নওগাঁ জেলা ট্রাক ট্যাংকলড়ী ও কাভার্ডভ্যান পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন : ৭২ ঘন্টার আলটিমেটাম

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁ জেলা ট্রাক ট্যাংকলড়ী ও কাভার্ডভ্যান পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ২৬৫০ এর সাপাহার উপজেলার শ্রম কল্যান উপ-কমিটির ৩ সদস্যকে প্রতিপক্ষ সংগঠনের সদস্যরা মারপিট করার অভিযোগে ২৬৫০ সংগঠনের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ অভিযোগ করেছেন।

গতকাল বুধবার দুপুরে নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত ২৬৫০ এর সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নওগাঁ জেলা ট্রাক, ট্যাংলড়ী, কাভার্ডভ্যান পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ২৬৫০ এর সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১লা মে শ্রমিক ইউনিয়ন ২৬৫০ সংগঠনের সাপাহার উপজেলার শ্রম কল্যান উপ-কমিটির ৩ সদস্যকে পরিবহন মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন ২৩৮ ও তাদের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা জেলা ট্রাক ট্যাংকলড়ী ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন ২৬৫৮ সংগঠনের সদস্যরা তাদের অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বেদমভাবে মারপিট করে। এনিয়ে উভয় সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে।

অবশেষে বিষয়টি সাপাহার থানায় অবহিত করলে থানা কর্তৃপক্ষ গত ১৮ মে বেলা ১১টায় সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে এক জরুরী বৈঠকের আহবান করেন। সভা দীর্ঘ হওয়ায় সন্ধ্যা ৭টায় পুনরায় বসার আহবান জানিয়ে বিরতি ঘোষনা করেন থানার ওসি। এ সময় ২৬৫০ এর সদস্যরা দুপুরের খাবার জন্য শ্রমিক নেতা মহরম আলীর বাসায় যাওয়ার পথে সাপাহার ডাক বাংলোর সামনে ২৬৫৮ ও ২৩৮ এর সদস্যরা সংঘবদ্ধভাবে তাদের উপর হামলা চালায়। এ সময় তারা লোহার রড, লাঠিসোটা, তীর ধনুক, হাসুয়া, চাকু ইত্যাদি নিয়ে হামলা চালায়। এতে ১০/১১জন শ্রমিক মারাত্মক আহত হয়। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় ২৬৫০ এর সাপাহার উপজেলা শ্রম কল্যান উপ-কমিটির নেতা আবুল হোসেন বাদী হয়ে ৩৪জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১২০/১৩০জন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, তাকেও বেদমভাবে মারপিট করা হয়েছে। ওই সংগঠনের কোন বৈধ কাগজপত্র নাই। গায়ের জোড়ে তারা সব সময় এসব অপকর্ম ও আমাদের সদস্যদের হরহামেশায় মারপিট করে থাকে। তারা সংবাদ সম্মেলনে ১লা মে এবং ১৮ মে তারিখের হামলা ও মারপিটের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ন্যায়বিচার এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান। অবিলম্বে দাবী মেনে নেয়ার জন্য ৭২ ঘন্টার আলটিমেটাম দেয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে দাবী মানা না হলে পরবর্তীতে সারাদেশের সাথে পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখা হবে বলে উল্লেখ করা হয়।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের সভাপতি রওশন জালাল, সহ-সভাপতি মিলন হোসেন, দপ্তর সম্পাদক সবুজ হোসেন, অর্থ সম্পাদক জাবেদ হাজী, সাপাহার উপজেলার শ্রম কল্যান উপ-কমিটির সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন ও নওগাঁ জেলার সকল উপজেলার শ্রম কল্যান উপ-কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

বস্তা বন্দি নারীর হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন, আসামী আটক

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে অজ্ঞাত নারীর বস্তা বন্দি লাশের হত্যাকান্ড রহস্য উদ্ঘাটন করেছে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ।

