নওগাঁর আত্রাইয়ে একশত পঞ্চাশ পরিবারকে প্রধান মন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা উপহার

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে করোনা প্রাদুভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া ও অসহায় প্রায় এক শত পঞ্চাশ পরিবারের মাঝে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল- ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার মানবিক সহয়তা বিতরণ করা হয়েছে। উপহার সামগ্রীতে দশ কেজি করে চাল, এক কেজি করে ডাল, এক কেজি লবন, এক কেজি চিনি,এক প্যাকেট লাচ্চা, একটি সাবান এবং এক লিটার সোয়াবিন তেল রয়েছে।

গতকাল সোমবার (৩ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হল রুম জেলা উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় এই উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

জেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারূল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। করো্নাকালে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী পেয়ে খুশি অসহায়-কর্মহীনরা।প্রার্দুভাবের সময় সহায়তা দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।

আগামী দিনে প্রধান মন্ত্রীর পক্ষ থেকে আরও সহায়তা প্রদানের কথা বলেন জেলা প্রশাসক মোঃ হারুন-অর-রশিদ। উপহার সামগ্রী বিতরনকালে উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমান এবাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, অঅত্রাই উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি একেএম কামাল উদ্দিন টগর, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার ফজলুল হক,উপজেলা নিবাহী অফিসের প্রশাসনিক কমকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন,উপজেলা আনসার ও ভিডিপি অফিসার মোঃ আমিনূল ইসলাম,কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক নাজমূল হক নাদিম সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বাঁচতে চাই!

আজিজুর রহমান প্রিন্স, ঢাকা, বাংলাদেশ।

স্থবির হয়ে গেছে পৃথিবী। অজানা শঙ্কায় মানূষ থেমে গেছে। মৃত্যু ভয় আর অনিশ্চিত ভবিষ্যত নির্বাক এখন মানবতা। মৃত্যুর মিছিলে কার কখন ডাক আসে কেউ জানেনা। শতাব্দীর মর্মান্তিক ভয়াবহতায় বিজ্ঞানও অকার্যকর। নিত্য অসহায় মানবতা নির্বাক সর্বত্র। সমুদ্রের সাইক্লোন কিংবা সোনামিও তুচ্ছ অদৃশ্য সঙ্কায়। সৈকতে ভেজা বালুচর শুন্য লোকালয় হাহাকার করে ভয়ার্ত ভাবনায়। প্রেয়সীর কাকনের শব্দ মাতাল করে না হৃদয়। নীল নিস্তব্দ রজনী কাটে ভাবনার লতা পাতায়। আনবিক শক্তির হুঙ্কার নেই সভ্যতা নির্লুপ্ত গহীন অরন্যে ভুতুরে শব্দের চিৎকারে। এ কোন পৃথিবী জানিনা। তবে কি মহাপ্রলয় অত্যাসন্ন ধ্বংসের দামামা বাজিয়ে বিশ্বময়!

স্রষ্টার সৃষ্টি নিঃশেষে প্রলয়সম অবিরাম। এক ফোটা জল চেয়ে চাতক যেমন আস্ফালন করে খড়া চৈত্রায়, আজ মানবতা কাদে বেচে থাকার বন্দনায়। তবুও থেমে নেই লাশ বিশ্বময়। একি তবে অভিশাপ ভ্রমান্ডে এবার? রক্ষা করো বিধাতা ক্ষান্ত হও এবার প্রার্থনা মাগি তোমারই কাছে। আবার তুমি স্বচল করো পৃথিবী এমন বিপর্যয় দেখেনি আগে। নত শিরে স্রোষ্টা তুমি বান্দা তোমারই নানা রঙে মুক্তি চাই – বাঁচতে চাই। বিলাস ভুবন জীর্ন হয়ে গেছে বিমুর্ত মানবতা অভিন্ন এখন প্রার্থনা – বাঁচতে চাই।

 

বন্ধ হচ্ছে আইপিএল

স্পোর্টস ডেস্ক/ S.H: বন্ধ হতে যাচ্ছে ২০২১ সালের আাইপিএল আসর। কোটি কোটি টাকা এই আসর মুখ থুবরে পড়েছ করোনা কাছে।

