ভ্যাঁপসা গরমে প্রান জুড়ান বাসায় তৈরী ম্যাংগো আইসক্রিমে

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ বৈশাখ শেষ হয়ে জৈষ্ঠ মাস শুরু হতে না হতেই তীব্র হতে শুরু করেছে সুর্যের তাপ। আর সেই সাথে পাকছে আম, আসছে বাজারে। এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুবই মুশকিল যিনি আম খেতে ভালোবাসেন না। কাঁচা, পাকা আম দিয়ে অনেক খাবার তৈরি করে খাওয়া যায়। লকডাউনে বাড়ির বাইরে যাওয়ার উপায় নেই। গরমে  ঠাণ্ডা খাবার খেতে না কে না চায়।  এই পরিস্থিতিতে গরমে আম দিয়েই তৈরি করতে পারেন আইসক্রিম। বাড়ির ছোট থেকে শুরু করে বড় সবার পচ্ছন্দ আইসক্রিম। ঘরোয়া সামান্য কিছু উপাদান দিয়েই বানাতে পারবেন ম্যাংগো আইসক্রিম।

তবে চলুন জেনে নিই কিভাবে বানাবেন ম্যাংগো আইসক্রিমঃ

আইসক্রিমের উপকরণ:

  • ২ কাপ লিকুইড দুধ
  • ১/৪ কাপ গুড়ো দুধ
  • ১/৪ কাপ কনডেন্সড মিল্ক (কনডেন্সড মিল্ক না থাকলে এর পরিবর্তে চিনি ব্যবহার করতে পারেন।)
  • আর লাগবে ম্যাঙ্গো পিউরি।

কীভাবে বানাবেন?

একটি পাত্রে কাঁচা দুধ দিয়ে দিন। এবার একে একে গুঁড়ো দুধ ও কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে পাত্রটি কিছুক্ষণ  জ্বাল করে এক কাপ পরিমাণ করে নিন। এবার দুধটা গ্যাস থেকে নামিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন। ব্লেন্ডারে এক কাপ ম্যাঙ্গো পিউরি ও দুধটা দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। দেখবেন ঘন একটি মিশ্রণ তৈরি হয়েছে। এবার মিশ্রণটি আইস ক্রিম তৈরির পাত্রে ঢেলে দিন। ফ্রিজে রেখে দিন ১২ ঘণ্টার জন্য। হয়ে গেলো ম্যাঙ্গো আইসক্রিম।

 

বাবা শাহরুখের পথে হাঁটতে চায়না আরিয়ান খান

বিনোদন ডেস্ক/S.H:

বলিউডের কিং শাহরুখ খানকে দেখে অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন অনেকেরই জাগে। তবে সেই তালিকায় নাম নেই বলিউডের বাদশাহর বড় ছেলে আরিয়ান খানের। মূলত বাবার কার্বন কপি হওয়া বাবার সাথে তার তুলনা হোক তা চায়নি আরিয়ান খান।

সম্প্রতি আমেরিকায় ফিল্ম মেকিং  নিয়ে  নিজের পড়াশোনা শেষ করেন আরিয়ান খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার গ্র্যাজুয়েশন  গাউন  পরা ছবি ভাইরাল যেখানে অবিকল বাবার মত দেখতে লাগছে পুত্র আরিয়ানকে। অনেক ভক্ত অপেক্ষা করছে কখন বলিউডে পা রাখবেন শাহরুখের কার্বন কপি। কিন্তু বাবার পথে হাঁটতে চায়না আরিয়ান খান। এক ইন্টারভিউতে শাহরুখ খান জানান আরিয়ান অভিনেতা হতে চায়না। সে চায়না বাবা কিং খানের সাথে তার তুলনা হোক। তাই অভিনেতা নয় পর্দার পিছনে কাজ করতে চায় আরিয়ান। তারই প্রস্তুতি চলছে আরিয়ান খানের। নিজের দেশ ও বলিউডের জন্য ভালো কিছু করবে বলে  আশা করছেন বলিউডের বাদশাহ শাহরুখ খান।

সাংবাদিক রেজিনা কে হেনস্তাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি সিইউজি এর