গত (১৮ মে) সকাল অনুমানিক ০৯.২০ ঘটিকার সময়  শ্রীমঙ্গল থানাধীন ৪নং সিন্দুরখান ইউপি অন্তর্গত পশ্চিম বেলতলী সাকিনস্থ উদনার ছড়া ব্রিজের নিচে কে বা কারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে বস্তা বন্দি অবস্থায় অজ্ঞাতনামা মহিলার লাশ ফেলে যায়।

এসআই মোহাম্মদ আসাদুর রহমান বাদী হয়ে উক্ত বিষয়ে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মোঃ হুমায়ূন কবির মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন। মামলা দায়ের এর মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া এর নির্দেশে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আশরাফুজ্জামান শ্রীমঙ্গল নেতৃত্বে এবং অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুছ ছালেক ও অন্যান্য পুলিশ অফিসারদের সহায়তায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ হুমায়ূন কবির উক্ত হত্যাকান্ডে জড়ির মূল আসামী মোঃ মসুদ মিয়া (৬২), পিতা-মৃত এখলাছ মিয়া, মাতা-জমিলা বিবি, সাং-রামনগর (জোরাপুল), এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন এবং গ্রেফতারকৃত আসামীর নিকট হতে মৃত ডলি আক্তার (২৮) এর বাবার বাড়ির নাম-ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ পূর্বক ওয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছবি সংগ্রহ করে আসামীর সঠিক পরিচয় সনাক্তকরণ করা হয়।

প্রাথমিকভাবে গ্রেফতারকৃত আসামী ঘটনার বিষয়ে দায় স্বীকার না করলেও পরবর্তীতে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে ফলে মৃত ডলি আক্তার (২৮) গ্রেফতারকৃত আসামীর ৪র্থ স্ত্রী বলে স্বীকার করে এবং পারিবারিক কলহের জের ধরে তাকে হত্যা করে লাশ বস্তা বন্দি অবস্থায় শ্রীমঙ্গল থানাধীন পশ্চিম বেলতলী গ্রামের উদনাছড়া ব্রিজের নিচে ফেলে দেয়ার কথা স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে  মৌলভীবাজার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ আব্দুস ছালিক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে এর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

 

ফ্রেঞ্চ কাপ শিরোপা ঘরে তুললো পিএসজি

স্পোর্টস ডেস্ক /S.H:

ফ্রেঞ্চ কাপ চ্যাম্পিোয়নশিপে মোন্যাকোকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন শিরোপা জিতে নিলো প্যারিসিয়ানরা।

সময়টা যদিও বেশি ভালো যাচ্ছিলো না পিএসজির। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে ছিটকে পড়ে পিএসজি তার সাথে ঘরোয়া লিগেও ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেনি দলটি। তার সাথে যোগ হয়েছিল ফ্রেঞ্চ কাপ চ্যাম্পিোয়নশিপে নেইমারের নিষেধাজ্ঞা। তবে পিএসজি সাপোর্টারদের হতাশ হতে হয়নি, দুর্দান্ত দুটি গোলে টুর্নামেন্টের ১৪ তম শিরোপা জিতল পিএসজি। ইকার্দি ও এমবাপ্পে দুজনেই দলের হয়ে দুটি গোল করেছেন। ব্রাজিলিয়ান তারকাকে ছাড়া ফাইনাল জিতা নিয়ে ভাবনায় ছিল অনেকেই তবে এমবাপ্পির দক্ষতা কাছে খুব বেশি টিকে থাকলো না সেই দুশ্চিন্তা। নৈপুণ্যের সাথে মোনাকোকে হারিয়ে বুধবার ঘরে কাপ তুললেন প্যারিসিয়ানরা। খেলার ১৯ মিনিটে এমবাপ্পি বল বানিয়ে দেয় আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ড মাউরো ইকার্দিকে। এই গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। শিরোপা জিতের লড়াইয়ে মোন্যাকো বারবার আক্রমণ করেছে কিন্তু গোলরক্ষক কেইলর নাভাসের কাছে হার মানতে হয়েছে তাদেরকে। এমবাপ্পে দারুণ এক গোল বারে লেগে ফিরে আাসে ৮০ মিনিটে। তবে পরের মিনিটে সেই দুঃখ ভুলে গোল করেন এমবাপ্পে। এইটি এই মৌসুমে তার ৪৭ তম গোল।

