬কি.মি.। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ,আসাম রাজ্যের সীমানায় কুড়িগ্রাম-২২বিজিবি’র অধীনে ১৯৮কি.মি. সীমান্ত। জামালপুর-৩৫বিজিবি’র আওতায় সীমানা প্রায় সাড়ে ৪৬কি.মি. কাঁটাতার। আর ওপারে ভারতের আসাম ও মেঘালয় রাজ্য। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমানায় লালমনিরহাট-১৫বিজিবি’র অধীনে ৩৬কি.মি. সীমান্ত। এসব সীমন্তের বেশ কিছু পয়েন্ট দিয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গরু,মাদকসহ চোরাচালান এবং অবৈধভাবে অনুপ্রবেশরও ঘটনা ঘটছে। এছাড়াও কাঁটাতার বেষ্টিত ভারতের অভ্যন্তরে বাসিন্দাদের কৃষি কাজের জন্য বিএসএফ গেট খুলে দেয়ায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে এসে চাষাবাদ করছে সেখানকার কৃষকগণ। প্রায় সময় দু’রাষ্ট্রের সীমান্ত রক্ষীর চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা মেলামেশাও করে থাকে। এতে করে দেশের বৃহৎ সীমান্ত বেষ্টিত জেলায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার শংকা সাধারণ মানুষের মাঝে। সীমান্তবাসীর মাঝে করোনার আতংক থাকলেও অনেক জায়গার বাসিন্দার মধ্যে করোনার প্রভাবের বিষয়ে নেই কোন ভাবনা চিন্তা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে করোনা দুর্যোগের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় বেড়াতে এসে কাঁটাতার ঘেঁষে সেলফি তুলতে ভুল করছেনা।

ছোট খামার গ্রামের বাসিন্দা শমসের আলী বলেন,এখানে কোন কাঁটাতার নাই। কলসের মতো মুখ রয়েছে দু’রাষ্ট্রের সীমানা। দু’ পারে বাংলাদেশ আর মাঝখানে ভারত। প্রায় দু/তিন কিলোমিটার দূরে কাঁটাতার রয়েছে। এখানে আমারা দু’রাষ্ট্রের মানুষ হলেও প্রতিবেশির মতই বসবাস।

একই এলাকার রফিকুল ইসলাম বলেন,শুধুমাত্র পিলার দিয়েই ভারত-বাংলাদেশ বোঝানো হয়েছে। গরু-ছাগলকে ঘাস খাওয়াতে গেলে মাঝে মধ্যে তাদের গ্রামে যায় বাংলাদেশিরা। ওরাও আসে বাজার হাট করতে। তবে এখন কমে গেছে। তবে ভারতে যে ভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যাচ্ছে তাতে আমরা চিন্তিত। কখন যে কিভাবে আসে বলা মুসকিল।

বাঁশজানি গ্রামের বাসিন্দা শামিম বলেন,এই গ্রামে ঘরবাড়ি দেখে বোঝার উপায় নেই কোনটা ভারত-বাংলাদেশ। পুকুরের পার দিয়েও দু’দেশকে ভাগ করা হয়েছে। বিজিবি-বিএসএফ’র পাহাড়া দেখে আর পিলার দেখে বুঝতে হবে ভারত-বাংলাদেশ।

আজগর আলী বলেন,যেখানে কাঁটাতার দিয়েই গরু,মাদক পাচার হয় সেখানে কাঁটাতার না থাকলে কি হয় সবাই বুঝতে পারে। এসব জায়গা দিয়ে চোরাচালান,মাদক সবকিছুই আসে। বিএসএফ কাঁটাতারের গেট খুলে দিলে ওখানকার কৃষক এসে আবাদ করে। মাঝে মধ্যে গরু-ছাগল আসলে তারা অনায়সে এসে নিয়ে যায়। যাদের আত্নীয় -স্বজন রয়েছে তারা প্রায় সময় বেড়াতে আসে।

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা: হাবিবুর রহমান বলেন,সীমান্তবর্তি এবং বৃহৎ নদ-নদীময় জেলায় হওয়ায় এখানে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আশংকা রয়েছে বলে জানান তিনি। তবে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট কিংবা করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য বিভাগ,জেলা প্রশাসন,বিজিবি,পুলিশ প্রশাসন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। করোনার প্রভাব শুরুর পর থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত জেলায় আক্রান্ত হয়েছে ১২১৪জন। আর মৃত্যু হয়েছে ২৩জনের। করোনার সংক্রমণ রোধে টিকা দেয়া হয়েছে ১ম দফায় ৪৬হাজার ১২৮ ডোজ। এবং ২য় দফায় টিকা দেয়া হয়েছে ২৯ মে পর্যন্ত ৩৩হাজার ৪৬৩ ডোজ। এছাড়াও জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশন বেড-৫০টি এবং উপজেলায় পর্যায় আরো ৫০টি বেড প্রস্তুত রয়েছে।