মঙ্গলবার (১৮ মে) প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) পক্ষ থেকে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সিইউজে সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলামের পরিচালনা ও সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাব সভাপতি আলী আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়েনের (বিএফইউজে) সাবেক সহ-সভাপতি শহিদুল আলম, সিইউজের সিনিয়র সহ সভাপতি অনিন্দ্য টিটো, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ডেপুটি গভর্নর আমিনুল হক বাবুসহ চট্টগ্রামের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘রোজিনা ইসলামকে তার পেশাগত দায়িত্ব পালনে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা যেভাবে হেনস্তা করেছে, আমার মনে হয়েছে- তারা আমাকে হেনস্তা করেছে। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। সেই সাথে এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করে তাকে মুক্তি দিতে হবে।’

বক্তারা সচিবালয়ের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা মানে স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা। রোজিনা ইসলামের হাতে হাতকড়া মানে সংবাদ মাধ্যমকে শিকল পরানো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ গণমাধ্যমবান্ধব। তাঁরা গণমাধ্যমকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন। রোজিনা ইসলামকে যারা হেনস্তা করেছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে কিছু অসাধু সরকারি কর্মকর্তাই যথেষ্ট। প্রশাসনের অভ্যন্তরে থাকা অতি-উৎসাহী কিছু কর্মকর্তার রোষানলে পড়েছে সাংবাদিকরা। তাদের লুটপাটের তথ্য যখন আমরা সংগ্রহ করতে যাই, তখন নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কিভাবে হেনস্তা হয়েছে, তা সারা দেশ দেখেছে।

তাই অবিলম্বে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করা না হলে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে হুঁশিয়ারি করেন বক্তারা।

এসময় মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও চ্যানেল আইয়ের ব্যুরো প্রধান চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাহ উদ্দিন মো. রেজা, সহ-সভাপতি স ম ইব্রাহিম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহ সভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষ, সহ সভাপতি অনিন্দ্য টিটো, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক নজরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাসির উদ্দীন হায়দার, ক্রীড়া সম্পাদক দেবাশীষ বড়ুয়া দেবু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলিউর রহমানসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সদস্য ও প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাংবাদিকরা।

কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্মানে সহায়তা করলেন আব্দুস সামাদ ফাউন্ডেশন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলা: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণে আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন মরহুম আব্দুস সামাদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজসেবক দানশীল ব্যক্তি শিক্ষানুরাগী এমএ আহাদ।
গতকাল সোমবার (১৭ মে) বিকাল ৫টায় কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন এম এ আহাদ।
এসময় প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে এমএ আহাদকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয় এবং প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য করা হয়। অনুদান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্মান কমিটির আহ্বায়ক পৌর মেয়র মো.জুয়েল আহমেদ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট আতিকুর রহমান, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ ওয়াহিদ(রুলু),সহ-সভাপতি শাব্বির এলাহী সহ সংবাদকর্মী বৃন্দ।
উল্লেখ্যে,প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে গতবছর নিজস্ব জমিতে প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণ কাজের শুরু হয়েছিলো, ইতোমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড.মো: আব্দুস শহীদসহ দেশ-বিদেশে কর্মরত বিভিন্ন শুভাকাঙ্খী ও সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণ কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।

 

সাংবাদিক হেনস্তা করার প্রতিবাদে স্বাস্থ মন্ত্রনালয়ের সংবাদ সম্মলেন বয়ক করলো সাংবাদিকরা

অবশেষে দেশে ফিরলেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা

স্পোর্টস ডেস্ক/S.H:

ভারতের করোনা প্রকোপের কারণে দেশটির সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় অস্ট্রেলিয়া। এতে ভারতে আটকে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা মালদ্বীপ হয়ে  গতকাল ৩৮ জনের দল নিয়ে  অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছায়।