মাদক দ্রব্য উদ্ধার সানী-মৌসুমীর ছেলের রেস্তোরাঁয়

বিনোদন ডেস্ক/S.H:

বাংলাদেশের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ওমর সানী-মৌসুমী পুত্র ফারদিন এহসানের রেস্তোরাঁ থেকে মাদক দ্রব্য উদ্ধার।

ঢালিউডে অন্যতম জনপ্রিয় জুটি সানী-মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীন রাজধানীর ১ ও ২ নম্বর সেকশনের মাঝামাঝিতে “মন্টানা লাউঞ্জ” নামে ৭-৮ মাস ধরে একটি রেস্তোরাঁ চালাছেন। ফারদিন ছাড়াও আরও দুইজন মালিক রয়েছে এই রেস্তোরাঁয়। এই রেস্তোরাঁ মূলত খাবারের কিন্তু তার পাশাপাশি শিশার বিজনেস করে বলে জানা গেছে। গত মঙ্গলবার গুলশান থানার ওসি ফারদিনের রেস্তোরাঁয় অভিযান চালান। অভিযানে তারা সম্পূর্ন নতুন দুই প্যাকেট শিশা সহ আরও কিছু খোলা শিশা আটক করে। এই ঘটনায় আটক করা হয় ছয় জনকে। ফারদিনের বাবা জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানী এ বিষয়ে তার ক্ষোপ প্রকাশ করেন। তিনি দাবি করেন শিশা বার চালানো অবৈধ বলে তার জানা নেই। তার মতে অনেক নাম করা লাউঞ্জ আছে যারা ছয়-সাত বছর ধরে শিশা ব্যবসা করে আসছে এছাড়াও পুরো বাংলাদেশে ২-৩ শ লাউঞ্জ রয়েছে বলে তার দাবি। তিনি আরও বলেন যদি পুরো বাংলাদেশের শিশার বিজনেস বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে তিনি অভিযোগ মেনে নিবেন। কিন্তু পার্টিকুলারলি কেউ যদি তাকে টার্গেট করে তাহলে রাষ্ট্রের কাছে বিচার দাবি করেন। এই ব্যাপারে গুলশান থানার ওসি বলেন, শিশা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিষিদ্ধ তাই প্রাথমিক যাচাইয়ের পর এ বিষয়ে তারা তাদের পদক্ষেপ নিবে জানান।

ডিজিটাল মুদ্রার ভবিষ্যৎ

সিএনবিডি ডেস্কঃ ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা বিশ্বজুড়ে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আর্থিক লেনদেনে মানুষের চিন্তাধারাকে আমূল বদলে দিচ্ছে সময়োপযোগী এই প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন। বর্তমানে বিটকয়েন, এথেরিয়াম, রিপল, লাইটকয়েনসহ হাজারো ক্রিপ্টোকারেন্সি ভার্চুয়াল দুনিয়া চষে বেড়াচ্ছে। এতে জুয়া, হুন্ডি, চোরাচালান, সাইবার চাঁদাবাজিসহ অবৈধ লেনদেন উৎসাহিত হচ্ছে, যা চিন্তায় ফেলেছে বিশ্বের নীতিনির্ধারকদের। শুধু বিটকয়েন নয়, গত এক দশকে বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের উদ্ভব হয়েছে। আর্থিক বাজারে এরাও এখন বড় খেলোয়াড়। এই ই-ওয়ালেট এবং পেমেন্ট অ্যাপের গ্রাহকসংখ্যা এখন ৩০০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।