ভারত জুড়েই বিরাজ করছে থমথম আবহাওয়া। চারিদিকে মৃত্যুর মিছিল ছুটছে ভারতের ওলিতে গলিতে। থামছে প্রান তার সাথে মানব জীবনের গতি। তবে সব কিছু উপেক্ষা করেই চলছিল ২০২১ সালের আইপিএল। আলোচনা সমালোচনা সবই চলছিল এই আইপিএলকে ঘিরে। ভারতের ভয়াবহ অবস্থা দেখে  নিজ দেশে ফিরতে চেয়েছে অনেক বিদেশি খেলোয়াড়।

যদিও বরাবরের মতই আইপিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে অনেক নিয়ম নীতি মেনেই শুরু হয়েছে এবারে আসর। তবে খুব বেশি লাভ হয়নি তাতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের গাফলতির কারণে হুমকির মুখে আইপিএল। হাঁটু স্কেনের জন্য হাসপাতালে যান বরুণ চক্রবর্তী। পিপিই পরিধান করেই বায়ো বাবলের গেইট পার করে হাসপাতালে যান এই ক্রিকেটার তবে মানেনি কোয়ারান্টাইনের নিয়ম। নিয়ম অনুযায়ী বায়ো বাবলে পার করলেই থাকতে হবে কোয়ারান্টাইনে কিন্তু তা না মেনে দিল্লির বিপক্ষে খেলতে নামিয়ে দেয়া হয় বরুণকে। বিষয়টি জানায়নি দিল্লি ক্যাপিটালসকেও। পরবর্তীতে করোনা পজিটিভ আসে বরুণের তার সাথে করোনা পজিটিভ আসে আরেক ক্রিকেটার সন্দীপ ওয়ারিয়ার। এর পরপরই আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির চারটিতে করোনা পজিটিভ হয়েছেন খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফরা। তাইতো আইপিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বন্ধ হতে যাচ্ছে এবারের আসর।

কৃষকরা আনন্দিত সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষে

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষ করে তিন গুন বেশী উৎপাদন হয়েছে।গতকাল সোমবার (৩ এপ্রিল) উপজেলার আশিদ্রোন ইউনিয়নে সমলয় পদ্ধতিতে চাষ করা ধান কাটা শুরু হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ মো.আব্দুস শহীদ এমপি।

আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী লুৎফল বারী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.নেছার উদ্দিন, ওসি(অপারেশন) নয়ন কারকুন, জেলা প্রশিক্ষন কর্মকর্তা (ডিএই) সামছুদ্দিন আহমদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি,সদর ইউপি চেয়ারম্যান ভানু লাল রায়, আশিদ্রোন ইউপি চেয়ারম্যান রনেন্দ্র প্রসাদ বর্ধন জহর।

গত ১৭ জানুয়ারি ৪৮ জন কৃষক একত্র হয়ে আশিদ্রোন ইউপি ৫০ একর জমিতে সমলয়ে ধান রোপন করে ছিলেন। ধান বীজ রোপন করা হয় কম্বাইন্ড হারর্ভেস্টার যন্ত্রের সহায্য। ফলন খুব ভাল হয়েছিল। পাকা ধান কাটা-মাড়াই ও বস্তাবন্দিও করা হয় অত্যাধুনিক যন্ত্র দ্বারা। এতে কৃষকের শ্রম ও খরচ কম লেগছে। প্রতি বিঘায় ২৭ মন ধান উৎপাদন হচ্ছে যা আগে ৫ থেকে ৬ মন হতো।

আব্দুস শহিদ এমপি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষকদের আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাবে। ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে কৃষকদের মাঝে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হচ্ছে।

এসব আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে একদিকে খরচ কমেছে অন্যদিকে ধানের ফলন বাড়ছে। তাছাড়া কৃষক যেন তার উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পায় তার জন্য সরকার কৃষক হতে সরাসরি ধান ক্রয় করছে।যাতে করে সুবিধা ভোগী মজুদ ব্যবসায়ী এই সুযোগের অপব্যবহার না করতে পারে।

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর/এমআরবি

নেত্রকোনায় তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষে আহত ৫জন, আটক ৮জন