মহামারির মধ্যেই শুরু হয়েছিল এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। করোনার প্রকোপে মধ্যেও সমালোচনাকে পাশ কাটিয়েই চলছিল ২০২১ সালের আইপিএল । তবে শেষ রক্ষা পায়নি আইপিএল কর্তৃপক্ষ । করোনায় আক্রান্ত হয় বিভিন্ন দলের বেশকিছু ক্রিকেটার এবং স্টাফরা । সম্পূর্ন অনিচ্ছায় আইপিএল বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে কর্তৃপক্ষ । ফলে মাঝপথেই বন্ধ করে দেওয়া হয় এবারের আসর। এরপরই নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে শুরু করেন ক্রিকেটাররা। ইতোমধ্যে দেশে ফিরে গেছেন সব ক্রিকেটার তবে দেশে ফিরতে পারিনি অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা। মহামারির কারণে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় অস্ট্রেলিয়া। আটকে যাওয়া ক্রিকেটারদের নিজ খরচে অস্ট্রেলিয়ায় ফেরতের উদ্যোগ গ্রহন করে আইপিএল কর্তৃপক্ষ । অস্ট্রেলিয়ায় ফেরত যাওয়ার বিমান ভাড়া এবং কোয়ারেন্টাইন খরচ দেওয়া হয়েছে তাদের।
১৩ দিন পর ৩৮ জনের দল নিয়ে মালদ্বীপ হয়ে সোমবার সিডনিতে পৌঁছায় অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা। দেশে পৌঁছে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকে নিজ নিজ বাড়ি ফিরবে ক্রিকেটাররা ।

মহামারী চলাকালেও বাড়লো দেশের মাথাপিছু আয়

সিএনবিডি ডেস্কঃ করনাকালেও দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে বছরে ২ হাজার ২২৭ ডলার হয়েছে। এর আগে গত  অর্থবছরে (২০১৯-২০২০) মাথাপিছু আয় ছিল দুই হাজার ৬৪ ডলার।। অর্থাৎ করোনার বছরেও আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৮ শতাংশ। সেই হিসেবে আজ ১৭ মে সোমবারের মুদ্রা বিনিময় হার অনুযায়ী এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় হয় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৮ টাকা যা বার্ষিক হিসাবে। আর মাসিক হিসেবে মাথাপিছু আয় দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৫৮৯ টাকা।

আজ সোমবার (১৭ মে) মন্ত্রিসভার বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এই তথ্য জানিয়েছেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যরা বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি এই বৈঠকে যোগ দেন।বৈঠকের পর খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে ব্রিফ করেন।

ব্রিফিং এ মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশিদের মাথাপিছু আয় চলতি অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৬৪ ডলার। নতুন আয় ২ হাজার ২২৭ ডলার। এছাড়া জিডিপিও এ সময় বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে জিডিপি ছিল ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭ ডলার। যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখ ৪৭ হাজার ৩০০ কোটি ডলার।’

সচিব আরো বলেন, প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার মান ৮৪.৮১ ধরে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৩ টাকা হিসেবে করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আজ প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৪০ বছর। আজকের দিনেই এ অর্জন হলো। এজন্য তাকে ধন্যবাদও জানানো হয়েছে। আর আজ মাথাপিছু আয় বাড়ার বিষয়টি জানানোর জন্য মন্ত্রিসভা পরিকল্পনামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানায়।’

 

জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ

সিএনবিডি ডেস্কঃ আজ সোমবার (১৭ মে) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে ১৯৮১ সালে এ দিন বিকেল সাড়ে ৪টায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং বিমানে তিনি ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে দেশের মাটিতে ফিরে আসেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। শেখ হাসিনা তখন তার ছোট বোন শেখ রেহানা, স্বামী ও দুই সন্তানসহ তখনকার পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। ফলে তারা প্রাণে বেঁচে যান। বঙ্গবন্ধু হ্ত্যাকাণ্ডের পর প্রায় ছয় বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন তার জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা।

পরবর্তী সময়ে ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। এরপরেই তিনি ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন।

আর এদিন শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানোর জন্য উপস্থিত প্রায় ১৫ লাখ মানুষের হৃদয় ছোঁয়া ভালবাসার জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলার মানুষের পাশে থেকে মুক্তির সংগ্রামে অংশ নেয়ার জন্য আমি দেশে এসেছি। আমি আওয়ামী লীগের নেত্রী হওয়ার জন্য আসিনি। আপনাদের বোন হিসাবে, মেয়ে হিসাবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগের কর্মী হিসাবে আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই।’

এদিকে, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন দেশব্যাপী প্রতিবছর বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করলেও এবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে দিবস পালন করবে।

 

আট মাস বয়সী শিশুর ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্বরেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মাত্র আট মাস বয়সে ভ্যাকসিন গ্রহন করে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে এক শিশু। এনজো মিনকোলা নামের শিশুটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ইউপিস্টেট বাল্ডউইনসভিলের বাসিন্দা। শিশুটিকে ফাইজারের ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। তার বাবা-মায়ের সম্মতিতেই তাকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এদিকে, ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ নেয়ার পর এখন পর্যন্ত ওই শিশুর শরীরে কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। আর শুধু তাই নয়, ভ্যাকসিন নেওয়ার পর তাদের পুত্র সন্তান নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে এবং খাওয়া-দাওয়া করছে বলে জানিয়েছেন এনজো মিনকোলার বাবা-মা।