আর তাই বিটকয়েন ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মোকাবেলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো হাঁটছে বৈধ ডিজিটাল মুদ্রার পথে। এসব মুদ্রার ব্যবহার এবং প্রভাব নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে ব্যাংকগুলো।বিশ্বের ৫০টি মুদ্রানীতি প্রণয়নকারী সংস্থা এখন ডিজিটাল মুদ্রা প্রবর্তনের চিন্তা করছে। চীনের ২৮ শহরে পরীক্ষামূলক ব্যবহার হচ্ছে এই মুদ্রা।ডিজিটাল এ মুদ্রার নাম দেয়া হয়েছে ‘ই-সিএনওয়াই’। গত বছর বাহামা দ্বীপপুঞ্জ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিজিটাল মুদ্রা ‘সেন্ড ডলার’ চালু করে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২৫ সালের মধ্যে ভার্চ্যুয়াল ইউরো নিয়ে আসতে চাচ্ছে। ব্রিটেন এরই মধ্যে টাস্কফোর্স গঠন করেছে। আর বিশ্বের আর্থিক ব্যবস্থার শিরোমণি যুক্তরাষ্ট্র হাইপোথেটিক্যাল ই-ডলার ছেড়েছে।ফলে ডিজিটাল মুদ্রার যুগে গ্রাহককে বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে হিসাব খুলতে হবে না, বরং তখন মানুষ সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন করবে। মাঝখানে থাকবে আলি পে বা ভেনমোর মতো কোন অ্যাপ। চেক লেখা বা অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে পেমেন্ট করার বদলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরবরাহ করা ডিজিটাল মুদ্রায় সরাসরি লেনদেন হবে তখন।

প্রসঙ্গত, ডিজিটাল মুদ্রা হচ্ছে সেসব মুদ্রা, যা শুধু ভার্চুয়াল জগতে লেনদেন হয়। বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্ব নেই। বিনিময়ের সব তথ্য গোপন থাকে, বেশির ভাগ সময়েই থাকে অজ্ঞাত। এ ধরনের ডিজিটাল মুদ্রাকে বলা হয় ক্রিপ্টোকারেন্সি। ২০০৯ সালে বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে বিটকয়েনের সূচনা ঘটে।বিটকয়েন এমন এক ধরণের মুদ্রা, যেটাকে কেবল অনলাইনে ডিজিটালি কেনা এবং বেচা যেতে পারে। আর বর্তমান প্রচলিত মুদ্রার যে অনলাইন লেনদেন হয় তার সঙ্গে এই ডিজিটাল মুদ্রার একটি পার্থক্য রয়েছে। যেমন বর্তমানে আমেরিকায় অনলাইনে কেনাকাটা হলেও বিল করা হয় ডলারে, কিন্তু ডিজিটাল মুদ্রার ক্ষেত্রে ডলার নয় বরং মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করে বিক্রেতার কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ডিজিটাল মুদ্রা। বর্তমানে ভেনমো, পেপল বা অ্যাপল পের মতো যেসব পেমেন্ট অ্যাপ ব্যবহার করে মানুষ অর্থ পরিশোধ করে তার চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়।

এদিকে, মুদ্রার ইলেকট্রনিক রূপ এরই মধ্যে বিশ্বের অনেক দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। যেমন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্রে ডলারের বাহ্যিক ব্যবহার মোট অর্থ সরবরাহের মাত্র এক-দশমাংশ। বাকি লেনদেন অনলাইনে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখন নিজেদের মুদ্রা তৈরি ও তার প্রভাব নিয়ে গবেষণা করছে। ওইসকল ডিজিটাল মুদ্রাকে বলা হচ্ছে সেন্ট্রাল ব্যাংক ডিজিটাল কারেন্সি বা সিবিডিসি। সেন্ট্রাল ব্যাংক ডিজিটাল কারেন্সি (সিবিডিসি) হচ্ছে এমন একটি মুদ্রা, যেটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো অনুমোদন দেবে এবং লেনদেন তারা তত্ত্বাবধান করবে।

ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ৮০ শতাংশই এই সিবিডিসি প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, জাপান অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আর বোঝাই যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে ডিজিটাল মুদ্রাই ব্যাংকিং জগতের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে।