মো.কামরুজ্জামান, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি: নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। রবিবার (২ মে) রাতে উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন, কাইটাইল গ্রামের পরিমল, মারজান, আলমগীর, রহমত আলী, আলীম, শরীফ, সজিব ও আশাদুল।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে কাইটাইল গ্রামের রহমত আলীর ছেলে রাজিব মিয়া তার অটো রিকশায় যাত্রী নিয়ে খাগুরিয়া গ্রামে আসেন। সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন পাকা রাস্তায় আসলে সাইকেল সাইড দেয়া নিয়ে খাগুরিয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য সোহরাব মিয়ার ছেলের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

পরে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কাইটাইল ইউনিয়নের আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কাইটাইল গ্রামের কেনু মিয়ার নেতৃত্বে রাজিব মিয়াসহ ২০/২৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে খাগুরিয়া গ্রামে এ হামলা চালায়। এসময় শাহীন মিয়াসহ কয়েকজন আহত হয়। আহতদের মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ সময় এলাকাবাসী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কেনু মিয়াসহ নয়জনকে আটক করে। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান সাফায়াত উল্লাহ রয়েল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ কেনু মিয়াকে ছেড়ে দিয়ে বাকি আটজনকে থানায় নিয়ে যায়।

কাইটাইল ইউনিয়নের আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কেনু মিয়া বলেন, আমি ঘটনাটি মীমাংসা করতে এসেছিলাম। মীমাংসা করতে আসলে যে ঝামেলা বাড়বে তা বুঝতে পারিনি।

কাইটাইল ইউপি চেয়ারম্যান সাফায়াত উল্লাহ রয়েল বলেন, ঘটনাটি খুবই নিন্দনীয়। এর বিচার হওয়া দরকার।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আলম জানান, এ ঘটনায় আটজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

রামু খুনিয়াপালংয়ে রাজনৈতিক পরিবেশ দিন দিন অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে

মোঃ ইউসুফ রুবেল, কক্সবাজারঃ কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল ও শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের নিকট দাবী জানিয়েছেন এলাকার শান্তি প্রিয় সাধারণ মানুষ। স্থানীয় চেয়ারম্যানের পালিত বাহিনীর সদস্যরা একের পর এক সাধারণ মানুষের উপর, হামলা, অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে।

রবিবার ২ মে সকালে ফের ধোয়াপালং নয়াপাড়া এলাকায় ফরিদ আলমের স্ব পরিবারের উপর পুলিশের উপস্থিতিতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় নারীসহ ৪ জন আহত হয়েছে। এর আগে গত ২৮ এপ্রিল রাত ৯টার দিকে খুনিয়াপালং ইউনিয়নে বড় ডেপা স্টেশন চত্বরে মুমিন ছৈয়দ সওদাগরে চায়ের দোকানের সামনে ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদের নেতৃত্বে ২০/ ৫০ জনের সংঘবদ্ধ দুবৃত্তের হামলায় বয়োবৃদ্ধসহ ৪ জন আহত হন।

এঘটনায় আবদুল মাবুদ চেয়ারম্যানকে প্রধান আাসামী করে ১৮ জনের নাম উল্লেখপুর্বক অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। গত ৩০ এপ্রিল থানায় এজাহারটি দায়ের করেন আহত মোমেন ছৈয়দ সওদাগরের মেয়ে মিনুয়ারা বেগম।

জানা গেছে, রবিবার সকালে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ধোয়াপালং নয়াপাড়া এলাকায় ফরিদ আলম বাজার থেকে বাড়ী ফিরছিল। পথিমধ্যে মাবুদের পালিত বাহিনীর লোকজন ওই ফরিদের উপর হামলা করে। খবর পেয়ে ফরিদের স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে আসলে স্ব পরিবারের উপর হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। এতে নারীসহ ৪জন গুরুতর আহত হন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সময় অদুরে পুলিশও উপস্থিত ছিল বলে আহতদের অভিযোগ। ওই সময় একটি ঘটনার তদন্তে এলাকায় গিয়েছিলেন রামু থানার একদক পুলিশ।