কুড়িগ্রাম-২২ ব্যাটালিয়ন(বিজিবি)-র অধিনায়ক লেফটেনেন্টে কর্ণেল মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন,ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট কিংবা করোনা প্রভাব বিস্তারসহ চোরাচালান এবং অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি টহল জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও সীমান্ত এলাকায় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে বিজিবি।

 

কুষ্টিয়ায় বিয়ে বাড়িতে মাংস খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৭

কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার জামালপুর গ্রামে বিয়েবাড়িতে বরপক্ষের অতিরিক্ত মাংস নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ভাঙচুর করা হয় বিয়ের প্যান্ডেলসহ আসবাবপত্র।

গতকাল সোমবার (৭ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, প্রায় দেড় মাস আগে জামালপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে চুমকির সঙ্গে গাংনী উপজেলার শহিদুলের ছেলে জনির বিয়ে হয়। সোমবার ছেলের পক্ষের লোকজন মেয়ের বাড়িতে আসে তাকে নিয়ে যেতে। দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার ফাঁকে অতিরিক্ত মাংস নষ্ট করার দায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় অন্তত ৭ জন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় বরের গাড়িতে করে নিয়ে তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান বলেন, দুপুরবেলায় গোলামের বাড়িতে বর ও কনেপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি ভালো।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আসলাম হোসেন বলেন, গোলাম মোস্তফার বাড়ির অনুষ্ঠানে আমারও দাওয়াত ছিল। যখন ঘটনা ঘটে, তখন আমি খাচ্ছিলাম। তবে কনেপক্ষের খাবারের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আমি কনেপক্ষের নির্ধারিত জায়গায় খাচ্ছিলাম। এমন সময় বরপক্ষের লোকজন অতিরিক্ত মাংস নষ্ট করছিল। এ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন।

দৌলতপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানোর পর এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

ফ্লোরিডায় বন্দুক সহিংসতায় নারীসহ নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলমান বন্দুক সহিংসতার ঘটনায় ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মিয়ামি শহরে অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন। এছাড়া, গোলাগুলির এ ঘটনায় অন্তত ৬ জন আহত হন।

মিয়ামি পুলিশ জানিয়েছে, প্রাণঘাতী এই সংঘর্ষ স্থানীয় সময় গতকাল রাত ২টার দিকে শুরু হয়। একটি গ্রাজুয়েশন পার্টি  চলাকালীন সেখানে ওই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা সন্দেহভাজন দুটি গাড়ির ভেতর থেকে গুলি চালায়। এসময় একটি গাড়ি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পাশের দেয়ালে ধাক্কা খায় এবং গাড়ির ভিতরে অস্ত্রসহ দুজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

প্রসঙ্গত,  দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মিয়ামি শহরে পরপর দুটি বন্দুক সহিংসতার ঘটনা ঘটলো। আগের সপ্তাহে ঠিক একই ধরনের ঘটনা ঘটে এবং তাতে ২ জন নিহত ও ২১ জন আহত হয়েছেন।

এছাড়া, গতকাল লুইজিয়ানা শহরেও বন্দুক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে যাতে অন্তত ৭ জন নাগরিক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। ওই নারীর মুখে গুলি লেগেছে বলে জানা গেছে।

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর / মোস্তাফিজুর রহমান

আজ ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আ.লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

ডেস্ক রিপোর্টঃ আজ ৭ই জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ৭ জুন এক অবিস্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৬৬ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। আজকের এই দিনে সেই সময় আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গী, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে তৎকালীন পুলিশ ও ইপিআর’র গুলিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন বাঙালি শহীদ হন। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আপোষহীন সংগ্রামের ধারায় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় পরাধীন বাঙালি জাতি।

পাকিস্তানি শাসন-শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে স্বৈরাচার আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে ডাকা এক জাতীয় সম্মেলনে পূর্ব বাংলার জনগণের পক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন।

পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ফিরে ছয় দফার পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারাভিযান শুরু করেন এবং বাংলার আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে জনগণের সামনে ছয় দফার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বাংলার সর্বস্তরের জনগণ এই ৬-দফা সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জন করে এবং ছয় দফার প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন জানায়।