এছাড়া, ডিজিটাল মুদ্রার কল্যাণে আর্থিক খাতের উন্নয়ন হতে পারে। আদর্শিকভাবে মূল্য সংরক্ষণের খুবই নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হচ্ছে অর্থ, তাতে যেমন হিসাব রাখা সুবিধা, তেমনি পেমেন্টের সুবিধাজনক মাধ্যম। টাকার ব্যাপারে মানুষের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। ব্যাপারটা হলো, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের বিমা না থাকলে ব্যাংক পড়ে গেলে মানুষের টাকাও হারিয়ে যাবে। বিটকয়েন সবখানে গৃহীত হয় না। আর ক্রেডিট কার্ড তো হাতি পালার মতো ব্যাপার। সে কারণে সরকারি ডিজিটাল মুদ্রা হালে পানি পাবে, এমন সম্ভাবনাই বেশি। তবে ডিজিটাল মুদ্রার অনেক সুবিধা থাকলেও অনিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল জগৎ জালিয়াতির স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠতে পারে, যার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। সুত্রঃ দ্য ইকোনমিস্ট।

 

রাজীবপুরে পরকীয়ার জেরে বদরপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপারকে গণধোলাই

সাকিব আল হাসান, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রাজিবপুরের বদরপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার সাকোয়াত হোসাইনকে পরকীয়ার জেরে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী।

গত রবিবার (১৬ মে) পরকীয়া করতে গিয়ে গ্রামবাসীর হাতে আটক হয় সাকোয়াত হোসাইন। আটকের পর গ্রামবাসী তাকে গাছের সাথে বেঁধে মারপিট করে মাথার চুল ন্যাড়া করে দেন। স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জোদ্দার এবং অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য আঃ রশিদ এর জিম্মায় তাকে ছেঁড়ে দেয়া হয়।

বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে, চর সাজাই মাষ্টার পাড়া গ্রামের হাকিম ব্যাপারীর মেয়ে, একই এলাকার বেলাল হোসেনের স্ত্রী এক ছেলে সন্তানের জননী বদরপুর দাখিল মাদ্রাসার সাবেক ছাত্রী এর বাড়ীতে মাঝে মধ্যেই যাওয়া-আসা ছিল ওই সুপারের। স্বামীর অনুপস্থিত থাকার পরও ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই ছাত্রীর ঘরে মানুষের আনা-গোনা শুনে ওই যুবকরা তাকে ডেকে বের করে এবং ঘরে ওই সুপারকে হাতে-নাতে ধরে ফেলে। সুপারের জবানবন্ধী অনুযায়ী তারা আরও জানায়, কুড়িগ্রাম থেকে ফেরার পথে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ওই সুপার ঘরে প্রবেশ করেছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বদরপুর দাখিল মাদ্রসার একজন শিক্ষক জানান, “আমাদের মাদ্রসার সহকারী শিক্ষক সামছুল হকের সাথে ওই মহিলার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। সামছুল হক ও ওই মহিলার অনৈতিক সম্পর্কের একটি ভিডিও ছিল সামছুল হকের মেমোরীর মধ্যে, যা বিচারের বৈঠকে ভিডিও নষ্ট করার কথা বলে সুপার নিয়েছিল। ওই অনৈতিক ভিডিওকে পুঁজি করে সুপার দিনার সাথে সম্পর্ক গড়ে কয়েকমাস যাবৎ যাতাযাত করতো তার বাড়ীতে।

এ সম্পর্কে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার সাকোয়াত হোসাইনের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, “তালাক নামার কাজে ডেকে নিয়ে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।” বিষয়টি নিয়ে কথা হয় অত্র মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্বাস আলীর সাথে। তিনি সাংবাদিককে জানান, “ওটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমার কাছে কোন অভিযোগ আসে নাই। অভিযোগ পাইলে, ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে কোদালকাটি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জোদ্দার জানান, “খবর পেয়ে আমি এবং রশিদ আর্মি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি গ্রামবাসী সাকোয়াত সুপারকে গাছের সাথে বেঁধে রেখেছে, তাকে মারপিট করা হয়েছে। চিকিৎসার জন্য তাকে উদ্ধার করে তার সাথে থাকা একটি মোবাইল সেট, একটি ব্যাগ, ব্যাগে থাকা কাগজপত্র, পাজামা ও জুতা আমাদের জিম্মায় রেখে পরবর্তীতে সুষ্ঠ সুরাহা করার আশ্বাস দিয়ে তাকে ছেড়ে দেই।”

 

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের হেনস্থার প্রতিবাদে ডোমারে মানববন্ধন