এদিকে, গত ২৮ এপ্রিল বুধবার রাত ৯টার দিকে হঠাৎ ২০/৫০ জনের একদল সংঘবদ্ধ দুবৃত্ত , লাঠি, লোহার রডসহ অস্ত্র সশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে খুনিয়াপালং বড় ডেপা স্টেশন চত্বরে মুমিন ছৈয়দ সওদাগরের চায়ের দোকানের সামনে উপস্থিত হন আবদুল মাবুদের নেতৃত্ব একদল দুবৃত্ত। এসময় কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই চায়ের দোকানের ভিতর থেকে মুমিন ছৈয়দ সওদাগরকে টেনে হিচড়ে বাহিরে এনে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এসময় মুমিন ছৈয়দ সওদাগরকে দুবৃত্তদের কবল থেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে মারধর করা হয় শওকত আলী, নুর আহাং ও আবুল কাশিম ড্রাইভারকে।

আহতদের পরিবারের সদস্যরা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এই হামলার ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ও সরাসরি হামলায় অংশ নেন খুনিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাবুদের পোষ্য অপরাধ বাহিনীর মাধ্যমে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ফরিদের স্ব পরিবারের উপর নির্মম ভাবে হামলা করা হয়েছে বলে দাবী আহত পরিবারের।

আহত পরিবারের অভিযোগ করেন, এলাকার সাধারণ মানুষের উপর একেরপর এক হামলা চালিয়ে ইউনিয়নের শান্ত পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে আবদুল মাবুদ চেয়ারম্যান। গত নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে যাওয়া সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানী ও হামলার ঘটনা ঘটিয়ে প্রায় ৫ বছর অতিক্রম করেছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার জেরে প্রতিপক্ষ লোকজনজে টার্গেট করে সিরিজ হামলা চালানোর ঘটনায় পুরো ইউনিয়নের মানুষ আতংকিত হয়ে পড়েছে। দিনদিন উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে এলাকার পরিবেশ। আবদুল মাবুদ বাহিনীর হামলার ভয়ে অনেকে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। হামলাসহ বিভিন্ন ভাবে অপরাধ কাজে কিছু ভাড়াটিয়া অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন হামলার শিকার পরিবারের লোকজন। এব্যাপারে নির্যাতনের শিকার অসহায় পরিবারগুলো প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

 

আজ বিশ্ব মুক্ত গনমাধ্যম দিবস

মো.কামরুজ্জামান: বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ।এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় “তথ্য জনগনের পন্য”। ১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬ তম সাধারণ অধিবেশনে সুপারিশ মোতাবেক ১৯৯৩ সালের ৩ রা মে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ‘ওয়াল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে ‘অথবা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণসহ বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতার হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ গ্রহন এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবনদানকারী সাংবাদিকদের স্মরন ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে দিবসটি পালন করা হয়।

বাংলাদেশের মুক্ত গণমাধ্যমের অবস্থা কেমন তা প্রকাশ পেয়েছে স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা আন্তজাতিক সংস্থা রিপোর্টাস স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্স (আরএসএফ) এর এপ্রিলের শেষার্ধে প্রকাশিত ২০২১ এর রিপোর্টে। সেখানে দেখা গেছে, বিশ্বের ১৮০ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২ তম।যা ২০১৯ সালে ছিলো ১৫০ তম।

আরএসএফ রিপোর্ট বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আরএসএফের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে ২০২০ সালে করোনা ভাইরাস সংকট এবং লকডাউন চলাকালে সাংবাদিকদের উপর পুলিশ ও বেসামরিক সংস্থার প্রভাব উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। মহামারী ও তার সমাজের প্রভাব নিয়ে প্রতিবেদনের জন্য অনেক সাংবাদিক গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন।

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর/এমআরবি

শ্রীমঙ্গলেে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করলেন ড.আব্দুস শহীদ এমপি