এ বিষয়ে ইউপিস্টেটের পেডিয়াট্রিক এবং সংক্রামক রোগের চিকিৎসক ডা. জোসেফ ডোমাশোস্কে জানিয়েছেন, এনজো কোলামিনের বয়স পুরোপুরি ৮ মাস হওয়ার তিন সপ্তাহ আগেই তাকে ফাইজার ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেয়া হয়। এরপর গত বুধবার তাকে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছে।

তবে এনজো কোলামিন ছাড়াও এই তালিকায় আরও ৫ জন শিশু ছিল যারা ফাইজারের ভ্যাকসিন নিয়েছে। তবে তাদের সবার বয়স এনজোর থেকে অনেকটাই বেশি বলে জানিয়েছেন ডা. জোসেফ ডোমাশোস্কে।

দেশে ভারতীয় ভেরিয়েন্টে প্রথম মৃত্যু, করোনার চার ধরন শনাক্ত

সিএনবিডি ডেস্কঃ দেশে ভারতীয় ভেরিয়েন্টে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

আজ সোমবার (১৭ মে) আইইডিসিআর জানিয়েছে, ভারতে চিকিৎসা শেষে দেশ ফিরে কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় মারা যাওয়া দুই ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর একজন করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত ছিলেন।গত ৮ মে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে শনাক্ত হয়। ভারতফেরত ছয়জনের শরীরে এই ভেরিয়েন্ট শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল আইইডিসিআর।

এদিকে, দেশে ভারতীয় ভেরিয়েন্টসহ করোনাভাইরাসের চারটি ধরন শনাক্ত হয়েছে।আইইডিসিআর এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি আইইডিসিআর, আইসিডিডিআর বি ও ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভ (আইদেশি) যৌথভাবে প্রায় ২০০টি কভিড-১৯ নমুনার সিকোস্লেপিংস করেছে। এতে বি. ১.১.৭ (যুক্তরাজ্য ভেরিয়েন্ট), বি.১.৩৫১ (সাউথ আফ্রিকা ভেরিয়েন্ট), বি.১.৫২৫ (নাইজেরিয়া ভেরিয়েন্ট) ও বি.১.৬১৭.২ (ভারত ভেরিয়েন্ট) শনাক্ত হয়েছে।

আইইডিসিআর ভারত থেকে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে রোগতাত্ত্বিক তদন্ত ও সন্দেহজনক রোগীদের জিনোম সিকোয়েন্সিং করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আইইডিসিআর এপ্রিল মাসে ভারত থেকে আসা ২৬ সন্দেহজনক করোনা রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে।

এতে ৬ জনের নমুনায় বি.১.৬১৭.২ (ভারত ভেরিয়েন্ট) শনাক্ত হয়। এই ভেরিয়েন্টকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভেরিয়েট অব কনসার্ন (VOC) হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪৪টি দেশে শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত রোগীদের সবারই গত ১ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে ভারতে (চেন্নাই, ব্যাঙ্গালোর, হরিয়ানা, এবং পশ্চিমবঙ্গ) চিকিৎসার উদ্দেশে ভ্রমণের ইতিহাস রয়েছে। এই ৬ জনের মধ্যে ৩ জন একই পরিবারের সদস্য এবং এদের বয়স ৫ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে। তারা সবাই এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।

অন্যদিকে, সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩২ জন আর এ সময় নতুন করে ৬৯৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আগেরদিন ২৫ জনের মৃত্যু এবং ৩৬৩ জনের শনাক্ত হবার তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৩২ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ১২ হাজার ১৮১ জন। আর নতুন শনাক্ত হওয়া ৬৯৮ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হলেন সাত লাখ ৮০ হাজার ৮৫৭ জন। এ হিসাবে আজ দেশে করোনা শনাক্ত হওয়া রোগী সাত লাখ ৮০ হাজারও ছাড়িয়ে গেল।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৫৮ জন। এদের নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হলেন ৭ লাখ ২৩ হাজার ৯৪ জন।