বাবলু বড়ুয়া, নিজেস্ব প্রতিনিধি নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থার প্রতিবাদ, তার মুক্তি ও দূর্নীতিবাজদের বিচারের দাবীতে মাননবন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১ টা হতে ডোমার বাজার রেলগেট মোড়ে সকল সাংবাদিকবৃন্দের ব্যানারে ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধন করা হয়েছে।
ইত্তেফাক প্রতিনিধি মো. মোজাফ্ফর আলীর সভাপতিত্বে সমকাল প্রতিনিধি রওশন রশীদ, যায়যায়দিন প্রতিনিধি জুলফিকার আলী ভুট্টো, যুগের আলো প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান হিল্লোল, যুগান্তর প্রতিনিধি আবু ফাত্তাহ কামাল পাখী, চ্যানেল২৪ প্রতিনিধি রায়হান সবুক্তগীন অনিকেত, মানবজমিন প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন সোহাগ, খবরপত্র প্রতিনিধি আনিছুর রহমান মানিক, বাংলাদেশ বুলেটিন ও ডেইলি বাংলাদেশ প্রতিনিধি রতন কুমার রায়, বাংলাদেশ সমাচার ও জবস টেলিভিশন প্রতিনিধি রিমন চৌধুরী, এমকে টেলিভিশন প্রতিনিধি সাহিনুর রহমান,ভোরের কাগজ প্রতিনিধি জাবেদুল ইসলাম সানবীম,বাংলাদেশের আলো প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন, সাংবাদিক এ আই পলাশ, জুয়েল বসুনিয়া ও এমদাদুল হক মাসুম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধনটি সঞ্চলনা করেন দীপ্ত টিভির প্রতিনিধি ইয়াছিন মোহাম্মদ সিথুন।
বক্তরা বলেন, স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভিন্ন দূর্নীতির সংবাদ পরিবেশন করায় প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা করে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। দ্রুত রোজিনা ইসলামকে মুক্তি না দিলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে বক্তরা হুশিয়ারী দেন।

রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবিতে মুরাদনগর প্রেসক্লাবের মানববন্ধন

মোঃ খোরশেদ আলম,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে আটকে রেখে নির্যাতন ও হেনস্তায় জড়িতদের বিরূদ্ধে শাস্তিমূলক বিচারের ব্যবস্থার দাবি ও অবিলম্বে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (১৯ মে) সকাল ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে মুরাদনগর-কোম্পানীগঞ্জ সড়কে মানববন্ধনের আয়োজন করে মুরাদনগর প্রেসক্লাব।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এই উন্নয়নকাজকে বাঁধাগ্রস্ত করতে প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করছে। তাদের দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকান্ড লুকাতে আমাদের সহকর্মী রোজিনা ইসলামকে নির্যাতন করেছে। সচিবালয়ে যারা আমাদের সহকর্মীর ওপর নির্যাতন করেছে, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গোপন নথি চুরির যে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানায়। অন্যথায় মুরাদনগর উপজেলার সকল সাংবাদিকসহ সারাদেশের সাংবাদিকদের নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলার হুশিয়ারি প্রধান করে বক্তারা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি বেলাল উদ্দিন আহাম্মেদ, মোহনা টিভির প্রতিনিধি তৌহিদুর রহমান, দৈনিক যায়যায় দিনের প্রতিনিধি জালাল আহাম্মেদ, দৈনিক সরেজমিন বার্তার কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধি কে.এম শারফিন, দৈনিক ইত্তেফাকের সংবাদদাতা মোশাররফ হোসেন মনির, দৈনিক সংগ্রামের প্রতিনিধি আবু ইউছুফ, দৈনিক যুগান্তরের প্রতিনিধি সুমন সরকার প্রমুখ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক মাতৃভূমির খবরের স্টাফ রিপোর্টার মনির হোসেন, দৈনিক সকালের সময়ের কুমিল্লা প্রতিনিধি রায়হান চৌধুরী, দৈনিক মাতৃভূমির খবরের কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলী, আর টিভির ক‍্যামেরা পারসন সুমন আহাম্মদ, দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ ও এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি রাহাত হোসেন, দৈনিক গনকন্ঠের প্রতিনিধি শাখাওয়াত তুহিন, চ্যানেল এসের কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি আবুল বাশার, দৈনিক গনজাগরনের প্রতিনিধি খোরশেদ আলম, দৈনিক মুক্ত খবর, প্রতিনিধি এম শামীম, দৈনিক দিন প্রতিদিনের মাঈনউদ্দিন সরকার, দৈনিক সংবাদ চলমানের প্রতিনিধি শামীম, দৈনিক সন্ধ্যা বানীর প্রতিনিধি আবুল কালাম মজুমদার, দৈনিক সংবাদ দিগন্তের প্রতিনিধি আতিকুর রহমান, দৈনিক কুমিল্লা পত্রের প্রতিনিধি শাহীন মোল্লা, দৈনিক মাতৃভূমির খবরের প্রতিনিধি আরমান, সময় নিউজ টোয়েন্টি ফোর ডটকমের প্রতিনিধি মোঃ ইউনুস, দুলাল আহম্মেদ বিজয়, দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি অনিক হাছানসহ উপজেলার সকল প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি ও সর্বসাধারণ মানববন্ধনে অংশগ্রহন করেন।