তিমির বনিক মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সারাদেশে লকডাউনে সারাদেশের ন্যায় কর্মহীন শ্রীমঙ্গলের শ্রমজীবি মানুষ। রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে ফুটপাতের হকার, পরিবহন শ্রমিক ও দোকান কর্মচারী ও দিনমজুর মানুষেরা কর্ম-সংকটে দিন কাটাচ্ছে। পবিত্র রামাদ্বান উপলক্ষে এ পরিস্থিতিতে শ্রীমঙ্গলের কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ ড.মো: আব্দুস শহীদ এমপি। অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ।
রবিবার (২ মে) ২০২১ বিকেল ৫ ঘটিকায় শ্রীমঙ্গলের কালীঘাট রোড, মৌলভীবাজার রোড, শ্রীমঙ্গল থানার সামনে, গদার বাজার রোড সহ পথচারীদের মধ্যে ইফতার বিতরণ করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ ড.মো: আব্দুস শহীদ এমপি। অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল শ্রীমঙ্গল থানার (ভারপ্রাপ্ত) অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুছ ছালেক , শ্রীমঙ্গল থানার ওসি (তদন্ত) হুমায়ুন কবির, শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদ হোসেন ইকবাল ,শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনাম হোসেন চৌধুরী মামুন,পৌর যুবলীগের সভাপতি আকবর হোসেন শাহীন, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তালেব বাদশা,শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন সুহেল, ছাত্রলীগ, যুবলীগ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

রৌমারীতে ৫০ লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও এক প্রতারক

সাকিব আল হাসান, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বিকাশ, রকেট, নগদ এবং ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ৫০ লক্ষ টাকা নিয়ে রায়হান আহমেদ নামের এক প্রতারক উধাও হয়েছেন। এ ঘটনায় রৌমারী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের বাতারগ্রামে।

বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বাতার গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রায়হান আহমেদ বিকাশ, রকেট ও নগদ এজেন্ট ব্যবসায়ী। এই সুবাদে সে বিভিন্ন জনের কাছে ব্যবসায়ী টাকা লেনদেন করে আসতেন। প্রতিদিন গ্রাহকদের সাথে লক্ষ লক্ষ টাকা লেনদেন করত। সর্বশেষ মনোয়ার হোসেন রৌমারী থানা এলাকার (ডিএসও) কাছ থেকে নগদ একাউন্ট ০১৮১৩৩৩৩৭৭৫ নম্বরে প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।

পরে পর্যায়ক্রমে রাব্বির সাড়ে ৩ লক্ষ, সাইফুল্লাহ মাহমুদের ২ লক্ষ, আব্দুল মজিদের ১ লক্ষ, উমর ফারুকের ১ লক্ষ ২৫ হাজার, সফিয়ার রহমানের ৩ লক্ষ, সাকিব উদ্দিনের ৪০ হাজার, আশরাফুলের ১৬ হাজার, মোবারকের ৮০ হাজার, শাহিনের ১ লক্ষসহ বিভিন্ন জনের কাছ থেকে মোট প্রায় ৩০ লক্ষাধীক টাকা হাতিয়ে নিয়ে গাঁ ঢাকা দেয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বর ০১৯১৭১১৪৪১৪ এখন পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে।

এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার গুলো প্রতারক রায়হানের সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় স্থানীয় মাতাব্বরদের কাছে বিচার চান। গত ২ এপ্রিলে শৌলমারী ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো.হাবিবুর রহমান হাবিল এর সভাপতিত্বে এক সালিশী বৈঠক বসেন। ওই সালিশ বৈঠকে প্রতারক রায়হানের মা ও মামা লুৎফর রহমান উক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

ভুক্তভোগী রাব্বি বলেন, রকেট একাউন্টের মাধ্যমে আমার কাছে সাড়ে ৩ লাখ টাকা নেয়। পরের দিন দেওয়ার কথা থাকলেও পরে সে পালিয়ে যায়। আমি বর্তমানে পরিবার পরিজন নিয়ে মানসিক চাপে রয়েছি।

এ ব্যাপারে রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোন্তাছের বিল্লাহ জানান, প্রতারকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত চলছে। এর সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যেখানেই অসহায় মানুষের আর্তনাদ, সেখানেই আর্মি হারুনের সহায়তার হাত!