ছয় দফার মূল বক্তব্য ছিল, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সকল ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ববাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দুটি পৃথক ও সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর, শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে এবং পূর্ববাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপন।

বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ছয় দফা দাবির মুখে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান বিচলিত হয়ে পড়েন। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, ছয় দফা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে অস্ত্রের ভাষায় উত্তর দেওয়া হবে।

এ দিকে ছয় দফা কর্মসূচি জনগণের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সমগ্র পূর্ববাংলা সফর করেন এবং ছয় দফাকে বাঙালির বাঁচার দাবি হিসেবে অভিহিত করেন। ফলে শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। যশোর, ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ অন্যান্য কয়েকটি স্থানে ছয় দফার পক্ষে প্রচারকালে বঙ্গবন্ধু গ্রেপ্তার হন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলন ১৯৬৬ সালের ৭ জুন নতুন মাত্রা পায়। বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ছয় দফার প্রতি বাঙালির অকুণ্ঠ সমর্থনে রচিত হয় স্বাধীনতার রূপরেখা। ছয় দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অঙ্কুরিত হয় স্বাধীনতার স্বপ্নবীজ। বঙ্গবন্ধুর দেয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণেও ছয় দফার প্রতিটি দফার পর্যালোচনা ছিল। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে যুদ্ধ পরিচালনা এবং দেশের অভ্যন্তরে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয় ৬ দফার ভিত্তিতে। স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ছয় দফার ভূমিকা অপরিসীম।

ছয় দফা দিবস উপল‌ক্ষে রাষ্ট্রপ‌তি মো. আবদুল হা‌মিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা পৃথক বাণী দি‌য়ে‌ছেন। প্রতিবছর বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসলেও মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতিতে এবার জনসমাগম এড়িয়ে সীমিত পরিসরে দিবসটি পালন করেছে আওয়ামী লীগ।

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। আজ সোমবার দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাহজাহান খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

এছাড়া, গতকাল বঙ্গবন্ধুর চার খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব ও পদক বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। যে চারজনের খেতাব ও পদক বাতিল হয়েছে তারা হলেন, শরিফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন।

 

ফেইসবুকে ট্রাম্প ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইসবুক। চলতি বছরের গোড়ার দিকে মার্কিন বিক্ষোভকারীরা ক্যাপিটল হিলে যে হামলা চালিয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশংসা করায় ফেইসবুক তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিল।

ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রাম্পের ওই বক্তব্য শান্তি-শৃঙ্খলার চরম পরিপন্থী ছিল। আর তাই প্রতিষ্ঠান পর্যবেক্ষণকারী বোর্ড ডোনাল্ড ট্রাম্পের কার্যক্রম পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করে তাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রসঙ্গত,  জানুয়ারি মাসের ৬ তারিখে উগ্রবাদী সর্মথকরা মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটল হিলে হামলা চালায় এবং সে ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত ৫ জন নিহত হয়। ওই ঘটনার পর ট্রাম্প এর প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে পোস্ট দেন। সে সময় টুইটার এবং ইউটিউব ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছিলো। তারা বলেছিল, রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সহিংসতার পক্ষে উস্কানি দিয়েছেন এবং তিনি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করে আবারো একই কাজ করতে পারেন।

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর / মোস্তাফিজুর রহমান

শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান দায়িত্ব নিলেন “প্রেম সাগর হাজরা”

তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যানের মৃত্যু জনিত কারণে আসনটি শূন্য হয়ে যায়। গত (২১মে) বাবু রনধীর কুমার দেব অসুস্থ জনিত কারনে মৃত্যু বরন করেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব নিলেন প্রেম সাগর হাজরা।
শ্রীমঙ্গল উপজেলার চেয়ারম্যান রণধীর কুমার দেব মৃত্যুবরণে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্যানেল চেয়ারম্যান-১ কে শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এর আর্থিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
গতকাল ৬ জুন রবিবার সিনিয়র সহকারী সচিব মমতাজ বেগম’এর সাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে সকল রকম আইনি দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
এর আগে উপজেলা চেয়ারম্যান রণধীর কুমার দেব চিকিৎসার জন্য বিদেশ(ভারত)গেলে বিগত ৩০শে অক্টোবর ২০২০ইং থেকে ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ইং পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ভাইস-চেয়ারম্যন প্রেম সাগর হাজরা। আগামী নির্বাচনী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত পূর্নাঙ্গ দায়িত্বভার প্রেম সাগর হাজরা পালন করবেন বলে চিঠিতে নির্দেশনা দেয়া হয়।