কালীগঞ্জে ডিবির অভিযানে দুই মাদক সম্রাট গ্রেফতার

ঈশাত জামান মুন্না, লালমনিরহাট প্রতিনিধি : জেলা পুলিশ সুপার এর বিশেষ নির্দেশে মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

গতকাল ১৮ মে মঙ্গলবার বিকেল ৪ ঘটিকার সময় জেলার মাদকের আলোচিত স্পট কালীগঞ্জের গোড়ল ইউনিয়নের সরকার পাড়ায় অভিযান চালিয়ে আলোচিত দুই মাদক সম্রাটকে দুইশত (২০০) পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মাদক সম্রাট খায়রুজ্জামান ভুট্রু দীর্ঘদিন যাবত এলাকায় মাদকের ব্যবসা করে আসছেন বলে জানা গেছে। মাদক সম্রাট ভুট্রুর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা আদালতে চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন উক্ত অভিযানে নেতৃত্বদানকারী অফিসার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ পরিদর্শক আব্দুস সবুর মিয়া।

মাদক সম্রাট ভুট্রুর গ্রেফতার এর বিষয় নিশ্চিত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওমর ফারুক বলেন,গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আলোচিত দুই মাদক সম্রাট কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মাঠে ফিরলো সাকিব ও মুস্তাফিজ

স্পোর্টস ডেস্ক/S.H:

ভারত থেকে ফিরে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন থাকার কথা ছিল আইপিএল খেলতে যাওয়া দুই ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান ও সাকিব আল হাসানের। তবে কোয়ারেন্টাইন শেষ হওয়ার দুই দিন আগেই গত মঙ্গলবার মাঠে ফিরলেন এই দুই ক্রিকেটার।

আইপিএল ১৪ আসরে ডাক পেয়েছিলেন বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান ও সাকিব আল হাসান। কিন্তু করোনার মহামারীর কারণে মাঝ পথে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যায় ২০২১ সালের আইপিএল। আসন্ন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচে মুস্তাফিজ ও সাকিব গুরুত্ব অতুলনীয় তাই বিসিবি চার্টার্ড ফ্লাইটে করে ৬ মে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন তাদের। ১৪ দিনের কোয়ারান্টাইনের কথা থাকলেও বিসিবির অনুরোধে দুই দিন আগেই মাঠে ফিরার অনুমতি দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মাঠে ফিরে নিজের আনন্দের কথা জানান মুস্তাফিজুর রহমান।   তবে এই দুই ক্রিকেটারকে মানতে হবে কিছু নিয়ম। বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন জানান বায়ো-বাবলেই থেকেই অনুশীলন করতে হবে তাদের। এদিকে রবিবার ঢাকায় আসেন শ্রীলঙ্কা দল। বিসিবি জানান তাদের করোনা পরীক্ষা নেগেটিভ এসেছে সকলেরই।