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতাঃ কেউ স্বার্থপর হয়ে সুখী, কেউ স্বার্থ বিলিয়ে সুখী। তবে আমি কখনো স্বার্থপর হতে শিখিনি। সব সময় চেষ্টা করেছি অন্যের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিতে। এসবের বিনিময় একদিন কিছু পাব এমন আশা আগেও করিনি, আজও করি না। ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য’ এই দায়িত্ববোধ থেকেই কিছু একটা করার চেষ্টা করেছি মাত্র। জানিনা কতটুকু পেরেছি। কথাগুলো একটু চিন্তিত সুরে বলছিলেন চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা  বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য বর্তমান বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হারুনর রশিদ। যিনি তার নিজের এলাকায় আর্মি হরুন নামে পরিচিত।

১৯৯১ সালে দেশকে শত্রু মুক্ত রাখার প্রত্যয় নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে। প্রায় তিন দশক সেখানে সফলতার সাথে কাজ করে যোগ দেন র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র্যাব) এ। দুইবার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে যোগ দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।

কণ্ঠস্বরে চিন্তিত সুর কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ সমাজের মানুষগুলো বড়ই অদ্ভুত। কেউ কাউকে নিয়ে ভাবার সময় পায় না। চারপাশের অসহায় মানুষের চিৎকার,আর্তনাদ কারো কানে পৌঁছে না। আমার মতো এই সামান্য হারুনের দ্বারা কি আর সম্ভব! তবুও চেষ্টা করে যাচ্ছি ঐ অসহায় মানুষগুলোর পাশে সব সময় থাকার। “সবার সুখে হাসব আমি / কাঁদব সবার দুখে, নিজের খাবার বিলিয়ে দেব / অনাহারীর মুখে।” পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের এই কবিতাটি বুকে ধারণ করে নিজ স্বার্থ বিলিয়ে আজ পরম সুখী মোহাম্মদ হারুনর রশিদ।

ইতোমধ্যে লোহাগাড়ার এই সাবেক সেনা সদস্যকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবরও প্রকাশিত হয়েছে। অসহায় মানুষের যেন বেঁচে থাকার সম্বল আর্মি হারুন। আজ পর্যন্ত কেউ খালি হাতে ফিরেনি তার নিকট থেকে। প্রতিবন্ধী, বিধবা,রোগাক্রান্ত, অসহায় দুস্থ্ পরিবারের পাশে তিনি সব সময়ই থেকেছেন। শুধু তাই নয়,গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্যও বাড়িয়ে দিয়েছেন সহায়তার হাত। অর্থ দিয়ে না পারলেও মানুষের বিপদে আপদে স্বশরীরে দৈহিক বা মানসিক সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেন । প্রায় দেখা যায় অনেক ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে । মানুষের বিপদে আপদে ২৪ ঘন্টা তাঁর সেবার দরজা খোলা ।

দেশে যখন মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন শুরু হয় তখন অনেক মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। তখন নিজ উদ্যোগে প্রায় তিন হাজার মানুষের কাছে নিজ হাতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছিয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরে ৪০০ থেকে ৫০০ লোককে দেয়া হয় শীতবস্ত্র । পাশাপাশি আরো অনেক সামাজিক কাজও তিনি করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে সেবামূলক যে কোন কাজে সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েছেন । পেয়েছেন আর্মি হারুনের বুকভরা ভালবাসা। রাস্তার পথশিশু, পাগল/পাগলীদের নিয়ে একসাথে এক টেবিলে হোটেলে খেতেও দেখা গেছে তাকে। নিয়মিত  রক্ত দিতেও দেখা গেছে অসহায় রুগীকে। সমাজের তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এই সমাজ সেবক।শুধু তাই নয়, সমাজের চোখে নিম্ন শ্রেণীর মানুষের তিনি যে কত সহজে আপন করে বুুকে টেনে নিয়েছেন সেটারও আবেকঘন দৃশ্যটি আমাদের চোখে পড়ে।

মোহাম্মদ হারুনর রশিদ তার এই মানব সেবার বিষয়ে আরো জানান, মানব সেবা এখন তার নেশায় পরিণত হয়েছে। লোহাগাড়া তথা পদুয়ার মানুষগুলোকে অনেক ভালোবাসি। তারা যখন হারুন ভাই বলে বুকে জড়িয়ে নেয়,তখন মনটা ভরে যায়। মানুষের ভালোবাসার কাছে পৃথিবীর সব কিছুই মূল্যহীন বলে মনে হয়। ৪৮ বছরের এই হরুন আজ হতে পারেন এ সমাজের জন্য একটা দৃষ্টান্ত। যে বয়সটি অবসরের, যে বয়সটি পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর, সেই বয়সটি তিনি কাটিয়েছেন নিভৃত সমাজের অবহেলিত মানুষগুলোর সাথে।